«

»

এপ্রিল ১৫

ঈশ্বর কি তাহলে সর্ব শক্তিমান নন?

এই বিষয় টা নিয়েই কেন- সেটা আগে বলি, "জনাব জাকির" সাহেবের একটি লেকচারে শুনেছিলাম। তিনি বলছেন,

 

   "ঈশ্বর সবকিছু করতে পারবেন না। তিনি মিথ্যা কথা বলতে পারবেন না। তিনি সন্তান রাখতে পারবেন না।"

   সেই সাথে একটি কুটাভাসের (প্যারাডক্স) কথা তিনি বলেন,

     "ঈশ্বর কি জানেন যে আগামীকাল তিনি কি করবেন? যদি জানেন তবে আগামীকাল কি তার ব্যাতিক্রম করতে পারবেন না? যদি ব্যাতিক্রম করতে পারেন তবে গতকাল তিনি ভুল জানতেন। আর যদি ব্যাতিক্রম করতে না পারেন তবে তিনি সর্বসশক্তিমান নন।"

     

এর পর তিনি বলেন তিনি নাকি এরোকম হাজার টি কাজের লিষ্ট করতে পারবেন যা ঈশ্বার করতে পারবেন না।

 

তাই তার মতে ঈশ্বর সর্ব শক্তিমান নন।

এটা যে কুরয়ানের শিক্ষা বিরোধী তাতে সন্দেহ নাই। এ ইস্যুতে অনেক বিখ্যাত আলেম জাকির নায়েক কে কাফের ফতোয়া দিয়েছেন।

 

"ঈশ্বর কি তাহলে সর্ব শক্তিমান নন?"

 

সতর্ক বার্তাঃ এটি কোনো "ধর্মীয়" পোষ্ট নয় বরং "যুক্তি ও সাধারণ দর্শনবিদ্যার" র পোষ্ট।

 

১টি প্রশ্নঃ

"সর্বশক্তিমান ঈশ্বর কি এমন কোনো ভারি জিনিস তৈরি করতে পারবেন যেটা তোলা সম্ভব নয়?"

 

উক্ত প্যারাডক্স বা "কুটাভাস" অনুসারে ঈশ্বর যদি এমন জিনিস তৈরি করতে সক্ষম হন- যা তোলা সরানো সম্ভব নয়;

তাহলে,

     (ক) তিনি যদি তার তৈরি করা জিনিস তুলতে না পারেন তবে তিনি সর্বশক্তিমান থাকেন কিভাবে?

 

     (খ) আর তিনি যদি তার তৈরি করা জিনিস তুলতে পারেন তবে তা "তোলা সম্ভব নয়" কথাটি সত্য হলো কি করে? অর্থাৎ তিনি যা ইচ্ছা তাই তৈরি করতে পারেন নি।

 

তাহলে ঈশ্বর সর্বশক্তিমান হন কি করে?

 

 

এটি আসলে এমন একটি "প্যারাডক্স" বা "কুটাভাস" যা লজিক বা যুক্তির বিপরীত।

 

এরোকম আরো একটি "কুটাভাস" হলো,

    "ঈশ্বর কি এমন একটি বৃত্ত আঁকতে পারবেন যা বর্গাকার?"

 

ঈশ্বর আসলে আমাদের কে এমন একটি জগতে পাঠিয়েছেন যুক্তি যে জগতের অনেক গুরুত্বপূর্ন একটি নিয়ম। যুক্তির বিপরীতে কিছু ঘটা তো দূরে থাক আমাদের জন্য কিছু কল্পনাও করা দূরহ।

 

যুক্তির নিয়ম হলো, "যুক্তিকে খন্ডন করতে হয় যুক্তি দিয়ে।"

আর আপনার উক্ত এই প্রশ্ন গুলো আসলে সাধারণ যুক্তির বিপরীত। অর্থাৎ এই সমস্যা গুলো "অযৌক্তিক"

 

তাই "অযৌক্তিক" জিনিস খন্ডন করতে হবে "অযুক্তি" দিয়ে, অর্থাৎ যুক্তির বিপরীতে। কারণ এটাই যুক্তির নিয়ম। 

 

আর কোন ঘটনা ঘটার "যুক্তি" বা "কারণ" হয় শুধুমাত্র একটি (একাধিক ও হতে পারে কিন্তু ঘটনা সমষ্টি একটি) কিন্তু সেই ঘটনা টা ঘটার "অযুক্তির" কোনো সীমানা নাই। একটি ঘটনা ঘটার যুক্তি একটি কিন্তু ঐ ঘটনা টি ঘটার "অযুক্তি" অসীম সংখ্যক।

 

কি তালগোল পাকিয়ে যাচ্ছে? তাহলে একটি পানির মত সহজ উদাহরণ দেই,

 

মনে করেন আপনি আমার গালে একটি থাপ্পড় মেরেছেন তাই আমার গাল লাল হয়েছে।

 

তাহলে এখানে আমার "গাল লাল" হওয়ার যুক্তি শুধুমাত্র একটি সেটি হলো, "আপনি আমাকে থাপ্পর মেরেছেন।" 

 

কিন্তু আমার গাল লাল হওয়ার "অযুক্তি" -র সংখ্যা হাজারটি- যেমন,

      ১। পানির রঙ স্বচ্ছ, তাই আমার গাল লাল হয়েছে।

      ২। ১+১ এ ২ হয়, তাই আমার গাল লাল হয়েছে।

      ৩। ১+১ এ ৫ হয় না, তাই আমার গাল লাল হয়েছে।

      ৪। ইংরেজ একটি তেল চোরা জাতি, তাই আমার গাল লাল হয়েছে।

      ৫। প্রেসিডেন্ট ওবামা দাঁত মাজেন না, তাই আমার গাল লাল হয়েছে।

     …….   

     ……..

    ……..

এভাবে আমার গাল লাল হওয়ার পেছনে "অযুক্তি" অসীম সংখ্যক হতে পারে। কিন্তু আপনার কাছে "যুক্তি" হতে পারে মাত্র একটি। কারণ আপনি আমাকে নিজ হাতে থাপ্পড় মেরেছেন।

 

তাই প্রথমোক্ত "অযৌক্তিক" সমস্যার সমাধান অসীম সংখ্যক ভাবে "অযুক্তি" দিয়ে করা সম্ভব হবে।

 

আর এই সমস্যার সমাধান যখন "অযুক্তি" দিয়ে করা হবে তা "আপনার বোধগম্য" হবে না। কারণ আপনি বাস করেন যুক্তির জগতে যেখানে আপনি "অযৌক্তিক" কিছু কল্পনা পর্যন্ত করতে পারেন না।

 

কিন্তু বিশ্বাস করুন মানুষের মস্তিষ্কে এত সহজে কোনো অযৌক্তিক কিছু যৌক্তিক বা বিশ্বাসযোগ্য হিসেবে গৃহীত হয় না।

 

উক্ত সমস্যার সমাধানঃ

 

তাই যৌক্তিক উপায়েই প্যারাডক্স গুলোর সমাধানে যুক্তি দাঁড় করানো যায়। এখন আমি উক্ত প্যারাডক্স টির যৌক্তিক সমাধান দেব। 

তাই,

ওপরের শুধু প্যারাডক্স টি ছাড়া যত কথা বলেছি সব ভুলে যান, মনে করেন যুক্তি নামক মানবিক দূর্বলতা দ্বারা আমি আপনার মস্তিষ্ক নিয়ে একটু খেলা করলাম। আর ওপরের কথা গুলো আপনার মাথার ওপরে দিয়ে গেলে আরো ভালো।

 

এখন আসেন শুরু করি,

উক্ত কুটাভাস টি যুক্তিবিদ্যার অনেক ক্লাসিক একটি বিষয়। এবং যৌক্তিক সমাধান ও আছে।

 

তাহলে "ঈশ্বর কি এমন কিছু ভারি বানাতে সক্ষম যা তোলা সম্ভব নয়।"

 

উত্তর হলো "হ্যা" অবশ্যই তিনি এরূপ কিছু বানাতে পারবেন।

 

   *"তাহলে তিনি সেই জিনিস টা তৈরি করার পর নিজে সেটি তুলতে পারবেন?"

 

এর উত্তর হলো "অবশ্যই সেটি তুলতে পারবেন?"

 

  *তিনি যদি সেটিকে তুলতে পারেন তবে সেটি "তোলা সম্ভব নয়" এমন জিনিস হলো কি করে?

 

এর উত্তর হলো- অবশ্যই "সেটি তোলা সম্ভব নয়" এমন জিনিস। কিন্তু তিনি সেটাকে তুলতে পারবেন কারণ, "তিনি অসম্ভব কে সম্ভব করতে পারেন।" জিনিস টা তখনো আসলেই "তোলা সম্ভব নয়" এমন জিনিস।

কিন্তু তিনি সেটা তুলতে পারছেন কারণ, "ঈশ্বারের গুণাবলী ই হচ্ছে অসম্ভব কাজ করা।"

 

তাই লজিক টা হলো,

তিনি যেহেতু "অসম্ভব" কাজ করছেন অর্থাৎ "জিনিস টাকে তুলছেন" সেহেতু জিনিস টা তোলা "অসম্ভব"।

 

সমাধান সব কিছু লজিকের মধ্যই আছে; লজিকের বিপরীতে কিচ্ছু যাচ্ছে না।

 

(অবশ্যই এটি আমার যুক্তি নয়, যুক্তি টি নিশ্চই কোনো বড় মাপের ফিলোসফারের। আমি শুধু নিজের ভাষায় ব্যাখ্যা করে লেখার চেষ্টা করেছি মাত্র।)

 

লজিক হলো জগতের একটি সীমাবদ্ধতা। জীবদ্দশায় আমরা কখনো লজিকহীন হতে পারবোনা। যেমনঃ "পাগল লজিক ছাড়া কথা বলে" এ ঘটনার লজিক হলো, "সে তো পাগল তার বৈশিষ্ট হলো লজিক ছাড়া কথা বলা"

 

যুক্তির সম্পর্ক আসলে মানুষের মস্তিষের সাথে। মস্তিষ্ক নাই তো যুক্তিও নাই। যুক্তি যে মনের সাথে সম্পর্কিত তার একটি প্রমাণ দেই, মনের সাথে সম্পর্কিত বললে ভুল হবে, শুধুমাত্র সচেতন মনে যুক্তির বাস, সাবকনসাস মাইন্ডে যুক্তির প্রচন্ড অভাব লক্ষনীয়, প্রমান টা দেখুন,

এই পৃথিবী তে একটি মাত্র বিশেষ অবস্থা আছে যখন মানুষ লজিক্যাল জগতের একটু হলেও বাইরে চলে যায়, সেটা হলো "স্বপ্ন" 

 

"স্বপ্নের" একটি বৈশিষ্ট্য হলো "স্বপ্নের ঘটনার কোনো লজিক নাই। কারন সাব কন্সাস মাইন্ড লজিক বোঝায় অত্যন্ত অজ্ঞ"

 

যেমন, আপনি একটি মানুষকে স্বপ্নে দেখছেন পরক্ষনেই দেখছেন সেই মানুষ টি হলো অন্য কোন মানুষ; অথবা সে হয়ে গেছে হয়ে গেছে- অন্য কোন মানুষ। আগে যে মানুষটিকে আপনি দেখছিলেন এ সে নয়; এবং ঠিক তখন (অর্থাৎ স্বপ্ন দেখার সময়) এই অযৌক্তিক ঘটনা কিভাবে ঘটলো এ চিন্তা করা ছাড়াই আপনি অকপটে মেনে নেন যে হ্যা সেই আগের মানুষ টি অন্য মানুষ হয়ে গিয়েছে।

 

লজিক হলো মানুষের মনের "সীমাবদ্ধতা" ;

মানবসম্প্রদায় যুক্তির সীমায় আবদ্ধ।

এবং যুক্তি কখনোই জগত সমূহের নিয়ম নয়। যুক্তি হলো শুধু আমি বা আমরা যে জগতে বাস করি সেই জগতের নিয়ম।

 

কোন যুক্তিবাদী বন্ধু হয়ত বা বলবেন যুক্তির অস্তিত্ব সব জগতেই আছে; কিন্তু তা আপেক্ষিক। অর্থাৎ বিভিন্ন জগতে যুক্তি বিভিন্ন রকম।

   -এ কথা কেউ বললে আমি তার বিরোধীতা করতে চাইলেও করতে পারবো না।

 

"বিভিন্ন জগতে যুক্তি বিভিন্ন রকম" বরং একটা উদাহরণ দেই,  

 

আচ্ছা একটা উদাহরণ দিচ্ছি,

(আপনাকে এখন একটু কল্পনা প্রবন হতে হবে)

 

মনে করেন, একটি জগৎ আছে যেটি দ্বিমাতৃক অর্থাৎ সেই জগতের মাত্রা মাত্র দুটি, দৈর্ঘ্য এবং প্রস্থ।

ব্যাপার টা আরো সহজ করার জন্য একটি সাদা কাগজ কে দ্বিমাতৃক জগৎ ধরে নেই।

 

এবার সেই দ্বিমাতৃক জগতে একটি বৃত্ত কল্পনা করুন। অর্থাৎ সাদা পৃষ্ঠায় একটা বৃত্ত অংকন করুন। এখন মনে করেন বৃত্তের পরিসীমার বাইরে একটি বিন্দু আছে।

এখন কোনো ভাবে কি বৃত্তের পরিসীমা ক্রস না করে বিন্দুটি কি বৃত্তের ভেতরে প্রবেশ করতে পারবে?

 

অসম্ভব, ওই বিন্দু টি যদি বৃত্তের পরিধী ভেদ করা ছাড়াই বৃত্তের ভেতরে ঢুকরে চায় সেটা দ্বিমাত্রিক জগতে কোনো ভাবেই সম্ভব না।

 

কিন্তু এই ঘটনা টিই ত্রিমাতৃক জগতে ঘটা অত্যন্ত সাধারন একটি ব্যাপার।

 

নিচের চিত্রদুটি টি দেখুন ক্লিয়ার হবে ব্যাপারটা,

1

=================2

 

প্রথম চিত্রে আপনারা দেখতে পাচ্ছেন A থেকে B তে যাওয়ার জন্য দ্বিমাতৃক স্পেসে বৃত্তকে ক্রস করতেই হবে।

 

কিন্তু ২য় চিত্রে আপনারা দেখছেন একই বৃত্ত তৃমাতৃক জগতে আনলে তাকে ক্রস না করেই z অক্ষ অর্থাৎ উচ্চতার দিকে লাফ দিয়ে সহজেই বৃত্ত ক্রস না করে A থেকে B তে যাওয়া সম্ভব হচ্ছে।

 

 

তাহলে বুঝেছেন তো, দ্বিমাত্রিক জগতে যা একেবারেই অসম্ভব, ত্রিমাতৃক জগতে তা অনায়াসে সম্ভব।

 

এতো বক বক করলাম এখন আপনারা নিশ্চই বুঝতে পারছেন যে, সত্য বা যুক্তির নিয়ম বিভিন্ন জগতে বিভিন্ন রকম। এক জগতে যার ব্যাখ্যা নাই, অন্য জগতে তা অনায়াসে সম্ভব।

তাই আপনার জগতে (তিন মাত্রার জগতে) যা যুক্তিতে কুলায় না; সেটা যে অসম্ভব তা আপনি বলতে পারেন না। কারণ, জগতের দশ মাত্রার কথা আমরা জানি একটি অপরিপক্ব থিউরি “ষ্ট্রিং” থিউরির দ্বারা।

তাই ত্রিমাতৃক জগতে যে যুক্তি ভেংগে পড়ে তা চতুর্মাত্রিক জগতে খুবি সম্ভব। থিউরি মতে চতুর্মাত্রিক জগতের কোনো দর্শক ত্রিমাতৃক প্রানীর জন্ম ও মৃত্যুর সম্ভব্য সকল উপাই একসাথে সময়ের ব্যাবধান ছাড়াই দেখতে পারবে। যা ত্রিমাতৃক জগতের যুক্তি ভেংগে ফেলে।

 

 

শেষ একটা কথা বলি, এটুকু যা বলব ধর্মের ব্যাপারে আমার অনুভূতি ও নিজস্ব মন্তব্য এবং সাথে আরো কিছু কথা।

 

সেটা হলো ধর্ম এমন একটা বিষয় যেটা যুক্তি থেকে পবিত্র। যুক্তি দিয়ে বিচার করে করে ধর্মের নিয়ম মানা মানে ধার্মিক হওয়া নয় বরং কপটতা বা ভান্ডামী করা।

কারণ যুক্তি দাঁড়িয়ে থাকে তথ্যের ওপর আর তথ্য ধ্রুব কোন জিনিস নয়। তথ্য প্রতিনিয়ত নবীকরণ হচ্ছে।

 

তাই যুক্তি দিয়ে ধর্ম মানলে যুক্তি যখন ভেংগে পড়বে তখন আপনি ধর্ম থেকে দূরে নিক্ষিপ্ত হবেন যুক্তি দ্বারাই।

 

আচ্ছা আমি আসলে ধর্ম মানি কেন? কারণ যুক্তি দিয়ে আমি কূলকিনারা করতে পারিনি বলেই তো আমি অলৌকিকের আশ্রয় নিয়েছি, ধর্মের নিয়ে জমা হয়েছি।

 

তাই অলৌকিক কে অলৌকিক মানার পর যদি যুক্তি দিয়ে সেই অলৌকিকে বিচার করতে যান তবে আপনি সিরিয়াল ভন্ড (সিরিয়াল কিলারের মত)। একের পর এক ভন্ডামী আপনি করেই যাচ্ছেন।

 

তাই ধার্মিক হতে হলে আপনাকে ধর্মান্ধ হতেই হবে। 

কারণ আপনার বিশ্বাস সংক্রান্ত যুক্তি উপস্থাপন পর্ব শেষ। এ ব্যাপারে আপনি আপিল অবশ্যই করতে পারবেন। তবে বর্তমান অবস্থানে দাঁড়িয়ে নয়, আপনাকে পূর্বের অবস্থায় ফিরে গিয়ে আপিল করতে হবে।

 

তবে, ধর্মের অভ্যন্তরীণ বিদ্যমান থাকা একই বিষয়েরএকাধিক আইন আপনি অবশ্যই যুক্তি দিয়ে একটি মেনে নিতে পারেন (অবশ্যই যুক্তি হতে হবে ঔ ধর্মের সূত্রাঅনুযায়ী। আপনার মন গড়া যুক্তি হতে পারবে না।)

 

তাই আপনার বিশ্বাস ও যুক্তির দন্দ্ব আপনার নিজস্ব চিন্তার ও দর্শনের ব্যাপার। এবং আপনার নিজস্ব দর্শন ধর্মের ওপর চাপানোর কোনো অধিকার নাই আপনার।

 

 

আমি সদালাপে এটা লিখছি সদালাপবাসীর গুরুত্বপূর্ণ মতামত জানার জন্য। আপনাদের মাতামত কাম্য এ বিষয়ে।

৪৩ মন্তব্য

এক লাফে মন্তব্যের ঘরে

  1. baiswa rup

    জাকির নায়েকের বক্তব্যের লিংক দিন। যেটির পর্যালোচনা করলেন।

    1. ১.১
      অপঠিত দৈনিকী

      বক্তব্য টি আমি অনেক দিন আগে টিভিতে শুনেছিলাম। সাম্প্রতিক ভাবনা থেকে লিখিনি। তাই ফ্রেশ ভিডিও ক্লিপ টির লিংক দিতে পারলাম না। https://m.youtube.com/watch?v=Iik4Vw5B6Dw

      তাই এই ভিডিও টি সার্চ করে বের করলাম। এখানে উনার বক্তব্যের সমালোচনা ও করা হয়েছে পাশাপাশি। 

      কথাগুলো বললাম কারণ, ভিডিও লিংক দিলাম বলে ভিডিও তে প্রদত্ত সমালোচনা গুলোর সাথে আমি এক মত- এমনটি যেন না ভাবেন।

  2. অপঠিত দৈনিকী

    পোষ্ট টির কিছু কিছু ভাষা আপনাদের কাছে এপ্রোপ্রিয়েট না লাগতে পারে। কারণ এটি সদালাপের কথা চিন্তা করে লেখা হয়নি। অন্য একটি পাবলিক ব্লগের জন্য লেখা হয়েছিলো। তাই ভাষার জন্য দুঃখিত।

  3. তাজুল ইসলাম

    ধন্যবাদ আপনার পোষ্টের জন্য।

    "ধার্মিক হতে হলে ধর্মান্ধ হতে হবে"- এটা আর্টিকেলের সবচেয়ে বড় ভুল। ধর্মান্ধ-র বীজ হচ্ছে "সন্দেহ"। যার ভিতরে সন্দেহ থাকে, সে অবশ্যই সত্যিকারের মুসলমান নয়।  আর এই সন্দেহ  জিনিষটি কি যৌক্তিক? বাস্তবতার কোন যুক্তি দিয়ে একে মাপা যাবে? এর কি কোন অস্তিত্ব  আছে? যদি থাকে তাহলে কোথায় এবং কেমন? যদি অস্তিত্ব না থাকে, তাহলে কিভাবে ইহা দ্বারা কর্ম  নিয়ন্ত্রিত হয়? 

    শুধু এই জগত-কে যুক্তির জগত বলছেন, সে সম্পর্কে নিশ্চিত হলেন কিভাবে? মায়ের পেটের জগত আর এই দুনিয়ার জগত কি এক?  এই পৃথিবীর   "আমি"-র জগতের ভিতরে কি শুধু time & space ডাইমেনশন নাকি আরো অনেক জগতের সমষ্টি? 

     

    "আপনার বিশ্বাস সংক্রান্ত যুক্তি উপস্থাপন পর্ব শেষ। এ ব্যাপারে আপনি আপিল অবশ্যই করতে পারবেন। তবে বর্তমান অবস্থানে দাঁড়িয়ে নয়, আপনাকে পূর্বের অবস্থায় ফিরে গিয়ে আপিল করতে হবে।"

    — "সত্য"-কে "আমি"-র সাথে বেধে দেওয়া হয়েছে (আপনার বুঝে আসুক বা না আসুক)।

     

    "তাই আপনার বিশ্বাস ও যুক্তির দন্দ্ব আপনার নিজস্ব চিন্তার ও দর্শনের ব্যাপার। এবং আপনার নিজস্ব দর্শন ধর্মের ওপর চাপানোর কোনো অধিকার নাই আপনার।"

    — এই কথাগুলো আর্টিকেলে আসল কেন? ইহা অসুস্থতা। 

     

     

     

     

     

     

    1. ৩.১
      অপঠিত দৈনিকী

      ১ম, ব্যাপার হলো ধর্মান্ধতা,

         সম্ভবত ধর্মান্ধতা বলতে আপনি যা বোঝেন তা আমি বুঝছি না।

         ধরুন রাসূল (সাঃ) যখন সাহাবীদের কাছে মেরাজের ঘটনা বর্নণা করেছেন তখন সাহাবী (রাঃ) এক বাক্যে রাসূল (সাঃ) কথা মেনে নিয়েছেন। যদিও মেরাজ সাধারণ যুক্তি বিরোধী ঘটনা ছিলো। ধর্মে প্রবেশ করার পর এটিই ধর্মান্ধতার স্বরূপ (আমার কাছে)। 

       

      [ধর্মান্ধ-র বীজ হচ্ছে “সন্দেহ”।]

       

      আমার কাছে সন্দেহ ও ধর্মান্ধতা দুই বিপরীত মেরূর বাসীন্দা। যেমন ধরেন, আল্লাহ বলেছেন রাসূল সাঃ কে মানতে। এখন “রাসূল সাঃ সহি হাদিস পেলেই সত্যতা স্বিকার করতে হবে। যেমন একটি হাদিস আপনার সামনে উপস্থাপন করা হলো রাসূল সাঃ এর চাঁদ দ্বিখণ্ডিত করা সম্পর্কে হাদিস টিকে যদি সহি হিসেবে উপস্থাপন করা হয়- তবে আপনি যদি অকপটে তা মেনে নেন, এই স্বিকার করার ব্যাপার টা আসে ধর্মান্ধতা থেকে। (আমি ধর্মান্ধতা বলতে যা বুঝি সেই ধর্মান্ধতা থেকে)

       

      অন্যদিকে “সন্দেহ” যে কাজ টা করবে, যেহেতু চাঁদ দ্বিখণ্ডিত করা যুক্তির বিপরীত সেহেতু প্রথমে আপনার মনে সন্দেহ আসবে যে হাদিস টি জাল বা যঈফ কি না? (আমি শুধু মনের স্বভাবিক প্রতিক্রিয়ারর কথা বলছি, কোনো হাদিস যাচাই করছি না) এক্ষেত্রে আপনার সহজাত প্রবৃত্তি যুক্তিকে প্রাধান্য দিলো “রাসূল কে মানো” আদেশের একটু ওপরে। এটাই ধর্মান্ধতার অভাব। এবং স্বীয় যুক্তির ওপর অতিরিক্ত নির্ভরশীলতার উদাহরণ।

       

      ২য় ব্যাপার, 

      [আর এই সন্দেহ জিনিষটি কি যৌক্তিক? বাস্তবতার কোন যুক্তি দিয়ে একে মাপা যাবে?]

       

      “সন্দেহ জিনিসটকি যৌক্তিক” বলতে যদি আপনি সন্দেহের অস্তিত্বকে বোঝান তবে অবশ্যই সন্দেহের অস্তিত্ব আছে। তবে দুর্ভাগ্যজনক ভাবে এর পরমাপ করার যুক্তি বা মেশিনের অস্তিত্ব সম্ভবত নাই।

       

      ৩য় ব্যাপার,

      [শুধু এই জগত-কে যুক্তির জগত বলছেন, সে সম্পর্কে নিশ্চিত হলেন কিভাবে?] 

       

      আমি এই জগৎ কে যুক্তির জগত বলার চেষ্টা করেছি; তার চেয়ে বেশি বলতে চেয়েছি যুক্তির অস্তিত্ব এই জগতেও নয়, এর অস্তিত্ব “মানুষের মনে” তবুও দুই মানে এটির অস্তিত্ব সমান না, “অবচেতন মনে” যুক্তির অস্তিত্বের পরিমান অত্যন্ত অল্প। (অবশ্য অনুশীলন করে সেটা একটু হলেও ডেভেলপ করা সম্ভব)

       

      তার পর তো বলেই দিয়েছি,

       

      [কোন যুক্তিবাদী বন্ধু হয়ত বা বলবেন যুক্তির অস্তিত্ব সব জগতেই আছে; কিন্তু তা আপেক্ষিক। অর্থাৎ বিভিন্ন জগতে যুক্তি বিভিন্ন রকম।

         -এ কথা কেউ বললে আমি তার বিরোধীতা করতে চাইলেও করতে পারবো না।]

       

      আর যুক্তির আপেক্ষিকতার সত্যতা দ্বিমাত্রিক ও ত্রিমাতৃক জগতের সাপেক্ষে বুঝিয়ে দিয়েছি।

       

      ৪র্থ ব্যাপার,

      [— “সত্য”-কে “আমি”-র সাথে বেধে দেওয়া হয়েছে (আপনার বুঝে আসুক বা না আসুক)।]

       

      সত্যি ই আমি বুঝতে অপরাগ। (না বোঝার অভাসে আমি অভ্যস্থ।)

       

      আর ৫ম ব্যাপার,

      ধর্মের ওপর নিজের দর্শন না চাপানো প্রসংগে আমার মন্তব্যের সাপেক্ষে,

      [— এই কথাগুলো আর্টিকেলে আসল কেন? ইহা অসুস্থতা। ]

       

      আপনি বোধয় পোষ্ট টির শেষ অংশ পড়ার সময় শুরুর অংশ টির কথা ভুলে গিয়েছিলেন।

      আমি পোষ্ট টি শুরুই করেছিলাম জাকির নায়েকের উত্থাপিত প্যারাডক্স নিয়ে এবং জাকির সাহেব যে নিজস্ব দর্শন ধর্মের ওপর চাপাচ্ছেন যে “ঈশ্বর সর্বশক্তিমান নন”

        এই ব্যাপার টা আমার কাছে মারাত্বক অনধিকার চর্চা বলে মনে হয়েছে (যেটাকে আপনি অপ্রাসঙ্গিক ও অসুস্থতা বলছেন)।

       

      আমার মতে আল্লাহ কুরআনে দাবি করেছেন তিনি সর্বশক্তিমান, অতএব, তিনি সর্বশক্তিমান। এখন কোনো কাজ সংঘটিত হওয়ার সম্ভবনা যদি কারো যুক্তিতে না কুলায় তবে তিনি একথা বলতে পারেন না যে ঈশ্বর সেই কাজ টি করতে পারবেন না।

      1. ৩.১.১
        তাজুল ইসলাম

        পোষ্টির জন্য আপনাকে আবারো ধন্যবাদ জানাই।

        আধ্যাত্মিক জগতের সাথে টাইম ও স্পেস ডাইমেনশনের কোন সম্পর্ক নেই। আধ্যাত্মিক জগতে মাত্রা অনুপস্থিত। ধর্মের সাথে বিজ্ঞ্যান-কে তুলনায় আনা বোকামী।

        ভাল থাকুন।

  4. আমির

    ভাই আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।

    আর্টিকেলটা আমাকে মুগ্ধ করেছে।

  5. আমির

    ভাই আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।

    আর্টিকেলটা আমাকে খুব ভাল লেগেছে।

  6. আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন

     "ঈশ্বর কি জানেন যে আগামীকাল তিনি কি করবেন? যদি জানেন তবে আগামীকাল কি তার ব্যাতিক্রম করতে পারবেন না? যদি ব্যাতিক্রম করতে পারেন তবে গতকাল তিনি ভুল জানতেন। আর যদি ব্যাতিক্রম করতে না পারেন তবে তিনি সর্বসশক্তিমান নন।"

     

    – এই ধরনের কথা জাকির নায়েক বলেছে বলেতো শুনলাম না। উনি যা বলেছেন তার সারমর্ম শেষ কথা বললেন – আল্লাহ মানবীয় কাজগুলো করতে পারেন না। তাইতো – এই ধরনের অপ্রয়োজনীয় বিতর্ক করা দরকার কি? 

    আল্লাহ সব কিছুই করতে পারেন – যদি করতে চান। আল্লাহ কি করতে চাইবে আর না চাইবেন তা আমাদের মতো একটা তুচ্ছ সৃষ্টির বুঝার উপায় আছে নাকি। 

    1. ৬.১
      অপঠিত দৈনিকী

      [আল্লাহ সব কিছুই করতে পারেন – যদি করতে চান। আল্লাহ কি করতে চাইবে আর না চাইবেন তা আমাদের মতো একটা তুচ্ছ সৃষ্টির বুঝার উপায় আছে নাকি।]

       

      ঠিক এই কথা টিকেই আমি বোঝাতে চেয়েছি। যে তিনি কিভাবে সর্বশক্তিমান সেটা তার ব্যাপার। আর আমাদের ব্যাপার হলো তাকে সর্বশক্তিমান মানা, সেটা আমাদের যুক্তিতে কুলাক আর না কুলাক।

       

      জাকির নায়েক সাহেব স্পষ্টইই বলেছেন যে তিনি এমন হাজার টা কাজের লিষ্ট দিতে পারবেন যা আল্লাহ করতে পারবেন না (নাউজুবিল্লাহ)

       

      এই কথার সাথে এবং আপনার,

       

      [আল্লাহ মানবীয় কাজগুলো করতে পারেন না।]

      এই কথার সাথে একমত হতে পারলাম না বলেই।

       

      [অপ্রয়োজনীয় বিতর্ক করা দরকার কি?] কথাটাও মানতে পারলাম না।

       

      আমি মানি, আল্লাহ মানবীয় কাজ গুলো হতে পবিত্র- তার মানে এই নয় মানবীয় কাজ তার অসাধ্য।

       

      বরং ব্যাপার হলো তিনি তা করবেন নি না তা আমাদের মত নিতান্তই তুচ্ছ নরকের কীট দের কথায় কিছু যায় আসে না।

       

      ও আর একটা ব্যাপার যে প্যারাডক্স টির কথা বলেছি, এবং জাকির নায়েক সাহেব যে প্যারাডক্স গুলোর কথা বলেছেন সেগুলো প্রাই সবই অনেক প্রসিদ্ধ কুটাভাস। আমি লেখার আগে এই ভিডিও টি দেখি নি। আমি অনেক আগে তার লেকচার শুনে বিষয় গুলো নোট করে রেখেছিলাম। ভিডিও টি ভালো করে দেখুন এই কুটাভাস টিও থাকার কথা ওতে।

  7. এম_আহমদ

    আপনার লেখার প্রথম  অংশ দেখলাম তারপর লিঙ্ক করা ভিডিওটি দেখলাম। আপনি যে উদ্ধৃতি এনেছেন এবং তার বক্তব্যে যা বলা হয়েছে –তাতে যুক্তি জ্ঞান প্রকাশ পায় নি।

    "ঈশ্বর সবকিছু করতে পারবেন না। তিনি মিথ্যা কথা বলতে পারবেন না। তিনি সন্তান রাখতে পারবেন না।" উদ্ধৃত ৩ টি বাক্য ৩ ধরণের। তাত্ত্বিকভাবে এগুলো কোন প্রকৃতির যৌক্তিকতা টানতে পারে? ‘আল্লাহ একই সাথে দীর্ঘ এবং বেটে লোক তৈরি করতে পারবেন না’ –এটা নিতান্ত অযৌক্তিকতা। একই সাথে ‘বেটে এবং দীর্ঘ’ -এটা কোন ধারণা? যে proposition যৌক্তিক নয় তা কিভাবে আলোচিত বা বিবেচিত হবে? এসবের merit কি?  তাছাড়া যে বাস্তবতা আপনি বুঝতে সক্ষম নন, তা আল্লাহ ঘটিয়ে দিলেও আপনি বুঝবেন কিভাবে? মানবতা কি একই সাথে বেটে এবং দীর্ঘ এমন কিছু দেখেছে, বা জানে? অধিকন্তু মিথ্যার সাথে এই বিশ্ব জগতের মালিকে সংযুক্ত করাতে যৌক্তিকতা কিভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়? মায়াজাল্লাহ, تعالى الله عما يصفون

    "সর্বশক্তিমান ঈশ্বর কি এমন কোনো ভারি জিনিস তৈরি করতে পারবেন যেটা তোলা সম্ভব নয়?"  এটাও কি জাকির নায়েকের প্রশ্ন?   যদি হয়ে থাকে, তবে এটা সাংঘাতিক বখাটে ধারণা।  খোদার ব্যাপারে কোন্‌ ধারণার ভিত্তিতে ‘ভারি’ ও ‘হাল্কা’ আপেক্ষিকতা জড়িত হবে? এমন ধারণাগত বিষয় ‘a priori’।  যে সত্তাকে কেন্দ্র করে এই প্রশ্নের অবতারণা হবে, সেই সত্তার কোন্‌ প্রকৃতিগত জ্ঞানসহকারে এটা করা হবে? এখানে paradoxটা কোথায়?  তারপর এ ক্ষেত্রে উত্তোলনের ধারনাও a priori.  এতে নিচ থেকে উপরে উঠানোর ধারণা রয়েছে। আল্লাহর ব্যাপারে কোন স্থানটি থেকে কোন স্থানটি উঁচুতে বা নিচুতে? যা আপনার জন্য ভারি তা আল্লাহর জন্যও ভারি? তার যে ক্ষমতা ও প্রায়োগিক সক্ষমতা তার পরিমাণ আপনি কিভাবে জানেন? কোন ধরণের conception নিয়ে এই আলোচনা হতে পারে? কোয়ান্টাম জগতের ধারণা খেয়ালে রাখলে মনে আরেক ধরণের দিগন্ত খুলবে। এই মর্মের প্রশ্ন ছুড়াতে কি কোনো যৌক্তিক জ্ঞান প্রকাশ পায়?

    জাকির নায়েক কোন দার্শনিক নন, ফকীহ নন, মুহাদ্দিস নন, এবং প্রকৃত অর্থে কোরানের মুফাসসিরও নন, তিনি comparative religion বিষয়ে একজন তার্কিক লোক। তর্ক করতে পারা আপনাতেই এক ধরনের স্কীল। এর সাথে মুখস্থ বিদ্যা সংযুক্ত হলে বক্সিঙ্গের (boxing) সার্কাস ভাল হয়। কিন্তু এই স্কীল ধর্ম তত্ত্ব থেকে ভিন্ন জিনিস। কেউ আপনাকে তার মুখস্থ বিদ্যার খই ফুটিয়ে আটকে দিলে তাতে আপনার সত্য অসত্য হয়ে যায় না, and that is visa-versa. তাছাড়া, ইমাম যখন মিম্বর থেকে বয়ান করবেন –তখন তাকে চ্যালেঞ্জ করার কোন অর্থ নেই। আপনি মান-ইজ্জত নিয়ে ফিরতে না পারারও সম্ভাবনা যেমন রয়েছে, তেমনি আপনার শরীরের হাড়-গুড় নিয়ে ফিরে আসাও। তাছাড়া স্ট্যাজ যখন কারও দখলে থাকবে এবং প্রোগ্রামও তাদের কন্ট্রোলে, তখন সেখানে আপনাতেই এক inequality of power বিরাজ করে। জাকির নায়েকের কাজের একটা ভাল দিক আছে, আবার কখনো কখনো যখন তিনি  তার তার্কিক সীমার বাইরে গিয়ে ফিকহি বিষয় নামেন তখন অনেক বিষয়ে অন্যদেরকে তার বিপক্ষে কথা বলার সুযোগ করে দেন।

    তবে আমাদের সকলের অনেক দুর্বলতা থাকে এবং এই হিসেবে তার কথাগুলো থেকে চোখ সরিয়ে নেয়াটাই ভাল।

    1. ৭.১
      অপঠিত দৈনিকী

      এসব কিছু ব্যাপার আছে যেগুলো কোনো লোক সারা জীবনেও না শুনে থাকতে পারে।

      সেই লোক যখন এই অযৌক্তিক খটকা মূলোক ব্যাপার শোনে, তখন ব্যাপার গুলো বোকামি আর খ্যাপাটে এই ধারণা তার থাকলেও তার মনের দূর্বলতা ব্যাবহার করে উক্ত বিষয় গুলো ব্যবহার করে শয়তান খুব সহজেই তাকে ওয়াসওয়াসা দিয়ে পারে। 

      সবচেয়ে যুক্তিসংত কাজ হলো এই ব্যাপার গুলোকে এড়িয়ে চলা। কিন্তু ভরা মাহফিলে এগুলো এভাবে হাইলাইটিং করে স্রষ্টার সর্বশক্তিমান খেতাব হরণ করার চেষ্টা আর যাই হোক তুলনামূলক ধর্মত্বত্তের পন্ডিতির শোভা বর্ধন করে না।

       

      ব্যাপার গুলো অনায়াসেই এড়িয়ে যাওয়া যায়। কিন্তু যখন হতভাগা শ্রতা গুলোর কথা মনে হয় তখন আর ব্যাপার টা ততটা ফেলনা থাকে না।

      1. ৭.১.১
        এম_আহমদ

        আপনার মন্তবতটি মোটেই বুঝতে পারি নি।

        1. ৭.১.১.১
          অপঠিত দৈনিকী

          [তবে আমাদের সকলের অনেক দুর্বলতা থাকে এবং এই হিসেবে তার কথাগুলো থেকে চোখ সরিয়ে নেয়াটাই ভাল।]

           

          আমার মনে হয়েছে আপনি এখানে "মনের যুক্তির" দুর্বলতার কথা বলেছেন। যার ফলে নিজেদেরকে বিভ্রান্ত হওয়ার হাত থেকে রক্ষা করার জন্য উক্ত "অযৌক্তিক" বিষয় গুলো (জাকির নায়েকের বক্তব্য এবং আমার তুলেধরা বিষয় গুলোকে অযৈক্তিক বিষয় বিবেচনা করে) এডিয়ে যাওয়ার প্রস্তাব করেছেন।

           

          তারই পরিপ্রেক্ষিতে আমি বলেছি, বিষয় গুলো (উক্ত অযৌক্তিক) বিষয় গুলো এড়িয়ে যাওয়া টা শুধু সম্ভব ই না বরং কর্তব্য। কিন্তু যখন অন্য কেউ (জাকির নায়েকের মত কেউ) বিষয় গুলো নিয়ে (উনার উত্থাপিত স্রষ্টার অসম্ভব টাস্ক) ভরা মজলিশে ইমান পরিপন্থি (আল্লাহ সর্বশক্তিমান নন) বিষয় শিক্ষা দেন। তখন লোকজনের (যারা কনফারেন্সে বসে বক্তব্য শোনে) বিভ্রান্ত হওয়ার সম্ভবনা থাকে। তাই আমাদের উচিত, লোকজন যেন এসব অযৌক্তিক বিষয় নিয়ে চিন্তা করে ঈমান পরিপন্থী কিছু বিশ্বাস না করে; এ ব্যাপারে তাদের সাহায্য করা।

          1. এম_আহমদ

            আমি এখানে “মনের যুক্তির" দুর্বলতার কথা বলেছি –  এটা আপনার মনে হওয়ার কারণটা কি? আমার “মনের যুক্তি” আমি স্পষ্ট করে না বললে অথবা ব্যাখ্যা না করলে আপনি তা কিভাবে বুঝেন? আর এটিকে ভিত্তি করে কিভাবে এত কথা বলেন? চোখ সরিয়ে নেয়ার কথায় কি ‘বিভ্রান্তিকর’ বিষয় জড়িয়ে পড়ে? আমি তো আপনার ব্যাপারে আমার 'মনে' এপর্যন্ত কোন যুক্তি ধারণ করেছি বলে আমার মনের ভিতরে খুঁজে পাচ্ছি না? আমি জাকির নায়েক ব্যতীত আপনাকে intend-ই করিনি। আপনি এসব কি এবং কেন বলছেন?

            এর পরেও আপনি যা ব্যাখ্যা করেছেন তা আমি এখনো বুঝতে পারি নি।

            অধিকন্তু, আগের মন্তব্যের ‘হতভাগা শ্রোতাগুলো’ কারা? কাদের ব্যাপারটা আপনি ফেলতে পারেন না? আমার জানামতে এখানে সবাই শিক্ষিত পাঠক। আমি তো কিছুই বুঝতে পারছি না। একটি মন্তব্য করে বিপদে পড়লাম নাকি?

          2. অপঠিত দৈনিকী

            জ্বি বুঝতে পেরেছি। আমার কমিউনিকেশন স্কিলের অক্ষ্মতা আমি স্বিকার করছি। আপনার মন্ত্যবের আগের অংশই হয় তো কোনো কারণে আমার সাবকন্সাস মাইন্ডকে ধোকা দিয়েছে। (সম্ভবত কথা গুলোর জটিলতার কারণে)

            অথবা আমার অজ্ঞতার ফলাফলও হতে পারে

            তাহলে, আপনি কি দূর্বলতার কথা বলেছেন কার ওপর থেকে চোখ সরিয়ে নেওয়ার কথা বলেছেন সেটা উপলভ্য হলো না।

  8. করতোয়া

    আমার দুটি প্রশ্নের উত্তর পেলে আমি আলোচনায় অংশ নেব ভাবছি।

    ১। "ধর্ম" বলতে আপনি কি বুঝাতে চান?

    ২। "সর্বশক্তিমান" বলতে আপনি কি বুঝাতে চান?

    ধন্যবাদ আপনার লেখার জন্য।

    1. ৮.১
      অপঠিত দৈনিকী

      ওপরে আমি ধর্ম বলতে বোঝাতে চেয়েছি একটি আশ্রয় "কুনফাইয়াকুন" এর মালিকের কাছে।

       

      ধর্ম মান্য করার পদ্ধতি হিসেবে বলতে চেয়েছি যে, আমাকে শুধু এটুকু তদন্ত করে দেখতে হবে যে, যে বিধান টি আমাকে মানতে হবে তা আসলেই "কুনফাইয়াকুন" এর মালিকের পক্ষ থেকে কি না। যদি সেটা "কুনফাইয়াকুন" এর মালিকের পক্ষ থেকে হয় এটা নিশ্চিত হতে পারি তবে আমার দেখার প্রয়োজন নাই যে আমাকে কি বিধান মানতে হচ্ছে, আমি অন্ধের মত তা মানবো কোন তর্ক না করেই তা যতই যুক্তি বিরোধী হোক না কেন।

       

      আর "সর্বশক্তিমান" বলতে আমি বোঝাতে চেয়েছি সেই সত্তাকে যার কথা আমি যুক্তি তর্ক ছাড়াই মেনে নিচ্ছি তার "কুনফাইয়াকুন" এর প্রোযোজ্যতার কোন সীমাবদ্ধতা নাই।

       

      এর পর যদি কেউ কুরানের আয়াত এনে বলে এইযে দেখো সর্বশক্তিমান কুরানে বলেছে তিনি মিথ্যা কথা বলেন না। তাই তার মিথ্যা কথা বলার শক্তি নাই।

      তখন আমি বলব, তিনি মিথ্যা কথাও বলেন না অর্থাৎ তিনি এমন সর্বশক্তিমান যিনি মিথ্যা হতে পবিত্র। আমি দুটো আয়াতই বিশ্বাস করি। এর বেশি কিছু যদি জিজ্ঞাসা কর তবে আমি বলব,  

      …আর যারা জ্ঞানে সুগভীর, তারা বলেনঃ আমরা এর প্রতি ঈমান এনেছি। এই সবই আমাদের পালনকর্তার পক্ষ থেকে অবতীর্ণ হয়েছে। (3 – 7)

      1. ৮.১.১
        শামস

        @অপঠিত দৈনিক,

        'সর্বশক্তিমান' কি এর উত্তরে আপনি যা বলেছেন তাতে দুটি উপসংহার টানা যায় – আপনি জানেন না 'সর্বশক্তিমান' কাকে বলে অথবা আপনি তা প্রকাশ করতে অক্ষম।

        আর এর উপর ভিত্তি করেই লেখাটা শুরু করেছেন – একটি ভুল (আপনাকে বেনিফিট অব ডাউট দিলাম, নয়তো বলতাম মিথ্যা বলছেন) দিয়ে, এটার দরকার ছিলো না। সাধারণত নাস্তিকরা একই ধরণের প্রশ্ন করে, আর এগুলো খুব নতুন প্রশ্ন নয়, ঈশ্বরের আলোচনা সম্পর্কিত অতি প্রাচীন বইগুলোতে এসব নিয়ে অনেক কথা পাবেন।

        স্রষ্টার কিছু পারার ক্ষমতা বা অক্ষমতা থেকেই কি তার সর্বশক্তিমান সত্ত্বাকে বুঝা যায়? সে ধরণের কোন সম্পর্কতো এই ভিডিওতে দেখলাম না। মানবীয় গুনাবলী স্রষ্টার গুনাবলী থেকে ভিন্ন এবং স্রষ্টার গুণাবলী মানুষকে বিচার করতে সক্ষম  হলেও মানবিক গুনাবলী স্রষ্টাকে বিচার করতে অক্ষম। 

        জাকির নায়েক মানুষের সাধারণ বুঝার উপর ভড় করে তিনটি premise টেনে উপসংহারে সেটি পরিষ্কার করেছেন মানবিক গুণাবলী এবং ঐশ্বরিক গুনাবলীর পার্থক্য দিয়ে। তবে এই প্রসঙ্গ টানার জন্য আপনি ধন্যবাদ পেতে পারেন। কারণ এই বিষয়টা আমার এর আগে সেভাবে নজরে আসেনি। 

        উপরে আহমদ ভাই, বিষয়টিকে পরিষ্কার করেছেন, এবং জাকির নায়েকের সীমাবদ্ধতাও দেখিয়ে দিয়েছেন। কিন্তু এরকম বক্রভাবে শুরুটা অযৌক্তিক এবং অপ্রয়োজনীয়।

         

        1. ৮.১.১.১
          অপঠিত দৈনিকী

          ['সর্বশক্তিমান' কি এর উত্তরে আপনি যা বলেছেন তাতে দুটি উপসংহার টানা যায় – আপনি জানেন না 'সর্বশক্তিমান' কাকে বলে অথবা আপনি তা প্রকাশ করতে অক্ষম।]

           

          যথার্থ বলেছেন, ১ম টি সত্যা আমি জানি না সর্বশক্তিমান এর সংজ্ঞা। 

           

          জ্বি নাস্তিকদের ক্লাসিক প্রশ্ন গুলোই সংযোজন করা হয়েছে। আপনি সম্ভবত যেগুলো কে বলছেন,

          [সাধারণত নাস্তিকরা একই ধরণের প্রশ্ন করে, আর এগুলো খুব নতুন প্রশ্ন নয়]

          সেগুলো আমার প্রশ্ন নয়। এর উত্তর আপনি নিজে দিয়েছেন,

          [ঈশ্বরের আলোচনা সম্পর্কিত অতি প্রাচীন বইগুলোতে এসব নিয়ে অনেক কথা পাবেন।]

           

          [স্রষ্টার কিছু পারার ক্ষমতা বা অক্ষমতা থেকেই কি তার সর্বশক্তিমান সত্ত্বাকে বুঝা যায়?]

          আমি তো বলেছি আমি সর্বশক্তিমান এর সংজ্ঞা উপলব্ধি করতে অপরাগ। শুধু বিশ্বাস করতে এক পায়ে খাড়া।

           

          জাজাকাল্লাহ খাইরান।

           

          আর এইপোষ্টের উদ্দেশ্য মোটেই নাস্তিকতা বা এধরনের কিছু দৃষ্টি গোচর করানোর উদ্দেশ্য ছিলো না; কারণ ছিলো বিষয় গুলো আমাকে কনফিউজড করেছিলো, তাই নিজের মত করে ব্যাখ্যা টানার চেষ্টা করেছি। আর চেয়ে বেশি চেয়েছি আপনাদের মতামত জানতে।

  9. মাহফুজ

    পোষ্টের জন্য ধন্যবাদ-

    আপনি বলেছেন- //ওপরে আমি ধর্ম বলতে বোঝাতে চেয়েছি একটি আশ্রয় "কুনফাইয়াকুন" এর মালিকের কাছে।

    ধর্ম মান্য করার পদ্ধতি হিসেবে বলতে চেয়েছি যে, আমাকে শুধু এটুকু তদন্ত করে দেখতে হবে যে, যে বিধান টি আমাকে মানতে হবে তা আসলেই "কুনফাইয়াকুন" এর মালিকের পক্ষ থেকে কি না। যদি সেটা "কুনফাইয়াকুন" এর মালিকের পক্ষ থেকে হয় এটা নিশ্চিত হতে পারি তবে আমার দেখার প্রয়োজন নাই যে আমাকে কি বিধান মানতে হচ্ছে, আমি অন্ধের মত তা মানবো কোন তর্ক না করেই তা যতই যুক্তি বিরোধী হোক না কেন।//

    ………………………………………………….

    ধর্ম কি শুধুমাত্র আশ্রয়?

    অনেক সময় তো কেউ কেউ কোন অভিভাবকের আশ্রয়ে থেকেও তাকে মান্য করে না। তার কথামত চলে না।

    প্রকৃত ধর্ম হলো মানুষের জন্য একটি আনুগত্যপূর্ণ সার্বজনিন জীবন ব্যবস্থা, যার রূপকার স্বয়ং স্রষ্টা নিজেই।

     

    স্রষ্টা মহান আল্লাহ এমনই সর্বশক্তিমান যে তিনি একক, স্বয়ংসম্পূর্ণ, যিনি কাউকে জন্ম দেন না এবং তিনি জন্ম নেনও নাই এবং তাঁর সমকক্ষ কেউ নেই। তিনি তাঁর ইচ্ছায় "কুনফাইয়াকু বলাতেই" তৎক্ষনাৎ শুধু সৃষ্টি করেই ক্ষান্ত দেন না, বরং তা নিয়ন্ত্রণেরও ব্যবস্থা করেন। আবার নিমিষের মধ্যেই ধ্বংসও করতে পারেন। সুতরাং তাঁর ক্ষেত্রে ওজন নিয়ন্ত্রণ করা ও অসীম ওজনদার বস্তু উত্তোলন করা কোন বিষয়ই নয়। যদি কেউ তাঁকে সর্বশক্তিমান হিসেবে স্বীকার করার পরও এ নিয়ে প্রশ্ন তোলেন, তাহলে নিশ্চয় তার ইমানে ঘাটতি কিংবা বোঝায় ভুল আছে।

     

    মহান স্রষ্টাও অনেক সময় অবুঝ মানুষের বিবেককে জাগনোর জন্য যুক্তি প্রদর্শনের মাধ্যমে প্রশ্ন ছুঁড়ে দেন। এবার নিচের আয়াতগুলো লক্ষ্য করি-

    (৫৬:৮০) এটা (কোরআন) জগৎসমূহের পালনকর্তার পক্ষ থেকে অবতীর্ণ।    

    (৫৬:৮১) তবুও কি তোমরা এই বাণীর প্রতি তুচ্ছ জ্ঞান করছো?     

    (৫৬:৮২) এবং তোমরা তোমাদের উপজীবিকা বানিয়ে নিয়েছ যে তোমরা অস্বীকার/ অগ্রাহ্য করবে?          

    (৫৬:৮৩) অতঃপর হঠাৎ করে যদি তা (কারও প্রাণ) কন্ঠাগত হয়,           

    (৫৬:৮৪) এবং তোমরা সে সময় তাকিয়ে থাক,  

    (৫৬:৮৫) তখন আমি তোমাদের অপেক্ষা তার অধিক নিকটে থাকি; কিন্তু তোমরা দেখ না।        

    (৫৬:৮৬) অতঃপর হাঠাৎ করে যদি তোমাদের শাস্তি/ প্রতিফল নাই আসে,      

    (৫৬:৮৭) তোমরা তা (এই প্রাণকে) ফিরাও তো, যদি তোমরা সত্যবাদী হও?

     

    ইসলাম হলো সেই ধর্ম যার মৌল ভিত্তি হলো পবিত্র কোরআন। সুতরাং এই কিতাবের যেখানে যেখানে বিশ্বাসের শর্ত দেয়া হয়েছে, সেগুলো নিঃশর্তভাবেই বিশ্বাস করতে হবে। আর যেখানে যেখানে চিস্তা-ভাবনা করার জন্য আহ্বান জানানো হয়েছে, সে সব ক্ষেত্রে গবেষণা, জ্ঞানগর্ভ আলোচনা ও অকাট্য যুক্তি প্রদর্শনেরও যে প্রয়োজন হতে পারে তা মহান স্রষ্টাই আমাদেররেক জানিয়ে ও শিখিয়ে দিয়েছেন। কাজেই ধর্ম বিশ্বাস মানেই যেমন অযৌক্তিক ধর্মান্ধতা নয়, তেমনি একেবারে যুক্তি নির্ভর যুক্তিবিদ্যাও নয়। একজন যুক্তিবাদী যুক্তির মারপ্যাচ মারবেন আর একজন ধর্মান্ধ মুসলিম তা গালে হাত দিয়ে গলাধঃকরণ করবেন- বিষয়টি এমন নয়। বরং একজন ধর্মীষ্ঠ ও জ্ঞানী মুসলিমকে অবশ্যই তা প্রতিহত করার জন্য যুক্তিপূর্ণ ভাবেই এগিয়ে আসতে হবে। আর এটাই তার জন্য জেহাদ রূপে গণ্য হবে। তবে ইসলাম ধর্মের ক্ষেত্রে যুক্তি প্রদর্শনের মানদণ্ড অবশ্যই আল-কোরআনের জ্ঞান ও মৌল শর্ত তথা বিশ্বাস দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হতে হবে।

     

    না ধর্মান্ধ নয়, আমাদেরকে ধর্মীষ্ঠ হতে হবে। প্রথমত বিশ্বাস হলো আল্লাহর দান। তিনি যাকে তৌফিক দেন- তিনিই বিশ্বাসের দেখা পান। এরপর সেই বিশ্বাসের উপর ভর কোরে জেনে বুঝে সেই ভিতকে আরও শক্ত পোক্ত করার জন্য সচেষ্ট হতে হবে। আর এই দৃঢ় ইমানের আলোয় আপনি যখন যুক্তি প্রদর্শন করবেন, তখন তা আপনার বিশ্বাসকেই প্রতিফলিত করবে। তর্কের খাতিরে নামমাত্র যুক্তি খণ্ডন নয়- বরং দৃঢ় বিশ্বাস, আল-কোরআনের জ্ঞান ও পার্থিব জ্ঞানের সমন্বয়ে আপনি সকল যুক্তিকে জয় করতে পারবেন ইনশাল্লাহ। যেমন আপনি বৃত্তের পরিধী ভেদ সংক্রান্ত প্যারাডক্সের উদাহরণ দিয়েছেন। জগতের মাত্রা জ্ঞানই যার নেই, তিনি বিষয়টি অযৌক্তিকই ভাবতে পারেন। কিন্তু আপনি সেই জ্ঞান অর্জন করেছেন বিধায় নিজেই তা খণ্ডন করে দেখালেন।

    ধন্যবাদ-

    1. ৯.১
      অপঠিত দৈনিকী

      [না ধর্মান্ধ নয়, আমাদেরকে ধর্মীষ্ঠ হতে হবে। ]

       

      আমার কাছে "ধর্মান্ধ" শব্দ টি "ধর্মীষ্ঠ" শব্দের প্রতিশব্দ মনে হলো। কারণ "ধর্মান্ধ" শব্দের কোন স্বরূপ আপনি দেখান নি। "ধর্মান্ধ" কি এবং কেমন (আমার মতে) তা আমি "তাজুল ইসলাম" ভাইয়ের কমেন্টের রিপ্লাইয়ে বলেছি।

       

      [সুতরাং এই কিতাবের যেখানে যেখানে বিশ্বাসের শর্ত দেয়া হয়েছে, সেগুলো নিঃশর্তভাবেই বিশ্বাস করতে হবে। আর যেখানে যেখানে চিস্তা-ভাবনা করার জন্য আহ্বান জানানো হয়েছে, সে সব ক্ষেত্রে গবেষণা, জ্ঞানগর্ভ আলোচনা ও অকাট্য যুক্তি প্রদর্শনেরও যে প্রয়োজন হতে পারে তা মহান স্রষ্টাই আমাদেররেক জানিয়ে ও শিখিয়ে দিয়েছেন।]

       

      অসংখ্য ধন্যবাদ এখানে অত্যন্ত সুন্দর ভবে যুক্তির প্রয়োগের ক্ষেত্র টাকে দেখানোর জন্য।

       

      মুসলমান হওয়ার পর, বানীকে বিশ্বাস করে নেওয়ার জন্য যুক্তি প্রোযোজ্য নয়। বরং যুক্তির প্রয়োগ হবে- বিশ্বাস কে মজবুত করারর জন্য। 

       

      [প্রথমত বিশ্বাস হলো আল্লাহর দান। তিনি যাকে তৌফিক দেন- তিনিই বিশ্বাসের দেখা পান। এরপর সেই বিশ্বাসের উপর ভর কোরে জেনে বুঝে সেই ভিতকে আরও শক্ত পোক্ত করার জন্য সচেষ্ট হতে হবে। আর এই দৃঢ় ইমানের আলোয় আপনি যখন যুক্তি প্রদর্শন করবেন, তখন তা আপনার বিশ্বাসকেই প্রতিফলিত করবে।]

       

      অতি সত্য কথা বলেছেন।

       

      [প্রকৃত ধর্ম হলো মানুষের জন্য একটি আনুগত্যপূর্ণ সার্বজনিন জীবন ব্যবস্থা, যার রূপকার স্বয়ং স্রষ্টা নিজেই।]

       

      কোনো সন্দেহ নাই। মানুষ এই সার্বজনিন জীবন ব্যাবস্থার ছায়া তলেই আশ্রয় নেয়।

      1. ৯.১.১
        মাহফুজ

        ভাই, অপঠিত দৈনিকী- আপনার পোষ্টে সেই ১৬-০৪-২০১৬ তারিখ থেকে এই মন্তব্যটা দিতে চাইছি। আজ্ও চেষ্টা করলাম। কিন্তু কেন যেন পোষ্ট করলেই বার বার error দেখাচ্ছে।  তাই বাধ্য হয়েই এখানে দিলাম। যদি সম্ভব হয় এবং আপনি চান, তাহলে আমার হয়ে ২ নং মন্তব্যটা আপনার পোষ্টে জুড়ে দিতে পারেন-

  10. ১০
    sumonsnbd

    কিছু বলার মত জ্ঞান আমার নাই, তবে আমি আল্লাহর কাছে সব সময় দোয়া করি ”আল্লাহ আপনি আমাকে জ্ঞান দান করবেন সেদিন আম এই যুক্তি খন্ডন করবো, ইনশাআল্লাহ, তবে এন আহমদ ভাইকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি আপনার ভালো যুক্তির জন্য।

    1. ১০.১
      অপঠিত দৈনিকী

      [আল্লাহ আপনি আমাকে জ্ঞান দান করবেন সেদিন আম এই যুক্তি খন্ডন করবো, ইনশাআল্লাহ।]

      -আমীন।

       

      [তবে এন আহমদ ভাইকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি আপনার ভালো যুক্তির জন্য।]

      -আমার পক্ষ থেকেও অসংখ্য ধন্যবাদ

  11. ১১
    মাছুম বিল্লাহ

    আপনি স্ববিরধিতা করছেন বলে আমার মনে হচ্ছে।আপনি স্ববিরধিতা করছেন বলে আমার মনে হচ্ছে। ত্রিমাতৃক জগতে যা একেবারেই অসম্ভব, দশমাতৃক জগতে তা অনায়াসে সম্ভব। তাহলেতো আপনি বলছেনই এই পৃথিবীতে কিছু কাজ আছে যা অসম্ভব। আপনার কাছে একটা প্রশ্ন আল্লাহ কি পারবেন আমাকে আল্লাহর রাজত্ব থেকে বের করে দিতে। (এসব নিয়ে আমার মাথা ঘামান উচিত না কারন আমি খুব কম জানি। আপনার যুক্তিতে কিছু ভুল হয়েছে বলে মনে হচ্ছে তায় লিখলাম।)

     

    1. ১১.১
      অপঠিত দৈনিকী

      [আপনার কাছে একটা প্রশ্ন আল্লাহ কি পারবেন আমাকে আল্লাহর রাজত্ব থেকে বের করে দিতে। ]

      প্রশ্ন টির সম্ভব্য উত্তর পোষ্টের মধ্যেই ছিলো। অবশ্যই স্রষ্টা পারবেন। কারণ আপনাকে তার রাজত্ব থেকে বের করে দেওয়া অসম্ভব।

      আর প্রত্যেক টা অসম্ভব কাজ স্রষ্টা করতে পারেন – কারণ এটাই সৃষ্টিকর্তার সংজ্ঞা।

       

      [আপনি স্ববিরধিতা করছেন বলে আমার মনে হচ্ছে।]

      কোথায় করেছি সেটা একটু দেখিয়ে দিলে উপকৃত হতাম।

       

      [তাহলেতো আপনি বলছেনই এই পৃথিবীতে কিছু কাজ আছে যা অসম্ভব।]

      পৃথিবীতে অসম্ভব নয়, বরং পৃথিবীর বাসীন্দাদের দৃষ্টিকোনে অসম্ভব।

  12. ১২
    মুনিম সিদ্দিকী

           ব্লগটি পড়ে মাথা আউলা জাউলা হয়ে গিয়েছিল। ধন্যবাদ জানিয়ে ছোট্ট কমেন্ট করতে চেয়েছিলাম। কিন্তু একের পর এক কমেন্ট গুলো পড়ে আমার মাথা পুরো টা গেছে! আফসুস হচ্ছে আমার মাথায় পুরোটা এত গোবর ভরা কেন? আমি তো কিছুই বুঝতে পারছিনা।

     

     

     

    1. ১২.১
      আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন

      মুনিমভাই বেশী চিন্তা করা ঠিক না। তারচেয়ে বরঞ্চ একটা ধাঁধার উত্তর দেন – একটা সাপ যদি নিজের লেজ থেকে খাওয়া শুরু করে তবে তার খাওয়া শেষ হবে কোথায়? 

       

      উপরের আলোচনাটা অনেকটা সাপের লেজ খাওয়ার ধাঁধা ধরনের। যদি মজার পেতে চান এই ধরনের আলোচনায় যোগ দিন – টেইক ইট ইজি – নাথিং সিরিয়াস।

      আল্লাহ সর্বশক্তিমান – আল্লাহু আকবর – এইটার পর যুক্তি দিয়ে বুঝানোর দরকার খুব একটা নেই। সৃষ্টিজগতের নগন্য একটা সৃষ্টি মানুষ – তারা যখন ্‌আল্লাহ গুনাবলী নিয়ে যুক্তিতর্ক শুরু করে – তা ভয়াবহ বিভ্রান্তির দিকে টেনে নিয়ে যেতে পারে। তাই এই ধরনের লেখা পড়ার আগে অবশ্যই আমরা আউজুবিল্লাহি মিনাশ শাইতোয়ানির রাজিম পড়বো। 

       

      ধন্যবাদ। 

  13. ১৩
    মাছুম বিল্লাহ

    আমি জাকির নায়েকের সাথেই একমত। কারণ আল্লাহ আমাকে কার রাজ্যে পাঠাবে।

  14. ১৪
    চুরান্ত বার্তা

    সকলের উপর আল্লাহর শান্তি বর্ষিত হোক
    ভাইজান আপনার পুস্ট ও পুস্টে করা সন্মানিত মুছলিম ভাইয়েরা, সবাইকে জানাই “চুরান্ত বার্তা”র পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ ।
    এ প্রসংগে আমি যা বলতে চাইঃ
    [[ যার যতোটুকু জ্ঞান সে তা থেকে ততোটুকুই বলতে পারে এর বেশী সে জ্ঞান থেকে বলতে পারেনা ]]
    এখানে জ্ঞান বলতে শুধু মাত্র
    (( কুরআন হাদিসের জ্ঞানকেই বোঝবো ))
    রূপঃ যেমন ধরুন, আমি যে ঘরে ভারা থাকি সেই ঘরে যাকিছু জিনিষ পত্র আছে তা আমি দেখতে পাচ্ছি আর তা আমি সবাইকে দেখে দেখে বলে দিতে পারবো, কারন তা আমি দেখতে পাচ্ছি আর তাই আমি তা জানি এই ঘরে আমি যেহেতো ভারা থাকি তাই এই ঘর সম্পর্কে আমার না জানা থাকতে পারে, এবং হতে পারে এই ঘরে আরো কিছু আছে তা ঘরের মালিক জানেন।
    যেমন একদিন আমি ঘরের মালিককে বললাম, আপনার ঘরে আমি ভারা থাকি, আপনার ঘরে আছে, একটি খাট, একটি টেবিল, একটি চেয়ার, ও একটি আলমারি ও তার ভিতরে যা আছে তা, এছাড়া আর কিছুই নেই।
    তখন ঘরের মালিক বললোঃ আপনি এই ঘরে যা দেখতে পাচ্ছেন তা জানেন, তাই আপনার জ্ঞান এই ঘরে কি আছে তা সম্পর্কে, এতোটুকুই !! আপনি এর চেয়ে বেশি জানেননা, তাই আপনি যতোটুকু দেখেছেন ততুটুকু জেনেছেন, এবার শুনেন এই ঘরে মাটির নিচে স্বর্ণের কলসি, রুপার থালা, একটি মোহর ভর্তি সিন্দুক, ও মহিলাদের স্বর্ণের কিছু গয়না রাখা আছে, যা আপনি আজ জানলেন, তাহলে আপনি এটা বললেন কেনো, চেয়ার টেবিল আলমারি ও খাট ছাড়া, এই ঘরটির ভিতর আর কিছুই নেই???
    আমি উত্তরে বললামঃ আসলে মশাই আমি যতোটুকু দেখেছি ও জেনেছি ততোটুকুই বলতে পেরেছি, আমার এই ঘরসম্পর্কে এতোটুকুই জ্ঞান ছিলো।
    সন্মানিত ভাইয়েরা, উপরের উদাহারন থেকে আমার এই কথাটা সহজেই বুঝে এসেছে বলে আশা করছি
    যা বলতেছিলামঃ আমি ধর্ম সম্পর্কে কতোটুকু জানি? আপনি ধর্ম সম্পর্কে কতোটুকু জানেন?
    কোরআন কতোটুকু জানি আর হাদিস কতোটুকু জানি??
    যে যতোটুকু জানি তার কতোটুকুই জ্ঞান !!
    এবার আমরা দেখবো, নিজেদের দিকে চেয়ে,, আমরা সবাইকি পরিপূর্ন কামেল?
    বা কুরআন ও হাদিস পরিপূর্ন বা যতোটুকু দরকার ততোটুকু কি জানি??
    হতে পারে আপনি দশটি হাদিস জানেন সনদ সহ, আর আমি জানি সাতটি হাদিস সনদ সহ বা সনদ ছাড়া, আবার আরেক ভাই জানে বিশটি হাদিস, ১৫ টি সনদ ছাড়া আর ৫টি সনদ সহ, তারপর আরেকজন ভাই সে হাদিস জানে ৫০টি ও সবকটি সনদ সহ
    এখানে যদি সবাই এক হয়ে একটি বিষয় সম্পর্কে আলোচনায় বসে, তবে এখানে বিতর্ক হবে, কারন, সবার জ্ঞান সমান নয়, সবার জ্ঞান যদি সমান হয় তবে, সবাই একমত হবে। যেমন আমরা এতে একমত “মুছলমান মুছলমানের ভাই” এই হাদিসটি নিয়েআমরা বিতর্ক করবোনা কারন এর জ্ঞান বা বুঝ্ সবার সমান, যদি সমান না হতো তবে, কেউ বলতো, বাপ মুছলমান হলে সেও কি ভাই হয়ে যাবে?
    বিষয়টি চিন্তা করলে খুব সহজেই বুঝে আসবে যে আসলে লোকটি এই হাদিসের সনদ জানেনা, কারন যে বাপ সে তো বাপই,, যে কাকা সেতো কাকাই,, আসলে নবি (ছঃ) বুঝিয়েছেন, বাবা, কাকা, শ্বশুর, ইত্যাদী সম্পর্কের ছাড়া যারা আছে, তারাই (পুরুষ) ভাই। আর মহিলার ক্ষেত্রে বোন।
    তাই আমাদের উচিৎ নিয়মিত কুরআনের তফছির, ও হাদিসের ব্যাখ্যা সহ পাঠ করা, ও বিতর্কে না জড়ানো।
    আর ডাঃ নায়েক যে সম্পর্কে কথাটি বলেছে, তা বুঝার চেষ্টা করা কারন, তিনি বলেছেন, আল্লাহ সবকিছুই করতে পারেননা, যা চুরান্ত, ও করতেই পারেননা, যদিও তিনি অসম্ভবকে সম্ভব করতে পারেন তথাপিও এমন কিছু কাজ আছে যা তিনি আসলেই করতে পারেননা বা করবেননা, যেমন, আল্লাহর মতোই আরেকজন আল্লাহ সৃষ্টি করা, যদি করেন তবে সে আল্লাহ থাকবেনা কারন সে সৃষ্টি হয়েছে, কিন্তূ আল্লাহ তো সৃষ্টি হননি??
    সুরা ইখলাস তার প্রমান।
    ২/ আল্লাহ তার ওয়াদা খেলাফ করতে পারেননা
    বা করবেনইনা।
    ৩/ আল্লাহ মিথ্যা বলতে পারেননা। আর যে বলে আল্লাহ সব পারে তাই তিনি মিথ্যাও বলতেন পারেন (নাউজুবিল্লাহ)
    এটা যে বলে সে হয়তো নিজে ভুল বুঝেছে অথবা শয়তান, একথা কুরআনে আছে, যে বলে আল্লাহ মিথ্যা বলতে পারে, আসলে সে ই মিথ্যাবাদী।
    আল্লাহ ঘুমাতে পারেননা,
    আল্লাহ ছেলে বা মেয়ে হতে পারেননা
    আল্লাহ বিয়ে করতে পারেননা ইত্যাদী কারন, এগোলো সব সৃষ্টির বৈশিষ্ট মাত্র, স্রষ্টার বৈশিষ্ট এগুলো নয়, বরং কুরআনে বলা হয়েছে অনেক জায়গায়, ছুবহানাহুয়াম্মা ইউসরিকুন।
    বলাই বাহুল্য ডাঃ নায়েকের এই কথা গুলোতে ভল বঝার অবকাশ মাত্রও নেই।
    এক্ষেত্র তার এই লেকচার আবার শুনতে পারেন, এই টপিকের নাম ” কুরআন কি আল্লাহর বানী ”
    এটা অডিও লেকচার মনোযোগ দিয়ে শুনুন, আমার কাছ অডিও আছ বাট লিংকটা সংগ্রহে নেই, তাই গুগল সার্চ করে mp3 ফাইলটা ডাউনলোড করে নিয়ে আবার শুনুন, দেখবেন এখানে বিভ্রান্ত করা হচ্ছেনা বরং সঠিক উত্তর দেয়া হয়েছে।
    আরো কথা ছিলো বলার কিন্তূ সময়ের অভাবে পারলামনা।
    পরিশেষে আবার সবার প্রতি শুভ কামনা করে বিদায় নিচ্ছি। আল্লাহর শান্তি বর্ষিত হোক আপনাদের উপর।

  15. ১৫
    চুরান্ত বার্তা

    আপনি জানতে চাচ্ছেন,আপনি কোথায় স্ববিরোধীতা
    করছেন
    তাহলে শুনেনঃ এটাকি স্ববিরোধী নয়, আপনি বলছেন আল্লাহ সব করতে পারেন এটাই সৃষ্টিকর্তার সংজ্ঞা।
    এর ব্যাখ্যায় আপনি ভুল করছেন, বুঝতে আপনি ভুল করছেন । এর ব্যাখ্যা হলো স্রষ্টা, স্রষ্টার মতো করেই সব করতে পারেন।
    ও স্রষ্টার সঠিক সংজ্ঞা হলো, আল্লাহ সকল কিছুর উপর ক্ষমতাবান।
    কিন্তূ আপনি বলছেন, মানুষ,মানুষ হিসেবে যা করতে পারে, স্রষ্টা হিসাবে স্রষ্টটাও মানুষের কাজটা করতে পারেন (নাউজুবিল্লাহ)
    এটা সম্পূর্ণ মুশরিকদের ধারনা, তাই কুরআনে বলা হয়েছে “” মুশরিকরা বলে আল্লাহ সন্তান গ্রহন করেছেন,অথচ আল্লাহ তার থেকেও পবিত্র তিনি স্ত্রী বা সন্তান গ্রহন করতে পারেননা”” (আল কুরআন)
    আপনার এই ভন্ড ধারনা
    তাহলে আপনি আমার প্রশ্নের উত্তর দিন, মানুষ বিয়ে করে স্ত্রী সহবাস করতে পারে, এখন আপনার ধারনার স্রষ্টার সংজ্ঞায় আল্লাহও কি তাই পারেন???? নিজের মূর্খতা ও মুশরেকদের ধারনা দূরে রেখে উত্তর.. হ্যা/না.. এই দুটির একটি দিন, দেখি আপনার আকিদায় গন্ডগোল আছে কিনা

  16. ১৬
    শাহবাজ নজরুল

    সদালাপে স্বাগতম জানাচ্ছি আপনাকে!!!

    মুনিম ভাইয়ের মত মাথা কিছুটা আউলা ঝাউলা হয়ে গেলেও, অনেকের কাছ থেকে কিছুটা ঋণাত্মক কমেন্ট পেলেও, আমার কাছে পোস্টটি ভালই লেগেছে সর্বোপরি।

    1. ১৬.১
      অপঠিত দৈনিকী

      জাজাকাল্লাহ খাইরান।

  17. ১৭
    বাবুল

    ধর্মের মূল ভিত্তি হলো অন্ধ বিশ্বাস। এই সোজা সরল সত্য অকপটে বলতে পারার জন্য আপনাকে অভিনন্দন। আসলে দুই ধরণের লোক এ রকম চরম সত্য কথা বলে। এক হলো কঠোর যুক্তিবাদী আর অন্যজন হলো চরম মৌলবাদী। মাঝখানে আছে মডারেট। তারা যুক্তি দিয়ে ধর্মকে যুগোপযোগী করার চেষ্টা করে। সেটাও খারাপ কিছু নয়। কেননা মানুষের জন্যই ধর্ম, ধর্মের জন্য মানুষ নয়।

    1. ১৭.১
      মাহফুজ

      //এক হলো কঠোর যুক্তিবাদী আর অন্যজন হলো চরম মৌলবাদী//

      মৌলবাদী কথাটা ঠিক হলোনা। কারণ যারা সত্যের সন্ধানে মূলের সন্ধান করেন ও আকড়ে থাকেন তারাই মৌলবাদী। আর চরম মৌলবাদীরাই নানা মুনির নানান মতের তোয়াক্কা না করে কুসংস্কার, অন্ধত্ব ও মিথ্যার মায়াজাল থেকে বেরিয়ে আসার জন্য মূলকে আঁকড়ে ধরেই নিরন্তরভাবে চেষ্টা সাধনা করেন।

      বরং পরনির্ভরশীল জ্ঞানীমূর্খ কিংবা অজ্ঞরাই ধর্মান্ধ হয়ে থাকে।

      1. ১৭.১.১
        তাজুল ইসলাম

        ধন্যবাদ মাহফুজ ভাই, সুন্দর জবাব দিয়েছেন।

        1. ১৭.১.১.১
          মাহফুজ

          আপনাকেও ধন্যবাদ ও শুভকামনা

  18. ১৮
    বাবুল

    মাহফুজ

    ধর্মে অন্ধ বিশ্বাস বলতে আমি কিংবা লেখক কেহই এখানে খারাপ কিছু মীন করিনি। আপনি যা অন্তর থেকে শতভাগ সত্য বলে জানেন অথবা অনুভব করেন তার প্রতি অন্ধ বিশ্বাস থাকাটা তো অস্বাভাবিক কিছু নয়। আর কট্টর মৌলবাদী কিংবা কঠোর যুক্তিবাদী কাউকেই এখানে আমি ভালো মন্দ বিচার করতে বসি নি।এ গুলো  হলো মনের  একরকম অবস্থা যা তার কাজকে জাস্টিভাই করে। প্রচলিত অর্থে যারা ধর্মের প্রতিটি বানীকে অন্ধভাবে অনুসরন করে তাদেরকেই মৌলবাদী বলা হয়ে থাকে। এ ক্ষেত্রে আপনি মৌলবাদের নূতন সংজ্ঞা দিলে তো হবে না।ব্যাক্তিগতভাবে আমি মনে করি প্রতিটি মানুষের ভিতর অন্তরনিহিত কিছু দুর্বলতা আছে যার ফলে ইচ্ছে থাকলেও কারো পক্ষে শতভাগ মৌলবাদী কিংবা যুক্তিবাদী হওয়া সম্ভব নয়। আর সত্য জিনিসটাও এসব ক্ষেত্রে অনেকসময় আপেক্ষিক হয়। আপনার কাছে যা চরম সত্য বলে অনুভূত হচ্ছে তা আমার কাছে তা নিতান্তই কুসংস্কার বলে মনে হতে পারে।

    1. ১৮.১
      মাহফুজ

      ভাই বাবুল,

      যে কোন অন্ধত্বই মানুষকে অন্ধকারের দিকে নিয়ে যায়। ধার্মিক হওয়ার জন্য ইমান অর্থাৎ বিশ্বাসের প্রয়োজন। আর বিশ্বাসটা মজবুত করার জন্য বিবেক ও জ্ঞানকে কাজে লাগতে হয় এবং ক্ষেত্র বিশেষে প্রজ্ঞাপূর্ণ যুক্তি প্রয়োগের প্রয়োজন হতে পারে। (সূরা আনআম-৬ঃ৭৬ – ৮৩)

      ধর্মান্ধতা থেকে মুক্তি পেতে হলে একজন ধার্মিককে অবশ্যই শেকড়ের সন্ধান করতে হবে অর্থাৎ স্বচ্ছ অন্তরে ধর্মের মৌল উৎসের কাছে যাবার প্রয়াস নিতে হবে। যিনি যত নিবিঢ়ভাবে তা আত্যস্ত, অনুধাবন ও আমল করতে সক্ষম হবেন, তিনি ততটাই ধর্মিষ্ঠ হতে পারবেন।

      সত্য সব সময়ের জন্য সত্যই। কেউ সত্যকে মিথ্যা মনে করলেই তা সত্য হয়ে যাবেনা। আবার কেউ মিথ্যাকে ছলে বলে মিথ্যা বলে চালাতে চাইলেই তা সত্য হয়ে যায়না। সত্য-মিথ্য এবং ভাল-মন্দের পার্থক্যটা খুঁজে ও বুঝে নেয়ার জন্য স্বচ্ছ অন্তরে সাধনা করতে হয়। আর মিথ্যাকে আশ্রয় করেই কুসংস্কারের জন্ম হয়। স্বার্থ হাসিলের মতলবে সত্য রীতি-নীতিকে উপেক্ষা করে ও পাল্টে দিয়ে যখন মিথ্যা রীতি-নীতির উদ্ভব ঘটানো হয় তখনই অজ্ঞ ও পরনির্ভরশীল জ্ঞানীমূর্খরা কুসংস্কারকে আকড়ে ধরে মিছে মায়ার পিছে ছুটে বেরায়। মানুষের অন্তরনিহিত কিছু দুর্বলতা তখন মাথা চাড়া দিয়ে ওঠে। আর এই দুর্বলতাই মানুষকে কুসংস্কারাচ্ছন্ন ধর্মান্ধ ও নয়ত ধর্মহীন কোরে তোলে এবং মানুষ বিপথে পরিচালিত হয়।

      ধন্যবাদ-

      1. ১৮.১.১
        মাহফুজ

        মৌল নির্দেশনাকে অনুধাবন করার চেষ্টা না করেই যন্ত্র মানবের মত ধর্ম পালনে আসক্ত হলে মানূষ ধীরে ধীরে ধর্মান্ধ হয়ে ওঠে।

  19. ১৯
    চুরান্ত বার্তা

    সকল ভাইদের ধন্যবাদ। আল্লাহ আমাদের সঠিক বুঝ দান করুন,,

  20. ২০
    মিশো

    আমি অবাক হলাম। জাকির নায়েকের ব্যাখ্যাটা না বুঝে একজন একটা পোস্ট দিল, আর সবাই চিলের পিছনে দৌড় শুরু করে দিল? https://www.youtube.com/watch?v=YiuEXth-J_g  সময়ঃ ২ঃ৪৪ 

Comments have been disabled.