«

»

Nov ০৬

সদালাপ ঈদ উচ্ছ্বাস

আনন্দের সাথে জানাচ্ছি যে আজ বাংলাদেশে ঈদের দিনে আমরা সদালাপ ঈদ উচ্ছ্বাস প্রকাশ করছি। যাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এটি সম্ভব হয়েছে, তাদেরকে অনেক অনেক ধন্যবাদ। আশাকরি, এটি আপনাদের ভালো লাগবে।

২৯ comments

Skip to comment form

  1. 16
    মহিউদ্দিন

    ইবনে বতুতার সাথে আমি সহমত। এটা পিডিএফ ফরমেটে না করে ইউনিকোড html format করলে ভাল হত।

  2. 15
    শামস

    ‘বিলাপ’ পড়লাম। এককথায় অসাধারণ।

    1. 15.1
      বুড়ো শালিক

      @শামস: কঠিন ভাবে সহমত! আমি মনে করেছিলাম এটা নিয়ে অনেক লেখালিখি হবে। অবশ্য বড় লেখা তো, মনে হয় সবাই পড়ে শেষ করতে পারে নাই!

  3. 14
    ইবনে বতুতা

    ঈদ উচ্ছ্বাস প্রকাশের জন্য যারা যারা এর পিছনে শ্রম দিয়েছেন তাদের সবার প্রতি আমার মোবারকবাদ!
    লেখাগুলো পড়ি নাই। মানে সুযোগ পাইনাই। পেলে পড়ব ইনশাল্লাহ!

    আপ্নারা যারা ইবুক তৈরি নিয়ে শ্রম দিচ্ছেন তাদের প্রতি আমার ২টি অসুবিধা অনুভব করার কথা উল্লেখ করছি।
    ১। আমি মনে করি ই-বুক হোক ভার্চুয়াল যোদ্ধাদের হাতিয়ার, কোথাও কোন ব্লগে বা ফোরামের নীতি বিরুদ্ধ বা ইসলামের বিপক্ষ শক্তি জগণ্য ভাবে ইসলামকে নিয়ে মিথ্যাচার চালাচ্ছে। তখন যেন যাদের হাতে সময় নেই, কিংবা যারা টাইপ করতে বা লিখতে কম জানেন, তারা যে এই ই বুক থেকে অতি সহজে সেই অপপ্রচারের জবাব ই-বুক থেকে খুব সহজ পন্থায় কপি করে সেই ফোরাম বা ব্লগে তোলে ধরতে পারেন।
    আমার মনে হয় না আপনাদের এই ফরমেট থেকে সেই সুবিধা পাওয়া যাবে!

    ২। পাঠক যাতে তার কাংখিত লেখায় এক নিমিষে পৌছে যেতে পারে, তার জন্য দীর্ঘ ক্রলিং করে সময় নষ্ট করতে হয় না সে দিকে খেয়াল রাখা অবশ্য দরকার বলে মনে করি।

    ধন্যবাদ।

    1. 14.1
      সাদাত

      @ইবনে বতুতা:
      ভালো পরামর্শ।
      কিন্তু আপনার লেখা তো মনে হয় পেলাম না!

    2. 14.2
      বুড়ো শালিক

      @ইবনে বতুতা: সূচিপত্রে কাঙ্ক্ষিত লেখার উপর ক্লিক করলে ঐ লেখায় চলে যাবে…

  4. 13
    আব্দুস সামাদ

    ‘উচ্ছাস’ আংশিক পড়লাম ভাল লাগল। আমি আসলে কি করে কি করতে হবে জানতাম না বুঝেও আসেনি । তাই পিছনেই রয়ে গেছি। যারা এতে অংশ গ্রহন করে ছেন, কর্তৃপক্ষের সাথে তাদেরও ধন্যবাদ জানাই।

  5. 12
    সাদাত

    এত অল্প সময়ের মধ্যে এত বড় একটা চ্যালেঞ্জ হাতে নিয়েছিলেন আমাদের জিয়া ভাই। সেই সময় আসলেই ভয় হয়েছিল চ্যালেঞ্জটা পুরো করা যাবে কিনা- কিন্তু জিয়া ভাই নাছোড়বান্দা! লেখা জমা দেবার সময় যখন শেষের দিকে তখন যখন জানালাম যে আমি কিছুই লিখতে পারি নাই। জিয়া ভাই বললেন আমার লেখা ছাড়া নাকি ই-ম্যাগ বেরুবে না। তড়িঘড়ি করে একটা সাবজেক্ট ঠিক করে লিখতে বসলাম ‘ম্যাজিক কার্ড’, লেখা কিন্তু হয়েও গেল! জিয়া ভাইকে অনেক ধন্যবাদ তার এই সাহসী পদক্ষেপের জন্য। আর লেখাগুলোর কথা কোনটা ছেড়ে কোনটা বলবো, একেকটা লেখা একেক দিক দিয়ে অসাধারণ হয়েছে। তবে অনেকগুলো টাইপো বা বানান ভুল এখনো রয়ে গেছে, রায়হান ভাইকে দিয়ে পুরো ম্যাগাজিনটা একবার চেক করিয়ে নিলে মন্দ হয় না।

    1. 12.1
      আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন

      @সাদাত:

      অন লাইন পাবলিকেশনের একটা সুবিধাতো আছেই -- সব সময়ই সংশোধন -- পরিবর্তন করা যাবে। আপনাকে ধন্যবাদ -- ভবিষ্যতে আরো ভাল হওয়ার সুযোগ থাকছেই।

  6. 11
    বুড়ো শালিক

    সকালেই মোবাইল থেকে দেখলাম ম্যাগাজিন বের হয়েছে। তারপর নামাজে গিয়ে, গরু-খাসি কোপাকুপি করে আর দেখারই ফুরসত পেলাম না। বিকালের দিকে চট করে এক ফাঁকে ডাউনলোড করে দেখে নিলাম ডিজাইনটা। ততক্ষণে ব্যাকগ্রাউন্ড অলরেডি সাদা! আমার কাছে নীল রংটাই বেশি পছন্দ হয়েছিলো। যাই হোক, ডিজাইন নিয়ে অনেক কথা হয়েছে, তাই আমি আর কিছু বলবো না।

    আমি জাস্ট বেসিক কিছু বিষয়ে দৃষ্টি দেবো। আমরা কী বের করেছি? ‘সদালাপ ঈদ উচ্ছ্বাস’ নামক একটা ই-ম্যাগাজিন। This is not a book, this is not just a collection of posts, this is a magazine! কথা হচ্ছে, আমরা ম্যাগাজিন বলতে কী বুঝি? আপনি ইচ্ছা করলে আপনার কবিতার ডায়েরি, কিংবা বাসার তাকের ওপর রাখা ধুলো পড়া বই, এমনকি গিন্নীর ধরিয়ে দেয়া বাজারের ফর্দকেও ম্যাগাজিন বলতে পারেন। তাতে কারো কিছু যাবে আসবে না। কথা হচ্ছে, সেগুলো আসলে ম্যাগাজিনের বৈশিষ্ট্য ফুলফিল করে কিনা।

    আপনি বাংলাদেশের যেকোনো ম্যাগাজিন, যেমন সানন্দা, বিচিত্রা, সাপ্তাহিক ২০০০ ইত্যাদি নেন ও তার ডিজাইন দেখেন। ডিজাইনের কোন নির্দিষ্ট ফরম্যাট পাবেন না। এখানে ওখানে ছবি, এখানে সেখানে কালার, এখানে লেখা একটু বড় তো ওখানে একটু ছোট, এরকম অবস্থা। এটাই ম্যাগাজিনের ডিজাইন। ম্যাগাজিনের নির্দিষ্ট কোন ফরম্যাট নাই, এটাই ম্যাগাজিনের ফরম্যাট। এবার আসেন বাইরের দেশে যাই। আমার কিছুই বলা লাগবে না। জাস্ট গুগলের ইমেজ সার্চের অপশনে গিয়ে Reader’s Digest লিখে সার্চ দেন। নিজেই বুঝবেন।

    আমার কথা হচ্ছে, আমরা আগে ডিসাইড করি, আমরা কী প্রকাশ করতে চাই, ই-বুক, নাকি ই-ম্যাগাজিন, নাকি ই-জার্নাল সমগ্র? তারপর প্ল্যান করে সে অনুযায়ী এগোই। আমার মতে যেটা আমরা বের করলাম, সেটা প্রথম ‘ই-ম্যাগাজিন’ হিসাবে ভালো, যদিও আরো ভালো করার সুযোগ ছিলো (ছিলো না শুধু সময়!)। তবে এক্ষেত্রে আমার একটা কথা আছে। সদালাপ থেকে যাই বের করা হোক, তার একটা নির্দিষ্ট ডিজাইন প্যানেল থাকবে (সেই প্যানেলে বুড়ো শালিক থাকুক চাই না থাকুক), তাদের মতামতই হবে শেষ কথা। তারা এমন একটা ডিজাইন করবে (বা অ্যাট লিস্ট চেষ্টা করবে), যেটা ম্যাক্সিমাম মানুষের পছন্দ হবে (যদিও সেটা খুব কঠিন), এবং অবশ্যই সেই ডিজাইনকে হতে হবে রোবাস্ট।

    যাই হোক, সময় মতো বের করতে পারাকে আমি সাফল্য হিসাবেই দেখছি। আর বাকি সব ছেড়ে দেন, ‘প্রথম বারে’র প্রথম ও প্রধান সাফল্য এটা ‘প্রথম বার’। ভবিষ্যতে আরো সময় নিয়ে, আরো ভালোভাবে আমরা এর ডিজাইন, কম্পাইলেশন ইত্যাদি কাজ করতে পারবো। সদালাপের ই-ম্যগাজিন বা ই-বুক বা ই-জার্নাল সংকলন উত্তরোত্তর ভালো ও সমৃদ্ধ হবে, এই প্রত্যাশা রাখছি!

    সবাইকে ধন্যবাদ!

    [বাই দ্য ওয়ে, কমেন্টটা নির্দিষ্ট কাউকে উদ্দেশ্য করে করা না। আমরা যারা ডিজাইন প্যানেলে ছিলাম, যারা মতামত দিয়ে সহযোগিতা করেছেন, যাদের লেখা ছাপা হয়েছে, যারা সমালোচক, সবাইকেই বলেছি। প্রত্যেকেরই আরো চিন্তা করার, নিজ নিজ অবস্থানে থেকে উন্নতি করার ও উন্নত করার সুযোগ রয়েছে। আফটার অল, অ্যাট দ্য এন্ড অফ দ্য ডে, আমরা সবাই সদালাপের উন্নয়ন চাই, চাই এমন কিছু উপহার দিতে যা সাধারণ পাঠক কর্তৃক সমাদৃত হবে।]

    1. 11.1
      আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন

      @বুড়ো শালিক:

      সৃষ্টিশীলতার স্বাধীনতা যে আছে সমালোচনারও স্বাধীনতা তেমনই। আমার টার্গেট ছিলো ৩৩% মার্ক পাওয়া। পেয়েছি অনেক বেশী। ধন্যবাদ তোমাকে।

      1. 11.1.1
        বুড়ো শালিক

        @আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন: থ্যাঙ্কস বস! 🙂

      2. ফুয়াদ দীনহীন

        @বুড়ো শালিক:

        “আমার কাছে নীল রংটাই বেশি পছন্দ হয়েছিলো”- বুড়ো শালিক

        =>Same here

      3. সাদাত

        @ফুয়াদ দীনহীন:
        নীল রং আমারো অপছন্দ হয় নাই। রং নিয়ে সমস্যা ছিল না। যেটা ছিল সেটা রং সমন্বয়ে। কমেন্ট অপশনে ছবি অ্যাড করা গেলে আমি পয়েন্ট বাই পয়েন্ট দেখাতে পারতাম কী কী সমস্যা ছিল।

  7. 10
    শাহবাজ নজরুল

    আমি কেবল ডাবল থাম্বস আপ উপহার দেব; যে পরিমান সময় ছিল, তাতে সময়মত এই মাপের ই-ম্যাগাজিন বের করার সাহস করার জন্যেই আমান, জিয়া ভাই আর বুড়ো কে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। আমি কোনো সমালোচনাতে যেতে চাইনা, এই প্রাপ্তিতে কেবল মনের গভীর থেকে শুভেচ্ছা জানিয়ে গেলাম। লেখাগুলো পড়ছি, পড়ার পরে কমন্টে আবার আসব ইনশাল্লাহ।

  8. 9
    ফোরকান

    সদালাপের ই-ম্যাগাজিনটা পেয়ে খুব ভাল লাগলো। খুব সু্ন্দর এবং ঝকঝকে পরিষ্কার একটি পুস্তক উপহার দেয়ার জন্য ধন্যবাদ।

    ঈদ মুবারাক, ঈদ মুবারাক, ঈদ মুবারাক!

  9. 8
    জব্বার খান

    সদালাপের প্রথম ই-ম্যাগাজিন “সদালাপ ঈদ উচ্ছ্বাস” যথাসময়ে উপহার দেয়ার জন্য সম্পাদক ও যাঁরা ম্যাগাজিনটি প্রকাশ করার সাথে জড়িত ছিলেন সবাইকে আন্তরিক অভিনন্দন জানাচ্ছি। ডাউনলোড করে নিলাম। আপাতত: পড়ার সময় পাচ্ছিনা । পড়ার পর মতামত জানাতে পারি। সবাইকে ঈদের শুভেচ্ছা, ঈদ মোবারক।

  10. 7
    শামস

    সদালাপে এই ধরণের উদ্যোগ প্রথম। তাছাড়া সময়ও পর্যাপ্ত ছিল না। এখানকার ফিডব্যাকগুলো আগামীতে সংশোধনের ভুমিকা রাখবে সেই আশা করি। সম্পাদক থেকে শুরু করে যারা একে প্রকাশের ব্যাপারে অগ্রণী ভুমিকা নিয়েছেন তাদের প্রতি বিশেষ অভিবাদন।

  11. 6
    সরোয়ার

    সদালাপ উচ্ছ্বাস ম্যাগাজিনের প্রধান বৈশিষ্ট্য হচ্ছে- এটা পরিবার বান্ধব। লেখকদের তালিকাতে পাঁচ বছর বয়সী শিশু থেকে শুরু করে শিশুদের মা’রাও রয়েছেন!

    এ পর্যন্ত কয়েকটি লেখা পড়েছি। কনিকা ফারজানার “Day care: Are we heading in the right direction?” লেখাটি বর্তমান সমাজের প্রেক্ষাপটে মা’দের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। মা’র নিজস্ব কেরিয়ার না বাচ্চার যত্ন বড়? এটা নিয়ে মা’রা দ্বিধায় পড়েন। বুয়া বা ন্যানীরা কি মায়ের দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করতে পারেন? আমরা বড়রা নিজেদের অধিকার নিয়ে বেশ সোচ্চার, কিন্তু বাচ্চারা কথা বলতে পারে না বলে তাদের যে অধিকার আছে সেটাই আমরা অনুধাবন করতে পারি না! এভাবে অবহেলায় বেড়ে উঠা শিশুদের কাছে ভবিষ্যত সমাজের যথাযথ দায়িত্ব পালনের আশা করতেও আমাদের লজ্জিত হওয়া উচিত। তাই লেখিকার কথাগুলোর সাথে সহমত পোষণ করছি-

    What about your career? Put it on hold for a few years, or at least until the kids go to school. Work from home. Work part-time. Find other creative ways of stretching family budget. It would have been nice to have everything in life at the same time but that’s not how things work in our imperfect world and that is where the choice or priorities we make become so crucial.

    Our children will only be children ONCE. Don’t miss it

    শামীমা ফেরদৌসের ‘আমার বাবা’ লেখাটি হৃদয় ছুঁইয়ে গেছে। আমিও মনে-প্রাণে সংকল্প করছি এরকরম আদর্শ বাবা হতে। লেখিকার বাবা কতই না ভাগ্যবান তাঁর সুযোগ্য কন্যার জন্য।

    এম ইউ আমানের ‘এই দিনে’ প্রবন্ধে বিভিন্ন দেশে, বিভিন্ন সমাজের ঈদের স্মৃতিকথা সত্যিই উপভোগ্য।

  12. 5
    ফুয়াদ দীনহীন

    @“সদালাপ ঈদ উচ্ছ্বাস”

    Eid Mubarak. The magazine was great specially stories. Thanks to all of you.

  13. 4
    সরোয়ার

    সদালাপের প্রথম ম্যাগাজিন গরম গরম দেখার আশায় গতকাল রাত দু’টা পর্যন্ত জেগেছিলাম! অবশেষে প্রতীক্ষার পালা শেষ হলো। ‘সদালাপ উচ্ছ্বস’ এর লেখাগুলো বেশ মানসম্পন্ন। আমার বিশ্বাস পাঠকরা বেশ উপভোগ করবেন। অনেক কষ্ট করে অল্প সময়ের মধ্যে ম্যাগাজিন বের করার জন্য সম্পাদক, জিয়াভাই এবং বুড়ো শালিককে ধন্যবাদ। লেখকদেরকে এত সুন্দর সুন্দর লেখা উপহার দেয়ার জন্য বিশেষ ধন্যবাদ। ম্যাগাজিনের ওভারঅল গেটআপ আরো উচ্ছ্বাসপূর্ণ করা যেত। আশা করছি পাঠকদের ফীডব্যাক অনুযায়ী ভবিষ্যতের সংখ্যাগুলো আরো চিত্তাকর্ষক হবে।

  14. 3
    সদালাপ কর্তৃপক্ষ

    ম্যাগাজিনটি পড়ার সময় ভুল-ত্রুটি চোখে পড়লে, আমাদের জানালে সেগুলি ঠিক করে নেব। এটি আমাদের প্রথম পরীক্ষামূলক প্রকাশনা হেতু খুব বেশী কিছু আশাকরা ঠিক হবেনা। কয়েকটি মন্তব্য পড়ে বোঝা যাচ্ছে, ১- লেখার মান ঠিক আছে, ২- ঠিক সময়ে পাবলিশ করার পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়া গেছে, কিন্তু ৩- ডিজাইন বা গেটআপে ইম্প্রুভ করার সুযোগ রয়েছে। তৃতীয় পয়েন্টটি, তিনটির মধ্যে গৌণ কিন্তু গুরুত্ত্বপূর্ণ। সময়ের স্বল্পতার কারণে আমরা প্রাথমিক ডিজাইনের ব্যাপারে যে ফিডব্যাক নিতে পারিনি, সেটি ভবিষ্যতে অতিক্রম করবো।

    সদালাপের সাথে অত্যন্ত একাত্মতা অনুভব না করলে সাদাত সাহেব এতটা স্ট্রং মন্তব্য হয়তো করতেন না। যেহেতু ‘ক্ষ্যাত’ ব্যাকগ্রাউন্ড বদলে তার পছন্দের সাদা করতে পেরেছি; আশাকরি দুপুরের মধ্যে তার মুখে হাসি ফুটবে এবং অন্ততঃ বিকেল থেকে ঈদটা ভাল কাটবে।:-) এর পর সৌন্দর্যের ব্যাপারে সাদাত সাহেবের মতামত না নিয়ে আমরা আর কোন ই-ম্যাগাজিন ছাপছি না।
    সবাইকে আবারো ঈদের শুভেচ্ছা।

    1. 3.1
      সরোয়ার

      সদালাপের সাথে অত্যন্ত একাত্মতা অনুভব না করলে সাদাত সাহেব এতটা স্ট্রং মন্তব্য হয়তো করতেন না। যেহেতু ‘ক্ষ্যাত’ ব্যাকগ্রাউন্ড বদলে তার পছন্দের সাদা করতে পেরেছি; আশাকরি দুপুরের মধ্যে তার মুখে হাসি ফুটবে এবং অন্ততঃ বিকেল থেকে ঈদটা ভাল কাটবে।:-) এর পর সৌন্দর্যের ব্যাপারে সাদাত সাহেবের মতামত না নিয়ে আমরা আর কোন ই-ম্যাগাজিন ছাপছি না।

      -- আশা করছি সাদাত ভাই পরবর্তী সংখ্যাগুলোতে ডিজাইনার হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবেন।

    2. 3.2
      ফুয়াদ দীনহীন

      @এডমিন/এডিটর:

      I totally disagree with Sadat Bhai, I think, Blue color was eye friendly for সদালাপ ঈদ উচ্ছ্বাস |

    3. 3.3
      আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন

      @এডমিন/এডিটর:

      এইতো হলো আমাদের সম্পাদক। সম্পূর্ন একমত। পরীক্ষায় পাশ করা মনে হয় কঠিন। যাই হোক -- সব সময়ই ইমপ্রুভমেন্টের সুযোগ থাকে। ভবিষ্যতে আরো সময় নিতে হবে। এইটা হলো প্রাথমিক শিক্ষা।

      ধন্যবাদ।

    4. 3.4
      সাদাত

      @এডমিন/এডিটর:
      অনেক ধন্যবাদ।

      দুপুরের আগেই কমেন্ট দেখেছি, দেখে অনেক ভালো লাগলো।
      দুপুরে সাদা ব্যাকগ্রাউন্ড ভার্সন দেখলাম। অভিযোগের ৫০% দূর হয়ে গেছে।

      আমার মূল অভিযোগ নীল রং নিয়ে নয় বরং রং সমন্বয়ের অভাবটা নিয়ে ছিল। ব্যাকগ্রাউন্ডটা এমন হওয়া উচিত যেন ছবিটা পেজের সাথে মিশে থাকে, সাদা রং দেওয়ায় সেই অভাবটা অনেক ক্ষেত্রেই দূর হয়েছে। যেমন ধরুন নীল বা সাদা ব্যাকগ্রাউন্ডের ওপর ছাই রঙয়ের হাইলাইট, এটা কি একটু বেমানান না? প্রথম পাতার পুরো পেজটা জুড়েই থাকতে পারতো সদালাপের ছবিটা। আমার স্বভাবে একটু খুঁতখুঁতে ভাব আছে, সে জন্য যারা আহত হয়েছেন সবার কাছে দু:খ প্রকাশ করছি।

      সকলের অক্লান্ত পরিশ্রমে নির্দিষ্ট সময়ে ই-ম্যাগ বের হয়েছে এটা অবশ্যই অনেক বড় একটি অর্জন। বুড়ো শালিক এর পেছনে অনেক খেটেছে.. গেট-আপের সমালোচনা কোন কোন ক্ষেত্রে তার ওপরও যেতে পারে; তবে আশা করি আমার সমালোচনাকে সকলেই সম্পাদক সাহেবের মতো আন্তরিকতার সাথে নেবেন।

      [আগের কমেন্টটা প্রত্যাহার করে নিলাম]

      1. 3.4.1
        বুড়ো শালিক

        @সাদাত: খাটছি মানে! আরেকটু হইলে এইটা করতে গিয়া কুরবানির পশু কেনাই মিস করতে গেছিলাম! এইবার যে কী অবস্থা গেলো, তা তো সবাই জানেনই! 😀

  15. 2
    এস. এম. রায়হান

    শেষ পর্যন্ত “সদালাপ ঈদ উচ্ছ্বাস” প্রকাশ করার জন্য ধন্যবাদ।

    ম্যাগাজিনের একদম প্রথম লেখার ৩ নং প্যারা মনে হচ্ছে এলোমেলো হয়ে গেছে। পড়তে বাজে লাগছে।

  16. 1
    আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন

    “সদালাপ ঈদ উচ্ছ্বাস” -- যথা সময়ে প্রকাশ হওয়ায় সদালাপ সম্পাদক ও বুড়ো শালিককে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই। তার সাথে সাথে যাদের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় সম্ভব হয়েছে স্বল্প সময়ের মধ্যে এই ম্যাগাজিন বের করা -- লেখক পাঠকদের জন্যে রইল একরাশ অভিনন্দন!

    এই প্রকাশনা একান্তই পরীক্ষামুলক -- এই পরীক্ষায় সাফল্যজনক উত্তরন আমাদের ভবিষ্যতে বড় আকারের প্রকাশনার দিক নির্দেশনা দেবে।

    আসুন সবাই উপভোগ করি চমৎকার লেখাগুলো -সবাইকে ঈদ মোবারক।

Leave a Reply