«

»

অক্টো. ২২

ডাঃ জাকির নায়েক এর বিরুদ্ধে অভিযোগ এর জবাবে

এই একটি মানুষ অনেক মানুষের চক্ষুশুল, তার বিরুদ্ধে কত অভিযোগ। এসব অভিযোগের জবাবে বই বাংলায়:

সংক্ষিপ্ত বর্ণনা: ডাঃ জাকির নায়েক মুসলিম বিশ্বের একজন প্রখ্যাত দায়ী। বিশেষ করে যখন আধুনিক শিক্ষিত নাস্তিক-মুরতাদ ও বিধর্মী আলেমগণ ইসলামের বিরুদ্ধে নানান প্রশ্ন ও ভিত্তিহীন অভিযোগ দ্বার করিয়েছিল, সেই মুহুর্তে প্রয়োজন ছিল তাদের মতই শিক্ষায় শিক্ষিত একজন সম্ভ্রান্ত ব্যক্তি। এতোদিন ডাঃ জাকির নায়েক শুধু আলোচনার বিষয় থাকলেও এখন আলোচনার পাশাপাশি সমালোচনার বিষয়ও বটে। তাঁর বিরুদ্ধে বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় বিভিন্ন ধরণের অসত্য এবং ভিত্তিহীন সমালোচনা করা হচ্ছে। মুসলিম উম্মাহর এই করুণ সময়ে আমাদের কী করণীয় এবং ডাঃ জাকির নায়েকের সমালোচনার জবাবে এই প্রথম বই “ডাঃ জাকির নায়েক এবং আমরা” বইটি প্রকাশ করা হল। শত সহস্র ফিতনা ফাসাদের সময়ে যদি কেউ সত্যের ওপর থাকেন, সত্য কথা বলেন তাহলে তো তাঁর বিরোধিতা হবেই। (কুরানের আলো)

বইটি পিডিএফ ফাইলে পড়তে ক্লিক করেন

৪০ মন্তব্য

এক লাফে মন্তব্যের ঘরে

  1. সরোয়ার

    একটা মহতি উদ্যোগ। ঈর্ষান্বিত হয়ে অনেকে অপ-প্রচারে লিপ্ত হয়। ফুয়াদ ভাইকে ধন্যবাদ।

    1. ২.১
      ফুয়াদ দীনহীন

      @সরোয়ার:

      You welcome.

  2. আব্দুস সামাদ

    ইসলাম বানিজ্যে যে সমস্ত আলেমদের ভাত ভিক্ষে, জাকির নয়েক তাদের সেই ব্যবসায় ভাঁটা এনে দিয়েছে। তারাই জাকির নায়েককে সহ্য করতে পারেনা।আর কিছু আলেম আছে যারা তোষামোদ পাওয়ার কারণে, নিজেকে সর্ব বিখ্যাত মনে করে, তারাও জাকির নায়েকের বিশ্ব জোড়া খ্যাতিতে ঈর্ষান্বিত।
    আল্লাহ যুগে যুগে কিছু স্পেশাল বান্দা পাঠান তার দ্বীনকে সামনে নিতে। আমি মনে করি জাকির নায়েক তাদেরই একজন।তাঁর গুরু মরহুম জনাব আহমেদ দিদাত তাঁকে উদ্দেশ্য করে বলেছেন,’আমি চল্লিশ বছরে যা করেছি, তুমি এক বছরেই তা করেছ বৎস’। একটা অসাধারণ প্রতিভা আল্লাহ তাকে দিয়েছেন, এটা তার শত্রুকেও মানতে হবে। ধন্যবাদ ফুয়াদ ভাই।

    1. ৩.১
      জব্বার খান

      @আব্দুস সামাদ: শতভাগ সহমত। অসাধারন বলেছেন। ফুয়াদ ভাইকে শেয়ার করার জন্য অনেক ধন্যবাদ।

  3. অনুসন্ধিৎসু

    আমার কিছু প্রশ্ন ছিল-

    ১। আমারব্লগ ও মুক্তমনা ব্লগে সব সময় ইসলামকে জড়িয়ে মুসলিম অধ্যুষিত দেশের বিরুদ্ধে ঘৃনা-বিদ্বেষ ও অপপ্রচারমূলক লেখা স্টিকি করতে দেখা যায়। কিন্তু হিন্দু/সনাতন ধর্মকে জড়িয়ে হিন্দু অধ্যুষিত ভারতের বিরুদ্ধে কখনো ঘৃনা-বিদ্বেষ ও অপপ্রচারমূলক লেখা স্টিকি করা হয়নি কেন? এই দুটি ব্লগ তা’হলে কারা পরিচালনা করে?

    ২। ব্লগার আদিল মামুদ কোন মাদ্রাসা থেকে পাশ করে ইসলাম ও শারিয়া আইনের এক্সপার্ট হয়েছে? সে কি ইসলামে বিশ্বাসী মুসলমান? ইসলাম ও মুসলমান বিদ্বেষীদের কাছে সে এত জনপ্রিয় কেন। সে কখনো হিন্দু, হিন্দুত্ববাদী ভারত, হিন্দু ধর্মের বিরুদ্ধে অপপ্রচারমূলক লেখা পোস্ট করার সাহস পায় না কেন? তার মন-মগজ তা’হলে কারা নিয়ন্ত্রন করে?

    1. ৪.১
      বুড়ো শালিক

      @অনুসন্ধিৎসু: আদিল মাহমুদ সংক্রান্ত প্রশ্নটা তাকে করলেই মনে হয় ভালো হতো।
      প্রথম প্রশ্নটা যে আপনার মনে এসেছে, এটাই হয়তো আপনাকে উত্তরের অনেক কাছাকাছি নিয়ে যাবে! 🙂

  4. শামস

    জাকির নায়েকের ভুলভ্রান্তি থাকতেই পারে। মিডিয়া ও কিছু ইসলাম-বিদ্বেষীর কারণে কোনঠাসা মুসলিমদের মধ্যে আত্নবিশ্বাস ফিরিয়ে আনতে তার অবদান অসামান্য। ইসলাম-বিদ্বেষীদেরকে সে ধরে ধরে আছাড় দেয়। পিছনে তারা হাতি-ঘোড়া মাইড়া ফেলবে কিন্তু জাকির নায়েকের সামনে দাড়াইয়া বাতচিতের সাহস করবে না! তাদের এই কচ্ছপের স্বভাব তাদেরকে আরো ন্যাংটা করে।

    1. ৫.১
      আব্দুস সামাদ

      @শামস:
      দারুণ বলেছেন। একমত।

  5. মহিউদ্দিন

    এ কথা ঠিক জাকির নায়েকের ভুলভ্রান্তি থাকতেই পারে। কিন্তু তিনি ইসলামের যে ভাবে খেদমত করে যাচ্ছেন সফলতার সহিত তার ধারে কাছেও যেতে পারছেননা আমাদের ফেকরাবাজী ভারতীয় হুজুররা তাদের বাক্সবন্ধী মানষিকতা ও অযোগ্যতার জন্য।
    তাই তারা ঈর্ষান্বিত হয়েই ওনার বিরোদ্ধে বিভ্রান্ত ছড়াচ্ছেন।

  6. আবদুস সবুর

    ডা. জাকির নায়েক বর্তমান বিশ্বের একজন নামকরা স্কলার। যারা না যে তার নামে আলতু ফালতু কথা বলে তাদের উচিত সরাসরি কোন কথা না বলে গঠনমূলক সমালোচনা করা।

    বর্তমান বাংলাদেশের আহলে হাদীস দলের মুখপাত্র “মাসিক আততাহরীক”।

    এখানে আত তাহরিক …

    “বর্ণনা মুসলিমেও আছে বলে উল্লেখ করেছেন। মূলত: মুসলিমেও নেই”

    এই কথা বলার দ্বারা

    ডা. জাকির নায়েকের নামে হাদীসের নামে মিথ্যাচারের দাবি করেছে।

    আশা করি তাদের কথার জবাব দিবেন।

    ক্লিক . .. 

    http://sphotos-f.ak.fbcdn.net/hphotos-ak-ash3/542038_221825397952974_31306185_n.jpg

  7. আবদুস সবুর

     
    (এই মন্তব্যটি একজন ভাইকে দেয়া আমার কিছু প্রশ্নের উত্তর। কপি-পেষ্ট করলাম)

    কিছু ভাইকে দেখা যাচ্ছে ড. জাকির নায়েকের অন্ধ অনুসরন করছেন। তাদের কথাবার্তা শুনলে মনে হচ্ছে ড. জাকির নায়েক সকল ভুল-ক্রটির উদ্ধে এবং যেই তার বিরুদ্ধে কথা বলবে সেই মাযার পুজারি, কবর পুজারি।

    আমিও তার ভক্ত তবে তার ভুল হলে সেটাও মেনে নেব এরকম ভক্ত নই। আমাদের কারো উচিত নয় কারো প্রতি এত অন্ধ ভক্তি রাখা যেন তিনি সকল ভুল-ক্রটির উদ্ধে।

    ড. জাকির নায়িক সম্পর্কে শরীয়া ইনষ্টিটউট আমেরিকা’র ফাতওয়া………….

    http://central-mosque.com/index.php/society/avoiding-dr-zakir-naik-in-matters-of-fiqh.html

    গীবত এক জিনিস এবং মানুষকে সত্য জানানো আরেক জিনিষ।

    আজ যদি আপনি সাধারন মানুষকে কাদিয়ানি সম্পর্কে জানান বা যখন ওলামারা যখন কাদিয়ানি সম্পর্কে মানুষকে জানিয়েছে তখন কি তাদের গীবত হয়েছিল ???

    ওলামাদের কাজ হল দ্বীনের ব্যাপারে মানুষকে সঠিকটি জানিয়ে মানুষের ইমান ও আমল হেফাজত করা।

    এবং বর্তমান আলেমরা নিজে থেকে তার সম্পর্কে কিছু বলেন নি,
    বরং তারা ঐ সময় তার সম্পর্কে বলতে বাধ্য হয়েছেন যখন তাদেরকে সাধারন মানুষ ওনার বিভিন্ন কথা সম্পর্কে প্রশ্ন করতে থাকে…………

    দেখুন……….

    http://jamiatulasad.com/?p=894 

    ইয়েমেনে প্রসিদ্ধ ইসলামী মারকায দারুল হাদীস দাম্মাজ ইয়েমেন-এর পক্ষ থেকে উক্ত মারকাযের প্রধান মুফতী শাইখ ইয়াহইয়া ইবনে আলী আবু আবদুর রহমান আল-হাজুরী দলীল প্রমাণসহ বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরে সুদীর্ঘ ফাতওয়া প্রকাশ করেছেন।

    http://www.youtube.com/watch?v=Bi2NKn9BplM

    http://www.youtube.com/watch?v=UfHGW1oEUvE
     
    http://www.youtube.com /watch?v=TWYjUTFscZA

    এছাড়া উক্ত ফতওয়া উর্দু অনুবাদ ইন্টারনেটে প্রকাশ করা হয়েছে।

    http://www.deoband.net/uploads/2/1/0/4/2104435/drzakirnaik2.pdf

    ড. জাকির নায়িক সম্পর্কে সালাফীদের বক্তব্য……..

    http://www.salafitalk.net/st/viewmessages.cfm?Forum=9&Topic=5611

    this is zakir naik's son, performing a rap song, written by zakir naik's WIFE ……

    http://www.youtube.com/watch?v=HHiVBoAPhNg&feature=player_embedded
     
     

    1. ৮.১
      মহাবিদ্রোহী রণক্লান্ত

      পারবেনই তো শুধু ওলামায়ে দেওবন্দের ফতোয়া হাজির করতে।এই ওলামায়ে দেওবন্দ ফালতু ফতোয়াবাজি ছাড়া ইসলামের জন্য কি কি করেছে তার লিস্ট দেন দেখি।মুসলমানদের বিরুদ্ধে যখন সর্বব্যাপী যুদ্ধ চলছে আর ডাঃ জাকিরের মত কিছু লোক যখন সর্বান্তকরণে তার সমুচিৎ জবাব দেয়ার চেষ্টা করছে,তখন এই গর্তবাসী আর হিন্দুদের পা চেটে চলা ওলামায়ে দেওবন্দ এই মুজাহিদদের "গোমরাহ" বলে ফতোয়া দিচ্ছে।এই ওলামায়ে দেওবন্দ ব্রিটিশ আমলে কি করেছে আর এখন কি করছে,সেগুলো ইতিহাসের পাতায় লেখা আছে।হিন্দুদের অনুভূতিতে আঘাত লাগবে,এই অজুহাতে ইন্ডিয়ায় গরু জবাই নিষিদ্ধ করার ফতোয়া পর্যন্ত দিয়েছে এরা।
       
      জাকির নায়েকও মানুষ,তার ভুলভ্রান্তি থাকাটাই স্বাভাবিক।সেগুলো শুধরে না দিয়ে সরাসরি তাকে গোমরাহ বলে ফতোয়া দেয়াটা কোনো আলেমের কাজ হতে পারে না,ফাযায়েলে আমাল পড়ে নিজেদের সর্বেসর্বা ভাবা অপদার্থরা ছাড়া।দেওবন্দী আলেমদের(!) দৌড় ফতোয়াবাজী পর্যন্তই,জাকির নায়েকের মত boldly ইসলামের সমালোচনার জবাব এই মাথামোটাদের পক্ষে দেয়া সম্ভব না।
       
      [আমার কথায় মনে কষ্ট পেলে দুঃখিত,কিন্তু দেওবন্দী আলেমদের কার্যকলাপ সহ্যের সীমা ছাড়িয়ে যাচ্ছে আসলেই।]

      1. ৮.১.১
        আহমেদ শরীফ

        জাকির নায়েকও মানুষ,তার ভুলভ্রান্তি থাকাটাই স্বাভাবিক।সেগুলো শুধরে না দিয়ে সরাসরি তাকে গোমরাহ বলে ফতোয়া দেয়াটা কোনো আলেমের কাজ হতে পারে না

         
        'ফতওয়া' দেয়ার অধিকার ওলামায়ে কেরামদেরই আছে যেমন অথোরাইজড প্রেসক্রিপশন পাশ করা ডাক্তার ছাড়া দিতে পারেন না। 'গোমরাহ' ফতওয়া দিয়ে থাকলেও অন্ততঃ কাফির বা মুরতাদ বলে তো আর ফতওয়া দেননি। গোমরাহ মানে পথের দিশা হারিয়েছে, তাকে পথের দিশা ওলামায়ে কেরাম ছাড়া আর কে দেখাবেন ?
         
        আপনি হয়তো খেয়াল করেননি আবদুস সবুর ভাই ঠিক আগের কমেন্টটিতে কি বলেছেন _

        আমিও তার ভক্ত তবে তার ভুল হলে সেটাও মেনে নেব এরকম ভক্ত নই। আমাদের কারো উচিত নয় কারো প্রতি এত অন্ধ ভক্তি রাখা যেন তিনি সকল ভুল-ক্রটির উদ্ধে।

        আপনি কি জানেন কিছুদিন আগে ফেসবুকের একটি পেজে জাকির নাইকের কিছু অতি উৎসাহী অন্ধ ভক্ত জাকিরকে নবী(নাউজুবিল্লাহ) দাবি করেছিল ? গণহারে রিপোর্টের কারণে দ্রুতই পেজটি বন্ধ হয়ে যায়।

        শোধরানোর জন্যেই ভুলগুলো দেখিয়ে দেয়া হয়েছে, সেজন্যে জাকিরভক্তদের যারা প্রকৃতপক্ষে ইসলাম ও আল্লাহপ্রেমিক তাদের উচিত ফতওয়াগুলো মনোযোগের সাথে পড়ে দেখা।
         

      2. মহাবিদ্রোহী রণক্লান্ত

        ফেসবুকে কেউ জাকির নায়েককে নবী দাবি করেছে কি না,আমার জানা নেই।তবে করে থাকলে তারা তো কাফের।তবে আমার এই ধরনের একটা ঘটনাও জানা আছে যে মাওলানা থানভীকে তাঁর এক ভক্ত নাকি চিঠিতে "লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ,আশরাফ আলী রাসুলুল্লাহ" লিখে পাঠিয়েছিল আর উনি নাকি খুশিতে গদগদ হয়ে গিয়েছিলেন।

      3. আবদুস সবুর

        পোষ্টের মূল বিষয় থেকে মানুষের দৃষ্টি অন্যদিকে সরিয়ে দেয়ার লক্ষে আপনার কমেন্টগুলো খুবই কার্যকর।

        তবে হাদীসে এসেছে,
        হযরত আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্‌ সাল্লাল্লাহুআলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন,
        "কোন মানুষ মিথ্যাবাদী হবার জন্য এতটুকুই যথেষ্ট যে, সে যা শোনে (সত্য-মিথ্যার যাচাই ছাড়াই) সবই বর্ণনা করে"
        (সহীহ মুসলিম, হাদীস নম্বর ০৫ ।
        সুনানে আবু দাঊদ, হাদীস নম্বর ৪৯৮২)

        আরো এসেছে,
        রাসূল স. এরশাদ করেছেন,
        ওহে সে সম্প্রদায় যারা মুখরোচক ইসলাম গ্রহন করেছে অথচ ঈমান তাদের অন্তরে প্রবেশ করেনি। তোমরা মুসলানদের কষ্ট দিও না, তাদের লজ্জা দিও না, তাদের দোষ-ক্রুটি খুঁজে বের করো না, কেননা যে ব্যক্তি তার মুসলিম ভাইয়ের দোষ ক্রুটি অনুসন্ধান করে আল্লাহ তার দোষ ক্রুটি অনুসন্ধান করবেন। আল্লাহ যার দোষ-ক্রুটি অনুসন্ধান করে বের করে তাকে লাঞ্ছিত করবেন যদিও সে তার ঘরের ভিতরে থাকে। (তিরমিযি)

        >>>>>>>
        আপনি হযরত আশরাফ আলী থানভী রহ.-সম্পর্কে যে মিথ্যাচার করলেন তার জন্য হাশরের মাঠে কি জবাব দিবেন তার উত্তর এখনই রেডি করে রাখুন।

        আল্লাহ কি বিচারকদের মধ্যে শ্রেষ্টতম বিচারক নন? (At-Tin: 8) 

        জবাব এখানে দেখুন . . .

        http://jamiatulasad.com/?p=1429 

         
         

      4. ৮.১.২
        আবদুস সবুর

        ওখানে আহলে হাদীস, সালাফীসহ আরো অনেক আলেমের ফতোয়া দিলাম। সেগুলো ব্যাপারে মুখে কুলুপ আটলেন কেন ???

        আলেমদের কাজ হল সত্য সম্পর্কে মানুষকে জানানো। 

        তাতে হওতো আপনি অখুশি হতে পারেন, তবে ইসলামের দাবি এটাই।

        আর কেহ ভুল করলেই তিনি ভ্রান্ত- এ কথা মনে করা যেমন ভুল

        তেমনি কারো ভুল ধরে মানুষকে সতর্কও করা যাবে না তাও মনে করা ভুল।

        >>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>

        রসুলুল্লাহ (সঃ) বলেছেন, 

        حبك الشيء يعمي ويصم 
        [ কোনো জিনিসের প্রতি ভালবাসা তোমাকে অন্ধ ও বধির করে দেয়। ] 

        { আবু দাউদ, মিশকাত } 

        হাফিজ যায়নুদ্দীন আল ইরাকী বলেন, 

        يَعْمَى عَنْ عُيُوبِ الْمَحْبُوبِ 
        [ যে যাকে ভালবাসে তার দোষ ত্রুটি তার চোখে বাধে না। ] 
        { আওনুল মা’বুদ }

        এই শ্রেনীর লোকদের উদ্যেশে আল্লাহ (সুবঃ) বলেন, 

        {اتَّخَذُوا أَحْبَارَهُمْ وَرُهْبَانَهُمْ أَرْبَابًا مِنْ دُونِ اللَّهِ} [التوبة: ] 
        তারা তাদের পন্ডিত ও সন্নাসীদের রব হিসাবে গ্রহন করেছে। 
        { সূরা তাওবা/৩১ } 

        আমার মনে হয় নেককার মুসলিমদের এই স্বভাব পরিত্যাগ করা উচিত। 

        তবে কেউ কেউ আমার সাথে দ্বীমতও করতে পারেন। 

        আশ্চর্য যে, এই বিষয়েও কেউ কেউ দ্বীমত করবেন!

  8. আহমেদ শরীফ

    তুলনামূলক ধর্ম তত্ত্বের উপর ডাঃ জাকির নায়েক একজন অতুলনীয় ব্যক্তিত্ব। এই বিষয়ে তার অতুলনীয় খেদমত মুসলমানদের একটি বড় অর্জন। একটা সময় ছিল যখন ডাঃ জাকির নায়েকের তুলনামূলক ধর্ম তত্ত্বের উপর লেকচারগুলো অনেকেই মুগ্ধ হয়ে শুনেছেন। তার পক্ষে অন্যদের সাথে অনেকে বিতর্কও করেছেন। বিভিন্ন ধর্মের উপর ডাঃ জাকির নায়েকের সেই আলোচনাগুলো ছিল এক কথায় অসাধারন। এবং এই বিষয়ে তিনি ইসলামের যে খেদমত করেছেন, মুসলিম উম্মাহ তা স্বরন রাখবে অনেক বছর।

    কিন্তু দুঃখ জনক বিষয় হলো ডাঃ জাকির নায়েক তার দাওয়াতের ক্ষেত্র, সীমা ও পরিমন্ডল অতিক্রম করেছেন। তিনি একজন দাঈ, কিন্তু তিনি মুফতি, মুহাদ্দিস বা মুফাসসির নন। যখন থেকে তিনি তার জ্ঞানের সীমা ও পরিধি অতিক্রম করেছেন তখন থেকেই তার কাছ থেকে অনেক অনাকাঙ্খিত ও ভুল বিষয় প্রকাশ পেতে শুরু করেছে। মাসআলা মাসায়েল বা ফতোয়া প্রদানের যোগ্যতা অর্জন না করে তার জন্য এই পথে অগ্রসর হওয়াটা কখনোই যৌক্তিক হতে পারেনা। প্রকৃত পক্ষে তিনি মাসআলা প্রদান ও ফিক্বহী সমাধানের যোগ্য নন। এজন্য তিনি যে সমস্ত মাসআলা বা ফতোয়া দিয়ে থাকেন তা অধিকাংশই মূলত আহলে হাদিসদের থেকে নেয়া। বাস্তব সত্য হল, এক্ষেত্রে তিনি ও তার প্রচার মাধ্যম সালাফী বা আহলে হাদীসদের একজন অগ্রগামী প্রতিনিধি। ডাঃ জাকির নায়েকের মত একজন দাঈর পক্ষে সালাফী বা আহলে হাদিসদের পথে পা বাড়ানোর যৌক্তিকতা আমাদের কাছে অস্পষ্ট। ডাঃ জাকির নায়েক ফিকহের বিষয়ে অভিজ্ঞ না হয়ে তিনি এই বিষয়ে ফতোয়া প্রদান করায় সবচেয়ে বেশী বিতর্কিত হয়েছেন। তার এই সমস্ত ভুল মাসআলার ব্যাপারে সকলেই হয়ত অবগত। ফিকহের বিষয়ে বিভিন্ন ভুল মাসআলা দেওয়ার পাশা পাশি তিনি মাযহাব প্রসঙ্গে বিভিন্ন প্রশ্নোত্তর পর্বে বিশেষত “Unity of Muslim Ummah” শিরোনামে লেকচারে বিভিন্ন ধরনের অমূলক উক্তি করেছেন। তিনি প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে মাযহাবকে ইসলাম বহির্ভূত একটি বিষয় প্রমানে অপচেষ্টা করেছেন।

    সর্বশেষ কথা হল, বর্তমান সময়ে যারা ইসলামের হিতাকাঙ্খী রয়েছেন তাদের উচিৎ গৌন বিষয়গুলো পরিহার করে মুসলানদের অধঃপতনের মৌলিক কারনগুলো চিন্হত করা এবং সেগুলো সমাধান করার চেষ্টা করা। অধিকাংশ মানুষ যখন নামায পড়েনা তখন কে আমিন আস্তে বলল বা জোরে বলল তা নিয়ে তুলকালাম সৃষ্টি করা মেধার অপচয় বৈ কিছুই নয়। ছোটখাট যে সকল বিষয়ে মতবিরোধ রয়েছে, সে বিষয়গুলোর মান এমন যে, তা নিয়ে তর্ক বিতর্ক তো দূরের কথা অনর্থক আলোচনা করাটাও যৌক্তিক নয়।

    মুসলমানদের এই দুর্দিনে যারা ইসলাম পালনে আগ্রহী তাদেরকেও আবার এই সমস্ত গৌন বিষয়ে বিভক্ত করার চেষ্ঠা করা যে কতটা হীণ তা সহজেই অনুমেয়। । অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক, সামাজিক ও সামরিক মোটকথা সকল ক্ষেত্রেই আজ মুসলিম উম্মাহ পর্যুদস্ত। সুতরাং, সময়ের দাবী অনুযায়ী এ সমস্ত বিষয় গুলোতে তাদের উপকার করা, তাদের মাঝে নতুন নতুন মাসআলা মাসায়েল দিয়ে তাদেরকে বিভক্তি করার চেয়ে অধিকতর যৌক্তিক। অতএব, আমাদের উচিৎ হলো গৌন বিষয়গুলোকে পরিহার করে মৌলিক বিষয়গুলোতে গুরুত্ব দেয়া।

    1. ৯.১
      মহাবিদ্রোহী রণক্লান্ত

      জাকির সাহেব সালাফিদের কাছ থেকে রেফারেন্স নিলে গা জ্বলে কেন ভাইয়েরা?উনি ইসলামকে মাযহাববর্জিত একটা আদর্শ হিসেবে দেখাতে চান,এটা তো ঠিকই আছে।কারণ ইসলাম কুর্‌আন-সুন্নাহ ভিত্তিক আদর্শ,কারও মাযহাব বা মতামত সেখানে তখনই গ্রহণযোগ্য হবে যদি সেটা কুর্‌আন আর সহিহ হাদিসের সাথে সাংঘর্ষিক না হয়।ইমামরা সঠিক ইজতিহাদের জন্য দু'টো নেকি পান,আর ভুল করলেও একটা নেকি।ভুল করার জন্য আল্লাহ্‌ তাদের পাকড়াও করেন না।কিন্তু ভুলের জন্যও নেকি পাওয়ার অর্থ এই নয় যে ভুলটা সঠিকই হয়ে গেল।বরং ভুল ভুলই থাকবে আজীবন।
       
      উনার মতে মাযহাব মানাটা দোষের কিছু নয়,যদি আকীদা ঠিক থাকে।কিন্তু সহিহ হাদিস হাতে আসার পরেও যদি কেউ মাযহাবী গোঁড়ামি আঁকড়ে ধরে বসে থাকে,তাহলে সেটা তার সমস্যা।সবচেয়ে বড় কথা হল যে "মাযহাব" নামের এই জিনিসটা চার ইমামের যুগেও ছিল না,সেটা সৃষ্টি হয়েছে আরও অনেক পরে তাঁদের কিছু অতি উৎসাহী অনুসারীর কারণে।আর মাযহাব না মানাটা যদি গোমরাহীই হয়ে থাকে,তাহলে ইমাম আবু হানীফার(রাহিমাহুল্লাহ) পরের সমস্ত ইমামই গোমরাহ(নাউযুবিল্লাহ)।কারণ তারা জানতেন তাঁদের আগে ইমাম আবু হানিফা ইজতিহাদ করে গেছেন,তাই তাদের হানাফি মাযহাবের অনুসরণ করা উচিৎ ছিল।কিন্তু তাঁরা সেটা না করে উল্টো নিজেরা হাদিস সংগ্রহ করা শুরু করে মাযহাব না মানার গোমরাহীই করলেন।
       
       

      1. ৯.১.১
        আবদুস সবুর

        বুঝিনা আপনাদের সকল কথা সেই খাজ কাটা কুমিরের মত একই জিনিষ বার বার খেয়ে ফেলে কেন !?!?!?!

        আপনি বলেছেন,
        জাকির সাহেব সালাফিদের কাছ থেকে রেফারেন্স নিলে গা জ্বলে কেন ভাইয়েরা? উনি আজ পর্যন্ত সালাফীদের থেকে কোন রেফারেন্স দিয়েছেন বলে আমার জানা নাই !!!! আপনার জানা থাকলে তথ্যটি জানাবেন।

        বুঝলাম না কি দেখে কমেন্ট করলেন !!!

        আবার কমেন্টগুলো আবার করছি দেখুন . . .

        >>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>

        বর্তমান বাংলাদেশের আহলে হাদীস দলের মুখপাত্র “মাসিক আততাহরীক”।
        এখানে আত তাহরিক …
        “বর্ণনা মুসলিমেও আছে বলে উল্লেখ করেছেন। মূলত: মুসলিমেও নেই”
        এই কথা বলার দ্বারা
        ডা. জাকির নায়েকের নামে হাদীসের নামে মিথ্যাচারের দাবি করেছে।
        আশা করি তাদের কথার জবাব দিবেন।
        ক্লিক . .. 
        http://sphotos-f.ak.fbcdn.net/hphotos-ak-ash3/542038_221825397952974_31306185_n.jpg

        >>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>

        ড. জাকির নায়িক সম্পর্কে শরীয়া ইনষ্টিটউট আমেরিকা’র ফাতওয়া………….
        http://central-mosque.com/index.php/society/avoiding-dr-zakir-naik-in-matters-of-fiqh.html

        ড. জাকির নায়িক সম্পর্কে সালাফীদের বক্তব্য……..
        http://www.salafitalk.net/st/viewmessages.cfm?Forum=9&Topic=5611

        ইয়েমেনে প্রসিদ্ধ ইসলামী মারকায দারুল হাদীস দাম্মাজ ইয়েমেন-এর পক্ষ থেকে উক্ত মারকাযের প্রধান মুফতী শাইখ ইয়াহইয়া ইবনে আলী আবু আবদুর রহমান আল-হাজুরী দলীল প্রমাণসহ বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরে সুদীর্ঘ ফাতওয়া প্রকাশ করেছেন।

        http://www.youtube.com /watch?v=TWYjUTFscZA
        এছাড়া উক্ত ফতওয়া উর্দু অনুবাদ ইন্টারনেটে প্রকাশ করা হয়েছে।
        http://www.deoband.net/uploads/2/1/0/4/2104435/drzakirnaik2.pdf 

        (দেওবন্দীদের নিয়ে আপনার ব্যাপক এলার্জি লক্ষনীয়। তাই তাদের কথা আর দিলাম না। এবার এগুলো সম্পর্কে বলুন। এরা কি ভুল বলেছে ???

        দলীলসহ তারা ভুলগুলো বলেছে তা সবার সামনে তুলে ধরুন।)

      2. মহাবিদ্রোহী রণক্লান্ত

        আপনি আসলেই অন্ধ।আহমেদ শরীফ কি লিখেছেন দেখেননি?
         
        "বাস্তব সত্য হল, এক্ষেত্রে তিনি ও তার প্রচার মাধ্যম সালাফী বা আহলে হাদীসদের একজন অগ্রগামী প্রতিনিধি। ডাঃ জাকির নায়েকের মত একজন দাঈর পক্ষে সালাফী বা আহলে হাদিসদের পথে পা বাড়ানোর যৌক্তিকতা আমাদের কাছে অস্পষ্ট।"-এগুলো কি আমি লিখেছি নাকি জাকির নায়েক এসে লিখে দিয়ে গেছে?

      3. আবদুস সবুর

        আমার 7 ও 8 নং কমেন্টের পরে আপনি কমেন্ট করেছিলেন।

        সেই কমেন্টের বিপরীতে আমি কমেন্ট করেছি।

        আপনি যেহেতু আপনার পরবর্তী কমেন্টে কারো নাম উল্লেখ করেছেন তাই এটা আমি আমাকে উদ্দেশ্য করে দেয়া মনে করিছিলাম।

        যাক যদি এই ক্ষেত্রে আমি ভুল করে থাকি তবে ক্ষমাপ্রার্থী।

        কিন্তু আমার মূল কথা কিন্তু আপনি বার বার এড়িয়ে যাচ্ছেন এবং দেওবন্দীদের ফোকাসে আনার চেষ্টা করছেন। ভাবটা এমন দেওবন্দীরাই শুধু তার ভুলগুলো ধরেছে।
        (যদিও ভুল ধরার মধ্যে কি অন্যায় তা এখনও আমার বুঝে আসেনি)

        আমার এই কথার জবাব কিন্তু এখনও দেননি . . .

        >>>>>>>
        ওখানে আহলে হাদীস, সালাফীসহ আরো অনেক আলেমের ফতোয়া দিলাম। সেগুলো ব্যাপারে মুখে কুলুপ আটলেন কেন ???
         

      4. ৯.১.২
        আবদুস সবুর

        আর মাযহাব নিয়ে বললেন। খুব শিগগিরই মাযহাব নিয়ে পোষ্ট করব। সেখানে আপনার প্রশ্নগুলো করবেন। তাতে আপনিসহ আরো অনেকই উপকৃত হবে।

      5. কিংশুক

        @ আব্দুম সবুর ভাই, আপনি জাকির নায়েকের কোন কিছুরই সমকক্ষ হন নাই। এত বেশী লাফালাফির দরকার নাই।  "জাকির সাহেব সালাফিদের কাছ থেকে রেফারেন্স নিলে গা জ্বলে কেন ভাইয়েরা? উনি আজ পর্যন্ত সালাফীদের থেকে কোন রেফারেন্স দিয়েছেন বলে আমার জানা নাই !!!! আপনার জানা থাকলে তথ্যটি জানাবেন।
        বুঝলাম না কি দেখে কমেন্ট করলেন !!!" – এই কমেন্ট আহমেদ শরীফ এর কমেন্টেই রয়েছে।
        জাকির নায়েকের সাথে সরাসরি বিতর্ক করুন নাহলে আপনার তাবলিগের সেরা দেওবন্দী আলেমকে পাঠান। তাঁর প্রতিষ্ঠানে যান। সদালাপ এ এসে জাকির নায়েক কোন উত্তর দিবেন নিশ্চয় এই আশা করেন না। 'শুধু মুসলিম' ব্লগারের সাথে বিতর্কেই ভালো ভাবে  উত্তর দিতে পারেন না, জাকির নায়েক মাজহাব বিষয়েও 'শুধু মুসলিম'এর চেয়ে মোটেই কম জানেন না। বর্তমান কালে কতজন মুসলমান, হিন্দু, খ্রিস্টান জাকির নায়েকের দ্ধারা উপকৃত হয়েছে আর আপনি মোটামুটি মানের আহলে হাদিস এর নিকট কিভাবে ধোলাই খান তা আত্মউপলব্দিতে এনে অন্তত: বাংলা ব্লগেও তাদের সাথে পারার মতো পড়ালেখা করেন। তারপর না হয় জাকির নায়েক এর কাছে যাবেন।
        পাঠক গণ "শুধু মুসলিম" নিক ধারী লা মাজহাবি র নিকট বিতর্কে আব্দুস সোবহান কোন মাপের আলেম এর পরিচয় দিয়েছেন তা নিজেরাই দেখে নিন: http://www.somewhereinblog.net/blog/Only_Muslim/29722016

      6. আহমেদ শরীফ

        আলোচনার বিষয়ঃ যারা প্রচলিত মাজহাব করে তারা কি মুসলিম না কাফির? আমরা প্রমাণ করব মাজহাবীরা কাফির ও মুশরিক এবং আপনি প্রমাণ করবেন যে মাজহাবীরা মুসলিম।

        আপনার দেয়া লিংকের পোস্টের প্রথম দু'টো লাইন এটা। যা শয়তান অথবা বিকৃতমস্তিষ্ক ছাড়া কোন সুস্থ মুসলিম লোকের পক্ষে দেয়া সম্ভব বলে মনে হয় না। এক ধরণের ফ্যাসিবাদী মানসিকতা থেকেই এ ধরণের কথা উৎসারিত যার মেজাজ ইসলামের সৌহার্দ্য-ভ্রাতৃত্ববন্ধনের সাথে মেলে না। দুনিয়ায় ৪ মাযহাবের অনুসারীদের সংখ্যা ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের অধিকাংশ মানুষ। ওনারা প্রমাণ করতে নেমেছেন যে এই অধিকাংশ মুসলমানই 'কাফির' ও 'মুশরিক' ! 

        পোস্টে কেউই জেতেন নি। তার কারণ কেউ কারো প্রতি যথাযথ সৌজন্য, অন্যের বক্তব্য শোনার ধৈর্য ইত্যাদির ক্ষেত্রে খুব ঔদার্য দেখাতে সমর্থ হন নি বা পারেন নি বরং গলার জোরে আর চালিয়াতির ভঙ্গিতে অন্যকে দমিয়ে নিজে জেতার চেষ্টা করতে গিয়ে বিভিন্ন অপ্রাসঙ্গিকতায় হাবুডুবু খেয়েছেন। এটা কোন সুস্থ বিতর্কই হয় নি। 
         
        পোস্টদাতা শুরুতেই শর্ত দিয়ে দিলেন :

         
        শর্তাবলীঃ-
        ১। কোন আলেমের ফাতওয়া দলিল হিসেবে আসবে না। দলিল শুধু কোরআন, হাদিস এবং সাহাবারা।
        ২। কোন আলেমের বক্তব্য দলিল হিসেবে আসবে না।
        ৩। কোন তাবেয়ীর বক্তব্য বা আমল দলিল হিসেবে গ্রহণ যোগ্য হবে না।

         
        কোরআন-হাদিস এবং সাহাবা(রাঃ) এর ইন্টারপ্রিটেশন বোঝানোর কাজটা সাধারণ মানুষের নয়। এটার জন্য সুনির্দিষ্ট বিশেষজ্ঞরা আছেন যাঁরা সুদীর্ঘ পরম্পরায় কাজটা চালিয়ে নিয়ে এসেছেন। কোরআন-হাদিস ও সাহাবা(রাঃ) দের সবকিছু আমরা পাই এই বিশেষজ্ঞদের কাছ থেকে। যেখান থেকে শুরু হয়েছে সেটি রাসূল(সাঃ) ও সাহাবা(রাঃ) এর যুগের সবচেয়ে নিকটবর্তী ছিল বিধায় বিবর্তিত-পরিবর্তিত-বিকৃতি হওয়ার সম্ভাবনা কম ছিল। কোরআন-হাদিস-সাহাবা(রাঃ) এসবের গভীরে প্রবেশ করে অনুধাবনের ক্ষেত্রে ইবাদাত এর সান্নিধ্যে 'রুহানিয়াত' বা আধ্যাত্মিকতার ভূমিকাও রয়েছে, সংসর্গের ভূমিকা রয়েছে যেটার মত তেজস্বী সংসর্গ এখন অবশ্যই নেই, সেখানে কোরআন-হাদিস-সাহাবা(রাঃ)র সবচেয়ে নিকটবর্তী হওয়ায় প্রথম যুগের প্রভাব অন্ততঃ আজকের তুলনায় অনেক জীবন্তভাবে থাকার কথা।
         
        তাহলে কোরআন-হাদিস-সাহাবা(রাঃ) বোঝার জন্য কোন যুক্তিতে সবচেয়ে নিকটবর্তী বর্ণনাকারীদের এবং তাঁদের অনুসারী সম্প্রদায় যারা সংখ্যায় বিশ্বাসযোগ্য ভাবে যথেষ্ট, শতাব্দী পরম্পরায় এটিকে বহন করে নিয়ে এসেছেন _ তাঁদের অস্বীকার-প্রত্যাখ্যান করে আজকের ব্যাখ্যাকারীদের নতুন ব্যাখ্যা মেনে নি্তে হবে ?

        মুসলিম বিশ্বের হাজার বছরের মনিষীগণ-ওলামাসমাজের তাবৎ ব্যাখ্যা রেফারেন্স ফেলে দিয়ে আজকের এই 'নব্য চিন্তাবিদগণ' এর মাথায় যা আসে, বা তারা নিজে নিজে যা বুঝেছেন, বা ব্যাখ্যা করেন, বা ব্যাখ্যা করা চেষ্টা করেন _ সেটাই মানতে হবে। এমন কি খোদ তাবেঈর(!) বক্তব্য বা আ'মালও মানা যাবে না !

        কোন দুঃখে ?

        বাকিগুলো পরে আলাপ হবে আগে এটা বুঝে নেই।
         

      7. আবদুস সবুর

        আপনি বললেন,
        আপনি জাকির নায়েকের কোন কিছুরই সমকক্ষ হন নাই।

        আলহামদুলিল্লাহ আমি নিজেকে কখনই ডা. জাকির নায়েকের সমকক্ষ মনে করি না। তিনি দাওয়াতী লাইনে কাজ করছেন তা কোন যোগ্যতাই আমার নাই। 

        কিন্তু আপনি ভাল করে দেখুন আমি উপরে আমার নিজস্ব কোন উক্তি দিয়েছি, নাকি আলেমদের মতামত পেশ করেছি।

        আপনার তো অবস্থা,

        রসুলুল্লাহ (সঃ) বলেছেন, 
        حبك الشيء يعمي ويصم 
        [ কোনো জিনিসের প্রতি ভালবাসা তোমাকে অন্ধ ও বধির করে দেয়। ] 
        { আবু দাউদ, মিশকাত } 

        পূর্বের মত আবারো বলতে বাধ্য হচ্ছি,
        ওখানে আহলে হাদীস, সালাফীসহ আরো অনেক আলেমের ফতোয়া দিলাম। সেগুলো ব্যাপারে মুখে কুলুপ আটলেন কেন ???
        >>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>
        আপনি বলেছেন,
        এই কমেন্ট আহমেদ শরীফ এর কমেন্টেই রয়েছে।

        হতে পারে। তবে আমি ওনার কথার সাথে পুরোপুরি একমত নই। তাই আপনার নিকট দলীল দাবী করছি।
        >>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>
        আপনি বলেছেন,
        পাঠক গণ "শুধু মুসলিম" নিক ধারী লা মাজহাবি র নিকট বিতর্কে আব্দুস সোবহান কোন মাপের আলেম এর পরিচয় দিয়েছেন তা নিজেরাই দেখে নিন:

        আমি কোন মাপের আলেম তার পরিচয় দেয়ার কোন প্রয়োজনই আমার নাই। আমি যদি পৃথিবীর সর্বশ্রেষ্ট আলেমও হই কিন্তু আমার কথা যদি কুরআন ও সুন্নাহ অনুসারে না হয় তবে কোন মুসলমানই মানবে না। 

        পাঠকদের উদ্দেশ্যে এই পোষ্টের কমেন্টগুলো পড়ার অনুরোধ করছি। দেখুন এখানে “শুধু মুসলিম” তার গ্রহনযোগ্য দলীলের উপর নিজে থাকতে পেরেছে কিনা . . . 

        http://www.somewhereinblog.net/blog/asksumon0000/29740219

        তারা তাদের মুখের ফুৎকারে আল্লাহর নূরকে নির্বাপিত করতে চায়। কিন্তু আল্লাহ অবশ্যই তাঁর নূরের পূর্ণতা বিধান করবেন, যদিও কাফেররা তা অপ্রীতিকর মনে করে। (At-Tawba: 32)

      8. আহমেদ শরীফ

        আলোচনার বিষয়ঃ যারা প্রচলিত মাজহাব করে তারা কি মুসলিম না কাফির? আমরা প্রমাণ করব মাজহাবীরা কাফির ও মুশরিক এবং আপনি প্রমাণ করবেন যে মাজহাবীরা মুসলিম।

         
        বোল্ডকৃত অংশ যে বলতে পারে সে 'শুধু মুসলিম' বা 'শুধু অমুসলিম' যেই হোক না কেন তার উদ্দেশ্য কখনো সাধু হতে পারে না। হয় সে বিকৃতমস্তিষ্ক না হয় অশুভ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত কেউ। ঐক্য নয়, বিভক্তি-বিভাজন-সংঘর্ষ সৃষ্টির হীন উদ্দেশ্যে কদর্য অপপ্রয়াস ছাড়া অন্য কোন উদ্দেশ্যে এ ধরণের কথা বের হতে পারে না।

        বৃহদাংশ মুসলিমই ৪ মাযহাবের অনুসারী। আর সে প্রমাণ করতে নেমেছে তারা সবাই 'কাফির-মুশরিক'! এসব পাগল-ছাগলের সাথে তর্কে যাওয়ারই কোন মানে নেই।

  9. ১০

    একটু অফটপিক কমেন্ট করার জন্য প্রথমেই ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি। সদালাপের যে কোন ব্লগ পোস্টের মূল পোস্টটির চেয়ে কমেন্টগুলোকে কোন অংশে কম স্ট্রেংথের মনে হয়না আমার কাছে। তাই ব্লগের পাশাপাশি একটা সদালাপীয় ফোরাম চালু করার প্রস্তাব করছি। forum.shodalap.org -এরকম সাবডোমেইনে ফোরামটি করা যেতে পারে।

  10. ১১
    কিংশুক

    @আব্দুস সবুর ভাই, দু:খিত ভাই আপনাকে হেয় করার জন্য কথা গুলি বলি নাই। ডা: জাকির নায়েক ফতোয়ার ব্যপারে কিছু কিছু ভুল করতে পারেন, করেনও। কিন্তু তিনি রেফারেন্স দিয়েই কথা বলেন। লিংকে উল্লেখিত বইয়েও এই বিষয়ে স্বীকার করা হয়েছে এবং এই বিষয়টি নিয়েই উক্ত বই। কিন্তু তার বিষয়ে নাস্তিক, হিন্দু, শিয়া, বেরেলভি রা যেভাবে চরম ক্ষিপ্ত হয়ে আক্রমন চালায় সেরকম কিছু করা ঠিক হবে না। যে বিষয়ে তিনি ভুল সে বিষয়ে আলোক পাত সীমাবদ্ধ রাখলেই ভালো। তিনি গোমরাহ আর কারা কোন ভুল করেনা এসব বিতর্ক করে অহেতুক সব কিছু জটিল করে তুলবেন না। বাস্তবিক প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের শিক্ষায়তন, অফিস, আদালত, রাজনীতি, কি শহর কি গ্রাম সব জায়গায় ইসলামিক প্রাথমিক নৈতিকতাটুকুও কতটা বিদ্যমান, কতজন সাধারন মুসলমান নিজেকে শুদ্ধভাবে চালাচ্ছে তা যতই গলাবাজি করেন মোটেই পাল্টাচ্ছে না; পরিস্থিতি বরং খারাপই হচ্ছে। ইট মারলে পাটকেল আসবে। মুসলমানরা নিজেদের মধ্যে এত ইট পাটকেল মারলে লাভটা হবে কাদের?? আহলে হাদিস, সালাফি, গায়রে মুক্বাল্লিদ রা জাকির নায়েকের কোন ভুল ধরলে বেশী খুশির কোন কারন নাই, আপনাদেরকে তো বেদআতি, মুশরিক, কাফিরও বলে। তাতে কি আপনারা বেদআতি, মুশরিক, কাফির হয়ে গেছেন? কারো ভুল থাকলে সবাইকে জানানোর, শুধরে নেয়ানোর চেষ্টার মধ্যে থাকাই ভালো।

    1. ১১.১
      আবদুস সবুর

      না না কিছুই মনে করিনি। কারন আপনার কমেন্টের কারনে অনেকেরই তাদের পূর্বের জানা ভুলগুলো সম্পর্কে জানাতে পারলাম।

      তবে
      পোষ্টের মূল বিষয় থেকে মানুষের দৃষ্টি অন্যদিকে সরিয়ে দেয়ার লক্ষে আপনার কমেন্টগুলো খুবই কার্যকর।

       

  11. ১২
    আবদুস সবুর

    এই পোষ্টের কমেন্টগুলো পড়ে অনেকের মনে প্রশ্ন জাগতে পারে যে,

    “গায়েরে মুকাল্লিদ বা লা মাযহাবী বা কথিত আহলে হাদীস দল কারা”

    যাদের মনে এই প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে তারা এই পোষ্টগুলো দেখতে পারেন—–

    http://www.somewhereinblog.net/blog/asksumon0000/29539422

    http://www.shodalap.org/lutforfarazi/10647

  12. ১৩
    পাভেল আহমেদ

    ডাউনলোড করে নিলাম।

  13. ১৪
    AHSAN

    SUNDOR LAGLO

  14. ১৫
    কবির

    সবচাইতে হক কথা হল এই যে, ডাঃ জাকির নায়েকের যে সমস্ত কথা পবিত্র কুরআন ও সহীহ হাদীস মোতাবেক চলে আমরা তা মেনে নেব আর যা বিপক্ষে যায় তা প্রত্যাহার করব। তবে তিনি যা করে চলেছেন, মুসলিম উম্মাহর উচিত হবে তাকে সাথ দেয়া, তাকে ভালবাসা। তাকে আল্লাহ একটি বিশেষ অনুগ্রহ দান করেছেন যে পৃথিবীর যে কোন বিদ্বানই তার সামনে টেকেনা। মানুষের কিছু ভুলত্রুটি হয়েই থাকতে পারে। তারও কিছু ভুলত্রুটি রয়েছে। আশা করা যায়, আল্লাহ তাকে ক্ষমা করবেন। তবে তার আকিদাগত ত্রুটি নেই, ইন শাআ আল্লাহ। তবে এটি ঠিক যে, যে কোন বিদ্বানের প্রতি অন্ধ ভক্ত হওয়া যাবেনা। এটি অনেক সময় আবেগের বশীভূত হয়ে যেতে পারে তবে তা পরিহার করতে হবে। পবিত্র কুরআন ও সহীহ হাদীসের অনুসারী যারা, আমরা সকলেই তাদের পক্ষে।

    – মাআআসসালাম।

  15. ১৬
    তারেক খান

    মহাবিদ্রোহী রণক্লান্ত ও আব্দুস সামাদ আপনাদের যুক্তি গুলো ভালোই লাগল, ভাই আসলে কিছু মানুষ আছে যারা ইসলাম কে ভাগ করে ফায়দা নিতে চায়, এরা আসলে মুসলিমরূপী কাফির, তাদের কুরআন হাদিস দ্বারা প্রমানিত কোন যুক্তি ও মানতে কষ্ট হয়। তারা শুধু ফাতওয়া চায়। ফরজের আগে নফল নিয়ে টানা টানি করে, ডাঃ জাকির নায়েক তাদের মুখোস উন্মোচন করে দিয়েছে। তাই ডাঃ জাকির তাদের শত্রু। যারা জাকির নায়েকের বিশ্লেষণ শোনে তারা অন্ধ ভক্ত না, আবুল আসাদের  সাইমুম সিরিজের বইগুলো যদি পড়েন তাহলে বুঝতে পারবেন ইয়াহুদিরা কিভাবে মুসলমানদের মাঝে শিয়া/ সুন্নি তে ভাগ করার জন্য উঠে পরে লেগেছে।

     

  16. ১৭
    Raihan

    ডাঃজাকির নায়েক কে নিয়ে যারা ভ্রান্তমত দেয়,আসোলে তাদের অজ্ঞহীন ছারা কিছু বলব না।

  17. ১৮
    মুহাম্মদ শাখাওয়াত হুসেইন

    একটা কথা না বলে পারলাম না। এক ব্যাক্তি বললো জাকির ভাই সব মুস্লিম এর উচিত আপনার মত হওয়া, উনি বলেছেন আমাকে মানবেন তখনি যখন আমার কথা কুর আন ও সুন্নাহ মোতাবেক। যদি আমার কথা ভুল হয় তবে মানবেন না। আমি জাকির এর ভক্ত তবে অন্ধ ভক্ত না।

  18. ১৯
    ডা: ইমতেয়াজ

    ইসলাম হচ্ছে শান্তির ধর্ম, আর হাজার হাজার মানুষের মাঝে এই শান্তির বানি পৌছে দিচ্ছেন ডা: জাকির নায়েক কয়েকদিন আগে জাপানে জাকির নায়েকের বক্তৃতা শুনে শত শত বৌদ্ধ, খ্রিষ্ট্রান মুসলিম হয়েছে। জাকির নায়েক সব সময় বলে আচ্ছে যারা ইসলামের নামে শন্ত্রাশী করছে তাদেরকে দেখে ইসলামকে বিবেচনা করবেন না। ইসলামকে তুলনা করুন নবী করীম (সা:) এর জীবনী দিয়ে। জাকির নাযেকের প্রায় বিশ কুটি ভক্ত খুব ব্যাতিথ যে আজ ইসলামের বিরুদ্ধে যা করা হচ্ছে এটা ভাল হচ্ছে না অচিরেই হয়তো আল্লাহর পক্ষ থেকে ফয়সালা আসবে। ততক্ষন পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। আর একটা কথা বলি যখন নবী করিম সা: নবুয়ত পায় তখন আহলে কিতাবীগনের মধ্যে যারা ধর্মগুরু ছিল তারা কিন্তু নবী করিম সা: কে প্রত্যাখান করেছে শুধু যারা সাধারন মানুষ, তারাই নবী ডাকে সাড়া দিয়েছে বর্তমানেও তাই ঘটছে তবে এটা তাদের জন্য মোটেও শুখকর নয় আল্লাহ প্রত্যেক কাজের হিসাব নিবেন আশা করি সেদিন সত্য, মিথ্যা প্রকাশ পাবে ।

  19. ২০
    মো ফুয়াদ হাসান

    ভাই মহৎ কাজ । 

  20. ২১
    শফিউল

    জাকির নায়েক বলেছেন “আমাকে মানবেন তখনি যখন আমার কথা কুর আন ও সুন্নাহ মোতাবেক।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।