«

»

ডিসে. ১৭

ক্রিস্টোফার হিচেন্স আর নাই

নাস্তিক ক্রিস্টোফার হিচেন্স আজ মারা গিয়েছেন। তিনি ক্যান্সার রোগে মৃত্যু বরণ করেন। নাস্তিক পক্ষে তিনি ছিলেন ধর্ম বিশ্বাসের উপর একজন বলিষ্ঠ আক্রমণকারী। তবে বিশ্বাসীদের কাছে বিষয়টা সেরূপ ছিল না। তার উপস্থাপনার মূলে ছিল caricature,  প্রতিপক্ষের উপস্থাপনা নিয়ে বুলিং, ব্যাখ্যা ও বর্ণনা নিয়ে পানিং, হাজার বৎসরের গড়ে ওঠা বিশ্বাসের ভুল ব্যাখ্যা দান এবং সর্বতোভাবে তার দাম্ভিক আচরণ।

ক্যান্সার ভোগান্তির এক সময় তিনি জেরেমী পেক্সমেনের সাথে একটি ইন্টার্ভিউ দেন। তিনি সেখানে মৃত্যুর ‘ভয়ের’ কথা বলেন। তার অবধারিত মৃত্যুর ব্যাপারটিকে তিনি ‘অপচয়ের’ অনুভূতি হিসেবে উল্লেখ করেন। মৃত্যুর জন্য তিনি ছিলেন ‘অপ্রস্তুত’। হঠাৎ এসে যাওয়া এই মৃত্যুর অনুভূতিকে তিনি ‘বিশ্বাসঘাতকতা’ বলে অনুভব করেন। তার অনেক উদ্দেশ্য ‘অসম্পূর্ণ’ রয়ে গেল বলে উল্লেখ করেন।

বেলা শেষের ইন্টারভিউটি এখানে লিঙ্ক করা হল। এখানে নৈরাশ্যও লক্ষণীয়।

[youtube http://www.youtube.com/watch?v=-9CxUJPFoGs&w=560&h=315]

২২ মন্তব্য

এক লাফে মন্তব্যের ঘরে

  1. শামস

    ভিডিওটি সময় করে দেখতে হবে।
    বেচারারে নিয়া নাস্তিকদের মধ্যে মাতম শুরু হয়ে যাবার কথা!

  2. সরোয়ার

    হিচেন সাহেব ইসলাম বিদ্বেষী নাস্তিক ছিলেন। ইরাকযুদ্ধ, সালমান রুশদীকে দৃঢভাবে সমর্থন করেন। রুশদীর পক্ষে সমর্থন বাড়াতে কেম্পেইন করেছেন।নিউ ইয়র্ক টাইমস নিউজ পেপার তার অবিচুয়ারীতে লিখেছে-

    His support for the Iraq war sprang from a growing conviction that radical elements in the Islamic world posed a mortal danger to Western principles of political liberty and freedom of conscience…

    In a political shift that shocked many of his friends and readers, he cut his ties to The Nation and became an outspoken advocate of the American-led invasion of Iraq in 2003 and a ferocious critic of what he called “Islamofascism.” Although he denied coining the word, he popularized it.

    He also threw himself into the defense of his friend Mr. Rushdie. “It was, if I can phrase it like this, a matter of everything I hated versus everything I loved,” he wrote in his memoir.

    …. To help rally public support, Mr. Hitchens arranged for Mr. Rushdie to be received at the White House by President Bill Clinton, one of Mr. Hitchens’s least favorite politicians

    1. ২.১
      এম_আহমদ

      ধন্যবাদ। সব জানা আছে, ভাই। Christopher Hitchin, Sam Harris and Richard Dawkins –এই তিন জনকে একত্রে নাস্তিক্যবাদের তিন ‘mesquiteers’ বলে কটাক্ষ্য করা হয়। হিটচিন ইরাক যুদ্ধের পক্ষের প্রবক্তা, হারিস শুধু সে যুদ্ধের পক্ষেরই নন বরং বোমা ফুটিয়ে গোটা আরবভূখণ্ডের সকল আরব মুসলমানদেরকে obliterate করার পক্ষে। কী বুঝলেন? এই হচ্ছে এদের সেক্যুলার tolerance এর অসীম সীমা!

      1. ২.১.১
        শামস

        @এম_আহমদ:
        গুরুরা যাহা কহেন, শিষ্যরাতো একটু বেশীই বলবে, তাদের আবার যোশ বেশী। তাছাড়া বাঙ্গালী নাস্তিক বলে কথা, ভেড়ার পালের মত অনুসরণে জুরী মেলা ভার!

  3. কিংশুক

     
    আহহারে বেচারা অকালে মইরা গেলো, বেচারার আরো বাঁচনের এত্ত শখ আছিলো, প্রকৃতি কি অন্যায়টাই না করলো ! নাস্তিকগো ও ইসলামবিদ্ধেষীগো অনেক বড় ক্ষতি ইইয়া গেলো, প্রকৃতি তাগোরে এই শোক কাটিয়ে উঠার শক্তি দান করুক, না করলে প্রকৃতি তারে সারভাইভালের উপযুক্ত মনে করে নাই বইলা মাইন্যা নেওন ছাড়া কি করনের আছে। কত ভদ্র, ভালো মানুষডাই না আছিলো গো!

  4. সাদাত

    আরো একটা মানুষ হেদায়েত ছাড়াই চলে গেল…

  5. মহিউদ্দিন

    এই নাস্তিকের মৃত্যু সংবাদ শুনে আমার মনে পড়ল পবিত্র কোরআনের সেই আয়াত:
    وَالَّذينَ كَفَروا أَعمٰلُهُم كَسَرابٍ بِقيعَةٍ يَحسَبُهُ الظَّمـٔانُ ماءً حَتّىٰ إِذا جاءَهُ لَم يَجِدهُ شَيـًٔا وَوَجَدَ اللَّهَ عِندَهُ فَوَفّىٰهُ حِسابَهُ ۗ وَاللَّهُ سَريعُ الحِسابِ
    যারা কাফের, তাদের কর্ম মরুভুমির মরীচিকা সদৃশ, যাকে পিপাসার্ত ব্যক্তি পানি মনে করে। এমনকি, সে যখন তার কাছে যায়, তখন কিছুই পায় না এবং পায় সেখানে আল্লাহকে, অতঃপর আল্লাহ তার হিসাব চুকিয়ে দেন। আল্লাহ দ্রুত হিসাব গ্রহণকারী।
    As for those who disbelieve, their deeds are like a mirage in a desert. The thirsty one thinks it to be water, until he comes up to it, he finds it to be nothing, but he finds Allâh with him, Who will pay him his due (Hell). And Allâh is Swift in taking account. (সুরা: আন-নুর২৪-৩৯)

    1. ৫.১
      এম_আহমদ

       
      মহি ভাই, এখানের প্রত্যেকটি বাক্য ও কমা-বন্ধিত শব্দের পাশে পাশে অনেক আয়াত আনা যেতে পারে। ভিডিওটি শিক্ষণীয়।

  6. সত্তুক

    মৃত্যু যে কারো জন্যই ভয়ের কারন, এক জ্বিহাদী ছাড়া।
    সাদাত ভাইয়ের সাথে গলা মিলিয়ে বলি “আমি দুঃখিত, আরো একটা মানুষ হেদায়েত ছাড়াই চলে গেল…”
    আমি তাকে মাফ করে দিছি আপনারাও দেন, এখন তো তিনি আল্লাহর হাওলা।

  7. শামস

    @সাদাত,
    উত্তর কোরিয়ার সমাজতান্ত্রিক নেতা কিম জং ইলও মনে হয় হেদায়েত ছাড়া চলে গেছে http://www.shodalap.org/wp-content/plugins/wp-monalisa/icons/wpml_sad.gif
    যাবার আগে তিনি তার তৃতীয় সন্তান কিম জং উনকে উত্তর কোরিয়ার সিংহাসনের জন্য মনোনীত করে গেছেন!!!
     

  8. কিংশুক

     
    আপনি কি তার প্রতি লক্ষ্য করেছেন, যে তার খেয়াল-খুশীকে স্বীয় উপাস্য স্থির করেছে? আল্লাহ জেনে শুনে তাকে পথভ্রষ্ট করেছেন, তার কান ও অন্তরে মহর এঁটে দিয়েছেন এবং তার চোখের উপর রেখেছেন পর্দা। অতএব, আল্লাহর পর কে তাকে পথ প্রদর্শন করবে? তোমরা কি চিন্তাভাবনা কর না?
    তারা বলে, আমাদের পার্থিব জীবনই তো শেষ; আমরা মরি ও বাঁচি মহাকালই আমাদেরকে ধ্বংস করে। তাদের কাছে এ ব্যাপারে কোন জ্ঞান নেই। তারা কেবল অনুমান করে কথা বলে।
    (45:23-24)
    তাদের মন্দ কর্ম গুলো তাদের সামনে প্রকাশ হয়ে পড়বে এবং যে আযাব নিয়ে তারা ঠাট্টা-বিদ্রুপ করত, তা তাদেরকে গ্রাস করবে।
    বলা হবে, আজ আমি তোমাদেরকে ভুলে যাব, যেমন তোমরা এ দিনের সাক্ষাৎকে ভুলে গিয়েছিলে। তোমাদের আবাসস্থল জাহান্নাম এবং তোমাদের সাহায্যকারী নেই।
    (45:33-34)

  9. এম_আহমদ

    আরও দুটি ভিডিও সংযোগ করতে ইচ্ছে হল।

    সপ্তম শতাব্দী থেকে আজ পর্যন্ত একটি শক্তিশালী গ্রুপ অত্যন্ত সতর্কতার সাথে, কখনো ছলে, কখনো বলে, কখনো কৌশলে তাদের নাস্তিক্যবাদ প্রচার করছে। হিটচেন হচ্ছে স্পিনোজা, রুসো, ভল্টেয়ার –এদের ধারার লোক। এদের কথা ও কাজে মিল নেই। এখানে হিটচেনের ব্যবহার দেখুন।

    [youtube http://www.youtube.com/watch?v=AkU3a2eor3U&w=420&h=315%5D

    হিটচেনের কিছু প্যাচ আছে। তার মধ্যে একটা হল এই যে সে তার কথা শুরু করেই সেখানে কয়েকটি ভিন্ন বিষয়ের embedding  (grammatically, sub clauses) introduce করে, তারপর মূল বিষয় থেকে সরে গিয়ে একটা sarcastic মন্তব্য জোড়ে দেয়, এতে প্রতিপক্ষ আপাতত focus হারাতে দেখা যায়। এবং তারপর সে তার complex sentence এর কোন এক পদকে কেন্দ্র করে আরেকটা sarcastic বক্তব্য দেয়। এতে প্রতিপক্ষ ইতস্ততবিক্ষিপ্ত হতে দেখা যায়, নিজেকে নিয়ে নিজেই ব্যস্ত দেখা যায়; let alone thinking of constructing an appropriate response; এই প্রক্রিয়াতেই তার শক্তি।
    তবে কোন অতি সাধারণ ব্যক্তি তার নিজেকে control রাখতে পারলে হিটচেন ও রুশদী দুটাকেই অনেকটা ম্যানেজ করতে পারে। এখানে দেখুন:

    [youtube http://www.youtube.com/watch?v=b_oR5Oonq5A&w=560&h=315%5D

  10. ১০
    শাহবাজ নজরুল

    বাংলা দোসরদের মাতম আর মোমবাতি উত্সব এখনো শুরু হয়নি, তবে মনে হয় মর্সিয়া ক্রন্দন সহসাই শুরু হবে।

    1. ১০.১
      এম_আহমদ

      আমিও  তো আশ্চর্য হচ্ছি। এত নীরবতা! হয়েছে কি, হিটচেনের চরমপন্থি, ‘মৌলবাদী’ বক্তব্য ও জঙ্গিবাদের পক্ষ অবলম্বনের কারণে নাস্তিক ধর্মের mainstream তার সাথে নেই। তাই তার জন্য কান্নার জলে প্লাবন বহাতে অনেকেই সংযম সতর্কতা অবলম্বন করছেন। ওর জন্য জল ফেলতে গেলে দর্শকরা কী ভাববে –এটাই হচ্ছে কথা।   

  11. ১১
    এমিনেম

    মানুষ আল্লাহ’র অবাধ্য কেন হয়?

    1. ১১.১
      শামস

      @এমিনেম:
      ভাল প্রশ্ন, যেসব মানুষ অবাধ্য হয় উত্তরটা তাদের কাছেই থাকবে। এখানে এরকম কেউ আছে কি? তবে ক্রিস্টোফার হিচেন্স কি এব্যাপারে সরাসরি কিছু বলে গেছেন?

    2. ১১.২
      এম_আহমদ

      @ এমিনেম। আপনার প্রশ্নে মনে হচ্ছে কোন ভিন্ন জিজ্ঞাসার অবতারণা রয়েছে। কেননা শুদ্ধ হোক, ভুল হোক এ প্রশ্নের উত্তর সর্বসাধারণে অমনিতেই ছড়িয়ে আছে। কিন্তু তা সত্ত্বেও প্রশ্নটির অবতারণা করাতে ধরে নিচ্ছি যে এই জিজ্ঞাসার পিছনে কোন প্রাচুর্যপূর্ণ ঔৎসুক্য রয়েছে যা প্রচলিত উত্তরের ঊর্ধ্বে। সুতরাং কোন ধরনের ঔৎসুক্যের প্রেক্ষিতে এই প্রশ্নটির উত্থান হল, তা জানতে পারলে হয়ত একটা উত্তর দেবার চেষ্টা করতে পারি।

  12. ১২
    করতোয়া

    আমি তাকে ব্যাক্তিগত ভাবে প্রশ্ন করেছিলাম “আপনার সুষ্টি কি হঠাত করে হয়েছিল নাকি কোন পরিকল্পনার ভিক্তিতে হয়েছিল?” তিনি আমার প্রশ্নের উত্তর দিতে পারেন নি।

    1. ১২.১
      এম_আহমদ

      আভাষ থেকে বুঝা যায়, উত্তর না পাবারই কথা।

  13. ১৩
    এম_আহমদ

    সম্ভবত কোন প্রমিন্যান্ট ব্যক্তির সাথে নিচের লিঙ্কের [১] বিতর্কটি হিচেন্সের শেষ বিতর্ক। এই বিতর্কটি বেশ কয়েকটি দিক দিয়ে গুরুত্বপূর্ণ। একদিকে ডেভিড বেলিনস্কির সাথে হিচেন্সের বিতর্কের তেমন কোন সমতা ছিল না আর অন্যদিকে সম্ভবত তখন তিনি ক্যান্সারে ভুগছেন। আবারও সম্ভবত তার সজ্ঞা প্রতিপক্ষের যুক্তির hindsight প্রবলভাবে ধারণ করতে পারছিল না। হিচেন্সের মূল শক্তি সার্কাজম, রিডিকল, পান, লামব্যাস্ট, কথার ক্যারিকেচার, অপ্রাসঙ্গিকতা ইত্যাদি ছুঁড়ে মারার উপর। কিন্তু বেলিন্সকি যেহেতু একাধারে একজন গণিতজ্ঞ, আণবিক জীববিজ্ঞানী (molecular biologist), দার্শনিক ও কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ে তিনি গণিত, দর্শন ও ইংরেজি ভাষার উপর শিক্ষকতা করেছেন (লিঙ্ক), তাই সব মিলিয়ে বেলিনস্কির সাথে তিনি সেই শব্দমালা কতটুকু চালিয়ে যেতে পারবেন বা পারবেন না -এ নিয়ে হয়ত তারও যথেষ্ট সন্দেহ ছিল তাই এগুলোর অভাবে তার কিলার-বক্তব্য প্রকাশ পায় নি এবং কোন কারণে বেলিনস্কির যুক্তির স্থান না ধরেই নিজের কথা বলে গিয়েছেন (rebuttal অংশে)। বিতর্কের বিষয়ে কেউ সহজে পরাজিত হচ্ছে দেখাতে তেমন কিছু নেই যেমনটি থাকে শক্তিশালী বিতর্কে।

    এই বিতর্কটি আমি আগে দেখি নি এবং মনে করছি হয়ত আরও অনেকে না দেখেই থাকবেন তাই এখানে তা লিঙ্ক করলাম।

    [১]  Christopher Hitchens 2010 'Does atheism poison everything' vs David Berlinski

    [২] এটাও শোনা যেতে পারে, David Berlinski—Atheism and its Scientific Pretensions

  14. ১৪
    এম_আহমদ

    Here is a debate, watch carefully and you will unmistakably observe a third class intellectual with a big mouth, a clap-trap, namely Hitchen, who used to foul-mouth, pan, ridicule and lambast the argument of his opponents, and their person, and receive applauds from the like of him, is being torn off and told off that he is nothing more than a slag! This debate took place some 11 years ago. (Focus on the theme of colonial war and the death and destruction). And time has proven, evidentially, as well as historically, how stupid the militant atheists were when they were supporting the war mongers. And ample has been written on Dawkins, the atheist priest, showing his logical contradictions as he was engaging into philosophy, theology, psychology, logic itself and other disciples to which he is but a novice.

    https://www.youtube.com/watch?v=cNxkK7elSZ4
    .

  15. ১৫
    মহিউদ্দিন

    আধুনিক নাস্তিককূলের গুরু ক্রিস্টোফার হিচেন্স শেষ পর্যন্ত ক্যান্সারে, নৈরাশ্য বুকে, মারা গেল। মানুষটি হেদায়েত ছাড়াই চলে গেল ভেবে মুসলিম হিসাবে দুঃখিত হবারই কথা। কিন্তু সে যে আসলেই একটি বর্ণবাদ মিলিটেন্ট নাস্তিক ছিল এতে কোন সন্দেহ নাই। নাস্তিকেরা নিজেদেরকে মানবতাবাদী দাবী করলেও ইসলাম বিদ্বেষ তাদেরকে যে কত নিচে ধাবিত করতে পারে তার জ্বলন্ত উদাহরণ ছিল এই বেটা। সে ইরাক যুদ্ধে বুশ ব্ল্যায়ারের পক্ষে ছিল। আপনার দেয়া ভিডিওতে তার কুকীর্তির আসল মুখোশ উন্মোচন করে দিয়েছেন জর্জ গ্যালওয়ি।

    নিচে আরেকটি ভিডিও লিংক দিচ্ছি । ভিডিওটি নিশ্চয় দেখেছেন। যারা দেখেননি তাদের জন্য দিলাম।

    অত্যন্ত জ্ঞানগর্ভ একটি বিতর্ক । ইউরোপিয়ান ইসলামি স্কলার ড: তারিখ রামাদানের সাথে ক্রিস্টোফার হিকিন্সের বিতর্ক।

    “আধুনিক সেকুল্যার বুদ্ধিজীবী মহল বা মিডিয়া সাংবাদিক বলেন তারা সবাই “দর্শনের” বিষয়ে জটিলতা মানতে রাজী কিন্তু ধর্মের ক্ষেত্রে তা দেখেনা সেখানে শুধু সরলতা দেখতে আগ্রহী! তা সঠিক নয়।” Tariq Ramadhan rightly said, They accept the complexity of Philosophy but for religion they only expect the simplicity which is not right.

    Topic was ” Is Islam is a religion of peace?

    Dr. Tariq said “this is a wrong question”. The question should be Is Islam able to bring peace in human heart and to society?
    Religion deals with human and human can be violent by nature, we can see violence in Christianity, Judaism, Buddha and other religion too. Therefore, “can Islam brings peace in human mind and society? That should be the correct question and he explained very clearly his point. The preacher of secularism (which I think itself is a religion for atheist) raised some very twiested points whcih have been tackled very intellectually by Tariq

    https://youtu.be/_CGFMwtJTyE

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।