«

»

জানু. ২৮

স্বাধীন ভারতে কেমন আছে মুসলিমরা

“কোন দেশে রাষ্ট্র তার সংখ্যালঘুদের প্রতি কি রকম পক্ষপাতহীন আচরন করে এবং তাদের বিশ্বাস ও আস্থা অর্জন করে, সেটা তার ন্যায়পরায়নতার একটা আসিড (Acid) মাত্র”

ভারতের মুসলিমদের অর্থনৈতিক, সামাজিক ও শিক্ষাগত অবস্থা সম্পর্কে জানার জন্য কয়েক বছর আগে ভারত সরকার এক বিশেষ কমিটি গঠন করেন। কমিটির সভাপতি ছিলেন দিল্লি হাইকোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি রাজেন্দ্র সাচার। তাঁর নেতৃত্বে এই কমিটি সারা ভারত জুড়ে মুসলিমদের উপর বিশাল সমীক্ষা চালায়। এই সমীক্ষায় যেসকল ব্যাপারে জানতে চাওয়া হয়েছিল তা হল, মুসলমানরা কি ধরণের কর্মকান্ডের সাথে যুক্ত, তাদের বার্ষিক আয় কেমন, শিক্ষাগত যোগ্যতা কেমন, সরকারী সাহায্য ব্যাংকের ঋণ কেমন পান, কেমন এলাকায় এরা থাকেন, সেখানে জল, বিদ্যুত, রাস্তাঘাটের অবস্থা কেমন, সম্পত্তি বা জমিজমার পরিমান কত….ইত্যাদি।

প্রায় দের বছর ধরে সমীক্ষা করার পর কমিটি একটি বিশাল রিপোর্ট তৈরি করেন। রিপোর্টটি খুবই বড়। প্রায় ৪৫০ পৃষ্ঠার। নির্ভিক সত্যানুসন্ধানী এই রিপোর্ট প্রকাশিত হবার পর সারা ভারতের সকল পত্রিকা মুসলিম বঞ্চনার কথা তুলে ধরেন। আলোচনার ঝড় উঠে সারা দেশ জুড়ে। এই কমিটির কাছে অবস্থা ভালো কিভাবে করা যায় সে ব্যাপারেও সুপারিশ চেয়েছিল। এই রিপোর্টে মুসলিমদের অবস্থার সাথে সাথে কিভাবে এই অবস্থা কাটিয়ে উঠা যায় সে সম্পর্কে সুপারিশও ছিল। এই রিপোর্টটির বিশেষ কিছু অংশ আপনাদের জানাবো আজ।

তার আগে, সর্বভারতীয় উর্দু নিবন্ধকারের একটি মন্তব্য দেখুন, “পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম মুসলিম জনগোষ্টি যে ভারতে বাস করে এটা পুরানো এবং বহুল প্রচলিত গল্প। নতুন এবং আলোড়ন সৃষ্টিকারী বিষয় হল তাদের সামাজীক অবস্থান, আর্থিক শোচনীয়তা, কর্মসংস্থানে অস্তিত্বহীনতা এবং রাজনৈতিক শক্তিহীনতা।” সর্বভারতীয় ইংরাজী নিবন্ধকার Dr. S. Ausaf Saied Vasfi লিখেছেন, “Muslim Condition is worse than that of Dalits. The only ‘sector’ where Indian Muslims are more than adequately represented in Jail.” (মুসলিমদের অবস্থা দলিতদের থেকেও সঙ্গীন। একমাত্র সেক্টর যেখানে ভারতীয় মুসলিমদের প্রতিনিধিত্ব রয়েছে ব্যপকতর তা হল জেল)।

২০০১ সালের জনগণনা অনুযায়ী ভারতের লোকসংখ্যা প্রায় ১০২ কোটি ৮৬ লক্ষ। এর মধ্যে ৮০% হিন্দু, ১৩.৪ শতাংশ মুসলিম। বাকী ৭% এর মতো খৃষ্টান, বৌদ্ধ, জৈন ইত্যাদি। কয়েক বছর আগে বেসরকারী একটি সমীক্ষার মতে ভারতে প্রায় ১৮-২০ কোটি লোক মুসলিম। আমেরিকার একটি পত্রিকার মতে ভারতে মুসলিমদের সংখ্যা প্রায় ২৫ শতাংশের মতো। ভারত কখনোই নাকি মুসলিমদের সঠিক সংখ্যা জানায় না।

যাক, এবার সাচার কমিটি রিপোর্টে দিকে আলোকপাত করা যাক। আমি শুধু কয়েকটা ব্যাপার নিয়ে লিখছি। যেগুলো নিয়ে বেশি হৈ হুল্লোর হয়েছিল।

মুসলিমদের শিক্ষাগত অবস্থা

শিক্ষা ক্ষেত্রে মুসলিমদের অবস্থা করুণ ও শোচনীয়। রিপোর্টে বলা হয়েছে, ‘মুসলিমরা দু ধরনের অবস্থার মধ্যে রয়েছেন। একদিকে শিক্ষার স্তর নিম্ন, অন্যদিকে শিক্ষার গুনগত মানও নিম্ন। কোন কোন ক্ষেত্রে মুসলিমদের আপেক্ষিক অংশীদারি দীর্ঘকাল ধরে জাতি-ব্যবস্থার শিকার তপশিলি জাতির মানুষদের চেয়েও খারাপ’। পশ্চিমবঙ্গ বিহারের এক হাজার মুসলিম অধ্যুষিত গ্রামে কোন বিদ্যালয়ই নেই। সারা দেশে মুসলিম প্রধান গ্রাম গুলির এক তৃতীয়াংশে কোন বিদ্যালয় নেই। কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয় তো নাইই। রিপোর্ট অনুযায়ী, শহর অঞ্চলে মুসলিমদের অন্তত ৬০% স্কুলের দরজায় পা দেবার সৌভাগ্যও হয়নি। উচ্চশিক্ষাতেও মুসলিমদের অবস্থা খুব খারাপ। সারা দেশে প্রতি ১০০ জন স্নাতকের মধ্যে মুসলমান ৬.৩, তপশিলি জাতি ৮.২, অন্যরা ৮৫.৫। টেকনিক্যাল স্নাতকের ক্ষেত্রে মুসলিমদের অবস্থা আরো খারাপ। ইন্ডিয়ান ইন্সটিটিউট অফ ম্যানেজমেন্ট এর সবকটি শাখা মিলিয়ে ছাত্র ছাত্রীদের মধ্যে মাত্র ১.৩ শতাংশ মুসলমান। এর কারণ শুধুই সরকারী অমনোযোগীতা, স্কুল কলেজের অভাব। অনেকে আবার বলেছেন মুসলিমরা ছেলেমেয়েদের মাদ্রাসায় পাঠান, স্কুলে নয়। তাই তাদের সঠিক শিক্ষা হয়না। কমিটির এই ব্যাপারেও সমীক্ষা চালিয়েছে। রিপোর্ট মোতাবিক মুসলিম শিশুদের মধ্যে মাত্র ৪% মাদ্রাসায় যায়। মুসলিমদের মধ্যে সাক্ষরতার হার ৫৯.৯%। এটা জাতীয় গড় ৬৫.১% অপেক্ষা অনেক কম।

চাকরির ক্ষেত্রে মুসলিম

স্বাধীনতা অর্জনের সময় চাকরীতে মুসলিমদের অবস্থান ছিল খুব ভালো। তখন চাকরিতে মুসলিমদের প্রতিনিধিত্ব ছিল ৩৪%। সাচার কমিটির রিপোর্ট প্রকাশিত হব্র পর এ-কথা বলেওছেন সিনিয়ার সমাজবাদী মন্ত্রী মুহাম্মাদ আযম খান। তিনি বলেন, ‘১৯৪৭ সালে যখন দেশের স্বাধীনতা অর্জিত হয় তখন দেশের সরকারী চাকরিতে মুসলিমদের প্রতিনিধিত্ব ছিল ৩৪%, আজ এটা দাড়িয়েছে মাত্র ১ শতাংশে। এমনকি তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেনীর কর্মসংস্থানে মুসলিমদের প্রতিনিধিত্ব দলিতদের থেকেও কম। এই অবস্থার জন্য কংগ্রেস ছাড়া আর কে দায়ি?” (Quota for all Muslims: Samajwadis by Amita Verma, The asian Age)
এ থেকে স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে স্বাধীনতার পর থেকে মুসলিমদের সাথে শুধু শোষন হয়েছে। তাদের অবস্থার একটু উন্নতি হয়নি বরং মহা অবনতি হয়েছে। আরেকটা ব্যাপার বলি, মুসলিমদের আর্থিক অবস্থা খতিয়ে দেখতে ইন্দিরা গান্ধী ১৯৮০ সালে গোপাল কৃষ্ণ কমিশান নিয়োগ করেন। এই কমিশনের রিপোর্ট অনুযায়ী মুসলিমরা শুধু বেকারই নয়, কিছু কিছু এমপ্লয়মেন্ট এক্সচেঞ্জ তাদের নাম নথিভুক্ত করতেও অস্বীকার। এই রিপোর্টে আরো বলা হয় আশির দশকে মুসলিম আই.এ.এস অফিসারের হার ছিল মাত্র ৩.২৭ শতাংশ, এই.পি.এস অফিসারের হার মাত্র ২.৭ শতাংশ এবং অনান্য কেন্দ্রীয় সরকারী চাকরিতে তাদের হার মাত্র ১.৫৬ শতাংশ। এমনকি রাজ্য স্তরের চাকরিতেও মুসলিমদের হার মাত্র ৬.০১ শতাংশ। অথচ এই রিপোর্ট প্রকাশের ৩০ বছর পরেও মুসলিমদের অবস্থা একই রয়ে গেছে। কোন উন্নতিই হয়নি। সরকার কোন ব্যবস্থাও নেয়নি।

সাচার কমিটির রিপোর্টটি দেখুন-

চাকরিপদ – মোট সংখ্যা – মুসলমানদের সংখ্যা – মুসলমানদের শতকরা হার
আই.এ.এস – ৩,৮৮৩ – ১১৬ – ২.৯৯ %
আই.পি.এস – ১,৭৫৩ – ৫০ – ২.৮৫ %
ইনকাম ট্যাক্স – ৮৮১ – ২৭ – ৩.৬ %
রেলওয়ে ট্রাফিক এবং আকাউন্ট – ৪১৫ – ১১ – ২.৬৫ %
ব্যঙ্ক – –(অজানা) – ২,৪৭৯ – ২.১৮ %
কেন্দ্রীয় দপ্তর – ৮,২৬,৬৬৯ – ৩,৩৪৬ – ৪.৪১ %
রাজ্য সরকারী দপ্তর – – (অজানা) ৪৯,৭১৮ – ৬.০১ %

আরো কয়েকটি ব্যাপার জানুন, ১৯৭১ সালের তালুকদার কমিশনের রিপোর্ট অনুযায়ী পশ্চিমবঙ্গ ক্যাডারে ২৬৪ জন আই.এ.এস অফিসারের মধ্যে মাত্র ২ জন মুসলিম। গোপাল কৃষ্ণ রিপোর্ট অনুসারে, উল্লেখযোগ্য মুসলিম জনসংখ্যাবিশিষ্ট তিন রাজ্য পশ্চিমবঙ্গ, আসম ও বিহারের ক্লাস ওয়ান সেক্টারের অফিসারের মধ্যে একজনও মুসলিম নেই। সর্বভারতীয় মোট ২,২৩২ জন ক্লাস ওয়ান অফিসারের মধ্যে মাত্র ৩৬ জন মুসলিম। এর মধ্যে ২২ জনই কেরালার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট। উল্লেখ্য, কেরালাতে অনেক মুসলিম আছে। ভারতের সব থেকে শিক্ষিত, স্বচ্ছল, ক্ষমতাশালী মুসলিম কেরালায় আছে।

রাজ্যগুলিতে মুসলিমদের জনসংখ্যা ও চাকরীর হার

রাজ্য——মুসলিম জনসংখ্যা—-চাকরির হার
পশ্চিমবঙ্গ – ২৫.২ % – ২.১ %
কেরালা – ২৪.৭ – ১০.৪
উত্তর প্রদেশ – ১৮.৫ -৫.১
বিহার – ১৬.৫ – ৭.৬
আসাম – ৩০.৯ – ১১.২
ঝাড়খন্ড – ১৩.৮ – ৬.৭
কর্ণাটক – ১২.২ – ৮.৫
দিল্লী – ১১.৭ – ৩.২
মহারাষ্ট্র – ১০.৬ – ৪.৪
অন্ধ্রপ্রদেশ – ৯.২ – ৮.৮
গুজরাট – ৯.১ – ৫.৪
তামিলনাড়ু – ৫.৬ – ৩.২

পরিস্কার বোঝা যাচ্ছে মুসলিমদের সংখ্যার অনুপাতে চাকরিতে তাদের প্রতিনিধিত্ব খুবই কম। বার বার কমিশন গঠন করা হয়েছে, কমিশন রিপোর্ট দিয়েছে। সুপারিশও করেছে। কিন্তু সরকার কোন রকমের উদ্যোগ নেয়নি। তাই মুসলিমদের অবস্থার উন্নতিও হয়নি। মুসলিমদের অবস্থা আরো খারাপ হয়েছে, হচ্ছে, হয়ে চলেছে।

দারিদ্র ও ভুমিহীন মুসলিম

ভারতে দারিদ্রসীমার নিচে বসবাস করেন ৩২% মানুষ। যাদের পরিবারের লোকেদের মাথাপিছু খরচ ২৬ টাকার কম তাদেরকে দারিদ্র সীমার নিচে বলে ধরা হয়। স্বাধীন হওয়ার ৬০ বছর পরেও একটি দেশের ৩২% মানূষের দারিদ্র সীমার নিচে বসবাস নিসন্দেহে লজ্জাকর। কিন্তু তার থেকেও লজ্জার ব্যাপার হল সেই দেশের একটি নিদিষ্ট ধর্মের অনুসারীদের ৪৯.৯ শতাংশ দারিদ্র সীমার নীচে বসবাস। হ্যা আমি মুসলমানদের কথা বলছি। সাচার কমিটির রিপোর্ট অনুযায়ী ভারতের ৪৯.৯% মুসলিম দারিদ্র সীমার নীচে বসবাস করে। যা জাতীয় গড়ের থেকে অনেক বেশি। এটা একটা ধর্মনিরপেক্ষ দেশের জন্য খুবই লজ্জার। প্রশ্ন উঠে ভারত কি সত্যিই ধর্মনিরপেক্ষ দেশ?

দারিদ্র সীমার নীচে বসবাসকারী মুসলিমদের বি.পি.এল অন্তরভুক্তও করা হয়নি। অথচ সারা দেশের প্রায় ২৭% দারিদ্রদের সেই সুবিধা দেওয়া হয়েছে। ফলে তারা অতিরিক্ত রেশন, কমদামে খাদ্যদ্রব্য, বিনা খরচে বিদ্যুতও পাননা। গ্রামীন মুসলিমদের ৬০% ভুমিহীন। ভিটে মাটি ছাড়া চাষ বাষ করার জন্য কোন জমি নেই। অথচ, ১৯৫০ সালের সংবিধান ও সুপ্রিম কোর্টের রায় অনুযায়ী জমিদারী প্রথা বিলোপ করা হয়েছিল। এবং নিদিষ্ট সংখ্যক সম্পত্তি ছেড়ে, অতিরিক্ত জমি সরকার গরীব্দের মধ্যে বেটে দেয়। তাহলে কি মুসলমানরা এই জমি থেকে বঞ্চিত হয়েছিল? তাদের কোন জমি দেওয়া হয়নি? কেন আজ ৬০% মুসলিম ভুমিহীন? সরকারের কাছে এইসব প্রশ্নের কোন উত্তরই নাই।

অনান্য জন-গোষ্ঠীর মধ্যে দারিদ্র (শতাংশ হিসেবে)

সম্প্রদায় – শহর – গ্রাম
তপশীলি জাতি- ৩৬.৪ – ৩৪.৮
হিন্দু – ৮.৩ – ৯.০
অনান্য সঙ্খ্যালঘু – ১২.২ – ১৪.৩

দেখা যাচ্ছে তপশীলি জাতি বাদ দিলে সবাই সুখেই আছে। দারদ্রের ছোবল থেকে বেঁচে আছে। অথচ মুসলিমরা দারিদ্রের দংশনে কাতরালেও চিকিতসার কোন ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। অবাক করা ব্যাপার হলো দেশের ৪০% মুসলমান প্রধান গ্রামে কোন স্বাস্থ্যকেন্দ্রই নাই। ফ্রীতে চিকিতসা পাওয়া তো দুরের কথা।

বিচার বিভাগ, লোকসভা ও রাজ্যসভাতে মুসলিমদের প্রতিনিধিত্ব খুবই কম। এসব বিষয় নিয়েও লেখা যায়, কিছু তথ্য দেওয়া যায়। কিন্তু এগুলো ততটা ইম্পোর্টান্ট নয়। তাই শিক্ষা, চাকরি এবং দারিদ্রতার কথাই শুধু লিখলাম। লিখতে গিয়ে বার বার মন খারাপ হয়েছে। মনে হয়েছে ধুর ছাই, এসব লিখে কি হবে। শুধু মনের কষ্টই বাড়বে। যাক এনিয়ে আর লেখার ইচ্ছে আপাতত নেই। তবে পশ্চিমবঙ্গের মুসলিমদের অবস্থা নিয়ে লিখব ইনশাল্লাহ।

সূত্রঃ

* সাচার রিপোর্ট, মুসলিমদের বঞ্চনার দলিল; সন্তোষ রাণা
* মুসলমান সমাজ এখন এই সময়; এস.এম. শামসুদ্দিন
* আবু রিদা সাহেবের বিভিন্ন প্রবন্ধ

৩৮ মন্তব্য

২ pings

এক লাফে মন্তব্যের ঘরে

  1. মুনিম সিদ্দিকী

    আল্লাহকে হাজার হাজার ধন্যবাদ যে ভারত ভাগ হয়েছিল বলেই আজ আমরা বাংগালী মুসলিমরা এমন স্বাধীনতা ভোগ করতে সক্ষম হচ্ছি। কিন্তু অল্প সূখে কাতর আর অধিক সূখে পাথরের মত কিছু লোকের আফসুসের সীমা নাই কেন যে ভারত ভাগ করা হয়েছিল !!!!!!!

    1. ১.১
      এস. এম. রায়হান

      প্রথমত, আপনার এই মন্তব্যের মধ্যে প্রচণ্ড রকমের সেলফিস ভাব লক্ষ্য করা যাচ্ছে। দ্বিতীয়ত, আপনি বলতে চাচ্ছেন যে ভারতীয় মুসলিমদেরকে আল্লাহ শাস্তি দিচ্ছেন।

      1. ১.১.১
        মুনিম সিদ্দিকী

        সেলফিস কথা কেমন করে পেলেন? আমি বলতে চাচ্ছি ভারত ভাগ না হলে আমাদেরও সেই এক অবস্থায় থাকতে হত। ফিলিস্তিনী ভাইদের জন্য যেমন করে আমরা ব্যথিত হই এবং তেমন করে ভারতে আমাদের ভাইদের জন্য ব্যথা হচ্ছে। আজ যদি ভারত ভাগ হয়ে মুসলিম রাষ্ট্র না হয়ে বুদ্ধ খৃষ্টান বা ইহুদী রাস্ট্র প্রতিষ্ঠা হত তাহলে দেখতেন সেই রাষ্ট্রকে ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিনত করতে  সম্মিলিত ভাবে অন্যরা আসত না। যদি ভারতের পাশে শক্তিশালী মুসলিম রাষ্ট্র থাকত তাহলে ভারতে মুসলিমরাও এই ভাবে অবহেলিত থাকতনা।
        এর জন্যই আবুল কালাম আজাদ যিনি ভারত ভাগ হোক চান নাই তিনি ভারত ভাগ হয়ে পাকিস্তান হবার পর বলেছিলেন- যে পাকিস্তানকে ঠিকে  থাকতে হবে শুধু পাকিস্তানীদের জন্য নয় ভারতীয় মুসলিমদের নিরাপত্তার জন্যও। সূত্র আমাদের দেখা রাজনীতির ৫০ বছর দেখুন।
         

        1. ১.১.১.১
          আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন

          মুনীম ভাই – 
           
          আলোচনা হচ্ছে ভারতে মুসলমান – মানে যাদের আমাদের পূর্ব পুরুষরা পাকিস্তান তৈরী সময় ভূলে গিয়েছিলেন – তাদের কথা। আপনি নিজের লাভের কথা বলছেন। কি দারুন একটা কমেন্ট। 
           

    2. ১.২
      পাভেল আহমেদ

      আল্লাহ্‌ যা করেন ভালর জন্যই করেন!

      1. ১.২.১
        আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন

         
        এখানে কোন সন্দেহ নাই। তবে যা খারাপ এবং মন্দ তা আমাদের কারনেই আসে।
        খুব খেয়াল রাখতে হবে

        (42:30)
        তোমাদের উপর যেসব বিপদ-আপদ পতিত হয়, তা তোমাদের কর্মেরই ফল এবং তিনি তোমাদের অনেক গোনাহ ক্ষমা করে দেন।

  2. পাভেল আহমেদ

    সুন্দর গবেষণামুলক একটি লেখা। লেখাটি দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ।

    1. ২.১
      ফরিদ আলম

      পড়ার জন্য আপনাকেও ধন্যবাদ।
      শুভেচ্ছা জানবেন

  3. আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন

    হিসাবটা সোজা। ভারতবর্ষ শত শত বছর শাসন করলো মুসলিমরা। তারপর ধীরে ধীরে তাদের ক্ষমতা চলে গেলো। চলে গেলো সন্মান এবং সম্পদও। এইটা কেন হয়েছে তা নিয়ে গবেষনা করা হয়নি তেমন। ইতিহাসে যা আছে তা হলো কে কে ষড়যন্ত্র করেছে – কারা দোষী। কিন্তু ইসলামের মুল ভিত্তি হলো ঈমান – তার উপর থেকে যখন ক্ষমতাশীনরা সরে গেলো – গান বাজনা – বড় বড় প্রাসাদ আর ভোগ বিলাসে মগ্ন হয়ে উঠলো – তাদের উপর থেকে আল্লাহ রহতম সরে গেলো। 
     
    তারই ধারা বাহিকতায় মুসলিমরা বিভ্রান্ত হলো। জেহাদের দিকে না গিয়ে – নিজেদের ত্রুটিগুলো নিয়ে কাজ না করে নিজেদের পার্থিব লাভের আশায় বিভক্তিতে জড়িয়ে পড়লো। 
     
    যদি আজকে ভারত ভাগ না হতো – তাহলে তার মোট জনসংখ্যা হতো ১৫০ কোটি – তার মধ্যে ৭০ কোটি হতো মুসলমান। সেই হিসাবে আমাদের পূর্ব পুরুষরা ভারতকে বিধর্মীদের হাতে তুলে দিয়ে সেখানকার মুসলমানদের সংখ্যা লঘুতে পরিনত করেছে। একমাত্র সোহরওয়ার্দী ছাড়া কোন নেতাই ভারতে থেকে যাওয়া মুসলমানদের কথা ভাবেনি।

    অন্যদিকে মাইগ্রেশনের কারন সম্পদ এবং বিদ্যায় অগ্রসর মুসলিমরা পাকিস্তানে চলে এসেছিলো। আর সেখানে রয়ে গিয়েছিলো অপেক্ষাকৃত দূর্বল দলটি। যার ফলাফল আজ দেখছি। 
     
    এই জন্যে দায়ী ক্ষমতালোভী পাকিস্তানের প্রবর্তক রাজনীতিকরা । যারা ভাগাভাগির সময় কোন ভাবেই সাধারন মানুষের কথা ভাবেনি।

    কেন আমরা ভাবতে পারিনি – ভারত মুসলমানদের – মুসলমানরাই ভারত শাসন করবে?

    1. ৩.১
      ফরিদ আলম

      অসাধারণ মন্তব্যের জন্য অনেক ধন্যবাদ আবু সাঈদ ভাই।

    2. ৩.২
      আহমেদ শরীফ

      কিন্তু ইসলামের মুল ভিত্তি হলো ঈমান — তার উপর থেকে যখন ক্ষমতাশীনরা সরে গেলো — গান বাজনা — বড় বড় প্রাসাদ আর ভোগ বিলাসে মগ্ন হয়ে উঠলো — তাদের উপর থেকে আল্লাহ রহমত সরে গেলো।
       
      তারই ধারা বাহিকতায় মুসলিমরা বিভ্রান্ত হলো। জেহাদের দিকে না গিয়ে — নিজেদের ত্রুটিগুলো নিয়ে কাজ না করে নিজেদের পার্থিব লাভের আশায় বিভক্তিতে জড়িয়ে পড়লো।

      সর্বযুগে সর্বক্ষেত্রে মুসলমানদের উত্থান ও পতনের শর্তই হল 'ঈমান'। এর ওপর ভিত্তি করেই আল্লাহর সাহায্য আসে, আবার এর অভাবেই আল্লাহর সাহায্য সরে যায়। শুরু থেকে এ পর্যন্ত, এবং ক্বেয়ামত পর্যন্ত এ নিয়মের কোন ব্যতিক্রম হওয়ার কথা নয়।

      কাজেই শুধু মুসলমান শাসনকর্তারাই নন, ইসলামী শাসনের জন্য আন্দোলনের কথা যারা ভাবেন তাদের জন্যেও এটা মনে রাখা জরুরি। ঈমান ও আ'মাল আল্লাহর শর্ত মোতাবেক না হলে পদে পদে আছাড় খেতে হবে, বাধাগ্রস্ত হতে হবে, ব্যর্থতা ও লজ্জার স্বাদ গ্রহণ করতে হবে।

    3. ৩.৩
      রাজদরবার

      মুসলিমদের স্বাধীকারের জন্য দেশভাগ অপরিহার্য ছিল। বঙ্গবন্ধুর জীবনীতেও এটি উল্লেখ রয়েছে।
      পাকিস্তান হয়েছে, তবে সেটি আয়তনে ছোট হয়েছে। কারণ পূর্বাংশকে দুর্বল করার জন্য পশ্চিমের নেতারা তলে তলে কলকাতা এবং আসামকে ভারতের হাতে তুলে দিয়েছিল। সেটাও বঙ্গবন্ধুর জীবনীতে রয়েছে।
      বর্তমান মুসলমানদের দুরবস্থার জন্য দায়ী দারুল উলুম দেওবন্দ এবং জামাতে মওদুদী। এ দুটো দল সাতচল্লিশে ভারতভাগের বিপক্ষে ছিল। বিশেষত দেওবন্দের কারণেই আসাম ভারতের হাতে পড়েছে। দেওবন্দ হিন্দু মুসলিম ভাই ভাই স্লোগান তুলে ভারতের মুসলমানদের দুভাগে বিভক্ত করে দিয়েছিল, একদল ছিল ভারতের পক্ষে, একদল পাকিস্তানের পক্ষে।
      বস্তুত পাকিস্তানের পক্ষে যারা ছিল তারাই সঠিক রাস্তায় ছিল। দেওবন্দের মত ভারতপন্থী গ্রুপগুলো যদি না থাকত তাহলে ভারতের গোটা উত্তরাংশ মুসলিম শাসনের অধীন হতো।

      1. ৩.৩.১
        শাহবাজ নজরুল

        সার্বিক বিষয়টা বেশ জটিল। সেজন্যে এই বিষয়ে আসা পোস্টগুলোতে তেমন বিতর্কে জড়াইনি। তবে দেশ বিভাগের বিপক্ষে যে কথাগুলো এসেছে তা বেশ শক্তিশালী – যেমন, দেশ বিভাগে মুসলিমরাই বিভক্ত হলো – তাও প্রায় সমান তিনভাগে – হিন্দুরা মোটের উপর একটা দেশেই রয়ে গেল। শক্তি কিন্তু মুস্লিমদেরই ক্ষয় হলো।

        দ্বিজাতি তাত্ত্বিক দেশ বিভাগ যে ঠিক ছিলোনা তার প্রমাণ বাংলাদেশে মুক্তিযুদ্ধ। আর মুক্তিযুদ্ধের আবহ তৈরী হয় '৪৭ এর পরপরই – ভাষা আন্দোলনের মাধ্যমে। অতএব, সার্বিকভাবে মুসলিমদের স্বাধিকারের জন্যে আলাদা দেশ দরকার ছিল এমন কথা বলে দেশ স্বাধীন করলেও বছরখানেক যেতে না যেতেই তা ফাঁকা বুলি বলেই প্রমাণিত হলো। আর দ্বিজাতি তত্ত্বের ভিত্তিতে মুসলিমদের জন্যে আলাদা দেশ তৈরী হলো ঠিকই – কিন্তু ভারতে রয়ে গেলেন প্রায় অর্ধেক মুসলিম জনগোষ্ঠী। তাদের ব্যপারে চিরস্থায়ী সমাধান না করে – দ্বিজাতী তত্ত্বের আলোকে পাকিস্তান গড়া ছিল একটা অসম্পূর্ণ সমাধান। এই লেখাতে ভারতে থেকে যাওয়া মুসলিমদের কথাই আদতে উঠে এসেছে। ব্যপার হচ্ছে – দ্বিজাতি তত্ত্বের ভিত্তিতে দেশ ভাগ হওয়াতে যারা অবিভক্ত ভারতের কথাও বলছিলেন – সৃষ্টিলগ্ন থেকে আরোপিত বিভক্তি থেকে জন্ম নেয়া বিভাজনী আবহ ভারতেও আলাদা ভাবে লালিত হতে থাকে। ভারতে থেকে যাওয়া মুসলিমরাও পড়ে অস্তিত্ব সংকটে। এক দেশ থাকলে তা কখনো হতোনা। মুসলিমদের জনসংখ্যা এখন হতো ৬০ কোটির উপরে – যাদেরকে কেঊই দাবিয়ে রাখতে পারতো না। সেক্ষেত্রে ভারত হয়ত এক দুই শতাব্দী পরে আবার মুসলিম শাসনাধীনে চলে আসতো – যে মুসলিমরাই এই ভারত শাসন করেছে ৭০০ বছর।

        তবে আরেকদিকে ভাবলে – দেশ বিভাগ না হলে হয়ত এই বাংলাদেশ পেতাম না। বাংলার প্রচলন তখন কতটুকু থাকতো তা নিয়ে প্রশ্ন থেকে যায়। পেতাম না গর্ব করার মত মুক্তিযুদ্ধও।
         

        1. ৩.৩.১.১
          আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন

          শাহবাজ 
          আপনার কমেন্টে অনেকগুলো বাস্তবতা ফুঁটে উঠেছে। ভারত ভাগে প্রকৃতপক্ষে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ভারতের মুসলিম সম্প্রদায়। 
           

        2. ৩.৩.১.২
          মুনিম সিদ্দিকী

          ১।আমার একটি প্রশ্নের জবাব দিবেন কি? ভারতে রেখে যাওয়া মুসলিমদের যদি বিপদে ফেলে আসা হয়েছিল তাহলে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে কেন কোন ভারতীয় মুসলিম সমর্থন দেয়নি?
          ২। ভারত ভাগ মুসলিমরা চায়নি। চেয়েছিল সংখ্যানুপাতে সর্বক্ষেত্রে তাদের অধিকার। কিন্তু হিন্দুরা তা মেনে নিতে চায়নি। তারা বলেছিল ধর্মের ভিত্তিতে সংখ্যানুপাত দাবী চলবেনা।
          ৩। আর বাংলা ভাগের তো কোন স্বপন বাংগালী মুসলিমরা দেখেনি তাই তা দাবীও করেনি। হিন্দুরা বাংলা এক থাকলে তারা মুসলিমদের অধীনে চলে যাবে বলে তারাই বাংলাকে খণ্ডিত করেছিল, যার দায় মুসলিমদের উপর আসতে পারেনা।
          ৪। যারা ভারত বিভাগ ভুল ছিল বলে মায়াকান্না করেন, তারা এখনও এক অখন্ড ভারতের স্বপ্ন দেখেন এবং সেই এজেন্ডা বাস্তবায়নে নিয়োজিত আছেন। এর মানে এরা প্রকারান্তে স্বাধীন বাংলাদেশের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছেন।
          ৫। ভারত ভাগ যারা করেছিলেন তারা মনে করেছিলেন যে- যত সমস্যা তা হচ্ছে রাজনৈতিক। কাজেই বিশাল ভারতে ভোটের রাজনীতি দিয়ে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠা করা যাবেনা। তাই যে এলাকায় মুসলিম প্রধান সেখানের রাজনীতি মুসলিমরা নিয়ন্ত্রণ করলে তখন আর আমরা আর তোমরার আত্মগাতী বিভাজন থাকবেনা। এই নেতারা কখনও চিন্তা করেননি দেশ ভাগ হলে মানুষ ভিটে মাটি ছেড়ে উদ্বাস্তু হয়ে পড়বে। কারণ দেশ ধর্মের ভিত্তিতে ভাগ হয়নি, ভাগ হয়েছিল ধর্ম ভিত্তিক জাতিয়তায়। তাই তো পাকিস্তান হওয়ার পরে ইসলামিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা হয়নি। পরবর্তিতে সামরিকজান্তা পাকিস্তানের উপর ইসলামকে চাপিয়ে দিয়েছিল। যা বাস্তবে মোটেই ইসলামী রাস্ট্র ছিলনা।
          ৬। মুসলিমদের পাকিস্তান দাবির ঐক্যের কাছে তখন কার হিন্দুনেতারা পরাজিত হলেও হিন্দুরা তা মেনে নিতে পারেনি বলেই শুরু থেকেই পাকিস্তান রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ছিল। যাতে করে পাকিস্তান ব্যর্থ রাস্ট্র হয়ে আবার ভারত ইউনিয়নে ঢুকে পড়ে। তাই তো হিন্দুরা দ্বি জাতিয়তত্ত্ব ভুল প্রমাণ করতে শুরু থেকেই যড়যন্ত্র করে আসছে। তাদের সৃষ্টি সাম্প্রদায়ীক দাংগা শুরু হয়েছিল যা আমরা বংগবন্ধু ডাইরী থেকে জানতে পারছি।
          ৭। এই ভারত যতই আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধে সাহায্য করে থাকেনা কেন, তারা কখনও ভাষা ভিত্তিক অঞ্চল ভিত্তিক ধর্ম ভিত্তিক একটি দেশ তাদের বগলের মধ্যে উন্নতীর শীর্ষ শিখরে উঠে যাবে  তা মেনে নিবেনা। কারণ তা হলে আর তা হবে ভারতে অন্যান্য ভাষা ভাষীদের জন্য অনুপ্রেরণা ।
           

          1. আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন

            মুনিম ভাই 
             
            কাকে প্রশ্ন করেছেন জানি না। তবে উত্তর আছে – তা জানার জন্যে একটু ইতিহাস পড়তে হবে। আমি সেই দিকে যাবো না। 
             
            মজার বিষয় কি আপনি মুসলিম জাতি নিয়ে বিতর্ক করলেন – আর বাংলাদেশের মুসলমানদের পার্থিব উন্নতিতে আত্নতুষ্ঠিতে ভুগছেন – একবারও ভারতের মুসলমানদের কথা ভাবলেন না। যদিও তারাও একই উম্মার অংশ। দ্বিজাতীর তত্ত্বের এইটাই হলো সবচেয়ে ভয়াবহ দিক – সেখানে ধর্মকে ব্যবহার করে মুসলমান জনগোষ্ঠীকে তিনভাবে ভাগ করা হয়েছে – যাতে ভারতে কোন সময় মুসলমানরা শাসক হতে না পারে। যেমনটা দেখেছি আবর বিশ্বেও – সেখানে বৃটিশরা কৌশলে সংখ্যালঘুদের শাসক বানিয়েছে – কৃত্রিম  সীমানা করে দিয়ে সংখ্যালঘুদের সংখ্যাগুরু বানিয়ে আফ্রিকাতে চিরস্থায়ী বিবাদে রূপ দিয়ে এসেছে। 
             
            আরেকটা বিষয় হলো – অন্য ধর্মের লোকজনকে নিয়ে যত কথাই বলুন তাতে মুসলমান হিসাবে আমাদের দূর্বলতাই প্রকাশ পায়। ভেবে দেখুন যখন সুদুর আবর থেকে একজন মানুষ হয়তো পায়ে হেটে ভারতের কোন অঞ্চলে প্রবেশ করেছিলো – কালক্রমে ভারতের শাসন চলে যায় মুসলিমদের হাতে। এমন কি একজন মানুষ – শুধুমাত্র গুটিকয় অনুসারীদের নিয়ে কুরাইশদের প্রবল বাঁধাকে অতিক্রম করে যে আদর্শ সারা বিশ্বে ছড়িয়ে দিয়েছিলের – সেই আদর্শের মানুষ হয়ে আমরা নিজেদের একটা সীমানায় আবদ্ধ করে বিজয়ী ঘোষনা করছি আর অন্যের দোষ দিয়ে বেড়াচ্ছি – ইসলামের জন্যে এই ধরনের চিন্তা খুবই সংকীর্ণ হয়ে যায়। ইসলাম খুবই শক্তিশালী একটা পথ – তাকে ধরে রাখলে মৃত্যুও গৌরবের বিষয় বিবেচিত হয় – সেখানে পার্থিব কিছু সমস্যার কারনে একটা বিরাট জনগোষ্ঠীকে উপেক্ষা করে কতিপয় মুসলিম আলাদা দুইটা ভুখন্ডে নিজেদের আবদ্ধ করে আত্নসুষ্ঠি লাভ করছি – এইটা মুসলিম হিসাবে আমাদের কত বড় অধপতন ভেবে দেখেছেন কি? 

          2. মইদুল ইসলাম

            প্রথমত ভারত ভাগটাই ছিল একদম ভুল। কেননা ভারতের রাজত্ব এর আগে মুসলমানরা হাজার বছর ধরে করেছিল। আর ইংরেজদের বিরুদ্ধে লড়াইও করেছিল মূলত তারাই। তাই ভারতের ব্রাহ্মাণ্যবাদী কংগ্রেস আর  ইংরেজরা ভালভাবেই জানত যে স্বাধীন ভারতের ক্ষমতা আবার মুসলমানদের হাতেই চলে যাবে। তাই তারা দেশকে টুকরো করে দিয়ে অপেক্ষাকৃতে একেবারে ফালতো জায়গাগুলো (পাকিস্থান-বাংলাদেশ) মুসলমানদের দিয়ে দিল —- আর ভালোটা নিল হিন্দুরা। 

            এরপর আবার যখন 1971 সালে পাকিস্তান ভাগ করা হল সেটাও ভারতের হিন্দুদের স্বার্থ দেখে। তাই আমি মনে করি যারাই এই ভারত ভাগ বা পাকিস্তান ভাগের বিরোধীতা করেছে তারা ঠিক করেছে অ্যাজ এ মুসলিম হিসাবে।

  4. করতোয়া

    সুন্দর তথ্যভিক্তিক একটা অসাধারন পোষ্টের জন্য ধন্যবাদ। এই পোষ্ট থেকে আমাদের অনেক কিছু জানা ও বোঝার বিষয় আছে। এখান থেকে যেমন মুসলিমদের কৃতকর্মের ফলাফলের সাথে কোরআন ও হাদিসের ভবিষ্যৎ বানীর মিল খুজে পাওয়া যায় তেমনি কোরআন ও হাদিসের বিষয়টি যে সত্য তারও প্রমান মেলে।

  5. Kumar Mondol

    For give for writing in Englis. Actually, I can help myself going through such biased analysis. I have only three  demographic evidences to refer. In 1947, at the time of independence, Muslim population in India was around 10%, Hindu population in Pakistan was around 20%. Currently, Muslim population in india is around 15-16%, in some states it is more than 25%(UP, West Bengal etc.), whereas in pakistan Hindu population is around 1% , and in Bangladesh it is below 10%. Please explain to me which reilgion is more tolerant to other religion? Is it Islam or Hinduism? I rest my case.

    1. ৫.১
      এস. এম. রায়হান

      আপনার বক্তব্য অনুযায়ী মুসলিম অধ্যুষিত পাকিস্তান ও বাংলাদেশে যেহেতু হিন্দুদের সংখ্যা কমে গেছে এবং হিন্দু অধ্যুষিত ভারতে যেহেতু মুসলিমদের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে সেহেতু হিন্দু ধর্ম অন্যান্য ধর্মের প্রতি বেশী সহনশীল – এই কথাই তো বলতে চাচ্ছেন, তাই নয় কি? এই ধরণের আউল-ফাউল মার্কা যুক্তি মোল্লামনাদের কাছে থেকে শিখেছেন বুঝি।
       
      হিন্দু ধর্ম যেখানে নিজ ধর্মের মানুষদের [নিম্ন বর্ণের হিন্দু] প্রতিই চরম অসহনশীল সেখানে অন্যান্য ধর্মাবলমীদের প্রতি আবার সহনশীল হবে – এই যুক্তি কি কেউ বিশ্বাস করবে? ব্যাপারটা কি এরকম হয়ে গেলো না-
       
      একটি দেশের রাষ্ট্রপ্রধান নিজ দেশের মানুষের প্রতি প্রচণ্ড অসহনশীল কিন্তু অন্যান্য দেশের মানুষের প্রতি সহনশীল!
       
      কিংবা,
       
      একজন বাবা/মা তার নিজ সন্তানদের প্রতি চরম অসহনশীল হলেও অন্যের সন্তানদের প্রতি বেশ সহনশীল!

    2. ৫.২
      এস. এম. রায়হান

      বাংলাদেশে যে সকল কারণে হিন্দু জনসংখ্যার হার ধাপে ধাপে কমে গেছে সেগুলোর মধ্যে মূল চারটি কারণ হচ্ছে:

      ১. সাতচল্লিশের দেশভাগ আর একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের সময় অনেক হিন্দু বাংলাদেশ থেকে ভারতে মাইগ্রেট করেছে। এই দুটি ট্র্যানজিশন পয়েন্টেই ম্যাস মাইগ্রেশন হয়েছে।

      ২. হিন্দু ধর্ম, হিন্দুদের দেব-দেবী, ও হিন্দু মনীষীদের জন্মস্থান ভারত হওয়াতে হিন্দুরা যে ভারতকে ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে স্বর্গের মতো কিছু একটা মনে করে এতে কোনোই সন্দেহ নেই। যার ফলে সুযোগ পেলেই বাংলাদেশের হিন্দুরা ভারতে মাইগ্রেট করে। তাদের বিশ্বাস অনুযায়ী ভারতই হচ্ছে তাদের দেশ, এজন্য হিন্দী সিনেমাতেও ভারতকে "হিন্দুস্থান" বলা হয়। আর এজন্যই বাংলাদেশের হিন্দুদেরকে কখনো মিয়ানমারে মাইগ্রেট করার কথা শোনা যায় না।
       
      ৩. বাংলাদেশের সাথে ভারতের বিশাল সীমান্ত থাকায় হিন্দুরা চাইলেই ভারতে মাইগ্রেট করতে পারে। বাংলাদেশের সাথে যদি ভারতের সীমান্ত না থাকত কিংবা ভারতে মাইগ্রেট করা যদি খুব কঠিন হতো তাহলে স্বাভাবিকভাবেই বাংলাদেশের হিন্দুরা মাইগ্রেট করত না।
       
      ৪. ভারত যেহেতু একটি হিন্দু-অধ্যুষিত এবং অপেক্ষাকৃত উন্নত ও শক্তিশালী দেশ সেহেতু বাংলাদেশের হিন্দুরা ভারতকে বেশি নিরাপদ মনে করে।

      উপরোল্লেখিত চারটি মূল কারণের সাথে আরেকটি কারণও আসতে পারে (যেটি এই লেখায়ও এসেছে):
       
      হিন্দুদের দাবি অনুযায়ী মুসলিমরা নাকি সংখ্যা বাড়ানোর জন্য বেশি বেশি সন্তান জন্ম দেয় [তাদের ভাষায়: Muslims breed like rabbits]। তাদের এই দাবি যদি সত্য হয় তাহলে হিন্দুরা স্বাভাবিকভাবেই অনেক কম সন্তান জন্ম দেয়। সন্তান অনেক কম হলে জনসংখ্যা বাড়বে না কমবে, পাঠক!
       
      উপরোল্লেখিত কারণগুলোর মধ্যে 'ইসলামিক মৌলবাদ' বা 'নিরাপত্তাজনিত কারণ' না আসাতে কেউ কেউ হয়তো আমাকে বায়াসড ভাবতে পারে। ওয়েল, সেক্ষেত্রে প্রশ্ন হচ্ছে- 'ইসলামিক মৌলবাদ' এর চেয়ে ভারতে হিন্দু মৌলবাদ অনেক বেশি প্রকট হওয়া সত্ত্বেও (হিন্দুত্ববাদীদের একটি মিশনই হচ্ছে 'অনুপ্রবেশকারী' মুসলিমদেরকে ভারত থেকে বহিষ্কার করা) এবং ভারতের মুসলিমরা অনেক বেশি নির্যাতিত, নিপীড়িত, অবহেলিত, ও অনিরাপদ হওয়া সত্ত্বেও তারা পাকিস্তান ও বাংলাদেশে মাইগ্রেট করে না কেন?

      1. ৫.২.১
        Kumar Mondol

        You can give any justification you want, but you can not refute fact. You can have your opinion, but your own fact.  The fact tells us that India is more tolerant that Isla. I myself have come across several Hindu family migrated to USA because of problems created bytheir Muslim neighbours. I can say that Muslims are under represented in Indian labor market, it is becasue they do not value education as mucha as do the Hindus. It is as simple as that. We know Hinduism had problems regarding caste and others, but that does not explain why hindu population declines from Bangladesh and Pakistan and Muslim population increases in India. You may preach whatever you want to your choir, but that is  not true rather a blatantly biased opinion, nothing else.

    3. ৫.৩
      এস. এম. রায়হান

      ভারতের মুসলিমরা সবচেয়ে বেশি নির্যাতিত, নিপীড়িত, ও অবহেলিত হওয়া সত্ত্বেও তারা পাকিস্তান ও বাংলাদেশে মাইগ্রেট করে না কেনো? এর উত্তর হচ্ছে: 

      ১. ভারতের মুসলিমরা ভারতকেই নিজ দেশ মনে করে, পাকিস্তান বা বাংলাদেশকে নয়। এটিই মূল কারণ।
       
      ২. ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে ভারতের মুসলিমদের কাছে পাকিস্তান বা বাংলাদেশের কোনো বিশিষ্টতা নেই।
       
      তাহলে দেখা যাচ্ছে নিরাপত্তাজনিত কারণ এখানে একেবারেই গৌণ, ধর্তব্যের মধ্যেই পড়ে না। তবে হ্যাঁ, ভারতের সাথে যদি সৌদি আরবের সীমান্ত থাকত তাহলে হয়তো ভারতের মুসলিমদের একটি অংশ সৌদি আরবে মাইগ্রেট করতো।

      1. ৫.৩.১
        ফরিদ আলম

        ধন্যবাদ রায়হান ভাই, খুব সুন্দর বলেছেন। আপনার সাথে একমত। ভারতের হিন্দুদের সবাই খারাপ এমন কিন্তু নয়। বেশির ভাগই ভালো। তবে কিছু লোক সীমার বাইরে খারাপ। সংঘ পরিবার, বিজেপি কিংবা শিবসেনার মতো সাম্প্রদায়িক দল গুলো প্রকাশে মুসলিম বিরোধিতা করে। এরা মুসলিমদের প্রতি খুবই অসহনশীল। এদের ভক্তের সংখ্যাও ভারতে কম নয়।

    1. ৬.১
      ফরিদ আলম

      ধন্যবাদ

  6. Banglai likhte hoy kivhabe?

    1. ৭.১
      মুনিম সিদ্দিকী

      http://www.omicronlab.com/avro-keyboard.html  এই কীবোর্ড ডাউন লোড করে আপনার পিসিতে ইন্সটল করে নিন তারপর বিন্দাস বাংলা লিখতে থাকুন।

  7. sami23

    খুবই তথ্য সমৃদ্ধ লেখা। ভারতে মুসলমানদের দুর্দশার এবং deprivations বিট্রিশ শাসন তুলনা অধিকতর গুন খারাপ।গোপাল সিং কমিটি রিপোর্ট ১৯৮৩ এবং সাচার রিপোর্ট এবং রানঙ্গানাথ রিপোর্ট ২০০৭ দাবী কড়া হয় যে  ভারতের মুসলমান উন্নতি অন্যান্য সম্প্রদায়ের মত হচ্ছে।অন্য দিকে হিন্দু extremists দাবি করে যে, ভারত সরকার নিয়ম নীতি মুসলমান তুষ্টি মূলক অন্যদের তুলনায়।ভারতের হিন্দু extremists কারণে মুসলমানদের জীবনযাত্রা সীমাহীন দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।বিশেষ করে ভারতের বড় বড় শহর মুসলমানদের বাড়ী ভাড়া না পাওয়া ভারতে মুস্লমাদের দুর্দশা চিত্র বহন করে।সবচেয়ে আতংকের বিষয় হচ্ছে, ভারত সরকারের উদ্দেশ্যমুলক নিয়ম নীতি, মুসলমানদের শিক্ষা এবং অর্থনীতির ক্ষেত্রে অনগ্রসরতা অন্যতম কারণ। 

  8. রাজদরবার

    আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন, ভারতভাগ হয়েছে বলেই ভারতের মুসলিম উম্মাহর একটি অংশ স্বস্তিতে নিঃশ্বাস নিতে পারছে। ভারতভাগ না হলে সবাইকে মরতে হতো, সবাইকে অশিক্ষিত পশ্চাৎপদ হয়ে থাকতে হতো। যা তৎকালীন হিন্দুরা চেয়েছিল। তারা এখনো চায় ভারত থেকে মুসলিমদের বিতাড়িত করে অখন্ড ভারত প্রতিষ্ঠা করতে।
    দেশভাগে তৃপ্তিলাভ করাটা আমাদের স্বার্থপরতা নয়। ভারতে অনেক মুসলিম অধ্যুষিত রাজ্য রয়েছে যারা নিজ ইচ্ছায় ভারতের সাথে যোগ দিয়েছিল। পূর্বপুরুষের ভুলের খেসারত তাদের বর্তমান প্রজন্মকে এখনো দিতে হচ্ছে। তাদের কি দোষ? হিন্দুরা মুসলিমদের স্বার্থ দেখবে, এরকম সোনার পাথরবাটিমার্কা আশ্বাস দেয়ার মতো মুসলিম নেতার অভাব ছিলনা তখন। দেওবন্দ এখনো বাবরি মসজিদের দুই তৃতীয়াংশ জমি হিন্দুদের ছেড়ে দেয়াটাকে সমর্থন করছে। যেসব মুসলিম স্বাধীন ভূখন্ডে রয়েছেন, তাদের দায়িত্ব হলো ভারতের নিপীড়িত মুসলিমদের রক্ষা করা।

    1. ৯.১
      debjani bhattacharjee

      ke boleche india e muslim ra poschadpod?ekdom vulval katha bolben na.ei committee tairi hoeche karon deshtar nam india onno middle east er desh e ei committee tairi e hto na.pakistan ba bangladesh er theke india onek unnottto desh economy administration democracy je dik e dekhun

  9. ১০
    somak chowdhury

    1.such foolish idiotic comments above.india is one of the biggest emerging power in world politics.our economy growth rate are getting bigger and greater day by day.pakistan and bangladesh are no match for us.indian muslims per capita income is higher than bangladesh and pakistan.check data.
    2.you are telling islam is tolerant to other religion?well thats why you have destroyed other religion from spain to indonesia.from egypt algeria to uzbekistan!!!at 1000 ac sultan mamud attacked india to fight for islam.in 2001 ac laden attacks usa to fight for islam.99% terrorism of world is concentrated on muslims
    3.i am not telling muslims are bad.each and every person in world are equal.but your false propaganda and false teachings provoke them to do inhuman doing which they are known for
    4.in usa you can see negros are less in no among gov employees in bangladesh hindus are less in israel muslims are less in indonesia buddhists are less does that necessarily mean that they are neglected because they are muslim or budhist or hindu.they are less in no because other communities of that country improved faster than them in india literature and administration was once dominated by brahmin.people from othr caste and religion had less presence now condition is way better.let us improve now dont devide us
    5.in bangladesh pro-muslim people wants to show india is so poor so backward for some popularity.idiot consult internet and you would know about development.
    6.just provokeing islam sentiments and criticising without no logic gets you no where the division of india was worng that was proved in 1971 already.pakistani people used to call you "half muslim" do you know it?
    7.actully the main aim of your article is just to show india is hindu it is bad we are muslim we are better.and thats it.so stupid and foolish b-grade article
    8.sacchar commmittee report was pulished even the committee was even made because name of the country is india.in middle east you will never heard about any committee or report about minorities not only in islam countries but even in china.how  many committees are set in bangladesh for muslims?in china for poor peole?in indoneshia for buddhists?none!!the freedom is only present in india.frst establish freedom of speech then come and write b grade articles as this

    1. ১০.১
      russel

      //the freedom is only present in india//!!!!!!!!!! what a lie!

      Then why did you ban Dr. Zakir Naik in India?

      Why did you kill Akhlak for keeping beef?

      Why did you kill 2,000 innocent Muslims in Gujarat in 2002? You people had burnt the Muslim baby alive, you cut the belly of pregnant woman and threw the baby into the fire.

      Why did you break the Babri Mosque?

      And, who told you that Sultan Mahmud attacked India for spreading Islam?
      Read the history and gain some knowledge.

  10. ১১
    madhumangal saha

    thanks for information,amar montabber samalochona korban. “hindustan’ nam ti musalmander daoa:aktu history porban,atodin desh vager janna kasta patam akhono pai; jaihok jadi amra 712AD sikha nitam kimba sultan mamud r ‘pramvalobasa’ dakhae par jadi sikha nitam kimba 1191AD jadi sikha nitam tahola 1947AD14august dakhata hotona.jaihok bharater mati sabaika valobasta sakhai; ajo islam bharata daria acha. amar prosno 712ADthaka 1947AD KATA MASJID BHANGA MONDIR GARA HOACHA? R MONDIR BHANGA MOSJID ?ISLAM TO SANTIR JONNO FAMOUS .JA AJ SARA BISHWA UPOLOBDHI KORCHA, DO YOU ANSWERED ME WHU TURASKA ABOLISHED KHILAPHA. WHY A LARGE NUMBER OF MUSLIM IGNORE SARIOTILAW . I HAVE NO KNOWLEDGE ABOUT ISLAMICLAW SO I WANTED TO KNOW FROM YOU WHY ISLAMIC COUNTRY FOLLOW DEMOCRACY WHY NOT SARIOT? I RESPECTED THE GREAT NABI HAJARAT(M) BUT ACCRODING TO TASLIMANASRIN’S INFORMATION I HAVE SOME DOUBT .IS HE (HM) ICONOCLUST (murti dhonso kari)? AMAR GURU AMAKA SIKHIACHAN J ONNAR MA K SAMMAN BA ONNAR DHARMO K SAMMAN DITA NA JANA SA TAR MA O NIJAR DHORMO K SAMMAN DITA GANA NA. THANKS SABAI K RATHAYATRA AND EDD R SUBHECHA

  11. ১২
    madhumangal saha

    The world’s first written book is RIGVEEDAS .I AM REQUIESTED YOU TO READ THE VEDAS. THERE WERE FOUR CAST ACCORDING TO WORK. IN LETTER VEDIC AGE WE THE PEOPLE OF UNDIVIDED INDIA THE CAST IS CONCLUDED BY BIRTH.THE BRAHAMAN MAKE THIS SYSTEM. NOT “PARAMISSWAR’I THE MAIN DIFFERENCE BETWEEN THE KORAN AND THE BHAGBHATAGEETA IS THE KORAN HAVE WH MENTAIONS LAW FOR MUSLIM [ IN KORAN THE’ MUSLIM’ WORD IS MENTATION BUT IN GEETA THERE NO MENTOIN RELIGION THERE IS HUMANBEING] WHATEVER YOU OR I BELIVED THIS IS NO THINGS. BUT IT IS SCIENTIFFICAL AND HISTORICAL TROUTH THAT REGVEDAS IS FIRST THEN OTHER THREE VEDAS THEN GEETE THEN TRIPITOK THEN BAIBELL AND AT LAST KORAN IS WRITTEN. IN UPPONISODH THE PORAMSSWER[THE KING OF LORD] IS ONE. IN KORAN BELIVE IN ONE GOD THIS IDEA IS COPPIED FROM UPONISOD BECAUSE IT IS WRITTEN EARLIER THAN KORAN. IN ALL ISLAMIC COUNTRY SOME MUSLIM PEOPLE TRIED TO ESTABLISHED SARIOTILAW IN THE WAY OF SUCIEADBOMARRING AND MANY OTHER THINGS AND THIS PROVED THAT HOW MANY IMPORTANT HAVE SARIOTYLAW AND .MANY PEACE FULL INCIDENT OCCURED IN MUSLIMCOUNTRY. WHAT ABOUT YOUR OPINION? I WANTED TO LEARN TO YOU.

  12. ১৩
    মুহাম্মাদ নাজমুল হুদা

    খুবি দুঃখ জনক ব্যাপার যে দলিতের দলন সবখানেই চলছে,১৭৫৭ এর ভুলের খেসারত যে মুসলিম জাতীকে কুরে কুড়ে খাবে তা যদি এই অভাগা জাতি তখন অনুধাবন করতে পারত!!!!!!!!!!!!!!

  13. ১৪
    অতীন্দ্র নাথ হাজরা

    বাংলাদেশ যে সত্যিই পিছিয়ে তা এই ব্লগ এ বাংলাদেশি ভাই বোনেদের কমেন্ট গুলো পড়লেই বোঝা যায়। নিজেরা পিছিয়ে আছেন, এই কথা তা স্বীকার করার মধ্যে কোনো লজ্জা নেই বরং তা করলে বরং নিজেদের ভুল ত্রুটি শুধরতে পারবেন সহজেই এই সরল সত্য তা অনুধাবন করতে আপনাদের এত অসুবিধা কেন?

    Even after the decline of Hindu population in Bangladesh from 13.5% in 1974, just after the independence, Hindus were at around 9.2% of the population in 2001 according to government estimates following the census.

    এই লাইন দুটো উইকিপিডিয়া থেকে দিলাম(see this link:
    goo.gl/bYPGl1)

    পুরোটা পড়বার আগেই হয়ত আপনাদের আঁঙুল ভারতের অসহনশীলতা বা বাবরি নিয়ে টাইপ করতে শুরু করে দেবে কিন্তু এটা ভাল করে মনে করুন যে ভারতে সংখালঘু দের সংখ্যা প্রতি জনগণনা তেই বৃদ্ধি পায় আর আজ অব্দি ‘ধর্মনিরপেক্ষ বাংলাদেশ’ এ এক বারের জন্যও তা বৃদ্ধি পায়নি। আরেকটা মজার কথা কি জানেন যে আজ অব্দি কোনো সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলিম দেশেই অমুসলিম রা বৃদ্ধি পায়নি। কাজেই নিজেদের সোনার বাংলা যাতে এই তালিকার অন্তর্গত না হয়ে পড়ে তার দিকে নিজের মননিবেশ করতে সচেষ্ট হবেন এই আশা ই করি। লালন ফকিরের দেশ আফগানিস্তান হবেনা এই আশা ই করি।

    পরিশেষে জানাই আমি একজন ভারতীয় বাঙালী। ভারতের ন্যায় বহুত্ববাদ পৃথিবীর সর্বত্র বিরাজ করুক এই প্রার্থনা করি।

  14. ১৫
    গহীন অরণ্য

    কেন ভারতে মুসলিম পার্সেন্টিজ বৃদ্ধি পেয়েছে? যে কারণে মুসলিম বেড়েছে ভারতে সে একই কারণে বাংলাদেশে মুসলিম বৃদ্ধি পেয়েছে হিন্দুদের তুলনায়৷ কেন ভারতীয় পাজ্ঞাবে মুসলিম ১% এর নিচে এবং এবং কেন পাক পাজ্ঞাবে হিন্দু শিখ ১%এর কিছু বেশী৷ কারণ মাইগ্রেসান৷ পশ্চিমবঙ্গ পূর্ববঙ্গের থেকে বেশী উন্নত ছিল বিধায় হিন্দুরা বেশী মাইগ্রেট করেছে৷ পশ্চিমবঙ্গ থেকে মুসলিমরা অনুন্নত পূর্ববঙ্গে নিজের বসতভিটা জায়গাজমি ছেড়ে আসবে এমন বোকা হয়তো ছিল না! আর হিন্দুরা উন্নত পশ্চিমবঙ্গে জায়গাজমি ফেলে রেখে চলে যায় কিসের আশায় জানি না৷ উদাহরণ চাইছেন৷ তাহলে দেখুন ছিটমহল বিনিময়৷ বাংলাদেশ থেকে কয়েক হিন্দু পরিবার নিজের জায়গাজমি ছেড়ে ভারতে গিয়ে রিফিউজি স্ট্যাটাস গ্রহণ করে৷ পরে ভূল ভাঙ্গার পর আবার বাংলাদেশে ফিরে এসে নাম লিখায়৷ বাংলাদেশে হিন্দু দের সরকারী চাকরি প্রায় ৩০% বরাদ্ধ৷ যদিও হিন্দুরা ১০% এর মত (তাদের হিসাব অনুসারে)৷ তাহলে পশ্চিমবঙ্গে ২৭% মুসলিমের জন্য কত শতাংশ সরকারী চাকুরি বরাদ্ধ হওয়া দরকার৷ ভারতের হিন্দু ভাইদের নিকট আমার প্রশ্ন?

  1. ১৬
    বাংলাদেশের সরকারী চাকুরীতে সংখ্যালঘুদের অবস্থান – মূলধারা বাংলাদেশ

    […] আলম, স্বাধীন ভারতে কেমন আছে মুসলিমরা,  সদালাপ ব্লগ, ২৮ জানুয়ারী ২০১৩ )। শুধু তাই নয় […]

  2. ১৭
    বাংলাদেশের সরকারী চাকুরীতে সংখ্যালঘুদের অবস্থান – thebarta.com

    […] আলম, স্বাধীন ভারতে কেমন আছে মুসলিমরা,  সদালাপ ব্লগ, ২৮ জানুয়ারী ২০১৩ )। শুধু তাই নয় […]

Comments have been disabled.