«

»

সেপ্টে. ০৯

মৃত্যু কেমন চাই

মানুষ হয়ে জন্ম নিলে
 মৃত্যু হবেই হবে,
বীরের বেশে মুত্যু এলে
 সফল হলে তবে।
 কেউ তো মরে ট্রাকের নিচে
 কেউ তো মরে ঘরে,
কেউ তো মরে হার্ট এ্যাটাকে
 কেউ তো মরে জ্বরে।
 কেউ তো মরে টাইফয়েডে
 কেউ তো মরে ধুঁকে,
কেউ তো মরে এইডস রোগে
 কেউ বা ছোরার বুকে।
 কেউ তো মরে ক্যান্সারেতে
 কেউ তো মরে বিষে,
কেউ তো মরে বিছানাতে
 কেউ তো নেশায় মিশে।
 জীবন যখন মৃত্যু আছে
 আজ অথবা কাল,
বাঁচবে না কেউ মৃত্যু থেকে
 যতই ধুরুক ঢাল।
 মরতে যখন হবেই হবে
 বীরের বেশেই মরি,
সত্য পথে জীবন দিয়ে
 দ্বীন ইমারত গড়ি।
 

বি: দ্র: কবিতাটি দেশের জন্য প্রাণদাতা বীর শহীদদের প্রতি। আর তাদের প্রতি যারা সত্যের পতাকা উড্ডীন করতে নিজের জীবন উৎসর্গ করেছেন।

৩ মন্তব্য

  1. মাহফুজ

    ভাবটা ভাল হয়েছে। তবে ভাষা ও ছন্দটা আরেকটু ভাল হলে আরও ভাল লাগত। চালিয়ে যান——

  2. oliullah hossain

    কুরবানীর প্রারম্ভিক ইতিহাস
    কুরবানীর ইতিহাস খুবই প্রাচীন। সেই আদি পিতা আদম (আলাইহিস সালাম)-এর যুগ থেকেই কুরবানীর বিধান চলে আসছে। আদম (আলাইহিস সালাম)-এর দুই ছেলে হাবীল ও কাবীলের কুরবানী পেশ করার কথা আমরা মহাগ্রন্থ আল-কুরআন থেকে জানতে পারি। মহান আল্লাহ বলেন,

    {وَاتْلُ عَلَيْهِمْ نَبَأَ ابْنَيْ آدَمَ بِالْحَقِّ إِذْ قَرَّبَا قُرْبَاناً فَتُقُبِّلَ مِنْ أَحَدِهِمَا وَلَمْ يُتَقَبَّلْ مِنْ الآخَرِ قَالَ لأَقْتُلَنَّكَ قَالَ إِنَّمَا يَتَقَبَّلُ اللهُ مِنْ الْمُتَّقِينَ}
    অর্থাৎ, আদমের দুই পুত্রের (হাবিল ও কাবিলের) বৃত্তান্ত তুমি তাদেরকে যথাযথভাবে শুনিয়ে দাও, যখন তারা উভয়ে কুরবানী করেছিল, তখন একজনের কুরবানী কবুল হল এবং অন্য জনের কুরবানী কবুল হল না। তাদের একজন বলল, আমি তোমাকে অবশ্যই হত্যা করব। অপরজন বলল, আল্লাহ তো সংযমীদের কুরবানীই কবুল করে থাকেন।[(সূরা মাইদাহ ২৭ আয়াত)]

    কুরবানি সম্পর্কে আরও বিস্তারিত জানতে নিচের ব্লগ থেকে ঘুরে আস্তে পারেন

    http://islamicbd99.blogspot.com/2016/09/blog-post_90.html

  3. সরকার সানজিদ আদভান

    আলহামদুলিল্লাহ।জাযাকাল্লাহ খায়ির।ভালো একটি কবিতা লিখেছেন।মৃত্যু একটি চিরন্তন সত্য।এই সত্য সম্পর্কে ভালো একটি নির্দেশনা উপস্থাপন করেছে ভাই।

Comments have been disabled.