«

»

ডিসে. ১৩

ইমাম আল-গাজ্জালী (রাহিমাহুল্লাহ) সম্পর্কে কিছু কথা

আমাদের মাঝে অনেকেই হয়তবা আছেন যারা ইমাম গাজ্জালী (রা:) নাম শুনেছেন কিন্তু তাঁর সম্পর্কে তেমন জানার সুযোগ হয়নি বা নানা কারণে জানার আগ্রহও জাগে নি । আসলে এই দলে আমিও ছিলাম। তবে গত উইক-এন্ডে ইমাম আল-গাজ্জালী (রাহিমাহুল্লাহ) সম্পর্কে এক আলোচনা সভায় যুগ দেয়ার সুযোগ হওয়ায় মুসলিম সভ্যতার স্বর্ণযুগের এ অসাধারণ জ্ঞানী ও অত্যন্ত বুদ্ধিমান ব্যক্তিত্ব সম্পর্কে যা জানলাম তার কিছুটা এখানে শেয়ার করতে চাচ্ছি। অবশ্য ইমাম গাজ্জালীর (রহ:) ন্যায় এত বড় মাপের এক মহান জ্ঞানপ্রেমিক ও দার্শনিক ব্যক্তিত্বের উপর আমার মত সাধারণ ব্লগারের কিছু লিখা অনেকটা ধৃষ্টতার সামিল হলেও লিখতে বসলাম যাতে সাধারণ পাঠকরা কিছুটা হলেও উপকৃত হতে পারেন। মুসলিম বিশ্বের বর্তমান অস্থির পরিবেশে আমাদের সনাতনী আলেম উলেমাদের বিশেষ করে ইমাম গাজ্জালী (রা:) ন্যায় পণ্ডিত ও জ্ঞানী ব্যক্তিদের লিখা বই পুস্তক পড়া ও তাঁদের জীবনী নিয়ে আলোচনা করা খুবই জরুরী। তবে আমি এখানে গভীর আলোচনায় না গিয়ে বরং তাঁর জীবনীর উপর আমার উপলব্ধি কি জন্মেছে  সে ব্যাপারে হালকা কিছু আলোকপাত করব।

বুদ্ধি ভিত্তিক মন নিয়ে ইসলামকে গভীরভাবে ও দার্শনিক দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে বুঝতে চাইলে ইমাম গাজ্জালী (রা:) বই পুস্তকের বিকল্প নাই। বিশেষ করে ইসলাম সম্পর্কে বর্তমান যে উগ্রতা ও হঠকারিতায় এবং অপপ্রচার চলছে  সে প্রেক্ষিতে ইমাম গাজ্জালী (রা:)এর মত আমাদের ঐতিহ্যগত তথা সনাতন পণ্ডিতদের (Traditional scholars) প্রদত্ত জ্ঞানের অন্বেষণে মনোযোগ দেয়া এখন সময়ের দাবী।

জীবনী

পুরা নাম : আবু হামিদ মোহাম্মাদ বিন মুহাম্মদ আল গাজ্জালি জন্ম : ১০৫৮ খৃ: (৪৫০ হিজরী) মুত্যু : ১১১ খৃ: (৫০৩ হিজরী) বলা হয় তিনি ছিলেন তাঁর যুগের ইসলামের মুজাদ্দিদ ( Considered the Reviver (Mujaddid) of his age)

হাদিস : ان الله تعالى يبعث لهذه الامة على رأس كلّ مائة سنة من يجدد لها دينها নিশ্চয় আল্লাহ প্রত্যেক শতাব্দীর শুরুতে এই উম্মাহর জন্য একজন ব্যক্তিকে পাঠাবেন যিনি তাদের ধর্মের সঠিক মর্ম তথা আত্মা উপলব্ধি পুনরুজ্জীবিত এবং পুনরুদ্ধার করতে হবে সক্ষম হবেন। (আবু দাউদ)

জন্মের শহর : তুস (বর্তমান ইরানে) তাঁর পিতা সূতা ব্যবসায়ী ছিলেন ( cotton merchant ) । গাজল অর্থ সূতা,তাই তাঁর বংশকে গাজ্জালি নামে পরিচিত করেছে।

জ্ঞান চর্চায় ইমাম গাজ্জালী (র:) টার্নিং পয়েন্ট

তীক্ষ্ণ মেধা ও অসাধারণ প্রতিভার পরিচয় শিক্ষকদের কাছে প্রকাশ পাওয়ায় শিক্ষকরা তাঁকে পুত্রবৎ স্নেহে রাখতেন এবং বিশেষ উৎসাহে তাকে শিক্ষাদানে প্রবৃত্ত হন। তৎকালে ছাত্রদেরকে পাঠ্যবিষয়ে শিক্ষকদের দেয়া ব্যখ্যা ও বক্তব্য হুবহু লিপিবদ্ধ করতে বাধ্য করা হতো এবং এ লিখিত নোটগুলিকে ”তালিকাত” বলা হত। এরূপে ইমাম গাজ্জালী র: এর কাছে তালিকাতের এক বিড়াট ভান্ডার তৈরি হয়েছিল। একবার যখন জুরজানে অধ্যয়ন শেষ করে ইমাম গাজ্জালী র: জন্মভূমি তাহেরান যাত্রা করেন।পথিমধ্যে এক ডাকাত দল তার সর্বস্ব লুণ্ঠন করে নিয়ে যাচ্ছিল তখন তিনি তাদের পিছু হাটতে লাগলে ডাকাতরা তাকে বাঁধা দেয়। তিনি তাদের কাছে তার টাকা পয়সা ফেরত না চেয়ে শুধু মাত্র অন্তত তাহার সমস্ত অর্জিত বিদ্যার সঞ্চয় সম্ভার "তালিকাত" গুলি ফেরত দেয়ার জন্য অনুরোধ করেন। দস্যু সরদার তাকে উপহাসের স্বরে বলল,“তুমিতো বেশ বিদ্যাঅর্জন করেছ ! সবই কাগজে রয়েছে,মনে কিছু নেই” । এই কথা বলে সে তার সমস্ত তালিকাত ফিরিয়ে দিল। কিন্তু সরদারের ব্যঙ্গোক্তি ইমাম গাজ্জালী র: এর মনে দাগ কাটল। এর পর থেকে তিনি সমস্ত তালিকাত মুখস্থ করে নেয়ার সিদ্ধান্ত নেন এবং তখন থেকে যা শিখতেন তা আর তালিকাত নির্ভর না থেকে মুখস্থ করে নিতেন।

প্রাথমিক লেখাপড়া করেন তুস শহরে উস্তাদ ছিলেন ইমাম রাদাখানি এবং পরে চলে যান জুরান শহরে সেখানে উস্তাদ ছিলেন হযরত ইমাম আবু নসর ইসমাইল (র)। তৎকালীন যুগের শ্রেষ্ঠতম ধর্মতত্ত্ববিদ আলেম ইমামুল হারামাইন আল জুয়াইনি, আল্লামা আবু হামিদ আসকারায়েনি, আল্লামা আবু মুহম্মদ যোবায়নি প্রমুখ মহাজ্ঞানী উস্তাদের নিকট তিনি শিক্ষা লাভ করেন। প্রাচ্য ও পাশ্চাত্যের সকল দার্শনিকদের মতবাদও তিনি অত্যন্ত মনোযোগের সাথে অধ্যয়ন করেন নিজেকে সে সব  বিষয়ে নিজেকে বিশেষজ্ঞ হিসাবে প্রতিষ্ঠিত করতে সক্ষম হন।

লক্ষ্য হতে হবে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন

ইমাম গাজ্জালী নিজামুল মুলক তুসী মালিক শাহ সালজুকী ও বাগদাদের খলিফার দরবারে যোগ্য আসন লাভ করে সমকালীন রাজনীতিতে এত বেশী প্রভাব বিস্তার করেন যে, সালজুকী শাসক ও আব্বাসীয় খলিফার মধ্যে সৃষ্ট মতবিরোধ দূর করতে সক্ষম হন। বাগদাদে তিনি যখন তৎকালীন দুনিয়ার বৃহত্তম বিশ্ববিদ্যালয় নেজামিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ পদে যখন নিযুক্ত হন তখন তাঁর মনে প্রশ্ন দেখা দিল তার এই ইলম ও জ্ঞানচর্চার খ্যাতি তথা তখনকার যশস্বী জীবন (celebraty life) যেন তাকে আল্লাহর নৈকট্য ছেড়ে দুনিয়ার মোহে না জড়িয়ে দেয় । জ্ঞানচর্চা যেন ভুল নিয়াতের কারণে ঈমান ধ্বংসের কারণ না হয় । তিনি লিখেন,

“ইলম ও জ্ঞানচর্চার দ্বারা যদি তোমার উদ্দেশ্য হয়ে থাকে আত্মগৌরব ও বড়াই-অহংকার করা, সমকালীন লোকদের উপর প্রাধান্য বিস্তার করা, আপন প্রভাব ও প্রতিপত্তি প্রতিষ্ঠা করা, বিশ্ববাসীর নিকট প্রিয়পাত্র অথবা ভক্তিভাজন হওয়া, পার্থিব গৌরব অর্জন করা এবং রকমারী ধন-সম্পদ কুক্ষিগত করা, তাহলে জেনে রাখো– এই জ্ঞান অর্জনের দ্বারা তুমি তোমার দ্বীন ও ঈমান ধ্বংস করছ, স্বীয় মূল্যবান জীবন বিনষ্ট করছ। নশ্বর এই পৃথিবীর বিনিময়ে আখিরাতের অনন্ত জীবনকে বিক্রয় করে দিচ্ছ। নিঃসন্দেহে এটা অত্যন্ত গর্হিত ও ক্ষতিকর কাজ। এই ব্যবসায় তোমার বৃহৎ লোকসান ছাড়া লাভের কিছু অবশিষ্ট থাকছে না।”

[বিদায়াতুল হিদায়াহ : ইমাম আল-গাজ্জালী , প্রকাশক: দারুল কিতাব, পৃ-১১]

অতপর নেজামিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের চাকুরি ছেড়ে বাগদাদ হতে বের হয়ে দীর্ঘ প্রায় একযুগ (দশ বছর) তিনি বহু জনপথ ও মরুপ্রান্তর পরিভ্রমন করেন। মক্কা মদীনায় গমন করেন এবং পবিত্র হ্জ্জ পালন সমাপ্ত করেন।

ইমাম গাজ্জালী (রা:) মাত্র ৫৩ বছর বয়সে মারা যান। বর্তমান যুগের সম্ভাব্য আয়ুষ্কাল বিবেচনা করলে তিনি অতি স্বল্প বয়সেই ইন্তেকাল করেছেন বলা যায়। কিন্তু এই স্বল্প জীবনে তিনি যা অর্জন করেছেন বা ইসলামের যে পরিমান খেদমত করে যেতে পেরেছেন তা অভাবনীয়! এখানেই বুঝা যায় আল্লাহ মহান ব্যক্তিদের জীবনকে কিভাবে “বারাকা” পূর্ন করেন। আরবী শব্দ বারাকার অর্থ হচ্ছে পর্যাপ্ত পরিমাণ,অতিরিক্ত দান বা নিয়ামা দেয়া (bounty and more) । তাই আল্লাহ যাকে দিয়ে তার দ্বীনের খেদমত নিতে চান তাঁর জীবনের প্রতিটি মুহূর্তকে কাজে লাগাবার সুযোগ করে দেন তার জীবনকে বারাকা” পূর্ন করেন। ইমাম গাজ্জালী (রা:) জীবনে সেটাই হয়েছে বলা যায়।

 

মুসলিম বিশ্ব আজীবন ইমাম গাজ্জালী (র:)স্মরণ করবে

ইতিহাস প্রমাণ দেয়, সলজুক বংশীয় তুর্কীগন যখন ইসলাম গ্রহন করেন এবং রাজনৈতিক ক্ষমতা লাভ করেন তখন থেকে ইসলামী স্বভাব চরিত্র ও মুল্যবোধে বিরাট পরিবর্তন সাধিত হয় এবং তাদের মাধ্যমে এক অনুপম সভ্যতা গড়ে। সলজুক সুলতানদের যুগে মুসলমানদের বিদ্যার্জন স্পৃহা অত্যন্ত বৃদ্ধি পায়। মুসলিমরা তখনকার ইহুদী ,খৃষ্টান ও পারসিকদের প্রচলিত জ্ঞানার্জন করার পর প্রাচীন গ্রীক দর্শন, মিশরীয় ও ভারতীয় জ্ঞান সংগ্রহ করেন। এ সবের মধ্যে ছিল জ্যোতিসশাস্ত্র, জড়বাদ, নাস্তিকতা ইত্যাদি বিভিন্ন প্রকারের মতবাদ। তবে এই বিভিন্ন মতবাদের প্রসার মুসলমান সমাজে বহু মতানৈক্যের এবং ইসলামী বিশ্বাস ও জ্ঞানের সাথে নানারকম মারাত্বক অনৈসলামিক ধর্ম-বিশ্বাস ও জ্ঞান মিশে যাওয়ার পর খাটি ইসলামী বিশ্বাস ও অনইসলামী বিশ্বাসের মধ্যে পার্থক্য করাই কঠিন হয়ে পড়ে। অত্যধিক পরিমানে পার্থিব জড়বাদের প্রভাবে ধর্ম জ্ঞানের উপর বিরাট নেতিবাচক প্রভাব পড়তে থাকে। মুসলমান সমাজে ইসলামী বিশ্বাস ও ধর্মকার্যের ক্ষেত্রে এক চরম বিপর্যয়ের সৃষ্টি হয়। এদিকে প্রাচীন গ্রীক দর্শনের প্রভাবেও ইসলামকে সঠিকভাবে বুঝার ব্যপারে নানা বিভ্রান্তির সৃষ্টি হয়। ইমাম গাজ্জালী রঃ এই সমস্যা থেকে সমাজকে মুক্ত ও রক্ষা করার দায়িত্ব নেন। অতুলনীয় প্রতিভা ও নিপুনতার সাথে তিনি এই বিভ্রান্তিকর পরিবেশ থেকে মুসলিম সমাজকে রক্ষা করতে সক্ষম হন।

পরিশেষে বলা যায় বর্তমান মুসলিম বিশ্বে মুসলিম উম্মাহ ভিতর একদিকে
তথাকথিত "ভাষাভিত্তিক আঞ্চলিক জাতীয়তাবাদ" ও "ধর্মনিরপেক্ষতা" এবং অন্যদিকে ইসলামের নামে সন্ত্রাসী কার্যকলাপ সহ যাবতীয় ইসলাম বিরোধী মতাদর্শ অনুপ্রবেশ করে মুসলিমদের চিন্তা চেতনাকে যেভাবে কলুষিত করে রেখেছে তা থেকে মুক্ত হতে ইমাম আল-গাজ্জালীর মত বুদ্ধি ভিত্তিক এবং দার্শনিক চিন্তা ভাবনার একজন মুসলিম স্কলারের খুবই দরকার । 

great-works 

লেখনী ও বই:

ইমাম গাজ্জালি (রহ:) চারশ’র ও অধিক গ্রন্থ রচনা করেন। তার অধিকাংশ বইগুলোতে ধর্মতত্ব, দর্শন ও সুফিবাদ আলোচনা করেছেন। তার কয়েকটি প্রসিদ্ধ গ্রন্থের নাম উল্লেখ করা হলঃ
 ০১. এহইয়া উলুমুদ্দীন,
০২. তাহাফাতুল ফালাসিফা,
০৩. কিমিয়ায়ে সা’আদাত,
০৪. হাকিকাতুর রুহু,
০৫. দাকায়েকুল আখবার,
০৬. আসমাউল হুসনা,
০৭. ফাতাওয়া,
০৮. মিশকাতুল আনোয়ার,
০৯. বিদায়াহ ওয়া হিদায়াহ,
১০. আসরার আল মোয়ামেলাতুদ্দিন,
১১. মিআর আল ইলম,
১২. মুনক্বীয,
১৩. মুকাশাফা'তুল কুলুব ৷
 ১৪. আখেরাত (মৃত্যুর পরের জিবন)
১৫.দাকায়েকুল আখবার (সৃষ্টির রহস্য)
১৬.মিশকাতুল আনোয়ার ৷ 

 তাঁর বইয়ে উল্লেখিত উপদেশমূলক কিছু বানী:

ক• তিনটি বস্তু মানুষকে ধ্বংস করে দেয়। লোভ, হিংসা ও অহংকার।
 খ• তিনটি অভ্যাস মানুষের জন্য সর্বমুখী কল্যাণ ডেকে আনে। আল্লাহর ইচ্ছার প্রতি সন্তুষ্ট থাকা, বিপদের সময় দু’হাত তুলে আল্লাহর কাছে সাহায্য চাওয়া এবং যে কোন সংকটে ধৈর্য ধারণ করা।
 গ• মানবজীবনের সবচেয়ে বড় কৃতিত্ব হচ্ছে তার ‘মন এবং জবানকে’ নিয়ন্ত্রণের মধ্যে রাখতে সমর্থ হওয়া।
 ঘ• দুই ধরনের লোক কখনও তৃপ্ত হতে পারে না- জ্ঞানের অম্বেষী এবং সম্পদের লোভী।
 ঙ• আয়নায় নিজের চেহারা দেখ, যদি সুদর্শন হও তবে পাপের কালিমা লেপন করে ওকে কুৎসিত করো না! আর যদি কালো-কুশ্রী হয়ে থাক, তবে ওকে পাপ-পঙ্কিলতা মেখে আরও বীভৎস করে তুলো না।
 চ•  আল্লাহর প্রত্যেকটি ফয়সালাই ন্যায়বিচারের ওপর ভিত্তিশীল। সুতরাং কোন অবস্থাতেই অভিযোগের ভাষা যেন তোমার মুখে উচ্চারিত না হয়। 

ছ•  ক্রোধ মনুষ্যত্বের আলোকশিখা নির্বাপিত করে দেয়। 
 জ•  শক্ত কথায় রেশমের মতো নরম অন্তরও পাথরের মতো শক্ত হয়ে যায়।
 ঝ•  সাফল্যের অপর নামই অধ্যবসায়।

সুত্র :  ইমাম গাজ্জালী (রঃ) এর জীবনী ও তার গুরুত্বপূর্ণ কিছু উপদেশ বানী – চঞ্চল মাহমুদ

ইমাম গাজ্জালি কিছু  মুল্যবান  কোটেশন এখানেও পা্বেন।

তাঁর শিক্ষার কিছু নমুনা সংক্ষেপে অত্যন্ত সুন্দরভাবে নিচের গ্রাফিক  ভিডি্তওতে দেখতে পাবেন।

ইমাম গাজ্জালির জীবনীর উপর নিচের ডকুমেন্টারি ফ্রিমটি দেখতে পারেন। বিশ্বাস করেন অনেক কিছু জানার আছে 

বি:দ্র: লেখাটি সংকলন করতে ইন্টারনেট থেকে যাদের প্রদত্ত কিছু তথ্য সংগ্রহ করতে হয়েছে তাঁদেরকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি৷

১০ মন্তব্য

এক লাফে মন্তব্যের ঘরে

  1. তাজুল ইসলাম

    অনেক ধন্যবাদ মহি ভাই, ঈমাম গাজ্জ্বালী-কে নিয়ে লিখার জন্য।
    ইতিহাসের সকল ইসলামিক স্কলারদের মধ্যে তিনি নিঃসন্দেহে অন্যতম। তার লিখিত বইগুলো চিন্তার দোয়ার খুলে দেয়। “আধ্যাত্মিকতা” সম্পর্কে উনি সত্য বলেছেন এবং একমাত্র তার কথাগুলোই গ্রহন্যোগ্যতার স্কেলে উত্তীর্ণ (আরো স্কলার থাকতে পারে, জানা নেই)। বর্তমান সময়ের ভন্ড পীরদের সাথে সাংঘর্ষিক। (এমনকি ইলিয়াস পদ্ধতির তাবলীগ জামাতে যে সমস্ত অলৌকিক/কেরামতি বর্ণনা রয়েছে, তা পুরোই বিপরীতমুখী, এইসকল কেরামতির বর্ননা পুরোটাই গাঁজাখুরি।)

    “ধৈর্য” অন্তরের জ্ঞ্যান উম্মোচিত করে। অন্তরের সাথে বাস্তবতার সমন্বয়ের জ্ঞ্যান অনেক বর্ননা করেছেন, যা যে কাউকে চিন্তার রাস্তা এগিয়ে দিবে। *ইহা অবশ্যই সত্য, অন্তরের রহস্য গভীরে গিয়ে উম্মোচন করা কারো পক্ষে কখনই সম্ভব নয়, কারন, সৃষ্টির সীমাবদ্ধতা।* তারপরও তিনি যতটুকু বর্ণনা করেছেন, তার প্রশংসা করতেই হয়। আল্লাহ্‌ উনাকে তার নৈকট্যশীলদের অন্তর্ভুক্ত করুন।

    জাযাকাল্লাহ।

  2. মহিউদ্দিন

    তাজুল ইসলাম ভাই, পাঠ ও মন্তব্যের জন্য আপনাকে অশেষ ধন্যবাদ।

    একজন বিশ্বাসীর জন্য তার সময়ের উত্তম ব্যবস্থাপনা বা টাইম ম্যানেজমেন্ট কিভাবে করা উচিত সে বিষয়ে ইমাম আল গাজ্জালী অতি মূল্যবান উপদেশ নিচের লিংকে দেখতে পারেন। https://youtu.be/97A9bBRPezQ

    ইমাম আল গাজ্জালি সম্পর্কে শেখ হামজা ইউসুফের কথাগুলা শুনার দরকার নিচের ভিডিও থেকে।  

    https://youtu.be/pxtsUJx1I78

  3. আবদুল আউয়াল

    ইমাম গাযযালী প্রণীত গ্রন্থ সমূহে বিশেষ করে তাঁর ‘এহইয়াউ উলুমিদ্দীন’ ‘কীমিয়ায়ে সা’আদাত’ প্রভৃতি গ্রন্থে অনেক শিক্ষণীয় ও গুরুত্বপূর্ণ উপদেশ সমূহ রয়েছে। কিন্তু সেগুলি এবং তাঁর অধিকাংশ গ্রন্থ ঈমান বিধ্বংসী আক্বীদা এবং অসংখ্য জাল ও জয়িফ হাদীসে পরিপূর্ণ। সেকারণে কাজী আয়ায, মুহাম্মদ ফিহরী আন্দালুসী, শামসুদ্দীন যাহাবী, ইবনুল জাওযী, ইবনু কাছীর, ইবনু তাইমিয়া প্রমুখ বিদ্বানগন তাঁর প্রণীত কিতাব সমূহ পড়ার ব্যাপারে সাবধানবাণী উচ্চারণ করেছেন।

    তীক্ষ্ণ প্রতিভাধর ইমাম গাযযালী’র সংক্ষিপ্ত জীবনে অনেক পরিবর্তন ঘটেছে। যেমন- (১) তিনি জীবনের শুরুতে ফালসাফা তথা দর্শন শাস্ত্রের প্রতি অনুরক্ত হন। অতঃপর সেখান থেকে ফিরে আসেন এবং এর তীব্র বিরোধীতা করেন। অতঃপর (২) তিনি ইলমুন কালাম তথা তর্কশাস্ত্রের দিকে মনোযোগী হন এর উছুল তথা মূলনীতি বিষয়ে বুৎপত্তি অর্জন করেন। এসময় তিনি দার্শনিকদের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিরোধ ঘরে তোলেন ও হুজ্জাতুল ইসলাম উপাদিতে ভূষিত হন। এরপর (৩) তিনি ইলমুন কালাম থেকে প্রত্যাবর্তন করেন এবং বাতেনী মাযহাব গ্রহণ করেন। এরপর (৪) বাতেনী মাযহাব ছেড়ে তাসাউফের ঝুঁকে পড়েন। সব মাযহাবেই তিনি দক্ষতা অর্জন করেন এবং সব মাযহাবের বিরুদ্ধেই তিনি তীব্র প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন। অবশেষে তিনি হাদীসের ঝুঁকে পড়েন এবং আহলে হাদীস হন এবং এর উপরেই তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

    ইমাম ইবনু তাইমিয়া (রহঃ) বলেন, ‘তিনি শেষ জীবনে আহলে হাদীস তরীকায় ফিরে আসেন এবং ইনজামুল আওয়াম আল ইলমিন কালাম’ বইটি রচনা করেন (মাজমু ফাতাওয়া ৪/৭২) এর মাধ্যমে তিনি মুসলিম জাতিকে কিতাব ও সুন্নাতের দিকে ফিরে আসার আহবান জানান। কিন্তু তাঁর ভ্রান্ত আক্বীদা সমূহ তাঁর পূর্বেকার লেখনীর মধ্যেই থেকে যায়, যার মাধ্যমে বহু মানুষ বিভ্রান্ত হচ্ছে। আল্লাহ তাঁকে ক্ষমা করুন।

    অতএব যারা ইসলামের সঠিক আক্বীদা ও হাদীস শাস্ত্র সম্পর্কে সমধিক অবগত নন, তাদের জন্য ইমাম গাযযালী’র গ্রন্থ সমূহ পাঠ করা হতে বিরত থাকা আবশ্যক। যদিও সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন সাপেক্ষে তাঁর মূল্যবান উপদেশ সমূহ গ্রহণ করায় কোন আপত্তি নেই।

    (আত তাহরীক, প্রশ্নোত্তর, মে ২০১৪)

    ইসলামিক ফাউন্ডেশন থেকে প্রকাশিত সৌভাগ্যের পরশমণি (কীমিয়ায়ে সা’আদাত’) বইটি পড়ে আমি খুবই উপকৃত হয়েছি। অনেককে উপহার দিয়েছি, আমার এক ঘনিষ্ঠ আত্মীয় বইটি পড়ার পর নামাযী হয়েছেন, দাড়ি রেখেছেন, সিগারেট ছেড়েছেন।

  4. আব্দুল আওয়াল সুমন

    ইমাম গাযযালী প্রণীত গ্রন্থ সমূহে বিশেষ করে তাঁর ‘এহইয়াউ উলুমিদ্দীন’ ‘কীমিয়ায়ে সা’আদাত’ প্রভৃতি গ্রন্থে অনেক শিক্ষণীয় ও গুরুত্বপূর্ণ উপদেশ সমূহ রয়েছে। কিন্তু সেগুলি এবং তাঁর অধিকাংশ গ্রন্থ ঈমান বিধ্বংসী আক্বীদা এবং অসংখ্য জাল ও জয়িফ হাদীসে পরিপূর্ণ। সেকারণে কাজী আয়ায, মুহাম্মদ ফিহরী আন্দালুসী, শামসুদ্দীন যাহাবী, ইবনুল জাওযী, ইবনু কাছীর, ইবনু তাইমিয়া প্রমুখ বিদ্বানগন তাঁর প্রণীত কিতাব সমূহ পড়ার ব্যাপারে সাবধানবাণী উচ্চারণ করেছেন।

    তীক্ষ্ণ প্রতিভাধর ইমাম গাযযালী’র সংক্ষিপ্ত জীবনে অনেক পরিবর্তন ঘটেছে। যেমন- (১) তিনি জীবনের শুরুতে ফালসাফা তথা দর্শন শাস্ত্রের প্রতি অনুরক্ত হন। অতঃপর সেখান থেকে ফিরে আসেন এবং এর তীব্র বিরোধীতা করেন। অতঃপর (২) তিনি ইলমুন কালাম তথা তর্কশাস্ত্রের দিকে মনোযোগী হন এর উছুল তথা মূলনীতি বিষয়ে বুৎপত্তি অর্জন করেন। এসময় তিনি দার্শনিকদের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিরোধ ঘরে তোলেন ও হুজ্জাতুল ইসলাম উপাদিতে ভূষিত হন। এরপর (৩) তিনি ইলমুন কালাম থেকে প্রত্যাবর্তন করেন এবং বাতেনী মাযহাব গ্রহণ করেন। এরপর (৪) বাতেনী মাযহাব ছেড়ে তাসাউফের ঝুঁকে পড়েন। সব মাযহাবেই তিনি দক্ষতা অর্জন করেন এবং সব মাযহাবের বিরুদ্ধেই তিনি তীব্র প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন। অবশেষে তিনি হাদীসের ঝুঁকে পড়েন এবং আহলে হাদীস হন এবং এর উপরেই তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

    ইমাম ইবনু তাইমিয়া (রহঃ) বলেন, ‘তিনি শেষ জীবনে আহলে হাদীস তরীকায় ফিরে আসেন এবং ইনজামুল আওয়াম আল ইলমিন কালাম’ বইটি রচনা করেন (মাজমু ফাতাওয়া ৪/৭২) এর মাধ্যমে তিনি মুসলিম জাতিকে কিতাব ও সুন্নাতের দিকে ফিরে আসার আহবান জানান। কিন্তু তাঁর ভ্রান্ত আক্বীদা সমূহ তাঁর পূর্বেকার লেখনীর মধ্যেই থেকে যায়, যার মাধ্যমে বহু মানুষ বিভ্রান্ত হচ্ছে। আল্লাহ তাঁকে ক্ষমা করুন।

    অতএব যারা ইসলামের সঠিক আক্বীদা ও হাদীস শাস্ত্র সম্পর্কে সমধিক অবগত নন, তাদের জন্য ইমাম গাযযালী’র গ্রন্থ সমূহ পাঠ করা হতে বিরত থাকা আবশ্যক। যদিও সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন সাপেক্ষে তাঁর মূল্যবান উপদেশ সমূহ গ্রহণ করায় কোন আপত্তি নেই।

    (আত তাহরীক, প্রশ্নোত্তর, মে ২০১৪)

    ইসলামিক ফাউন্ডেশন থেকে প্রকাশিত সৌভাগ্যের পরশমণি (কীমিয়ায়ে সা’আদাত’) বইটি পড়ে আমি খুবই উপকৃত হয়েছি। অনেককে উপহার দিয়েছি, আমার এক ঘনিষ্ঠ আত্মীয় বইটি পড়ার পর নামাযী হয়েছেন, দাড়ি রেখেছেন, সিগারেট ছেড়েছেন।

    1. ৪.১
      মহিউদ্দিন

      পাঠ ও মন্তব্যের জন্য আপনাকে অশেষ ধন্যবাদ।

  5. এম_আহমদ

    একটি ভাল বিষয়ের উপর নবীন পাঠকদের পরিচিত করছেন। ইমাম গাজ্জালি ধর্মকে সুচিন্তিত ও যৌক্তিক আঙ্গিকে উপস্থাপনের একজন অনন্য সাধারণ ব্যক্তিত্ব বলতে পারেন। আমার জীবনের ধর্মীয় পাঠের শুরুতেই আসে ইমাম গাজ্জালির কিমিয়ায়ে সাআদাত। তা সম্ভবত ১৯৭৯/১৯৮০ সালে। আমিই অত্যন্ত অনুপ্রাণিত হই। ১৯৭৫ সালে যখন ইংল্যান্ডে আসি তখন গোটা বার্মিংহামে ৩/৪ মসজিদ ছিল। ধর্ম-কর্মের প্রচলন খুব একটা ছিল না। এর মধ্যে বিরল আকারে যারা ধর্ম পথে পদার্পণ করেছিলেন তাদের মধ্যে এক ধরণের জৌলুস কাজ করত। সেদিনের কত কাহিনী, কত স্মৃতি এখন অনেকটা স্বপ্নের মত হয়ে আছে। আসলে অতীত দিনের স্মৃতি আর স্বপ্নের বাস্তবতা মনের গহীনে অনেকটা একাকার বা বিভেদহীন হয়ে পড়ে।

    এই বিশ্ব জগতের মালিকের সাথে, না বরং এভাবে বলুন –আমাদের স্রষ্টার প্রতি আত্মার যে আগ্রহ ও প্রত্যয়পূর্ণ ভালবাসা রয়েছে যাকে কেন্দ্র করে মানুষ নিজেই যে তার আধ্যাত্মিকতা গড়তে পারে এবং এক্ষেত্রে এক গভীর অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করতে পারে তা গাজ্জালি স্পষ্টত না বললেও তার উদ্ধৃত বুর্জগানে দীনের বর্ণনা কাহিনীতে ধরা পড়ে। আমার দৃষ্টিতে মানুষের ধর্ম জীবনের দিগন্ত একান্তভাবে ধর্ম-পুস্তকে বা গ্রন্থাদিতে সীমিত নয়। গ্রন্থ সামাজিক অনেক দাবী পূরণের জন্য এসেছে এবং কিছু মৌলিক ইশারা প্রদান করেছে। এই বিষয়টি ব্যাখ্যা করতে একটি দীর্ঘ লেখার প্রয়োজন।

    গাজ্জালির সব গ্রন্থই জ্ঞানগর্ব। তাঁর অনেক বইপুস্তক এখন বাংলায় অনুদিত, এবং ইংরেজিতেও। তবে ইংরেজি অনুবাদে তার ধ্যান-ধারণা বাংলার চেয়ে অধিক স্পষ্ট হয়ে এসেছে –এটাই আমার এসেসম্যান্ট। এর কারণও রয়েছে। আপনার লিস্টের তাহাফাতুল ফালাসিফা (দার্শনিকদের অসঙ্গতি) এর বাংলা অনুবাদ রয়েছে। তবে দর্শনে যাদের হাতেখড়ি নেই তাদের জন্য বইটি বুঝা মুস্কিল। তবে ইবন রুশদ এই বইটির সমালোচনা করেছেন এবং এর নাম দিয়েছেন তাহাফাতুত তাহাফুত (অসঙ্গতির অসঙ্গতি)। এসব আলোচনার কোনো শেষ নেই। কেউ অগ্রসর হয়ে তাহাফাতু তাহাফাতিত তাহাফুত (অসঙ্গতির অসঙ্গতির অসঙ্গতি) নামে আরেকখানা পুস্তক প্রণয়ন করতে পারেন। এই ময়দানটা এভাবেই।

    মিশকাতুল আনোয়ার একটি দারুণ বই। এটা সূরা নূরের ৩৫ নম্বর আয়াতের আলোর কুলুঙ্গির ব্যাখ্যা। এর অনেক বিষয় কোয়ান্টাম ফিজিক্সের পাশে পাশে দেখা বা ব্যাখ্যার স্থান রয়েছে। এটিই বাংলায় পাওয়া যায়।

    তবে “উদ্ধৃতবাদী” উগ্র সালাফি সম্প্রদায় ইমাম গাজ্জালির প্রতি দারুণ রুষ্ট, এটা তাদের নিজেদের “গণ্ডির” বিষয়। এদের ব্যাপারে আমার আলাদা একটি লেখা এখানে রয়েছে। অনেক জ্ঞানী ও পণ্ডিত ব্যক্তিদের ব্যাপারে তাদের ট্রেডমার্ক বক্তব্য এভাবে আসে: ‘…আগে তিনি এই ছিলেন সেই ছিলেন, তারপর শেষ জীবনে সহিস হাদিসে পদার্পণ করে খাটি ইসলাম বুঝেছেন …’। এই এবারতের বিভিন্ন রূপ রয়েছে। এটা মাযহাবের কোনো কোনো ইমামদের ব্যাপারেও প্রসারিত হয়, বিশেষ করে ইমাম আবু হানিফার ক্ষেত্রে এবং বড় আকারে প্রচার করে। তবে যারা সালাফি নন তারা এদের কথায় কান দিয়ে নিজেরা ভ্রষ্ট হবার প্রয়োজন আছে বলে মনে করি না। নিজেরা গাজ্জালির বই পড়ুন, তারপর নিজেদের বিবেচনা নিজেরাই করুন।

    এখানে ইমাম গাজ্জালির উপর হামজা ইউসূফের কয়েকটি বক্তৃতা লিঙ্ক করছি। এগুলো শুনলে পাঠকের দৃষ্টি প্রসারিত হবে বলে মনে করি।

    Shaykh Hamza Yusuf – The Critical Importance of Al-Ghazali in Our Times
    Shaykh Hamza Yusuf – Imam Al-Ghazali
    Hamza Yusuf – Interview On Imam Al-Ghazali
    Imam Al Ghazali The Sweeper | #Humilty | Shaykh Hamza Yusuf
    Advices From Imam Al Ghazali – Hamza Yusuf
    Alchemy of Happiness by Imam Al Ghazali Commentary by Sheikh Hamza Yusuf
    Alchemy of Happiness by Imam Al Ghazali Commentary by Sheikh Hamza Yusuf

    যাক, আর দীর্ঘ করে লাভ নেই। সালাম।

    1. ৫.১
      মহিউদ্দিন

      আস্ সালামু আলাইকুম এম আহমেদ ভাই,

      ইমাম গাজ্জালি সম্পর্কে আমার এ লিখায় আপনার মন্তব্য ও সম্পূরক তথ্যে প্রদানের জন্য ধন্যবাদ। আপনার দেয়া লিংকগুলা ঠিক করে নিচে দিলাম। ইমাম গাজ্জালির জীবনী নিয়ে একটি ফ্লিমও আছে যা আমার ব্লগের শেষে সন্নিবেশিত আছে। সময় সাপেক্ষে কেউ দেখাতে পারেন। অনেক কিছু জানার আছে।

      Shaykh Hamza Yusuf – The Critical Importance of Al-Ghazali in Our Times 
      Shaykh Hamza Yusuf – Imam Al-Ghazali  ​
      Hamza Yusuf – Interview On Imam Al-Ghazali  
       Imam Al Ghazali The Sweeper | #Humilty | Shaykh Hamza Yusuf  
      Advices From Imam Al Ghazali – Hamza Yusuf  
      Alchemy of Happiness by Imam Al Ghazali Commentary by Sheikh Hamza Yusuf  

  6. শাখাওয়াত জনী

    ইস্লামি পন্ডিতদের সর্বশ্রেষ্ঠ একজন ইমাম গাজ্জালী। তার এহইয়ামুল উলুমুদ্দিন যেটা বাংলা করেছেন মাওলানা প্রয়াত মহিউদ্দিন খান। আমি সেটা পডেছি, কি সুন্দর লেখা, কি যৌক্তিক লেখা। মন প্রান ভালো হয়ে যায়। এখন কার আলেম রা এই ভাবে লিখতে ও পারেনা, ওয়াজ করতে পারেনা। তবে আশার আলো এই যে আপনারা জেনারেল শিক্ষিত হয়েও জাজাকাল্লাহ যতটুকু পারেন ভালো লিখেন। প্রাউড অফ ইউ গাইজ।

    1. ৬.১
      মহিউদ্দিন

       পাঠ ও মন্তব্যের জন্য আপনাকেও অশেষ ধন্যবাদ। ভাল থাকেন।

  7. মহিউদ্দিন

    অধ্যাপক ফ্রাঙ্ক গ্রিফিল (Frank Griffel) ইসলামি ধর্মতত্ত্ব, এবং পশ্চিমা আধুনিক জীবন ব্যবস্থায় ইসলামী চিন্তাবিদদের প্রতিক্রিয়া, আরব ও ইসলামী দর্শন, ইসলামী আইন, এবং মুসলমান বুদ্ধিজীবীদের ইতিহাস নিয়ে গবেষণা করেন এবং এ সব বিষয়ে তিনি পশ্চিমা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষক। ইমাম গাজ্জালির উপর তার রচিত গ্রন্থের ব্যাপারে নিম্নের Mac Millan Report ভিডিওতে জানা যাবে পশ্চিমারা ইমাম গাজ্জালিকে একজন ইসলামি স্কলার হিসাবে কিভাবে মূল্যায়ন করেন। Interesting observation..

    The Mac Millan Report Video

Comments have been disabled.