«

»

ফেব্রু. ১৮

জেনেটিক্স, এম্ব্রায়লজী ও বিবর্তনবাদ (পর্ব-২)

ডারউইনের ফসিল-ভিত্তিক বিবর্তনবাদ ধারণার খুব দ্রুত পরিবর্তন ঘটছে। আধুনিক বিবর্তনবাদীরা বুঝতে পারছেন যে, প্রাণীদের শরীরবৃত্তীয় পারস্পরিক সাদৃশ্যের উপর ভিত্তি করে তারা এতদিন যে বিবর্তনবাদকে প্রতিষ্ঠা করাতে চেয়েছেন, তা তখনই গ্রহণযোগ্য হবে, যখন তা জেনেটিক্যালি প্রমাণ করা যাবে। তাই কাল্পনিক ছবি এঁকে, কিছু পুরাতন বিকৃত হাড়ঁ-গোর দিয়ে এতদিন যেভাবে বিবর্তনবাদকে প্রমাণ করার চেষ্টা চলছিল তাতে অনেকটাই ভাটা পড়েছে। ক্রমোজমের সংখ্যা পরিবর্তন, মিউটেশন, ইত্যাদি নতুন কোন স্পেসিসের জন্ম দিতে পারে কি-না তাই এখনকার নতুন ভাবনার বিষয়। যদি দেখা যায় প্রাণী জগতের জেনেটিক মেকআপের পর্যায়ক্রমিক পরিবর্তন আসলেই একটা স্পেসিসকে নতুন একটা স্পেসিসে পরিণত করতে পারে তবেই বিবর্তনবাদ গ্রহণযোগ্য হবে, নচেৎ নয়।

একটা কথা প্রায়ই বিবর্তনবাদীরা বলে থাকেন – মানুষ আর শিম্পাঞ্জীর জেনেটিক মেক আপে অনেক সাদৃশ্য আছে, যা প্রমাণ করে তারা একই পূর্ব-পুরুষ থেকে আগত, কথাটি ঠিক নয়, কারণ মানুষের সাথে শিম্পাঞ্জী ছাড়াও আরো অনেক প্রাণীর জেনেটিক মেক আপ খুব কাছাকাছি। যেমন দেখুন—

১/ শিম্পাঞ্জীর সাথে মানুষের জেনেটিক সিমিলারিটি- ৯৬%

২/ ইঁদুরের সাথে সাথে মানুষের জেনেটিক সিমিলারিটি- ৭৫%

৩/ বিড়ালের সাথে মানুষের জেনেটিক সিমিলারিটি- ৯০%

৪/ গরুর সাথে মানুষের জেনেটিক সিমিলারিটি- ৮০%

৫/ মাছির সাথে মানুষের জেনেটিক সিমিলারিটি- ৬০%

http://genome.cshlp.org/content/17/11/1675.full#T1

http://www.genome.gov/10001345

কাজেই আমরা দেখতে পাচ্ছি ইঁদুর, বিড়াল, গরু, মাছির সাথে মানুষের ডিএনএ'র যথেষ্ট সাদৃশ্য আছে। তাই মানুষ আর শিম্পাঞ্জীর ডিএনএ'র যথেষ্ট সাদৃশ্য একই পূর্ব-পুরুষের প্রমাণ বহন করে কি-না ভেবে দেখতে হবে।

বিবর্তনবাদ দাবী করছে যে, একই পূর্ব-পুরুষ থেকে মানুষ আর শিম্পাঞ্জী জাতীয় প্রাণী এসেছে।

আর ক্রমোজম এনালাইসিসে দেখা যাচ্ছে মানুষের ক্রমোজম সংখ্যা ২৩ জোড়া আর এপ জাতীয় প্রাণীর ক্রমোজম সংখ্যা ২৪ জোড়া। অর্থাৎ নিশ্চিতভাবে ক্রমোজমের সংখ্যা পরিবর্তন ও পুনর্বিন্যাস হয়েছে। 

এখন প্রশ্ন হচ্ছে ক্রমোজমের সংখ্যার পরিবর্তন (change in chromosome number) কি পর্যায়ক্রমে একটি সম্পূর্ণ নতুন স্পেসিস তৈরী করতে পারে? উত্তরটি যদি হ্যাঁ হয়, তবে অবশ্যই ক্রমোজমের সংখ্যা ও গঠনগত পরিবর্তন (Structural change) জীবদেহে উন্নত ও নতুন উপকারী বৈশিষ্টের সংযোজন করতে পারে এমন অসংখ্য উদাহরণ থাকার কথা। কিন্তু এ ধরণের উদাহরণ কি আছে? এর উত্তরটি জানতে প্রথমেই আমরা আলোচনা করব মানুষের দেহে ক্রমোজমের যে কোন পরিবর্তন কী ধরণের প্রভাব বিস্তার করে, তা নিয়ে।

মানুষের শরীরে জেনেটিক বিন্যাসের পরিবর্তন কী প্রভাব সৃষ্টি করে তা তুলে ধরা হবে বিখ্যাত এম্ব্রায়োলজী বই Langman Medical Embryology বই থেকে, যেটি সারা পথিবীর মেডিক্যাল স্টুডেন্টদের একটি অবশ্য পাঠ্য বই—

grabilla.Hp5300

ক্রমোজমে দুই ধরণের পরিবর্তন হতে পারে-

১/ সংখ্যাগত পরিবর্তন (Numerical abnormality)

২/ গঠনগত পরিবর্তন (Structural abnormality)

ক্রমোজমের সংখ্যাগত পরিবর্তন আবার দুই ধরণের-

যদি একটি কোষে একটি ক্রমোজমের সংখ্যা বৃদ্ধি হয় তবে তাকে বলে- ট্রাইজমি(Trisomy)– এক্ষেত্রে ক্রমোজমের সংখ্যা হবে ৪৭টি।

যদি একটি কোষে একটি ক্রমোজমের সংখ্যা হ্রাস পায় তবে তাকে বলে- মনোজমি(Monosomy)– ক্রমোজমের সংখ্যা হবে ৪৫টি।

ক্রমোজমের এই সংখ্যা পরিবর্তন হয় মাইটটিক বা মিউয়টিক সেল ডিভিশনের সময় নন ডিসজাংশন প্রক্রিয়ায়।

grabilla.Hp4296

অনেক সময় আবার সেল ডিভিশনের সময় ক্রমোজম ছোট ছোট খণ্ডে ভেঙ্গে যেতে পারে এবং দু্টো ক্রমোজমের মধ্যে খণ্ডগুলোর পুনর্বিন্যাস (Translocation) হতে পারে।

ক্রমোজমের এই পুনর্বিন্যাসের (Translocation) সময় জেনেটিক মেকআপে বড় ধরণের পরিবর্তন না হলে (Balanced Translocation) সাধারণত কোন রোগের উৎপত্তি হয় না। তবে যে কোন বড় ধরণের পুনর্বিন্যাস (Unbalanced Translocation) সবসময়ই মানবদেহে রোগ সৃষ্টির কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

এই কথাগুলোই Human Embryology বইয়ে বলা হচ্ছে-

grabilla.Hp6076

grabilla.Hp5308

grabilla.Hp4400

grabilla.Hp2788

grabilla.qHp968

grabilla.Hp2864

grabilla.qHp760

স্পষ্টতই দেখা যাচ্ছে ক্রমোজমের সংখ্যাগত পরিবর্তন সবক্ষেত্রেই কী ভয়াবহ শারিরীক বিপর্যয় ও রোগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

এখানে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্যণীয় বিষয় হচ্ছে ক্রমোজমের সংখ্যা পরিবর্তনের কারণে জন্ম নেয়া এইসব রোগীদের স্বাভাবিক প্রজনন ক্ষমতা না থাকার কারণে তারা বংশ বিস্তারে সক্ষম নয়। এটা অবশ্যই ভাল সংবাদ, কারণ এমনটি না হলে মানব সমাজের এক বড় অংশকে অস্বাভাবিক Congenital Disease নিয়ে আমরা বেড়ে উঠতে দেখতাম।

উপরের এম্ব্রায়লজি বইয়ের আলোচনা থেকে থেকে আমরা স্পষ্টতই বুষতে পারছি যে-

১/ যে কোন ধরণের ক্রমোজমের সংখ্যাগত পরিবর্তন সব ক্ষেত্রেই বিকলাঙ্গ, বিকৃত ও রোগাক্রান্ত শিশুর জন্মের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

২/ এভাবে সুস্থ্য-সবল, প্রজনন ক্ষমতার শিশু জন্মানোর কোন উদাহরণ নেই।

৩/ ক্রমোজমের সংখ্যা পরিবর্তনের মাধ্যমে মানবদেহে কোন উপকারী বৈশিষ্টের সংযোজনের কোন উদাহরণ নেই।

তাহলে এপ জাতীয় প্রাণী থেকে আস্ত এক জোড়া ক্রমোজম কমে গিয়ে কিভাবে উন্নত মানবজাতী এল – এই প্রশ্নটা অত্যন্ত যৌক্তিক নয় কি?

এর পরবর্তী পোস্টে ক্রমোজমের Structural abnormality বা গঠনগত পরিবর্তন ও মিউটেশন (Mutation) নিয়ে আলোচনা করার আশা রাখছি।

 

তথ্যসূত্র:

Langman Medical Embryology 12 edition

Human Chromosomal Disordershttp://www.biology.iupui.edu/biocourses/N100/2k2humancsomaldisorders.html

Can changes in the number of chromosomes affect health and development?

chromosomal disorder

২২ মন্তব্য

এক লাফে মন্তব্যের ঘরে

  1. এম_আহমদ

    একটি সুন্দর, যৌক্তিক ও কনভিন্সিং উপস্থাপনা হয়েছে। পরবর্তি অংশ পাঠের অপেক্ষায় থাকলাম। ধন্যবাদ।

    1. ১.১
      শামসুল আরেফিন

      ধন্যবাদ পড়ার জন্য। সামনে আরো গুরুত্বপূর্ন আলোচনা করার আশা রাখছি। সাথে থাকুন।

  2. আহমেদ শরীফ

    ইন্টারেস্টিং পোস্ট।
    পরের পর্বের অপেক্ষায় রইলাম।

    1. ২.১
      শামসুল আরেফিন

      ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য। 

  3. এস. এম. রায়হান

    এখন প্রশ্ন হচ্ছে ক্রমোজমের সংখ্যার পরিবর্তন (change in chromosome number) কি পর্যায়ক্রমে একটি সম্পূর্ণ নতুন স্পেসিস তৈরী করতে পারে? উত্তরটি যদি হ্যাঁ হয়, তবে অবশ্যই ক্রমোজমের সংখ্যা ও গঠনগত পরিবর্তন (Structural change) জীবদেহে উন্নত ও নতুন উপকারী বৈশিষ্টের সংযোজন করতে পারে এমন অসংখ্য উদাহরণ থাকার কথা। কিন্তু এ ধরণের উদাহরণ কি আছে?

    এখানে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্যণীয় বিষয় হচ্ছে ক্রমোজমের সংখ্যা পরিবর্তনের কারণে জন্ম নেয়া এইসব রোগীদের স্বাভাবিক প্রজনন ক্ষমতা না থাকার কারণে তারা বংশ বিস্তারে সক্ষম নয়।

    সকলের জন্য সহজবোধ্য ভাষায় সুন্দর উপস্থাপনা। চালিয়ে যান…

    1. ৩.১
      শামসুল আরেফিন

      জেনেটিক্স নিয়ে বিবর্তনবাদীরা সবচেয়ে বেশী সমস্যার মধ্যে আছেন। এতদিন কাল্পনিক ছবি আকাআকি করে যাও কতটা বুঝ দেয়ার চেষ্টা চলছিল, সে চেষ্টায় কিছুটা হলেও ভাটা পড়েছে। যারা জেনেটিক্স ও এম্ব্রায়লজী নিয়ে সঠিক ধারনা রাখেন , তাদেরকে বিবর্তনবাদ নামক আফিম সেবন করানো খুব কঠিন।

      প্রত্যেকটা স্পেসিসের খুবই নিদৃষ্ট জেনেটিক মেকআপ আছে, এর যে কোন ধরনের পরিবর্তন উক্ত স্পেসিসের জন্য কখনই সুফল বয়ে আনেনি। এক স্পেসিসকে অন্য স্পেসিসে রুপান্তর করা তো দূরের কথা –মিউটেশন , ক্রমোজমের সংখ্যা ও আকৃতিগত পরিবর্তন সব মানুষ ও জানোয়ারের জন্যই ডিসিস ও এবনরমালিটির কারন হয়ে দাঁড়ায়। 

      আপনার অবশ্যই জাপানের হিরশিমা-নাগাসাকির কথা মনে আছে। পারমানবিক বোমা থেকে নির্গত রেডিয়েশন সেখানকার বিপুল পরিমান মানুষের জেনেটিক এবনরমালিটি ঘটায়, যার প্রভাবে এখোনও সেখানে ক্যন্সার ও নানা ধরনের Congenital disease হচ্ছে।  পারমানবিক বোমার প্রভাবে ঘটা মিউটেশন ও জেনেটিক মেকআপের পরিবর্তন একজন মানূষের দেহেও কোন উপকারী পরিবর্তন ঘটিয়েছে — এমন একটি মাত্র উদাহরন কেউ দিতে পারবে কি?

  4. মোঃ তাজুল ইসলাম

    “তাহলে এপ জাতীয় প্রাণী থেকে আস্ত এক জোড়া ক্রমোজম কমে গিয়ে কিভাবে উন্নত মানবজাতী এল – এই প্রশ্নটা অত্যন্ত যৌক্তিক নয় কি?” — মনা-বাদিদের জন্য জিলিয়ন ডলারের প্রশ্ন।

    আপনাকে ধন্যবাদ সুন্দর বিশ্লেষণী লিখার জন্য। আপেক্ষায় রইলাম, আপনার পরবর্তী লিখার জন্য।

    1. ৪.১
      শামসুল আরেফিন

      “তাহলে এপ জাতীয় প্রাণী থেকে আস্ত এক জোড়া ক্রমোজম কমে গিয়ে কিভাবে উন্নত মানবজাতী এল – এই প্রশ্নটা অত্যন্ত যৌক্তিক নয় কি?” — মনা-বাদিদের জন্য জিলিয়ন ডলারের প্রশ্ন।

      মনা -বাদিরা ইদানিং বিবর্তনবাদ নিয়ে আলোচনায় বেশি আগ্রহী নয়। তাদের ভাষায় – বিবর্তন একটি প্রমাণিত সত্য , তাই নতূন কোন আলোচনার আর প্রয়োজন নেই।

      চিন্তা করুন , যারা সারাদিন বিজ্ঞান-বিজ্ঞান যিকির করে মুখের ফ্যানা তুলে ফেলে, তারাই যে কতটা অবৈজ্ঞানিক ও অপ্রমাণিত চিন্তা-চেতনা লালন-পালন করে , সেটা তাদেরকে বুঝাবে  এমন সাধ্য কার।

  5. কিংশুক

    অনেক কিছু জানতে পারছি। পরবর্তী পর্বের অপেক্ষায় ভাই।

  6. শুভ্র আহমেদ

    কমন এনসেস্ট্রি, ক্রোমোজোমাল ফিউশান
    এবং মানব ক্রোমোজোম দুই। আমরা এলাম
    কোথা থেকে?
    বিবর্তনবাদের বৈজ্ঞানিক
    থিউরি বলে যে মানুষ ও গ্রেট এপরা একই “কমন
    এনসেস্টর” বা একটি একই পূর্বপুরুষ
    প্রাণি থেকে এসেছে।
    মানুষ মোটেও বানর বা এপ দের
    থেকে আসে নি,বরং মানুষ, বানর ও
    অন্যান্য এপ রা এসেছে একই পূর্বপুরুষ
    প্রানী থেকে। আপনি বিজ্ঞান
    থেকে কলেজ পাশ হয়ে থাকলেই এতটুকু
    জানার কথা।এর নিচের আলোচনা একটু
    টেকনিকাল হতে পারে, তবে যথাসম্ভব
    এসএসসি পাশ বায়োলজি জানা লোকের
    বুঝার ক্ষমতার মধ্যে রাখার চেস্টা করেছি।নিচে মূলত ক্রোমোজোমাল ফিউশান
    এবং বিবর্তনবাদের একটি প্রমান
    নিয়ে আলোচনা করার চেস্টা করেছি,
    আশাকরি তা কারো জ্ঞানের
    পরিধি বৃদ্ধি ও বিবর্তনবাদ
    সম্পর্কে ধারনা বদলাতে ভূমিকা রাখবে।
    আমরা সবাই জানি,শিমপাঞ্জি,
    গরিলা, ওরাংওটাং ও অন্যান্য গ্রেট এপ দের
    ক্রোমোজম সংখ্যা ৪৮টি অর্থাৎ ২৪ জোড়া।কিন্তু মানুষের শরীরে ক্রোমোজম
    সংখ্যা ৪৬ টি অর্থাৎ ২৩ জোড়া। এখানেই বিশাল
    একটা সমস্যা যেটা বিবর্তনবাদ
    বিরোধীরা সবসময় তুলে ধরতেন
    এবং বলে থাকতেন যে,মানুষ আর গ্রেট
    এপদের যদি একই “কমন” পূর্বপুরুষ
    প্রাণি থেকে এসে থাকে,তবে মানুষের ক্রোমোজম তো ৪৮ টা হবার
    কথা,বাকি দুটো ক্রোমোজোম
    কি বাতাসে উড়ে গেছে? এটা অবশ্যই বিবর্তনবাদ এর জন্য
    একটা বিশাল সমস্যা,আর থিউরি অফ
    ইভোলিউশান, অন্য যে কোন বৈজ্ঞানিক
    থিউরির মত প্রাসংগিক প্রিডিকশান দেয়,
    অর্থাৎ ভবিষ্যত বানী দেয়। বিবর্তন
    এর প্রিডিকশান ছিলো যে,*যেহেতু
    বাকি সব গ্রেট এপ দের ক্রোমোজোম ৪৮
    টি এবং শুধু মানুষেরই দুটি কম ৪৬ টি,*যেহেতু কোন প্রানির বিবর্তনপ্রক্রিয়ায়
    আকস্মিকভাবে দুটো ক্রোমোজম
    হারিয়ে যেতে পারে না, এবং*হারিয়ে গেলে সেই
    ঘটনাটি মারনঘাতী এবং প্রানিটি
    জেনেটিকালি তথ্যের অভাবে বিলুপ্ত
    হওয়াটা আবশ্যিক।*এবং হোমো সেপিয়েন্স অর্থাৎ মানুষ
    বিলুপ্ত হয় নি।তাই,নিশ্চয়ই
    বিবর্তনের ধারায় পূর্বপুরুষ প্রানিটির ৪৮
    টি ক্রোমোজোমের অর্থাৎ ২৪
    জোড়া ক্রোমোজোমের এক
    জোড়া ক্রোমোজোম একটি অপরটির সাথেবিরল হেড টু হেড ফিউশান করেছিল
    অর্থাৎ মুখোমুখি সংঘর্ষ
    করে জোড়া লেগে গিয়েছিল।তাই ২৪
    জোড়ার ২২ জোড়া আগের মতই রয়ে গেছে,
    এবং বাকি দুই জোড়া ফিউজড হয়ে এক
    জোড়াতে পরিনত হবে।ফলাফল হবে ২৪ =>
    ২২ ও ২ => ২২ ও [২ একত্রিত হয়ে ১]=>২৩টি। বিবর্তন
    আরো বিস্তারিতভাবে প্রিডিক্ট করে যে,ফিউজড সেই ক্রোমোজোমের অবশ্যই
    হবে অত্যন্ত অস্বাভাবিক,ক্রোমোজমে টিলূমিয়ার থাকার
    কথা বাইরের প্রান্তে, কিন্তু
    সেটিতে জোড়া লাগার ফলে টিলূমিয়ার
    থাকবে মাঝখানে।–s–T + T-s— = –s–
    TT-s—(T কে টিলুমিয়ার, s
    কে সেন্ট্রোমিয়ার
    ধরে অতিসরলরুপে চিত্রায়িত)।ক্রোমোজোমে সেন্ট্রোমিয়ার
    থাকে একটি,কিন্তু ফিউজড
    ক্রোমোজোমটি দুটি ক্রোমোজোমের
    জোড়া লাগার ফলে সৃস্ট,তাই সেই
    ক্রোমোজমে সেন্ট্রোমিয়ারও
    থাকবে দুইটি,এদের একটি অবশ্যই কার্যকর
    হবে এবং অপরটি কার্যকর না হলেও অবশ্যই
    উপস্থিত থাকবে। এই ধরনের অদ্ভূত ও
    অস্বাভাবিক ক্রোমোজম থাকাটা সত্যিই
    অদ্ভুত ও বিরল একটি অস্বাভাবিক ঘটনা হবে,এবং এমনটা না থাকাটাই স্বাভাবিক
    ছিল অর্থাৎ বিবর্তন এর এই প্রিডিকশানটা ভুল
    হবার সম্ভাবনাই ছিল বেশী।আমাদের
    জিনোম বিশদভাবে বিশ্লেষন করে যদি এই
    জোড়া লাগা ক্রোমোজমটিপাওয়া না যায়,তবে বিবর্তনবাদ সম্পূর্ন
    ভুল।কিন্তু যদি এই অত্যন্ত অস্বাভাবিক
    চরিত্রের ক্রোমোজোমটি মানব
    শরীরে পাওয়া যায়,তবে বিবর্তনকে অস্বীকার করার আর
    একেবারেই কোন উপায় থাকেনা। বহুদিন ধরে আমাদের জিনোম
    বিশদভাবে বিশ্লেষন করে দেখার মত
    টেকনলজি বা বৈজ্ঞানিক এক্সিলেন্স ছিল
    না।তাই এই ব্যাপারে নিশ্চিতও
    হওয়া যাচ্ছিলো না।বিজ্ঞানের
    অগ্রগতিতে মানুষের জিনোম
    সফলভাবে সূক্ষাতিসূক্ষ বিশ্লেষন
    করে দেখা সম্ভব হলো এবংআশ্চর্যজনকভাবে এই অদ্ভুত
    ক্রোমোজোমটিকে খুজে পাওয়া গেলো,বিজ্ঞানীরা বিস্ময়ের সাথে আবিস্কার
    করলেন এটি খুব দূরের কিছু নয়,
    এটি হলো মানুষের ক্রোমোজোম নম্বর ২। http://s13.postimg.org/
    vz3e0heo7/125px_Chromosome_2_svg.png মানুষের ক্রোমোজম ২ সূক্ষাতিসূক্ষ
    বিশ্লেষন করে দেখা যায়এটি বিবর্তন
    যেভাবে ঠিক তেমনটাই, অর্থাৎ
    দুটি ক্রোমোজমের হেড টু হেড ফিউশানের
    ফলে সৃস্ট,–s–TT-s—(T
    কে টিলুমিয়ার, s কে সেন্ট্রোমিয়ার
    ধরে অতিসরলরুপে চিত্রায়িত)। যে জিনিষটা বিবর্তনের কমন
    এনসেস্ট্রি ছাড়া ব্যাখ্যা করা সম্ভব না, ঠিক
    সেটাই ঘটেছে।মানুষের জিনোম
    সফলভাবে সূক্ষাতিসূক্ষ বিশ্লেষন
    করে দেখা যায় যে মানুষের ক্রোমোজম ২
    অত্যন্ত অস্বাভাবিক, ক্রোমোজমে টিলূমিয়ার থাকার
    কথা বাইরের প্রান্তে,কিন্তু মানুষের ২
    নম্বর ক্রোমোজমে তা পাওয়া যায়
    মাঝখানে। ক্রোমোজমে সেন্ট্রোমিয়ার থাকার
    কথা একটি,মানুষের দ্বিতীয়
    ক্রোমোজমে সেন্ট্রোমিয়ারও আছে দুইটি।এদের একটি কার্যকর এবং অপরটি অকার্যকর
    হলেও দুটিই স্পস্টভাবে উপস্থিত।এবং জোড়া লাগা ক্রোমোজম
    টিকে বিশ্লেষন করলে দেখা যায়
    যে এটি ঠিক সেই তথ্য ও গুনসমূহ বহন করে,যেগুলো অন্যান্য
    প্রাইমেটে আলাদা দুটি ক্রোমজোম রুপে হুবুহু
    একই তথ্য ও গুন বহন করে।এবংকি চিম্প
    ক্রোমোজম ১৩ এরই যে ফিউশান এর
    ফলে এটি হয়েছে তাও নিশ্চিত করা গেছে।
    এবংকি অন্যান্য
    প্রাইমেটে দুটি আলাদা ক্রোমোজম,কিন্তু মানুষের মাঝে একটি ফিউজড এই
    ক্রোমোজমের সুনির্দিস্ট ফিউশান
    সাইটটি পর্যন্ত সনাক্ত ও নিশ্চিত করা গেছে10^15 সূচকের মত সূক্ষ নিশ্চয়তায়। অর্থাৎ এটা সন্দেহাতীত
    নিশ্চিতভাবে প্রমানিত যে মানুষের দুই নম্বর
    ক্রোমোজোমটি এসেছেমানুষ,
    শিমপাঞ্জি, গরিলা, ওরাংওটাং ও অন্যান্য
    গ্রেটএপদের কমন এনসেস্টর প্রাণীটির
    দুটি ক্রোমোজোমের হেড টু হেড ফিউশানের
    ফলে। বিজ্ঞানের
    অগ্রগতিতে আজকাল মানুষের জিনোম
    সফলভাবে সূক্ষাতিসূক্ষ বিশ্লেষন
    করে দেখা যায়,তাই বিবর্তনের
    আনরেফিউটেবল প্রমান খুজতে বেশি দূর
    যেতে হয়না, মানুষের ক্রোমোজোমের মধ্যেই
    তা পাওয়া যায়।এর পরেও যদি কেউ
    বিবর্তনকে অস্বীকার করতে চায়
    এবং বলতে চায় যে মানুষ এসেছে ইনসেস্টের
    ফসল হিসেবে,তবে সেটা সত্যিই
    লজ্জাজনক।যে জিনিষটাকে তারা এতদিন
    বিবর্তনবাদের বিরুদ্ধে চালানোর
    চেস্টা করতেন, সেটাই তাদের
    মুখে এসে জুতো মেরে দিয়ে গেছে। উপসংহারে বলা যায়
    যে ক্রোমোজোমাল ফিউশান এবং মানুষের
    অর্থাৎ আপনার আমার শরীরেই মিশে থাকা দুই
    নম্বর ক্রোমোজমটিইআমাদেরকে আমাদের উতপত্তি,
    এনসেস্ট্রি ও হিউম্যান ইভোলিউশান
    সম্পর্কে খুব স্পস্টভাবে কিছু
    একটা বলতে চাচ্ছে।মানুষের সেই
    প্রাচীন জিজ্ঞাসা, “আমরা এলাম
    কোথা থেকে?”তার উত্তর কিন্তু সবার
    চোখের সামনে।আপনি বিজ্ঞানকে স্বীকার করে নিবেন
    নাকি অন্ধকারে থাকবেন সেটা আপনারই
    ব্যাক্তিগত ব্যাপার। তবে একটা ব্যাপার পরিস্কার থাকুন,
    “আইডি” কোন বিজ্ঞানের
    বইতে কখনো যায়গা পাইনি, পাবেও না।কল্পকাহিনিগুলো কল্পকাহিনিই
    রয়ে যাবে। বিবর্তনের প্রমান চান!আপনার নিজের শরীরে থাকা দুই নম্বর
    ক্রোমোজমটিকেই দেখে নিচ্ছেন
    না কেন? 😉 http://en.wikipedia.org/wiki/
    Chromosome_2_(human)
    -জীবিত ও মৃত শ্রোডিঞ্জারের বিড়াল

  7. মাহফুজ

    সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করছি-

    Alleged Human Chromosome 2 “Fusion Site” Encodes an Active DNA Binding Domain Inside a Complex and Highly Expressed Gene—Negating Fusion

    The two studies published by Fan et al. brought to light a number of serious problems that completely contradicted the fusion model, discussed in turn below.

    First, was the problem of lack of synteny (corresponding gene content and DNA sequence similarity) with chimpanzee surrounding the putative fusion region on human chromosome 2. In addition to the unaccounted for extreme loss of chimp DNA in the hypothetical fusion, the putative fusion site was surrounded by a wide array of functional genes and putative pseudogenes with no homology to the ends of chimpanzee chromosomes 2A or 2B, their supposed ancestral sites of origin. Since the researchers could not find any similarity with chimpanzee for the gene content surrounding the putative fusion site, they postulated that the genes were transferred from other parts of the human genome after the fusion event occurred.

    Second, the putative fusion sequence is highly degenerate given the inferred evolutionary timescale. In their paper, Fan et al. (2002a, p. 1657) state “Only 48% of the 127 repeats in RP11–395L14 and 46% of the 158 repeats in M73018 are perfect TTAGGG or TTGGGG units” and “If the fusion occurred within the telomeric repeat arrays less than ~6 Mya, why are the arrays at the fusion site so degenerate?” Tomkins and Bergman reevaluated the degeneracy of the fusion site along with the possible presence of other telomere repeats in a 177 Kb region surrounding it and found that not only was the putative fusion sequence itself ambiguous, but restricted to a single region of only about 800 bases in length (Tomkins and Bergman 2011a).

    Third, one of the most remarkable discoveries about the putative fusion site by Fan et al. (2002b) was its location inside a CHLR1-like pseudogene (now called DDX11L2) as shown in Fig. 1 of their report (Fan et al. 2002b, p. 1664). However, the text of their report did not specifically discuss its anomalous location inside the pseudogene, despite the fact that their graphical annotation clearly showed that it was. Since 2002, this region of the human genome has been updated with improved annotations as well as a significant amount of unpublished publicly available ENCODE data.

    As demonstrated in this report, the purported fusion site encodes an active transcription factor binding site and is definitively located inside the first intron of a functional RNA helicase gene transcribed on the minus strand. The location of the putative fusion sequence inside a functional and highly expressed gene associated with a wide variety of cellular processes strongly negates the idea that it is the by-product of a hypothetical head-to-head telomeric fusion.

    The same FISH experiment was also done in gorilla and showed four areas of gene synteny on chromosomes 3, 6, 7, and 20. In complete contradiction to evolutionary predictions, the human DDXL11L gene showed no synteny with chromosomes 2A or 2B in chimpanzee or gorilla (see image url above). This is highly significant because as described below, the fusion site appears to be a key functional motif contained within the DDX11L2 gene on chromosome 2. Furthermore, the fact that 18 copies of the DDX11L gene exists in humans verses only two copies in chimps and four in gorillas, is completely discordant with the inferred human-ape evolutionary phylogeny. Another evolutionary discordant fact about these genes is that their genomic locations are all different in each of the human and ape genomes.

    Interestingly, chimpanzee chromosome end caps are rich in a type of satellite DNA specific to chimpanzee sub-telomeric regions, including the ends of chromosomes 2A and 2B (Ventura et al. 2012).Yet none of this chimp end cap satDNA is located in the human genome, much less on chromosome 2 near the fusion site. ……..Clearly, the end cap DNA regions of humans and apes shows no evidence of descending along a lineage of common ancestry, much less fusing in a human-chimp common ancestor to form a new chromosome.

    Not only does the end cap composition of ape and human chromosomes nullify the concept of a fusion event to produce human chromosome 2, but so does the extreme lack of genetic synteny surrounding the purported fusion site on human chromosome 2.

    Combined with the fact that no valid evidence exists for a fossil centromere on human chromosome 2, the evolutionary idea of the chromosome two fusion in humans should be completely abandoned.
     

     

  8. mahmud bin abdul kuddus

    মাহফুজ ভাই শুভ্র আহমেদ যে, বিবর্তনন এর ব্যাখ্যা দিয়েছে তা কি ঠিক? আপনি উত্তর দিয়েছেন, ইংরেজিতে বাংলা বলবেন কি? please.

    1. ৮.১
      mahfuz- মাহফুজ

      @ mahmud bin abdul kuddus
      ভাই সকল, বেশ কিছুদিন থেকে কোন এক অজানা কারণে সদালাপে লগইন করতে পারছিনা। সদালাপ কর্তৃপক্ষ আমাকে শত্রু ভাবেন কিনা জানিনা! তবে সত্যিযদি তারা এমনটি ভাবেন, তাহলে এ জগতে তাদের শত্রুর অভাব হবেনা।
      আপনার প্রশ্নের উত্তরটা কয়েকদিন থেকে দেয়ার জন্য লগইন করার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়েছি। তাই নিচের লিংকের ১৬ নম্বর প্রবন্ধে (বিবর্তনবাদীদের বাঁকা চিন্তনে মানব ক্রোমোজোম-২) ঘুরে আসার অনুরোধ রইল। যদিও বিষয়টি জটিল। তারপরও আশাকরি সেখানেই আপনার উত্তর পেয়ে যাবেন, ইনশাল্লাহ।
      এই লিংকটি গুগল ছার্চে দিতে হবে- https://sites.google.com/site/everlastingheavenlylight/al-qur-an-the-source-of-science-bijnanera-adhara-ala-kora-ana

  9. মাহফুজ

    না, সদালাপ কর্তৃপক্ষ যে আমাকে শত্রু ভাবেন না, তা জেনে ভাল লাগলো।
    আসলে, একট চক্রা আমাকে ব্লক করে দেয়ার জন্য সব সময়ই ব্যস্ত থাকেন। তাই বেশ কয়েকদিন লগইন করতে না পারায় একটু বেশিই বলে ফেলেছি- দুঃখিত! কেষ্ট পেলে মাফ করবেন। অন্তত সদালাপ কর্তৃপক্ষ যে এখনও ওদের মত হন নাই- তা বুঝতে পারলাম। আশাকরি এমনই থাকবেন।
    ধন্যবাদ-

  10. ১০
    mahmud bin abdul quddus

    মাহফুজ ভাই, আপনার দেওয়া link গিয়ে পড়েছি, সব বুঝিনি, কারন আমি science এর student নয়। লেখাটা অনেক বড় কিন্তু আপনি সংক্ষেপে লিখেছিলেন জবাবটা। আরো সহজে হল আমার জন্য বুঝতে ভাল হত।

  11. ১১
    mahmud bin abdul quddus

    মাহফুজ ভাই আপনার দেওয়া লিংক গিয়ে পড়েছি, কঠিন মনে হল কিন্ত আপনার জবাবটা সহজ মনে হয়েছে। ভাই আমি সাইন্স এর ছাত্র নই এই জন্য বুঝতে কস্ট হচ্ছে, আপনার ইংরেজিতে জবাবটা সহজ মনে হয়েছে। তাই ওইটার বাংলা হলে ভালো হত।

    আপনার fb থাকলে দেবেন, আপনাকে fr পাঠাবো।please!

  12. ১২
    mahmud bin abdul quddus

    ভাই আপনার দেওয়া লিংক কে ঢুকে পড়েছি কিন্ত বুঝতে কঠিন লেগেছে, কিন্ত আপনার দেওয়া ইংরেজিতে উত্তর টা সহজ মনে হয়েছে, ওটা বাংলায় হলে ভাল হত।

    মাহফুজ ভাই আপনার fb id টা দিলে আপনাকে fr পাঠাতাম।please.

    1. ১২.১
      মাহফুজ

      তাহলে তো ভাই যেটা সহজ মনে হয় সেটাই না হয় পড়ে বুঝে নিন।
      আমার কোন fb id নেই। এ ব্যাপারে আমি ব্যাকডেটেডই বলতে পারেন।
      ধন্যবাদ-

  13. ১৩
    mahmud bin abdul quddus

    মাহফুজ ভাই আপনি English এ জবাব দিয়েছেন, ওটা বাংলায় করে দেন না।

    1. ১৩.১
      মাহফুজ

      আমার মন্তব্যের শুরুতে দেয়া লিংকটি নিশ্চয় আপানি দেখেছেন। লিংকটাই বলে দিচ্ছে যে এটি আমার নিজস্ব কোন লেখা নয়। এই লেখায় মানব ক্রমোসোম-২ এর মাঝে এপ ক্রমসোম ২এ ও ২বি এর ফিউশন সংক্রান্ত কোন আলামত আছে কিনা তা নিয়ে গবেষণা ও পর্যবেক্ষণের বিবরণ রয়েছে। সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য আমি কেবলমাত্র সেটার লিংক দিয়েছি মাত্র।
      আর আমার যে লেখাটির লিংক দিয়েছি তাতে এই লিংক এবং এ বিষয়ের সাথে সম্পর্কীত বিভিন্ন গবেষণা থেকে সংগ্রহীত তথ্যগুলো বাংলা ভাষায় সংক্ষেপে তুলে ধরার চেষ্টা করেছি। আপনি যেটির হুবহু বাংলা অনুবাদ চাইছেন, একটু লক্ষ্য করলে বুঝতে পারবেন আমার সংকলিত বাংলা প্রবন্ধটিতে তার সারসংক্ষেপও রয়েছে। সুতরাং তা আবারও হুবহু বাংলায় অনুবাদ করার কোন প্রয়োজন আছে বলে মনে হয়না। আর সেই সময়ও আমার নেই। হয়ত সবার বোঝার মত সহজ করে আমি আমার বক্তব্য তুলে ধরতে পারিনি এবং সেটা আমারই ব্যর্থতা। কোন্ বিষয়টি আপনি বুঝতে পারছেন না বা আপনার কাছে গরমিল ঠেকছে তা নির্দিষ্ট করে বললে ভাল হয়। কারণ তাহলে সেই অনুযায়ী বোঝানোর ব্যবস্থা নেয়া আমার জন্য সহজ হত। তবে বিজ্ঞানের বেসিক জ্ঞান, বিশেষ করে জীব বিজ্ঞান সংক্রান্ত মৌলিক জ্ঞান না থাকলে এ সম্পর্কিত সূক্ষ্ম বিষয়গুলো বোঝা এবং বোঝানো বেশ কষ্টকরই ঠেকবে। আমাদের মনে রাখতে হবে যে, শুধুমাত্র স্থুল দৃষ্টিকোন থেকে যারা এ সম্পর্কে জানার ও বলার চেষ্টা করেন তাদের ক্ষেত্রে নিজে বিভ্রান্ত হওয়ার এবং অপরকে বিভ্রান্ত করার সম্ভাবনাই বেশি থাকে।
      ধন্যবাদ-

    2. ১৩.২
      মাহফুজ

      আমার মন্তব্যের শুরুতে দেয়া লিংকটি নিশ্চয় আপানি দেখেছেন। লিংকটাই বলে দিচ্ছে যে এটি আমার নিজস্ব কোন লেখা নয়। এই লেখায় মানব ক্রমোসোম-২ এর মাঝে এপ ক্রমসোম ২এ ও ২বি এর ফিউশন সংক্রান্ত কোন আলামত আছে কিনা তা নিয়ে গবেষণা ও পর্যবেক্ষণের বিবরণ রয়েছে। সবার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য আমি কেবলমাত্র সেটার লিংক দিয়েছি মাত্র।
      আর আমার যে লেখাটির লিংক দিয়েছি তাতে এই লিংক এবং এ বিষয়ের সাথে সম্পর্কীত বিভিন্ন গবেষণা থেকে সংগ্রহীত তথ্যগুলো বাংলা ভাষায় সংক্ষেপে তুলে ধরার চেষ্টা করেছি। আপনি যেটির হুবহু বাংলা অনুবাদ চাইছেন, একটু লক্ষ্য করলে বুঝতে পারবেন আমার সংকলিত বাংলা প্রবন্ধটিতে তার সারসংক্ষেপও রয়েছে। সুতরাং তা আবারও হুবহু বাংলায় অনুবাদ করার কোন প্রয়োজন আছে বলে মনে হয়না। আর সেই সময়ও আমার নেই। হয়ত সবার বোঝার মত সহজ করে আমি আমার বক্তব্য তুলে ধরতে পারিনি এবং সেটা আমারই ব্যর্থতা। কোন্ বিষয়টি আপনি বুঝতে পারছেন না বা আপনার কাছে গরমিল ঠেকছে তা নির্দিষ্ট করে বললে ভাল হয়। কারণ তাহলে সেই অনুযায়ী বোঝানোর ব্যবস্থা নেয়া আমার জন্য সহজ হত। তবে বিজ্ঞানের বেসিক জ্ঞান, বিশেষ করে জীব বিজ্ঞান সংক্রান্ত মৌলিক জ্ঞান না থাকলে এ সম্পর্কিত সূক্ষ্ম বিষয়গুলো বোঝা এবং বোঝানো বেশ কষ্টকরই ঠেকবে। আমাদের মনে রাখতে হবে যে, শুধুমাত্র স্থুল দৃষ্টিকোন থেকে যারা এ সম্পর্কে জানার ও বলার চেষ্টা করেন তাদের ক্ষেত্রে নিজে বিভ্রান্ত হওয়ার এবং অপরকে বিভ্রান্ত করার সম্ভাবনাই বেশি থাকে।
      ধন্যবাদ-

  14. ১৪
    মাহফুজ

    সদালাপ কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি-
    বর্তমানে মন্তব্য দেয়ার সময় প্রয়োজনীয় লিংক সংযুক্ত করা যাচ্ছেনা কেন?
    আশাকরি বিষয়টি নজরে আনবেন।
    ধন্যবাদ-

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।