«

»

অক্টো. ২৮

কোরআনের অলৌকিকত্ব

বলব নাকি কোরান পাকের অবাক করা তথ্য?
যা শুনলে কাঁপবে হৃদয় জাগবে মনুষ্যত্ব,
সবাই তবে কাজটি সেরে এই কবিতা পড়ো,
মুমিন হলে গাঁ ঘামবে কাঁপবে হৃদয় থরো,
নাস্তিক তোমরা হা করে শোনো মহাগ্রন্থের বানী,
তুমি মানো না অবুঝ বলে অামরা সবাই জানি,
শোনো রে এবার নাস্তিকেরা মন দিয়োনা কোথাও,
অন্ধকারে কেন সত্য ঝোপের মধ্যে লুকাও?
এবার শোনো প্রথম কথা ঐশী গ্রন্থ কোরান,
কারণগুলো বলছি এবার মনের পর্দা সরান,
কে জানত এই পৃথিবী বিগব্যাঙে হল সৃষ্টি?
সুরা অাম্বিয়ার ত্রিশ অায়াতটি কাড়ে না তোমার দৃষ্টি?
কে জানত এই পৃথিবী চ্যাপ্টা নাকি গোল?
নাযিয়াতের ত্রিশ অায়াত পড়রে,চোখ খোল,
কে জানত মহাবিশ্ব সদা সম্প্রসারণশীল?
যারিয়াতের সাতচল্লিশ অায়াতটি জুড়িয়ে দিলো দিল,
কে জানত চাঁদের অালো তার নিজিস্ব নয়?
সুরা ফুরকানের একষট্টি অায়াত সেই কথা যে কয়,
কে জানত দিবাকরও নিজ অক্ষে ঘুরে?
সুরা অাম্বিয়া তেত্রিশ অায়াত পড়ে দ্যাখো সুরে,
কে জানত ফলের মাঝেও পুং-স্ত্রী থাকে?
সুরা রাদের তিন অায়াতটি এই ছবিটাই অাঁকে,
কে জানত মিষ্টি-লোনার অদৃশ্য অন্তরাল?
সুরা ফুরকানের তিপ্পান্ন অায়াত সাক্ষী চিরকাল,
কে জানত বষ্প হয়ে পানি উঠে অাকাশে?
সুরা ত্বরিকের এগার অায়াতে এই তথ্যই ভাসে,
কে জানত পাহাড়গুলো এই পৃথিবীর কীলক?
নাবা সুরার অাট অায়াতে এই কথাটির ঝলক,
কে জানত চামড়ার নিচে পেইন রিসেপ্টর অাছে?
সুরা নিসার ছাপ্পান্ন অায়াতে এই কথাটিই অাছে,
কে জানত প্রত্যক অাঙ্গুলের ছাপ ভিন্ন ভিন্ন?
সুরা কিয়ামার তিন চার অায়াত এই তথ্যের জন্য,
কে জানত মানব ভ্রুনের শ্রবণ ফোটে অাগে?
তখন সাজদা সুরার নয় অায়াতটির কথা মনে জাগে,
কে জানত এই পৃথিবী মাধ্যাকর্ষণ শক্তিতে অাছে ঝুলে?
নামল সুরার পনের অায়াতটি বলছে খুলে খুলে,
ইতিহাসের কথায় এবার অাসি বর্ণনায়,
ফেরাউনের নামটি সবাই পাবে যে সেথায়,
অাল্লাহ বলেন, " ও ফেরাউন ! তোকে করব সংরক্ষণ,"
তোকে এই পৃথিবীর কোন প্রাণী করবে নাকো ভক্ষণ,
সুরা ইউনুসের বিরানব্বই অায়াত সেই ঘোষনার প্রমাণ,
ও নাস্তিক ! এবার বলো এটা কি শুধু অনুমান?
এখনো সেই লাশটি অাছে মিশর যাদুঘরে,
এখনো কি উদাস মনে থাকবে অাঁধার গোরে?
চৌদ্দ শত বছর অাগে সব বলেছে কোরান,
তাহলে অাজ কেন বলো এই গ্রন্থ পুরান?
কোরান হল শিক্ষক অার বিজ্ঞান তার ছাত্র,
কোরান সবই সত্য বলে বিজ্ঞান অনুমান মাত্র,
যত বিজ্ঞান, যত সত্য কোরান মাঝে পাবে,
মহাসত্য না মেনে অাজ কোথায় বলো যাবে?
এক অাল্লার বাণী বলো মিথ্যা হতে পারে?
সত্য ন্যায়ের পথে যেটি ডাকে বারে বারে?

বিঃদ্রঃ কবিতাটি আমি 20 নভেম্বর 2014 সালে লিখি।কবিতাটি কয়েকটি গ্রুপেও পোস্ট করি।কবিতাটি পোস্ট করার পর বেশ জনপ্রিয় হয়ে যায়। তখনই অনেক বন্ধু কবিতাটি শেয়ার করেন। এরপর কয়েকটি পেজেও কেউ কেউ দেন কবিতাটি।এই কবিতা নাকি অনেক ফেমাস পেজে দেওয়া হয়েছে বীনা নামে। আমি একথা শুনে যেমন অবাক হলাম তেমনি ভীত হলাম। চিন্তা করলাম রীতিমত কবিতাটি হিট হয়ে গেছে আমার অগোচরে বাট লেখকের নাম নেই। আর সবচেয়ে বড় কথা হল কবিতাটি অনেকে নিজের বলে দাবি করেছে। এতে অনেক কষ্ট পেলাম।কবিতাটি অনেক বড় বড় ব্লগে কালেক্টেড বলে পোস্ট করা হয়েছে। যেমন সামহোয়্যার ইন ব্লগ। আর কবিতাটি Dhaka News নামের একটি পেইজ তার এই কবিতাটি পোষ্ট করেছিল। আমার জানামতে সেই পেইজটির এডমিনরা মূল লেখকের নাম জানত না তাই ((সংগৃহীত)) কথাটি উল্লেখ করেছে। It's very good. সেই পেইজটি এই কবিতাটা পোষ্ট করে ২২ হাজার লাইক ও হাজারের উপরে শেয়ার কামিয়েছে। কেউ কেউ কবিতাটি নিজের প্রমাণ করতে কত যে মিথ্যার আশ্রয় নিয়েছে তা সত্যিই হাস্যকর। ক্বুরআনে বলা আছে সত্য প্রকাশ পাবেই।আলহামদুলিল্লাহ, কবিতাটি যে আমি লিখেছি তা এবার প্রমাণ করব। সবচেয়ে বড় প্রমাণ কবিতাটি 2015 সালে বইমেলাতে একটা যৌথগ্রন্থ তে ছাপা হয়েছিল। কাব্যগ্রন্থের নাম-এক মুঠো আলো। সম্পাদনায় – লেখক মোরশেদ আলম হৃদয় ভাই। কবিতাটি 33 পৃষ্টায় আমার নামেই ছাপা হয়েছে।সবার কাছে আমার দাবি আপনারা প্লীজ কবিতাটি লেখকের নামসহ প্রকাশ করবেন। আর যে জানে না, তাকে লেখকের নাম জানিয়ে দেবেন। তাহলে সবার প্রতি কৃতজ্ঞ থাকব।