«

»

এপ্রিল ১৬

অধুনা বাংলা নববর্ষ বরণ কি আমাদের সনাতন উৎসব!!!

বলা হয় যে বাংলা বর্ষপঞ্জি আকবর বাদশাহর নির্দেশে তৈরি করা হয়েছিল। আমার প্রশ্ন বাদশাহ আকবর কি বাঙ্গালী ছিলেন না বাংলায় বাস করতেন! ভারত ব্যাপী এত সব জাতী থাকতে তিনি কোন প্রেমে বিভোর হয়ে বাংলা সনের প্রবর্তন করে বসলেন?
আমরা তো জানি আকবর বাদশাহ বাংলা থেকে অনেক দূরে দিল্লীতেই বসবাস করতেন। আসলে আকবর বাদশাহ বাংলা সন নয় সে তাঁর খাজনা ট্যাক্স আদায় করা সুবিধার জন্য তখন ভারতে রাষ্ট্রীয় ভাবে প্রচলিত হিজরি ক্যালেন্ডারকে সংশোধন করেছিলেন। আর সেটির নাম ছিল আকবরি সন। হিজরি ক্যালেন্ডার গণনা করা হয় চন্দ্রের আবর্তনকে হিসাব করে। আকবর তখন হিজরি সনের গণনা রীতি পরিবর্তন করে পারসিয়ান রীতি অনুসরণ করে চন্দ্র আবর্তন থেকে সৌর আবর্তনের হিসাবে নিয়ে আসেন। যে সময় নিয়ে আসেন সেই সময় কাল ছিল- ১৫৮৪ সন। শুধু তাই নয় হিজরি বছর শুরু হয় মহরম মাস থেকে কিন্তু আকবর তা বদল করে পার্সিয়ানদের বছর শুরু মাস Adukanaisa বা Hadukannas দিয়ে শুরু করেছিলেন। পার্সিয়ানদের বছর শুরু হয় ইংরেজি সনের মার্চ মাসের ২১ তারিখ থেকে।
আমাদের আজকের বাংলা বর্ষ শুরু হয় ইংরেজি সনের ১৪ই এপ্রিল থেকে। আজকের বাংলা বর্ষ শুরু আর আকবরের বর্ষ শুরু মধ্যে ২৫ দিনের ব্যবধান পরিলক্ষিত হয়। কাজেই বাংলা সন যে আকবর বাদশাহ প্রবর্তিত আকবরী সন তা পুরো সঠিক নয়।
আকবর বাদশাহ এই ২১শে মার্চকে বছরের সূচনা হিসাবে গ্রহণ করার মূল কারণ ছিল ঐ তারিখে সে সিংহাসনে বসেছিল। তাই তো ১৫৮৪ সনে হিজরি সন থেকে আকবরি সনে মাইগ্রেট করলেও আকবর বাদশাহ তাঁর সিংহাসন আরোহণের বছরকে স্মারক করে রাখতে আকবরি সনের উৎপত্তি কালকে পিছিয়ে ১৫৫৬ সনে নিয়ে যায়। আর সেটি ঘটেছিল হিজরি ৯৬৩ সনে। তাছাড়া আকবরি সনে কোন বাংলা মাসের নাম নিশানা ছিলোনা।
পরে কোন এক সময় বাঙ্গালীরা নিজদের হিসাব নিকাশ শুভ অশুভ নির্ণয় করতে আকবরি সনের মাইগ্রেট পদ্ধতি গ্রহণ করলেও তাঁরা আকবরি সনের মাসের নামকে গ্রহণ না করে হিন্দুদের কাছে প্রচলিত মাস গুলোর নাম গ্রহণ করে। এবং এই মাস গুলো শুরু এবং শেষ হয় রাশি চক্রে সূর্যের অবস্থানের উপর। ১৫ই এপ্রিল মেষরাশিতে যখন সূর্য প্রবেশ করে তখন থেকে বৈশাখ মাসের শুরু হয়। আর এই ভাবে ভিন্ন বার রাশির উপর সূর্যের অবস্থানের উপর ভিন্ন বার মাসের নাম করণ করা হয়েছে। তাই অনেকে আকবর বাদশাহর সময় থেকে বৈশাখ মাসকে বছর শুরু দাবী অসত্য বই আর কিছু নয়। যদি সত্য হত তাহলে তো কোথাও না কোথাও লিখিত দলিল পাওয়া যেত। আমাদের ইতিহাসবিদগণকে মনে করি শব্দটি ব্যবহার করতে হতোনা।
আসলে বাংলা সন হচ্ছে হিজরি সন, ইরানীয়ান সন এবং বৈদিক সুরিয়া সিদ্ধান্তের এক মিশ্রিত সন। যা মোটেই আকবরি সন নয়। তাই এই সনের উৎপত্তিকে জাতে তোলতে কয়েক শ বছর পিছিয়ে নিয়ে গিয়ে মিথ্যা আত্মপ্রসাদ লাভ করি তা অত্মপ্রবঞ্চনা ছাড়া কি নয় বৈকি!!!
বাংলা ক্যালেন্ডার কিন্তু শহুরে লোকদের চেয়ে গ্রামের লোকেরাই বেশী ব্যবহার করে । বিশেষ করে কৃষি কাজের জন্য কৃষকেরা বাংলা ক্যালেন্ডারের হিসেব নিকেষ ব্যবহার করে থাকে। এই কৃষি ফসল লাভের ভিত্তি করেই কৃষক সমাজ কয়েকটি উৎসব করে থাকে তা বাংলার আদি সংস্কৃতিরই অংশ। এর মাঝে রয়েছে ,নবান্ন, পৌষের পিঠা উৎসব । আর ছিল বেনিয়াদের স্বার্থ, এই দেশে মহাজনরা দরিদ্র গ্রামবাসীদেরকে অধিক মূল্যে বাকীতে তাঁদের পণ্য বিক্রি করে থাকে। বছর শেষে হিসাব নিকাশ পরিস্কার করার কথা বলে এক দিন কিছু মিষ্টির ব্যবস্থা করে ক্রেতাদের কাছ থেকে তাঁর বাকি টাকা আদায় করে নেয়ার ধান্ধায় শুভ হালখাতা উৎসব সৃষ্টি করে ।
এই ভাবেই মহাজনদের মস্তিষ্ক প্রসূত রেওয়াজ এবং ইউরোপ ঘুরার সময় তাঁদের নিউ ইয়ার পালন করা দেখে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর অনুপ্রাণিত হোন। রবীন্দ্রনাথের প্রচেস্টায় শান্তি নিকেতনে বাংলা নববর্ষ উৎসব করে পালন করার রীতি প্রচলিত হয়। আরও পরে ১৯৬৭ সালে শান্তি নিকেতনের শিক্ষিত সম্প্রদায়ের প্রচেস্টায় ছায়ানটের মাধ্যমে ঢাকায় শুরু হয়েছিল। এই নববর্ষ উৎসব পালন একটি সম্পূর্ন কৃত্রিম উৎসব, যা কৌশলে আমাদের সাংস্কৃতির মধ্যে উড়ে এসে জুড়ে বসেছে। এই উৎসব যে ১০০ ভাগ কৃত্রিম তা তাঁর দিনে দিনে প্রকাশিত হয়ে পড়ছে। মংগল শুভযাত্রা বলে যে মিছিলের নামে যে আনন্দ মিছিল বের করা হয় তা এসেছে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের ভগবান শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমীর মঙ্গল শুভযাত্রা থেকে এবং অধুনা এতে বর্নাট্য মুখোশ আর প্রতীকের ব্যবহারের পালক এসেছে ল্যাটিন আমেরিকান সদ্য কার্নিভালের মত বিজাতীয় উৎস থেকে, তাই এই ভাবে মিছিল করে নববর্ষ কোন যুগে আমাদের বাপ দাদা পালন করার ইতিহাস কেউ দেখাতে পারবেননা। কাজেই এই জগাখিচুরী নববর্ষ বরন কোন ভাবেই বাঙ্গালি জাতির চির সনাতন উৎসব বলে দাবি করতে পারেনা। এই নব নব উৎসবের জন্য মিসকিন জাতীয়তাবাদীরা ভিনদেশ ভিন ধর্ম থেকে আগাছা নিয়ে এসে তাঁদের সত্যিকারের জাতীয়বাদী অবয়বকে ঢেকে ফেলছে। আর জানেন তো আগাছা চাষ করা প্রয়োজন হয়না, পানী দেবার প্রয়োজন হয়না, কীটনাশক দেবার প্রয়োজন হয়না, সার দেবার প্রয়োজন হয়না, বেড় দিয়ে রক্ষণাবেক্ষণের প্রয়োজন হয়না। এমনি করে এক থেকে শতাধিক ভাইরাসের মত গজিয়ে উঠে, বংশ বিস্তার করে। বাংলাদেশের মুসলিমদের মননে এই ভাবে যুগে যুগে বহু আগাছা গজিয়ে দেয়া হয়ে ছিল এবং সেই সব গজিয়ে দেয়া আগাছা কালক্রমে আজ বিষবৃক্ষ পরিণত হয়েগেছে।
এই সব উৎপাটন এখন আর মোটেই সহজ নয়

৪৬ মন্তব্য

এক লাফে মন্তব্যের ঘরে

  1. শাহবাজ নজরুল

    আমি যখন বুয়েটে পড়ছিলাম ৯০ দশকের প্রথমভাগে তখনও এই ধরনের মুখোশ মিছিল আর পান্তা ইলিশের চল দেখিনি। তবে ৯০ দশকের মধ্যভাগে – যখন আমার স্নাতক শিক্ষা শেষ পর্যায়ে – তখন দেখলাম এই মুখোশ মিছিল আর পান্তা ইলিশের চল শুরু হয়ে গেছে – যদিও বেশ সীমিত আকারে। তবে ছায়ানটের বটতলার গানের উত্সব ছিল সবসময়ই। যেভাবে বললেন ১৯৬৭ সাল থেকে ছায়ানটের মাধ্যমে বৈশাখ বরণ রমনা বটমূলে শুরু হয়। বাবা, মামা সহ গুরুজনদের কাছে থেকে শুনেছি – ১৯৬৭ সাল বাঙালি পুনর্জাগরণের এক অভূতপূর্ব বছর ছিল। এর আগে বর্ষ বরণ এতটা আনুষ্ঠানিক ছিলনা। তবে পুরনো ঢাকাতে – নতুন বছরের হিসাব খাতা ('হালখাতা') খোলা ছিল বর্ষ বরণের অংশ। ১৯৬৭ সাল থেকে ২১ শে ফেব্রুয়ারী আর প্রভাত ফেরিতেও জনতার ঢল নাম অভাবনীয় ভাবে। এর আগেও প্রভাত ফেরি হত – তবে এটা ছিল বেশ সীমিত আকারে। আসলে তখন থেকেই বাঙালি বুঝতে পারে পশ্চিমের সাথে আর নয়। হয়ত ১৯৬৬ সালের ৬ দফা দাবি পেশের মাধ্যমে বাঙালি স্বাধিকারের নতুন মাত্রা সূচিত হলে আমাদের বাঙালি সত্তার পুনর্জাগরণ হয়। সেই সূত্র ধরে ৬৯ এর গণ অভ্যুত্থান ও ৭১ এর স্বাধীনতা।

    বাঙালিত্বের মধ্যে আমাদের পরিচিতির অনেক খানি লুকিয়ে আছে। সেই হিসেবে পহেলা বৈশাখে নিজেদের পরিচিতি খুঁজে পাবার মধ্যে কোনো সমস্যা দেখিনা। তবে আপনি যেভাবে বললেন নববর্ষ উদযাপনের জন্যে এখান ওখান থেকে আংশিক উত্সব ভাড়া করে একটা জগা খিচুরী উত্সব বানানোর প্রবণতা যে দেখা যাচ্ছে – সে সম্পর্কে আমাদের নিজেদেরই এসব প্রশ্নের সদুত্তর খুঁজে পেতে প্রত্যয়ী হতে হবে।

    1. ১.১
      মুনিম সিদ্দিকী

      বাঙালিত্বের মধ্যে আমাদের পরিচিতির অনেক খানি লুকিয়ে আছে। সেই হিসেবে পহেলা বৈশাখে নিজেদের পরিচিতি খুঁজে পাবার মধ্যে কোনো সমস্যা দেখিনা।

      ইসলাম আমদেরকে ভালবাসা শিক্ষা দান করে। তাই জনপদ আর জনপদের মানুষ এবং তাঁদের রীতিনীতি, সুখ দূঃখে সাথী হতে ইসলামের  মানা নেই। তবে খেয়াল রাখতে হবে যাতে করে ইসলামের মূল দর্শন থেকে যাতে পদখলন না ঘটে। তাই যে পথের পদে পদে আছে ইসলাম থেকে দূরে সরিয়ে রাখার সালসা মওজুদ সেখানে না যাওয়াটা হবে ভাল কাজ।
      হ্যা আমরা বাংলা বর্ষ উৎযাপন করতে পারি।
      যদি আমরা সেদিন- গরীব পাড়া প্রতিবেশীদের জন্য একদিনের কর্ম বিরতীর সৃষ্টি এবং ঐদিন তাদেরকে নিয়ে ভাল খাবার ভালো পরা ব্যবস্থা করতে পারি। সেদিন ঘরে ঘরে পীঠা পুলী ভাল খাবার ব্যস্থা করা এবং মেহমানদের আদর আপ্যায়নের ব্যবস্থা করা। আর শিশুদের জন্য নির্মল অনুষ্ঠানের ব্যবস্থা করে।
       

  2. ফুয়াদ দীনহীন

    মুনিম ভাই যে কত কিছু খোজে বের করে নিয়ে আসেন। মুনিম ভাই, আপনার সিরিজ লেখেগুলিতে আরো কিছু বাকি ছিল, সেগুলো লিখবেন না ?

    1. ২.১
      মুনিম সিদ্দিকী

      দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে বেশী করে ফেসবুকে ব্যস্ত থাকার জন্য সদালাপে সময় তেমন দেয়া যাচ্ছেনা। ধন্যবাদ।

      1. ২.১.১
        ফুয়াদ দীনহীন

        সময় নিয়ে সিরিজ কমপ্লিট করে ফেলুন। 

  3. মহিউদ্দিন

    সহমত, যথার্থ বলেছেন।

    এই কথাগুলা শুনেন।
    http://www.facebook.com/video/embed?video_id=449249128496390

  4. মহিউদ্দিন

    ভাই লিংকটা একটু এডিট করে নিবেন তার পর এই কমেন্টাও ডিলিট করে দিয়েন। ধন্যবাদ।

  5. জাফর আহমদ

    বাংলা নববর্ষ সম্পূর্ণতই একটা হিন্দুয়ানী সংস্কৃতি। যেদিন থেকে আমরা ইসলাম গ্রহন করেছি সেদিন থেকেই আমার মুশরিক হিন্দু সংস্কৃতিকে বর্জন করার প্রতিজ্ঞা করেছি। বর্তমানে বাংলাদেশে ব্যপকভাবে প্রচলিত পহেলা বৈশাখ  আমাদেরকে মুশরিকতার দিকে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়ার প্রচেষ্টা ছাড়া আর কিছুই নয়। তাই আমাদের উচিত এই হিন্দুয়ানী সংস্কৃতিকে বর্জন করে ইসলামি সংস্কৃতিকে গ্রহন করে তা আত্মস্থ করা। আরবী সংস্কৃতি হলো আমাদের আসল সংস্কৃতি কারন আমাদের নবি আরব দেশে জন্মেছেন , তার আদর্শ ও জীবনযাত্রা আমাদের অনুকরনীয়। যা কিছু অনারবীয় তাই বর্জনীয়। ইসলাম হলো একমাত্র সত্যের পথ, সেই ইসলাম আমাদেরকে যে সংস্কৃতি প্রদান করবে , আমাদের সেটাই সর্বান্তকরনে গ্রহন ও আত্মস্থ করা উচিত।

    1. ৫.১
      মুনিম সিদ্দিকী

      তাই!!!! 

  6. এম_আহমদ

    ভাই যে কথাগুলো বলার ছিল যে কথাগুলো আব্দুল হাই শিকদার আমার চেয়েও ভাল করে বলে ফেলেছেন। এতটুকু সংযোগ করি যে 'বাঙালীয়ানার' নামে যেসব কর্ম-কাণ্ড 'তৈরি' করা হচ্ছে, বা অপরাপর কর্মকাণ্ড থেকে 'নির্বাচন' করা হচ্ছে, এগুলো 'তৈরি' এবং নির্বাচিত'।. এগুলো সময়ের সাথে মিলিয়ে যায় এবং নতুন নতুন কর্মকাণ্ড তৈরি ও নির্বাচিত হয়। এতে মহান কিছুর দাবী প্রতিষ্ঠিত হয় না। আপনি পান্তা-ইলিশ খান আর আমি খাই ফিস এন্ড চিপস। এটা নিছক পার্থক্য। এর জন্য কারও অগ্রাধিকার অন্য কারও উপর প্রতিষ্ঠিত হয় না। এটা আড়াই-বড়াইয়ের কিছু না। তাছাড়া অনেক কর্মকাণ্ড এমন আছে যেগুলো অনেকের বাঙালীয়ানা হবে আর অনেকের কাছে নয়। আমি কোনোদিন পান্তা-ইলিশ খাই নি। বৈশাখী টিভিতে দেখেছি। একবার (বলুন প্রথম বার) যখন লন্ডনে বৈশাখী পালিত হয়, তখন লন্ডনে থাকায় তা দেখে আসতে ইচ্ছে হয়। কিন্তু আন্দাজ করতে পারি নি এর সাথে বাঙালিত্বের কি সম্পর্ক। আগে শুনতাম মাছে ভাতে বাঙালী। এখন তা হচ্ছে গোস্তে-ভাতে বাঙালী। তবে কেউ কেউ অবশ্যই মাছে ভাতে। বিয়ানী বাজারে মাছের দাম গোস্তের চেয়েও বেশি। এভাবেই লেগেছে। গ্রামে ছেলেরা প্যান্ট করে। মেয়েরা বিবাহিতা  না হলে সেলয়ার কামিজ পরে, শাড়ি নয়। গ্রামে আগের মত কেউ কারো বাড়িতে যাওয়া আসা করে না। সবাই ইউরোপের ফিল্ম টিভি নিয়ে যার যার ঘরে আবদ্ধ। শহরের কোনো কোনো পরিবারের ছেলে মেয়েরা আগের খাটি এক্সেন্টে বাংলা বলতে পারে না। ড়-এর উচ্চারণ, র-এর উচ্চারণ এবং আরও কিছু অক্ষরের উচ্চারণ এবং বাক্যের স্বাচ্ছন্দ্যময় গতিতে উচ্চারণে জটিলতা ইত্যাদি দেখা যায়। আব্দুল গাফফার চৌধুরী গত ফেব্রুয়ারিতে আরেকটি ভাষা আন্দোলনের কথা বলেছেন। এটা কার বিরুদ্ধে হবে? পাকিস্তানের?  না, বরং দোষারূপ করার জন্য পাকিস্তানি একটা কিছু পেতে হবে। কিন্তু এখানে কষ্ট হবে। মুল্লা মৌলভীরা এবং সাধারণ মৌলবাদীরা (!) কিন্তু বেশিরভাগ ক্ষেত্রে বাংলাকে ধরে আছে।  এই বিলাতেও মসজিদ ভিত্তিক বাংলা শিক্ষা চালু করেছে। কিন্তু মুল্লা-বিদ্বেষীদের সন্তানরা বেশির ভাগ ক্ষেত্রে অপসংস্কৃতিতে হারিয়ে গিয়েছে। 
     
     
    তো দিয়ে শুরু করেছিলাম আর কোথায় যাচ্ছি। বৈশাখী মেলার আদর্শ দেখবেন। তাদের জীবন পদ্ধতি দেখবেন। তাদের "সংস্কৃতি" দেখবেন। সবকিছুর প্রতীক/প্রতীকীর দিকে তাকাবেন। তখনই আপনাতেই চোখে পড়বে স্বনামে বেনামে  পৌত্তলিকতার উপস্থিতি।         

    1. ৬.১
      মুনিম সিদ্দিকী

      ভাই যে কথাগুলো বলার ছিল যে কথাগুলো আব্দুল হাই শিকদার আমার চেয়েও ভাল করে বলে ফেলেছেন।

       
      কোথায় বলেছেন? কি বলেছেন?

      1. ৬.১.১
        এম_আহমদ

        আসলে মহি ভায়ের দেয়া লিঙ্কের দিকে ইঙ্গিত করেছিলাম। মন্তব্য ৩, ওখানে আব্দুল হাই শিকদারের কথা এসেছে। http://www.facebook.com/video/embed?video_id=449249128496390

  7. ইমরান হাসান

    কিছুই বলার নাই। তবে বাংলাতে এর আগেও শকাব্দ আর চান্দ্র মাস এর ভিত্তিতে ফসল তোলা আর অন্যান্য বিষয় এর হিসেব রাখা হত। আসলে পহেলা বৈশাখ জাস্ট আমাদের আদি অনার্য রুট এর একটা অপভ্রংশ এর বহিঃপ্রকাশ ঘটানোর চেষ্টা মাত্র। এর মধ্যে ইসলামিক অনইস্লামিক এর বিষয়টা ততটা প্রকট ভাবে নেই,  এটা ততটাই অনৈসলামিক, যতটা ললিত কলা আর নাচ এর চর্চা করা, আর এই বিষয় গুলো অনেক দিন থেকেই আমাদের ভিতরে আছে, মালিতেও প্যাগান যুগের অনেক উৎসব পালিত হত আর হচ্ছে, এইগুলো আসলেও ততটা বৃহৎ এম্নিতে মনে না হলেও এটাকে ঘাঁটালে বড় হয়ে যেতে পারে, 

  8. নীল

    এই নববর্ষ উৎসব পালন একটি সম্পূর্ন কৃত্রিম উৎসব, যা কৌশলে আমাদের সাংস্কৃতির মধ্যে উড়ে এসে জুড়ে বসেছে।

    ভালই বলেছেন
     
    সেক্ষেত্রে ইসলামও বিজাতীয়। আরব দেশ থেকে উড়ে এসে জুড়ে বসেছে
     

    1. ৮.১
      মুনিম সিদ্দিকী

      @নীল: তাহলে আপনার মন্তব্য থেকে বুঝা যাচ্ছে যে, আপনার জাতীয়তা সম্পর্কে গভীর জ্ঞান সংকট আছে। জাতীয়তা শব্দের জন্ম হয়েছে ক্ষুদ্র আঞ্চলিকতা থেকে। আর এর উৎপত্তি হয়েছিল ইউরোপ থেকে। তাঁদের যাজক পাদ্রী পোপের শাসন থেকে মুক্তি জন্য  একটি নির্দিস্ট ভৌগলিক অঞ্চলের মানুষকে সে অঞ্চলের ভাষা অঞ্চল ভিত্তিক ভাবে বিভাজিত করে  আলাদা রাষ্ট্র যন্ত্র সৃষ্টি করা হয়েছিল। যে ইউরোপ থেকে এই জাতীয়তাবাদের উৎপত্তি হয়েছিল তা আজ আর নেই। তাঁরা এখন ভৌগলিক আঞ্চলিকতা ভুলে বৃহত্তর ইউরোপ ইউনিয়ন গঠন করেছে। আর সেটি ভিত্তি হচ্ছে তাঁরা ইউরোপিয়ান মহাদেশের বাসিন্দা। আর ইসলাম কোন নির্দিস্ট ভৌগলিক জাতীয়তা ধারণ করেনা। ইসলাম হচ্ছে আন্তর্জাতিক। যদি আপনারদের ভারতে একজনও মুসলিম না থাকে তাহলেও ইসলাম পৃথিবীর অন্যান্য দেশে থেকে যাবে। ইসলামকে কখনও নির্মুল করা যাবেনা। ইউরোপিয়ানগণ এখন এসে বুঝতেছেন যে বৃহত্তর মানবের মধ্যে বৃহত্তর ঐক্য গড়া দরকার তাই তাঁরা মহাদেশীয় ঐক্য গড়ে তোলেছে। আর ইসলাম ১৪ শত বছর আগেই শধু মহাদেশীয় নয় সারা পৃথিবী ব্যাপী ঐক্য গড়ে তোলার প্রক্রিয়া শুরু করেছিল। যা এখন সে চেষ্টা অবিরাম চলছে এবং চলতে থাকবে। অথচ আপনাদের ভারতীয়রা সে সময়ে শুধু ভারতবর্ষকেই দুনিয়া ভাবতেন। কাজেই যে পথ মত দুনিয়ার যে কোন ভাষা ভাষী গোত্র বর্ণ  সহজে অন্তর্ভুক্ত হতে পারে সে পথ আর মত কখনও ক্ষুদ্র আঞ্চলিক হতে পারেনা।

      1. ৮.১.১
        নীল

        ইসলাম হচ্ছে আন্তর্জাতিক

        অন্য ধর্মগুলো কি দোষ করল যে আন্তর্জাতিক হতে পারল না। অবশ্য অন্ধ মুসলিমদের চোখে ইসলাম ছাড়া বাকি ধর্ম বিশ্বাস গুলা কিছুই না সেটা খুব ভালো করেই জানি
         

        আর ইসলাম ১৪ শত বছর আগেই শধু মহাদেশীয় নয় সারা পৃথিবী ব্যাপী ঐক্য গড়ে তোলার প্রক্রিয়া শুরু করেছিল। যা এখন সে চেষ্টা অবিরাম চলছে এবং চলতে থাকবে।

        দিন দিন ইসলাম ভাগ হচ্ছে আর আপনি বলছেন ঐক্য গড়ে উঠছে, শিয়া সুন্নি, আহামেদিয়া, কত কি
         

        যদি আপনারদের ভারতে একজনও মুসলিম না থাকে তাহলেও ইসলাম পৃথিবীর অন্যান্য দেশে থেকে যাবে।

        বহু ইসলামিক দেশেই অন্য ধর্মের কোন পাত্তা নেই বললেই চলে। ওই ধর্মগুলো কি পৃথিবী থেকে মুছে গেছে নাকি
         

        যদি আপনারদের ভারতে………আপনাদের ভারতীয়রা

        এখানে ভারত প্রসঙ্গ কেন এল বুঝতে পারছি না। আমি কি পাপিস্তান নিয়ে কিছু বলিনিত

        আপনার কাছ থেকে বাংলা ভাষা একটি বিজাতীয় ভাষা, আসুন আমরা সবাই আরবিতে কথা বলি, আরবি আন্তর্জাতিক ব্লা ব্লা টাইপ একটি পোস্ট পাব বলে আসা করছি। আপনার পক্ষেই এমন পোস্ট লিখা সম্ভব
         
        টা টা বাই বাই 

  9. Kumar Mondol

    Mr. Siddiqi,
    Why don't you limit your comments about Islam and Islam related topics only. Have you read ancient Indian history? Do you know that emperor Ashok ( more than 300 hundred years before Christ) sent his sons and daughters to countries outside India: Indochina(kambodia, Indonesia, Laos, Malaysia neighbourhood)  to spread the word of Buddhism. Thus your comment that 1400 years ago, indian knew only India and nothing else is completely nonsense. Do not make any comment about things you do not have any knowledge. On the other hand, if Islam such a unifying force, why it fought among themselves from the very begining after the death of Prophet(PBUH). A s I read Islamic history, the divergence bewteen  Shia and Sunni started very soon after his death. Why that is so? Again if you look at the world map, a vast part fo the land mass is controlled by the religion Islam. Bu why there are so many ountries (not one country), especially in the middlle east area including Iran, Iqaq, Syria, Jordan , pakistan, Afganistan etc. and most of them are fighting with one another.

    1. ৯.১
      মহিউদ্দিন

      @ Mondol:

      Do you know that emperor Ashok ( more than 300 hundred years before Christ) sent his sons and daughters to countries outside India: Indochina(kambodia, Indonesia, Laos, Malaysia neighbourhood)  to spread the word of Buddhism. Thus your comment that 1400 years ago, indian knew only India and nothing else is completely nonsense.

      দুখ হয় that emperor Ashok এর জন্য, বৌদ্ধ ধর্মের জন্মস্থান ভারতে হওয়া সত্ত্বেও বৌদ্ধ ধর্মকে কারা ভারত থেকে বিদায় করল? বেচারা বৌদ্ধ ধর্মের শেষ পর্যন্ত ঠাঁই হল ইন্দো চায়নাতে তথা ফার ইস্টে!

      আর মধ্যপ্রাচ্যের মুসলিম দেশের যে ছবি আপনি দেখছেন তা মুসলিমরা করে নাই । তবে এখনও কারা করছে বা করাচ্ছে তা বুঝতে হলে আপনাকে আরো পড়াশুনা করতে হবে। আরব বিশ্ব এক ছিল, কিভাবে টুকরা টুকরা হল তা জানতে হবে।

    2. ৯.২
      মুনিম সিদ্দিকী

      Why don't you limit your comments about Islam and Islam related topics only. Have you read ancient Indian history? Do you know that emperor Ashok ( more than 300 hundred years before Christ) sent his sons and daughters to countries outside India: Indochina(kambodia, Indonesia, Laos, Malaysia neighbourhood)  to spread the word of Buddhism.

       
      ভুল বললে এই ভাবে ধরিয়ে দিবেন, তাতে সংশোধন করে নেব। তবে আমি তো খুঁজে পেলাম না আপনার  কৃত দাবীর সত্যতা প্রমাণ করে এমন তথ্যসূত্র।
      পেয়েছি ছেলে মেয়েকে শ্রীলংকা পাঠিয়েছিলেন ধর্ম প্রচার করতে।  এখন তামিল নাড়ুর সৈকত থেকে শ্রীলংকার সৈকতের দূরত্ব মাত্র ৩৩-৫০ মাইল আজ থেকে আড়াই হাজার বছর আগে এর দূরত্ব আরও কম ছিল। কাজেই শ্রীলংকা ভারতের বাইরে ছিল বলে গর্ব করার মত কিছু নেই।
      অন্যান্য যে সব দেশে লোক প্রেরণের কথা উল্লেখ করেছেন সেই গুলো কি মিথ না সত্য তা প্রমাণ করে দিলে ভাল হত। তবে দয়া করে উইকিপিডিয়া থেকে কিছু উল্লেখ করবেন না।
       
       
       

      Thus your comment that 1400 years ago, indian knew only India and nothing else is completely nonsense. Do not make any comment about things you do not have any knowledge.

      ঠিক বলেছেন, না জেনে বলা উচিত নয়। আমি তো নিজ থেকে কিছু বলিনি, আমি আল বেরুনির ভারত তত্ত্ব বইতে এই রূপ পেয়েছি। সেই বইটি আবার দেখতে হবে যদি আমার উল্লেখ ভুল হয়ে থাকে তাহলে স্বীকার করে নেব।
       

      On the other hand, if Islam such a unifying force, why it fought among themselves from the very begining after the death of Prophet(PBUH). A s I read Islamic history, the divergence bewteen  Shia and Sunni started very soon after his death. Why that is so?

      ইসলামে যত যুদ্ধ আর আর দল অনৈক্যের কথা বলেন না কেন এইটি সত্য যে সম্রাট আশোকের সম্রাজ্যের মত ইসলামী সম্রাজ্য মাত্র ৫০ বছরে লুপ্ত হয়ে যায়নি। শুধু তাই নয় এই ইসলামী আদর্শ ধারন করে ইসলামের অনুসারীরা শত শত বছর একের পর এক সম্রাজ্য চালিয়ে গিয়েছিলেন। ইসলাম যদি স্তবির কিংবা বদ্ধ কোন দর্শন হতো তাহলে তাঁর এত দিন পৃথিবী মাথা উচু করে বেঁচে থাকতে পারতনা।  

      Again if you look at the world map, a vast part fo the land mass is controlled by the religion Islam. Bu why there are so many countries (not one country), especially in the middlle east area including Iran, Iqaq, Syria, Jordan , pakistan, Afganistan etc. and most of them are fighting with one another.

       
      আপনি আড়াই হাজার বছর আগের ইতিহাস জানেন মাত্র  শত বছর ধরে ইউরোপদের আগ্রাসনের খবর রাখেন না?  তাঁরা কেমন চেষ্টা করে যাচ্ছে মুসলিমরা যাতে এক জাতি রাষ্ট্রের পরিচয়ে পরিচিত হতে না পারে? কারা মুসলিমদের সারা বিশ্বই আমার দেশ দর্শনের বিপরীতে ক্ষুদ্র আঞ্চলিক জাতিয়তাবাদী চেতনা গ্রহণ করতে বাধ্য করেছে। কারা এক ভাষা এক ধর্মের মানুষের দেশকে ভৌগলিক ভাবে বিভক্ত করে নতুন নতুন রাষ্ট্র বানাতে বাধ্য করেছিল?

  10. ১০
    kumar mondol

    I read ancient Indian history in high school and in college. I do not have to read Al Beruni to know about Indian history. By the way, Al Beruni was thousand years late. Anyway, that is not the issue. The issue is that you have said, Indian did not know anything beyond Indian territory. I jus met a guy from Indonesia. He has told me that there are still many hindus living in Bali and in surrounding areas. So, Indians had gone beyond Srilanka to the far east long time ago before Islam invaded India. Your other argument is that Arab peninsula was one entity before but got divided by the western powers(but it happened only in the last century or in the previous century). It tells me that Islam as a nation was not very strong, rather weak to withstand the power of the western nations. That contradicts with your inherent contention that Islam is a unifying force. And  do not compare Ashok 's mission with Islamic mission. Two completely different ideologies, two different processes. i do not want to drag myself in this nonsensical argument about Islamic empire and Ashok's peaceful mission of Buddhism.
    However,  you did not answer my basic question: why Islam got divided between Shia and Sunni from the very begining if it is such  a unifying force?

    1. ১০.১
      এম_আহমদ

       
      The argument, as I can see reading from above, has escaped you by far! The point he made was this: ইসলামে যত যুদ্ধ আর দল [দলীয়] অনৈক্যের কথা বলেন না কেন, এইটি সত্য যে সম্রাট আশোকের সম্রাজ্যের মত ইসলামী সম্রাজ্য মাত্র ৫০ বছরে লুপ্ত হয়ে যায়নি। শুধু তাই নয় এই ইসলামী আদর্শ ধারন করে ইসলামের অনুসারীরা শত শত বছর একের পর এক সম্রাজ্য চালিয়ে গিয়েছিলেন। ইসলাম যদি স্তবির কিংবা বদ্ধ কোন দর্শন হতো তাহলে তাঁর এত দিন পৃথিবী মাথা উচু করে বেঁচে থাকতে পারতনা। You couldn’t understand what he said, did you? The Muslim empire lasted over 1200 years, considering the break-up of it by the Western forces by 1922. Munim’s argument held but what of yours? Sad. You can’t drag it because you have no legs to stand on, do you? You can’t even understand issues. Could ideological difference be a case for the quick fall of Ashok’es regime? Ashok himself turned to Buddhism for his own war-crimes of callous nature. But let us accept that he tried to compensate for it by changing is religion, which was callous or why else would he change it?
       
      Despite the difference of Shia and Sunnies the religion is One: they all worship One God, pray five times a day, make the same pilgrimage, take ka’bah as their One and Only qiblah. The difference is larger than reality to the non-Muslims, but to the Muslims it is not. The difference is about interpretation and interpretative differences lie with all that is human. Do some reading, then what is ‘non-meniscal’ now will acquire sense. 

  11. ১১
    এম_আহমদ

    … compensate for it by changing is religion = compensate for it by changing his religion …

  12. ১২
    kumar mondol

    I completely understood his comments. What I said is that two are different concepts. One was not interested in empire building, rather religious ( i would say spiritual ) inculcation in peaceful way. On the other hand, other was empire building by force. There is no comparison.
    As of now,, we have many countries where Christianity  is the dominant religion. Their number is many more than Islamic countries. So, according to your argument Islam is the second best religion in the world.  .Following your last commentsabout Shia and Sunni (although Shia and Sunni are different but they are same muslim as they believe in one almighty Allah etc. etc. Jews and Cristians also believe in one god concept, even most hindus do that(One god but many   manifetsations) . So, they are all same.! Give me a break!  I have seen Muharaam and how they show their despise for Sunnis. 
    But it does not answer the question if ISlam is such a unifying force why it was divided between two, from the very begining. That was the question.

    1. ১২.১
      এম_আহমদ

       

      I completely understood his comments. What I said is that two are different concepts.

      You didn’t understand a thing! Are you trying to argue that Ashok’s regime collapsed quickly because it was not interested in empire building? Why would Ashok massacre Kalinga and cry, ‘What have I done? If this is a victory, what's a defeat then? Is this a victory or a defeat? Is this justice or injustice? Is it gallantry or a rout? Is it valor to kill innocent children and women? Did I do it to widen the empire and for prosperity or to destroy the other's kingdom and splendor? One has lost her husband, someone else a father, someone a child, someone an unborn infant…. What's this debris of the corpses? Are these marks of victory or defeat? Are these vultures, crows, eagles the messengers of death or evil?’ [Wikipedia].
       
      The massacre was for ‘peaceful’ reason? And all this was done only to collapse quickly? Tell us where did you det this idea from. Substantiate.  Also substantiate that, beyond isolated cases; the Muslim empire was created by force throughout. You are carrying Hindu prejudices against Islam. People lived in the Muslim Empire in relative peace through the centuries.  Had it not been so, the Empire could not have survived for so long. And when after the First World War the Ottoman Empire was broken up, it was done for a different set of Western interest.
           
      I made no claim that Islam was best religion for its following, I do not see how on earth you get an argument about Christianity here and claim it as according to me! What are you talking about?

      Following your last commentsabout Shia and Sunni (although Shia and Sunni are different but they are same muslim as they believe in one almighty Allah etc. etc. Jews and Cristians also believe in one god concept, even most hindus do that(One god but many   manifetsations) . So, they are all same.! Give me a break!  I have seen Muharaam and how they show their despise for Sunnis.

      Do you know what you are talking about? Do all the people pray five times a day? Do they face the Qiblah? Do they make their pilgrimage to Makkah? Does the concept of their One God remain similar? You didn’t even understand the difference between Shia and Sunnis. You truly need a break and have it for a long while!

  13. ১৩
    মহাবিদ্রোহী রণক্লান্ত

    আসলেই তো!এভাবে কখনো চিন্তা করিনি।যে লোকটা বাঙালিই নয়,তার হাতে জন্ম নেয়া একটা জগাখিচুড়ি তারিখপদ্ধতিকে হাজার বছরের বাঙালি ঐতিহ্য হিসেবে দেখানো হচ্ছে!!!! 
     
    দারুণ লিখেছেন ভাই।সম্ভাব্য সব জায়গায় শেয়ার করলাম। 

  14. ১৪
    Kumar mondol

    Mr. M Ahmad,
    You are making a false argument here. The controversy was created by Mr. Siddiqui by saying that 1400 years ago Indians did not know outside of India and their knowledge was confined to Indian territory only. What I have said that it is a false statement. We are not arguing here about Ahok or Islamic religion. That part is settled that he made a false statement. Second,  he has said that Islam is a unifying force. I have said if that is the case why there exist so many diverse and different Islamic countries and why it evolved into Shia and Sunni immediately after Prophet's death. So, there is no point debating about the main hypoheses: Islam is a unifying force and Indians did not know outside Indian territory. Both are rejecetd by empirical evdience. Case closed.

    1. ১৪.১
      মুনিম সিদ্দিকী

      মিঃ মণ্ডল প্রথমে অনুরোধ করছি ব্লগের কালচার মেনে মন্তব্য প্রতি মন্তব্য করতে।  যে থ্রেডে আপনি কথা বলবেন সেই থ্রেডে সিরিয়াল অন্যসরন করে চললে আপনি কার প্রশ্নে কি জবাব দিচ্ছেন তা পাঠক বুঝতে পারবে। যেমন উদাহর- আপনি আলোচনা শুরু করেছেন তা আমার মূল লেখার উপর নয়। যদি মূল লেখার উপর হত তাহলে আপনি নতুন করে থ্রেড সৃষ্টি করে করলে কোন অসুবিধা হতোনা। কিন্তু আপনি আলোচনা শুরু করেছেন আমার ৮-১ নং কমেন্টের উপর ভিত্তি করে। আপনার উচিত ছিল ঐ ৮-১ নং থ্রেডের সিরিয়াল অনুসরণ করা।
      যাক বুঝতে পারছি আপনি এই জগতে নতুন কিংবা এই কালচার সম্পর্কে তেমন অভ্যস্থ নয়। ভবিষ্যতে শুধু সদালাপ নয় যে কোন ব্লগে মন্তব্য করতে গেলে এই বিশেষ দিকটি খেয়াল রাখলে ভাল হয়।

      The controversy was created by Mr. Siddiqui by saying that 1400 years ago Indians did not know outside of India and their knowledge was confined to Indian territory only. What I have said that it is a false statement.

       
      মিঃ মণ্ডল, আমি কোন ফলস মন্তব্য করিনি-
       

      আলবেরুনী তাঁর ভারত-তত্ত্ব বইয়ের ৭ পৃষ্টায় ভারতীয়দের সম্পর্কে উল্লেখ করেন-“ এরা বিশ্বাস করে যে পৃথিবীর মধ্যে একমাত্র তাঁদের দেশ শ্রেষ্ঠ, মানব জাতির মধ্যে তারাও একমাত্র সর্বোত্তম, রজাদের মধ্যে তাঁদের রাজারাই সর্বশ্রেষ্ঠ, ধর্মের মধ্যে তদের ধর্মই শ্রেষ্ঠ এবং তাঁদের জ্ঞান বিজ্ঞানই একমাত্র জ্ঞান।  এরা মূর্খের মত নিজেকে বড় ঘোষণা করে নিজদেরকে জাহির করে তাঁরা পরম পরিতৃপ্ত। জ্ঞান বিতরণে কার্পণ্য করা তাঁদের স্বভাব। নিম্ন শ্রেণীর লোকেরা যাতে জ্ঞানের অধিকারী হতে না পারে তাঁর জন্য তাঁরা অত্যন্ত সাবধানতার সাথে তা রক্ষা করে। এর থেকে বুঝা যায় যে বিদেশীদের থেকে তাঁদের জ্ঞানকে কত বেশী পরিমাণে রক্ষা করে চলে।  তাঁদের বিশ্বাস তাঁদের দেশ ছাড় পৃথিবীতে আর কোন দেশ নেই; তাঁরা ছাড়া পৃথিবীতে কোন মানুষ জাতি নেই। এবং সৃষ্ট জীবদের মধ্যে তাঁরা ছাড়া আর কারো কাছে জ্ঞান বিজ্ঞান নাই। ফলে ভিনদেশী কোন পণ্ডিত ব্যক্তি তাদেরকে কিছু জ্ঞান বিজ্ঞানের কথা বললে তাঁরা তাঁর কথা মেনে নিতে চায়না। নিজেদের অহংকারের কারণে বিদেশী পণ্ডিতকে মিথ্যাবাদী বলে বিশ্বাস করে।  হিন্দুরা যদি বিদেশ ভ্রমণ করত এবং অন্যদেশের লোকের সাথে মিলামেশা করত তাহলে তাঁদের ঐ ভ্রান্ত ধারণা দূর করতে পারত।

      ঐ বইয়ের উল্লেখ আছে যে, উত্তরে সিন্ধু নদী, দক্ষিণে চর্মন্মাত নদী, পূর্বেও পশ্চিমে সাগর, এই সীমানার মধ্যবর্তী ভূভাগে ব্রাহ্মণদের বাস করতে হবে। এই সীমানা অতিক্রম করে অন্য দেশে প্রবেশ করা নিষেধ। যে দেশে অনামিকাতে অঙ্গুরিয় রূপে পরিধেয় ঘাস(কুশ বা দুর্বা) জন্মায় না, কিংবা কৃষ্ণবর্ণের হরিণ যে দেশে নাই, সে দেশে ব্রাহ্মণদের বাস করা যাবেনা। এই সীমান্ত অতিক্রম করলে ব্রাহ্মণদের অপরাধী হবে, তাকে তাঁর জন্য প্রায়শ্চিত্ত করতে হবে”।

      এই আলবেরুনী এই কথা উল্লেখ করেছেন সে কথাগুলো তো সম্রাট আশোকের যুগের নয়। এই কথাগুলোতে তোলে ধরেছেন  ১০০৭ সালের পরের ভারতের চিত্র।
      যেখানে ভারতীয়রা নিজদের ছাড়া অন্যদেরকে মানুষ বলে গণ্য করেনা। যেখানে ব্রাহ্মণদের যাওয়া নিষেধ সেখানে ভারত থেকে ভারতীয়রা কেমন করে অন্য দেশে যাবে?
       

      আপনি আগের কমেন্টে উল্লেখ করেছেন- Do you know that emperor Ashok ( more than 300 hundred years before Christ) sent his sons and daughters to countries outside India: Indochina(kambodia, Indonesia, Laos, Malaysia neighbourhood)  to spread the word of Buddhism.

       
      আমাকে আপনি প্রমাণ দিবেন এক শ্রীলংকা ছাড়া অন্যান্য দেশে লোক প্রেরণ?
       
      আপনি তো জানেন যে ইতিহাস লিখা আর কিচ্ছা কাহিনী লিখা এক নয়।  ইতিহাস চায় প্রমাণ। মনে করি বলে কিছু লিখলে ইতিহাস  হয়ে যায়না।
      এই যে অশোকা লিপিতে উল্লেখ করা হয়েছে- ১লাখ লোক মারা গেছে ১ লাখ ৫০ হাজার বন্দী হয়ে এবং অনুরূপ সাধারণ মানুষ মারা গিয়েছিল?  আজ থেকে ২ হাজার বছর আগে কি এই ওড়িয়াতে এত জনসংখ্যা ছিল?  এই সময়ে সেখানে মাত্র ৪কোটি লোকের বাস সেখানে ২ হাজার বছর আগে এত লোক মারা গিয়েছিল, ঘটনাটি  মহা ভারতে কুরুক্ষেত্র যুদ্ধের অনুরূপ  মিথ হয়ে যাচ্ছেনা?

      1. ১৪.১.১
        Kumar Mondol

        I came across this book: The Hindus: An Alternative History, by Wendy Doniger  who is  Mircea Eliade Distinguished Service Professor of the History of Religions; also in the Department of South Asian Languages and Civilizations, at the University of Chicago. (The Penguin Press, 2009)

        This book is banned in India as it apparently did portray Hindu Religion in some sort of negative way. Page 306: “There was constant movement, constant trade from Greece, Central Asia, West Asia, the ports of Red Sea and Southeast Asia ..”. A book with the delicious title : “The Periplus of the Erythraean Sea, composed by an unnamed Greek in about 80 CE….”

        Next paragraph: In return Indian traveled to …….This economic porosity continued well into fourth century CE, with trade one thing that was constant.

        So, it was before even the inception of the Islamic religion.

        So, your main argument that before Islamic rule Indian did not any idea of the outside world is completely nonsense.

    2. ১৪.২
      এম_আহমদ

      @Kumar mondol
       

      You are making a false argument here.

      1.    Which part of the argument is ‘false’ and how is it false?
       
      2.    Isn’t it rather you who started this argument, and apparently to show off?
       
      3.    What has empiricism got to do here? What empiric evidences did you provide and to what effect?  
       
      4.    Case closed? Is it a court case and are you acting as a judge here, allowing a case to open and close? What a ridiculous way of engaging into a blog conversation!

      Have the Shia and Sunnis become people of two different religions? Are you aware of the difference between Islam and Shia/Sunnies?  In almost every issue related to American and Iranian conflict the Muslims all over the world, despite their governmental differences, support the Iranians. Why? Because of Islam preaching disunity among them? What about the fact that Islam unified the Arab tribes who were fighting for ages for over trivial issues? Is it some kind of peculiar notion of the word ‘unifying’ that you are carrying or is it a problem generally about Islam that you are living with -that seems to be the real question. 

  15. ১৫
    Kumar Mondol

    Mr. Siddiqui,
    Again, I am not arguing with Mr. Al Beruni's opinion. That is his opinion , not fact about general Indan public, which may or may not be true. But I know from history (that I read in high school and College) that Fa Hiyen and Hu En Sang came from China to India prio to Al Beruni, even a Bengali guy named Atish Dipankar went to China before Alberuni's time in India. Therefore, the comment that Indian intellegentia did not know about outside India can not be true. Alexander the great invaded India about 300 or more years before Christ. He  came close to Patna and went back hearing about the power of the rulign dynasty there. Of course, his army was very tired and homesick by that time. 
    Maurya Dynasty ruled major part of India after that and Ashok was one of the ruler. After that, Gupta dynasty ruled over India for quite a long time. That Gupta period is designated as Golden Age of India. My contention was that your statement that  Indians did not know about outside India  1400 years ago can not be true. You may have your opinion and I do not care about that, but facts  are fact.  Similarly, my comment about your hypothesis  " Islam is a unifying force"..  What I have said is that you can not spread your opinion as fact. I have no interest in going into false debate whith someone who does not care about facts.

    1. ১৫.১
      মুনিম সিদ্দিকী

      মিঃ মণ্ডল আমি আমার ৮-১ কমেন্টে উল্লেখ করেছিলাম-

          অথচ আপনাদের ভারতীয়রা সে সময়ে শুধু ভারতবর্ষকেই দুনিয়া ভাবতেন।

      তাঁর রেফারেন্স আমি আমার ১৪-১ নং কমেন্টে দেখিয়েছি। কিন্তু আপনি তা মানতে পারছেন না। আর পারবেন না। কেন পারবেন! কেউ পারেনা তাঁর জাতীর কোন দুর্বলতা মেনে নিতে। যেমন বাঙ্গালী হিন্দুদের কোন বীর না থাকায় রবীন্দ্রনাথের মত ব্যক্তিকে মারাঠা বর্গী দস্যু সরদার শিবাজীকে টেনে এনে জাতীয় বীর বানাতে চেষ্টা করেছেন।অথচ ইতিহাসে বর্গীদের অত্যাচার হিটলারের অত্যাচার কাছে আসবেনা।
      কোন জাতিয় কি স্বভাব আচরণ তা নির্ণয় করতে হলে শুধু স্কুল কলেজে পড়েছিলাম বা অতিশ দিপংকরের মত একক ব্যক্তির বিচ্ছিন্ন উদ্যোগকে সার্বজনিন করা যায়না। বিচ্ছিন্ন ঘটনা বিচ্ছিন্ন ঘটনাই ।
      আমি তো দাবী করিনাই যে ভারতে বিদেশীরা আসেন নাই।মি বলছি যে ভারতিয়রা তাঁরা নিজদের বাইরে যেতেন না। যা বিস্তারিত ভাবে আমার ১৪-১ কমেন্টে দেয়া আছে।
      যাক ইসলাম সম্পর্কে আপনার প্রশ্নের জবাব দেবার চেষ্টা করছি- পড়ে নিতে পারেন-
      প্রশ্নঃ- সকল মুসলিম যখন ঐক্যমত্যের ধর্ম তাহলে তাঁদের মধ্যে এত উপদল কেন?
      এটি সত্য যে আজকের মুসলিমরা নিজদেরকে শুধু মুসলিম বলে পরিচয় নাদিয়ে কেউ শিয়া কেউ সুন্নি কেউ  কেউ হানাফি কেউ মালিকি, কেউ হাম্বলি, কেউ কওমি, কেউ বেরলভী কেউ আহলে সুন্নি বলে পরিচয় দিয়ে থাকে।  যা মোটেই সঠিক নয়। এইটি ইসলামের মূল স্পিরিটের সম্পূর্ণ উল্টা।
      এই যে লোকগুলি নিজদের ভিন্ন ভিন্ন মুসলিম বলে পরিচয় দিচ্ছে তাঁরা কি দাবী করতে পারবে যে, আমাদের নবী মুহাম্মদ সাঃ যিনি ইসলাম পুনঃ প্রচার করে দুনিয়াতে প্রতিষ্ঠিত করে গেছেন তিনি কি শিয়া ছিলেন? তিনি কি নিজকে সুন্নি বলে পরিচয় দিয়ে গিয়েছিলেন? বা হানিফি, মালিকি, হাম্বলি, কওমি, বেরলভী, আহলে সুন্নি?  কেউ এই দাবীর সমর্থনে প্রমাণ দাখিল করতে পারবেন না। কারণ এই সব ফেরকা রাসুল সাঃ চালু করে যান নাই। তিনি পূর্বে আগত নবী-রাসুলদের মত একজন মুসলিম ছিলেন।
      ইসলামে কোন উপদল থাকতে পারেনা আল কোরআন তা অনুমতি দেয়না- আল্লাহ বলেন-“ আর তাঁর চেয়ে কার কথা অধিক উত্তম, যে মানুষকে আল্লাহর প্রতি আহ্বান করে এবং নিজেও সৎকাজ করে। আর বলে, আমিতো একজন ‘মুসলিম তথা আত্মসমর্পণ কারী”। (৪১:৩৩)
      নবী সাঃ অমুসলিম রাজা-বাদশাহদের নিকট ইসলামের দাওয়াত দিতে গিয়ে পত্র লিখিয়েছিলেন, তাতে সূরা আল ইমরানের ৬৪ নং আয়াত উল্লেখ করেছিলেন-
      “আপনি বলে দিন,’হে আহলে কিতাব! এসো সে কথার দিকে, যা আমাদের তোমাদের এক ও অভিন্ন তা হলও, আমরা যেন আল্লাহ ছাড়া অন্য কারো  উপাসনা না করি। কোন কিছুকেই যেন তাঁর সাথে তাঁর অংশীদার সাব্যস্ত না করি। আর আমাদের কেউ যেন আল্লাহকে বাদ দিয়ে অন্য কিছুকে প্রতিপালক রূপে গ্রহণ না করি। অতঃপর তাঁরা যদি মুখ ফিরিয়ে নেয়, তবে তোমরা বলে দাও, তোমরা সাক্ষী থাকো আমরা মুসলিম”।
      তাহলে আমরা দেখতে পাচ্ছি যে আল কোরআনে কোথাও উপদল গঠনের কোন অনুমতি দেয়া হয় নাই। ইসলাম তাঁর অনুসারীদের সিমেন্টের মত ঐক্যে বিশ্বাসী।
      আল কোরআন মুসলিমদেরকে সুস্পষ্ট নির্দেশ দিচ্ছে যে-“তোমরা সকলে মিলে আল্লাহর রশিকে শক্ত ভাবে আঁকড়ে ধরো এবং পরস্পর বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবেনা”। (৩:১০৩)
      এই যে এই আয়াতে রশি আঁকড়ে ধরে রাখতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে সে রশিটি কি? এই রশিটি হচ্ছে আল কোরআন। আল্লাহ মুসলিমদের নির্দেশ দিচ্ছেন এই আল কোরআন নাম রশিকে দৃঢ় ভাবে আঁকড়ে ধরে থাকতে। দুনিয়ার মানব সৃষ্ট অন্য কোন ইজম বা মতবাদকে নয়। এই আয়াতে ২টি নির্দেশ দেয়া আছে-১।  সকল মুসলিম মিলে ঐক্যবদ্ধ ভাবে  আল কোরানকে আঁকড়ে ধরার জন্য আর ২। মুসলিমরা যেন পরস্পর থেকে বিচ্ছিন্ন না হয়ে যেতে।
      এবং আরও নির্দেশ দেয়া হয়েছে-“ তোমরা আনুগত্য করো (মেনে চল) আল্লাহ (আল কোরআন) এবং আনুগত্য করো রাসুল সাঃ(রাসুল সাঃ সুন্নাহ)কে”। (সূরা নিসা-৫৯)
      ইসলামে যেমন নির্দেশ করা হয়েছে ৫বার নামাজ আদায় করার, বছরে রমজান মাসে ৩০টি রোজা রাখার, সক্ষমতা থাকলে জীবনে একবার হজ্ব আদায় করার, বছরে খেয়ে পরে বেশি থাকলে জাকাত আদায় করার। এই আদেশ পালন করা ফরজ তা কোন অবস্থায় কোন মুসলিম তা না পালন করলে সে ফাসিক মুসলিম বলে পরিগণিত হবে আর জন্য ইহকালে জিল্লতি এবং পরকালে শাস্তি  পেতে হবে। ঠিক একই ভাবে উপরের ঐক্যবদ্ধ  থাকা উপদল না করা, আল কোরআন এবং সুন্নাহকে অনুসরণ করা দুনিয়ার অন্যকোন মতবাদকে অনুসরণ না করা হচ্ছে অবশ্য করনীয়। যা না করলে ঐ মুসলিম ফাসিক মুসলিমে পর্যবেশিত হয়ে পড়বে।যার ফলে এই দুনিয়ায় অন্য জাতির দ্বারা অপমানিত হবে আখিরাতেও এর শাস্তি ভোগ করতে হবে।
      কেউ কেউ বলতে পারেন যে, রাসুল সাঃ বলে গেছেন যে- “আমার উম্মত ৭৩ দলে বিভক্ত হবে”। এই হাদিসে রাসুল সাঃ মুসলিমদেরকে নির্দেশ দিয়ে যান নাই যে, মুসলিমরা ৭৩ দলে বিভক্ত হতে হবে। তিনি শুধু ভবিষ্যতে যে মুসলিমরা মত পার্থক্যে জড়িয়ে ৭৩ দলে বিভক্ত হয়ে পড়বে সে কথা উল্লেখ করেছেন।
      আল কোরআন মুসলিমদেরকে উপদলে বিভক্ত হতে নিষেধ করেছে। যারা আল কোরআন এবং সুন্নাহর নির্দেশ মেনে চলবেন যারা কোন উপদল সৃষ্টি করবেন না তারাই সঠিক ইসলামের পথে থাকবেন।
      তবে  আল কোরআনের এবং সুন্নাহর  সব হুকুম আহকাম সব মুসলিম সমান ভাবে বুঝতে উঠতে পারবেনা কারণ দুনিয়ার সকল বিষয়ের মত বিশেষজ্ঞের সাহায্য দরকার পড়বে। তাই এই সব সাহায্যকারী ইসলামী বিশেষজ্ঞদের নামে নিজদেরকে পরিচিত করা কোন দরকার নেই।
      ইসলামে উপদল সৃষ্টির আরেকটি প্রধান কারণ হচ্ছে গোঁড়ামি। ইসলাম সম্পর্কে জ্ঞানের অভাব অর্থাৎ ইসলামের উদ্দেশ্য ও মূল ব্যর্থতা চেতনার গভীর তাৎপর্য উপলব্ধিতে।  এই ব্যর্থতার  মানে সার্বিক অজ্ঞতা নয়। সার্বিক অজ্ঞতা উপদলের জন্ম দেয়না, বরং এর বিপরীত মুসলিমদেরকে মানব সৃষ্ট মতবাদের দিকে আকৃষ্ট করে নিয়ে যাবে নতুবা মানব রচিত মতবাদের প্রচারকদের ফাঁদে পড়ে ইসলাম থেকে দূরে সরে চলে যাবে।  আসলে যে সব লোক মনে করে তাঁরা ইসলামের সব কিছু জানে এবং নিজেরাই ইসলাম বিশেষজ্ঞ। নিজেরা সঠিক অন্যরা বিভ্রান্ত।  আসলে সে ইসলামের বিভিন্ন খণ্ডের রূপ এবং তাঁর সাথে অখণ্ডের সম্পর্ক নির্ণয়ে ব্যর্থ। তাই এই ধরণের লোকের ইসলাম সম্পর্কে সার্বিক দৃষ্টি ভঙ্গি কখনও পরিষ্কার হতে পারেনা। তাই তাঁর পক্ষে কোন সুনির্দিষ্ট সিদ্ধান্তে উপনীত হওয়া সম্ভব নয়।  আসলে মুসলিম উম্মাহর মধ্যে অনৈক্যের মূল কারণ- আত্মজ্ঞানের অহংকার, ধর্মীয় বিষয়ে যথেষ্ট জ্ঞান আছে বিশ্বাস করে নিজেদের ইচ্ছামাফিক ইজতিহাদ শুরু করে যার দিতে থাকে। এর ফলে উপদলের সৃষ্টি হয়। খাঁটি আলিমরা জনগণকে বিভ্রান্ত করেন না। কারণ বিশ্বাস ভাজন কখনও বিশ্বাস ভঙ্গ করেন না। কিন্তু তাঁদের অভাবে লেবাশধারী আলিমরা ভ্রান্ত ফতোয়া দিয়ে মানুষকে বিভ্রান্ত করেন।
      অল্প বিদ্যার আলিমরা তাঁরা আল কোরআনের আয়াতের আক্ষরিক অর্থের প্রতি বেশী জোর দিয়ে থাকে। একটি আয়াতে তাৎপর্য ও উদ্দেশ্য উপলব্ধি করার চেষ্টা করেনা। ইতিহাসে দেখা যায় যে, আলজাহিরিয়া গ্রুপ এ ধরণের পণ্ডিতি করেছিল। তাঁরা কিয়াস অগ্রাহ্য করত।
       
       
      আল্লাহ প্রতিটি মুসলিমকে জ্ঞান অর্জনের নির্দেশ দিয়েছেন-তাই দুনিয়ার লোভে মত্ত না হয়ে প্রত্যেক মুসলিম যখন ভাল জ্ঞানী ইসলামী বিশেষজ্ঞের তত্ত্বাবধানে আল কোরআন এবং সুন্নাহর নির্দেশ পড়ে বুঝে নিয়ে তা বাস্তবায়নের চেষ্টা চালিয়ে যাবে তখন সকল অজ্ঞানতা দূর হয়ে যাবে তখন সকল বৈরিতা দুর হবে শিয়া সুন্নি রাজনৈতিক ব্যবধান দূর হবে। এক মুসলিম আরেক মুসলিমের কাছে চলে আসবে   আর তখনই  ঐক্যবদ্ধ  মুসলিম উম্মাহ গড়ে উঠবে।
      আসল কথা হচ্ছে এখন মুসলিমরা  এত উপদলের দায় ইসলামের নয়। যেমন ভাল ব্যান্ডের গাড়ী কিনে চালানো না জানার কারণে দুর্ঘটনা ঘটিয়ে বসলে তাঁর দায় গাড়ীর নয়, দায় চালকের। তাই উপদলে বিভক্তের দায় ইসলামের নয় দায় মুসলিমদের।
       মড়ার উপর খাঁড়া ঘায়ের মত, এই বিশ্বের সকল অমুসলিম এন্টি ইসলামিস্টগণ সম্মিলিত ভাবে সর্ব সেক্টরে প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে যাতে মুসলিমরা ঐক্যবদ্ধ না হতে পারে।
       

    2. ১৫.২
      মুনিম সিদ্দিকী

      even a Bengali guy named Atish Dipankar went to China before Alberuni's time in India.

       
      আপনি যে ইতিহাস খুব ভাল ভাবে জানেন না এই উক্তি তাঁর প্রমাণ।  আতীশ দ্বিপংকরের জীবন কাল হচ্ছে- ৯৮০-১০৫৪ সাল। অতএব তিনি কোন অবস্থায় আলবেরুনীর পূর্বে চীন গিয়েছিলেন সে দাবী করা যায়না।

      Hu En Sang তিনিও ইসলামের আবির্ভাবের পর এই দেশে এসেছেন।

  16. ১৬
    Kumar mondol

    Mr. Siddiqui,
    Again you are exposing your  limitation as an Isalmic supporter, not as an independent observer paying attention to facts only.  I do not agree with your contention that Rabindranath Tagore glorified Shivaji(according to you who is a barbaric robber) because he could not find any hero from the history of Bengal. Did you read Bengali history prior Islamic age? There wrere quite a few bengali heroes. Do you know the names Sasanka and his rule,  Gopal, Dharmapal, Devpal and others from the Pal dynasty? I do not know why  Rabindranath glorified Shivaji, but surmise that Shivaji  tried to protect the hindus  and fight the barbaric regime of Aurangjeb are the reasons.  Islamic robbers  invaded India many many times(typical example is Sultan Mamud who invaded  India and Somnath temple 17 times to kill, loot and plunder.) and killed millions of people over time.  Mohamamd Ghori invaded India many times and he was defeated six times and let go each time. By the  seventh time he defeated Prithviraj with the  help of Prithviraj's father in law,  but beheaded Prithviraj immediately. And Aurangjeb's regime was specifcally atrocious for the hindus, wheras Shivaji tried to fight him and he was able to create an independent state in Maharastra area. In that sense, British rule was good for India, otherwise, it would remain a muslim country and the situation will be just like the one exists in pakistan.

    1. ১৬.১
      শামস

      Mr. Kumar Mondol,
      You are telling history without historical referecne!!! You named several bengali hero, first one is Sasanka! Is  it this Sasanka:
       
      "শশাঙ্ক ছিলেন বাংলার অন্তর্গত গৌড়'র রাজা। তার রাজধানী ছিল আজকের মুর্শিদাবাদ। রাজা হর্ষবর্ধনের সাথে তার বিরোধ ও ধর্মবিশ্বাস এই ধ্বংসযজ্ঞে প্রভাব বিস্তার করে। রাজা হর্ষবধন প্রথমদিকে শৈব (শিবকে সর্বোচ্চ দেবতা মানা) ধর্মের অনুসারী হলেও বৌদ্ধ ধর্মের একজন পৃষ্ঠপোষকে পরিণত হন। কথিত আছে, তিনি সেই সময়ে ধীরে ধীরে গজিয়ে উঠা ব্রাহ্মণদের বিদ্রোহও নিষ্ঠুরভাবে দমন করেছিলেন। অন্যদিকে রাজা শশাঙ্ক ছিলেন ব্রাহ্মণ্য ধর্মের একজন শক্তিশালী পৃষ্ঠপোষক ও এর একান্ত অনুরাগী। উল্লেখ্য রাজা শশাঙ্কের সাথে বুদ্ধের অনুরুক্ত রাজা হর্ষবর্ধনের সবসময় শত্রুতা বিরাজমান ছিল এবং খুব বড় একটি যুদ্ধও হয়েছিল। রাজা শশাঙ্ক যখন মাগ্ধায় প্রবেশ করেন তখন বৌদ্ধদের পবিত্র স্থানগুলোকে ধ্বংস করেন, খণ্ড-বিখণ্ড করেন বুদ্ধের ‘পদচিহ্ন’কে। বৌদ্ধ ধর্মের প্রতি তার বিদ্বেষ এত গভীরে যে তিনি বৌদ্ধদের ধর্মীয় স্থান ছাড়াও, বুদ্ধগয়াকে এমনভাবে ধ্বংস করেন যাতে এর আর কিছু অবশিষ্ট না থাকে । হিউয়েন সাঙ এভাবে বর্ণনা করেছেন (চীনা পরিব্রাজক হিউয়েন সাঙ ৬২৩ সালে গুপ্ত রাজাদের শাসনামলয়ে নালন্দা ভ্রমণ করেন):

      Sasanka-raja,being a believer in heresy, slandered the religion of Buddha and through envy destroyed the convents and cut down the Bodhi tree (at Buddha Gaya), digging it up to the very springs of the earth; but yet be did not get to the bottom of the roots. Then he burnt it with fire and sprinkled it with the juice of sugar-cane, desiring to destroy them entirely, and not leave a trace of it behind. Such was Sasanka's hatred towards Buddhism. [6]

      Please read the full article: প্রাচীন ভারতীয় সভ্যতার প্রতীক নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়ের ধ্বংস: একটি নিরপেক্ষধর্মী বিশ্লেষণ
       
       

      1. ১৬.১.১
        মুনিম সিদ্দিকী

        রাজা শশাঙ্ক যখন মাগ্ধায় প্রবেশ করেন তখন বৌদ্ধদের পবিত্র স্থানগুলোকে ধ্বংস করেন, খণ্ড-বিখণ্ড করেন বুদ্ধের ‘পদচিহ্ন’কে। বৌদ্ধ ধর্মের প্রতি তার বিদ্বেষ এত গভীরে যে তিনি বৌদ্ধদের ধর্মীয় স্থান ছাড়াও, বুদ্ধগয়াকে এমনভাবে ধ্বংস করেন যাতে এর আর কিছু অবশিষ্ট না থাকে ।

        এর জন্য বোধহয় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রাজা শশাংককে তাঁদের জাতীয় বীরের মর্যাদা না দিয়ে পর্বত মূশিক শীবাজিকে বীর বানিয়েছিলেন।

        সেদিন শুনি নি কথা- আজ মোরা তোমার আদেশ
        শির পাতি লব।
        কণ্ঠে কণ্ঠে বক্ষে বক্ষে ভারতে মিলিবে সর্বদেশ
        ধ্যানমন্ত্রে তব।
        ধ্বজা করি উড়াইব বৈরাগীর উত্তরীবসন-
        দরিদ্রের বল।
        ‘একধর্মরাজ্য হবে এ ভারতে’ এ মহাবচন
        করিব সম্বল।।
        মারাঠির সাথে আজি, হে বাঙালি, এক কণ্ঠে বলো
        ‘জয়তু শিবাজী’।
        মারাঠির সাথে আজি, হে বাঙালি, এক সঙ্গে চলো
        মহোৎসবে সাজি।
        আজি এক সভাতলে ভারতের পশ্চিম-পুরব
        দক্ষিণে ও বামে
        একত্রে করুক ভোগ একসাথে একটি গৌরব
        এক পুণ্য নামে।।
        রচনাকালঃ ১৩১১ বঙ্গাব্দ/১৯০৪ খ্রীস্টাব্দ
        About these ads

         

  17. ১৭
    Kumar Mondol

    To both Mr. Ahmad and Mr. Siddiqui,
    You know the saying one group's  freedom fighters are other group's enemy.(so called barbaric thugs). But that does not negate the view that one group of people will treat him as hero.As you treat Aurangjeb, Mohammad Ghori, Sultan Mamud as heroes, I treat them as barbaric thugs.
    I do not have to give anyy reference from wikipedia. I read them in my high school and college history classes. You can glance over standard textbooks on Indian ancient history and you will find them. Of course, you history starts only from the Islamic invasion. You did not believe that there may exist a civilization equally good or better than Islamic one at that time. According to your ideology,  Islam came to other countries to emancipate the people of those countries and show them the path to heaven!
     

    1. ১৭.১
      এম_আহমদ

      Wel, well, well. You don’t have to give any reference from Wikipedia because you read a TEXT BOOK at high school and college and that has become THE reference of your knowledge! Well, what can I say? Is that the reason you spoke of evidence before being able to quote anything at all and spoke of empiricism? Well, it must have been hell of a text book then! But, you don’t seem to make a good case for your text book. Did your text book say anything about the difference between Islam and Shia/Sunnies? Opps, what did the text book say about Aurangjeb, Mohammad Ghori, Sultan Mahmud? What reasons did the textbook give for them to be barbaric? Did your text book say that the Muslims’ knowledge of history starts from their invasion? Did your text book teach you that the Muslims went to other countries to ‘emancipate’ them (from what?) and to show them to the path of heaven? I think we have been missing the great text book that you read. 

    2. ১৭.২
      শামস

      @Mr. Kumar Mondol,
      Your logic:

      But that does not negate the view that one group of people will treat him as hero.As you treat Aurangjeb, Mohammad Ghori, Sultan Mamud as heroes, I treat them as barbaric thugs.    

       
      Your assertion:

      I read them in my high school and college history classes.

       
      From the above two comments anyone can easilty realize how baised your textbook and afterall the whole academic system is!!!
       
      To defend against reference you said:

      I do not have to give anyy reference from wikipedia.

      So wikipedia is the only source of reference (!) or beside text book you can't go beyond wikipedia!
       
       

  18. ১৮
    dilruba

    হাজার বছরের বাংলায় কিছু নেই! যা আছে সব বিজাতিয়, বেনিয়া, হিন্দুয়ানি। কোনটিই আমাদের ধর্মীয় ঐতিহ্য, কৃষ্টির সাথে মিলে না। তো কি করতে হবে, খুঁজে খুঁজে ইসলামি উপাদান আমদানি করতে হবে বুঝি।

    আছ্ছা, আপনি যে প্যান্ট সার্ট পরে কি-বোর্ড, কম্পিউটার চালিয়ে ব্লগিং করছেন তা সম্ভবত কোন এক সময় আমাদের নবী সাহাবিরা বাংলাদেশে পার্সেল করে দিয়েছিল!!!!!!!!!

    ধন্যবাদ, ভাল থাকবেন।

    1. ১৮.১
      আহমেদ শরীফ

      ভালই বিনোদন দিয়ে যাচ্ছেন দেখি। এ ধরণের দু'একটি বিনোদন ব্লগে থাকাটা অবশ্য খারাপ না।

       

      আছ্ছা, আপনি যে প্যান্ট সার্ট পরে কি-বোর্ড, কম্পিউটার চালিয়ে ব্লগিং করছেন তা সম্ভবত কোন এক সময় আমাদের নবী সাহাবিরা বাংলাদেশে পার্সেল করে দিয়েছিল!!!!!!!!!

       

      না। তাঁরা করেন নি। আপনার ধর্মের ৩৬ কোটি দেবদেবতা আর প্রাচীনকালের মুনিঋষিরা স্বর্গ থেকে পার্সেল করে দিয়েছিল। সেজন্যেই মহান ভারতবর্ষের বিভিন্ন গুহায় এখনো বিভিন্ন প্রযুক্তির ধ্বংসাবশেষ পাওয়া যাচ্ছে।

       

       

  19. ১৯
    Kumar Mondol

    Mr. Ahmad,

    I have not visited the blog for a while. So, I did not response to your comments. In history textbooks we have read about Sultan amhmud, Mohammad Ghori, Alauddin Khilji among many others. Sultan Mamu invaded India, destroyed Somenath temple in Gujrat17 times to loot,, plunder, kill innocent people, you name it. I specificaly read the story about Ghori. He invaded delhi many many times( total 7 times). In six of those invasion and war, he was defeated by Prithwiraj and pardoned ane let go. Thereafter, Prithwiraj married Sanjukta, daughter of the King of Kanauj, Jayachandra. Jayachandra did not agree to thsi marriage and looking for a revenge. In the 7 th fight, he helped Ghori. Ghori defeated Prithwiraj and immediately beheaded him. Alauddin Khilji killed many people. It has been estimated that total number of innocent civilians killed by Islamic invaders and rulers in India exceeded 50 millions over the first two undred years of their rule. If you go to any famous Hindu temple in North India, you will see a mosque within the perimeter of the temple. I have seen myself in Mathura, Varanasi 

    1. ১৯.১
      শামস

      @কুমার মণ্ডল,

      In six of those invasion and war, he was defeated by Prithwiraj and pardoned ane let go. 

      সুত্র দিন। বিজেপি'র কোন গবেষণা বা তাদের মধ্যকার লিখিত কারো না।

      Alauddin Khilji killed many people.

      এই অনেক লোকগুলা কারা? সুত্র দিন।  বিজেপি'র কোন গবেষণা বা তাদের মধ্যকার লিখিত কারো না।

      It has been estimated that total number of innocent civilians killed by Islamic invaders and rulers in India exceeded 50 millions over the first two undred years of their rule.

      সুত্র দিন।  বিজেপি'র কোন গবেষণা বা তাদের মধ্যকার লিখিত কারো না।

      If you go to any famous Hindu temple in North India, you will see a mosque within the perimeter of the temple. I have seen myself in Mathura, Varanasi 

      এতো লোক মারা ও মন্দির ধবংস করার পর, মসজিদের সাথে মন্দির কিভাবে ক্ষমতাসীন মুসলিমরা থাকতে দিলো? ব্যাখ্যা আশা করছি।

       

       

       

  20. ২০
    Kumar Mondol

    Mr. Shams,

    I have said that I read those in history textbooks books in school and colleges. If you google search Islamic invasion in India, you will find many sources.

    What do you mean about BJP? I have not come across any refernce about BJP that you are talking about.. If you have please let me know.. Remember that total number muslim people in India during that time was very samll compared to Hindu population. So, phyiscally it was not possible to exterminate the hindus. But they were able to control and rule India. For example, during British rule, maximum number of British people residing in India was about 60,000 (at most) but they were able to control more than 200-300 million peole.  

    1. ২০.১
      শামস

      @কুমার মণ্ডল,

      I have said that I read those in history textbooks books in school and colleges. 

      আচ্ছা, ভারতের স্কুল কলেজের ইতিহাসের টেক্সটবুক কিভাবে পাওয়া যাবে? 

      If you google search Islamic invasion in India, you will find many sources.

      আমিতো সার্চ করে আপনার বর্ণনামত (বিজেপি'র মতো!) জিনিষ পাচ্ছি না বলেইতো আপনাকে সুত্র দিতে বললাম। সুত্র দিন মিলিয়ে দেখি।

       

      Remember that total number muslim people in India during that time was very samll compared to Hindu population.  

      আমার প্রশ্নটা জটিল ছিল না। আমার প্রশ্নটা ছিল, আপনি যখন বলেছেন, মুসলিমরা ৫ কোটি হিন্দু মেরেছিল, মন্দির ধবংস করেছিল, তাহলে বেনারসে মসজিদের সাথে মুসলিমরা একটি মন্দির কিভাবে রাখতে দিল?

       

  21. ২১
    Shafi

    আমার একটা প্রশ্ন ছিল মিঃ মুনিম এর কাছে। মঙ্গল শোভাযাত্রা অথবা বটমূলের অনুষ্ঠান আপনি পছন্দ করেন না, কারন এগুলো সাম্প্রতিক সংযোজন। আপনার মত অনেক মুসলমানও ব্যাপারগুলো অপছন্দ করেন, বোমাও মারেন। তবে আপাত মনে হচ্ছে নববর্ষ উপলক্ষে নবান্ন, হালখাতা, আর বাউলগান, যেগুলো অনেক আগে থেকেই হয়ে আসছে সেগুলো সমর্থন করেন। অথচ এগুলোওত বেদাত।

    আপনি কী মধ্য এশিয়ার নওরোজ উতসব সমর্থন করেন? করে থাকলে কেন করেন? এটা আমার দ্বিতীয় প্রশ্ন।

    শান্তি।

  22. ২২
    Shafi

    কেমন আছেন? আমি ১৬/০৪/২০১৭ তে একটি কমেন্ট করেছিলাম যা মডারেশনে ছিল। আমার কমেন্টটা কি প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে? যদি প্রত্যাখ্যান হয়ে থাকে তাহলে কোন বিধি মোতাবেক তা করা হয়েছে দয়া করে জানাবেন।

    ধন্যবাদ
    শাফী

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।