«

»

সেপ্টেম্বর ০৯

নতুন নতুন ফ্লু ভাইরাসের আগমন কি বিবর্তনের উদাহরণ?

বার্ডফ্লু, সোয়াইন ফ্লু ও মানুষের ইনফ্লুয়েঞ্জা রোগ হয় ইনফ্লুয়েঞ্জা নামক ভাইরাস দিয়ে। যাদের ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাসের আরএনএ-র গঠন এবং জেনেটিক ড্রিফট সম্পর্কে ধারণা নেই তারাই কেবল নতুন নতুন ইনফ্লুয়েঞ্জা স্ট্রেইন তৈরী হওয়াকে ডারউইনীয় বিবর্তন বলবে। তবে হ্যাঁ, বিবর্তন বলতে যদি শুধুমাত্র একই প্রজাতির মধ্যে পরিবর্তন বুঝায় তথা একটি প্রজাতির মধ্যে ভ্যারাইটি তৈরী হওয়া বুঝায় তাহলে এটাকে বিবর্তন বলা যায়। তবে এই বিবর্তন কখনোই ডারউইনীয় এককোষ থেকে মানুষের বিবর্তনকে ব্যাখ্যা করতে পারে না। অন্য কথায় মাইক্রোইভোলিউশন ম্যাক্রোইভোলিউশনকে ব্যাখ্যা করতে সক্ষম নয়।

ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাসের জেনেটিক এলেমেন্ট হিসেবে আরএনএ থাকে (লক্ষ্যণীয়, ভাইরাসে জেনেটিক এলেমেন্ট হিসেবে ডিএনএ-র পরিবর্তে আরএনএ থাকতে পারে); মজার বিষয় হল এই ভাইরাসে আরএনএ একটি অবিচ্ছিন্ন চেইন হিসেবে থাকে না, বরং ৮টি খণ্ডে বিভক্ত থাকে। এই ভাইরাসের আক্রমণ করার ক্ষমতা নির্ভর করে হিমাগ্লুটিনিন ও নিউরামিনিডেজ নামক দুটি প্রোটিনের উপর। যে এন্টিভাইরাল ঔষধগুলো তৈরী করা হয় তা মূলত কাজ করে এদের উপর। (1) কোন কারণে যদি এই প্রোটিনদ্বয়ের এমাইনো এসিডের সিকোয়েন্সে সামান্য পরিবর্তন আসে তবে উক্ত ঔষধ আর কাজ করতে পারে না। আমরা বলেছি ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাস ৮টি আরএনএ খণ্ড নিয়ে গঠিত। এই আরএনএ খণ্ডগুলোই হিমাগ্লুটিনিন ও নিউরামিনিডেজ প্রোটিনের জেনেটিক তথ্য ধারণ করে। বংশবৃদ্ধিকালীন আরএনএ রেপ্লিকেশনের সময় মিউটেশন (জেনেটিক এরর) হয়। মিউটেশন হওয়ার সময় যদি এমাইনো এসিড সিকোয়েন্সে এমন ক্ষুদ্র পরিবর্তন আসে যে তা হিমাগ্লুটিনিন ও নিউরামিনিডেজ-এর মূল গঠনকে ব্যহত না করে শুধুমাত্র যেই অংশটুকু ভাইরাসের আক্রমণের কাজে লাগে (এপিটোপ) তাতে সামান্য পরিবর্তন আনে তাহলে ভাইরাসটি আক্রমণ ক্ষমতা (ভিরুলেন্স) অক্ষুণ্ণ রেখে ঔষধের বিপরীতে রেজিস্টেন্স হয়ে যাবে। কারণ এই ভাইরাসের বিপরীতে যে ঔষধগুলো কাজ করে, সেগুলো ভাইরাসের উক্ত প্রোটিনদ্বয়ের নির্দিষ্ট অংশের সাথে ত্রিমাত্রিক গঠনে সম্পূরক ভাবে সম্পৃক্ত হয়ে কাজ করে। তবে এ প্রক্রিয়ায় কোন অবস্থাতেই ভাইরাসটি ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাস থেকে অন্য ভাইরাসে পরিণত হবে না। কারণ যে মিউটেশনগুলো উক্ত প্রোটিনদ্বয়ে বা ভাইরাসের অন্যান্য গঠনে স্ট্রাকচারাল পরিবর্তন এনে ফেলে সেগুলোতে প্রকৃতপক্ষে ভাইরাসগুলো মারা যায় (এটাকে বলে জেনেটিক এররের লিমিট ক্রস করে যাওয়া); Jewetz, Melnick ও Adelberg, তাদের Medical Microbiology বইতে হিমাগ্লুটিনিন (HA) এর গঠন সম্পর্কে এভাবে বলছেন:

The HA molecule is folded into a complex structure. Each linked HA 1 and HA 2 dimer forms an elongated stalk capped by a large globule. The base of the staclk anchors it is the membrane. Five antigenic sites on the HA molecule exhibit extensive mutations. These sites occur at regions exposed on the surface of the structure, are apparently not essential to the moleule's stability, and are involved  in viral neutralization. Other regions of the HA molecule are conserved in all isolates, presumably because they are necessary for the molecules to retain its structure and function. (2)

অর্থাৎ একটি ভাইরাসকে অন্য ভাইরাসে পরিণত করতে হলে শুধু একটি বা দুটি প্রোটিন নয়, পুরো স্ট্রাকচারের পরিবর্তন আনতে হবে। আসলে এমাইনো এসিড পরিবর্তনের এই ঘটনাকে বলে মাইক্রোইভোলিউশন, কিন্তু এ ঘটনা কোন অবস্থাতেই ম্যাক্রোইভোলিউশনের (অর্থাৎ মেজর ফাংশনাল চেঞ্জ) দাবীকে ব্যাখ্যা করতে পারে না। এজন্য অসংখ্য নতুন তথ্য জিনোমে যোগ হতে হবে।

ইনফ্লুয়েঞ্জা-এ ভিরিয়ন

 

আমরা মাঝে মাঝে খবর পাই যে চীনে সোয়াইন ফ্লু আক্রমণ করেছে, কিংবা বাংলাদেশের অমুক জায়গায় বার্ড ফ্লু আক্রমণ করেছে। যারা সচেতন তারা খেয়াল করে থাকবেন- এই সময়ে ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাসের নতুন ‘স্ট্রেইন’ পাওয়া যায়, যেটার বিরুদ্ধে আগের ঔষধ কাজ করে না। এই নতুন স্ট্রেইন পাওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে বলা হয় ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাসে জেনেটিক ড্রিফট হয়েছে। আসলে কী হয় জেনেটিক ড্রিফট-এ? আমরা জেনেছিলাম এই ভাইরাসের আরএনএ (তথা জিনোমিক এলেমেন্ট) খণ্ডিত। মোট ৮টি খণ্ড নিয়ে জেনেটিক এলেমেন্ট গঠিত।  লক্ষ্য করে দেখবেন ইনফ্লুয়েঞ্জা যেমন পাখিকে আক্রমণ করে আবার শুকরকেও আক্রান্ত করে। পাখিকে আক্রমণকারী ভাইরাসের ‘স্ট্রেইন’ এবং শুকরকে আক্রমণকারী ভাইরাসের ‘স্ট্রেইন’ ভিন্ন। এদের হিমাগ্লুটিনিন (H) এবং নিউরামিনিডেজ (N) প্রোটিনের ধরণের উপর ভিত্তি করে এদের বিভিন্ন নাম দেয়া হয়। যেমন ধরুন H1N1, H2N3 ইত্যাদি। মনে করুন কোন ভাবে দুটো ভাইরাসই একটি হাঁসকে আক্রমণ করল। সুতরাং একটি ভাইরাসের ৮ খণ্ড আরএনএ যেমন হাঁসটিতে আছে তেমনি আরেকটি ভাইরাসের ৮ খণ্ড আরএনএ-ও আছে। (3) তবে এদের মধ্যে কিছুটা ভিন্নতা আছে। এখন উক্ত হাঁসে ভাইরাসটি যখন বংশবৃদ্ধি করছে তখন প্রথমটার ৪টি খণ্ড ও পরেরটার ৪টি খণ্ড নিয়ে গঠিত হলো এবং প্রথমটার H1 এবং দ্বিতীয়টার N3 নিয়ে নতুন একটি স্ট্রেইন H1N3 তৈরী হল। এই স্ট্রেইনটির বিরুদ্ধে যেহেতু কোন ঔষধ নেই, এটা ইনফ্লুয়েঞ্জা প্যানডেমিক তৈরী করতে পারে। এ ঘটনাটাই আমরা মাঝে মাঝে দেখতে পাই এবং এটাই হল জেনেটিক ড্রিফট।(4) লক্ষ্য করুন, এই পদ্ধতিতে ভাইরাসটি নতুন কোন ভাইরাসে পরিণত হলো না। কেননা H ও N কে তাদের পূর্ণাঙ্গ জেনেটিক তথ্য দিয়ে তৈরী করে না দেয়া পর্যন্ত জেনেটিক ড্রিফট ঘটার সম্ভাবনা নেই। সুতরাং যারা এই উদাহরণ দিয়ে একটি কোষ থেকে ধাপে ধাপে মানুষ আসার গালগল্প শুনায় তাদের ‘উদ্দেশ্য’ সম্পর্কে আমাদের ধারণা পেতে কোন কষ্ট হয় না। আপনারা কী বলেন?

 

Ref:

1. Jewetz, Melnick, Adelberg; Medical Microbiology, 23rd edition, Chapter 39, Orthomyxoviruses; Page 536

2. Jewetz, Melnick, Adelberg; Medical Microbiology, 23rd edition, Chapter 39, Orthomyxoviruses; Page 540 [Emphasis Added]

3. http://www.virology.ws/2013/04/16/avian-influenza-h7n9-viruses-isolated-from-humans-what-do-the-gene-sequences-mean/

4. http://www.virology.ws/2009/05/12/viral-quasispecies-and-bottlenecks/

১৫ মন্তব্য

এক লাফে মন্তব্যের ঘরে

  1. Raihan Rahman

    তা তো বটেই! সৃষ্টির আদি উৎস গন্ধম ফল!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!

    1. ১.১
      পাভেল আহমেদ

      এই তো অশিক্ষিতের মতো আজাইরা একটা কমেন্ট। না বুঝে বায়োলজির সামান্যতম টার্ম, না আছে ইসলাম সম্পর্কে সামান্যতম কোন জ্ঞান। আসছে বেকুবের মতো কথা নিয়া!!!!!

      সৃষ্টির উৎস স্রষ্টা এবং মুসলিমদের বিশ্বাস অনুসারে আল্লাহ্‌ তাআলা, এটা একটা অতি সাধারণ জ্ঞান।

      1. ১.১.১
        এস. এম. রায়হান

        ওদের লেঞ্জা নিয়ে ওরা সব সময় চরম লজ্জা আর হীনমন্যতায় ভোগে, সভ্য সমাজে মুখ দেখাতে পারে না। এজন্য লেঞ্জা লুকিয়ে সুন্দর সুন্দর মুসলিম নাম নিয়ে ইসলামের দিকে মল-মূত্র ছিটিয়ে নিজেদেরকে কিছুটা স্বান্ত্বনা দেয়ার চেষ্টা করে। কী আর করা!

    2. ১.২
      এস. এম. রায়হান

      আপনারা নিজের নামকে এত ঘৃণা করেন কেনো আর মুসলিম নামকে এত পছন্দ করেন কেনো! আর নিজের নামকে ঘৃণা যখন করেনই তখন ঐ ঘৃণ্য নামটা চিরতরে ছুঁড়ে ফেলে দিতে সমস্যা কোথায়!

    3. ১.৩
      আবদুল্লাহ সাঈদ খান

      বৈজ্ঞানিক যুক্তির সামনে নিজেদের মূর্খ প্রমাণ করা পৃথিবীব্যাপী আপনাদের কমন স্ট্র্যাটেজী। সেই কাজটা এখানেও করার জন্য শুকরিয়া।

    4. ১.৪
      আহমেদ শরীফ

      বেদ বলে সূর্য ঘোড়ার গাড়ির উপর রয়েছে ও এই ঘোড়ার গাড়িটি ৭টি ঘোড়া চালিয়ে নিয়ে যাচ্ছে এবং পৃথিবীর চারদিকে ঘুড়ছে।
       

      ১। “Sun is full of light and knows all the human beings, so his horses take
      him to sky to look at the world” (Rig Ved 1/50/1)
       

      অর্থঃ সূর্য আলোর আধার এবং সকল মানব সম্প্রদায় কে সে চেনে, তাই তার ঘোড়াগুলো তাকে বিশ্ব দেখানোর জন্য আকাশে নিয়ে গেছে।
       

      ২। “O, Bright sun, a chariot named harit with seven horses takes you to sky”
      (Rig Ved 1/50/8)
       

      অর্থঃ “হে, উজ্জ্বল সূর্য, হৃত নামক সাতঘোড়ায় চালিত রথ তোমাকে আকাশে নিয়ে গেছে।”

      ৩। “O, man, the sun who is most attractive, takes round of the earth, on his
      golden chariot through the sky and removes the darkness of the earth”
      (Yajur Ved 33/43)
       

      অর্থঃ হে মানব, আকর্ষনীয় সূর্য সোনার রথের উপর চড়ে পৃথিবীকে প্রদক্ষিন করছে এবং পৃথিবীর অন্ধকার দূর করছে।
       

      বেদ বলছে আকাশের পিলার আছে এবং তা গরুর উপর রয়েছেঃ
      ১। “The Bull has supported the sky.” (Yajur Ved: 4: 30)
      অর্থঃ গরু আকাশ কে ধারন করে আছে।

       

      ২। “Upon the back of bull (Aditi) I lay thee the sky’s supporter” (Yajur Ved: 14:5 )
      অর্থঃ গরু অদিতির পিঠের উপর আমি আকাশকে বসিয়ে দিয়েছি।
      বাতাস ছাড়া কি প্রদীপ জ্বলতে পারে?
       

      ১। “A lamp kept in windless place does not shake.” (Bhagvad Gita: 6: 19)
      অর্থঃ বায়ু বিহীন জায়গায় প্রদীপের আলোকাঁপে না।
      >> বাতাস না থাকলে তো আলোই জ্বলার কথা না, কাঁপা তো দূরের কথা।
       

      ২। Arjun says to Krishna ,“The sun and moon are your eyes.” (Bhagvad Gita: 11: 19)
      অর্থঃ “অর্জুন কৃষনা কে বল্ল, ‘সূর্য এবং চাঁদ তোমার দুই চোখ”
      >> আমরা জানি সূর্য এবং চাদ কারো চোখ নয়, সূর্য হচ্ছে নক্ষত্র এবং চাঁদ পৃথিবীর উপগ্রহ।

  2. আরিফ

    Dorween was very much confused about his Theory.

    Just read this article to get some adea–

    http://www.amarblog.com/syed032/posts/171887

  3. শামস

    খুব সহজবোধ্য ও  সুন্দরভাবে উপস্থাপন করেছেন। এ ধরণের নাতিদীর্ঘ পোস্টগুলো সাহায্যকারী।

    আপনার বিষয়টিকে সম্ভবত অন্যভাবে বলা যায়, ব্যাকটেরিয়াল কিলার কখনো ১০০ ভাগ ব্যাকটেরিয়াকে মেরে ফেলতে পারে না, কিছু না কিছু সারভাইভ করেই। ১০০ ভাগ ব্যাক্টেরিয়া মেরে ফেলার দাবী কেউ করতে পারে না। এটাকে দেখতাম ডারউইনিয়ান বিবর্তনবাদীরা প্রচার করছে বিবর্তনের উদাহরণ হিসেবে। এতে কোন নতুন প্রজাতির ব্যাকটেরিয়া হওয়ার ক্ষেত্র তৈরী করে না!! বিদ্যমান ব্যাকটেরিয়ার মধ্যেই কিছু ব্যাকটেরিয়া বেশি শক্তিশালী যারা টিকে থাকতে পারে, যারা ইতিমধ্যেই বিদ্যমান!! ব্যাকটেরিয়াগুলো ধীরে ধীরে শক্তি সঞ্চয় করে, প্রতিরোধ গড়ে তোলে, ফলে তাদের মারার জন্য আরো শক্তিশালী কিলার দরকার পড়ে।

    ডারউইনিয়ান বিবর্তনবাদীরা সবকিছুর মধ্যে বিবর্তনবাদ খুজে পায়! এই প্রপাগান্ডার চেইনকে ভাঙ্গতে আপনার লিখা কাজে দিবে।

    ধন্যবাদ।

     

    1. ৩.১
      আবদুল্লাহ সাঈদ খান

      শামস ভাই, ধন্যবাদ। ব্যাকটেরিয়ার এন্টিবায়োটিক রেজিস্টেন্স নিয়েও পোস্ট থাকবে, ইনশাল্লাহ।

  4. এম_আহমদ

    যদিও বিষয়টি আমার সব্জেট নয়, তবুও পড়তে বেশ ভাল লেগেছে এবং মন্তব্যের সেকশনে এসে একজন 'বিজ্ঞান-মনষ্ক' হিন্দু 'বিজ্ঞানীর' মন্তব্য দেখে এবং সাথে রাইহান ভায়ের আজকের লেখা পড়ে অনেক হাসির খোরাক হয়েছে। বিজ্ঞান-মনষ্করা যে সাব্জেক্ট অরিয়েন্টেড সারকাজমও প্রকাশ করতে জানে না এখানে সেই উদারণই এল। কাজ চলতে থাকুক, আল্লাহ আপনাদের কাজের প্রতিদান দিন।  আমীন।

  5. আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন

    চমৎকার উপস্থাপন করেছেন। সহজে বিজ্ঞান লেখা একটা আর্ট – আপনার মাঝে সেই গুন আছে। 

    ধন্যবাদ। 

  6. আবদুল্লাহ সাঈদ খান

    আহমেদ ইসমাইল হোসাইন ভাইয়ের অনুরোধে লেখাটি বিডিবুলেটিনে ছাপা হয়েছে:

    http://bdbulletin24.com/news.php?content_id=8718
     

    ভাইকে ধন্যবাদ।

     

  7. অজয় রাউত

    আহমেদ শরীফ

    আপনার অনেক আগেই মেঘনাদ সাহা  বলে গিয়েছেন “সবই ব্যাদে আছে”।

    1. ৭.১
      আহমেদ শরীফ

      যে রেফারেন্সগুলো দেয়া হল সে সম্মন্ধে শ্রী অজয় রাউতের বক্তব্য কি ?

      1. ৭.১.১
        অজয় রাউত

        বললাম যে “সবই ব্যাদে আছে”। কুরানে আছে কিনা আপনারাই জানেন।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।