«

»

Apr ০৮

ইসলাম যুক্তিহীনভাবে পালন করার ধর্ম নয়

একজন লোককে দেখলাম পকেটে এক আটি মেসওয়াক, মুখে দুর্গন্ধ। তাকে জিজ্ঞাসা করলাম- ভাই আপনার পকেটে মেসওয়াক কেন? তিনি বললেন- রসুলাল্লাহ (সা.) মেসওয়াক রাখতে বলেছেন। তখন আমি বললাম- আপনার মুখে এমন দুর্গন্ধ কেন, মেসওয়াক করেননি? তিনি মুখ থেকে আরও কিছুটা গন্ধ বের করে বললেন- আমি রোজা আছি, রোজাদারের মুখের গন্ধ আল্লাহর নিকট অনেক প্রিয়। আপনি কি হাদিস-কোর’আন কিছু জানেন না?
.
এটাই হলো আকীদা না বুঝে আমল করার ফল। বর্তমানে অধিকাংশ মানুষই কিন্তু এভাবে আকীদা না বুঝে আমলা করে। অথচ সকল মুফতী ও আলেমগণ এ বিষয়ে একমত যে, আকীদা ভুল হলে ঈমানের কোনো দাম থাকে না আর ঈমান না থাকলে আমল অর্থহীন।
.
ইসলাম এতটা বাস্তবসম্মত যে প্রতিটা আমলের স্বাভাবিক ফল আপনি দুনিয়াতেই পাবেন, আর আখেরাতে আল্লাহ ঐ ফলটিই বহুগুণে বাড়িয়ে দিবেন, পুরষ্কৃত করবেন। ইসলামে এমন কোনো আমলই থাকতে পারে না যা কেবল আখেরাতের জন্য। প্রতিটা আমলের দুনিয়াবি কল্যাণ আছে আর বদ-আমলের বা গোনাহের কাজের দুনিয়াবি অকল্যাণ আছে। দুনিয়াতে যদি আপনি কোনো আমলের ফল না পান তবে বুঝতে হবে আখেরাতেও ফল পাবেন না অর্থাৎ আমলটি ভুলভাবে করা হচ্ছে। 
.
যেমন- মেসওয়াক করবার ফল হলো মুুখ পরিষ্কার-দুর্গন্ধমুক্ত থাকবে ও অনেক রোগ থেকে মুক্তি পাবেন। যদি মুখের দুর্গন্ধই না যায়, মুখ পরিষ্কারই না হয়, রোগ থেকে নিজেকে বাঁচাতেই না পারেন তবে আখেরাতেও এর জন্য কোনো নেকি পাবেন না।
.
– সালাহ (নামাজ) এর ফল কী? সমাজ থেকে সকল অন্যায় ও অশ্লীল কাজ দূর হয়ে যাবে। (সুরা আনকাবুত- ৪৫)। ঐক্য প্রতিষ্ঠিত হবে, ধনী-গরিব ভেদাভেদ দূর হবে, অহঙ্কার দূরীভূত হবে (জামায়াতে নামাজ পড়ার এটাই ফল)। শৃঙ্খলা, সময়ানুবর্তীতা প্রতিষ্ঠিত হবে (ওয়াক্ত মতো নামাজ পড়া এবং নামাজের মধ্যে একসাথে সবাই মিলে কিছু নিয়ম অনুসরণ করার এটাই ফল)। আনুগত্য প্রতিষ্ঠিত হবে (ইমামের কমান্ড সাথে সাথে অনুসরণের ফল)। এ ছাড়াও আরও অনেক ফল আছে, এখানে সংক্ষিপ্ত আকারে বললাম।
.
সওম বা রোজার ফল কী? দরিদ্র ও ক্ষুধার্ত মানুষের কষ্ট অনুধাবন করা ও তাদের প্রতি সহমর্মী হওয়া, এটা হলে সমাজের দরিদ্র ও ক্ষুধার্ত মানুষ কষ্টে থাকবে না। আরেকটা শিক্ষা হলো- সত্যদীনের সংগ্রাম করতে গিয়ে যেন ক্ষুধা আর দারিদ্র তাকে হতাশ করতে না পারে, সহজে দুর্বল করতে না পারে সেই শারীরিক ও আত্মীক চরিদ্র সৃষ্টি।
.
যে আমলের দুনিয়াবি কোনো ফল নেই সেই আমলের আখেরাতেও কোনো ফল নেই। দুনিয়াবি ফলের জন্য দরকার আকীদা আর আখেরাতের ফলের জন্য দরকার ঈমান। ইসলামের কোনো আমল যদি কোনো নাস্তিকও করে তবে সে দুনিয়াবি ফল পাবে কিন্তু ঈমান না থাকার জন্য সে আখেরাতের ফল পাবে না। যেমন কেউ সত্যবাদী হলে দুনিয়াতে তাকে সকলে বিশ্বাস করবে, সে সম্মানীত হবে সত্যবাদী হিসাবে ইত্যাদি।

১৭ comments

Skip to comment form

  1. 8
    fazle hasan siddiqui

    ইসলাম কে কেবল যুক্তিনির্ভর ধর্ম বলে একপেশে বক্তব্য দেয়া ঠিক নয়। তাহলে যা যুক্তিতে আসবে না তাই ইসলামের বাইরের আর যা যুক্তিতে ধরবে তা অবশ্যই ইসলাম ধর্মের বিষয় বলে মানুষ মনে করতে শুরু করবে। যেমন খুব ই সাধারণ ভাবে বললে, অজু করার বিষয় টি কোনভাবে যুক্তি নির্ভর নয়।-- আপনার শরীরে নাপাক লেগেছে, জায়গাটি ধুতে হবে, অজু জরুরী না। আবার শরীর না ধুয়ে খালি অজু করেন, তাহলেও কিন্তু নামাজ পড়তে পারছেন না। অথচ অজু হচ্ছে শরীর পাক হওয়ার শর্ত। 

    আমার কাছে ইসলাম রেয়ায়েত ভিত্তিক যুক্তিনির্ভর ধর্ম, যা রেয়ায়েত হতে আসছে (কোরান-হাদিস) তা যদি আমার বুঝে নাও আসে তবু তা ইসলাম। আর যা যুক্তিতে আসলেও রেয়ায়েত দাবী করে না, তা আমি মানতে রাজি না। যেমন কেউ কাপড় ছাড়া থাকলে অনেকের ধারণা (এক সময় আমিও মনে করতাম) অজু নষ্ট হয়ে গেছে, কিন্তু অজু যায় নি।

    এটিও একটি নেক আমল, কিন্তু দুনিয়াবী ফলাফল শূণ্য!!’’———— আসলে ফলাফল শূন্য নয়। তাৎক্ষণিকভাবে ফলাফল না পেলেই কি ফলাফল শূন্য হয়ে গেল? আপনি ছোটবেলা থেকে লেখাপড়া করলে ফলাফল পান চাকরিজীবনে…….একইভাবে ঐ ব্যক্তি দান করবার যে মানসিকতা সৃষ্টি করলেন তার ঐ মানসিকতার কারণেই ভবিষ্যতে তার নিজের সমাজে এমন দুর্ভিক্ষ বা অভাব দেখা দিলে তা দূর করার জন্য অবদান রাখতে পারবে। সুতরাং সমাজ কল্যাণে বা সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠায় এর অবদান অনেক।

    আপনি (লেখক) এক প্রশ্নের জবাবে বললেন, তাৎক্ষনিক ফল না আসলেও তা ফল শুন্য নয়। এটা একজন মুমিনের বিশ্বাস যে তার কোন আমলই ফলশুন্য নয়। কিন্তু আপনার দাবী অনুযায়ী যে আমলের কোন ফল পাওয়া গেল না তা কোন আমলই না,বা আখেরাতেও কোন কিছু পাবে না। তাহলে মানুষ আমল করেই যদি কোন ফল না হতে দেখল, সে তো হতাশ হবে। তার মানে অনেকটা আগেকার জমানার মত বলছেন যে, তারা তাৎক্ষনিক ভাবে জেনে যেতেন যে তার কুরবানী কবুল, তার টা না।

    আলোচনাটি খুব ই সংক্ষিপ্ত এবং ইসলামের সামগ্রিক বিবেচনা নেয়া হয় নি। আরও বিস্তারিত ব্যাখ্যা আসতে পারে।

     

    1. 8.1

      jajak-allahu khayrun. well said.

  2. 7
    মাহফুজ

    এখনো পরিষ্কার হলো না। সত্য প্রতিষ্ঠার জন্য যারা সংগ্রাম করবেন, তাদেরকে আগে তা সঠিকভাবে জানতে ও মানতে হবে এবং অপরকেও তা স্পষ্টভাবে জানানোর প্রয়াস নিতে হবে।
     

    আপনি বলেছেন- //হেযবুত তওহীদ প্রচলিত ইসলামের অনেক বিষয় বিকৃত হয়ে গেছে বলে যৌক্তিকভাবে বলে থাকে কিন্তু সবই বিকৃত হয়ে গেছে তা বলে না। //
     

    যেহেতু আপনারা ইসলামের সবই বিকৃত হয়ে গেছে বলে দাবি করেন না, তার মানে আপনাদের দৃষ্টিতে নিশ্চয় পার্টিকুলারলি কয়েকটি বিষয় বিকৃত হয়েছে। সেই বিষয়গুলো সম্পর্কে স্পষ্টভাবে কিছু বলবেন কি?
    আপনারা কি ইসলামের কথা বলছেন, নাকি অন্যকিছু-- তা বোঝার জন্য বক্তব্য স্পষ্ট হওয়া চাই।
    বিশেষ করে আল-কোরআন সম্পর্কে আপনাদের ধ্যান-জ্ঞান কতটা পরিষ্কার সেটাও সবার সামনে স্পষ্টভাবে তুলে ধরতে হবে।

  3. 6
    মাহফুজ

    জবাব দেয়ার জন্য ধন্যবাদ ভাই,

    সত্যিকার ইসলাম প্রতিষ্ঠার জন্য যারা চেষ্টা-সাধনা করেন, তাদেরকে অবশ্যই মহান আল্লাহতায়ালা সাহায্য করবেন। কিন্তু এর বিপরীতটি হলে তার ফলাফলও তেমনি হবে।

    হেযবুত তওহীদ যেহেতু বর্তমানে যে ইসলাম ধর্মের সবই অসত্য ও বিকৃত হয়েছে বলছে। সুতরাং নিশ্চয় তাদের কাছে সত্য ও প্রকৃত ইসলাম স্পষ্ট হওয়া চাই। বর্তমানে ইসলামের ঐশী বিধান পবিত্র কোরআনের কোন ব্যাখ্যা গ্রন্থকে তারা সত্যের কাছাকাছি ও যুগোপযোগী মনে করেন ও অনুসরন করে থাকেন। কিংবা তাদের নিজস্ব কোন ব্যাখ্যা গ্রন্থ আছে কি?

    নামাজ, রোজা, যাকাত ও হজ পালন সম্পর্কে তাদের ভিন্ন বক্তব্য ও মত আছে কি? থাকলে কিরূপ?

    আপনার ইসলাম-কে নাকি এসলাম বলেন?

    বিতর্ক নয়, সঠিকটা জানতে চাই-

    1. 6.1
      রাকীব আল হাসান

       

      هُوَ الَّذِيَ أَنزَلَ عَلَيْكَ الْكِتَابَ مِنْهُ آيَاتٌ مُّحْكَمَاتٌ هُنَّ أُمُّ الْكِتَابِ وَأُخَرُ مُتَشَابِهَاتٌ فَأَمَّا الَّذِينَ في قُلُوبِهِمْ زَيْغٌ فَيَتَّبِعُونَ مَا تَشَابَهَ مِنْهُ ابْتِغَاء الْفِتْنَةِ وَابْتِغَاء تَأْوِيلِهِ وَمَا يَعْلَمُ تَأْوِيلَهُ إِلاَّ اللّهُ وَالرَّاسِخُونَ فِي الْعِلْمِ يَقُولُونَ آمَنَّا بِهِ كُلٌّ مِّنْ عِندِ رَبِّنَا وَمَا يَذَّكَّرُ إِلاَّ أُوْلُواْ الألْبَابِ

      তিনিই আপনার প্রতি কিতাব নাযিল করেছেন। তাতে কিছু আয়াত রয়েছে সুস্পষ্ট, সেগুলোই কিতাবের আসল অংশ। আর অন্যগুলো রূপক। সুতরাং যাদের অন্তরে কুটিলতা রয়েছে, তারা অনুসরণ করে ফিৎনা বিস্তার এবং অপব্যাখ্যার উদ্দেশে তন্মধ্যেকার রূপকগুলোর। আর সেগুলোর ব্যাখ্যা আল্লাহ ব্যতীত কেউ জানে না। আর যারা জ্ঞানে সুগভীর, তারা বলেনঃ আমরা এর প্রতি ঈমান এনেছি। এই সবই আমাদের পালনকর্তার পক্ষ থেকে অবতীর্ণ হয়েছে। আর বোধশক্তি সম্পন্নেরা ছাড়া অপর কেউ শিক্ষা গ্রহণ করে না। (সুরা আল ইমরান- ৭)।

      ……..
      বোঝার জন্য কোরআন কে আমি খুবই সহজ সরল করে দিয়েছি। তোমাদের মধ্যে কেউ কি আছো এখান থেকে কিছু শিখবে ? সুরা কামারে এই একই কথা ( ১৭, ২২, ৩২, ৪০ নং আয়াত) আল্লাহ চার চারবার বলেছেন।

      কোর’আনের যে আয়াতগুলো উল্লেখ করেছি তার বিষয়ে পরে বলছি। ক্রম ঠিক রেখে আপনার মন্তব্যের উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করছি।

      হেযবুত তওহীদ প্রচলিত ইসলামের অনেক বিষয় বিকৃত হয়ে গেছে বলে যৌক্তিকভাবে বলে থাকে কিন্তু সবই বিকৃত হয়ে গেছে তা বলে না। মৌলিক বিষয়গুলো বিকৃত হয়ে গেছে বলেই আজ পৃথিবীব্যাপী মুসলমানদের এই অবস্থা। এক আল্লাহর বান্দা, এক রসুলের উম্মত, এক কোর’আনের অনুসারী, এক কলেমায় বিশ্বাসী এই জাতি আজ হাজার হাজার ভাগে বিভক্ত, নিজেরা নিজেরা দ্বন্দ্ব-কলহে লিপ্ত, যুদ্ধে ব্যস্ত আর অন্য জাতিগুলোর দ্বারা অপমানিত, লাঞ্ছিত, নিগৃহীত, নির্যাতিত। ইসলাম যদি সঠিক রূপে থাকত তবে মুসলিমদের এই দশা হতো না। সমগ্র পৃথিবী ইসলামের ছায়াতলে শান্তিপূর্ণভাবে শাষিত হতো।
      .
      এবার কোর’আনের ব্যাখ্যার যে প্রশ্ন করেছেন সে বিষয়ে আসি। প্রথমেই পবিত্র কোর’আন থেকে দুটি আয়াত উল্লেখ করেছি। কোর’আনকে আল্লাহ সহজ করেছেন, এর ব্যাখ্যার প্রয়োজন নেই। যে আয়াতগুলো মৌলিক নীতি বহন করে তা সুস্পষ্ট আর মুতাশাবিহা (অস্পষ্ট) আয়াতগুলো নিয়ে মতোবিরোধ করা আল্লাহর নীতিবিরুদ্ধ। আমাদের সকল মীমাংসার শেষ জায়গা হলো হেযবুত তওহীদের ইমাম। আমরা কোর’আনের কোনো তাফসীর পড়ি না, ব্যক্তিগতভাবে কেউ কেউ পড়ি তবে সেটা নির্দিষ্ট কোনো তাফসীর না এবং তা ব্যাখ্যার জন্য নয়। শুধু সঠিক শিক্ষা বোঝার ক্ষেত্রে সহায়তার জন্য। আর যখন যে আয়াতের ব্যাখ্যার প্রয়োজন হয় তখন সে আয়াতের ব্যাখ্যা আল্লাহ সুস্পষ্ট করে দেন (কোর’আন এমনিতেই সুস্পষ্ট ও সহজ)।

      .

      নামাজ, রোজা, যাকাত ও হজ পালন প্রসংজ্ঞে:- এটা একটা বৃহৎ বিষয়, তবু সংক্ষেপে বলার চেষ্টা করছি। আসল কথা হলো- আজ মানুষ এগুলোর উদ্দেশ্য ভুলে গেছে। উদ্দেশ্য ভুলের কারণে এগুলো পালন করেও চরিত্র শুদ্ধ হচ্ছে না। নামাজ পড়ে কেবল উপাধী ধারণ করছে- নামাজী, হজ্ব করে হচ্ছে- হাজ্বী……… সঠিক উদ্দেশ্য বুঝে  এই ইবাদতগুলো করলে সঠিক ফল পাওয়া যেত।

      .

      ইসলাম-এসলাম প্রসংজ্ঞ: এটা হলো বানান রীতির ব্যাপার। বানান রীতি কোনো আন্দলনের মৌলিক কোনো নীতি হতে পারে না। এটা কেবল বিভ্রান্তি ছড়ানোর জন্য কিছু মানুষ ফলাও করে প্রচার করেছে। ইসলাম এবং এসলাম দুটি শব্দই বাংলা একাডেমির অভিধানে আছে। 

       

      ভিন্ন ভিন্ন প্রকাশনা সংস্থা ভিন্ন ভিন্ন বানান রীতি অনুসরণ করে, এই রীতিগুলো ভাষাবিদগণ তৈরি করেছেন, হেযবুত তওহীদ নয়। দৈনিক দেশেরপত্রে লিখিত নিবন্ধগুলোতে আরবি শব্দের বাংলা বানানের ক্ষেত্রে যে রীতি অনুসরণ করা হয়েছে তা মোটেও ভুল নয়। আমরা সম্পূর্ণ সচেতনভাবেই এসলাম, এমাম, মোসলেম ইত্যাদি বানানগুলি ব্যবহার করেছি এবং এই বানানরীতি বাংলা অভিধানসিদ্ধ। অনেক গবেষকগণ এই রীতির পক্ষে মত দিয়েছেন। তাদের মতে বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত আরবি শব্দের বানানের ক্ষেত্রে প্রচলিত রীতির উচ্চারণে ভুল রয়েছে। আরবি যে বর্ণের নিচে যের থাকবে বাংলায় সেখানে এ-কার, এবং খাড়া ‘যের’ বা ‘যেরের পরে ইয়া’ যুক্ত থাকবে সেখানে ‘ই’ বা ‘ঈ’-কার ব্যবহার করতে হবে। মাত্র ৩০/৪০ বছর আগেও সর্বত্র আরবি ‘যের’ এর উচ্চারণ এ-কার দিয়েই করা হতো। উপমহাদেশের প্রখ্যাত আলেম মাওলানা আকরম খাঁ রচিত বিখ্যাত গ্রন্থ ‘মোস্তফা চরিত’ গ্রন্থটিতেও ইসলামের বানানে ‘এসলাম’-ই লেখা হয়েছে। কবি কাজী নজরুল ইসলামও বেশ কিছু চিঠিতে তার নামের বানানে ‘এসলাম’ লিখেছেন। তখনকার একটি বহুল প্রচারিত পত্রিকার নাম ছিল ‘মোসলেম ভারত’ যা সকলেই অবগত আছেন। সরকারি প্রতিষ্ঠান বাংলা একাডেমি কর্তৃক প্রণীত অভিধানের ১৪৪ নাং পৃষ্ঠা এবং ১৮৭ নং পৃষ্ঠায় ‘এসলাম’ শব্দটি লেখা হয়েছে। আমরা মনেকরি ইসলাম লেখা থেকে এসলাম লেখাটি অধিকতর যুক্তিসঙ্গত। আমরা অভিধানের বাইরে কোনো শব্দ লিখিনি। তবে কেউ ‘ইসলাম’ এবং ‘এসলাম’ যাই লিখুক তা বর্তমান অভিধান সম্মত। যদি কেহ এসলাম লেখে তবে তাকে ইসলাম বিরোধী বলে আখ্যায়িত করা চরম অন্যায়। তাছাড়া যে শব্দটি অভিধানে রয়েছে তা কেবল ব্যবহার করার কারণে ইসলামকে বিকৃত করা হয় কীভাবে তা আমাদের বোধগম্য নয়। অনেক আরবি শব্দ আমরা এখনও এ-কার এবং ও-কার দিয়ে উচ্চারণ করি। যেমন: মোবারক, কাফের, মোশরেক, আলেম, জালেম, এবাদত, গায়েব, এশা, মাহে রমজান, হাফেজ, হেফাজত ইত্যাদি। আমাদের দেশে একটি দলের নাম রয়েছে ‘হেফাজতে ইসলাম’। এখানে শব্দটি ‘হিফাজত’ না ব্যবহার করে ‘হেফাজত’ ব্যবহার করা হয়েছে। কাজেই যে কারণে হিফাজত না লিখে হেফাজত লেখা হয়, ইলহাম না লিখে এলহাম লেখা হয় সে কারণেই আমরা ইসলাম না লিখে এসলাম লিখছি। যা হোক, দু'টি শব্দই যেহেতু অভিধানে আছে সেহেতু এর যেকোনোটি ব্যবহারে বাধা আছে বলে মনে করার কোনো কারণ নেই। 

      .

      একটা শ্রেণি এই বানানরীতিকে ইস্যু করে সাধারণ মানুষকে বোঝাচ্ছে যে, হেযবুত তওহীদ ইসলামের শত্রু, মুসলমানদের শত্রু। এটা নিয়ে তারা বিভ্রন্তি ছড়াচ্ছে, আমাদের বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষকে উস্কে দিচ্ছে। প্রকৃতপক্ষে এটি ভাষা সংক্রান্ত একটি বিষয়, ইসলাম বিকৃত হবার এখানে কিছু নেই।

      .

      আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।

  4. 5
    Abu Saif

    আসসালামু আলাইকুম……..

    নিচের এ কথাটি কি শতভাগ সঠিক?-

    যে আমলের দুনিয়াবি কোনো ফল নেই সেই আমলের আখেরাতেও কোনো ফল নেই। 

    কি জানি, হয়তো আমি বুঝতে অক্ষম!!! 

     

  5. 4
    মাহফুজ

    বাহ! ভাল লিখেছেন
    ইসলামের বিধানের কোন বিষয়ই অযৌক্তিক যেমন নয়, তেমনি কেবলমাত্র যুক্তি নির্ভরও নয়। ইবাদতের মাধ্যমে দৈহিক ও মানসিক পরিশুদ্ধতা অর্জন এবং আত্মিক শান্তি প্রাপ্তিই এর মূল উদ্দেশ্য। আর এভাবে ব্যক্তিগত তথা সামষ্টিক পরিশুদ্ধতা অর্জনের মধ্য দিয়ে একটি শান্তির সমাজ গঠন করাই মুসলিমদের প্রধান লক্ষ্য হওয়া চাই।

  6. 3
    রাকীব আল হাসান

    অসংখ্য ধন্যবাদ। সময় করে এডিট করব ইনশাল্লাহ।

  7. 2
    আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন

    পড়লাম এবং াএকমত। ইসলাম ভক্তিনির্ভর ধর্ম নয় -- এইটা জ্ঞান নির্ভর ধর্ম -- যা জীবনের প্রতিটি পদক্ষেপে প্রতিফলন দেখা যাবে। 

    সওম বা রোজার ফল কী? 

    হে ঈমানদারগণ! তোমাদের উপর রোজা ফরয করা হয়েছে, যেরূপ ফরজ করা হয়েছিল তোমাদের পূর্ববর্তী লোকদের উপর, যেন তোমরা পরহেযগারী অর্জন করতে পার। (২:১৮৩) 

     

    পরহেজগারী -- তাকওয়া -- যার মুল বিষয় হলো আল্লাহ সম্পর্কে সচেতনতা। 

     

    এই কথাটা যোগ করে দিতে পারেন -- যেমন নামাজের বিষয় আয়াতগুলো দিয়েছেন। 

  8. 1
    Abu Saif

    আসসালামু আলাইকুম…………

     

    আপনার এ কথাগুলো সম্পূর্ণ সঠিক নয়-

    "ইসলামে এমন কোনো আমলই থাকতে পারে না যা কেবল আখেরাতের জন্য। প্রতিটা আমলের দুনিয়াবি কল্যাণ আছে আর বদ-আমলের বা গোনাহের কাজের দুনিয়াবি অকল্যাণ আছে। দুনিয়াতে যদি আপনি কোনো আমলের ফল না পান তবে বুঝতে হবে আখেরাতেও ফল পাবেন না অর্থাৎ আমলটি ভুলভাবে করা হচ্ছে।"

    বিস্তারিত কোন আলিমে দ্বীনের কাছে জেনে নিন!

    1. 1.1
      রাকীব আল হাসান

      ওয়ালাইকুম সালাম।

      মন্তব্য করার জন্য ধন্যবাদ।

      আমার সম্পূর্ণ বক্তব্যের সাথে সকলেই একমত হবেন তা আমি আশা করি না। অনেকেই পূর্ণরূপে দ্বিমত পোষণ করতে পারেন আবার কেউ কিছু অংশ গ্রহণ করতে পারে আবার কেউ পূর্ণ বক্তব্যই মেনে নিতে পারে। যাইহোক, আমি আমার বক্তব্যের ব্যাপারে সম্পূর্ণ সচেতন, এর জন্য কোনো আলেমে-দীনের কাছে যাওয়ার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করি না। এটা বোঝার জন্য নিজের বিবেকই যথেষ্ট। তাছাড়া যেকোনো বিষয় নিয়ে ৫ জন আলেমের কাছে গেলে ৫ রকম মত পাওয়া যায় কাজেই সিদ্ধান্তটা নিজেকেই নিতে হবে।

      .

      আপনার যদি এ বিষয়ে কোনো মতামত থাকে তবে বলতে পারেন। যৌক্তিকভাবে উপস্থাপন করলে নিশ্চয় গ্রহণযোগ্যতা থাকবে।

       

      সব আমলের ফল হয়ত তাৎক্ষণিকভাবে বুঝতে পারবেন না, কিন্তু এটা ভাবলে ভুল হবে যে তার কোনো ফল নেই। অবশ্যই প্রতিটা আমলের দুনিয়াবি ফল আছেই।

      সার্বিকভাবে ইসলাম প্রতিষ্ঠার দুনিয়াবি ফল হলো- শান্তি আর সার্বিক জীবন থেকে ইসলামকে বাদ দেওয়ার পরিণতি হলো- অন্যায়, অবিচার আর অশান্তি। যদি দুনিয়াতে অন্যায়, অবিচার আর অশান্তি চলতে থাকে তবে তা দূর করবার জন্য অবশ্যই আপনাকে সংগ্রাম করতে হবে- এর নাম জেহাদ। এটা না করে যদি শুধু ব্যক্তিগত আমল করতে থাকেন তবে আখেরাতেও একই রকম ফল আপনাকে ভোগ করতে হবে, অর্থাৎ অন্যায়, অবিচার, অশান্তির মধ্যে তথা জাহান্নামে নিক্ষিপ্ত হবেন।

      1. 1.1.1
        Abu Saif

        একটা ছোট্ট উদাহরণ-

        এক ব্যক্তি হাঁচি দিলেন বা হাই তুললেন এবং আলহামদুলিল্লাহ বা লা-হাওলা ওয়া লা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ বললেন! তাঁর এ কথাগুলো বলাটা নেক আমল এবং এর জন্য পরকালীন সুফল আছে, না বললে নেই!

        বলা বা না-বলার দুনিয়াবী ফলাফলে কোন তফাত আছে কি? 

        কিম্বা ধরুন-

        দক্ষিণ সুদানের দুর্ভিক্ষের কথা জেনে ক্ষুধায় কষ্টে থাকার অভিজ্ঞতাসম্পন্ন এক ব্যক্তি আফশোষ করলেন, হায়, আমার যদি সক্ষমতা থাকতো তবে ঐ দেশের মানুষগুলোর জন্য, পারলে সাতবছরের জন্য, খাবার-পানি-চিকিতসা-শিক্ষার ব্যবস্থা করে দিতাম!  

        এটিও একটি নেক আমল, কিন্তু দুনিয়াবী ফলাফল শূণ্য!! 

        আশা করি আমার কথাগুলো বলতে পেরেছি!

      2. রাকীব আল হাসান

        আমি আমার রিপ্লাইয়ে বলেছিলাম- ‘’সব আমলের ফল হয়ত তাৎক্ষণিকভাবে বুঝতে পারবেন না, কিন্তু এটা ভাবলে ভুল হবে যে তার কোনো ফল নেই।’’———

         

        আল্লাহপাক মহাজ্ঞানী আর আমরা অজ্ঞ, তিনি যা জানেন আমরা তা জানি না, বুঝি না।

         

        এবার আপনার উদাহরণের ব্যাপারে বলি—- যখন আপনি কোনো দোয়া-দরুদ পড়েন তখন আল্লাহর স্মরণ হয়, আল্লাহর প্রতি ঈমান বা আস্থা বৃদ্ধি পায়, আল্লাহর আনুগত্যে অধিক মনোযোগী হওয়া যায়, আত্মিক উন্নতি হয়। আত্মিক উন্নতিকে যদি কেউ দুনিয়াবী কল্যাণ না ভাবে তবে বুঝতে হবে তার অন্তরচক্ষু নেই, তার আত্মা মৃত। উন্নত আত্মার মানুষ উন্নত চরিত্রের অধিকারী হয়, তাদের দ্বারা সমাজে অশান্তি সৃষ্টি হয় না, তারাই মূলত শান্তিপূর্ণ সমাজ গঠনের মূল অংশ। এটা কি দুনিয়াবি কোনো ফল নয়?

         

        দ্বিতীয়ত আপনি বলেছেন--  ‘’

        দক্ষিণ সুদানের দুর্ভিক্ষের কথা জেনে ক্ষুধায় কষ্টে থাকার অভিজ্ঞতাসম্পন্ন এক ব্যক্তি আফশোষ করলেন, হায়, আমার যদি সক্ষমতা থাকতো তবে ঐ দেশের মানুষগুলোর জন্য, পারলে সাতবছরের জন্য, খাবার-পানি-চিকিতসা-শিক্ষার ব্যবস্থা করে দিতাম!  

        এটিও একটি নেক আমল, কিন্তু দুনিয়াবী ফলাফল শূণ্য!!’’———— আসলে ফলাফল শূন্য নয়। তাৎক্ষণিকভাবে ফলাফল না পেলেই কি ফলাফল শূন্য হয়ে গেল? আপনি ছোটবেলা থেকে লেখাপড়া করলে ফলাফল পান চাকরিজীবনে…….একইভাবে ঐ ব্যক্তি দান করবার যে মানসিকতা সৃষ্টি করলেন তার ঐ মানসিকতার কারণেই ভবিষ্যতে তার নিজের সমাজে এমন দুর্ভিক্ষ বা অভাব দেখা দিলে তা দূর করার জন্য অবদান রাখতে পারবে। সুতরাং সমাজ কল্যাণে বা সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠায় এর অবদান অনেক।

        অনেক ধন্যবাদ।

      3. 1.1.2
        Abu Saif

        আপনার এ কথাগুলো আমাকে উতসুক করলো আপনার ব্যাপারে-

        আমি আমার বক্তব্যের ব্যাপারে সম্পূর্ণ সচেতন, এর জন্য কোনো আলেমে-দীনের কাছে যাওয়ার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করি না। এটা বোঝার জন্য নিজের বিবেকই যথেষ্ট। তাছাড়া যেকোনো বিষয় নিয়ে ৫ জন আলেমের কাছে গেলে ৫ রকম মত পাওয়া যায় কাজেই সিদ্ধান্তটা নিজেকেই নিতে হবে।

        খোঁজ নিয়ে নিচের তথ্যগুলো পেয়ে যা বোঝার তা বুঝলাম-

        ইসলামের এই বিকৃতি ও সত্য ইসলাম কী তা মানবজাতির সামনে তুলে ধরেছেন মাননীয় এমামুযযামান জনাব মোহাম্মদ বায়াজীদ খান পন্নী। তিনি একটি আন্দোলন প্রতিষ্ঠা করেছেন যার নাম হেযবুত তওহীদ। আমি হেযবুত তওহীদ আন্দোলনের একজন সদস্য। হেযবুত তওহীদ আল্লাহর মনোনীত আন্দোলন এবং মাননীয় এমামুযযামান আল্লাহর মনোনীত এমাম। হেযবুত তওহীদ দিয়েই সমগ্র পৃথিবীতে আল্লাহর সত্যদীন প্রতিষ্ঠিত হবে। এটা আল্লাহ পবিত্র মোজেজার মাধ্যমে জানিয়ে দিয়েছেন।  

        মাআসসালাম

         

      4. রাকীব আল হাসান

        কষ্ট করে খোঁজা লাগত না, আমাকে প্রশ্ন করলেই জানতে পারতেন। আমি অত্যন্ত গর্বের সাথেই তা বলতাম। আমার আদর্শের সাথে আপনার মতানৈক্য থাকতে পারে কিন্তু আমার নির্দিষ্ট বক্তব্যের ব্যাপারে আলোচনা হতেই পারে। যদি কোনো বিষয়ে মন্তব্য করেন তবে অবশ্যই তার রিপ্লাই দিতে চেষ্টা করব। 

         

        ধন্যবাদ।

      5. মাহফুজ

        যদিও আপনি আমার এর আগের মন্তব্যের কোন ধরনের রিপ্লাই দেন নাই। তারপরও জানতে চাচ্ছি-

        ১/ মোহাম্মদ বায়াজীদ খান পন্নী সাহেবের দল হেযবুত তওহীদের কতজন অনুসারী সমগ্র পৃথিবীর কোন কোন দেশে তার মতবাদ প্রচার করছেন?

        ২/ তিনি কি হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) এর উপর নাযিলকৃত সর্বশেষ কিতাব আল-কোরআনরে অনুসারী মুসলিম সম্প্রদায়ের একজন হিসেবে নিজেকে মনে করেন?

        ৩/ এমামুযযামানি এবং আল্লাহর মনোনীত এমাম এর মানে কি?

      6. রাকীব আল হাসান

        মাহফুজ ভাই, আপনার আগের মন্তব্যে বিশেষ কোনো প্রশ্ন ছিল না এবং আপনার উত্তরের সাথে খুব বেশি বিরোধও ছিল না তাই রিপ্লাই দেওয়া তাড়া ছিল কম। রিপ্লােই দিচ্ছি দিচ্ছি করে দেওয়া হচ্ছিল না, সময় করে উঠতে পারছিলাম না এ জন্য দুঃক্ষিত। যাইহোক যেহেতু এখানে প্রশ্ন করেছেন তাই উত্তরগুলো দিচ্ছি।

         

        ১- কতজন অনুসারী সমগ্র পৃথিবীর কোন কোন দেশে তার মতবাদ প্রচার করছেন?

        উত্তর- সুনির্দিষ্টভাবে এর উত্তর দেওয়া সম্ভব নয়। বিভিন্ন দেশে হেযবুত তওহীদের প্রবাসী ভাই-বোনরা আছেন (যারা অধিকাংশই এ দেশে থাকতে হেযবুত তওহীদ করত, আর কিছু আছে যারা তাদের মাধ্যমে হেযবুত তওহীদ গ্রহণ করেছে) তারা তাদের উপার্জনের পাশাপাশি বালাগমূলক কাজ করে থাকেন। তাদের সংখ্যা খুব বেশি নয়।

         

        ২- তিনি কি হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) এর উপর নাযিলকৃত সর্বশেষ কিতাব আল-কোরআনরে অনুসারী মুসলিম সম্প্রদায়ের একজন হিসেবে নিজেকে মনে করেন?

        উত্তর: অবশ্যই মনে করেন। 

         

        ৩- এমামুযযামানি এবং আল্লাহর মনোনীত এমাম এর মানে কি?

        উত্তর: এমামুয্যামান শব্দটির অর্থ যামানার এমাম। যামানা অর্থ যুগ বা সময়; এমাম অর্থ নেতা। শব্দ দুটি মূলত আরবি ভাষা থেকে আগত (বাংলা অভিধান, বাংলা একাডেমী) যদিও যামানা শব্দটি ফার্সি, উর্দু, হিন্দি ও বাংলা ভাষায়ও ব্যবহৃত হয়। তাহলে এমামুয্যামান তথা যামানার এমাম অর্থ হোল এ সময়ের বা যুগের নেতা। এটা সাধারণ জ্ঞান যে নেতা ছাড়া কোন দল বা জাতি হওয়া সম্ভব নয়, আমাদের নেতা বা এমাম জনাব মোহাম্মদ বায়াজীদ খান পন্নী। 

        বর্তমানে পৃথিবীর কোথাও ইসলাম প্রতিষ্ঠিত নেই, ইসলাম হিসাবে যে ধর্মটি পালন করা হচ্ছে তার রূপ আজ বহু। বহু ভাগে বিভক্ত এই জাতি চরম অশান্তির মধ্যে নিমজ্জিত। এর প্রধান করণ হলো- প্রচলিত ইসলামটা রসুলাল্লাহর ইসলাম থেকে অনেক দূরে অবস্থান করছে, বিকৃত হয়ে গেছে। মাননীয় এমামুযযামানকে আল্লাহ সেই প্রকৃত ইসলামের জ্ঞান দান করেছেন, এ সময়ের এমাম (নেতা) হিসাবে মনোনীত করেছেন।

         

         

        বি:দ্র:- আপনি যদি জানার জন্য প্রশ্ন করে থাকেন তবে পুনরায় উত্তর দেওয়া চেষ্টা করব, আর যদি বিতর্কের জন্য প্রশ্ন করে থাকেন তবে আমি দুঃখিত, কারণ বিতর্ক আমি পছন্দ করি না।

        হেযবুত তওহীদের ব্যাপারে বহু অপপ্রচার চালানো হয়েছে শুরু থেকে। কাজেই আপনিও আমাদের ব্যাপারে অনেক ভুল জেনে থাকতে পারেন। সঠিকটা জানতে হলে আমাকে প্রশ্ন করতে পারেন। অনেক ধন্যবাদ।

Leave a Reply