«

»

Apr ১৪

মদীনার সনদ অনুসারে দেশ চালানো সম্ভব

বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে মদীনার সনদ অনুসারে দেশ চালানো বরং যৌক্তিক। রাসূল সাঃ যে সময় মদীনার সনদ তৈরি করেছিলেন সে সময়ের প্রেক্ষাপট আর বর্তমান প্রেক্ষাপট আলাদা হলেও সমস্যার ধরন সব সময় একই প্রকার থাকে। সে হিসাবে মদিনার সনদ আমাদের মুক্তির পথ দেখাতে পারে।

রাসূল সাঃ এর জীবনিঃ

রাসূল সাঃ এর জীবনী নিয়ে অনেক একাডেমিক বিতর্ক হয়। কার থেকে কার বক্তব্য শক্ত ও সহী এনিয়ে প্রচণ্ড যৌক্তিক আলোচনা চলে। রাসূল সাঃ এর জীবনী পাওয়া যায় ইবনে হিশাম রঃ, ইবনে ইসহাক রঃ, তাবারী রঃ ও বিভিন সহী হাদিসের বইয়ে, যেমন বুখারি শরিফ, মুসলিম শরিফ ইত্যাদি। সেজন্য মদিনার সনদের মধ্যে কোন ধারা ছিল কিংবা কোন ধারা ছিলনা সে নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক হতে পারে। কিন্তু এ ব্যাপারে একটা সুনির্দিষ্ট সমাধানে আসতে হবে। আমরা যেসব হাদিসকে দুর্বল, যয়ীফ ইত্যাদি বলি, সে সব হাদিস পৃথিবীর বিভিন্ন প্রাচীন ঐতিহাসিক ব্যাক্তির (যেমন আলেক্সান্ডার) বর্নিত জীবনির চেয়ে অনেক শক্তিশালি। কারণ এট লিস্ট এই হাদিস গুলি শুদ্ধ সহী অসহী যাইহোক কে বলেছেন বা শুনেছেন বা নিকট এক দুই পুরুষের মধ্যে কে বির্ননা করেছেন সেটা আমরা জানতে পারি। কিন্তু ঐ সব ব্যাক্তিদের বলা কথা বা জীবনীর ক্ষেত্রে অনেক সময় সাক্ষী ছাড়াই তাদের নামে প্রথম লেখক সাধারণ কথার উপর লিখে ফেলেছেন, এবং লেখা কথা গুলি হয়ত মিথ্যা নয়, আবার সব কথার যে সাক্ষী নাই, তাও আমি বলছি না। যদি রাসূল সাঃ এর জীবনী পৃথিবীর যেকোন প্রাচীন ব্যাক্তির সাথে তুলনা করি, তাহলে দেখব, রাসূল সাঃ এর জীবনী কথা ও কাজ লিপিবদ্ধ করার সময় সাক্ষী অত্যান্ত গুরুত্বপূর্ন বিষয় হিসাবে বিবেচিত হয়েছে, এমনকি সাক্ষির সাক্ষ্যও যাচাইয়ের মধ্য দিয়ে গিয়েছে। সে জন্য যেযাই বলুক, রাসূল সাঃ এর জীবনী অত্যান্ত শক্তিশালি বর্ননার উপর প্রতিষ্টিত যে, এ নিয়ে বর্তমানেও গবেষণা করে বিভিন্ন বিষয়ের সমাধান আবিষ্কার করা সম্ভব।

মদীনার সনদের প্রেক্ষাপট ও বাংলাদেশের বাস্তবতাঃ

মদীনার সনদ প্রনীত হবার সময় মদীনা রাষ্ট্র ইহুদীরাও থাকত। জন্ম সূত্রে তারা সেখানকার নাগরিক। মদিনার সংখ্যাগরিষ্ট মানুষ রাষ্ট্র বানাতে চাইলো এবং রাসূল সাঃ কে এই রাষ্ট্রের প্রধান পদে মেনে নিল। রাসূল সাঃ সংখ্যাগরিষ্টের মোকাবেলায় সংখ্যালঘুদের অধিকার রক্ষা করলেন। এখানে বুঝোতে হবে, মদীনায় থাকা ইহুদিরা মুসলিম হত্যায় বা আক্রমনে বা ষড়যন্ত্রে বা যুদ্ধে জরিত ছিলনা। তাদেরকে তাদের মত করে থাকার অধিকার ছিল, রাসূল সাঃ তাদের ঐ অধিকার রক্ষা করলেন।

আমরা আমাদের বিশ্বাস কাউরো উপর চাপিয়ে দিতে পারি না, ঠিক তেমনি মদিনা রাষ্ট্র মুসলিমদের বিশ্বাস কাউরো উপর চাপিয়ে দেওয়া হয়নি। বাংলাদেশে বসবাস রত কোন ভিন্ন ধর্মাবলীর উপর আমাদের বিশ্বাস চাপিয়ে দিতে পারি না। যদি মুসলিমদের বিরুদ্ধে কেউ অস্ত্র ধরত এবং যুদ্ধের মাধ্যে এর সমাধান আসত, তাহলে ক্ষেত্র পুরোই ভিন্ন হত। তাই তাদের অধিকার, তারা তাদের মত করে থাকবে। এখানে আমরা কোন মতেই কিছু চাপাতে পারিনা। রাসূল সাঃ এর সুন্নত অনুসারে আমরা সংখ্যাগুরুর মোকাবেলায় সংখ্যালঘুর যৌক্তিক অধিকার রক্ষা করা মদিনার সনদ থেকে অবিষ্কার করে নিতে পারি।

মদিনার সনদের বাস্তবতা থেকে বর্তমানের প্রক্ষাপটে আমরা এ সব সিদ্ধান্তে আসতে পারি –

১) সকল ধর্মের মানুষ তাদের ধর্ম কর্মে সাধারণ সংজ্ঞায় স্বাধীনতা ভোগ করবে। তবে সতীদাহ প্রথা কিংবা এ ধরনের কোন প্রথা পুনরায় চালু করতে চাইলে তা ধর্মীয় স্বাধীনতার আওয়তায় আসবে না। রাষ্ট্র সবার স্বাধীনতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে।

২) মানুষের নামাজ রোজা করার স্বাধীনতা আছে এবং থাকবে, কিন্তু এ নিয়ে কেউ টীটকারি ও বাধা দিতে পারবে না। কেউ দাড়ি রেখেছে কিংবা হিজাব পরে বিধায়, তাকে প্রমোশনে বা চাকরি দেওয়ায় বাধা সৃষ্টি করা যাবে না। কেউ দাড়ি রাখলেই তাকে রাজাকার কিংবা অন্যকোন গালি বা জংগি ট্যাগিং করা যাবে না। (অনেক অনেক মুক্তিযুদ্ধারাও দাড়ি টুপি রেখেছেন এবং রাখেনও)

৩) মানুষের পড়ালেখা করার স্বাধীনতা আছে, কেউ কওমি মাদ্রাসায় পড়লেই তাকে কোন প্রকার ট্যাগিং করা যাবে না, তাকে অশিক্ষিত বলা যাবে না, রাষ্ট্রের অন্যন্য নাগরিকের মত তাকে সকল প্রকার সুযোগ সুবিধা দিতে হবে।

৪) রাষ্ট্র ইহজাগতিক হতে পারবে না, অর্থাৎ রাষ্ট্র তার নাগরিকের সকল প্রকার ভাল মন্দ বিচারে নিবে, কোনটা ভাল এবং কোনটা মন্দ সেটা টাকা দিয়ে বিচার করবে না। টাকা দিয়ে ভাল মন্দ বিচার করা, মদিনার সনদের পরিপন্থি।

৫) রাষ্ট্র গোপনে বা প্রকাশ্যে অন্যায্যভাবে কোন ধর্ম আক্রমনে সহযোগিতা করতে পারবে না।

এটা যাস্ট উদাহারণ, এভাবে মদিনার সনদ সামনে রেখে একটা ন্যায় বিচার সম্পন্ন নিয়ম নিতি প্রচলন করা সম্ভব। সব গুলো ধারা এবং উপ ধারা যে বর্তমানে টেনে আনতে হবে এমন নয়, বরং বর্তমানের সাথে সম্পর্ক যুক্ত ধারা গুলি, বর্তমানে বোধ ও প্রয়োগযোগ্য করে সামনে নিয়ে আসা সম্ভব।

তবে সব থেকে বড় কথা হল, মদিনার সনদের স্রষ্টার অস্তিত্ব মেনে নেওয়া হয়েছে। অতএব, মদিনার সনদের দেখিয়া যাওয়া পথ অনুষারে গেলে আমাদের সংবিধানিক ভাবেই স্রষ্টার অস্থিত্ব মেনে নিতে হবে। এটা সংখ্যাগরিষ্টদের অধিকার বলে সৃকৃত হতে পারে, সেই ক্ষেত্রে সংখায়লঘুদের অধিকারে হস্তক্ষেপ করা যাবে না, অরথ্যাত তারা তাদের মত চলবে। তাদেরকে শপথ করার সময় আল্লাহ পাকের নামে শপথ করতে হবে না, এটা তাদের ইচ্ছার উপর ছেড়ে দিতে হবে।

নিচে মদিনার সনদ ইংরেজিতে দেওয়া হল, এর সব ধারাই বর্তমানে প্রচলিত না হতে পারে। আল কুরান সম্পূর্ণ হওয়ার পর আল কুরানই হল বিশ্বাসীদের চলার মূল নিতি। আল কুরানের মধ্য থেকেই মদিনার সনদের বর্তমানে প্রয়োগ যোগ্য আদর্শ বাংলাদেশের শান্তি প্রতিষ্টার সহায়ক হবে সেটাই আশা করা যায়।

Article 1 Constitutional Document
This is a constitutional document given by Muhammad (Peace be upon them), the prophet, (Messenger of God).

Article 2 Constitutional Subjects of the State
(This shall be a pact) between the Muslims of Quraysh, the people of Yathrib (the Citizens of Madina) and those who shall follow them and become attached to them (politically) and fight along with them. (All these communities shall be the constitutional subjects of the state.)

Article 3 Formation of the Constitutional Nationality
The aforementioned communities shall formulate a Constitutional Unity as distinct from (other) people.

Article 4 Validation and Enforcement of the former tribal laws of blood money for the emigrant Quraysh.
The emigrants from Quraysh shall be responsible for their ward and they shall, according to their former approved practice, jointly pay the blood money in mutual collaboration and every group shall secure the release of their prisoners by paying the ransom. Moreover, the deal among the believers shall be in accordance with the recognized principals of law and justice.

Article 5 Validation of the former laws of blood money for Banu Auf
And the emigrants from Banu Auf shall be responsible for their ward and they shall, according to their former approved practice, jointly pay the blood money in mutual collaboration and every group shall secure the release of their prisoners by paying the ransom. Moreover , the deal among the believers shall be in accordance with the recognized principles of law and justice

Article 6 Validation of the former laws of blood money for Banu Harith
And the emigrants from Banu Harith shall be responsible for their ward and they shall, according to their former approved practice, jointly pay the blood money in mutual collaboration and every group shall secure the release of their prisoners by paying the ransom. Moreover, the deal among the believers shall be in accordance with the recognized principles of law and justice.

Article 7 Validation of the former laws of blood money for Banu Saida
And the emigrants from Banu Saida shall be responsible for their ward and they shall, according to their former approved practice, jointly pay the blood money in mutual collaboration and every group shall secure the release of their prisoners by paying the ransom. Moreover, the deal among the believers shall be in accordance with the recognized principles of law and justice.

Article 8 Validation of the former laws of blood money for Banu Jusham
And the emigrants from Banu Jusham shall be responsible for their ward and they shall, according to their former approved practice, jointly pay the blood money in mutual collaboration and every group shall secure the release of their prisoners by paying the ransom. Moreover, the deal among the believers shall be in accordance with the recognized principles of law and justice.

Article 9 Validation of the former laws of blood money for Banu Najjar
And the emigrants from Banu Najjar shall be responsible for their ward and they shall, according to their former approved practice, jointly pay the blood money in mutual collaboration and every group shall secure the release of their prisoners by paying the ransom. Moreover, the deal among the believers shall be in accordance with the recognized principles of law and justice.

Article 10 Validation of the former laws of blood money for Banu Amr
And the emigrants from Banu Amr shall be responsible for their ward and they shall, according to their former approved practice, jointly pay the blood money in mutual collaboration and every group shall secure the release of their prisoners by paying the ransom. Moreover, the deal among the believers shall be in accordance with the recognized principles of law and justice.

Article 11 Validation of the former laws of blood money for Banu Nabeet
And the emigrants from Banu Nabeet shall be responsible for their ward and they shall, according to their former approved practice, jointly pay the blood money in mutual collaboration and every group shall secure the release of their prisoners by paying the ransom. Moreover, the deal among the believers shall be in accordance with the recognized principles of law and justice.

Article 12 Validation of the former laws of blood money for Banu Aws
And the emigrants from Banu Aws shall be responsible for their ward and they shall, according to their former approved practice, jointly pay the blood money in mutual collaboration and every group shall secure the release of their prisoners by paying the ransom. Moreover, the deal among the believers shall be in accordance with the recognized principles of law and justice.

Article 13 Indiscriminate rule of law and justice for all the communities.
And every group shall secure the release of its captives ensuring that an indiscriminate rule of law and justice is applied among the believers.

Article 14 Prohibition of relaxation in execution of law
The believers shall not leave a debtor among them, but shall help him in paying his ransom, according to what shall be considered fair.

Article 15 Prohibition of Unjust favoritism
A believer shall not form an alliance with the associate of (another) believer without the (latter’s) consent.

Article 16 Collective resistance against injustice, tyranny and mischief
There shall be collective resistance by the believers against any individual who rises in rebellion, attempts to acquire anything by force, violates any pledge or attempts to spread mischief amongst the believers. Such collective resistance against the perpetrator shall occur even if he is the son of anyone of them.

Article 17 Prohibition of killing of a Muslim by a Muslim
A believer shall not kill (another) believer (in retaliation) for an unbeliever, nor help an unbeliever against a believer.

Article 18 Guarantee of equal right of life protection for all the Muslims
The security of God (granted under this constitution) is one. This protection can be granted even by the humblest of the believers ( that would be equally binding for all).

Article 19 Distinctive identity of the Muslims against other constitutional communities
The believers shall be the associates of one another against all other people (of the world).

Article 20 Non-Muslim minorities (Jews) have the same right of life protection (like Muslims)
A Jew, who obeys us( the state) shall enjoys the same right of life protection( as the believers do), so long as they (the believers) are not wronged by him. (the Jews), and he does not help (others) against them.

Article 21 Guarantee of peace and security for all the Muslims bases on equality and justice
And verily the peace granted by the believers shall be one. If there is any war in the way of Allah, no believers shall make any treaty of peace( with the enemy) apart from other believers, unless that is based on equality and fairness among all.

Article 22 Law of relief for war allies
Every war ally of ours shall receive relief turns ( at riding) at all military duties.

Article 23 Law of vengeance for the Muslims in case bloodshed in the way of Allah
The believers shall execute vengeance for one another for the bloodshed in the way of Allah.

Article 24 Islam is the best code of life
All the God-fearing believers are under the best and most correct guidance of Islam.

Article 25 Prohibition of providing security of life and property to the enemy
No idolater ( or any non-believer among the clans of Madina) shall give protection for property and life to ( any of the ) Quraysh ( because of their being hostile to the state of Madina) nor shall intervene on his behalf against any believer.

Article 26 Execution of the law of retaliation for a Muslim murder
When anyone intentionally kills a believer, the evidence being clear he shall be killed in retaliation, unless the heirs of the victim are satisfied with the blood money. All the believers shall solidly stand against the murderer and nothing will be lawful for them except opposing him.

Article 27 protection or concession for the doer of mischief and subversion against the constitution
A believer who believes in God and in the Hereafter and agrees to the contents of this document shall not provide any protection or concession to those who engage in mischief and subversion against this constitution. Those who do so shall face the curse and wrath of God on the Day of Resurrection. Furthermore, nothing shall be accepted from them as a compensation or restitution ( in the life hereafter).

Article 28 The final and absolute authority in the disputes vests in almighty Allah and Prophet Muhammad (Peace be upon them)
When anyone among you differs about anything, the dispute shall be referred to Almighty Allah and to the Prophet Muhammad (Peace be upon them) (as all final and absolute authority is vested in them).

Article 29 Proportionate liability of non-Muslim citizens (the Jews) in bearing the war expenses
The Jews (non-Muslim minorities) will be subjected to a proportionate liability of the war expenses along with the believers so long as they (the Jews) continue to fight in conjunction with them.

Article 30 Guarantee of freedom of religion for both the Muslims and non-Muslim minorities ( the Jews)
The Jews of Banu Awf (non-Muslim minorities) shall be considered a community along with the believers. They shall be guaranteed the right of religious freedom along with the Muslims. The right shall be conferred on their associates as well as themselves except those who are guilty of oppression or the violators of treaties. They will bring evil only on themselves and their family.

Article 31 Equality of rights for the Jews of Banu Najjar with the Jews of Banu Awf
The Jews of Banu Najjar shall enjoy the same rights as granted to the Jews of Banu Awf.

Article 32 Equality of rights for the Jews of Banu Harith with the Jews of Banu Awf
The Jews of Banu Harith shall enjoy the same rights as granted to the Jews of Banu Awf.

Article 33 Equality of rights for the Jews of Banu Sa’ida with the Jews of Banu Awf
The Jews of Banu Sa’ida shall enjoy the same rights as granted to the Jews of Banu Awf.

Article 34 Equality of rights for the Jews of Banu Jusham with the Jews of Banu Awf
The Jews of Banu Jusham shall enjoy the same rights as granted to the Jews of Banu Awf.

Article 35 Equality of rights for the Jews of Banu Aws with the Jews of Banu Awf
The Jews of Banu Aws shall enjoy the same rights as granted to the Jews of Banu Awf.

Article 36 Equality of rights for the Jews of Banu Tha’laba with the Jews of Banu Awf
The Jews of Banu Tha’laba shall enjoy the same rights as granted to the Jews of Banu Awf except who are guilty of oppression or violate treaties, they will bring evil only on themselves and their family.

Article 37 Equality of rights for Jafna, the branch of Banu Tha’laba, with the Jews of Banu Awf
Jafna, a branch of Banu Thalaba, shall enjoy the same rights as granted to Banu Tha’laba.

Article 38 Equality of rights for the Jews of Banu Shutayba with the Jews of Banu Awf
The Jews of Banu Shutayba shall enjoy the same rights as granted to the Jews of Banu Awf. There shall be complete compliance ( with this constitution) and no violation (of its clauses)

Article 39 Equality of rights for all the associates of the tribe Tha’laba
All the associates of Banu Tha’laba shall enjoy the same rights as granted to Banu Thalaba.

Article 40 Equality of rights for all branches of the Jews
All sub-branches of the Jews shall enjoy the same rights as granted to them (the Jews).

Article 41 Final command and authority in military expeditions vests in the prophet Muhammad (Peace be upon them)
Verily, none among the allies shall advance (on a military expedition) without the prior permission of the Prophet Muhammad (Peace be upon them) (in whom vests the final command and authority).

Article 42 No exception from the law of retaliation
There shall be no impediment on anyone who wished to avenge a wound.

Article 43 Responsibility of Unlawful Killing
Whoever commits an unlawful killing shall be responsible for it himself with his family members but he is exempted in case he kills a cruel.
Verily, Allah (is the Trust Helper) support those who adhere completely to this constitution.

Article 44 Separate liability of war expenses
The Jews and the Muslims shall bear their own war expenses separately.

Article 45 Compulsory mutual help to one another in case of war
There shall be mutual help between one another against those engage in war with the allies of this document.

Article 46 Mutual consultation and honourable dealing
There shall be mutual consultation and honourable dealing between the allies and there shall be the fulfilment not the violation, of all pledges.

Article 47 Law of prohibition of treachery and help of the oppressed
No one shall violate the pledge due to his ally and verily; help shall be given to the oppressed.

Article 48 The Jews (non-Muslim minorities) shall also extend financial support to the state during the war period
The Jews (non-Muslims minorities) along with the believers shall extend financial support to the state during the war period.

Article 49 Prohibition of Fighting and bloodshed among the various communities of the state
The valley of Yathrib is sacred and there shall be prohibition of fighting and bloodshed among the various communities of the state.

Article 50 Equal right of life protection shall be granted to everyone , who has been given the constitutional shelter

A person given constitutional shelter shall be granted an equal right of life protection as long as he commits no harm and does not act treacherously.

Article 51 Law of shelter for the women
A woman shall not be given any shelter without the consent of her family.

Article 52 Authority of Allah and the prophet Muhammad (Peace be upon them) shall be final and absolute authority in all disputes instigating any quarrel
And verily if any dispute arises among the parties to this document from which any quarrel may be feared, it shall be referred to God and to Muhammad (Peace be upon them), the Messenger of God , for the final and absolute decision. Verily, God is the Guarantee for the faithful observance of the contents of this constitution (which shall be enforced by the state).

Article 53 No refuge for the enemies of the state nor for their allies
There shall be no refuge for the Quraysh ( the enemies of the state) nor for their allies.

Article 54 Joint responsibility of defense in case of an attack on the state
The Muslims and the Jews shall be jointly responsible to defend ( the state of) Madina against any outside attack.

Article 55 Incumbency of observance of the treaty of peace for every ally
It shall be incumbent upon the Jews to observe and adhere to any peace treaty they are invited to participate in . Likewise, it shall also be incumbent upon the Muslims to observe and adhere to any peace treaty, they are invited to.

Article 56 No treaty shall suspend or negate the responsibility of the protection of Deen
(Likewise, it shall be incumbent upon the Muslims also to observe and adhere to any peace treaty that they are invited to), but no treaty will restrain them from fighting for the protection of their Deen.

Article 57 Every party to treaty shall be responsible for the defence of its facing direction
Every party to the treaty shall be responsible for the measures and arrangements of the defence of its facing direction.

Article 58 The basic constituent members of this document and their associates shall possess the equal constitutional status
The Jews of Aws (one of the basic constituent members of this document) and their allies shall posses the same constitutional status as the other parties to this document, with a condition that they should thoroughly sincere and honest in their dealing with the parties.

Article 59 No party shall have any right of violation of the constitution
No party shall have the right to violate the constitution. Every person who is guilty of a crime shall be held responsible for his act alone.

Article 60 Favour of Almighty Allah will be subject to the observance of the constitution

Verily, God is the Guarantee for the faithful observance of the contents of this constitution ( which shall be enforced by the state).

Article 61 No traitor or oppressor shall have the right of protection under this document

Verily, this constitutional document shall not protect any traitor or oppressor.

Article 62 All peaceful citizens would be in a save and secure protection
Verily, whoever goes out ( on a military expedition) shall be provided with security and whoever stays in Madina shall have (likewise), except those who commit oppression and violate the contents of this constitution.

Article 63 Allah and his Prophet Muhammad (Peace be upon them) are the protectors of the peaceful citizens of Madina who abide by the constitution
Verily, Allah and the Prophet Muhammad (Peace be upon them), the Messenger of God, are the protectors of good citizens and of those who fear from Allah.

Source: These articles are based on the book Constitutional Analysis of the Constitution of Madina by Dr. Muhammad Tahir-ul-Qadri. লিংকঃ http://www.constitutionofmadina.com/blog/2012/02/22/constitution-of-medina-in-63-articles/

৩৭ comments

Skip to comment form

  1. 10
    আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন

    কয়েকদিন ধরেই আলোচনা দেখছিলাম। মন্তব্য দেখে নিশ্চয়ই বুঝতে পারছেন -- বক্তব্য নয় -- বক্তাই প্রধান।  যেহেতু কথাটা শেখ হাসিনা বলেছেন -- সেহেতু এর বিপক্ষে বলতেই হবে -- এইটা অবধারিত নিয়ম। 
     
    মুল বক্তব্যের চেয়ে শিরোনামটাই গুরুত্বপূর্ন মনে হয়েছে কারন শিরোনামটাই উপসংহার হয়ে গেছে। 

    মদীনার সনদ অনুসারে দেশ চালানো সম্ভব

     
    অবশ্যই সম্ভব -- তবে বাংলাদেশে এখনই সম্ভব নয়। আমার আগের পোস্টে বলেচি সুদুর প্রবাসে এসেও বাংলাদেশীরা কিভাবে মতপার্থক্যের কারনে ভিন্ন ভিন্ন মসজিদ বানিয়ে নিয়েছে। বাংলাদেশেতো ইসলামের নিজস্ব ভার্সান আছে সবার। এদের এক করা যাবে না -- সুতরাং ঐক্যমতের ভিত্তিতে কোন কাজ সম্ভব নয় -আপাতত। 
    সদালাপই একটা ভাল উদাহরন হতে পারে -- ৩০ লক্ষ মানুষ হত্যার বিচারের বিষয়ে একমত হওয়াও কঠিন -- যদিও গনহত্যা ধর্ষন ইসলামের দৃষ্টিতে অপরাধ।  এতোদিন অনলাইনে আমাদের এক করে রেখেছিলো নাস্তিক/ইসলাম বিদ্বেসীরা -- তারা এখন বাস্তবেও মুসলমানদের ঐক্যবদ্ধ করেছে। নাস্তিকদের ফাঁসির দাবী ছাড়া অন্য যে কোন বিষয়ে ডজন ডজন মতাদর্শ পাবেন বাস্তবে। 
    সুতরাং সরকার যদি মদীনা সনদকে রাষ্ট্র পরিচালনার গাইড হিসাবে নেয়ও -- তার বিরোধীতা করার মতো আলেমের অভাব হবে না। 
     
    ধন্যবাদ। 

    1. 10.1
      মুনিম সিদ্দিকী

      সদালাপই একটা ভাল উদাহরন হতে পারে — ৩০ লক্ষ মানুষ হত্যার বিচারের বিষয়ে একমত হওয়াও কঠিন — যদিও গনহত্যা ধর্ষন ইসলামের দৃষ্টিতে অপরাধ।
       
       
      আপনি কেমন করে বুঝলেন যে,  ৩০ লক্ষ মানুষ হত্যার বিচারের বিষয়ে একমত হওয়াও কঠিন?
      এইটি কোন কঠিন বিষয় ছিলোনা। এই দেশের আপামর জনগণ এই বিচারের পক্ষেই আছে। বিচার চায়না তাঁরা যারা এই সব অপরাধ করেছিল তাঁরা, আর যারা অপরাধের শিকার হয়েছিল তাঁরা তো এর বিচার চাইবে। আর বাদ বাকি যারা অপরাধী নয় এবং অপরাধের শিকার নয় তারাও বিচারে পক্ষে তবে সেই বিচার কোন অবস্থায় রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলের হাতিয়ার হোক তা চায়না। বেশী কিছু বলার নেই এই সরকার সত্যি যদি এই বিচারকে রাজনৈতিক হাতিয়ার বানাবার উদ্দেশ্য না করত তাহলে এই বিচার ২ বছর আগেই শেষ করে ফেলত। তা না করে দিন পার করে যখন দেশে নির্বাচন হবে, বিরোধী দল সরকারের ব্যর্থতা নিয়ে প্রচার প্রচারণা চালিয়ে জনমত প্রভাবিত করবে। তখন একের পর এক রায় দিয়ে কৌশলে দেশের মানুষদের দৃষ্টিকে অন্যদিকে সরিয়ে বিরোধী দলকে আইনের ডান্ডাভেড়ী পরায়ে কারাগারে বা পলাতক রেখে নির্বাচন বৈতরণি পার হবার হাতিয়ার করাকে এই দেশের সাধারণ মানুষ ভাল ভাবে গ্রহণ করতে পারছেনা।
       
       এতোদিন অনলাইনে আমাদের এক করে রেখেছিলো নাস্তিক/ইসলাম বিদ্বেসীরা — তারা এখন বাস্তবেও মুসলমানদের ঐক্যবদ্ধ করেছে। নাস্তিকদের ফাঁসির দাবী ছাড়া অন্য যে কোন বিষয়ে ডজন ডজন মতাদর্শ পাবেন বাস্তবে।
       
      মতপ্রার্থক্য থাকা খারাপ কিছু নয় যদি মূল ঠিক থাকে। কিন্তু এখন এক শ্রেণীর হঠাৎ গজীয়ে উঠা আলেম নামধারীদের মূল স্রোতের বিপক্ষে টিভি এবং প্রচার মাধ্যমের বক্তব্য বিবৃতিকে ধর্তব্যের ধরার দরকার নেই।

      সুতরাং সরকার যদি মদীনা সনদকে রাষ্ট্র পরিচালনার গাইড হিসাবে নেয়ও — তার বিরোধীতা করার মতো আরেমের অভাব হবে না। 
      যে কোন আইন প্রণয় এবং তা বাস্তবায় যদি নিরপেক্ষ এবং প্রয়োগও সবার জন্য সমান ভাবে প্রয়োগ করা না হয় তাহলে সেই সব আইনে মত বিরোধ থাকবে।
      যদি আমাদের আলেমরা হাদিসের মূল উৎস থেকে মদিনা সনদের ধারা গুলো তোলে ধরেন তাহলে কোন আলেম সেটি প্রত্যাখান করতে পারবেন না।
      তবে এখন যে ভাবে আমার মত এটের বাপ কেটের বাপ যিনি আরবীর আ জ্ঞান নেই শুধু ইংরেজি বাংলা অনুবাদের সাহায্য নিয়ে মদিনা সনদ যার যার মত করে উপস্থান করেন । সেই ভাবে মদিনা সনদ বাস্তবায়ন করলে তো বিরোধীতা আসবে।
       

       

      1. 10.1.1
        আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন

        ধন্যবাদ, আপনি আসলে আমার কথাগুলোই সমর্থন করে গেলেন। বিতর্ক কিভাবে তৈরী করতে হয় তার কিছু নমুনাও দেখালেন।
         
        মদিনা সনদ নিয়ে কথা বলার আগে সবাইকে আরবী জানতে হবে -- তা মদিনা বিশ্ববিদ্যালয়ের নাকি নেওবন্দের হবে তা নিয়ে বিতর্ক করা যাবে।
        প্রকৃতপক্ষে -- বাংলাদেশের ইসলাম বিদ্বেষিদের জন্যে মোটামুটি সুসময় আরো কিছু দিন চলবে -- কারন আপনাদের মতো বিতর্ক তৈরী করার বিশেষজ্ঞ একনও বাংলাদেশে প্রচুর মওজুদ আছে। আশা করি আপনার অনলাইনের লেখালেখি থেকে আরো অনেক ফলোয়ার তৈরীহবে যারা নানান ভাবে বিতর্ক তৈরী করেই যাবে। সুতরাং মদিনা সনদ কেন,ইসলামের কোন বিষয়েই বাংলাদেশের মানুষ আপাতত একমত হতে পারে না।
         
        বস্তুত আমার পর্যবেক্ষন হলো সংকীর্ণ গোষ্টিগত অবস্থানের অন্ধত্ব আমাদের দেশের মানুষকে এতো অন্ধ করে রেখেছে যে -এরা সবাই সিরাতুল মুস্তাকীমের কথা ভুলেই গেছে। এরা নিজের ভুলগুলোকেও অন্যের দোষ হিসাবে দেখে আত্নতুষ্ঠি লাভ করতে ভালবাসে।   
         

    2. 10.2
      ফুয়াদ দীনহীন

      হ্যা জিয়া ভাই, অনেকেই বক্তাকেই প্রাধান্য দিচ্ছেন

  2. 9
    বিদ্রোহী

    মদিনার সনদ নিয়ে আলাপ আলোচনার আগে আপনাদেরকে নিচের দুটি নিবন্ধ একটু পড়ে দেখার অনুরোধ জানাই-
    প্রকৃত ইসলামের পরিচয়- পর্ব-৩ -- জিহাদ আত্মরক্ষামূলক নয়- আক্রমণাত্মক
    মদীনা সনদ কেন রাষ্ট্রীয় গঠনতন্ত্র নয়।
     

  3. 8
    সুজন সালেহীন

    মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অতি সাম্প্রতিক কথার জের ধরে যদি আপনি এই লেখায় উদ্ধীপ্ত হন, তাহলে আপনি মরীচিকার পেছনেই দৌড়ালেন! এটিই হচ্ছে রাজনীতিতে ধর্মের ব্যবহার। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উঁনার প্রথম শাসনকালের (1996-2001) নির্বাচনের প্রাক্কালে যে আপাদমস্তক মুসলিম বেশ নিয়েছিলেন, নি্র্বাচনে জেতার পর সে বেশ-ভূষা বিলীন হতে বেশিদিন লাগেনি। যদিও ঐ সাময়িক বেশ-ভূষা উঁনার দলের অকপটু ধমনিরপেক্ষবাদী উপদেষ্টা ও হিতৈষী বুদ্ধিজীবিদের অস্বস্তির মধ্যে ফেলে দিয়েছিল। কারণ তাঁরা জানেন এটা উঁনার দলের দর্শনের সাথে কপটতা ছাড়া আর কিছু নয়। তবে সেই থেকে ঐ বেশ-ভূষার পুনরাগমণ হয়নি। উঁনার বর্তমান শাসনকালের নির্বাচনের প্রাক্কালেও কিছু লোভাতুর জাগতিক প্রতিশ্রুতি ছিল যেমন 10 টাকায় চালের সের, বিনামূল্যে সার, ঘরে ঘরে চাকরি ইত্যাদি। যদিও নির্বাচনের পর ঐ প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে স্মরণ করিয়ে দেয়া হলে উঁনার দলের পক্ষ থেকে কষ্মিনকালেও ঐধরণের কথা বলা হয়নি বলে অস্বীকার করা হয়। এখন বর্তমান শাসনকালের শেষদিকে নানান অপকর্মে যখন উঁনার সরকার কুপোকাত হয়ে গিয়েছিল, ঠিক তখনি কতিপয় দেশী-বিদেশী হিতৈষীমন্ডলী উদ্যোগ নিলেন শাহভোগ আয়োজন। এবং শাহভোগ আয়োজনও সফলতার সহিত শাসকদলকে বেশ তৃপ্তিকর অবস্হায় রাখে বেশ কয়েকদিন। কিন্তু বিধি-বাম!  যত দিন গড়ায় আয়োজকদের আসল চেহারা ও আয়োজনের উদ্দেশ্য ও কীর্তি-কাহিনী তাদের খেদোক্তিতে বেরিয়ে পড়েছে। এরা ইসলাম-বিদ্ধেষী নাস্তিকবর্গ! এই ইসলাম-বিদ্ধেষী নাস্তিকবর্গের ইসলাম-অবমাননাকর কুকীর্তির বিরুদ্ধে দেশব্যাপী আলেম সমাজের নেতৃত্বে অবমাননাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবমাননা বন্ধে আইন প্রণয়নের দাবী চলছে। এখন শাহভোগ আয়োজনের পৃষ্টপোষক সরকার মনে করেছিল শাহভোগ আয়োজনের উত্তাপে তাদের কাছে কেউ ঘেঁষতে পারবেনা, সরাসরি দাঁড়িয়ে যায় নাস্তিকবর্গের রক্ষাকবচ হয়ে। এতে আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে প্রচার ইসলামবিরোধী ছায়াটা সাফ হয়ে দেখা দেয় এবং তাদের আসল পরিচয়ও আর বাকী নেই। এখন সামনে আবারও নির্বাচন, দলের প্রধান মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে এবারও কিছু করতে হবে!

  4. 7
    শাহবাজ নজরুল

    @ সংসপ্তক

    আপনার যুক্তিটা এরকম -- ডাক্তারি শিক্ষায় বলে ছুরি চালিয়ে মানুষকে সরিয়ে তুলতে -- এখন কোনো ডাক্তার যদি সেই ছুরি দিয়ে মানুষ খুন করেন তবে আপনার সিদ্ধান্ত হচ্ছে -- "ডাক্তারি বিদ্যা তো মানুষকে খুন করার বিদ্যা।"

    এই রকম প্যাথেটিক যুক্তি দেন কেন? আপনি যদি প্রমান করতে চান যে ইসলামের শিক্ষা থেকে মানুষ দুর্নীতি পরায়ন হচ্ছে তাহলে দেখাতে হবে ইসলামের কোন জায়গাতে বলেছে দুর্র্নীতি করতে -- কোথায় বলেছে মিথ্যা কথা বলতে। এই নিয়ে আর তর্ক করার মনে নাই। এখন যদি কেউ ইসলামের নীতি অনুসরণ না করে নামেমাত্র মুসলমান হয় আর কাজে থাকে 'ডরুইনিস্ট' তাহলে সেটা সেই লোকের নিজস্ব সমস্যা কিংবা অনেক ক্ষেত্রে সামাজিক সমস্যা -- কেননা সেই ব্যক্তি কিংবা সমাজ ইসলামের দেয়া জুলুমের বিপক্ষে স্পষ্ট অবস্থান নেয়ার শিক্ষা আত্মস্থ করতে পারেনি।

    আর ডারউইনবাদ এর জনকই যে 'বুদ্ধিমত্তার' বিষয়টি ধরতে পারেন নি এমন ব্যাখ্যার জন্যে ধন্যবাদ।

    তবে এই ব্যাপারে সায়েন্টিফিক কোনো ম্যাটেরিয়াল বা পেপার আছি কিনা জানতে চাই। আপনার বিবর্তিত ডারউইন বাদের আলোকেও যদি ধরি যে আপনি ঠিকই বলছেন -- অর্থাত একটা ন্যায় নীতি ভীতিক সমাজ নিজেদের স্বার্থে কিছু নিয়ম নীতি বানিয়ে নেয় যাতে সমাজে বিশৃঙ্খলা না হয়। কিন্তু এই ব্যখ্যায় যে সমস্যাটি থেকে যায় তা হচ্ছে যদি কেউ এসব নীতির মধ্যে ফাক ফোকর পেয়ে যায় -- যদি সে আইনের ফাক দিয়ে অন্যকে ফাকি দিয়ে অপরাধ করতে থাকে তাহলে তো তার আর শাস্তি হচ্ছেনা। সেক্ষেত্রে প্রশ্ন থাকে তাহলে এই দুনিয়ার বিচারে যদি কেউ ফাক ফোকর দিয়ে চলে সম্পদের পাহাড় গড়ে (যেমন ধরেন বাংলাদেশ এখন দুর্নীতি প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পেয়েছে) তাহলে তো সেই পথে না চলাই তো বোকামি। আর পরকাল না থাকলে তো এই এক দুনিয়াতে সব মৌজ ফুর্তি করে নেয়ায় বুদ্ধিমানের কাজ। আর মনে করেন কোনো খুনি ৫০ টা খুন করে ঠিকই ধরা খেলনা -- তাহলে সেই খুনির কি কোনো বিচার হবেনা? নাস্তিকতা তো বলে বিচার হবেনা -- কেননা পরকাল নেই। তাহলে নাস্তিকতা অনুসারে তো সেই খুনিই সবচাইতে চালাক -- খুনও করলো আর শাস্তিও হলনা। নাস্তিকতা এই প্রশ্নগুলির জবাব দিতে পারেনা। ধর্মে এবং বিশেষত ইসলামে এসবের জবাব আছে।

    তাছাড়া সমাজের নিয়ম নীতি যদি মানুষ ধর্ম ছাড়া করেও থাকে তাহলে মানুষের altruistic bahavior কে শেখায়? সমাজের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি না করাই যদি মানব বিবর্তনের "বেচে থাকার সুবিধা" হয় তাহলে ১৯৭১ সালে যারা রাজাকারী করেছিলেন তারা সঠিক নাস্তিকতার পথেই ছিলেন। কেননা রাজাকার রা সমাজের নিয়ম শৃঙ্খলা মেনে চলার কথা বলছিলেন। আর ঐদিকে নাস্তিকতার আলোকে ৭১ এ যুদ্ধ করার কোনই কারণ নেই। সাধারণ বৈজ্ঞানিক, ডারুইনীয় কিংবা যৌক্তিক কারণ দিয়ে স্বার্থহীন ভাবে যুদ্ধে যাবার কারণ দেখিনা -- কেননা অসম যুদ্ধে নিজের মরে যাবার সম্ভবনাই বেশি -- আর সেই সাথে বিবর্তনীয় জিন ছাড়ানোরও পরিসমাপ্তি হবে। জুলুমের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ মানুষকে শেখায় ফেতরা কিংবা ধর্ম -- আর ফেতরা ও ধর্ম , বিশেষত ইসলাম মানব জীবনেকে সেই অপার সৌন্দর্য দেয় -- মানুসকে নি:স্বার্থ ভাবে ভালবাসতে শেখায় -- ন্যায়ের জন্যে নিজের জীবন বিলিয়ে দিতেও সে দ্বিধা করেনা।

    1. 7.1
      সংসপ্তক

      আপনার যুক্তিটা এরকম — ডাক্তারি শিক্ষায় বলে ছুরি চালিয়ে মানুষকে সরিয়ে তুলতে — এখন কোনো ডাক্তার যদি সেই ছুরি দিয়ে মানুষ খুন করেন তবে আপনার সিদ্ধান্ত হচ্ছে — "ডাক্তারি বিদ্যা তো মানুষকে খুন করার বিদ্যা।"

      আমার যুক্তি থেকে উপরোক্ত সিদ্ধান্ত কিভাবে আসে সেটাই তো বুঝলাম না। কিসের মধ্যে কি , পান্তা ভতে ঘি!

      এই রকম প্যাথেটিক যুক্তি দেন কেন? আপনি যদি প্রমান করতে চান যে ইসলামের শিক্ষা থেকে মানুষ দুর্নীতি পরায়ন হচ্ছে তাহলে দেখাতে হবে ইসলামের কোন জায়গাতে বলেছে দুর্র্নীতি করতে — কোথায় বলেছে মিথ্যা কথা বলতে।

      আমি কিছুই প্রমান করতে চাই নি , আমি আপনার কাছে জানতে চেয়েছি , আপনার বক্তব্য মতে -ইসলাম থেকেই যদি যাবতীয় ভাল কাজের অনুপ্রেরণা এসে থাকে তাহলে তো মুসলমান দেশগুলোর লোকজনের সব চাইতে বেশী সৎ ও নীতিবান হওয়ার কথা , কিন্তু বাস্তবে সম্পূর্ন উল্টো, এটার কারন কি ? আপনি তো সেদিকে না গিয়ে পাল্টা আমার প্রশ্ন আমাকেই ফিরিয়ে দিচ্ছেন।  এখন আবার গৎবাধা উত্তর দিতে পারেন যে -- এসব দেশের লোকজন নামে মুসলমান কিন্তু তারা কোন আমল করে না ,তাই তাদের এই অবস্থা। এ ধরনের বস্তা পচা যুক্তি শুনতে শুনতে কান পচে গেছে। তো ভাই আমলকারী ভাল মুসলমান কোন দেশে পাওয়া যায় ,  সেটার সন্ধান দিলে না হয় তাদের কাছ থেকে কিভাবে আমল করতে হয় জেনে আসতাম।
       
       

      কিন্তু এই ব্যখ্যায় যে সমস্যাটি থেকে যায় তা হচ্ছে যদি কেউ এসব নীতির মধ্যে ফাক ফোকর পেয়ে যায় — যদি সে আইনের ফাক দিয়ে অন্যকে ফাকি দিয়ে অপরাধ করতে থাকে তাহলে তো তার আর শাস্তি হচ্ছেনা। সেক্ষেত্রে প্রশ্ন থাকে তাহলে এই দুনিয়ার বিচারে যদি কেউ ফাক ফোকর দিয়ে চলে সম্পদের পাহাড় গড়ে (যেমন ধরেন বাংলাদেশ এখন দুর্নীতি প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পেয়েছে) তাহলে তো সেই পথে না চলাই তো বোকামি। আর পরকাল না থাকলে তো এই এক দুনিয়াতে সব মৌজ ফুর্তি করে নেয়ায় বুদ্ধিমানের কাজ। আর মনে করেন কোনো খুনি ৫০ টা খুন করে ঠিকই ধরা খেলনা — তাহলে সেই খুনির কি কোনো বিচার হবেনা?

      নীতির ফাক ফোকর থাকলে সাথে সাথে সে নীতির সংস্কার সাধন করে পরিবর্তিত পরিস্থিতির সাথে মানানসই করে পাল্টে ফেলা হবে।
      আসলে নীতির কোন দোষ নেই তা সে নিরপেক্ষভাবে করা হোক বা কুরান হাদিস থেকে নেয়া হোক। সমস্যা হচ্ছে একজন অপরাধীকে যথার্থভাবে সনাক্ত করা , অপরাধ প্রমান করার কায়দা কানুন পদ্ধতি এসব। যারা অপরাধ করে তারা তো বোকা না, এমন কায়দা করে অপরাধ করবে যেটা প্রমান করা কঠিন, তাহলে যত ভাল নীতি আর আাইন থাকুক না কেন , আপনি তার অপরাধ প্রমান করতে না পারলে শাস্তি দেবেন কেমনে ? শারিয়া আইনকে যতই আল্লাহর আইন বলুন না কেন , তা কোন সমাজে প্রতিষ্ঠা করলে তা দ্বারা একজন অপরাধীর অপরাধ তো ১০০% নিশ্চিতভাবে  প্রমান করতে পারবেন না। শরিয়া আইনে অপরাধীর অপরাধ প্রমানের কা্য়দা কানুন সম্পর্কে কি কিছু বলা আছে ? একমাত্র আল্লাহর নামে কসম কেটে আত্ম স্বীকৃতি ছাড়া ? আধুনিক সমাজে এটা অপরাধ প্রমানের কোন কার্যকরী পদ্ধতি হলো ? কার্যকর অপরাধ প্রমানের পদ্ধতি জানা না থাকলে আল্লাহর আইন দ্বারা আপনি ৫০টা খুনের অপরাধীকে সাজা দিবেন কেমনে ? আপনাকে আগে তো প্রমান করতে হবে যে সে খুনি।  এত কিছুর পরেও একজন আস্তিক যত সহজে অপরাধ করতে পারে একজন নাস্তিক অত সহজে সেটা করতে পারে না। কারন আাস্তিকটা জানে অপরাধ করার পর আল্লাহর কাছে তওবা করলে আল্লাহ মাফ করে দেবে অন্তত: সে সুযোগ তার আছে।  হাদিসে দেখা যায় বার বার তওবা করারও সুযোগ আছে, আর তাই একজন আস্তিক বার বার সেটা করতে থাকবে, আর সেটা করবে সে প্রচন্ড স্বার্থপরের মত , সমাজের দিকে সে তাকাবে না। কিন্তু একজন নাস্তিক নিজের কথা চিন্তা করার সাথে সাথে সে সমাজের কথাটাও চিন্তা করে কারন সে মনে করে সমাজ যদি সুশৃংখল না হয় তার নিজের জীবনও ভাল থাকবে না , এ অনুপ্রেরণা থেকেই সে কোন অপরাধ করা থেকে নিজেকে দুরে রাখে। অর্থাৎ তার আদর্শই তাকে স্বার্থপর হতে শেখায় না। পক্ষান্তরে সকল ধর্মে যতই মানব সেবা , দরিদ্র সেবা এসবের কথা বলা হোক না কেন ,  সেখানে তওবা করার বিধান থাকাতে খুব সহজেই একজন আস্তিক ভীষণভাবে স্বার্থপর হয়ে পড়ে। পরীক্ষা করে দেখা গেছে -- দাগী আসামীর প্রায় ১০০% ই আস্তিক কিন্তু কোন দাগী আসামি( রাজনৈতিক কারন ছাড়া) পাওয়া যাবে না যে নাস্তিক। বিষয়টা আপনি নিজেও আশপাশ পর্যবেক্ষন করে জানতে পারবেন।
       

      সমাজের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি না করাই যদি মানব বিবর্তনের "বেচে থাকার সুবিধা" হয় তাহলে ১৯৭১ সালে যারা রাজাকারী করেছিলেন তারা সঠিক নাস্তিকতার পথেই ছিলেন।

      তারা আস্তিক ছিল বলেই রাজাকাররা অত অপকর্ম করেছিল , হত্যা, ধর্ষন ও লুটপাট করেছিল।  এখন তো আবার সেই ইসলামের কথা চলে আসে। কুরান হাদিস মোতাবেক , ইসলাম রক্ষার জন্য মানুষ খুন বা এমন কি যুদ্ধের সময় বন্দী নারী ধর্ষনও জায়েজ। সুতরাং বুঝতেই পারছেন রাজাকাররা ছিল তখন তাদের ভাষায় ইসলাম রক্ষার যুদ্ধে রত , তাই অবলীলায় তারা সেটা করেছিল।  ঠিক একই সময় ভারতের পশ্চিম বঙ্গে চলছিল নকশাল আন্দোলন, মাও সে তুং পন্থী এ নকশালরা ছিল নাস্তিক। তারা শ্রেনী শত্রু খতমের নামে কিছু মানুষ খুন করত ঠিকই কিন্তু তারা কোন নারী ধর্ষন করত বলে শোনা যায় নি। তবে অবশ্যই এই শ্রেনী শত্রু খতমের আদর্শটা ছিল দারুন রকম ভুল।  ঠিক তেমনই ভুল ইসলাম রক্ষার নামে কাফের নাস্তিক বা বর্তমানে ব্লগারদের খুন করা।
       

    2. 7.2
      সাদাত

      শাহবাজ ভাই,
      লিস্টের ১১ নম্বর যোগ করেছেন তো? ঘুরে ফিরে বারে বারে… সেই একজন

      1. 7.2.1
        শাহবাজ নজরুল

        হ্যা যোগ করে দিলাম …

        ১. ভবঘুরে ২. আব্দুল হক … … ১১. সংসপ্তক

        😀 😀
         

    3. 7.3
      মুনিম সিদ্দিকী

      ‘মার্সিডিস্‌’ কোম্পানীর নতুন বেরিয়ে আসা লেটেস্ট মডেলের একটি গাড়ী যদি আপনি দেখে নিতে চান এবং চালকের আসনে এমন একজন লোককে বসিয়ে দিলেন যে ভালো ড্রাইভিং জানেনা। সে যদি ওটাকে নিয়ে দুম করে কোথাও লাগিয়ে দেয় তাহলে আপনি কাকে দোষ দেবেন- গাড়ীটিকে না ড্রাইভারকে!

      গাড়িটি সম্পর্কে জানার জন্য আপনার উচিৎ ছিল ওটার ক্যাটালগ ও ম্যানুয়েল নিয়ে একজন বিশেষজ্ঞের সামনে বসে খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে সব জেনে নেয়া। চলার ধরন, গতী, জালানী খরচ, দুর্ঘটনা কবলিত হলে তা থেকে সুরক্ষার জন্য কি কি ব্যাবস্থা নেয়া হয়েছে ইত্যাদি ইত্যাদি। ড্রাইভারকে দিয়ে গাড়ীর আসল মূল্যমান যাচাই করা যায় না। টাকার জোরে অনেক কোটিপতির ছেলে বিশ্বসেরা কোম্পানীর গাড়ি কিনে দু’দিনেই বারোটা বাজিয়ে ছেড়ে দেয়।

      একইভাবে জন্মগতভাবে পাওয়া ইসলাম নিয়ে আজকের মুসলমানরা যা করছে তাতে তার বাহ্যিক অবয়ব দুমড়ে মুচড়ে এমন ভয়ঙ্কর আকার ধারণ করেছে যা দেখে নতুন কোনো ক্রেতা দু’পা এগোলে দশ পা পিছিয়ে যায়-একথা অস্বীকার করার কোনো উপায় নেই। কিন্তু একজন মানুষ হিসেবে যিনি জীবনের পথটা সুন্দরভাবে পাড়ি দিয়ে সঠিক গন্তব্যে নির্বিঘ্ন পৌঁছাপতে চান তাকে তো সর্বোত্তম গাড়িটি খুঁজে বের করতেই হবে এবং গ্রহণ করতে হবে গাড়ি চেনার সঠিক পদ্ধতি, অর্থাৎ তার ম্যানুয়াল ও ক্যাটালগ ধরে বিশেষজ্ঞের কাছে থেকে বিস্তারিত জেনে নিতে হবে।

      খোদ সৃষ্টিকর্তা বিধাতা প্রতিপালক আল্লাহ তা’য়ালা রচিত মানব-জীবন ম্যানুয়েল, ‘আলকুরআন’ এবং তাঁরই নির্বাচিত শ্রেষ্টতম নমুনা-মানুষ মুহাম্মদ (স) নির্মিত ক্যাটালগ বিশুদ্ধ হাদীস সমূহ ইসলামকে চেনা ও জানার একামত্র মাধ্যম।

      ঙ. ইসলামকে বিচার করতে হবে তার বাস্ত- বায়নকারী মুহাম্মাদ (স)- এর মাধ্যমে। বিশ্ববরণ্য মুসলিম ঐতিহাসিকগণের পাশাপাশি কিছু অমুসলিম ঐতিহাসিক রয়েছেন যারা কোনো প্রভাবে প্রভাবিত না হযে নিতান্ত সততার সাথে মানবেতিহাসের সেবা করেছেন। তাদের মধ্যে অন্যতম মাইকেল এইচ হার্ট তার রচিত ‘দি হানড্রেড’ গ্রন্থে মানবেতিহাসের শ্রেষ্ঠতম মানুষ হিসেবে এক নম্বর দিয়ে প্রথমেই যার নামটি লিখেছেন, তিনি মুহাম্মদ (স) । থমাস কার্লাইল এবং লা-মর্টিন এর মতো ব্যক্তিত্বগণও তাদের রচনায় ইসলামের নবী ও রাসূল মুহাম্মাদ (স)-এর প্রতি প্রভুত সম্মান প্রদর্শন করেছেন।

      -জাকির নায়েক।

      1. 7.3.1
        মুকিত

        ভাই আমাদের একটা বড় দোষ কি জানেন ? আমরা যখন ইসলাম বা নবিজী নিয়ে কথা বলি যুক্তির চেয়ে আবেগ বেশী কাজ করে। কিন্তু মনে হয় এখন আবেগের চেয়ে যুক্তি ও বস্তু নিষ্ঠতাকে বেশী প্রাধান্য দেয়া উচিত , যেমন আপনি বলেছেন --

        তাদের মধ্যে অন্যতম মাইকেল এইচ হার্ট তার রচিত ‘দি হানড্রেড’ গ্রন্থে মানবেতিহাসের শ্রেষ্ঠতম মানুষ হিসেবে এক নম্বর দিয়ে প্রথমেই যার নামটি লিখেছেন,

        এখানে মাইকেল হার্ট এর বইয়ে শ্রেষ্ট মানুষের তালিকা তৈরী করেন নি। তিনি করেছিলেন -- সবচাইতে প্রভাবশালি মানুষের তালিকা। তার তালিকায় তাই স্থান পেয়েছে হিটলার, স্টালিন এর মত গণহত্যার খুনির নামও। এছাড়া সেখানে বহু নাস্তিকের নামও রয়েছে যেমন কার্ল মার্কস। সর্বশ্রেষ্ট ও সবচাইতে প্রভাবশালি এর মধ্যে ব্যপক পার্থক্য বিদ্যমান।

  5. 6
    সাদাত

    মুসলিমদের জন্য 'কুরআন-সুন্নাহ' অনুসারে চলার কোন বিকল্প নেই।
    কোন নির্দিষ্ট সনদ, কোন নির্দিষ্ট কুরআনের আয়াত, কোন নির্দিষ্ট হাদিস অনুসারে চলতে চাওয়া 'পরিপূর্ণ কুরআন-সুন্নাহ'কে পাশ কাটানোর নামান্ত্বর।
     
    মদিনা সনদ অনুসারে দেশ চালালে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা হবে, আর
    কুরআন-সুন্নাহ অনুসারে চালালে ন্যায়বিচার কি প্রতিষ্ঠা হবে না?
     
    যদি হয়, তবে 'মদিনা সনদ' অনুসারে না বলে 'কুরআন-সুন্নাহ' অনুসারে বললে সমস্যা কোথায়? 
     
     

    1. 6.1
      ফুয়াদ দীনহীন

      @সাদাত,
      সাদাত ভাই,
      আপনার কমেন্টে আলোচনা করেছিলাম, কিন্তু ট্যাকনিক্যাল সমস্যার কারণে মন্তব্য প্রকাশ হবার আগেই ডিলিট হয়ে গেছে।

  6. 5
    সংসপ্তক

    আমরা কি একবিংশ শতাব্দিতে বাস করি নাকি সপ্তম শতাব্দিতে বাস করি ? গোটা অমুসিলম বিশ্ব গণতান্ত্রিক ধারায় এগিয়ে যাচ্ছে তর তর করে উন্নতির শিখরে , সেসব দেশের মানুষ এখন চিন্তা ভাবনা করছে মহাশূন্যে অবকাশ যাপনে, অথবা চাদে গিয়ে মধু চন্দ্রিমা উদযাপনের, চিন্তা ভাবনা করছে মঙ্গলে বসতি গড়ার। আমরা সেখানে সপ্তম শতাব্দিতে কোন একসময় মদিনা নামক কি একটা সনদ ছিল তা দেশে প্রচলন করার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছি। আমাদের দেশে সময়ের চাকা কি পিছন দিকে ধাবিত হচ্ছে ? ধর্ম কর্ম যার যার ব্যক্তিগত ব্যপার, যে সেটা করে করুক , যে না করে না করুক, এসবের বিচারের ভার থাকুক আল্লাহর ওপর। তা না করে ধর্মকে জগদ্দল পাথরের মতো রাষ্ট্রের ওপর চাপিয়ে দিয়ে আমরা কোথায় যেতে চাই ? আর কি অদ্ভুত ব্যপার , উন্নত বিশ্বে বাস করা কিছু লোকও দেখি তারা এসবে সমর্থন জোগায়। উন্নত বিশ্বে বাস করে তাদের দৃষ্টি এমন অতীত কালে চলে যায় কিভাবে ?
     
    এতই যদি ধর্ম আমাদের গুরুত্বপূর্ণ বিষয় , তাহলে দেশে শরিয়া আইন চালু করা হোক, দেশটাকে বানান হোক আফগানিস্তানের মত তালেবানী রাষ্ট্র। বন্দ করে দেয়া হোক কাফের নাস্তিক দেশের সাথে সব রকম যোগাযোগ। তারপর সবাই মিলে দিন রাত আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্যে কাজ করে যাই, তখন দেখা যাবে আমাদের অবস্থা কোথায় গিয়ে দাড়ায়। খালি শারিয়া আইন বলে মানুষ কাল্পনিত সুখে দিন কাটায়। এ আম জনতাকে শরিয়া আইনের আওতায় এনে তারপর এর মজাটা না দেখালে এরা এর মাজেজা বুঝবে না মোটেই বলে  মনে হচ্ছে।  সুখে থাকতে মানুষকে ভুতে কিলায়। দেশ যখন নানা প্রতিবন্ধকতা সত্ত্বেও এগিয়ে যাচ্ছিল , আন্তর্জাতিক বিশ্বে যখন বাংলাদেশ একটা সম্ভাবনার দেশে পরিনত হচ্ছিল তখন শুরু হলো পিছনের দিকে পথ চলা। যে সব মোল্লাহ মৌলভিরা কওমী মাদ্রাসায় শিক্ষকতা করে তারা ভুলে গেছে যে তাদের মাদ্রাসার খরচ চলে তাদের ভাষায় কাফির মুনাফিকদের দান খয়রাতে। এসব কাফির মুনাফিকরা যদি তাদের দান বন্দ করে দেয় এসব মাদ্রাসার শিক্ষকদেরকে রাস্তায় নামতে হবে ভিক্ষা করতে। যার খায় তারই পিঠে ছুরি মারার এ হেন আত্মঘাতি শিক্ষা কি আর কোথাও  আছে কিনা জানা নেই। এ যেন একটি দেশের আত্মহত্যার প্রানান্তকর প্রচেষ্টা।
     
     
     

    1. 5.1
      সাইফুল ইসলাম

      আমরা সপ্তম শতাব্দির শরীয়া আইনের আওতায় বাস করলে সত্যিই নিজেকে খুব সৌভাগ্যবান মনে করতাম।
      আপনি কি কখনো তালেবান শাসনের আওতায় ছিলেন? যদি না থেকে থাকেন, তাহলে তার সমালোচনা করার যোগ্যতাও আপনার নেই।
      রাসুলুল্লাহ (সা)-এর সংগ্রামী জীবনের ইতিহাস পড়লে জানতে পারবেন, তিনি কখনোই অন্যায়ের সাথে, জুলুমকারীর সাথে আপোষ করেন নি। যেকোন অবস্থায় জুলুমের প্রতিবাদ করেছেন।
      উন্নতি বলতে আপনি কি বোঝাতে চান? টাকা, সম্পদ আর ভোগ-বিলাস?
      মুসলমান কখনো এগুলোকে উন্নতি মনে করে না।

      জানি না আপনি কোন ধর্মের, কিন্তু প্রতিটি ধর্মই অন্যায়ের প্রতিবাদের কথা বলে, প্রতিটি ধর্মই স্রষ্টার প্রেরিত আইন প্রতিষ্ঠার কথা বলে। বলে না একমাত্র "নাস্তিক ধর্ম"। আপনি যদি সেই ধর্মের হয়ে থাকেন তবে আর অযথা কথা বলব না। কারণ এদের আমার ভালোই চেনা আছে।

      1. 5.1.1
        সংসপ্তক

        তালেবান শাসনে ছিলাম না ঠিক , কিন্তু যে সব কাহিনী শুনেছি তাতে তো গায় কাটা দিয়ে ওঠে।

        উন্নতি বলতে আপনি কি বোঝাতে চান? টাকা, সম্পদ আর ভোগ-বিলাস?
        মুসলমান কখনো এগুলোকে উন্নতি মনে করে না।

        তাই যদি হয় তাহলে আমরা কেন ইউরোপ আমেরিকার মত কাফের দেশে প্রবাস জীবন যাপনের জন্য পাগলের মত ছুটে যাই। কেনই বা আমরা পশ্চিমা দেশের কাছ থেকে দান খয়রাত গ্রহন করে নিজেদের সমস্যা মিটাই। তা ছাড়া উন্নতি বলতে খালি ভোগ বিলাশ বুঝায় নাকি ? উন্নতি হলো সব কিছু- অর্থনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক সব কিছুই। এসব কিছুতে উন্নত হলে জীবনযাত্রা সাবলিল হয়, স্বচ্ছন্দ হয়, সুখের হয়। ভোগ বিলাশই যে উন্নতির একমাত্র লক্ষ্য এটা তো ঠিক না।
        ভাই অন্যায় কাজের প্রতিবাদ খালি ধার্মিকরা করে , আর নাস্তিকরা তার সমর্থন করে ? কি যে বলেন । অন্যায় কাজের প্রতিবাদ যে কোন সুস্থ বিবেকবান মানুষই করে , তা সে আস্তিক হোক আর নাস্তিক হোক। এটার সাথে ধর্মের খুব একটা সম্পর্ক আছে বলে মনে করি না।  আমার দেখা মতে , নাস্তিক বা ধর্ম সম্পর্কে অতি উদার মানুষরাই নৈতিক চরিত্রের দিক থেকে আস্তিকদের চেয়ে অনেক অনেক এগিয়ে। আমি এদের তেমন কাউকেই দেখিনি খুব দূর্নীতি পরায়ন বা টাউট বাটবার ধরনের খারাপ মানুষ , কিন্তু বহু ধার্মিককে দেখেছি চরম দুর্নীতিবাজ, টাউট মানুষ হিসাবে। তাহলে এই নাস্তিক ধরনের লোকগুলো নৈতিকতার এ শিক্ষা টা কোথা পায়? তারা কেনই বা এ ধরনের নীতি বোধ দ্বারা তাড়িত হয় , কিসের লোভে ?
         
         

      2. শাহবাজ নজরুল

        আমার দেখা মতে , নাস্তিক বা ধর্ম সম্পর্কে অতি উদার মানুষরাই নৈতিক চরিত্রের দিক থেকে আস্তিকদের চেয়ে অনেক অনেক এগিয়ে। আমি এদের তেমন কাউকেই দেখিনি খুব দূর্নীতি পরায়ন বা টাউট বাটবার ধরনের খারাপ মানুষ , কিন্তু বহু ধার্মিককে দেখেছি চরম দুর্নীতিবাজ, টাউট মানুষ হিসাবে।

        কেউ মাথায় টুপি দিয়ে ৫ ওয়াক্ত নামাজ পড়ে যদি দিনরাত ঘুষ খান আর দুর্নীতি করেন তবে তিনি আর যাই বুঝুন ইসলাম বুঝেননি আর ইসলাম অনুসারে চলেনও নি। কেউ ইসলামের অপব্যবহার করলে তাতে ইসলামের দোষ হয় কিভাবে?

        তাহলে এই নাস্তিক ধরনের লোকগুলো নৈতিকতার এ শিক্ষা টা কোথা পায়? তারা কেনই বা এ ধরনের নীতি বোধ দ্বারা তাড়িত হয় , কিসের লোভে ?

        এই নৈতিক শিক্ষার অনেকটাই তারা ইসলাম থেকেই পায়। ইসলামের দ্বারা তৈরী আবহ থেকে নাস্তিকরাও তো আলাদা নন। তাই নিজেদের অজান্তে হলেও কিংবা নিজেরা অস্বীকার করলেও নাস্তিকদের নৈতিকতার অনেকখানি আসে ইসলাম থেকেই। আর এটা নিশ্চয়ই অস্বীকার করবেন না -- নাস্তিকদের বিশ্বাসের ভিত্তিমূল 'ডারউইনের তত্ত্ব' অনুসারে মানুষের নৈতিকতা মানার কোনো কারণ নেই। বরং যেভাবে পারো খাও দাও ফুর্তি করো, কিংবা ধরা না খেয়ে চুরি করা হচ্ছে 'সার্ভাইবালের কৌশল -- এগুলোই হওয়া উচিত নাস্তিকদের নৈতিকতার ভিত্তি। তাই নয় কি?

      3. সংসপ্তক

        শাহবাজ নজরুল
        আপনার বক্তব্য সঠিক হলে দুনিয়াতে মুসলমানরা হতো সবচাইতে সৎ ও নীতিবান জাতি। দু:খজনকভাবে দুনিয়াতে দুনীতি পরায়ন দেশের তালিকাতে মুসলমান দেশগুলোই শীর্ষ স্থানগুলো দখল করে আছে। আমাদের বাংলাদেশে তো পর পর কয় বছর চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল।  সুতরাং এটা প্রমানিত হলো না যে ইসলাম থেকে অনুপ্রেরণা পেয়ে মানুষ সৎ বা নীতিবান হয়। বরং দেখা যায় যারা নাস্তিক বা অমুসলিম তাদের মধ্যে সৎ ও নীতিবান হওয়ার প্রবনতা অনেক বেশী। নিজের চারপাশে তাকিয়েই সেটা বুঝতে পারবেন।
        একজন আস্তিক সৎ বা নীতিপরায়ণ হতে পারে বেহেস্তের আশায়, একজন নাস্তিক তো বেহেস্ত বিশ্বাস করে না , সে সৎ বা নীতিপরায়ন হয় কেন ? কিসের আশায় ?
        ডারউিইনের বিবর্তনবাদ তত্ত্ব বুঝতে আপনার একটু ভুল হয়ে গেছে। ডারউইন যে তত্ত্ব দিয়ে গেছিল সেটা ছিল প্রকৃতিতে  স্বত:স্ফুর্ত ঘাত প্রতিঘাতের মাধ্যমে জীবজগতে যে বিবর্তন হয় সেটা। সে প্রকৃতি জগতে কোন বুদ্ধিমান প্রানী থাকলে তাদের বুদ্ধিমত্তা যে বিবর্তনে প্রভাব বিস্তার করতে পারে সেটা বলে নি বা সেটা তার নজরে আসে নি। মানুষ বুদ্ধিমান জীব, যে কোন ভাবেই হোক সে বুদ্ধিমান হয়ে পড়েছে, বিবর্তনের মাধ্যমে হোক বা আল্লাহ প্রদত্ত হোক। বুদ্ধিমান হওয়ার কারনে তারা একটা সভ্য সমাজ গড়ে তুলেছে, সে সমাজে ভালভাবে চলার জন্য কিছু নিয়ম নীতি প্রনয়ন করেছে। মানুষ জানে এসব নিয়ম নীতি না মানলে সমাজে বিশৃংখলা সৃষ্টি হবে , এর ফলে তার নিজেরও ভালভাবে বাস করা সম্ভব হবে না। তাই নিজের ভালভাবে বেচে থাকার জন্যেই একজন নাস্তিক সৎ বা ন্যায় পরায়ন হয় যেটা প্রকারান্তরে সমাজের অন্যদেরকেও সৎ ও নীতিবান হতে সাহায্য করে। তারা এটা  কোন ধর্ম থেকে  অনুপ্রেরণা পেয়ে সৎ বা নীতিবান হয় না, ভাইজান। এখানে আপনার বুঝে একটু সমস্যা আছে।  এভাবে এবং প্রাযুক্তিক অনেক আবিস্কার ও তার ব্যপক ব্যাবহারের মাধ্যমে মানুষরা বর্তমানে বিবর্তনের ওপর নিজেদের প্রভাব বিস্তার করছে, যেটা ডারউইনের মাথায় আসে নি। আর তাই বিবর্তনবাদ সত্য হলেও বর্তমানে -- নাস্তিক বা বিবর্তনে বিশ্বাসীরা আপনার কথায় খাও দাও ফুর্তি কর স্টাইলে জীবন যাপন করে না। আর যদি করেও থাকে সেটা তারা অন্যের জীবনের স্বাধীনতা ও অধিকারকে রক্ষা করেই সেটা করে। কারও জন্যে সমস্যা সৃষ্টি করে সেটা করে না।

      4. মুনিম সিদ্দিকী

        তাই যদি হয় তাহলে আমরা কেন ইউরোপ আমেরিকার মত কাফের দেশে প্রবাস জীবন যাপনের জন্য পাগলের মত ছুটে যাই।

        আপনি যদি ইতিহাস জানেন তাহলে দেখবেন  শত বছর আগেও মুসলিম বিশ্বের কোন লোক ইউরোপ আমেরিকায় যাবার চিন্তা করতনা।
        আমাদের মানুষ এখন সেখানে যাচ্ছে লুণ্ঠন করা জন্য নয় । যাচ্ছে এর জন্য যে বিগত দেড় শতাব্দী জুড়ে তাঁরা ইউরোপ থেকে এসে আমাদের দেশের ধনসম্পদ লুণ্ঠন করে তাঁদের দেশ গড়েছিল, কাজেই তাঁদের এই উন্নয়নের পিছিনে মুসলিম বিশ্বের অর্থ বিত্ত রয়েছে। কাজেই আমাদের দাবী আছে সেখানে গিয়ে কাজ করে নিজেদের ভাগ্য উন্নয়নের।

    2. 5.2
      ফুয়াদ দীনহীন

      @সংসপ্তক,

      লেখায় মদিনার সনদ দেশে প্রনয়নের জন্য মরিয়া হয়ে উঠার মত কিছু নেই। প্রধানমন্ত্রী নিজ থেকে কিছু বলেছেন, উনার বলা কিভাবে বাস্তবায়নে আনা সম্ভব কি সম্ভবনা, সঠিক কি সঠিক না, কিভাবে কি হতে পারে, সে ব্যাপারেই আলোকপাত করা হয়েছে। 
       "

      যে সব মোল্লাহ মৌলভিরা কওমী মাদ্রাসায় শিক্ষকতা করে তারা ভুলে গেছে যে তাদের মাদ্রাসার খরচ চলে তাদের ভাষায় কাফির মুনাফিকদের দান খয়রাতে।"-সংসপ্তক

      ঘৃনা ভালই প্রকাশ করতে পারেন, কিন্তু আপনার উপুরক্ত দাবীর পক্ষে প্রমাণ কি ?   তাছাড়া, আপনি মাদ্রাসার শিক্ষকরা যা দাবী করেন নাই, (অর্থ্যাত তারা বলেন নাই, মাদ্রাসায় যারা দান করে তারা কাফির মুনাফিক)  তা আপনি তাদের উপর চাপিয়ে পরিষ্কার মিথ্যাচার করছেন।
       
       

      1. 5.2.1
        সংসপ্তক

        ঘৃনা ভালই প্রকাশ করতে পারেন, কিন্তু আপনার উপুরক্ত দাবীর পক্ষে প্রমাণ কি ?   তাছাড়া, আপনি মাদ্রাসার শিক্ষকরা যা দাবী করেন নাই, (অর্থ্যাত তারা বলেন নাই, মাদ্রাসায় যারা দান করে তারা কাফির মুনাফিক)  তা আপনি তাদের উপর চাপিয়ে পরিষ্কার মিথ্যাচার করছেন।

        আমার নিজ এলাকার এক লোক  যে কিনা বিরাট ব্যবসায়ী একটা কওমী মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করেছেন ও তার সম্পূর্ন খরচ নিজেই চালান। ছাত্র সংখ্যা বর্তমানে প্রায় ৫০০। এই লোকের মূল ব্যবসা পোশাক তৈরী ও কন্ট্রাক্টরী। কট্টর আওয়ামী লিগার ও একই সাথে যুদ্ধাপরাধিদের বিচারে সোচ্চার এবং গণ জাগরন মঞ্চের একটা বিরাট সমর্থক। মাঝে মাঝে তিনি সেখানে খাবারও বিতরন করেছেন। হেফাজতীদের ভাষায় বর্তমান সরকার নাস্তিক সরকার যা তারা ঢাকার সমাবেশে বলেছিল, এই লোক এই একজন কট্টর আওয়ামী লিগ আর আওয়ামী লিগ এখন ক্ষমতায় তার অর্থ এই লোকও হেফাজতের ভাষায় নাস্তিক। বিষয়টা কি সেরকম দাড়ায় না ? হেফাজতের দাবী মেনে দেশে যদি শরিয়া আইন চালু করা হয়, নিশ্চিতভাবে বর্তমানে আমরা যে বৈদেশিক বানিজ্য করি বা সাহায্য পাই তা পাব না কারন তখন কাফির নাস্তিকদের সাথে আমাদের কোন সম্পর্ক থাকবে না। তখন এই লোকের ব্যবসাও লাটে উঠবে। তখন এই লোক কিভাবে কওমী মাদ্রাসাটা চালাবে ? অথচ এই মাদ্রাসার ছাত্ররাই কিন্তু হেফাজতের বড় কর্মী ও সমর্থক। তারাই দেশে শরিয়া আইন চালুর দাবী জানাচ্ছে। তারা কি জানে যে তা বাস্তবায়ন হলে প্রথমে তারাই রাস্তার ফকিরে পরিনত হবে ? বলতে পারেন তখন সরকার এগুলো চালাবে। জ্বী না , তখন দেশের অর্থনীতি এতটাই নাজুক হয়ে যাবে যে , সরকার এসব চালানো তো দুরের কথা সরকারী কর্মকর্তা কর্মচারীদের বেতন ঠিকমতো দিতে পারবে কে না সন্দেহ।
        বৈদিশিক বানিজ্য ভাল আছে বলেই সরকারের বড় রকমের রাজস্ব আয় হয়।  না থাকলে কোথা থেকে আয় হবে ? যাকাত থেকে ? জনগনের আার্থিক অবস্থা খারাপ হয়ে গেলে তারা যাকাত দেবে কোথা থেকে ? শরিয়া আইন হওয়া মাত্রই বৈদেশিক বানিজ্যে কঠিন ভাটা পড়বে, তাই দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা ধ্বস নামবে। আপনাদের চিন্তাটা হলো , শরিয়া আইন চালু করলেও বর্তমান অর্থনৈতিক অবস্থা বা ব্যবস্থা অটুট থাকবে। জ্বী না , তা থাকবে না। আর একারনেই আপনাদের এসব ভীমরতি।

      2. ফুয়াদ দীনহীন

        @সংসপ্তক,
        আজাইরা পেছাল না পাইরা, এই প্রমাণ নিয়ে আসুন, কওমি মাদ্রাসার সকল আমীল সম্মেলিত মতামতে বলেছেন গণ জাগরণ মঞ্চের সমর্থক সকলেই কাফির মুনাফিক ?
        নিচের পোস্টে বিপরিত বক্তব্যই দেখা গেল।
        http://www.shodalap.org/nirob-shakkhi/19103
        কালের কণ্ঠ সব ব্লগারের বিরুদ্ধে আপনাদের এই আন্দোলন, নাকি নির্দিষ্ট কিছু ব্লগ ও ব্লগারের বিরুদ্ধে?
        আল্লামা শফী : আমাদের আন্দোলন ঢালাওভাবে সব ব্লগ বা ব্লগারের বিরুদ্ধে নয়। অনেক আলেম ও ধর্মপ্রাণ ব্লগারও আছেন। আমাদের আন্দোলন কেবল সেসব ব্লগারের বিরুদ্ধে, যারা মুক্তচিন্তা ও বাকস্বাধীনতার আড়ালে সৃষ্টিকর্তা আল্লাহ, প্রিয় নবী রাসুল (সা.), পবিত্র কোরআন ও ইসলাম ধর্মের বিরুদ্ধে জঘন্য কুৎসা ও অবমাননায় জড়িত। ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ ছাড়াও দেশের শান্তিশৃঙ্খলা ও সম্প্রীতি রক্ষার স্বার্থে এবং সভ্যতা-ভব্যতা ও গণতন্ত্রের কোনো মাপকাঠিতেই এমন কুৎসা ও অবমাননা মেনে নেওয়া যায় না। ওরা ইসলামের এমন জঘন্য অবমাননা করেছে, যা পশ্চিমা বিশ্বের কোনো অমুসলিমের মুখেও কখনো শোনা যায়নি। শুরু থেকেই আমরা ধর্মনিরপেক্ষতার প্রতিষ্ঠা, ইসলামবিরোধী নারীনীতি ও ধর্মহীন শিক্ষানীতির বিরোধিতা করে আসছি। অথচ কয়েক বছর যেতে না যেতেই বর্তমান সরকারের গৃহীত এসব নীতির মারাত্মক কুফল শুরু হয়ে গেছে।
        প্রশ্নঃ শাহবাগীদের সাথে আপনাদের শত্রুতাটা কিভাবে হলো?
        উত্তর ঃ আমাদের শাহবাগীদের সাথে কোনো শত্রুতা নাই , কখোনো ছিলো না। আমাদের শত্রুতা কতিপয় ধর্ম বিদ্বেষী নাস্তিক ব্লগার ও তাদের মদদ দাতা সংগঠনগুলোর বিরুদ্ধে। আপনি একটা বিষয় খেয়াল করে দেখবেন, শাহবাগে কিন্তু কোনো সংগঠন নেই। তারা তাদের কোনো কমিটিও ঘোষনা করেনি। সুতরাং শাহবাগী কারা? আসলে শাহবাগ একটি চেতনার নাম। আমি মনে করি তাদের চেতনা সঠিক। চেতনা সঠিক না হলে এত জনসম্পৃক্ততা তারা পেত না। কিন্তু তাদের মধ্যে কিছু লোক আছে যারা ধর্ম বিদ্বেষী। সেখানে আমাদের আপত্তি আছে। সেই আপত্তি সব ধরনের জনগনের। ফলে শাহবাগের আন্দোলন স্তিমিত হয়ে গেলো। তারা তাদের দাবি আদায়ের খাতিরেই কিন্তু বিতর্কীত ব্লগারদের সাথে সম্পর্ক ত্যাগ করতে পারতো। কারন এই ধর্ম বিদ্বেষীদের সংখ্যা সরকারী হিসেবে ৮৪ জন ও আমাদের হিসেবে ২৫০ জনের মত। তাদের না হলে কি শাহবাগের আন্দোলন চলতো না? কিন্তু তারা মনে হচ্ছে অন্য কোনো এজেন্ডায় আছে। ফলে তারা সাধারন জনগনের কাতারে না দাঁড়িয়ে এসব ধর্মবিদ্বেষীদের রক্ষায় এগিয়ে গেল। (হেফাজতে ইসলামের নেতা ড. তারিফুল আলম চৌধুরী)
         

    3. 5.3
      এম_আহমদ

       
      এই মন্তব্যটি যে ইসলাম, সমাজ, সামাজিক ব্যবস্থা ও বিজ্ঞান; ইউরোপ, ধর্ম ও বৈজ্ঞানিক আবিষ্কার –এদের সাথে ধর্মের সম্পর্ক; ইসলামী শারিয়া, শারিয়ার নীতি-মালা, ইত্যাদির উপর চরম অজ্ঞতা প্রকাশ করল। এই অজ্ঞতাই আজ একশ্রেণীতে সামাজিক অজ্ঞতায় রূপান্তরিত হয়েছে। এই ধরণের অজ্ঞতা-মূর্খতা বুকে ধারণ করে কিছু লোক নিজেদেরকে “শিক্ষিত” ভাবছেন। আমি এ পর্যন্ত মন্তব্যকারীকে এক পাশে রেখে নৈর্ব্যক্তিকভাবে মন্তব্যের উপর কয়েকটি কথা বললাম। আমি এখন আরেকটি ব্লগ লিখতে ব্যস্ত, তবে এই মন্তব্যের দিকে আমি আবার ফিরে আসবো এবং পরিপূর্ণ মন্তব্য দেব অথবা আলাদা একটি মন্তব্য প্রকাশ করব। এই ধরণের uninformed, un-educated, conceptually held prejudice against Islam that pervades the country is holding us all back.

      1. 5.3.1
        সংসপ্তক

        এই মন্তব্যটি যে ইসলাম, সমাজ, সামাজিক ব্যবস্থা ও বিজ্ঞান; ইউরোপ, ধর্ম ও বৈজ্ঞানিক আবিষ্কার –এদের সাথে ধর্মের সম্পর্ক; ইসলামী শারিয়া, শারিয়ার নীতি-মালা, ইত্যাদির উপর চরম অজ্ঞতা প্রকাশ করল।

        কোথায় সেই অজ্ঞতাটা ফুটে উঠেছে, নির্দিষ্ট করে বলা যাবে ? নইলে এ ধরনের অস্পষ্ট বক্তব্যের দায় বক্তার দিকেই ফিরে যায়। আপনি যখন এত জ্ঞানি, আমাদেরকে জানান , দেশে শরিয়া আইন চালু করলেও অর্থনৈতিক ব্যবস্থা পুরোটাই বহাল থাকবে। ও হ্যা, বাংলাদেশে কিন্তু তেল পাওয়া যায় না যে তা বিক্রি করে শরিয়া আইনের আওতায় বাস করে বসে বসে খাওয়া যাবে।

    4. 5.4
      এম_আহমদ

       

      (১) আমরা কি একবিংশ শতাব্দিতে বাস করি নাকি সপ্তম শতাব্দিতে বাস করি?

      আপনি সদালাপের পাঠকদের ব্যাপারে কোন ধারণা নিয়ে এই প্রশ্নের অবতারণা করলেন? খায়েশটা কি –মাস্টারি? আপনার ধারণা কী এখানকার পাঠকগণ কোন শতাব্দীতে আছে তা জানে না? এই প্রশ্নের পরে কি কোনো জ্ঞানগর্ভ কথা আশা করা যেতে? না। বরং যা এসেছে তা হীনমন্য, prejudice, অনভিজ্ঞ কথাবার্তা। এগুলো এখন একটার পর একটা করে আনা হবে আর দেখা হবে।

      (২) আমরা কোন গোটা অমুসিলম বিশ্ব গণতান্ত্রিক ধারায় এগিয়ে যাচ্ছে তর তর করে উন্নতির শিখরে, সেসব দেশের মানুষ এখন চিন্তা ভাবনা করছে মহাশূন্যে অবকাশ যাপনে, অথবা চাদে গিয়ে মধু চন্দ্রিমা উদযাপনের, চিন্তা ভাবনা করছে মঙ্গলে বসতি গড়ার।

      এটা কোন ধরণের কথা? এর অর্থ কি? কি বলছেন আপনি? এই বাক্যের “কোন অমুসিলম বিশ্ব গণতান্ত্রিক ধারায় এগিয়ে যাচ্ছে তর তর করে” -এর সাথে “আমরা” কারা? “আমরা” কীভাবে এখানে সম্পর্কিত হয়? ইসলাম কি কাউকে মঙ্গলগ্রহে যেতে বাধা দিয়েছে বা দেয়? কোথাকার কথা কোথায় টানছেন? এটা কি কোনো জ্ঞান-গর্ভ কথা? তারপর এই বাক্যটা কি প্রশ্ন, না statement? মাস্টারি করার আগে কী এগুলো চিন্তা দরকার হয় না?

      (৩) আমরা সেখানে সপ্তম শতাব্দিতে কোন একসময় মদিনা নামক কি একটা সনদ ছিল তা দেশে প্রচলন করার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছি। আমাদের দেশে সময়ের চাকা কি পিছন দিকে ধাবিত হচ্ছে? ধর্ম কর্ম যার যার ব্যক্তিগত ব্যপার, যে সেটা করে করুক, যে না করে না করুক, এসবের বিচারের ভার থাকুক আল্লাহর ওপর। তা না করে ধর্মকে জগদ্দল পাথরের মতো রাষ্ট্রের ওপর চাপিয়ে দিয়ে আমরা কোথায় যেতে চাই?

      “ধর্ম-কর্ম যার যার ব্যক্তিগত ব্যাপার” –এই সবক কার কাছ থেকে শিখেছেন? এই ধারণা আপনার ব্যক্তিগত হতে পারে, কিন্তু আপনার ধারণা নিয়ে কী মুসলমানরা তাদের জীবন যাপন করে? ধর্ম-কর্ম মুসলমানদের ব্যক্তিগত, পারিবারিক, সামাজিক এবং রাষ্ট্রীয় ব্যাপার। এটা ইতিপূর্বে শিখেন নি, তাই এখন শিখে নিন, যাতে ভবিষ্যতে  মুসলমানদেরকে ধর্ম শিক্ষা দিতে স্পর্ধা দেখাতে হবে না। মদিনার সনদ আলোচনা করা কী “পিছনের” দিকে ধাবিত হওয়া? এই সনদ কি আপনি পড়েছেন? একটু কষ্ট করে আবার পড়েন। তারপর বলেন, এই কন্ট্রাক্ট পিছনে নিয়ে যায় কীভাবে? পিছনের ভাল বস্তু কী ছোড়ে ফেলা হবে শুধু তা পিছনের বলে? “পিছনের” ব্যাখ্যা কি? কোন কালের বস্তু “পিছন” বলে আর গ্রহণ করা যাবে না? Time-line কে কীসের ভিত্তিতে এবং কোন কোন বৈশিষ্ট্যে সীমা নির্ধারণ করে এই কাজ করা হবে? এই প্রশ্নগুলোর উত্তর দিতে হবে আপনাকে। গাণিতিক, বৈজ্ঞানিক, দার্শনিক, ধর্মীয়, সামাজিক অনেক জ্ঞান ৩/৪ হাজার বছর থেকে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অংশে ক্রমবর্ধিত হয়ে আসছে। কালের কোন স্থানে এসে যাকিছু ভাল তাও বর্জিত হবে? সেই বর্জনীয় “পিছন” কোনটি? কোন মহাবিদ্যালয়ের পণ্ডিত হয়ে এখানে জ্ঞানের নুড়ি বিতরণ করছেন, আর জিজ্ঞেস করছেন, আমরা কোন শতাব্দীতে আছি; আর এই সূত্র ধরে শুরু করেছেন ফালতু বয়ান।    

      (৪)আর কি অদ্ভুত ব্যপার, উন্নত বিশ্বে বাস করা কিছু লোকও দেখি তারা এসবে সমর্থন জোগায়। উন্নত বিশ্বে বাস করে তাদের দৃষ্টি এমন অতীত কালে চলে যায় কিভাবে?

      উন্নত বিশ্বে বসবাস করা লোকজন উন্নত মানের কথা বলছেন যা হয়ত আপনার মাথায় প্রবেশ করার মত নয়। কেননা আপনার প্রশ্ন হচ্ছে, মানুষ এখন কোন শতাব্দীতে বাস করছে? জ্ঞান আর অতীতের পার্থক্য না জেনে অতীতের সবকিছু ভাবছেন পিছনের। Learned people of developed countries do not throw the baby with bath water, they are capable of looking at the world with enormous capacity to bring distinctions to what is valuable in time, what is temporal in it and what is universal. যে জ্ঞান আপনার নেই, সেই জ্ঞান তাদের থাকার কারণে তারা কালীন বিষয়ের জ্ঞানগত ও মানগত মূল্যায়ন করতে সক্ষম। এ কথাটিও আপনার মাথায় ঢুকবে কীনা সন্দেহ। 

      (৫) এতই যদি ধর্ম আমাদের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, তাহলে দেশে শরিয়া আইন চালু করা হোক, দেশটাকে বানান হোক আফগানিস্তানের মত তালেবানী রাষ্ট্র। বন্দ করে দেয়া হোক কাফের নাস্তিক দেশের সাথে সব রকম যোগাযোগ। তারপর সবাই মিলে দিন রাত আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্যে কাজ করে যাই, তখন দেখা যাবে আমাদের অবস্থা কোথায় গিয়ে দাড়ায়। খালি শারিয়া আইন বলে মানুষ কাল্পনিত সুখে দিন কাটায়। এ আম জনতাকে শরিয়া আইনের আওতায় এনে তারপর এর মজাটা না দেখালে এরা এর মাজেজা বুঝবে না মোটেই বলে  মনে হচ্ছে।  সুখে থাকতে মানুষকে ভুতে কিলায়। দেশ যখন নানা প্রতিবন্ধকতা সত্ত্বেও এগিয়ে যাচ্ছিল, আন্তর্জাতিক বিশ্বে যখন বাংলাদেশ একটা সম্ভাবনার দেশে পরিনত হচ্ছিল তখন শুরু হলো পিছনের দিকে পথ চলা।

      এই বয়ান হচ্ছে সম্পূর্ণ অনভিজ্ঞ [মূর্খ] বয়ান। শারিয়া চালু হলেই কি তা আফগানিস্তান হয়ে যাবে? তা কী তালেবান হয়ে যাবে? পক্ষান্তরে, আফগানিস্তান তো তালিবানের হাতে বর্তমানের চেয়ে শতগুণে ভাল ছিল। সে দেশে লোকজনকে আশে পাশে পেলে তাদেরকে জিজ্ঞেস করুন, তাদের সেই periodটি শান্ত মাথায় অধ্যয়ন করুন। তালিবান রাষ্ট্র গণিত, পদার্থ বিজ্ঞান, রসায়ন বিজ্ঞান, সমাজ বিজ্ঞান, রাষ্ট্র বিজ্ঞান কিছুই তো ব্যান করে নি। সেখানে বোরখা/হিজাব পরে মেয়েদের শিক্ষা ও চলাফেরাও বন্ধ হয় নি। গাড়ী ব্যান করা হয় নি। যোগাযোগ ব্যবস্থা বন্ধ হয় নি। কেবল অশ্লীলতা বন্ধ হয়েছিল। বেহায়াপনা বন্ধ হয়েছিল। ড্রাগের ব্যবসা বন্ধ হয়েছিল। এতে ইউরোপের ড্রাগ-লর্ডরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। এটা এখন তারা আবার ফিরে পেয়েছে। বয়ান করার আগে জেনে নেয়ার কাজটা কি ভাল হয় না? ইসলামী দেশ কি কাফিরদের সাথে যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়? কোথায় বলেছে? এসব ফালতু কথা কেন বলছেন? বাংলাদেশের মানুষ এখন কোন সুখে আছে যে তাদেরকে ভুতে কিলাচ্ছে? মামার বাড়ীর গল্প বনজঙ্গলে গিয়ে করবেন,  সেখানে কেউ দেখবে না, শুনবেও না। শারিয়ার নাম শুনলেই কিছু সংখ্যক লোকের গায়ে আগুন লেগে যায়। দেশ নাকি ধ্বংস হয়ে যাবে, পিছনে চলে যাবে, সপ্তম শতক হয়ে পড়বে। কেন? শরিয়া তো এখন নাই, কিন্তু অবস্থাটা কি? চুরি, ডাকাতি, রাহাজানি, হত্যা, গুম, ঘোষ, ধর্ষণ, বন-লুট, মৎস্য-লুট, ব্যাঙ্ক-লুট ইত্যাদি যা কিছু মন্দ তার তো সবকিছুই হচ্ছে। পাকিস্তানের আমলে লুটে খেতো ২২ পরিবার, এখন খাচ্ছে তার ডবল, না হয় ট্রিপল। কিন্তু ইসলামী নৈতিক মূল্যবোধের শিক্ষা প্রবর্তন, নৈতিক ভিত্তিতে প্রাতিষ্ঠানিকতার রূপায়ণ, আদালতি ব্যবস্থা পুনর্গঠন –তথা ইসলামী শারিয়া চালু –এগুলোর কথা শুনলেই ওদের মাথা ঘোলাটে হয়ে যায় কেন? ব্যাপার কি? ঐসব দুষ্কর্মের সাথে কী ওরা কোনো উপায়ে জড়িত? না বুঝে চিৎকার করে কেন? শারিয়া চালু হলে অর্থনৈতিক ব্যবস্থা নাকি ধড়াস করে মাটিতে পড়বে, তো কীভাবে পড়বে? কেন পড়বে? ইসলামী শরিয়া কি ব্যবসা বাণিজ্য বন্ধ করে দেয়? অর্থনৈতিক অবকাঠামোর সব দরজা-জানালায় তালা দিয়ে কি আল্লাহ আল্লাহ করার কথা বলে? ফাজিলদের মাথা যে কত বিকারগ্রস্ত তা কেবল আল্লাহই জানেন।    

      (৬) যে সব মোল্লাহ মৌলভিরা কওমী মাদ্রাসায় শিক্ষকতা করে তারা ভুলে গেছে যে তাদের মাদ্রাসার খরচ চলে তাদের ভাষায় কাফির মুনাফিকদের দান খয়রাতে। এসব কাফির মুনাফিকরা যদি তাদের দান বন্দ করে দেয় এসব মাদ্রাসার শিক্ষকদেরকে রাস্তায় নামতে হবে ভিক্ষা করতে। যার খায় তারই পিঠে ছুরি মারার এ হেন আত্মঘাতি শিক্ষা কি আর কোথাও  আছে কিনা জানা নেই। এ যেন একটি দেশের আত্মহত্যার প্রানান্তকর প্রচেষ্টা।

      কোন কোন কাফিরদের কাছ থেকে মাদ্রাসাগুলোর খরচ আসে? নাম বলেন। কোন কোন কোন কাফিরদের দান বন্ধ হলে কোন কোন মাদ্রাসা ভিক্ষায় নামবে? এগুলো হচ্ছে অজ্ঞতাপ্রসূত মন্তব্য। এরগুলো দিয়ে কি সদালাপে বৈঠা-বাওয়া যাবে? [আগে কোথায় ব্লগিং করতেন? কোনো সমস্যা না থাকলে বলতে পারেন।]  
       
      উপরের পয়েন্টগুলোর সারসংক্ষেপ হল এই:
       
      আপনি মাস্টারি করতে গিয়ে যাকিছু বলেছেন তাতে কোনো ইসলামী জ্ঞান প্রকাশ পায়নি। সামাজিক মূল্যবোধ, জীবন পদ্ধতি, নৈতিকতা ইত্যাদি কালের সাথে কীভাবে সম্পর্কিত হয় সে জ্ঞান না রেখেই অতীতের সব কিছু পরিত্যাজ্য ভেবেছেন। এসব বিষয় না জেনেই মুসলমানদের ব্যাপারে বিভ্রান্তিকর কথাবার্তা বলছেন।  ইসলামী শরিয়া সম্পর্কে আপনার কোনো জ্ঞান নেই –কিন্তু ফালতু মন্তব্য করেন।
       
      সর্বাঙ্গীণভাবে ইসলাম সম্পর্কে আপনার কোনো জ্ঞান নেই, তাই এটাকে আপনি ব্যক্তিগত বিষয় হিসেবে মনে করেছেন। ইসলাম ও  বিজ্ঞানের সাথে ইসলামের সম্পর্ক যে কি, সে বিষয়ে স্পষ্ট ধারণা নেই। আপনি ধরে নিয়েছেন যে ইসলাম প্রতিষ্ঠিত হলে যোগাযোগ ব্যবস্থা বন্ধ হয়ে যাবে, ইসলামী শারিয়া জ্ঞান-বিজ্ঞানের দরজায় তালা মেরে দেবে। আপনার এসব ধারণা অত্যন্ত সেকেলে, অনভিজ্ঞ ও ফালতু।
       
      আপনি মাদ্রাসা সম্পর্কে prejudice নিয়ে বাস করছেন। আপনার ধ্যান-ধারণা হীনমন্য, অলীক ও অসত্য। আপনার এইসব ধ্যান-ধারণা ও মন্তব্য একটি সুস্থ সমাজের অনুকূল নয়। আমি অনুরোধ করবো আপনি পড়াশুনা করেন এবং অপর সম্প্রদায়, সভ্যতা, ধর্ম ও ধর্মীয় বিষয়ে শ্রদ্ধা দেখাতে শিখুন। এতটুকু করতে পারলেই সমাজের খানিক উপকার করতে পারবেন।
       
      ভাল থাকুন। সুস্থ থাকুন।

      1. 5.4.1
        ফুয়াদ দীনহীন

        @এম আহমদ,
         
        আহমদ ভাই, জটিল বলেছেন, মন্তব্যটা পোস্ট হবার যোগ্যতা রাখে,enlightened

         মদিনার সনদ আলোচনা করা কী “পিছনের” দিকে ধাবিত হওয়া? এই সনদ কি আপনি পড়েছেন? একটু কষ্ট করে আবার পড়েন। তারপর বলেন, এই কন্ট্রাক্ট পিছনে নিয়ে যায় কীভাবে? পিছনের ভাল বস্তু কী ছোড়ে ফেলা হবে শুধু তা পিছনের বলে? “পিছনের” ব্যাখ্যা কি? কোন কালের বস্তু “পিছন” বলে আর গ্রহণ করা যাবে না? Time-line কে কীসের ভিত্তিতে এবং কোন কোন বৈশিষ্ট্যে সীমা নির্ধারণ করে এই কাজ করা হবে? এই প্রশ্নগুলোর উত্তর দিতে হবে আপনাকে। গাণিতিক, বৈজ্ঞানিক, দার্শনিক, ধর্মীয়, সামাজিক অনেক জ্ঞান ৩/৪ হাজার বছর থেকে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অংশে ক্রমবর্ধিত হয়ে আসছে। কালের কোন স্থানে এসে যাকিছু ভাল তাও বর্জিত হবে? সেই বর্জনীয় “পিছন” কোনটি? কোন মহাবিদ্যালয়ের পণ্ডিত হয়ে এখানে জ্ঞানের নুড়ি বিতরণ করছেন, আর জিজ্ঞেস করছেন, আমরা কোন শতাব্দীতে আছি; আর এই সূত্র ধরে শুরু করেছেন ফালতু বয়ান।    -এম আহমদ

        yesyes

      2. 5.4.2
        মুনিম সিদ্দিকী

        এদের এই জ্ঞানের দীনতা তাঁদের চেষ্টা সাধনায় অর্জন নয়। এই গুলো হচ্ছে ব্রেইন ওয়াসের ফল। আমার এক বন্ধু শিশু বেলা থেকেই খেলাঘর নামক বাম পন্থিদের শিশু সংগঠনে জড়িত ছিল। এরপর উদিচির সাথে জড়িত থাকে। এই বয়সেই তাঁর মনে মধ্যে সন্দেহ এবং মানবতাবাদী চিন্তা চেতনা যা তাকে ধর্মের প্রতি নেতিবাচক ধারণা প্রবেশ করিয়ে দেবার প্রাথমিক পাঠ দেয়া হয়। কিন্তু একই সাথে আবার সকালে মক্তবে গিয়ে কোরআন শিক্ষা নিয়েছিল। এবং ধর্মীয় অনুষ্ঠানাদিতে যোগ দিত। কিন্তু যখন স্থানীয় কলেজে পড়াশুনা শেষ করে ঢাকা ভার্সিটিতে এল উচ্চ শিক্ষা নিতে তখন থেকেই তাঁর মন মানসে পরিবর্তন লক্ষ্য করি। কারণ তাঁর প্রিয় শিক্ষকদের মধ্যে একজন ছিলেন আহমদের শরীফ। যখন মফস্বল থেকে ছাত্ররা উচ্চ শিক্ষার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের মত প্রতিষথানে আসে তখন সেখানের স্যারদেরকে তাঁরা পীরের চেয়ে বেশি সম্মান করে। তাঁরা যা বলে সে সবকে ধর্মীয় বিশ্বাসের মত বিশ্বাস করে। আমার এই ফ্রেন্ড এখন পুরো নাস্তিক। সে উন্নত বিশ্বে সেই ১৯৯০ সাল থেকে অবস্থান করে আসছে। এত বছরে যদি একবার দেশ মাটি কিছু দেখতে আসেনি, জানিনা সে এদেশের মানুষ জনদের জন্য কিছু করেছে কিনা। কিন্তু ইদানিং শাহবাগের আন্দোলন তাকে অনুপ্রাণিত করেছে। বিদেশে বসে এই আন্দোলনকে এগিয়ে নিয়ে যাবার জন্য রাতদিন পরিশ্রম করে যাচ্ছে। তারও মুল্যায়ন আমরা অন্ধকারে ছিলাম। ২৫শে মার্চ আমাদেরকে আলোর পথে নিয়ে এসেছে। কাজেই ২৫শে মার্চের চেতনাকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে এবং তা করতে সম্ভব হবে এই শাহবাগের প্রজন্মের চেতনা দিয়ে।
         

      3. এম_আহমদ

         
        এই মাত্র আমাদের সময়ে একটি শিরোনাম লক্ষ্য করলাম, ‘১৩ দফা মানলে দেশ ১৩ শো বছর পিছিয়ে যাবে -মেনন।’ আজকের পরিস্থিতি এমন প্রবক্তাদের নাকে-মুখে চড়-থাপ্পড় দাবী করে, কিন্তু কেউ যেন এটা না করতে যায়। কেননা সন্ত্রাসীরা প্রথমে সন্ত্রাস করে তারপর কেউ তাদের মোকাবেলা করতে গেলে কান্নায় চিৎকার করে ওঠে, ‘মা গো, বাবা গো, মেরে ফেললো গো, এগুলো কি ইসলামী কাজ করছে গো, এগুলো কি কোরানের শিক্ষা গো!’ অথচ এই মূর্খরা যদি কোরান পড়া শিখে এসে পড়ত তবে দেখত পালটা থাপ্পড় দেয়ার অনুমোদন কোরানে আছে। আজ মূর্খরা আলেমদের ভুল ধরতে শুরু করেছে! আদব চলে গিয়েছে! বেয়াদবরা তাদের 'ঐতিহ্যগতভাবেই’ বেয়াদব, ঈমানশুন্য নাদান। সেদিন সাদাত ভাইকে একটি অপূর্ব শব্দ চালু করতে দেখেছি, ‘বাক-সন্ত্রাস’।.এই মেননের আদর্শ ঐতিহ্যের  লোকজন যা বলে যাচ্ছে তা বাক-সন্ত্রাস। আজকে মুসলমানদের জন্য সবরের দোয়া করুন।

      4. এম_আহমদ

        আবার একথা ভুললে চলবে না, মদিনার সন্দ দেশ পরিচালনার কিছু নয়। পরিচালনার বিষয়বস্তু হচ্ছে কোরান ও সুন্নাহ। এই নীতিতে প্রতিষ্ঠিত দেশে অপরাপর জাতি-গোষ্ঠীর সাথে রাষ্ট্রীয় সম্পর্ক গড়ার ক্ষেত্রে মদিনার সনদ প্রসঙ্গ হয়ে আসতে পারে। 

  7. 4
    ফুয়াদ দীনহীন

    @শ্রমিক,
    সত্যিকথা বলতে আপনার মন্তব্যে অনেক বাস্তবতা আছে। মন্তব্যের পাঠ উদ্ধার করা একটু কষ্ট সাধ্য। 
    কে কি উদ্দোশ্যে কি করছে সে দিকে নজর না দিয়ে আমি বাস্তবতার আলোচনা করছি।
    মন্তব্যের জন্য, ধন্যবাদ।

  8. 3
    শ্রমিক

    আমরা মুসলিমরাই আজ বিভক্ত নানান উপদলে। এমন অবস্থা যে আওয়ামী লীগ বিএনপি সহ মায় বামদলগুলোও ইসলামের প্রচারক সেজে উল্টাপালটা যা ইচ্ছা তা-ই বকে যাচ্ছে। সত্য জানার পরেও অনেকে দল এবং ব্যাক্তির প্রতি অন্ধ ভক্তির কারনে ইসলাম বিরুদ্ধ কথাকেও সমর্থন করে ফেলছে। যেমন: প্রমাণিত অনেক নাস্তিককে নাস্তিক বলার পরে কথিত কিছু নামধারী মুসলিমদের(যার ঐসব নাস্তিকদের প্রতি সহানুভুতিশীল) কাছে আমার ইসলাম প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে গেল। আমার নামাজ, ফরজ সব কিছু সন্দেহের আওতায় চলে আসলো, অথচ আল্লাহ রাব্বুল আলামিন এবং রাসূল (সা:) এর বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে কুৎসা রটনা কারীরা হয়ে গেল মুসলিম!
    হাসিনা এখন উভয় দিক ম্যানেজ করে নির্বাচনী বৈতরনী পার হবার চেষ্টা করছে। যেমনটা করছে খালেদা জিয়া নিজে-ও। লুটপাটকারী, মিথ্যা রটনাকারীরা কখনো ইসলামের ভালোর জন্য কাজ করে না বরং ইসলামকে ব্যবহার করে নিজেদের স্বার্থসিদ্ধির জন্য।

  9. 2
    এম_আহমদ

     
    ফুয়াদ ভাই, আপনাদের হাসিনা আপার মুখে যা আসে তাই বয়ান করে ফেলেন। মদিনার সনদ ছিল একটি প্রাথমিক কন্ট্রাক্ট। এমন ধরণের কন্ট্রাক্ট হয় সাধারণত সম-পর্যায়ের স্বাধীন গোত্র বা দুইটি স্বাধীন দেশের মধ্যে। সরকার এখন কাদের সাথে কন্ট্রাক্ট করবে?  মদিনার কন্ট্রাক্টে অমুসলিম গোত্রগুলো তাদের নিজেদের আইন অ বিধান মোতাবেক চলার অধিকারে ছিল। বর্তমানে মুসলমান, খৃষ্টীয়ান, হিন্দু এবং উপজাতির লোকজন কি নিজেরদের মত স্বাধীন হয়ে চলতে পারবে? এসব কথা জাতির গঠনতান্ত্রিক নিয়মে কী হুমকি আনছে তা কী বিবেচনা করা হচ্ছে? তাছাড়া বর্তমান গঠনতন্ত্র যেভাবে আছে সেভাবে রেখে এসব কথার কী মূল্য? অধিকন্তু এই কন্ট্রাক্ট তো মদিনার রাষ্ট্রীয় কোনো ‘বিধান’ ছিল না, বিধান ছিল কোরান। এখন হাসিনা কি গঠনতান্ত্রিক পরিবর্তন এনে কোরানের বিধান-মত দেশ পরিচালনা করবেন এবং সাথে সাথে মদিনার সনদের import-গুলো বিভিন্ন ধর্মীয় ও উপজাতীয় গোত্রের ক্ষেত্রে প্রয়োগ করবেন? আজকে যে ‘বিচার’ নিয়ে হাঙ্গামা হচ্ছে সেই বিচারের ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট পরিবারদেরকে কী জিজ্ঞেস করবেন যা তারা কি রক্তপন চায়, না আদালতি বিচার চায়। হাসিনা যা বলেছেন তা কমেডি। তিনি একই সাথে বলছেন মদিনার সনদ মোতাবেক দেশ চলবে, অথচ একই মিটিংগে  নির্বাচনী নিয়ম নীতি খুঁজছেন ইংল্যান্ড, আমেরিকা ও মালেশিয়ায়!   http://www.amadershomoy2.com/content/2013/04/14/news0993.htm

    1. 2.1
      ফুয়াদ দীনহীন

      @এম আহমদ,
       
      এম আহমদ ভাই,
      প্রধানমন্ত্রী হিসাবে উনার বক্তব্যের গুরুত্ব আছে। মদিনার সনদের কথা তিনি বলেছেন, সেজন্য সনদ কিভাবে ব্যাবহার বা প্রয়োগ করা যায়, সে জন্যই আমার এই পোস্ট। মদিনা্র সনদ প্রাথমিক কট্রাক্ট হলেও এর কোন ধারা বা ধারা থেকে আগত জ্ঞান বর্তমানের কোন সমস্যা সমাধান করতে পারলে, তা অবশ্যই ব্যাবহার করা যায়।
       
      মন্তব্যের জন্য, ধন্যবাদ।

  10. 1
    ফকির বাবা

    ভাই মদিনা সনদ তৈরী করা হয়েছিল যখন নবি দুর্বল ছিলেন। সবে মাত্র তিনি মদিনাতে হিজরত করেছেন ও তখনো মদিনার সবাই ইসলাম গ্রহন করে নি। ও  সকল মদিনাবাসী তখনও তার শাসনে আসে নি। আশপাশে অনেক ইহুদি খৃষ্টান ছিল।নিজেকে নতুন নবি দাবী করাতে ইহুদিদের কাছ থেকে আদর্শিক বাধা ছিল। নবি চেয়েছিলেন আপাত: একটা শান্তির বাতাবরন সৃষ্টি করে নিজের ক্ষমতাকে কুক্ষিগত ও শক্তিশালি করতে। আর তাই এই মদিনা সনদের আমদানী। যখন তিনি মদিনার সর্বেসর্বা ক্ষমতাশালী হলেন , তখন নানা কায়দায় এ সনদ বাতিল করে দিলেন ও একের পর এক ইহুদি বসতিতে হামলা করে তাদেরকে হয় নিশ্চিহ্ন করে দিলেন অথবা উচ্ছেদ করে দিলেন। আর এর পরই চুড়ান্ত বিধান আসল সুরা আত তাওবায় যেখানে এসব সনদ এর কোন বিধান নেই এবং এটাই ছিল ইসলামের সর্বশেষ বিধান- আর এ বিধান বলে একটা ইসলামি দেশে সবাইকে মুসলমান হতে হবে , না হলে অমুসিলমদেরকে জিজিয়া কর প্রদানপূর্বক সীমিত মর্যাদা নিয়ে বাস করতে হবে। তাদের কোন ভোটাধিকার থাকবে না , থাকবে না একজন মুসলমানের মত সমান মর্যাদা।  বাংলাদেশের শতকরা ৯০% এরও বেশী মানুষ মুসলমান কিন্তু তারা অধিকাংশই ইসলামের প্রকৃত ইতিহাস জানে না, জানে না ইসলামের শেষ বিধান কি । আর তাই বর্তমানে তাদের সামনে নবির এক সময়কার বাতিল বিধান মদিনার সনদ দেখানো হচ্ছে। এটা কি জনগনের সাথে তো বটেই খোদ ইসলাম ও নবির শিক্ষার সাথে একটা মস্করা করা হচ্ছে না ?

    1. 1.1
      শামস

      @ফকির বাবা,
      আপনি প্রথাগত ইসলাম বিদ্বেষীদের মত তাদের বুলি দিয়ে যাচ্ছেন, যার প্রতিবাদ সুত্রসহ যৌক্তিকভাবে অনেকবারই করা হয়েছে। ইহুদী কিছু গোত্রের সাথে কেন তাদের প্রাপ্য আচরণ করেছেন তা এখানে পাবেন। আগে পুরো পোস্ট পড়ুন তারপর ঐ পোস্টে ট্যু দ্যা পয়েন্টে সুত্রসহ দেখান ইহুদীদের সাথে অন্যায্য আচরণ করা হয়েছিল। 'বিট অরাউন্ড দ্যা বুশ' এর মত উল্টাপাল্টা বুলি আওড়ানোটা দৃষ্টিকটূ।
      ‘বানু কুরাইযা’ প্রসঙ্গে ইসলাম বিদ্বেষীদের অপপ্রচারের জবাবে…
       

      আর তাই বর্তমানে তাদের সামনে নবির এক সময়কার বাতিল বিধান মদিনার সনদ দেখানো হচ্ছে। এটা কি জনগনের সাথে তো বটেই খোদ ইসলাম ও নবির শিক্ষার সাথে একটা মস্করা করা হচ্ছে না ?

       
      মদীনা সনদ কে কোথায় বাতিল করছে, সুত্র দিতে পারেন?

    2. 1.2
      ফুয়াদ দীনহীন

      আপনার মন্তব্য মিথ্যার ইঞ্জেনিয়ারিংয়ের মাইল ফলক। এমন ভাবে মন্তব্য করেছেন যাতে মনে হয় আপনি একজন ইসলামে বিশ্বাসী মুসলিম কিন্তু অন্য দিকে বলছেনঃ "যখন তিনি মদিনার সর্বেসর্বা ক্ষমতাশালী হলেন , তখন নানা কায়দায় এ সনদ বাতিল করে দিলেন ও একের পর এক ইহুদি বসতিতে হামলা করে তাদেরকে হয় নিশ্চিহ্ন করে দিলেন অথবা উচ্ছেদ করে দিলেন"-ফকির বাবা। মানে রাসূল সাঃ চুক্তি ভংগকারি সাজিয়ে দিচ্ছেন। কিন্তু আল কুরানের আলোকে তিনি চুক্তি করে আবার অন্যায় কৌশলে ভেংগে দিতে পারেন না, বস্তুত তিনি তা করেনও নাই।
       
      আপানার আরেকটি মিস কন্সেপশন ঠিক করেন, আল্লাহ পাকের নবী কোন অবস্থাতেই দুর্বল নন, কখনো ছিলেনও না, কখনও থাকবেনও না। বরং তারাই দুর্বল যারা উনার বিরোধিতা করে, স্রষ্টার বার্তাবাহক সব সময় সম্মানিত ও শক্তিশালি।  
       
      আপনি বলেছেনঃ"কিন্তু তারা অধিকাংশই ইসলামের প্রকৃত ইতিহাস জানে না, জানে না ইসলামের শেষ বিধান কি"-ফকির বাবা, আপনার উপরের কথাগুলির ব্যাপারে স্ট্যাটিসটিক্স জানতে চাইছিলাম মানে কোথা থেকে এই তত্য পেলেন। কারাই বা এই হিসাব করেছে ? 

Leave a Reply