«

»

জুন ১৬

প্রজ্ঞাপূর্ণ জবাব (নারীকে কেন কবর জিয়ারতের অনুমতি দেয়া হয় না)

প্রায় তিন বছর আগের ঘটনা। ১৪৩২ হিজরীর সম্ভবত জুমাদাল উলা মাস। আল্লাহ তাআলা এই অধমকে হারামাইন শরীফাইন যিয়ারতের সৌভাগ্য নসীব করেন। সেই সফরে আমার সবচে বড় প্রাপ্তি তো ছিল দীদারে বাইতুল্লাহ এবং যিয়ারতে মাদীনাহ। দ্বিতীয় প্রাপ্তি ছিল দুজন ইলমী ব্যক্তিত্বের সামান্য কিছু খেদমতে শামিল হওয়া। সফরের পূর্বে যখন আমার প্রিয় উস্তায ও মুরুববী মাওলানা আবদুল মালেক ছাহেব দামাত বারাকাতুহুমের কাছ থেকে বিদায় নিতে গেলাম। হুযুর বললেন, মক্কা মুকাররমায় একজন আলেম আছেন শায়খ গাসসান। তাঁর কাছে কিছু ইলমী কাজ প্রস্ত্তত আছে তুমি তা আমার জন্য নিয়ে আসবে। আর মদীনা মুনাওয়ারায় অধ্যয়নরত মুহিউদ্দিন ফারুকীর কাছে শরহু মুখতাসারিত ত্বাহাবীর একটি নুসখা আছে সেটা আদীব হুযুরের জন্য নিয়ে আসবে। একদিকে আল্লাহর ঘরের যিয়ারত অপরদিকে দু’জন আহলে ইলমের খেদমতে সামান্য হিসসা নিতে পেরে নিজেকে ধন্য মনে হচ্ছিল। দেখতে দেখতে দিনগুলি ফুরিয়ে গেল। আল্লাহর ঘর থেকে এবং রাসূলের শহর থেকে বিদায়ের সময় ঘনিয়ে  এলো। শায়খ গাসসানের সাথে অনেক চেষ্টা করেও যোগাযোগ করতে পারলাম না। তবে মুহিউদ্দিন ফারুকী ভাইয়ের কাছ থেকে শরহু মুখতাসারিত ত্বাহাবীর নুসখাটি নিতে ভুল করলাম না।

বিদায় সব সময়ই বেদনার। আর বাইতুল্লাহ থেকে বিদায়ের কষ্ট শুধু অনুভব করা যায়, কলমের কালি তা প্রকাশ করতে অক্ষম। তবু অবুঝ মনকে এই বলে প্রবোধ দিলাম যে, আমি যেখানেই থাকি যে ভূমিতেই বাস করি আমার হৃদয় তো বিচরণ করবে মক্কায় এবং মদীনায়। স্বদেশের মাটিতে ফিরে এলাম। বেশি দেরি না করে যাহিদ ভাইয়ের মাধ্যমে আদীব হুযুরের সাক্ষাৎ প্রার্থনা করলাম। আদীব হুযুর জানালেন, একে তো বাইতুল্লাহর মুসাফির, আবার আমার জন্য কিতাব নিয়ে এসেছে সে যখন সুযোগ পাবে তখনই সে আসবে। বাইতুল্লাহর মুসাফিরের পরিচয়ে যতবার গিয়েছি, আদীব হুযুরের অন্যরকম সমাদর পেয়েছি।

পরেরদিন ফযরের পর বের হয়ে খুব অল্পসময়ে মাদরাসাতুল মাদীনায় পৌঁছে গেলাম। মাদরাসার অভ্যন্তরে প্রবেশ করতেই আদীব হুযুরের সাক্ষাৎ পেয়ে গেলাম। হুযুর কিতাব দেখে অনেক খুশি হলেন। আটখন্ডের বিশাল কিতাবটি নেড়েচেড়ে দেখছিলেন আর আমার জন্য অনুচ্চস্বরে দু’আ করছিলেন। এরপর হুযুর বললেন, আজ আমি অনেক ব্যস্ত। পুষ্পের কিছু কাজ করতে হবে আবার আলকাউসারের জন্য লেখা তৈরি করতে হবে। তবে তুমি যেহেতু আল্লাহর ঘর যিয়ারত করে এসেছো আবার আমার জন্য এত বড় কিতাব বহন করে নিয়ে এসেছো তাই শত ব্যস্ততা সত্ত্বেও ইচ্ছা করেছি আজ তোমাকে একটু বেশি সময় দিবো। হুযুর আমাকে তাঁর কম্পিউটার কক্ষে নিয়ে গেলেন। হুযুর কাজ করছিলেন আর ফাঁকে ফাঁকে অনেক কথা বলছিলেন এখন সব কথা মনেও নেই। এক পর্যায়ে হুযুর এমন একটি ঘটনা শোনালেন যাতে রয়েছে আমাদের সকলের জন্য শিক্ষার উপাদান।

হুযুর বললেন, ৮৯ সালের হজ্বের সফরের ঘটনা। জান্নাতুল বাকীর কাছে দাঁড়িয়ে আছি। হঠাৎ এক আলজেরিয়ান মহিলা এসে ঝাঁঝালো কন্ঠে আমাকে বলল, আমাদেরকে কেন কবর যিয়ারত করতে দেয়া হয় না? তাঁর গলার স্বরই বলে দিচ্ছিল সে এটাকে বৈষম্য মনে করছে। আমি তাকে উত্তর দিলাম, (হুযুরের আরবী ইবারত ছিল মোটামুটি এরকম)

الشريعة سنت زيارة القبور لإلانة القلوب وقلوب الرجال قاسية وقلوب النساء لينة فليس هذا المنع إهانة بل إكراما لكن.

অর্থাৎ: মানুষের দিল যাতে নরম হয় মূলত এ উদ্দেশ্যেই শরীয়ত কবর যিয়ারতের ব্যবস্থা দিয়েছে। আর স্বভাবতই পুরুষের দিল হয় কঠিন আর নারী হয় কোমল হৃদয়। সুতরাং কবর যিয়ারতের অনুমতি না দিয়ে শরীয়ত তোমাদের অবমাননা করেনি বরং তোমাদের প্রতি যথার্থ সম্মান প্রদর্শন করেছে।

আমার এ উত্তর শুনে মহিলাটি অত্যান্ত আনন্দিত হলো এবং জাযাকাল্লাহ বলতে বলতে চলে গেল। আসলে শরীয়তের প্রতিটি বিধানই সহজ ও সুন্দর। বিশেষত নারীকে কেন্দ্র করে শরীয়ত যত বিধান দিয়েছে সবগুলোতেই রয়েছে প্রজ্ঞার গভীরতা, যার সবটুকু পরিমাপ করার আকাঙ্ক্ষাই হাস্যকর। আল্লাহ যতটুকু প্রকাশ করেন সেটাও আমাদের প্রশান্তির জন্য যথেষ্ট। কিন্তু সমস্যা হলো, আমরা সহজ ও সুন্দরভাবে মানুষের সামনে পেশ করতে পারি না বরং অনেক ক্ষেত্রে শরীয়তের বিধান বর্ণনা করতে গিয়ে আমরা কঠোরতা করে ফেলি। ফলে সাধারণ মানুষের অন্তরে শরীয়তের প্রতি আকর্ষণের পরিবর্তে একরকম ভীতি কাজ করতে থাকে। অথচ আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেন ‘তুমি নিজ প্রতিপালকের পথে মানুষকে ডাকবে হিকমত ও সদুপদেশের মাধ্যমে’। (সূরা নাহল : আয়াত ১২৫)

আল্লাহ আমাদেরকে শরীয়তের প্রতিটি বিধান হৃদয়ঙ্গম করার এবং সঠিকভাবে উপস্থাপন ও অনুধাবন করার তাওফিক দান করুন। আমীন। 

 

সংগ্রহ- http://www.alkawsar.com/article/1151

১৫ মন্তব্য

এক লাফে মন্তব্যের ঘরে

  1. sotto

    কবর যেয়ারত করা কি সব নারীদের ক্ষেত্রেই চিরকালের জন্য হারাম করা হয়েছে!!??
    নিচের হাদিছ ও বক্তব্য সাপেক্ষে আপনার অভিমত ব্যক্ত করুন-
    Imaam Muslim in his Sahih on the authority of Sayyiduna Abdullah ibn Mas'ood (Radhiallaahu Anhu) that Rasulullah (Sallallaahu Alayhi Wasallam) mentioned, 'I had prevented you from visiting the grave, (as of now) you all should visit it for it reminds one of the Aakhirat.' (Sahih Muslim) Based on this, the previous law mentioned above was abrogated. Hence, the permissibility of visiting the graveyard includes males and females. However, the reason for prohibiting females from visiting graves is due to our corrupted environment wherein women who do not adhere to the laws of Hijaab and hence strange men are attracted towards them. Therefore, it is not permissible for young females to visit the graveyard. However, if the laws of the Shariah (Hijaab, intermingling, crying, etc.) are not violated then the prohibition may be set aside. Since generally the women visiting the graves are not free from the above aspects, they should refrain from doing so. If a female visits the grave to remember death and soften without crying . there is nothing wrong if they are old. It is Makrooh if they are young (Shaami vol. 1 p. 665 – Maajidiyya) See Umdatul Qaari vol.8 pg.69 and Allah Ta'ala Knows Best Moulana Muhammad ibn Moulana Haroon Abbassommar FACULTY OF SPECIALTY IN HADITH CHECKED AND APPROVED: Mufti Ebrahim Desai

  2. মুনিম সিদ্দিকী

    কবর যিয়ারতে দিল নরম হয়, পুরুষের দিল শক্ত আর নারীর দিল নরম এই সব অজুহাত দেখিয়ে নারীকে তার প্রিয়জনদের কবর যিয়ারত থেকে দূরে রাখাকে আমার কাছে খোঁড়া যুক্তি বলেই মনে হচ্ছে।

    নারী কবর যিয়ারতে যেতে পারবেনা বলে কি সুস্পষ্ট আয়াত কিংবা হাদিসের নির্দেশ আছে কি?

    পুরুষের দিল শক্ত আর নারীর দিল নরম এই তুলনার যুক্তিকতা কতটুকু? এই গুলো কি শ্রেফ পুরুষালী ধ্যান ধারনা নয়?

    কবর জিয়ারত কি শুধু দিল নরম করার জন্য যাওয়া হয়? আর গেলেই কি দিল নরম হয়ে যায়? হলেও সে নরম কতক্ষন স্থায়ী হয়?

    মনে কিছু করবেন না ভাই, এই লেখায় নারীর কবর জিয়ারতের না যাওয়া পক্ষে কোন সবল যুক্তি তো নেই বরং  আমিত্ব প্রচারটি প্রকট ভাবে চোখে লাগছে। আগামী ভ্রমণকাহিনী হিসাবে ব্লগ করে প্রকাশ করলে তা বরং বাঞ্চিত হবে; সাইন বোর্ড এক আর মাল আরেক বলে বিদগ্ধ পাঠকের কাছে মনে হবেনা। মা আস সালাম।

  3. আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন

    মুনিম ভাই যে প্রশ্নটা করেছেন – সেই প্রশ্নটা আমারও। কে নারীদের কবর জিয়ারতের অনুমতি দিতে নিষেধ করলো। আল্লাহ এবং আল্লাহর রসুল (সঃ) যা নিষেধ করেননি – তা নিষেধ করার অধিকার কে কিভাবে পেলো? 

     

    আশা করি সবুর ভাই বিষয়টা বিস্তারিত জানাবেন। নতুবা এই ধরনের প্রচলিত বিধান (যা বাপ-দাদাকে করতে দেখেছি তাই করবো) মানতে সমস্যা আছে। 

     

    ভাল থাকবেন। 

    1. ৩.১
      মুনিম সিদ্দিকী

      জিয়াভাই আপনি তো জানেন যে, আমি মরক্কোর আরব মহিলা বিয়ে করেছি। আমার বিয়ের ২ বছরের মধ্যে আমার শশুর ইন্তেকাল করেন। আমরা যখন শশুরকে দাফন করতে কবরগাহে যাই তখন আমাদের দাফন যাত্রায় আমার স্ত্রী এবং জেঠাইশও সাথে ছিলেন। যখন মুর্দাকে কবরে শুইয়ে দিয়ে উপরে সিমেন্টের স্লাব দিয়ে ঢেকে দিয়ে তার উপর আবার মাটি ফেলে স্লাব ঢেকে দেয়ার পর মুর্দার মাগফিরাতে উদ্দেশ্য যখন দোয়া দুরুদ পাঠ করা হচ্ছিলো ( যেভাবে আমরা জিয়ারত করে থাকি) তখন আমি লক্ষ্য করেছি আমার স্ত্রী এবং তার বড়বোন সে সময় তাতে অংশ নিয়েছিলেন। সে সময় সেখানে মরক্কোর সরকার নিযুক্ত মুফতিও উপস্থিত ছিলেন। তিনি তো তাদেরকে বারণ করেননি। উপরোন্ত আমরা পুরুষরা যখন ঘরে ফিরতে প্রস্তুতি নিয়েছিলাম তখন দেখতে পেলাম তারা দুইবোন একজন  মাথার দিকে অন্যজন পায়ের দিকে অবস্থান নিয়ে পবিত্র কোরানের আয়াত তেলাওয়াত করে চলছেন। আয়াত তেলায়াত করে চলছেন তো করে চলছেন! রীতিমত আমার পাশে ব্যথা ধরে গিয়েছিলো। এক সময় বাধ্য হয়ে আমার বড় সম্বন্ধীকে এদেরকে ঘরে ফিরিয়ে নিতে অনুরোধ জানাই। সে সময়ও সেখানে তাদের ইমাম মুফতি উপস্থিত ছিলেন!

      পরে আমি আমার স্ত্রীকে জীজ্ঞাস করেছিলাম, করব জিয়ারতে কি মেয়েদের অনুমতি দেয়া আছে? সে তখন বলে তোমরা পুরুষরা কেমন নির্দয় আচরণ করো আমাদের সাথে? আমার প্রিয়জন আমার বাবা যিনি আমাদের কাছ থেকে অনন্তকালের জন্য আমাদের কাছ চিরবিদায় নিয়ে গেলেন তার কবরে এসে তার কথা স্মরন করে তার আত্মার মাগফিরাত কামনা করে তার জন্য দোয়া দুরুদ পাঠ করতে শরীয়ত বারণ করবে কেন?  তখন আমি জিজ্ঞাস করি যে, তোমার অন্যান্য বোন কেন আসেনি? তখন জানায় যে কেউ খুব ছোট এবং কারো কারো শরীর ঠিক নয় বিধায় তারা দাফন যাত্রায় শরীক হতে পারেনি।

      আমার মনে হয় নামাজের ক্ষেত্রে যেমন নারীদের মসজিদে যেতে বাধ্যবাদকতা ইসলাম করেনি তেমন করে কোন নারী মসজিদের গিয়ে নামাজ আদায় করতে চাইলে তাতে তাকে বারণও করেনা। কবর জিয়ারত ঠিক তেমন হতে পারে। এই বিষয়ে বিজ্ঞরা কিছু তথ্য ভিত্তিক আলোচনা করবেন বলে আশাকরি। ধন্যবাদ।

      1. ৩.১.১
        আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন

        বাংলাদেশে বাস করার সময় বিষয়টা নিয়ে তেমন মাথা ঘামাইনি। কিন্তু এবার দেশে গিয়ে দেখলাম এই অবস্থা। সেখানে সর্বত্র নারীপুরুষ মিলে মিশে একাকার – কিন্তু মসজিদ আর কবরে শুধু পুরুষ। নারীরা সেখানে নিষিদ্ধ।

         

        আমার নানী শাশুড়ীর কবর জিয়ারত করতে গেলাম – দেখলাম কবরটা গোরস্তানের এক কোনায় – মোটামুটি দেওয়ালের কাছে দেওয়া আছে। জানতে চাইলাম এতো দুরে (অনেক কবরের জায়গা খালি রেখে) কবর দেওয়ার কারন কি? 

         

        জবাব হলো – মহিলারা যেন গোরস্তানের বাইরের দেওয়ালের পাশে দাড়িয়ে কবর জেয়ারত করতে পারে – সেই সুবিধার জন্যে এই ব্যবস্থা (দুই দেওয়ালের মাঝে একটা ফাঁকামতো জায়গা দিয়ে কবর দেখা যায়)। 

         

        কি অদ্ভুদ একটা ব্যবস্থা – যা কোরান হাদিসে নাই – তা নিজেদের বুদ্ধি খাটিয়ে ধরে রাখা নাকি প্রচলিত পদ্ধতিকে প্রশ্ন করতে ভয় করার ফলে এই বিভাজন চালু আছে – সেই প্রশ্নই করতে চাই। 

         

  4. মাহফুজ

    সত্য, মুনিম ও জিয়াউদ্দিন সাহেবের সাথে সুর মিলিয়ে পোষ্টের লেখকের উদ্দেশ্যে বলতে চাই-
    অনেক সময় মুসলিম নামধারী অনেক পুরুষকেও কবর যিয়ারত করতে গিয়ে বিলাপ করতে, এমন কি সিজদায় পড়ে থাকতেও দেখা যায়। তাহলে তাদের দিল নারীদের চেয়েও নরম? নিশ্চয় এর কোন উত্তর নেই!!

    কাজেই নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সকলকেই ইসলামের বেসিক প্রিন্সিপাল মেনেই ঘরে বাইরে, রাস্তাঘাটে কিংবা কবর যেয়ারত করাতেও কোন বাধা থাকতে পারেনা। আর বেসিক প্রিন্সিপাল না মানলে তা উভয়ের জন্যই খারাপ ও বাধা স্বরূপ।
    আশাকরি পোষ্টের লেখক বিষযটি উপলব্ধি করার চেষ্টা করবেন।
    ধন্যবাদ-

  5. মাসুদ

    আল কুরআন এবং হাদিস এর আলোকে কথা বলার চেষ্টা করেন ভাই । আপনার   মনে যা আসে তাই বলবেন না ।  
     

    "মানুষের দিল যাতে নরম হয় মূলত এ উদ্দেশ্যেই শরীয়ত কবর যিয়ারতের ব্যবস্থা দিয়েছে। আর স্বভাবতই পুরুষের দিল হয় কঠিন আর নারী হয় কোমল হৃদয়। সুতরাং কবর যিয়ারতের অনুমতি না দিয়ে শরীয়ত তোমাদের অবমাননা করেনি বরং তোমাদের প্রতি যথার্থ সম্মান প্রদর্শন করেছে।"

    এটা যদি হাদিস এর কথা হত তাহলে  মেনে নিতে সমস্যা  হত না । সমস্যা হচ্ছে, যুক্তি টা আপনি
    ধার করিয়েছেন । যেটা বেসির ভাগ মানুশের কাছেয় অযুক্তিক । তাই ধর্মীয় বিষয়ে কিছু লিখার জন্য  সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত ।  

     

  6. মুনিম সিদ্দিকী

    লেখক কি হারিয়ে গেলেন????

    1. ৬.১
      মাহফুজ

      না ভাই, উনি নিজেদের মনগড়া মতবাদের ফেবারে জাল হাদিছের খোঁজ করছেন। দেখবেন, ঠিকই একবস্তা হাবিজাবি নিয়ে অচিরেই হাজির হবেন-

  7. শুভ্র আহমেদ

    ধন্যবাদ। ভালো লেগেছে।

  8. মুনিম সিদ্দিকী

    Proofs for Visitation of the Graves by Women by Shaykh Gibril F. Haddad

    সবাইকে পড়ে দেখার অনুরোধ জানাচ্ছি!

  9. Zelal

    মিস-লিডিং পোস্ট বলেই মনে হচ্ছে। তাও মূল বিষয়টির চেয়ে ভূমিকাটাই বড়। জীবনে প্রথমবার শুনলাম যে মন নরম করার উদ্দেশ্যে কবর জিয়ারতের বিধান। বাই দ্যা ওয়ে, "ইলমী ব্যক্তিত্বের সামান্য কিছু খেদমতে শামিল হওয়া"-র চেয়ে আমাদের নিজেদেরকেই কুরআন-হাদীস ভালোভাবে অধ্যয়ন করে "ইলমী ব্যক্তিত্ব" হওয়া উচিত নয় কি? নইলে, এরকম মনগড়া যুক্তিই হয়তো আমাদের শুনে ও মেনে যেতে হবে। সরাসরি ইসলামের বিরোধিতাও এতো ভয়ংকর নয় যতটা ভয়ংকর ইসলামের বিভিন্ন বিষয়ের উপরে মনগড়া ও ভাসা-ভাসা জ্ঞানের উপস্থাপন।

    1. ৯.১
      sotto

      সত্য কথাটা স্পষ্টভাবে বলার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ। এখানে আমন্ত্রণ রইল-

    2. ৯.২
      আহমেদ শরীফ

      মৃত্যুর স্মরণকে তাজা করাই অন্তর নরম হওয়ার প্রকৃষ্ট উপায় বলে বিভিন্ন হাদিসে বর্ণিত হয়েছে। কবর জেয়ারত মৃত্যর স্মরণকে তাজা করে দেয়। এ ব্যাপারে স্বয়ং রাসূল(সাঃ) ও ওমর(রাঃ) এর মত প্রধান প্রধান সাহাবা(রাঃ) থেকেও বিভিন্ন রেওয়ায়েত আছে।

      ইলমী ব্যক্তিত্ব বা রুহানী ব্যক্তিত্ব-বুজুর্গদের খেদমতে শামিল হওয়া অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি আমাল। স্বয়ং সাহাবায়ে কেরাম(রাঃ) রাসূল(সাঃ) এর সোহবতেই সাহাবা হতে পেরেছিলেন। এটাকে বলে 'সোহবতে আহলুল্লাহ'। 'সৎ কথায় স্বর্গবাস' বলা হয়নি বলা হয়েছে 'সৎসঙ্গে স্বর্গবাস'। যেমন বলা হয়েছে হয় আল্লাহর সাথে থাক নতুবা এমন ব্যক্তিদের সাথে _ যাঁরা আল্লাহর সাথে থাকেন। 'সোহবতে আহলুল্লাহ' র মাধ্যমে এমন সব রুহানি ফয়েজ হাসিল করা যায় যা একমাত্র বুজুর্গদের সোহবত ওঠানোর মাধ্যমেই সম্ভব। তবে এ ব্যাপারে যারা অভিজ্ঞ তারা ছাড়া এর রহস্য সম্মন্ধে বাকিরা অবগত নন।

      হক্কানি আলেমওলামার সাথে একেবারে সম্পর্কহীন থেকে ইসলামের পথে একাকি সাধনা নিঃসন্দেহে বিপজ্জনক, ঝুঁকিপূর্ণ। এতে শয়তানের শিকার হয়ে দূর্ভাগ্যজনকভাবে পথভ্রষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

       

  10. ১০
    সাদ

    মাশাল্লাহ দারুণ। সুবহানাল্লাহ। অনেকদিন হতে উত্তরটা খুজছিলাম। অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে। জাজাক আল্লাহ্‌।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।