«

»

এপ্রিল ০২

সদালাপে লেখা পাঠানোর নিয়ম

লেখা পাঠানোর নিয়ম

আপনার প্রথম লেখাটি সরাসরি editor@shodalap.org বরাবর ই-মেইলের মাধ্যমে ওয়ার্ড অথবা টেক্সট হিসেবে পাঠিয়ে দিন। টেক্সট হিসাবে পাঠালে ছবিগুলি আলাদা এটাচমেন্ট হিসাবে দিতে হবে। একটি অথবা দু’টি লেখা প্রকাশের পর সাধারণত সরাসরি লেখা প্রকাশের সুবিধা পাওয়া যায়। লেখা তৈরীর পূর্বে অনুগ্রহ করে সদালাপের নীতিমালা পড়ুন।

লেখা পাঠানোর সময় নিম্নলিখিত বিষয়গুলি এড্রেস করুন-

১. এটি কি আপনার অরিজিনাল লেখা? পূর্বে কোথাও কি এটি প্রকাশ করেছেন?

২. আপনার পূর্বে প্রকাশিত (যদি থেকে থাকে) অন্ততঃ একটি লেখার লিঙ্ক বা রেফারেন্স দিন।

৩. সদালাপে আমরা স্বনামে লেখা উৎসাহিত করি। কম্পেলিং কোন কারণ না থাকলে নিজ নামে লিখুন।

৪. আপনার সম্পর্কে একটি ইন্ট্রডাকটরি প্যারাগ্রাফ লিখে পাঠান। সেখানে অনুগ্রহ করে আপনার এক্সপার্টিজ উল্লেখ করবেন। সদালাপে ইনফর্মড ও ইন্টেলেকচুয়াল ডিসকোর্স এনকারেজ করতে এই তথ্য কাজে লাগে।

কোন প্রশ্ন থাকলে এখানে মন্তব্যের ঘরে করুন।

ধন্যবাদ। সম্পাদক, সদালাপ।

৮৬ মন্তব্য

এক লাফে মন্তব্যের ঘরে

  1. এস. এম. রায়হান

    লেখা তৈরী করে ই-মেইলে পাঠাতে কেউ কেউ ঝামেলা মনে করতে পারেন – বিশেষ করে ফাস্ট ব্লগিং-এর যুগে। এরকম কিছু মন্তব্য নজরেও পড়েছে। তার চেয়ে ভালো হয় যদি কেউ রেজিস্ট্রেশন করে নিজেই সদালাপে লেখা তৈরী করে সাবমিট করতে পারে্ন। তবে লেখাটি প্রকাশ না হয়ে সম্পাদকের অ্যাপ্রুভালের জন্য পেন্ডিং অবস্থায় থাকবে। এতে করে দুটি সুবিধা হবে: ১) লেখকরা কিছুটা বাড়তি স্বাধীনতা পাবেন, ও ২) ই-মেইল থেকে লেখা কপি করে সদালাপে পোস্ট করার ঝামেলা থেকে সম্পাদক মুক্তি পাবেন।

    1. ১.১

      vai kibabe bangla likhbo, aktu bujiye bolen ple.

    2. ১.২
      আদনান

      ঠিক বলেছেন এটাই সেকেন্ড বেস্ট চয়েস 🙂

    3. ১.৩
      আব্দুল আওয়াল সুমন

      @এস. এম. রায়হান:
      রায়হান ভাই সালাম নিবেন। বিবর্তনবাদ সম্পর্কে পূর্বে সামান্য কিছু ধারনা ছিল। আপনার লেখাগুলো পড়ে আরও অনেক জানলাম। Much obliged to you. একটি প্রশ্ন, রেজিষ্টেশন করার পর নিজে লেখা তৈরি করার জন্য কোথায় লিখতে হবে?

      1. ১.৩.১
        এস. এম. রায়হান

        ধন্যবাদ। এই পোস্টেই তো সদালাপে লেখা পাঠানোর নিয়ম বলা হয়েছে!

  2. মুহাম্মাদ

    সদালাপে কি এমন কোনও লেখা পাঠানো যাবে যাতে ইসলামের সাথে যৌক্তিক বিরোধ রয়েছে … যেমন ধরুন 'বিবর্তন' বিষয়ক ।  

  3. সদালাপ কর্তৃপক্ষ

    যাবে। লেখা পাঠনোর আগে সদালাপের বিবর্তনবাদ আর্কাইভ থেকে কিছু লেখা পড়ে নিলে আলোচনায় সুবিধা হবে। 

  4. আলী ইমরান

    বিদ্রোহী কবি কাজী নজরূল ইসলাম ছিলেন একজন বড়ধরনের মানুষ, বড় ধরনের আলেম এমনকি একজন আধ্ন্যাতিক জগতের মানুষ। নজরূলের প্রায় সব অভিজ্ঞতাই আছে। নজরুল মাঠে, ময়দানে, যাত্রা পালায়, রূপে, গুনে, সৌন্দর্যে, মাধুর্যে প্রায় সব জায়গাতেই ভালো পারফমেন্স দেখিয়েছেন এমনকি কষ্টকেও । নজরুলকে আর কেই ভালোবাসুক বা  না বাসুক কষ্ট তাকেই ভালোবেসেছে কাছে টেনেছে। যার বিনিময়ে নজরুল পেয়েছেন বিধাতার তরফ হতে পাওয়া আধ্ন্যাতিক জ্ঞান। নজরূল আমাদের প্রেরণা আমাদের উৎসাহ , প্রেষণা। আমার দৃষ্টিতে পরম শ্রদ্ধেয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম একজন পীড়, ওলী, গাউস, কুতুবদের তালিকায়। নজরুলের আত্না পবিত্র আত্না।

    1. ৪.১
      মুনিম সিদ্দিকী

      হ্যা ভাই আপনার পীরে কামেলের এই লেখা গুলো পড়ে দেখবেন তাহলে অশেষ সওয়াব হাসিল করবেন।

  5. সাইফুল ইসলাম

    হেব্বি ঝামেলা লিখুম না ।

  6. mohammad salek parvez

    আসসালামু আলাইকুম

    বেশ কিছুদিন আগে ( 24/7/2013 ) আমি একটি লেখা ( ফাইলের নাম merajfnl ) পাঠাই। সদালাপে আমার প্রথম লেখা ।  'হা' বা 'না' কোন একটি জবাবের প্রত্যাশায় আছি। হয়তো লগ ইন করি নি বলে, এখনো কোন উত্তর পাই নি। তাই  log in করার পর  ঐ মেইলটি আজ কে আবার পাঠালাম। আসলে আমি এটাই বুঝতে পারছি না যে আমার লেখাটি যথাযথ কর্তৃপক্ষের নিকট পৌঁছেছে কি না ।

    ধন্যবাদ

    মোহাম্মদ সালেক পারভেজ

  7. মাহফুজ

    এত্ত নিয়ম!!??
    লেখা পাঠালাম। ছাপাবেন কি ছাপাবেন না, সেটা আপনাদের বিষয়-

    স্টিফেন হকিং ও তার রূপকথা তত্ত্ব-

  8. fozli.com

    "(১/ ৩৫৯) ফজলি আম " নামে একটি লিখা পাঠালাম ।

    সমস্যা থাকলে জানাবেন ।

  9. সায়িদ মাহমুদ

    সর্বত্র সহজ ও সর্টকাটের যুগে এমন কঠিন কন্ডিশন কাম্য নয়। তার চেয়ে বরং রেজিষ্টার্ট মেম্বারদের পাঠানো লিখা গুলো সম্পাদনের পর এপ্রুভাল করা যায়, হেন তেন, এটা করো ওটা করো, এইসব কন্ডিশন চরম বিরক্তিকর।

    1. ৯.১
      মাহফুজ

      একেবারে ঠিক বলেছেন- এত কণ্ডশন রাখার কোন মানেই হয়না। 
      এরূপ 'চিকেন হার্ট' নিয়ে ভাল কিছু আশা করা যায় কি?
      সরাসরি পোষ্ট ও কমেন্ট করতে দেয়ার বিষয়ে ভাবা উচিত।

      1. ৯.১.১
        মুনিম সিদ্দিকী

        সদালাপের মডারেটর সাহেব কোন কারণে বোধহয় নেট থেকে দূরে তাই লেখা গুলো প্রকাশ হতে দেরি হয়ে যাচ্ছে। আশাকরি তিনি সত্বর আপনার বিষয়ে সাড়া দিবেন। ধন্যবাদ।

    2. ৯.২
      সদালাপ কর্তৃপক্ষ

      নিজের নামে লেখা, যে বিষয়ে লেখকের পড়াশোনা আছে- সে বিষয়ে লেখা, কপি পেষ্ট না করে মৌলিকলেখা লেখা এই সাধারণ কয়েকটি বিষয়কে ‘হেব্বি ঝামেলা’ মনে হচ্ছে কেন? 

      "গাছের পাতা নড়ে চড়ে, আপনার কথা মনে পড়ে" – এজাতীয় লেখা ছাপাতে আমরা অপারগ। সদালাপের কজের প্রতি যদি মমতা থাকে, তাহলে অনুগ্রহ করে সামান্য ঝামেলা করেই প্রথম লেখাটি এপ্রুভ করিয়ে সরাসরি পোষ্ট ও কমেন্ট করার সুবিধা গ্রহণ করুন। স্পাম থেকে সাইটটিকে রক্ষা করতে এরকম সাধারন কিছু নিয়মের প্রয়োজন রয়েছে।  

      শারফা (সত্যিকার নাম নয়) নামে একজন কোরাণের ব্যাকরণগত মাহাত্ম্য নিয়ে একটি বেশ বড় লেখা পাঠালেন। তাঁর কাছে জানতে চাইলাম তিনি আরবী ভাষা জানেন কি না? তিনি সেটি জানেন না কিন্তু এটি জানালেন যে আরবী ব্যাকরণ তিনি ভাল জানেন। যেহেতু সদালাপে আমরা এটা স্বীকার করিনা যে যোগ-বিয়োগ না শিখে কেউ গুণ-ভাগ শিখতে পারে, তাই তার লেখাটি প্রকাশ করতে পারিনি। একই ধরণের অনেকগুলি ঘটনা ব্যাকগ্রাউন্ডে ঘটে। যেকোন পত্রিকা চাইবে কোয়ালিটি কন্ট্রোল করতে, আশাকরি এই ব্যাপারগুলি সহৃদয় বিবেচনা করে লেখা প্রকাশের প্রাথমিক পরিশ্রম করতে সদালাপে অংশগ্রহণ করতে আগ্রহী লেখকেরা সম্মত হবেন। ধন্যবাদ। সবাই ভালো থাকবেন।

      1. ৯.২.১
        রিজভী আহমেদ খান

        কর্তৃপক্ষেরর সাথে আমি একমত।

  10. ১০
    মাহফুজ

    একজন চিন্তাশীল মানুষ যখন লেখালেখি শুরু করেন তখন তার মাঝে অনেক ভুল বা অসম্পূর্ণতা থাকতেই পারে। তার দূর্বলতাগুলোকে কাটিয়ে ওঠার জন্য ভাব বিনিময়ের সরাসরি ও সহজ সুযোগ কোরে দেয়াই উত্তম নয় কি?

    "গাছের পাতা নড়ে চড়ে, আপনার কথা মনে পড়ে"- এই জাতিয় লেখা যদি কেউ লিখেও থাকেন তারপরও সেই লেখা প্রকাশের সুযোগ দিয়ে তার মাঝে কি কি নেগেটিভ পয়েন্ট রয়েছে তা নিয়ে সমালোচনা বা আলোচনা করলে এতেও তো তার ভবিষ্যতের জন্য ভাল হতে পারে।

    তবে সদালাপ যদি শুধুমাত্র ইন্টেলেকচুয়ালদেরই প্লাটফর্ম হয়ে থাকে তাহলে ভিন্ন কথা।  

    ধন্যবাদ-

    1. ১০.১
      সদালাপ কর্তৃপক্ষ

      মাহফুজ সাহেব, সদালাপে আমরা স্প্রিন্টার নই, ম্যারাথনে নেমেছি। আপনি যেটি বলেছেন, একজন চিন্তাশীল মানুষ যখন লেখালেখি শুরু করেন তখন তার মাঝে অনেক ভুল বা অসম্পূর্ণতা থাকতেই পারে। এব্যাপারে কোন দ্বিমত নেই। চিন্তাশীল লেখাকে নিরুৎসাহিত করার মত দুর্মতি সদালাপের কখনো হয়নি। আমরা এটাই উৎসাহিত করি। একটা জিনিস বুঝতে পারছি না, আপনি কেন মনে করছেন- ভাব বিনিময়ের সরাসরি ও সহজ সুযোগ সদালাপ করে দিচ্ছে না? সদালাপ ইন্টেলেকচুয়াল ডিসকোর্স এনকারেজ করে কিন্তু এটি কোনক্রমেই ‘শুধুমাত্র ইন্টেলেকচুয়ালদেরই প্লাটফর্ম’- নয়। লক্ষ্য করেছেন নিশ্চয়ই, এখানে আমাদের কজের প্রতি কাজ করতে যেমন অনেকেই আসেন, তেমনি ঢিল ছুঁড়তেও অনেকে আসেন। শুধুমাত্র নাম দেখে তো সেটি বোঝার উপায় নেই। পূর্বে অপ্রকাশিত একটি মৌলিক লেখা পাঠিয়ে দিন, সদালাপে প্রকাশ হোক, সেখানে কথা বলি। ধন্যবাদ।   

      1. ১০.১.১
        মাহফুজ

        এই লেখাটা পাঠালাম পছন্দ এবং সম্ভব হলে প্রকাশ করতে পারেন- ধন্যবাদ

         

        আসুন! দ্বীন পালনে মধ্যপন্থা অবলম্বন করি-

         

        সব সময় মনে রাখতে হবে যে, দ্বীন ইসলাম পালনের ক্ষেত্রে গড্ডালিকা প্রবাহে গা ভাসিয়ে চরমপন্থা অবলম্বনের মাধ্যমে আল-কোরআনের মৌল নির্দেশনা বহির্ভূত অতিরিক্ত আরোপ কোরে বাড়াবাড়ি করা যেমন অন্যায়, তেমনি একেবারে উদাসীন থাকা অথবা নিজের সুবিধামত কাটছাট কোরে নেয়াও অন্যায়। এই দুইয়ের কোনটাই কাম্য নয়, বরং জুলুম করারই নামান্তর।

        আল-কোরআন-
        সূরা আল ফাতিহা (মক্কায়অবতীর্ণ ক্রম- ৫)
        (০১:০৬) অর্থ- আমাদেরকে সরল-সোজা পথ দেখাও
        সূরা বাকারা (মদীনায় অবতীর্ণ ক্রম- ৮৭)
        (০২:১৪২) অর্থ- লোকদের মধ্যকার নির্বোধরা বলবে, কিসে তাদেরকে ফিরিয়ে দিল তাদের ঐ কেবলা থেকে, যার উপর তারা ছিল? আপনি বলুন, পূর্ব ও পশ্চিম আল্লাহরই। তিনি যাকে ইচ্ছা সোজা-সরল পথে পরিচালিত করেন। 
        (০২:১৪৩) অর্থ- আর এমনিভাবে আমরা (আল্লাহ- সম্মান সূচক) তোমাদেরকেমধ্যবর্তী/মধ্যপন্থী সম্প্রদায় করেছি যাতে করে তোমরা সাক্ষ্যদাতা হও মানবমণ্ডলীর জন্যে এবং যাতে রসূল সাক্ষ্যদাতা হন তোমাদের জন্য। আর আমরা বানাতাম না প্রার্থনার দিকটি যার উপরে আপনি ছিলেন, যদি না আমরা যাচাই করতাম যে, কে রসূলের অনুসারী থাকে আর কে পিঠটান দেয়। বস্তুত নিঃসন্দেহে এটা ছিল এক মস্ত বিষয়, কিন্তু তাদের জন্যে নয় যাদেরকে আল্লাহ পথপ্রদর্শন করেছেন। আল্লাহ এমন নন যে, তোমাদের ঈমান নিষ্ফল করে দেবেন। নিশ্চয়ই আল্লাহ, মানুষের প্রতি অত্যন্ত স্নেহশীল, পরম-করুণাময়।
        (وَسَطًا – Wasat – just and the best – চরমপন্থী ও আত্মম্ভরী-দাম্ভিক নয় কিংবা উদাসীন ও নির্বোধ নয়, বরং এ দুয়ের মধ্যবর্তী বা মধ্যপন্থী অর্থাৎ ন্যায়ানুগ/সুবিচারপূর্ণ/উত্তম সম্প্রদায়)
        …………………………………………….
        আল-কোরআন-
        সূরা লোকমান (মক্কায় অবতীর্ণ ক্রম- ৫৭)
        (৩১:১৭) অর্থ- হে বৎস! নামায কায়েম কর, সৎকাজে নির্দেশ দাও ও মন্দকাজ নিষিদ্ধ কর, আর তোমার উপরে যাই ঘটুক তা সত্বেও সবর কর। নিশ্চয় এ ব্যপারে দৃঢ়সংকল্পের প্রয়োজন হয়। 
        (৩১:১৮) অর্থ- আর মানুষের প্রতি তোমার চিবুক ঘুরিয়ে নিও না এবং পৃথিবীতে মহোল্লাসে চলাফেরা করোনা। নিঃসন্দেহে আল্লাহ কোন দাম্ভিক আত্মম্ভরীকে পছন্দ করেন না।
        (৩১:১৯) অর্থ- আর পদচারণায়/চলাফেরায় মধ্যবর্তিতা/ মধ্যপন্থা (اقْصِدْ) অবলম্বন কর এবং কণ্ঠস্বর নীচু কর। নিঃসন্দেহে সমস্ত আওয়াজের মধ্যে সর্বাপেক্ষা কর্কশ হচ্ছে গাধারই স্বর। 
        (৩১:৩২) অর্থ- যখন তাদেরকে মেঘমালা সদৃশ তরঙ্গ আচ্ছাদিত করে নেয়, তখন তারা আল্লাহকে ডাকতে থাকে- দ্বীনের প্রতি একানিষ্ঠ হয়ে। অতঃপর তিনি যখন তাদেরকে স্থলভাগের দিকে উদ্ধার করে আনেন, তখন তাদের মধ্য থেকে কেউ হয় (مُقْتَصِدٌ) মধ্যপন্থী এবং অস্বীকার করেনা আমার নিদর্শনাবলীকে- প্রত্যেক বিশ্বাসঘাতক ও অকৃতজ্ঞ ব্যতিত ।
        সূরা ফাতির (মক্কায় অবতীর্ণ ক্রম- ৪৩)
        (৩৫:৩২) অর্থ- অতঃপর আমরা (আল্লাহ- সম্মান সূচক) এ কিতাবের উত্তরাধিকারী করেছি তাদেরকে যাদেরকে আমরা আমাদের (আল্লাহ- সম্মান সূচক) বান্দাদের মধ্য থেকে মনোনীত করেছি। অতঃপর তাদের মধ্য থেকে কেউ হয় নিজের প্রতি অত্যাচারী/যালিম, আর তাদের মধ্য থেকে কেউ হয় (مُقْتَصِدٌ) মধ্যপন্থী এবং তাদের মধ্য থেকে কেউ হয় আল্লাহর অনুমতিক্রমে ভাল কাজে অগ্রগামী। এটাই তো মহা অনুগ্রহ। 
        ………………………………
        হাদিছ-
        Narrated Abu Sa'eed Al-Khudri: 
        Grade: Da'if (Darussalam)
        from the Prophet (sw), that he said about this Ayah: 'Then We gave the Book the as inheritance to such of Our worshipers whom We chose. Then of them are some who wrong themselves, and of them are some who follow a middle course, and of them are some who are, by Allah's Leave, foremost in good deeds (35:32). He said: "All of these people are of the same rank, and all of them are in Paradise."

        English reference: Vol. 1, Book 44, Hadith 3225
        Arabic reference: Book 47, Hadith 3532
        …………………………………………………..
        Narrated Abu Huraira: 
        Allah's Messenger (sw) said, "The deeds of anyone of you 
        will not save you (from the (Hell) Fire)." They said, "Even 
        you (will not be saved by your deeds), O Allah's 
        Messenger (sw)?" He said, "No, even I (will not be saved) 
        unless and until Allah bestows His Mercy on me. 
        Therefore, do good deeds properly, sincerely and 
        moderately, and worship Allah in the forenoon and in the 
        afternoon and during a part of the night, and always adopt 
        a middle, moderate, regular course whereby you will reach 
        your target (Paradise)

        Reference: Sahih al-Bukhari 6463, In-book reference: Book 81, Hadith 52
        USC-MSA web (English) reference: Vol. 8, Book 76, 
        Hadith 470
        ………………………………………………….
        Abu Huraira reported Allah's Messenger (sw) as saying: 
        Observe moderation in deeds (and if it is not possible, try 
        to be near moderation) and understand that none amongst 
        you can attain salvation because of his deeds alone. They 
        said: Allah's Messenger, not even you? Thereupon he 
        said: Not even I, but that Allah should wrap me in His 
        Mercy and Grace.

        Reference: Sahih Muslim 2816, In-book reference: Book 52, Hadith 70
        USC-MSA web (English) reference: Book 39, Hadith 6765
        ………………………………………..
        Narrated `Aisha: 
        The Prophet (sw) said, "Do good deeds properly, sincerely 
        and moderately, and receive good news because one's 
        good deeds will not make him enter Paradise." They 
        asked, "Even you, O Allah's Messenger (sw)?" He said, 
        "Even I, unless and until Allah bestows His pardon and 
        Mercy on me."

        Reference: Sahih al-Bukhari 6467, In-book reference: 
        Book 81, Hadith 56
        USC-MSA web (English) reference : Vol. 8, Book 76, 
        Hadith 474
        ……………………………………………………
        সুতরাং ইহকালীন ও পরকালীন শান্তি ও মুক্তি লাভের জন্য মুসলিম মাত্রই 
        আল-কারআনের মৌল বিধান ও সেই অনুসারে রাসূল (সাঃ) আদর্শ পালনে 
        সচেষ্ট হতে হবে। ধর্মের ব্যাপারে অতিরঞ্জন কিংবা উপেক্ষা/ অবহেলা নয়, 
        বরং আবেগ-উত্তেজনা নিয়ন্ত্রণে রেখে বাঁকা পথ ছেড়ে সরল-সোজা পথে 
        চলার জন্য মধ্যপন্থা অবলম্বন করাই উত্তম ও কল্যাণকর। মনে রাখতে হবে যে, সৎকর্ম করার সাথে সাথে ভুল-ত্রুটির জন্য সর্বদা মহান স্রষ্টার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করার মাধ্যমেই প্রকৃত মুক্তি ও শান্তি মিলতে পারে।
        …………………………………………….
        "ক্ষমা কর মোরে"

        যদি এমন হত, জন্ম থেকে মৃত্যুর পরও
        শুধু তুমি আর আমি,
        কিন্তু হায়! পারিনি এখনো
        পরম পাওয়ার তরে অযাচিত মোহ ছেড়ে
        শুধু তোমারই হতে,
        শাশ্বত প্রেমের ঘোরে দেহ-মন এক কোরে
        তোমাতে হারিয়ে যেতে,
        হায়! পারিনি এখনো
        তোমার নূরের ছোঁয়ায় আত্মা আলোকিত কোরে
        সকল সৃষ্টি সেবায় উদার উদ্যোগ নিতে,
        যেভাবে বলেছ তুমি ঠিক সেপথ ধরে
        খাঁটি প্রেমিকের মত পূর্ণ অনুগত হতে।
        অনুতপ্ত হৃদয় মোর সদা অনুতাপ করে
        ক্ষমাভিক্ষা চাই প্রভু পাপ মুক্তির তরে। 

  11. ১১
    সুলতান মাহমুদ

    স্রষ্টাকে কে সৃষ্টি করল? শিরনামে একটি আরটিক্যাল কয়েক মাস আগে ই-মেইল করেছিলাম, কিন্তু সদালাপ কর্তৃপক্ষ লেখাটি প্রাকশ করেনি। তাই আবারও ই-মেইল করেছি, আশাকরি সদালাপ কর্তৃপক্ষ লেখাটির প্রতি দৃষ্টি দিবেন। আর যদি লেখাটি প্রকাশ করা না হয়, তাহলে সদালাপ কর্তৃপক্ষের কাছে অনুরুধ কি কারনে লেখাটি প্রকাশ করা হয়নি ই-মেইল করে জানানের জন্য। 

    1. ১১.১
      সদালাপ কর্তৃপক্ষ

      @সুলতান

      আপনার লেখাতে বিজ্ঞানের একটি মৌলিক বিষয়ে কোয়েসচেনেবল ব্যাখ্যা রয়েছে। অথচ এটাকেই আপনি ব্যবহার করেছেন আপনার প্রধাণ আরগুমেন্টের সাপোর্টে। লেখাটি প্রকাশ করে দেব, সেখানেই আলোচনা হোক। লেখায়, ব্যখ্যায় ভুল ভ্রান্তি থাকতে পারে। নিয়াৎ ভাল থাকলে, এবং সাজেসন গ্রহণে রিসেপ্টিভ হলে, অনেক কিছু সহজ হয়। লেখা প্রকাশের পর আলোচনায় অংশগ্রহণ করুন। ধন্যবাদ।  

      1. ১১.১.১
        সুলতান মাহমুদ

        @সদালাপ কর্তৃপক্ষ

        প্রথমেই ধন্যবাদ লেখাটি প্রকাশের আশ্বাস দেওয়ার জন্য। আসলে লেখাটি নিয়ে অনেকের (নাস্তিকের) সাথে তর্ক হয়েছে, যার ফলে কিছু সামান্য করেকশন করে আপনাদের কাছে ই-মেইল করেছি। হয়তো আরো ভুল থাকতে পারে, যা আলোচনার মাধ্যমে সংশোধন করা যাবে। লেখাটি প্রকাশের পর জানাবেন, আমিও আলোচনা করে লেখাটিকে একটা পূর্নাঙ্গ রূপ দিতে চাই এবং আপনাদের একান্ত সহযোগিতা কামনা করছি।

  12. ১২
    সুলতান মাহমুদ

    সদালাপ কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছি, আমার প্রকাশিত সদালাপে প্রথম পোষ্টটির "স্রষ্টাকে কে সৃষ্টি করল" এর কিছু ফ্রন্ট দেখা যাচ্ছে না, আমি অনুরুধ জানাচ্ছি সমস্যটা সমাধান করার জন্য। কারণ এটি নিয়ে আমার অনেক আলোচনা করার আছে, যার জন্য তথ্য গুলো প্রয়োজন। 

  13. ১৩
    শাহরিয়ার হাসান

    যারা ডাঃ জাকির নায়েককে পথভ্রষ্ট মনে করেন তাদের উদ্দেশে কিছু কথাঃ    

    আমাদের বাঙালিদের একটা সমস্যা যাকে ভালবাসি তাকে ফেরেশতা বানিয়ে ফেলি, যাকে পছন্দ করি না  তাকে শয়তান বানিয়ে ফেলি। মোট কথা হচ্ছে এই জামানায় আমরা কেউই ১০০% বিশুদ্ধ হতে পারব না। এখন সাহাবীদের যুগ নেই, এখন তাবেঈনদের যুগ নেই, তাবে তাবেঈনদের যুগও নেই। এতএব বলা যায়, জাকির নায়েক ফেরেশতা হতে পারেন না। তার কিছু ভুল থাকতেই পারে, মানুষ মাত্রই ভুল করে। তার বিরুদ্ধে যে অভিযোগগুলো করা হচ্ছে তা পর্যালোচনা করে দেখা যায়, বেশিরভাগই তাঁর বক্তব্যকে ভুল ভাবে উপস্থাপন করা হচ্ছে বা অভিযোগকারীরা তাঁর বক্তব্য বুঝতে ভুল করছেন। কিন্ত একশ্রেণীর পথভ্রষ্টরা জাকির নায়েককে বাতিল প্রমানের জন্য উঠেপড়ে লেগেছে। এমনকি জাকির নায়েকের বিরুদ্ধে কুফুরির ফতওয়াও জারি করছে।  জাকির নায়েকের  বিরুদ্ধে কথা বললে, আল্লাহ্‌ খুসি হয় কিনা জানি না। শয়তান খুসি হয় কিনা তাও  জানি না। তবে এটা জানি জাকির নায়েক এর বিরুদ্ধে কথা বললে, ইহুদি- খ্রিস্টান, নাস্তিকরা প্রচণ্ড খুসি হয়। কারন জাকির  নায়েকই একমাত্র বেক্তি যিনি  এই জামানায় ইহুদী, খ্রিস্টান, নাস্তিকদের বিরুদ্ধে তর্ক, বিতর্ক করে চলেছেন। যারা জাকির নায়েকের বিরোধিতা করছেন তাদের বুঝা উচিত অমুসলিমকে বা নাস্তিককে দাওয়াত দিতে হলে এমন একজন বেক্তির প্রয়োজন যিনি বিজ্ঞান জানেন, তাদের মতাদর্শ বুঝেন এবং তাদের সাথে বিতর্ক করতে সক্ষম। এটা ঠিক যে ইসলামের পক্ষে কথা বললে  বাধা আসবেই। রাসুল(স) এর বিরুদ্ধে প্রায় দশ হাজারের বেশি বই লিখা হয়েছে। তাই জাকির নায়েক এর বিরুদ্ধে বাতিলরা প্রচারনা চালাবে এটাই স্বাভাবিক। যারা জাকির নায়েকের বিরুদ্ধে লেগেছেন তাদের কিছু প্রশ্ন করতে চাই,  আপনি কয়জন অমুসলিমকে ইসলামের দাওয়াত দিয়েছেন???কয়জন নাস্তিককে ইসলামের দাওয়াত দিয়েছেন??? কতজনের সাথে ইসলাম নিয়ে তর্ক করেছেন???সে কি পরলো আর কি না পরলো এটা কি মুখ্য বিষয় নাকি তার ইসলামের দাওয়াত মুখ্য বিষয়??? নিজে যেটা করতে  পারছেন না সেটা অন্য কেউ করছে এতে আপনার এতো চুলকানী কেন??? তিনিতো এই আয়াতের উপর আমল করছেন "হে রসূল! আপনি পৌছে দিন যা আপনার রব-এর পক্ষ থেকে আপনার প্রতি অবতীর্ণ করা হয়েছে, যদি পৌছে না দেন, তাহলে আপনি আপনার রিসালাতের দায়িত্ব পালন করলেন না।  (৫.সূরাহ আল-মায়িদাহ :৬৭)"—আর আপনাদের জন্য এই আয়াত "একশ্রেণীর লোক আছে যারা মানুষকে আল্লাহর পথ থেকে গোমরাহ করার উদ্দেশে অবান্তর কথাবার্তা সংগ্রহ করে অন্ধভাবে এবং উহাকে নিয়ে ঠাট্টা-বিদ্রুপ করে। এদের জন্য রয়েছে অবমাননাকর শাস্তি। (৩১. সুরা লুকমান: ৬)"

     

  14. ১৪
    মাহফুজ

    টেক্সট হিসাবে পাঠালে কি এখানেই পাঠাতে হবে? ছবি কিভাবে এটাচ করতে হবে?

    আমার এই লেখাটা প্রকাশ করা হলোনা কেন? জানালে খুশি হব-

    ধন্যবাদ-

     

    1. ১৪.১
      ফাতমী

      @মাহফুজ

      "আপনার প্রথম লেখাটি সরাসরি editor@shodalap.org বরাবর ই-মেইলের মাধ্যমে ওয়ার্ড অথবা টেক্সটহিসেবে পাঠিয়ে দিন।" 

      আপনি মেইল করেন, মন্তব্যের ঘরে লেখা পাঠাতে বলা হয়নি। ইমেইল দিতে বলা হয়েছে। আপনি মেইল করুন, তাহলেই সম্পাদক সাহেব আপনার লেখা পড়বেন, তিনি ইমেইলের জবাবও দেন। ধন্যবাদ। 

  15. ১৫
    মাহফুজ

    @editor/ফাতেমী সাহেব,
    সরাসরি মন্তব্য প্রকাশের ব্যবস্থা নয়ার জন্য ধন্যবাদ জানাচ্ছি-
    ভাই! যদি কিছু মনে না করেন, একটি প্রস্তাব রাখতে চাই-
    এখানেই সরাসরি লেখা পাঠানোর ব্যবস্থা নিলে কেমন হয়? এরপর আপনার/আপনাদের দৃষ্টিতে প্রকশের যোগ্য বিবেচিত হলে না হয় প্রকাশ করবেন। এতে প্রসিডিওরটা তো অন্তত কিছুটা সহজ হবে- তাইনা?
    আশাকরি প্রস্তাবটা ভেবে দেখবেন।
    সালাম-

    1. ১৫.১
      ফাতমী

      @মাহফুজ,

      সদালাপের সম্পাদক সাহেব হলেন এম ইউ আমান। আপনি উপরুক্ত ই-মেইলে সম্পাদক সাহেবের সাহিত যোগাযোগ করতে পারেন।

      আমি সদালাপের পুরাতন পাঠক হিসাবে মন্তব্য করেছি। সদালাপের নিয়ম মতে প্রথম লেখা ই-মেইল করে সম্পাদকের সাহায্যে প্রকাশ করতে হয়। পরবর্তী লেখা নিজে নিজেই সরাসরি প্রকাশ করতে পারবেন। এতে করে স্পামের হাত থেকে সাইটটি রেহাই পায়।

       

       

      1. ১৫.১.১
        মাহফুজ

        ওহ, আচ্ছা! আপনি তাহলে- পুরাতন পাঠক? জানতাম না ভাই- সরি  

  16. ১৬
    এনামুল মামুন১৩০৫

    এখানে কি গল্প লিখা যাবে? আর সকল লেখা কি ই-মেইল করে পাঠাতে হবে? দুই তিনটা লেখা প্রকাশের পর কি সরাসরি লিখা প্রকাশ করা যাইনা?

    1. ১৬.১
      সদালাপ কর্তৃপক্ষ

      খুব লেখা যাবে। মান সম্পন্ন গল্প আমরা আনন্দের সাথে প্রকাশ করি। সাধারণত একটি বা দু’টি লেখা প্রকাশের পর, সরাসরি লেখা প্রকাশের সুবিধা পাওয়া যায়। ধন্যবাদ।

  17. ১৭
    এনামুল মামুন১৩০৫

    আমি দুইটা লেখা পাঠাইলাম, সাথে আমার পরিছয়ও পাঠাইলাম। কিন্তু আপনারা  আমার লেখা পাবলিশ করলেননা, এবং আমার মেইলের কোন জবাবও দিলেননা। আমি বুজতে পারছিনা, কেন এমন করেছেন।
    যাই হোক, লেখা পাঠানোর জন্য আমাকে এর বাইরে কি আর কোন কিছু করতে হবে?

    আর কেন প্রকাশ করলেননা জানাবেন

     

    1. ১৭.১
      সদালাপ কর্তৃপক্ষ

      পূর্বে  অপ্রকাশিত একটি মৌলিক লেখা নিয়ে সদালাপে আসুন। যে সম্পর্কে আপনার এক্সপার্টিজ/ট্রেনিং আছে সেগুলি নিয়ে লিখুন।  

      যেমন উল্লেখ করেছেন, সাহিত্য নিয়ে পাঠানো লেখাটি আরেকটি ব্লগে পূর্বে প্রকাশ করেছেন। লেখায় চিন্তার ধারাবাহিকতা ও বানানরীতির ব্যপারে যত্নবান হওয়ার ব্যাপারগুলি বিবেচনা করতে পারেন। আফটার অল আপনার লেখার বিষয় হিসেবে ‘বাঙলা সাহিত্য’ কে বেছে নিয়েছেন।

  18. ১৮
    রাসেল ইউসুফী

    সম্পাদক সমীপে,

    প্রিয় মহোদয়,

    আসসালামু আলাইকুম। আমার বাজে লেখাটি প্রকাশ করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ। সদালাপে লেখার ইচ্ছা অনেকদিন ধরে ছিল।আল্লাহর রহমতে গতকাল সেই ইচ্ছা পূরণ হয়েছে। 

    কিন্তু,লেখাটিতে এডিট অপশন নাই কেন? কিছু সংশোধনী আনার প্রয়োজন ছিল।

    উত্তরের আশায় রইলাম।আবারও ধন্যবাদ।

     

  19. ১৯
    রাসেল ইউসুফী

    এই পর্যন্ত সদালাপে তিনটি লেখা প্রকাশিত হয়েছে। কিন্তু এখনও এডিট অপশন পাচ্ছিনা। কবে পাওয়া যাবে জানালে প্রীত হব।

    1. ১৯.১
      মুনিম সিদ্দিকী

      ভাই সম্পাদক সাহেব হয়ত ব্যস্ত আছেন। আপনি যেখানে যেখানে এডিট করতে চান করে তা কমেন্টের ঘরে প্রকাশ করুন। যে সব সদস্যের এডিট করার সুযোগ আছে তারা তখন আপনার কমেন্টকে মুল ব্লগে পেস্ট করে দিতে পারবেন। ধন্যবাদ।

       

  20. ২০
    talhabinhusain

    আমার একটা লেখা এর আগে অন্য আরেকটি ব্লগে প্রকাশ করেছি। ওই লেখা টা কি এখানে দেয়া যাবে?

  21. ২১
    মাহফুজ

    এখানে আমন্ত্রণ- "আল-কিতাবা মুফাচ্ছালান" এর অনুবাদ প্রসঙ্গে

     

  22. ২২
    আবু আশফাক

    ব্লগে রেজিস্ট্রেশন করার অপশন পাচ্ছি না।

  23. ২৩
    sotto

    editor@shodalap.org ঠিকানাই নিচের লেখাটি পাঠিয়েছিলাম। কোন রেসপঞ্জ পেলাম না কেন জানিনা। তাই বাধ্য হয়ে এখানেও দিলাম।
    …………………………………………

    গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানতে চাই- কেউ আছেন কি?

    "সালামুন আলাইকুম"

    আপনাদের কাছে একটা বিষয় জানতে আগ্রহী। আশাকরি সঠিক তথ্য জানাবেন।

     সূরা আল বাক্বারাহ (২:১৯৭) নং আয়াতে বলা হয়েছে-

    ১/ অর্থ- [হজ্জের মাসসমূহ (একান্ত) সুপরিচিত। সে সময়গুলোর মধ্যে যে ব্যক্তি হজ (আদায়) করার মনস্থ করবে (সে যেন জেনে রাখে), হজের ভেতর কোন যৌন সম্ভোগ নেই, নেই কোন অশ্লীল গালিগালাজ ও ঝগড়াঝাটি, আর যতো ভাল কাজ তোমরা আদায় করো আল্লাহতায়ালা অবশ্যই তা জানেন, (হজের নিয়ত করলে) এর জন্য তোমরা পাথেয় যোগাড় করে নেবে, যদিও আল্লাহর ভয়টাই সর্বোৎকৃষ্ট পাথেয়, অতএব হে বুদ্ধিমান মানুষরা, তোমরা আমাকেই ভয় করো।

    ২/ অর্থ- হজ্জ্বে কয়েকটি মাস আছে সুবিদিত। এসব মাসে যে লোক হজ্জ্বের পরিপূর্ণ নিয়ত করবে, তার পক্ষে স্ত্রীর সাথে নিরাভরণ হওয়া জায়েজ নয়। না অশোভন কোন কাজ করা, না ঝাগড়া-বিবাদ করা হজ্জ্বের সেই সময় জায়েজ নয়। আর তোমরা যাকিছু সৎকাজ কর, আল্লাহ তো জানেন। আর তোমরা পাথেয় সাথে নিয়ে নাও। নিঃসন্দেহে সর্বোত্তম পাথেয় হচ্ছে আল্লাহর ভয়। আর আমাকে ভয় করতে থাক, হে বুদ্ধিমানগন! তোমাদের উপর তোমাদের পালনকর্তার অনুগ্রহ অন্বেষণ করায় কোন পাপ নেই।]

     

    —————————————-

    (২:১৯৭) নং আয়াতে স্পষ্টভাবে বলা হলো যে, হজ্জের মাসসমূহ (একান্ত) সুপরিচিত। সে সময়গুলোর মধ্যে যে ব্যক্তি হজ (আদায়) করার মনস্থ করবে অর্থাৎ শুধু যুল-হ্জ্জ মাসেই নয়, বরং কয়েকটি সুপরিচিত ও পবিত্র মাসের যে কোন সময় একজন মুসলিম যদি হজ করার মনস্থ করেন তাহলেই তিনি তার সেই ব্রত পালন করার অধিকার রাখেন। আল্লাহর স্মরণে আল-কোরআনে উল্লেখিত ফরজ কাজগুলো সম্পন্ন করার জন্য যে কয়েকটি দিনের প্রয়োজন হয় সেই নির্ধারিত দিনের মধ্যেই হজ সমাধা করার কথাই তো মহান স্রষ্টার কিতাবে উল্লেখ করা হয়েছে।

     

    সূরা আল বাক্বারাহ

    [(০২:১৮৯) অর্থ- তোমার নিকট তারা জিজ্ঞেস করে /'আল-আহিল্লাতি'/ নতুন চাঁদের 'বর্ধিঞ্চু দশাগুলোর' বিষয়ে। বলে দাও যে এটি মানুষের জন্য সময় নির্ধারণ এবং হজ্বের সময় ঠিক করার মাধ্যম। আর পেছনের দিক দিয়ে ঘরে প্রবেশ করার মধ্যে কোন নেকী বা কল্যাণ নেই। অবশ্য নেকী হল আল্লাহকে ভয় করার মধ্যে। আর তোমরা ঘরে প্রবেশ কর দরজা দিয়ে এবং আল্লাহকে ভয় করতে থাক যাতে তোমরা নিজেদের বাসনায় কৃতকার্য হতে পার।]     

     

    আর (০২:১৮৯) নং আয়াতে বলা হলো এই হজের মাস শুরু হবে যুল-হজ্জ মাসের চাঁদ ওঠার পর থেকেই। যেহেতু জীবনে একবার ফরজ হজ করা বাধ্যতামূলক এবং শেষ নবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) নিজেও পবিত্র মাসসমূহের প্রথম মাসে অর্থাৎ ৯ থেকে ১২ই যুল-হজ্জ একবারই ফরজ হজ করেছিলেন। কাজেই রাসূল (সাঃ) এর শেখানো নিয়ম মেনে আল-কোরআনে উল্লেখিত চারটি পবিত্র (যুল-হজ্জ, মহরম, সফর ও রবিউল আউয়াল) মাসের যেকোন সময় পৃথিবীর সকল মুসলিম ফরজ হজ করার অধিকার রাখেন।

     

    সূরা আত তাওবাহ (মদীনায় অবতীর্ণ)

    [(০৯:৩৬) অর্থ- নিশ্চয় আল্লাহর বিধান ও গননায় মাস বারটি, আসমানসমূহ ও পৃথিবী সৃষ্টির দিন থেকে। তন্মধ্যে চারটি সম্মানিত/পবিত্র। এটিই সুপ্রতিষ্ঠিত বিধান; সুতরাং এর মধ্যে তোমরা নিজেদের প্রতি অত্যাচার করো না। আর মুশরিকদের সাথে তোমরা যুদ্ধ কর সমবেতভাবে, যেমন তারাও তোমাদের সাথে যুদ্ধ করে যাচ্ছে সমবেতভাবে। আর মনে রেখো, আল্লাহ মুত্তাকীনদের সাথে রয়েছেন।  

    (০৯:৩৭) অর্থ- এই মাস পিছিয়ে দেয়ার কাজ কেবল অবিশ্বাসের মাত্রা বৃদ্ধি করে, যার ফলে কাফেরগণ গোমরাহীতে পতিত হয়। এরা হালাল করে নেয় একে এক বছর এবং হারাম করে নেয় অন্য বছর, যাতে তারা গণনা পূর্ণ করে নেয় আল্লাহর পবিত্র মাসগুলোর। অতঃপর হালাল করে নেয় আল্লাহর হারামকৃত মাসগুলোকে। তাদের মন্দকাজগুলো তাদের জন্যে শোভনীয় করে দেয়া হল। আর আল্লাহ অবিথ্বাসী সম্প্রদায়কে হেদায়েত করেন না।]     

     

    কিন্তু হায়! রাজনীতির নোংরা চালে কবে থেকে যে মুসলিমদের সেই অধিকার হরণ করা শুরু হলো এবং লক্ষ কোটি মুসলিমের জন্য ফরজ হজ পালনের সময়কে ১২টি মাসের মধ্যকার একটি মাসের কেবলমাত্র চারটি দিনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ কোরে দেয়া হলো- তা কি খতিয়ে দেখার কোন প্রয়োজনই নেই?

     

    শুধু তাই নয়, সম্মানিত/পবিত্র মসজিদ তাওয়াফ করার জন্য মহান স্রষ্টা স্বয়ং যে চারটি সম্মানিত/পবিত্র মাসকে নির্ধারণ কোরে দিয়েছেন, তা পিছিয়ে দিয়ার ব্যাপারেও আমরা মোটেই কুণ্ঠিত নই। এর মাধ্যমে যে আমাদের অবিশ্বাসের মাত্রাই বৃদ্ধি পেয়েছে- তা বুঝেও কি নিশ্চুপ থাকাটা আমাদের জন্য শোভা পায়?

     

    চারটি পবিত্র মাসে ফরজ হজ পালনের অধিকার হরণ করা হয়েছে। পবিত্র মাসসমূহের ব্যাপারেও হেরফের করা হয়েছে। কিন্তু তারপরও চারটি পবিত্র মাসের যে কোন সময় নিয়ত কোরে পবিত্র কাবায় ফরজ হজ করার অধিকার যে মহান স্রষ্টা আমাদেরকে দিয়েছেন- অন্তত এই বিশ্বাসটা অন্তরে ধারন করা ও বলা মুসলিমদের জন্য জরুরী নয় কি?  

     

    আমাদের সকল ভুলত্রুটি যেন পরম করুণাময় ক্ষমা করেন এবং সত্যকে জানার ও মানার মধ্য দিয়ে সরল ও সঠিক পথে চলার তৌফিক দান করেন-

     

  24. ২৪
    ডাঃ মাহমুদ

    মুক্তমনা ব্লগে অনেক ইবুক দেখতে পাওয়া যায়। কিন্তু সদালাপে অনেক ভাল ভাল লেখা থাকার পরও সেগুলো নিয়ে ইবুক তৈরি করে আপলোড করা হয় না কেন?

    সমকামিতা ইস্যু তে ফারাবি শাফিউর রাহমান,এফ জেড করিম, ফরহাদ হোসাইন মিঠু এবং আমি সহ আমরা চারজন একটা ইবুক তৈরি করেছি। এটি সদালাপে আপলোড করতে হলে কিভাবে এপ্রোচ করতে হবে কাইন্ডলি জানাবেন।

     

    1. ২৪.১
      ডাঃ মাহমুদ

       ইবুকের নামঃসমকামিতা,বিজ্ঞান এবং ইসলাম!
      সমকামিতার পরেই বিজ্ঞানের অবতারনা কেন? আর এর সাথে ইসলামেরই বা কি সম্পর্ক?

      আসলে,সমকামিতা জঘন্য যৌন বিকৃতি।
      পৃথিবীতে সমকামিদের বিকৃতি যখন শুরু হয় তখন তা কোনও বিজ্ঞানীকে জিজ্ঞেস করে শুরু করা হয় নি।আর বর্তমানেও যারা নিজেদের আচরন বিকৃত করছে তারাও কিন্তু কোনও বিজ্ঞানের সমর্থন পেয়ে সমকামী হয় নি।মূলতঃ অপরাধীর সাধারন বৈশিষ্ট্যই হল সে তার অপরাধের কারনে হীনমন্যতা ও অপরাধবোধে ভোগে। আর এই মানসিক যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য সে তার অপরাধের পক্ষে নানা রকম যুক্তি দাড় করাতে থাকে যাতে সে মানসিক যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পায়। সমকামীরাও এর ব্যতিক্রম নয়। তারা তাদের বিকৃত রুচির কারনে ও তাদের প্রতি মানুষের স্বভাবজাত ঘৃণার কারনে হীনমন্যতায় ভুগে আর তা থেকে বাচার জন্য কোনও উপায় না পেয়ে অতি ধূর্ততার সাথে বিজ্ঞানের অপব্যাখ্যাকেই বেছে নেয়।বিজ্ঞানের এমন একটিও প্রমানিত তথ্য নেই যা সমকামিতার পক্ষে বিন্দুমাত্র ভূমিকা রাখে বরং বিজ্ঞানের লক্ষ লক্ষ প্রমানিত তথ্য তার বিপরীতটাই নির্দেশ করে। অল্পবিদ্যা ভয়ংকরী এই সব বিকৃত রুচির মানুষদের প্রতারণার মূখোশ খূলে দিয়েছে এই বইটি। 

      সমকামিতার ধ্বংসলীলা থেকে শিশুরাও আজ নিরাপদ নয়। চিকিৎসা বিজ্ঞানে কোনও মহামারীর ব্যপকতা নিরুপনের জন্য একটি তত্ত্ব ব্যবহার করা হয় যার নাম “iceberg of disease”. বরফ পানিতে ভাসে এবং উপর থেকে তার যতোটুক অংশ দেখা যাক না কেন পানির নিচে তার বিস্তৃতি কিন্তু আরও অনেক বেশী।এই তত্ত্ব অনুসারে- ঠিক তেমনি সমাজে যখন মহামারী ছড়ায় তখন যতজন লোকের রোগের কথা জানতে পারা যায় প্রকৃত সংখ্যা কিন্তু তার চাইতে অনেক বেশী বলেই ধরে নেয়া হয়। 
      এই দিক থেকে বিবেচনা করলে ঢাকার রাজপথে যেহেতু সমকামিরা মিছিল করা শুরু করেছে, রুপবান ম্যাগাজিন প্রকাশের সাহস পেয়েছে তাই বলা যায় যে এদেশে তাদের সংখ্যা আমাদের ধারনার চাইতেও অনেক বেশী।এবং অদূর ভবিষ্যতে এই মহামারী আমাদের এক ভয়ানক সমাজ উপহার দিতে যাচ্ছে যদি না আমরা এখনি তার বিরুদ্ধে রুখে না দাড়াই। কোনও কিছু রুখতে হলে তা রোখার উপায় জানাটাও জরুরী। 
      সেই উপায়টা কি????
      সমকামিতার ধ্বংসলীলা থেকে মানব সভ্যতাকে বাঁচানোর একমাত্র উপায় ইসলাম।
      ইসলামই পৃথিবীর বুকে একমাত্র ধর্ম তথা জীবনব্যবস্থা যা মানুষকে সমকামিতার অপকারিতা, শাস্তি, তা থেকে বেঁচে থাকার উপায় সম্পর্কে পুংখানপুংখ বর্ণনা উপস্থাপিত করেছে যা দেখলে বিস্মিত না হয়ে পারা যায় না। আর তাই মানবজাতির সামনে ইসলাম ছাড়া দ্বিতীয় আর কোনও উপায়ও নেই এই বিকৃতির হাত থেকে সমাজ ও সভ্যতাকে বাঁচানোর।পাশ্চাত্যে এই বিকৃতির ব্যপকতা সেই সাক্ষ্যই বহন করছে।

      এই সব বিষয় নিয়ে সুক্ষাতিসুক্ষ আলোচনা নিয়েই সাজানো হয়েছে এই ইবুকটি।এই বইটি লেখার জন্য কত কত ঘন্টা যে এফ,জেড,করিম ভাই(https://www.facebook.com/fzkarimbd?fref=ts) ব্যয় করেছেন আর ফরহাদ হোসাইন মিঠু ভাই (https://www.facebook.com/farhad.mithu?fref=ts&ref=br_tf )যে কত শত পৃষ্ঠা ইংরেজি বিখ্যাত জার্নাল ও বই পড়েছেন তা শুনলে যে কেউই চমকে যাবেন। তবে বইটি লেখার মূল প্রস্তাবক ফারাবি(https://www.facebook.com/shafiur2012?fref=ts)যার বেশ কয়েকটি ফেসবুক স্ট্যাটাসের অংশ বিশেষ এই ইবুকটিতে যোগ করা হয়েছে।

      সমকামিতা বিরোধী এই আন্দোলনে আপনিও শরীক হতে পারেন।
       বইটি ডাউনলোড করে পড়তে পারেন, নিজেদের ব্লগ বা সাইটে কোনও অনুমতি ছাড়াই আপলোড দিতে পারেন, বইটি ডাউনলোডের লিংক মেসেজ, ওয়ালপোস্ট কিংবা স্ট্যাটাসের মাধ্যমে ছড়িয়ে দিতে পারেন, আর আমাদের ভুলগুলো আমাদের ধরিয়েও দিতে পারেন।
      Direct download link:
      http://www.pdf-archive.com/2014/08/01/somokamita-biggan-ebong-islam1/
      Size:9.4MB
      FONT:PDF

      এছাড়াও এ সংক্রান্ত ইভেন্টটিতে আপনার ফ্রেন্ড লিস্টে থাকা সকল নাস্তিক-সমকামিদের invite পাঠাতে পারেন। event link; 
      https://m.facebook.com/events/623278964436191?acontext={"ref":22}&aref=22&ref=bookmark

      সমকামিতার বিরুদ্ধে এই বুদ্ধিবৃত্তিক আন্দোলনের প্রতিটি বিষয়ে নিয়মিত আপডেট পেতে নীচের পেইজটির সাথেই থাকুনঃ
      'সমকামিতা একটি জঘন্য পাপাচার-আসুন একে নির্মূল করি।'
      https://www.facebook.com/pages/সমকামিতা-একটি-জঘন্য-পাপাচার-আসুন-একে-নির্মূল-করি/652843374772154

       

      মহান আল্লাহ আমাদের সবাইকে কবুল করুন।আমীন।

      1. ২৪.১.১
        মাহফুজ

        জী ভাই, সমকামিতার বিরুদ্ধে আমি সব সময়ই সোচ্চার ছিলাম, আছি এবং থাকব। আপনাদের সাথে একাত্মতা প্রকাশ করছি এবং সেই সাথে এ সম্পর্কিত আমার একটি লেখার লিংক জুড়ে দিলাম। সমকামীদের কঠিন সাজা চাই-
        ধন্যবাদ
         

  25. ২৫
    ইনতেহাব হোসাইন জাওয়াদ

    সদালাপে অনেক আগে রেজিস্টার করলেও সময়ের অভাবে লেখালেখি করা হয়ে ওঠেনি। কিন্তু এখন মনে হচ্ছে, শুধু ফেসবুক নিয়ে পড়ে থাকলে চলবে না। ফেসবুকের বাইরেও ইসলামের পক্ষে জনমত গঠন ও ইসলামকে জনপ্রিয় করার উদ্যোগ নেয়া প্রয়োজন। তাই আমি সদালাপে নিয়মিত ব্লগ পোস্ট করতে চাই। আপনার/আপনাদের সহযোগীতা এব্যাপারে একান্ত কাম্য। ধন্যবাদ… 

  26. ২৬
    ইখতিয়ার উদ্দিন বিন মুহাম্মাদ বখতিয়ার খিলজি

    নিয়মাবলির ৪ নাম্বারটা বুঝলাম না ভাই।মানে?

  27. ২৭
    Shaheen Salik

    চোখ টা বড় জ্বলে, বুকের ভিতর টা ঝন ঝন করে বাজে। চোখ দিয়ে কোন পানি পরে না আমার, শুধু জ্বলে, আয়নায় দেখি চোখ গুলো, লাল হয়ে আছে, এতে কি দুঃখ না ক্রোধ বুঝতে পারিনা, আচ্ছা….আবেগ বিবেক সব যদি মাথায় হয়, আমার বুকে এত কষ্ট হয় কেন?????

    কেন সহ্য করতে পারিনা, কেন নিজের অক্ষমতা স্বীকার করতে পারি না। কেন আমার চোখ জ্বলে, মুসলিম ঐ শিশুটির জন্যে, সে কি মুসলিম বলে? নাকি সে মানুষ বলে??

    না, ভুল হচ্ছে আমার, ফিলিস্থিনি হও বা হও মুসলিম, তোমরা আর যাই হও মানুষ তো অবশ্যই না, তাই কারো হৃদয় কাঁদে না।

    আমার মত জানোয়ারের শুধু আরেক জানোয়ারের বাচ্চার জন্য, চোখ জ্বলে, জনোয়ারদের চোখের পানি শুকিয়ে গেছে, তাদের এখন শুধু ((বোধ হয়) চোখ জ্বলে!!

    অসহায়ের আর্তনাদ নিরবে হারিয়ে গেলেও শেষ বিচারে তাদের পাওনা বুঝিয়ে দেয়া হবে।

  28. ২৮
    মাহফুজ

    @ এম আহমদ

    যারা লেখালেখি করেন, বিশেষ কোরে ইসলাম সম্পর্কে কথা বলতে চান তাদের জন্য প্রতিটি মন্তব্যের জবাব দেয়ার চেষ্টা করা উচিত। আর জাবাব দিতে অপারগ হলে সরি বলে চুপ থাকা উচিত। কিন্তু তাই বলে সিঁধ কেটে অন্যের ঘরে ঢুকে সন্ত্রাস করা মুসলিমের জন্য শোভা পায় না।

    শয়তানের প্ররোচনায় এভাবে ক্ষমতার অপব্যবহার করা শয়তানের অনুচরদেরই সাজে। আপনি নিজেকে তেমনই প্রমাণ করতে চান?

    …………………………………..

    আপনি বলেছেন- //এখানে কোরান চালাচালি করতে দেয়া হবে না।//

    …………………………

    "কোরআন চালাচালি!!?"- বাহ বাহ!

    কোরআনের স্পষ্ট বাণী পেশ করাকে আপনি "চালাচালি" বলে উড়িয়ে দিলেন।

    আমার সাথে যা করেছেন তা না হয় ছেড়েই দিলাম। কিন্তু আপনি কোরআনের সাথে যে বেয়াদবি করেছেন, তার কি হবে? আপনার প্রাতিষ্ঠানিক জ্ঞান কি আপানাকে এই শিক্ষা দিয়েছে?

    সাবধানে কথা কইয়েন! আপনার সাহস তো কম না মশাই।

    হাদিছের নামে মানব রচিত ধার করা কেচ্ছা বয়ান করলে কোন অসুবিধা হয়না- তাইনা? কিন্তু কোরআনের স্পষ্ট আয়াত দেখলেই পিত্তি জ্বলে!

    ভেবেছিলাম মাথায় কিছুটা বুদ্ধিশুদ্ধি অন্তত আছে। কিন্তু সবই যে নষ্ট ঘিলু।

    হায়রে! গোমূর্খ কাকে বলে আর ভণ্ডামী কত প্রকার ও কি কি তা এবার বুঝলাম!

    শয়তানের প্ররোচনায় মানুষ ভুল করতেই পারে। আপনি যদি প্রকৃত ইমানদার হয়ে থাকেন তাহলে আমার ঘরে সিঁধ কেটে ঢুকে মন্তব্য বার বার মুছে দেয়ার মত শয়তানি কর্ম থেকে বিরত হবেন এবং কোরআন সম্পর্কে এভাবে বলার জন্য তওবা করে নেবেন।

  29. ২৯
    আদনান

    আমি “মুসলিমদের সবচেয়ে বড় দুর্বলতা-অনৈক্যতা” নামের একটি আর্টিকেল পাঠিয়েছি।লেখাটা ছবি+ট্যাগবিহীন।আমার লেখা এখনও আসছে না কেনো জানতে চাই

  30. ৩০
    আদনান

    আমার একটা ভুল হয়ে গিয়েছিল।আসলে আমি editor@shodalap.org এ না পাঠিয়ে editor.shodalap.org@gmail.com এ পাঠিয়ে দিয়েছিলাম।যাই হোক আশা করি আমার লেখা প্রকাশিত করবেন

  31. ৩১
    আদনান

    আমি ডঃ জাকির নায়েক নিয়ে একটা লেখা পাঠিয়েছি।পেয়েছেন কিনা দয়া করে জানাবেন @এডিটর সাহেব

    1. ৩১.১
      সদালাপ কর্তৃপক্ষ

      আপনার মেইলের উত্তর দিয়েছি। অনুগ্রহ করে, সদালাপের নীতিমালা অনুযায়ী যে বিষয়গুলি এড্রেস করতে লিখেছি, সেগুলি এড্রেস করুন। ধন্যবাদ।  

  32. ৩২
    Aminul Islam

    এই পেজের একদম কোণায় (মোবাইল ভিউ) “লিখেছেন সদালাপ কতৃপক্ষ” লেখা আছে যেখানে “কতৃপক্ষ” বানানটি ভুল। সঠিক বানান “কর্তৃপক্ষ” লেখার জন্য অনুরোধ করা গেল।

  33. ৩৩
    Abdul Awal Al Mutawakkil

    আমি পবিত্র কোরআন এবং সহীহ্ হাদীস ভিত্তিক কিছু লেখা প্রকাশ করতে চাই যেখানে প্রত্যেকটি বিষয়ের বিশুদ্ধ রেফারেন্স থাকবে আপনারা চাইলে এডমিন ভাইয়ের ইমেইলে লেখাগুলো পাঠাতে পারি, আর আমি আশাকরি আপনারা এগুলো প্রকাশ করে মুসলিম ভাইদের কিছু জ্ঞান অর্জনে সহায়তা করবেন, আল্লাহ্ তায়ালা আপনাদের সহায় হৌন আমিন, আর আপনারা যদি ইসলামকে অপছন্দ করেন আর নাস্তিকতাবাদ পছন্দ করেন সেটাও জানাবেন, তাহলে আপনাদের এখান থেকে লগ আউট করবো, আমার কাছে মনে হয়েছে আপনারা ইসলামিস্ট এখন আপনাদের মন্তব্য আশা করছি।

  34. ৩৪
    অচিন পাখি

    আসসালামু আলাইকুম। কেমন আছেন? আমি ভাল আছি । আপনাদের ব্লগে যুক্ত হয়ে এখন পর্যন্ত কোন লেখা পোস্ট করতে পারলাম না। তাই আপনাদের নিতিমালা এবং সম্পাদকের কথা পড়লাম । আমি ডাইরেক্ত লিখতে চাই যদি আমাকে সেই সুযোগ দেন তাইলে লিখবো । আমি আরো একটা ব্লগে আছি । ব্লগের নাম সোনেলা । আশা করি আমার কথাটা চিন্তা করে আমাকে ডাইরেক্ত লেখার সুযোগ দিবেন । আমি কথা দিচ্ছি লেখা মান সম্মত না হলে আপনাদের ইচ্ছা অনুযাই ব্যাবস্থা নিবেন ।

  35. ৩৫
    andalon

    ★আল্লাহ ও রাসূল (ছাঃ) সম্পর্কে কটূক্তিকারীর বিধান★

    রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) স্বীয় যুগের নাস্তিক আল্লাহ ও তাঁর রাসূল (ছাঃ) সম্পর্কে কটূক্তিকারী কা‘ব বিন আশরাফকে হত্যার নির্দেশ দিয়েছিলেন । জাবির ইবনে আবদুল্লাহ (রাঃ) হ’তে বর্ণিত, একদা রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বললেন, কা‘ব বিন আশরাফকে হত্যা করার জন্য কে প্রস্ত্তত আছ? কেননা সে আল্লাহ ও তাঁর রাসূলকে কষ্ট দিয়েছে। তখন মুহাম্মাদ ইবনু মাসলামাহ (রাঃ) দাঁড়িয়ে বললেন, হে আল্লাহর রাসূল (ছাঃ)! আপনি কি চান যে, আমি তাকে হত্যা করি? তিনি বললেন, হ্যাঁ। তখন মুহাম্মাদ ইবনু মাসলামাহ (রাঃ) বললেন, তাহ’লে আমাকে কিছু প্রতারণাময় কথা বলার অনুমতি দিন। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বললেন, হ্যাঁ বল। অতঃপর মুহাম্মাদ ইবনু মাসলামাহ (রাঃ) কা‘ব বিন আশরাফের নিকট গিয়ে বললেন, এ লোকটি (রাসূল [ছাঃ]) ছাদাক্বাহ চায়। সে আমাদেরকে বহু কষ্টে ফেলেছে। তাই আমি আপনার নিকট কিছু ঋণের জন্য এসেছি। কা‘ব বিন আশরাফ বলল, আল্লাহ্র কসম পরবর্তীতে সে তোমাদেরকে আরো বিরক্ত করবে এবং আরো অতিষ্ঠ করে তুলবে। মুহাম্মাদ ইবনু মাসলামাহ (রাঃ) বললেন, আমরা তাঁর অনুসরণ করছি। পরিণাম কী দাঁড়ায় তা না দেখে এখনই সঙ্গ ত্যাগ করা ভাল মনে করছি না। এখন আমি আপনার কাছে এক ওসাক্ব বা দুই ওসাক্ব খাদ্য ধার চাই।… কা‘ব বলল, ধার তো পাবে তবে কিছু বন্ধক রাখ। মুহাম্মাদ ইবনু মাসলামাহ (রাঃ) বললেন, কী জিনিস আপনি বন্ধক চান। সে বলল, তোমাদের স্ত্রীদেরকে বন্ধক রাখ। মুহাম্মাদ ইবনু মাসলামাহ (রাঃ) বললেন, আপনি আরবের একজন সুশ্রী ব্যক্তি, আপনার নিকট কিভাবে আমাদের স্ত্রীদের বন্ধক রাখব? তখন সে বলল, তাহ’লে তোমাদের ছেলে সন্তানদেরকে বন্ধক রাখ। তিনি বললেন, আমাদের পুত্র সন্তানদেরকে আপনার নিকট কী করে বন্ধক রাখি? তাদেরকে এই বলে সমালোচনা করা হবে যে, মাত্র এক ওসাক্ব বা দুই ওসাক্বের বিনিময়ে বন্ধক রাখা হয়েছে। এটা তো আমাদের জন্য খুব লজ্জাজনক বিষয়। তবে আমরা আপনার নিকট অস্ত্র-শস্ত্র বন্ধক রাখতে পারি। রাবী সুফিয়ান বলেন, লামা শব্দের অর্থ হচ্ছে, অস্ত্রশস্ত্র। শেষে মুহাম্মাদ ইবনু মাসলামাহ তার কাছে আবার যাওয়ার ওয়াদা করে চলে আসলেন।
    এরপর তিনি কা‘ব বিন আশরাফের দুধ ভাই আবূ নায়লাকে সঙ্গে করে রাতের বেলা তার নিকটে গেলেন। কা‘ব তাদেরকে দুর্গের মধ্যে ডেকে নিল এবং সে নিজে উপরতলা থেকে নিচে নেমে আসার জন্য প্রস্ত্তত হ’ল। তখন তার স্ত্রী বলল, এ সময় তুমি কোথায় যাচ্ছ? সে বলল, এই তো মুহাম্মাদ ইবনু মাসলামাহ এবং আমার ভাই আবূ নায়লা এসেছে। আমর ব্যতীত বর্ণনাকারীগণ বলেন যে, কা‘বের স্ত্রী বলল, আমি তো এমনই একটি ডাক শুনতে পাচ্ছি, যা থেকে রক্তের ফোঁটা ঝরছে বলে মনে হচ্ছে। কা‘ব বিন আশরাফ বলল, মুহাম্মাদ ইবনু মাসলামাহ এবং দুধ ভাই আবূ নায়লা (অপরিচিত কোন লোক নয়) ভদ্র মানুষকে রাতের বেলা বর্শা বিদ্ধ করার জন্য ডাকলেও তার যাওয়া উচিত। বর্ণনাকারী বলেন, মুহাম্মাদ ইবনু মাসলামাহ (রাঃ) সঙ্গে আরো দুই ব্যক্তিকে নিয়ে সেখানে গেলেন। সুফিয়ানকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল যে, আমর কি তাদের দু’জনের নাম উল্লেখ করেছিলেন? উত্তরে সুফিয়ান বললেন, একজনের নাম উল্লেখ করেছিলেন। আমর বর্ণনা করেন যে, তিনি আরো দু’জনকে সঙ্গে করে নিয়ে গিয়েছিলেন এবং বলেছিলেন, যখন সে (কা‘ব বিন আশরাফ) আসবে তখন আমি তার মাথার চুল ধরে শুঁকতে থাকব। যখন তোমরা আমাকে দেখবে যে, খুব শক্তভাবে আমি তার মাথা অাঁকড়ে ধরেছি, তখন তরবারি দ্বারা তাকে আঘাত করবে। মুহাম্মাদ ইবনু মাসলামাহ একবার বলেছিলেন যে, আমি তোমাদেরকেও শুঁকাব। অতঃপর কা‘ব চাদর নিয়ে নিচে নেমে আসলে তার শরীর থেকে সুঘ্রাণ বের হচ্ছিল। তখন মুহাম্মাদ ইবনু মাসলামাহ (রাঃ) বললেন, আজকের মত এত উত্তম সুগন্ধি আমি আর কখনো দেখিনি। কা‘ব বলল, আমার নিকট আরবের সম্ভ্রান্ত ও মর্যাদাসম্পন্ন সুগন্ধি ব্যবহারকারী মহিলা আছে। আমর বলেন, মুহাম্মাদ ইবনু মাসলামাহ (রাঃ) বললেন, আমাকে আপনার মাথা শুঁকতে অনুমতি দিবেন কি? সে বলল, হ্যাঁ। এরপর তিনি তার মাথা শুঁকলেন এবং সাথীদেরকে শুঁকালেন। তারপর তিনি তাকে কাবু করে ধরে সাথীদেরকে বললেন, তোমরা তাকে হত্যা কর। তারা তাকে হত্যা করল। এরপর নবী (ছাঃ)-এর নিকট এসে এ খবর দিলেন’।[১]
    এ হাদীছ দ্বারা প্রতীয়মান হয় যে, কেউ নবী করীম (ছাঃ) সম্পর্কে কোন ব্যাঙ্গাত্মক কথা বা কটূক্তি করলে তাকে হত্যা করতে হবে। তবে এ মৃত্যুদন্ড কার্যকরের দায়িত্ব রাষ্ট্রের। ইসলামে রাষ্ট্র প্রধানের সিদ্ধান্তে তার সেনাবাহিনী বা তার নিয়োগকৃত লোক তাকে হত্যা করবে। এ হাদীছে বর্ণিত কা‘ব বিন আশরাফ বনু কুরায়যা গোত্রের একজন কবি ও নেতা ছিল। যে বিভিন্ন সময় রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-এর নামে বিদ্রূপাত্মক কথা প্রচার করত। এমনকি সম্ভ্রান্ত মুসলিমদের স্ত্রী-কন্যাদের সম্পর্কেও কুৎসিত অশালীন উদ্ভট কথা রচনা করত। এ সকল কর্মকান্ডে ত্যক্ত বিরক্ত হয়ে অবশেষে তৃতীয় হিজরী সনের রবীউল আওয়াল মাসে রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) মুহাম্মাদ ইবনু মাসলামাহকে নির্দেশ দেন তাকে হত্যা করার।[২]
    অপর একটি হাদীছে এসেছে,

    عَنِ الْبَرَاءِ قَالَ بَعَثَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم إِلَى أَبِى رَافِعٍ الْيَهُودِىِّ رِجَالاً مِنَ الأَنْصَارِ، فَأَمَّرَ عَلَيْهِمْ عَبْدَ اللهِ بْنَ عَتِيكٍ، وَكَانَ أَبُو رَافِعٍ يُؤْذِى رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم وَيُعِينُ عَلَيْهِ.

    বারা (রাঃ) হ’তে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) আব্দুল্লাহ ইবনু আতীককে আমীর বানিয়ে তার নেতৃত্বে কয়েকজন আনছার ছাহাবীকে ইহুদী আবু রাফে‘র (হত্যার) উদ্দেশ্যে প্রেরণ করেন। আবু রাফে‘ রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-কে কষ্ট দিত এবং এ ব্যাপারে লোকদেরকে সাহায্য করত’।[৩]
    তারা রাতের বেলা তার ঘরে ঢুকে ঘুমন্ত অবস্থায় তাকে খুন করে।[৪]

    قَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ أَنَّ أَعْمَى كَانَتْ لَهُ أُمُّ وَلَدٍ تَشْتُمُ النَّبِىَّ صلى الله عليه وسلم وَتَقَعُ فِيهِ فَيَنْهَاهَا فَلاَ تَنْتَهِى وَيَزْجُرُهَا فَلاَ تَنْزَجِرُ … قَالَ يَا رَسُولَ اللهِ أَنَا صَاحِبُهَا كَانَتْ تَشْتِمُكَ وَتَقَعُ فِيكَ فَأَنْهَاهَا فَلاَ تَنْتَهِى وَأَزْجُرُهَا فَلاَ تَنْزَجِرُ وَلِى مِنْهَا ابْنَانِ مِثْلُ اللُّؤْلُؤَتَيْنِ وَكَانَتْ بِى رَفِيقَةً فَلَمَّا كَانَتِ الْبَارِحَةَ جَعَلَتْ تَشْتِمُكَ وَتَقَعُ فِيكَ فَأَخَذْتُ الْمِغْوَلَ فَوَضَعْتُهُ فِى بَطْنِهَا وَاتَّكَأْتُ عَلَيْهَا حَتَّى قَتَلْتُهَا. فَقَالَ النَّبِىُّ صلى الله عليه وسلم أَلاَ اشْهَدُوا أَنَّ دَمَهَا هَدَرٌ.

    ইবনু আববাস (রাঃ) হ’তে বর্ণিত তিনি বলেন, কোন এক অন্ধ ব্যক্তির একটি দাসী ছিল। সে নবী করীম (ছাঃ)-এর শানে বেয়াদবীসূচক কথাবার্তা বলত। অন্ধ ব্যক্তিটি তাকে এরূপ করতে নিষেধ করতেন, কিন্তু সে তা মানত না। সে ব্যক্তি তাকে ধমকাত, তবু সে তা থেকে বিরত হ’ত না। এমতাবস্থায় এক রাতে যখন ঐ দাসী নবী করীম (ছাঃ)-এর শানে অমর্যাদাকর কথাবার্তা বলতে থাকে, তখন ঐ অন্ধ ব্যক্তি একটি ছোরা নিয়ে তার পেটে প্রচন্ড আঘাত করে, যার ফলে ঐ দাসী মারা যায়। এ সময় তার এক ছেলে তার পায়ের উপর এসে পড়ে, আর সে যেখানে বসে ছিল, সে স্থানটি রক্তাক্ত হয়ে যায়। পরদিন সকালে এ ব্যাপারে যখন রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-এর নিকট আলোচনা হয়, তখন তিনি সকলকে একত্রিত করে বললেন, আমি আল্লাহ্র নামে শপথ করে এ ঘটনার সত্যতা সম্পর্কে জানতে চাই এবং এটা তার জন্য আমার হক্ব স্বরূপ। অতএব যে ব্যক্তি তাকে হত্যা করেছে, সে যেন দাঁড়িয়ে যায়। অন্ধ লোকটি তখন লোকদের সারি ভেদ করে প্রকম্পিত অবস্থায় নবী করীম (ছাঃ)-এর সামনে গিয়ে বসে পড়ে এবং বলে, ইয়া রাসূলাল্লাহ (ছাঃ)! আমি তার হন্তা। সে আপনার সম্পর্কে কটূক্তি ও গালি-গালাজ করত। আমি তাকে এরূপ করতে নিষেধ করতাম ও ধমকাতাম। কিন্তু সে তার প্রতি কর্ণপাত করত না। ঐ দাসী থেকে আমার দু’টি সন্তান আছে, যারা মনি-মুক্তা সদৃশ এবং সেও আমার খুব প্রিয় ছিল। কিন্তু গত রাতে সে যখন পুনরায় আপনার সম্পর্কে কটূক্তি ও গাল-মন্দ করতে থাকে, তখন আমি আমার উপর নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলি এবং ছোরা দিয়ে তার পেটে প্রচন্ড আঘাত করে তাকে হত্যা করি। তখন নবী করীম (ছাঃ) বলেন, তোমরা সাক্ষী থাক যে, ঐ দাসীর রক্ত ক্ষতিপূরণের অযোগ্য বা মূল্যহীন’।[৫]
    এ হাদীছ দ্বারাও প্রতীয়মান হয় যে, নবী করীম (ছাঃ)-এর নামে ব্যাঙ্গ বা কটূক্তিকারীর শাস্তি হল মৃত্যুদন্ড। এ মর্মে বর্ণিত হয়েছে, আবু মূসা (রাঃ) বলেন,

    فَلَمَّا قَدِمَ عَلَيْهِ (أبو موسى) مُعَاذٌ قَالَ انْزِلْ. وَأَلْقَى لَهُ وِسَادَةً فَإِذَا رَجُلٌ عِنْدَهُ مُوثَقٌ قَالَ مَا هَذَا قَالَ هَذَا كَانَ يَهُودِيًّا فَأَسْلَمَ ثُمَّ رَاجَعَ دِينَهُ دِينَ السُّوءِ. قَالَ لاَ أَجْلِسُ حَتَّى يُقْتَلَ قَضَاءُ اللهِ وَرَسُولِهِ. قَالَ اجْلِسْ نَعَمْ. قَالَ لاَ أَجْلِسُ حَتَّى يُقْتَلَ قَضَاءُ اللهِ وَرَسُولِهِ. ثَلاَثَ مَرَّاتٍ فَأَمَرَ بِهِ فَقُتِلَ ثُمَّ تَذَاكَرَا قِيَامَ اللَّيْلِ فَقَالَ أَحَدُهُمَا مُعَاذُ بْنُ جَبَلٍ أَمَّا أَنَا فَأَنَامُ وَأَقُومُ أَوْ أَقُومُ وَأَنَامُ وَأَرْجُو فِى نَوْمَتِى مَا أَرْجُو فِى قَوْمَتِى.

    অর্থাৎ যখন মু‘আয তার কাছে উপস্থিত হন, তখন তিনি তাকে বসার জন্য অনুরোধ করেন এবং তার জন্য একটি বালিশ রেখে দেন। এ সময় মু‘আয (রাঃ) তার নিকট বাঁধা অবস্থায় এক ব্যক্তিকে দেখতে পান। তিনি জিজ্ঞেস করেন, এই ব্যক্তি কে?
    ইসলাম কবুল করে, এরপর সে ঐ অভিশপ্ত (ইহুদী) ধর্মে পুনরায় প্রত্যাবর্তন করেছে। তখন মু‘আয (রাঃ) বলেন, আমি ততক্ষণ বসব না, যতক্ষণ না এই ব্যক্তিকে আল্লাহ ও রাসূলের নির্দেশ মত হত্যা করা হবে। তখন আবূ মূসা (রাঃ) বলেন, হ্যাঁ এরূপই হবে, আপনি বসুন। তখন মু‘আয (রাঃ) তিন বার এরূপ বললেন, আমি ততক্ষণ পর্যন্ত বসব না, যতক্ষণ না এই ব্যক্তিকে আল্লাহ ও রাসূলের নির্দেশ মত হত্যা করা হবে। এরপর আবূ মূসা (রাঃ) হত্যার নির্দেশ দেন এবং তা কার্যকর করা হয়। পরে তারা রাত্রি জাগরণ সম্পর্কে আলোচনা শুরু করেন। তখন তাদের একজন, সম্ভবত মু‘আয ইবনে জাবাল (রাঃ) বলেন, আমি রাতে ঘুমাই ও উঠে ছালাতও আদায় করি; অথবা আমি রাতে উঠে ছালাত আদায় করি এবং ঘুমাইও। আর আমি দাঁড়িয়ে ছালাত আদায় করার জন্য যেরূপ ছওয়াবের আশা করি, ঐরূপ ছওয়াব আমি ঘুমিয়ে থাকাবস্থায়ও আশা করি।[৬]
    আবু মূসা (রাঃ) হ’তে বর্ণিত, তিনি বলেন,قَدِمَ عَلَىَّ مُعَاذٌ وَأَنَا بِالْيَمَنِ وَرَجُلٌ كَانَ يَهُوْدِيًّا فَأَسْلَمَ فَارْتَدَّ عَنِ الإِسْلاَمِ فَلَمَّا قَدِمَ مُعَاذٌ قَالَ لاَ أَنْزِلُ عَنْ دَابَّتِى حَتَّى يُقْتَلَ. فَقُتِلَ. قَالَ أَحَدُهُمَا وَكَانَ قَدِ اسُْتِيْبَ قَبْلَ ذَلِكَ. অর্থাৎ আমি যখন ইয়ামেনের শাসনকর্তা, তখন মু‘আয (রাঃ) আমার নিকট আসেন। এ সময় একজন ইহুদী মুসলমান হয়, পরে ইসলাম পরিত্যাগ করে। সে সময় মু‘আয সেখানে উপস্থিত হয়ে বলেন, যতক্ষণ না এ ব্যক্তিকে হত্যা করা হবে, ততক্ষণ আমি আমার বাহন থেকে অবতরণ করব না। এরপর তাকে হত্যা করা হয়’।[৭]
    হাদীছদ্বয় থেকে বুঝা যাচ্ছে যে, ধর্মত্যাগী তথা মুরতাদদের শাস্তি হ’ল মৃত্যুদন্ড। যা রাষ্ট্রীয়ভাবে কার্যকর করা হবে। যদি রাষ্ট্রের সরকার তার মৃত্যুদন্ড কার্যকর করতে বিলম্ব করে তাহ’লে মুসলিম জনগণ ন্যায়সঙ্গতভাবে সরকারের উপর চাপ প্রয়োগ করতে পারে। আর যদি রাষ্ট্রপক্ষ তাদের শাস্তির বিষয়ে গড়িমসি করে তাহ’লে ন্যায়ানুগভাবে সরকারকে একাজে বাধ্য করতে হবে। আর এ গুরু দায়িত্ব পালন করবেন সকল ধর্মপ্রাণ মুসলিম জনগণ। আর এটাই মূলত ঈমানের দাবী।
    সা‘দ (রাঃ) হ’তে বর্ণিত তিনি বলেন, মক্কা বিজয়ের দিন রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) সকলকে নিরাপত্তা দান করেন। কিন্তু তিনি চারজন পুরুষ এবং দু’জন নারী সম্পর্কে বলেন, তাদেরকে যেখানেই পাবে হত্যা করবে; যদিও তারা কা‘বার পর্দা ধরে থাকে। তারা হ’ল ইকরামা ইবনে আবু জাহল, আব্দুল্লাহ ইবনে খতল, মিকইয়াস ইবনে সুবাবা, আব্দুল্লাহ ইবনে সা‘দ ইবনে আবু সারাহ। আব্দুল্লাহ ইবনে খতলকে কা‘বার গিলাফের সাথে লাগা অবস্থায় পাওয়া গেল এবং তাকে হত্যা করার জন্য দু’ব্যক্তি ছুটে গেল। একজন হ’ল, সা‘ঈদ ইবনু হুরায়স অন্যজন হ’লেন আম্মার ইবনে ইয়াসির (রাঃ)। সা‘ঈদ ছিলেন যুবক, তিনি আগে গিয়ে তাকে হত্যা করলেন। আর মিকইয়াস ইবনে সুবাবাকে লোকেরা বাজারে পেল এবং তাকে হত্যা করল। আর ইকরামা ইবনে আবু জাহল জাহাজে আরোহণ করে সুমদ্র পার হ’তে গেলে জাহাজ তুফানের কবলে পড়ল। জাহাজের লোক বলল, এখন তোমার একনিষ্ঠ ভাই আব্দুল্লাহকে ডাক। কেননা তোমরা যে মূর্তির পূজা কর তারা তোমাদের কোন সাহায্য করতে পারবে না। ইকরামা বলল, আল্লাহ্র কসম! যদি সুমদ্রে তিনি ব্যতীত আমাকে আর কেউ রক্ষা করতে না পারেন, তাহ’লে স্থলভাগেও তিনি ছাড়া আমাকে আর কেউ রক্ষা করতে পারবে না। আল্লাহ! আমি তোমার নিকট ওয়া‘দা করছি, যদি তুমি আমাকে এই মুছীবত হ’তে নাজাত দাও তবে আমি রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-এর নিকট উপস্থিত হব এবং তাঁর নিকট বায়‘আত গ্রহণ করব। আমার ধারণা তিনি আমায় ক্ষমা করবেন এবং রহম করবেন। পরে তিনি এসে মুসলমান হয়ে যান। আব্দুল্লাহ ইবনে আবু সারাহ ওছমান (রাঃ)-এর নিকট গিয়ে লুকিয়ে থাকলেন। যখন রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) লোকদের বায়‘আতের জন্য আহবান করলেন, তখন ওছমান (রাঃ) তাকে নিয়ে রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-এর নিকট হাযির করে দিলেন। তিনি বললেন, হে আল্লাহ্র রাসূল (ছাঃ)! আব্দুল্লাহ্র বায়‘আত গ্রহণ করুন। তিনি মাথা উঠিয়ে তিনবার আব্দুল্লাহ্র প্রতি তাকালেন। তিনবারের পর তার বায়‘আত গ্রহণ করলেন। এরপর তিনি ছাহাবায়ে কেরামের প্রতি লক্ষ্য করে বললেন, তোমাদের মধ্যে এমন কোন বুদ্ধিমান লোক ছিল না যে, যখন আমি তার বায়‘আত গ্রহণ করছিলাম না, তখন এসে তাকে হত্যা করত? ছাহাবায়ে কেরাম বললেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ (ছঃ)! আপনার মনের কথা আমরা কি করে জানব? আপনি চক্ষু দ্বারা কেন ইশারা করলেন না? তিনি বললেন, নবীর মর্যাদার অনুকূল নয় যে, বাহ্যত চুপ থেকে চোখে ইঙ্গিত করবে’।[৮]
    নবী করী (ছাঃ)-কে বিভিন্নভাবে কষ্ট দেয়ার ফলে তাদের এ পরিণাম ভোগ করতে হয়েছিল।

    তথ্য সুত্রঃ
    [১]. বুখারী হা/৪০৩৭; মুসলিম হা/১৮০১।

    [২]. দ্রঃ তাওহীদ পাবলিকেশন্স, বাংলা বুখারী ৪/৪৪ পৃঃ, ৪০৩৭ নং হাদীছের টীকা।

    [৩]. বুখারী হা/৪০৩৯।

    [৪]. বুখারী হা/৪০৩৮।

    [৫]. আবূদাঊদ হা/৪৩৬১; নাসাঈ হা/৪০৭০, সনদ ছহীহ।

    [৬]. আবূদাঊদ হা/৪৩৫৪, সনদ ছহীহ।

    [৭]. আবূদাঊদ হা/৪৩৫৫, সনদ ছহীহ।

    [৮]. নাসাঈ হা/৪০৬৭; সিলসিলা ছহীহাহ হা/১৭২৩, সনদ ছহীহ।

    ★কারিমুল হাসান লিখন
    সরুগ্রাম, ধুনট, বগুড়া।

    1. ৩৫.১
      মাসূদ রানা

      কাব বিন আশরাফকে নবিজি (সঃ)  কে কটুক্তি করার কারণে হত্যা করা হয়েছে ধারনাটি ভুল ……….. তাকে হত্যা করা হয়েছিল কবিতা লিখে কাফেরদেরকে মুসলমানদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে উত্তেজিত করার কারণে ………. কটুক্তি করা আর যুদ্ধে উস্কানি দেয়া এক জিনিস নয়। পুরোপুরি না জেনে এসব সেনসিটিভ ব্যপার নিয়ে কথা না বলাই বাঞ্চনীয় ….

      1. ৩৫.১.১
        পাভেল আহমেদ

        মাসুদ রানার সাথে একমত। আমাদের দেশের অনেকে কাহিনীর শুধুমাত্র একটি অংশ তুলে ধরে ঝামেলা সৃষ্টি করার চেষ্টা চালাচ্ছে। কিন্তু বড় বড় মুসলিম স্কলারেরা সকলেই একমত যে কাব বিন আশরাফ চুক্তি হওয়া সত্ত্বেও মুসলিমদের বিরুদ্ধে কোরাইশদেরকে যুদ্ধের জন্য উদ্বুদ্ধ করছিল বলেই তাকে হত্যার নির্দেশ দেওয়া হয়। আরও কিছু কারন ছিল অবশ্য। যেমন, মুসলিম নারীদের অসম্মান করে অশ্লীল কবিতা রচনা করা। সব মিলিয়ে মৃত্যুদণ্ডই তার উপযুক্ত শাস্তি ছিল।

      2. ৩৫.১.২
        shawkat ali

        সঠিক তথ্য তুলে ধরার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ। নাস্তিক, ইহুদি, নাছারা বলে যে অমুসলিমদের (বিধর্মীদের) গালি, কটুক্তি করা হয় তখনতো বিধর্মীরা কাউকে কতল করেনি বা কতল করার আদেশ দেয়নি। পৃথিবীর ৭৫০ কোটি মানুষের মধ্যে মাত্র ১৫০ কোটি মুসলমান, ৬০০ কোটি-ই বিধর্মী। বিধর্মীরা মহানবী (সাঃ) কে পছন্দ নাই করতে পারে, এমন কি তাঁকে কটুক্তি ও করতে পারে। কটুক্তির অপরাধে কাউকে কতল করা কি স্বেচ্ছাচারী ও সৈরাচারী মনোভাব এবং আচরণ নয়? আমার মনে হয় – আল্লাহ/ স্রষ্টা/ জেহোভা এই স্বেচ্ছাচারীদের ধ্বংস করবেনই। আমরাও তাই চাই।
         

  36. ৩৬
    মাহবুবুর রব চৌধুরী

    সদালাপ কতৃপক্ষকের দৃষ্টি আকর্ষন করছি।

    আপনাদের সাইটে রেজিস্ট্রেশন করলাম কিন্তু লগ ইন করলে শুধু নিউ মিডিয়া এড করা ছাড়া আর কোন অপসান পাই না?

    তাহলে কীভাবে লিখা পোষ্ট করব? জানালে খুশী হব।

     

  37. ৩৭
    Al Mamun

    I don’t understand because I’m a new candidate of sodalap so please help me about sodalap .

  38. ৩৮

    আস সালামু আলাইকুম। আমি কিছু দিন হলো এই ব্লগের লেখা গুলো পরছি, মনে মনে ইচ্ছে জাগলো লেখার, কিন্তু ভাই আমার কাছে জিনিষটা কিছুটা কনফিউজিং লাগছে, আমার কি শুধু ইমেইলে আমার লেখা পাঠালেই চলবে?

    1. ৩৮.১
      সদালাপ কর্তৃপক্ষ

      আপনার প্রথম লেখাটি সরাসরি editor@shodalap.org বরাবর ই-মেইলের মাধ্যমে পাঠিয়ে দিন।

      লেখা পাঠানোর সময় নিম্নলিখিত বিষয়গুলি এড্রেস করুন-

      ১. এটি কি আপনার অরিজিনাল লেখা? পূর্বে কোথাও কি এটি প্রকাশ করেছেন?

      ২. আপনার পূর্বে প্রকাশিত (যদি থেকে থাকে) অন্ততঃ একটি লেখার লিঙ্ক বা রেফারেন্স দিন।

      ৩. সদালাপে আমরা স্বনামে লেখা উৎসাহিত করি। কম্পেলিং কোন কারণ না থাকলে নিজ নামে লিখুন।

      ৪. আপনার সম্পর্কে একটি ইন্ট্রডাকটরি প্যারাগ্রাফ লিখে পাঠান। সেখানে অনুগ্রহ করে আপনার এক্সপার্টিজ উল্লেখ করবেন। সদালাপে ইনফর্মড ও ইন্টেলেকচুয়াল ডিসকোর্স এনকারেজ করতে এই তথ্য কাজে লাগে।

      ধন্যবাদ। সম্পাদক, সদালাপ।

      1. ৩৮.১.১
        মোঃ মাইদুল ইসলাম ফাহাদ

        আস সালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ।

        কতৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষন করছি। আমি কিছু দিন আগে সদালাপ এ রেজিস্টার করি, কিন্তু কোন কারনে আমার আইডি নেম ও পাসওয়ার্ড ভুলে গেছি। অনুগ্রহ করে কি বলবেন কি আমি কি করে রি রেজিস্টার করতে পারি?

        ২য় ত আমি একটা লেখা ও গত ২০ সেপ্টেম্বর মেইল করেছিলাম, ইমাম আবু হানিফা (র) এর লেখা আল ফিকহুল আকবর থেকে আল্লাহর প্রকৃতি সম্বন্ধে সেটার ও কোন খবর নাই। যদি সেটা পোস্ট করার অনুপযুক্ত হয় তাহলে কি জানানো হয় না? 

        আবার ও লেখাটা মেইল করেছি, অনুগ্রহ করে একটা উত্তর দিবেন প্লিজ। 

  39. ৩৯
    Alam Khan

    রাসুল (সঃ) এর বিরুদ্ধে কেউ আপত্তিকর কিছু বললে বা লিখলে যে কেউ তাকে হত্যা করলে যদি তা বৈধ হয় তাহলে প্রিথিবীটাই মঘের মুল্কে পরিণত হবে। কাল আপনি আমাকে হত্যা করে স্বাক্ষী সহকারে  বলবেন নবীর প্রতি কতুক্তি করেছে। যেখানে রাষ্ট্রের অস্থিত্ব বিদ্যবান সেখানে এধরনের কাজকে বর্বরতা বলে। ইসলাম বর্বরতা নয় ইসলাম হচ্ছে সব্যতা। একই বিষয়ে ক্ষেত্র বিশেষে ভিন্ন ভিন্ন হাদিস বিদ্যমান। অতএব হাদিসের প্রয়োগের ক্ষেত্রে আরও সাবধান হওয়া জরুরী।

    1. ৩৯.১
      shawkat ali

      কতিপয় ব্যক্তির স্বেচ্ছাচারী মনোভাবের উপর আল্লাহ মানব জাতিকে জিম্মা দিতে পারেন না। এমন জুলুমকারীদের ধ্বংস অনিবার্য।

  40. ৪০
    Ashraful Alam Rumon

    লেখাটা কি ইসলাম নির্ভর গবেষণা হতে হবে?
    ইসলামিক কবিতা, হামদ, নাত ইত্যাদি পাঠালে কি পোষ্ট করা হয়?

  41. ৪১
    M.S Ahmed

    Ajob kichu nitir kase aj here jacche manobota

  42. ৪২
    জাহিদ হাসান

    লেখার নিয়মটা সহজ করে দেয়ার জন্য অনুরোধ করছি।

  43. ৪৩
    Porjotok

    প্রিয় সম্পাদক/মডেরাটর,

     

    সদালাপে রেজিস্ট্রেশন করার প্রক্রিয়ায় ঝামেলা আছে। আমি গত সপ্তাহে রেজিট্রেশন করতে গেলে অটোমেটেড মেসেজ আসল যে আমার ইমেইল এ পাস ওয়ার্ড পাঠানো হয়েছে। কিন্তু আমি কোন ইমেইল পাইনি। ভাবলাম, প্রক্রিয়া ঠিকমত সম্পন্ন করিনি। তাই আবার রেজিস্ট্রেশন করতে গেলাম। কিন্তু তখন বলে যে, আমার ইমেইল ইতোমধ্যেই রেজিস্ট্রারড হয়েছে!? তারপর সম্পাদক বরাবর ইমেইল দেওয়ার পর আজ পাস ওয়ার্ড পেলাম, এবং রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করলাম। আলহামদুলিল্লাহ!

    দয়া করে নতুনদের জন্য রেজিস্ট্রেশন করার প্রক্রিয়াটা ভালো করে নিরীক্ষা করে দেখুন সব কিছু ঠিকঠাক আছে কিনা। আল্লাহ আপনাদের মাধ্যমে ইসলামের প্রকৃত জ্ঞানচর্চা জারি রাখুন। আমীন 

  44. ৪৪
    azadmulla

    আমি একটা লেখা দিয়েছি । আশা করি উত্তর পাবো

    1. ৪৪.১
      azadmulla

      অনেক ঝামেলা । একটু সহজ করবেন । নতুন দের জন্য

  45. ৪৫
    md.rukon

    আমি মোঃ রুকন উদ্দীন আহমেদ, আমার দেশের বাড়ী হবিগঞ্জ-সিলেট। আমি নুতন আমি ও আপনা দের মত লেখতে ছায়।

    আমার জন্য দোয়া করবেন। ধন্যবাদ

     

  46. ৪৬
    সরকার সানজিদ আদভান

    সদালাপ কর্তৃপক্ষ/সম্পাদক,

    লেখা পাঠানোর সময় ৪ টি বিষয় উল্লেখ করতে বলা হয়েছে।আমি কোথায় এবং কীভাবে এটা উল্লেখ করব? আমার প্রথম যে লেখাটি সেটি ই-মেইল করার সময় ই-মেইলের প্রথমে নাকি শেষে? নাকি আলাদা ই-মেইলে? আলাদা হলে প্রথমে পাঠাবো নাকি শেষে?

    আপনাদের ব্লগে লেখার আমার প্রবল ইচ্ছা আছে।আশা করি উত্তর পাব।ধন্যবাদ

  47. ৪৭
    আব্দুল আওয়াল সুমন

    I am new in shodalap. I have known a lot of unknown things from here. Thanks shodalap and all writers.

  48. ৪৮
    sksamsherali

    I am aware of this kind of questions which are parroted by the hadith followers in their desperate attempt to prove that the Quran does not have all the details!

    However, the reply can be applied to all such questions raised trditionalists who follow hadith more than the Qurán. please see:

     

    http://www.quran-islam.org/articles/part_4/debunking_claims_for_hadith_%28P1458%29.html

  49. ৪৯
    আর.ইউ. রবি

    সম্ভবত সেপ্টেম্বর মাসে কর্তৃপক্ষকে সালাম জানাইয়া কিছু লিখেছিলাম।
    কোন রেসপন্স পেলাম না আজও। :3

    1. ৪৯.১
      Alam Khan

      উত্তর দেয়ার জন্য ধন্যবাদ।

       

  50. ৫০
    Monowar Bin Zahid

    @ সদালাপ কর্তৃপক্ষ

    (১) লেখাটি ‘মাইক্রোসফট ওয়ার্ড’ এ লিখে ‘ডক’ ফাইল টিকে যদি ই-মেইল করে পাঠাই তাহলে কি হবে?

    (২) কিছু ওয়েব সাইটে ইসলামের নামে অন্য ধর্ম/মতবাদ প্রচার করা হচ্ছে। সেই সাইট গুলোর লেখা-সমূহের জবাব নিয়ে যদি লেখা পাঠানো হয় তাহলে কি তা গ্রহণ-যোগ্য হবে?

    দয়া করে জানাবেন বলে আশা রাখি।

  51. ৫১
    Civilization

    Professor Emeritus Keith L. Moore[7]  is one of the world’s most prominent scientists in the fields of anatomy and embryology and is the author of the book entitled The Developing Human, which has been translated into eight languages.  This book is a scientific reference work and was chosen by a special committee in the United States as the best book authored by one person.  Dr. Keith Moore is Professor Emeritus of Anatomy and Cell Biology at the University of Toronto, Toronto, Canada.  There, he was Associate Dean of Basic Sciences at the Faculty of Medicine and for 8 years was the Chairman of the Department of Anatomy.  In 1984, he received the most distinguished award presented in the field of anatomy in Canada, the J.C.B. Grant Award from the Canadian Association of Anatomists.  He has directed many international associations, such as the Canadian and American Association of Anatomists and the Council of the Union of Biological Sciences.

    In 1981, during the Seventh Medical Conference in Dammam, Saudi Arabia, Professor Moore said: “It has been a great pleasure for me to help clarify statements in the Quran about human development.  It is clear to me that these statements must have come to Muhammad from God, because almost all of this knowledge was not discovered until many centuries later.  This proves to me that Muhammad must have been a messenger of God.”[8] (To view the RealPlayer video of this comment click here).

     

  52. ৫২
    চুরান্ত বার্তা

    ধন্যবাদ

  53. ৫৩
    চুরান্ত বার্তা

    আমার ব্রাউজার ও কিবোর্ডে সমস্যার কারনে উপরের মন্তব্যে, ভুল লেখা দেখাচ্ছে, আচ্ছা এই লেখাটা আমি আবার ইডিট করতে পারবোকি? এমন অপশন আছে কি?

  54. ৫৪
    চুরান্ত বার্তা

    আচ্ছালামুআলাইকুম ! সন্মানিত মডারেশন সাহেব ;
    আমি “চুরান্ত বার্তা” নামে একটি লেখা পাঠিয়েছি এই ইমেইল থেকে mmud812@gmail.com । লেখাটি ছাপা হবে কিনা এমন কোনো ফিরতি ইমেইল আমি পাইনি, অতয়েব আপনার দৃষ্টি আকর্ষন করছি, ইমেইল বা লেখাটি পেয়ে থাকলে অনুগ্রহ করে জানান, ও লিখাটি ছাপা হবে কিনা তাও জানান, ধন্যবাদ

  55. ৫৫
    Calculation

    নিয়মিত লেখক ও ব্লগারদের পাশাপাশি সদস্য না হয়েও অন্যের লেখায় মন্তব্য প্রকাশের একটা সুযোগ সদালাপে রাখা হয়েছে, তবে মডারেশনের আওতায়। এ সুযোগটি ইতিবাচক হলেও অনেক সময় কিছুটা সমস্যার কারণ হয়। যেমন, আমার প্রকাশিত একটা মন্তব্যকে কেউ ভুল বুঝল বা অন্যভাবে ব্যাখ্যা করল, আর তারপর সেই ধারণা বা অভিযোগকে খণ্ডন করে পাল্টা মন্তব্য প্রকাশ করতে গিয়ে সেটা যখন মডারেশনে আটকে যায়, তখন তা অস্বস্তির কারণ হয়ে দাড়ায়।

  56. ৫৬
    মোঃরিয়াজ রিভান

    আমি লেখা পাঠালেই কি প্রকাশ হবে ! আমার কোন খরচ হবে কি ?

Comments have been disabled.