«

»

Sep ২৫

Some inspiring stories of Jewish-Muslim cooperation during hard times

 In an Internet search I came across a posting which cites a few examples of Muslim-Jewish cooperation during hard times saving lives of each other. Here below, I share four examples of Muslims saving Jewish lives during the World War II. These facts are important not only for the sake of history but also for creating a world in which people of different faiths can live together peacefully without intolerance and hatred, which, sadly, have become norms in certain parts of our world to tarnish our common humanity and/or heritage.
 

  1. In 1930 Albania, a small Balkan country, had a mere 803,000 citizens of which two hundred were Jewish. In 1943 the Nazis occupied Albania and in an unprecedented act of defiance the Albanian people refused to hand-over its Jewish residents. Instead various government agencies gave Jewish families fake documentation and Jewish refugees from Europe were given sanctuary (even while under Italian rule).

 

At a time when the European nations were sending their Jews to the gas chambers; Albania, the only European country with a Muslim majority, not only saved its Jewish residents –but absorbed so many European refugees that the Jewish population grew a staggering 900% during the war.

 

  1. Zejneba Hardaga, a Bosnian Muslim lady who lived in Sarajevo, had been recognised as “Righteous among the Nations” by Israel for hiding her Jewish neighbor, Josef Kavilio, from the Nazis during the holocaust.
  1. Throughout World War II a small number of Turkish diplomats (such as Necdet Kent, Namık Kemal Yolga, Selahattin Ülkümen and Behiç Erkin) risked everything to save the lives of 35,000 European Jews from the Nazi genocide. They were able to save so many Jews by leveraging Turkey’s neutral stance to pressure the Nazis into sparing the lives of Turkish Jews residing in Europe, while simultaneously granting thousands of European Jews fleeing the Nazi genocide refuge in Turkey

 

 
It is no understatement that these diplomats risked everything, on July 19 1944, the Gestapo ordered that all of the Jews on island of Rhodes report for deportation, Selahattin Ülkümen, the Turkish Consul General, instructed the Nazis that Turkey was neutral in the war and demanded they release every Turkish Jew and out of fear of causing an international incident the Nazis complied. Ülkümen’s actions saved the lives of 42 Jewish families, who were quickly evacuated from the island. In response to this humiliation the Nazis bombed the Turkish Consulate building, killing his pregnant wife. A few days later Ülkümen was deported by the Nazis to Piraeus, where he spent the remainder of the war in jail.
  1. When the Nazis came for the Iranian Jews living in France, Abdol Hossein Sardari, the Iranian Consul for Paris, used his position and influence to save the lives of the Iranian Jews in France. He fabricated a story that Iranian Jews were not ‘real’Jews, but Persians who’d accepted the teachings of Moses centuries earlier and therefore not subject to Nazi racial law. After months of intense debate by German racial scientists he’d convinced everyone but Eichmann who simply declared Sardari’s claim was “the usual Jewish trick”.

 

However, the delay had given Sardari the one thing he desperately needed – time. While the experts were debating in Berlin, he issued as many passports and travel documents as he could to both Iranian and non-Iranian Jews.

 

When Iran signed a peace treaty with the Allies, Sardari was ordered home by his superiors, an order he did not follow. Stripped of his diplomatic immunity and status, he risked his life by remaining in France to save Jews, which he financed with his personal inheritance. By the end of the war as many as 2,000 Jews owed their life to him.

 

Many such stories of inter-faith cooperation to save the ‘other’ people’s life can be found by searching the internet.

 

Such stories give us hope and say that all is probably not lost. There are still decent human beings in our planet who are willing to do what is morally right and noble.

 

I hope that one of the days the ethnic cleansing of the Muslims in Myanmar, including the Rohingya Muslims living in the state of Arakan (Rakhine), would cease and allow all to live in peace and harmony in this Buddhist den of intolerance and hatred.

– You can read more such stories by clicking here.

 

৫২ comments

Skip to comment form

  1. 11
    নির্ভীক আস্তিক

    @শাহবাজ ভাই, ভাল আছি ভাই। আমি আপনার ছোট হব, তুমি করেই বলেন। আর সদালাপে সবসময়ি আসি, কিন্তু আপনারই তো নতুন কোন লেখা পাই না। আর একটা কথা ইতর গো কথায় কানে নেয়ার কিছু নাই। কারন এদের Bullying কে check করতে গেলে, এদের মত করেই বাকচিত করতে হবে। এরা যেমন ব্যক্তি বিশেষে না থেকে পুরো সম্প্রাদায় কে নিয়ে আক্রমন করে ঠিক তেমনি আপনাকে এদের আদিজাত স্মপ্রদায় নিয়ে টেনে কথা বলতে হবে যেটা আপনার মত লোক পারবেনা। তবে আমি পারতাম যদি সদালাপের এডমিন আমার কথার উপর কাটাছেরা না করতে চান। আসলে সদালাপের এডমিন সহ অন্যান্য নিয়মিত লেখকদের প্রচুর ধৈর্য। কেমনে যে পারেন!!

    1. 11.1
      Hasaan

      জনাব @শাহবাজ :

      আপনার ছোটভাই এখন লায়েক হইসে, মুখে ছাল-লাগাম আর অবশিষ্ট নেই। কিন্তু গোমড়ামূখি এডমিনের ভয়ে মুখের পাশ করা লাগাম চাইপা রাখছে।

      1. 11.1.1
        শাহবাজ নজরুল

        ভাইজান কার মুখে ছাল লাগাম নাই তা তো লোকজন দেখছে। তাদেরকেই বিচার করতে দেন। আর ছোটভাই কেন এমন কথা বলছে সেই পর্যালোচনায় গেলেন না? আপনাদের সাথে কিভাবে ভদ্রভাবে বাতচিত করব? লাইন মত ধরলে ভুল স্বীকার না করে আরো ৫০ টি নতুন ফ্রন্ট খোলেন -- গোলপোস্ট পাল্টিয়ে ফেলেন। সারা মুসলিম সম্প্রদায় নিয়ে গালাগালি করছেন। নিজেদের মুখের রাশটা আগে টেনে ধরেন। যৌক্তিক বিতর্ক করেন। ভদ্রতা বজায় রাখেন। আর তা না করে যদি কারণ ছাড়া লাগামহীন ভাবে এক সম্প্রদায়কে গালাগালি করতে থাকেন তো অনেকেই তো যেমন কুকুর তেমন মুগুর হতে চাইবে -- এটাই তো স্বাভাবিক।

      2. Hasaan

        জনাব @শাহবাজ,  

        ব্লগার রায়হান রহমান সাহেব তার মন্তব্য ১০.১.১.১ তে বলেছেন : (প্যালেস্টাইন, ইরাক, আগফানিস্তান, ইজিপ্ট, পাপিস্তান………………… এ আপনার মুমিনভাইদের কিভাবে দৌড়ের উপর রাখা হইসে টেরপান্না??)

        মুগুর-দাওয়াই কি অন্তত আপনার তো টের পাওয়ার কথা।

      3. শাহবাজ নজরুল

        মুসলিমরা আল্লাহর তরফ থেকে পরীক্ষিত হচ্ছে -- ইসলামিক ট্রাডিশন সেই ইঙ্গিতই দেয় -- we accept it. তবে মুসলিম নিক নেয়া পৈতাধারী ও ধুতি পরিহিতরা এসব trials and tribulations দেখে sadistic আত্মপ্রসাদ যে পাবে তাতে অবাক হবার কিছু নেই।

         

      4. Hasaan

        জনাব @শাহবাজ,

        হ, ঠিক কইসেন মাস্টোর সাব ;  মাইনসের কিলগুতা না খাইলে আমাগো মুমিন ভাইদের ঈমান পোক্ত হয় না।

      5. শাহবাজ নজরুল

        মুসলিমদের ঈমান নিয়ে বিচলিত পৈতাধারী ও ধুতি পরিহিত হাসান হোসেনদের পেরেশানি দেখে আশ্বস্থ হলাম।

      6. জামশেদ তানিম

        শাহবাজ ভাইঃ শয়তানের সাথে কিসের বাতচিত? শয়তানকে শুধু বলার আছে "দূর হ শয়তান"। শয়তানের সাথে কথা বললেই শুনবেন খারাপ কথা, গালিগালাজ, অশ্লীল মন্তব্য।

  2. 10
    শাহবাজ নজরুল

    Mr. Nazrul………………….. I am so surprised that you never utter a single   word about the verses of the Koran nor the reports of the Hadiths what I cited,  most of which is all about the battle of Banu Quriza. I wander why you are so shy about the very truth of Muslim sources?

    আমার লেখাতে আমি কোরান, হাদিস আর সিরাতের বাইরে কোথায় গেলাম? এক্সাক্ট লাইন তুলে দেন পারলে -- আর বলেন এই ব্যাখ্যাটা কোরান, হাদিস আর সিরাতের বর্ণনার বাইরে থেকে দেয়া। একদম পিছলাবেন না। পিছলালেই গদাম পড়বে।

    আর wander মানে কি? আপনি কি জাদুকর? Magic wand নিয়ে কি আপনার কাজ কারবার?  আমি তো মনে করেছিলাম ভাঙ্গা রেকর্ড বিক্রির ব্যবসা আছে আপনার।

    1. 10.1
      Raihan Rahman

      ভাইজানের কান দিয়া বাতাস যায় না? কোরান, হাদিস আর সিরাতের বয়ান থেকে আপনি যা তুলে এনেছেন সেখানে ক্ষমা/মানবতা পেলেন কই? আমিতো বারবার একটি কথাই বলছি ; Can you please cite a single verse of koran or a Hadith reporting where a minimum humanity or simple mercy were shown to the Jews on the battle of Banu Quriza, other than to be killed or raped or be a Muslim?  এইবার কানে বাতাস গেসে?

      বাই দ্যা ওয়ে……………
      "you need to rebutt and produce sound explanations against the explantions/interpretations that I……….."  

      rebutt কি? নাকি "rebut"  কথাটার সাথে একটা "t" বেশি লাগিয়ে পিছলামী কায়দায় মিথ্যা (evidence, arguments) কে পোক্ত করার মতলব?

      1. 10.1.1
        এম_আহমদ

        @Raihan Rahman:

        কী হচ্ছে? কোরাইজা নিয়ে আপনার এত ক্যান ক্যান কেন? বিশ্বাস ঘাতকদের শাস্তি হয়েছে, তাদেরই ক্লায়েন্ট গোত্রের বিচারকের রায়ে। তাদেরকে ক্ষমা করা হয়নি, তাই ক্ষমার ব্যাপারে কোনও আয়াত থাকবে না, এটা একজন নাদান মূর্খও বুঝবে। আদালতে যার শাস্তি হয়েছে, তাকে ছেড়ে দেয়ার দলিল দেখাও –এসব মুর্খামি কেন? এক ব্যক্তির ব্লগে এসে এই যে কয়টা দিন থেকে অপ্রাসঙ্গিক কথা, এবং মুসলমানদের বিষোদগার –এটা কেন? মুসলিম জাতি জঙ্গি, সন্ত্রাসী। “ইহুদী জাতির অক্লান্ত পরিশ্রম, মেধা, বিজ্ঞান এবং আবিস্কারে সারা পৃথিবী আলোকিত”, আর মুসলিমগণ “পরজীবি, পরনির্ভরশীল, অপদার্থ”!  এই যে আপনার ইতর ফ্যাসিস্ট মানসিকতা, এটা কেন? একটা জাতির ব্যাপারে এমন খবিসি বিদ্বেষ কেন!

        “কোরান-হাদিসে এর [নবী ও তার সাথীদের নির্যাতনের] পক্ষে একটি কথাও বলা নেই”, আলি সিনার বমি খেয়ে এখানে উদ্গীরণ করার কারণটা কি? এসব কথা কি আমরা আগে শুনি নি?  “একটি” কথাও নেই? কোরান পড়েছেন? সাহাবীদের বর্ণনা দেখেছেন? যান, এখানে গিয়ে দেখে আসেন বিলাল, ইয়াসর, খাব্বাব, আবু ফাকিহ, আম্মার, সুমাইয়্যা, নাহদিয়া আরও অনেকে নাম রয়েছে। তারপর এখানে যান গিয়ে দেখে আসেন। নির্যতনের উপর কোরান হাদিস কীভাবে সার্চ করতে হয় তা না জেনে অপরের বমি খেলেও দেখা হয়ে যায়? ওদের নির্যাতন,  বাড়ী-ঘরে টিকে থাকতে না পারা, হিজরত কিন্তু এসবের উপর কোরানের আয়াত নেই, সাহাবিদের বর্ণনা নেই, “একটি কথাও নেই!” মূর্খ। এখানে দেখেন, ভাগ্যিস 'একটা/দুইটা' বর্ণনা পেয়েও যেতে পারেন।  আলী সিনাদের কাছে কোরান মিথ্যা, হাদিস মিথ্যা, ইসলামের ইতিহাস মিথ্যা। এগুলো যদি মিথ্যা হয়, তবে কার ‘বিবরণ’ দিয়ে কী প্রমাণ করা হবে?  ইসলামের সোর্স তো ব্যবহার করা যাবে না, মিথ্যা সোর্স দিয়ে কী কোনো ‘সত্য’ প্রমাণ করা যায়?

        তারপর বানিয়ে বানিয়ে কথা বলা; না বুঝে অন্যত্র থেকে কপি করে অসংখ্য আয়াত ও হাদিসের package-quotation ঢালা, যেগুলো গুগলে বসিয়ে পালটা সার্চ দিলে একেবার উৎস স্থান যায় –এস কাজ কেন? এই যে বলেছেন, (৩.৩.১), “কাবা ঘরে নামাজ আদায় করার সময় কোন এক পাগল ইহুদী মহাম্মদের দিকে উটের পঁচা মাংস ছুড়ে মেরেছিল। শুধু এ টুকুই, ব্যাস” –এটা কোথায় পেলেন? বিবরণ কই, উৎস কই? ওখানের ইয়াহুদী কে ছিল? আপনাদের অবস্থা হচ্ছে ছাল-তুলা কুত্তার মত। বার বার মুর্খামি করবেন, নিজেদেরকে অপদস্থ করবে, তারপর আবার সম্মানের জন্য কাতরতাও দেখাবেন।  কেন? আপনাদের কথা কি? ইসলাম জঙ্গিবাদী? মুসলমানগণ অপদার্থ? মুসলমানগণ আপনাদের বা-বোনদের গণিমত মনে করে, ভারতে ক্ষমতার আসনে বসে, ছয় শো বৎসর ব্যাপী, আপনাদের মা-বোনদের নিয়ে কী খেলা খেলেছিল  সেই দুর্বিপাক, ওর যা করেছিল তা ছিল কোরান হাদিসে অনুপ্রাণিত। কোরান হাদিসের অনুমোদনে কী পরিমাণ যমজ সন্তান দিয়ে ভারত ভরিয়ে দিয়েছে, সেটা চিন্তা করতে অনেক ফ্যাসিস্ট হিন্দুর গাত্র-দাহ হবে, কিন্তু এটা তো মুসলমানদের বৈধ কাজ! এখন আপনি কী করবেন? মুসলমানগণ পাগল, জঙ্গি, অপদার্থ, সন্ত্রাসী, কোরান হাদিসে অনুপ্রাণিত জঙ্গি, আপনাদেরকে যেখানে পায় চড় থাপ্পড় দেয়, কেননা তারা অসভ্য সন্ত্রাসী জাতি, আপনাদের নারী তাদের গণিমত –এখন আপনি কি করতে পারবেন? একটি জাতিকে যতভাবে বিষোদগার করা যায় তার সবগুলো করে ফেলেছেন। বলেন মূর্খ, এখন কি করতে পারবেন এবং কি করার যোগ্যতা, ক্ষমতা আপনার আছে?

      2. Raihan Rahman

        @ এম_আহমদ সাব………………
        "মুসলমানগণ পাগল, জঙ্গি, অপদার্থ, সন্ত্রাসী, কোরান হাদিসে অনুপ্রাণিত জঙ্গি, আপনাদেরকে যেখানে পায় চড় থাপ্পড় দেয়, কেননা তারা অসভ্য সন্ত্রাসী জাতি, আপনাদের নারী তাদের গণিমত –এখন আপনি কি করতে পারবেন? একটি জাতিকে যতভাবে বিষোদগার করা যায় তার সবগুলো করে ফেলেছেন। বলেন মূর্খ, এখন কি করতে পারবেন এবং কি করার যোগ্যতা, ক্ষমতা আপনার আছে?"      
        আপনার এই কথা ঠিক না, একটু এডিটিং অতি জরুরী।
        "মুসলমানগণ পাগল, জঙ্গি, অপদার্থ, সন্ত্রাসী, কোরান হাদিসে অনুপ্রাণিত জঙ্গি" এইটুকু ঠিকই আছে। এরপর লিখতে হবে-  "যে কারনে হামাস-হেজবুল্লা-আলকায়দা-তালেবান পন্থী জেহাদীদের যেখানে পাওয়া যায় সেখানেই তাদেরকে আছ্ছামত সাইজ করা হয়।"

        প্যালেস্টাইন, ইরাক, আগফানিস্তান, ইজিপ্ট, পাপিস্তান………………… এ আপনার মুমিনভাইদের কিভাবে দৌড়ের উপর রাখা হইসে টেরপান্না??

      3. নির্ভীক আস্তিক

        @এম আহমদ,
        "Never argue with stupid people, they will drag you down to their level and then beat you with experience.” -- Mark Twain
         

      4. শাহবাজ নজরুল

        ভাইজান সালাম। কৈ ছিলেন এতদিন? এই লোক যে কতবড় stupid  আপনি নিশ্চই দেখতে পাচ্ছেন। সেজন্যে আমি তার পেছনে আর সময় নষ্ট করবনা। সে বলল --

        Mr. Nazrul………………….. I am so surprised that you never utter a single   word about the verses of the Koran nor the reports of the Hadiths what I cited,  most of which is all about the battle of Banu Quriza. I wander why you are so shy about the very truth of Muslim sources?

        তার মানে সে বলতে চাইছে যে কোরান হাদিস থেকে সে যে সমস্ত ভার্স কোট করেছে -- যেগুলো বানু কুরাইজা সম্পর্কিত আয়াত কিংবা হাদিস -- তার ধরে কাছেই আমি আমার লেখাতে যাইনি। আর তার কনফার্মেশন দিচ্ছে এর পরে এই বলে যে আমি/আমরা কেন মুসলিম সুত্র্গুলোতেই যেতে লজ্জা পাই? এই ইংরেজির মানে একটাই হয় -- যে আমি আমার মনের মাধুরী দিয়ে বানু কুরাইজা বিষয়ক লেখাটা লিখেছি-  কোরান হাদিসের ধারেকাছে আমি যাইনি।

        স্বভাবতই জবাবে আমি বললাম --

        আমার লেখাতে আমি কোরান, হাদিস আর সিরাতের বাইরে কোথায় গেলাম? এক্সাক্ট লাইন তুলে দেন পারলে – আর বলেন এই ব্যাখ্যাটা কোরান, হাদিস আর সিরাতের বর্ণনার বাইরে থেকে দেয়া। একদম পিছলাবেন না। পিছলালেই গদাম পড়বে।

        আমার লেখাটার প্রথম দিকটাতেই সূত্র আর নিয়মানুগ দেয়া আছে। ওখানে পরিষ্কার করেই আমি বলেছি -- কোরান, হাদিস ও শর্তসাপেক্ষে সিরাতের বর্ণনার উপর ভিত্তি করেই আমি আলোচনা করব।

        এরপরে জবাবে সে বলে

        কোরান, হাদিস আর সিরাতের বয়ান থেকে আপনি যা তুলে এনেছেন সেখানে ক্ষমা/মানবতা পেলেন কই? আমিতো বারবার একটি কথাই বলছি ; Can you please cite a single verse of koran or a Hadith reporting where a minimum humanity or simple mercy were shown to the Jews on the battle of Banu Quriza, other than to be killed or raped or be a Muslim?

        প্রথমে শুরু করেছিল যে আমি কোরান হাদিসের ধারেকাছে না গিয়ে মনগড়া পুথি লিখেছি- এরপরে যখন বললাম দেখাতে যে কোরান হাদিসের বাইরে কই গেলাম, তখন বলে আপনার কোরান হাদিসের রেফারেন্স যে দিছেন তার 'মানবতা' কই? পিছ্লার পিছলা। ভন্ডের ভন্ড। চোখের সামনেই গোলপোস্ট সরিয়ে ফেলে। কিভাবে এক মুখ দুই কথা বলে ভেবে দেখেন?

        যাউগ্গা, কেমন আছেন বলেন? এদিকে একটু পা রাইখেন মাঝে মধ্যে।

         

      5. 10.1.2
        নাস্তিক রজনি কান্ত

        তোমার নিজের কানের ছ্যাদাটা আরেকটু বড় করা যায় না? তোমারে বার বার কইতাছে প্রাসঙ্গিক পোষ্টে যাইয়া আলাপ করেতে যার শিরোনামে সদালাপে ইতিমধ্যে একটি পোষ্ট আছে, তুমি অন্য শিরোনামের পোষ্টে বসে সর্বভুক প্রানী ছাগলছানার মত  তিরিং বিরিং কইরা sarcastic কথা বলে নিজেরে আমি এই রজনিকান্তের চাইতেও বড় joker বানাইতে চাইতেছো ? তোমার কি সরম লজ্জা অইলা কিছু নাই।  ছি! ছি! আমার জাতে তোমার মত vertual nick ওয়ালা প্যাগান নাস্তিকের আছে জানলে আমি অনেক আগেই নিকুচি করতাম। ছি! ছি! ছি! তোমার মত প্যাগান নাস্তিকের জন্যি প্যাগান আর নাস্তিক সর্বস্ব দেশ গুলোর এই অবস্থা্‌ যারা কিনা মা-বোনরে নিয়ে দৈনিক আচার্য হালাল করবার চায়, সেই প্রাচীন দিনের মূর্খ সমাজের সমকামিতা, পারলে ভাইয়ে ভাইয়ে ঘটাইতে চায়। ছি! ঘ্যেন্না হয় তোমারে। shame on you. অথচ সদালাপের মুসলিমরা অনেক ভাল। তোমার মত সাম্প্রদায়িক বিশ্রী কিটরে তারা এখন পর্যন্ত-ও একটা সাম্প্রদায়িক আক্রমনো করে নাই। এই সদালাপের ground ই প্রমান করে আমার জাতের লোক হইয়া তুমি প্যাগান-নাস্তিক কত খারাপ। এই জন্যই তোমার  লিখিত বানী অনুযায়ি- "তোমার বাপে লজ্জিত আছিল। তোমার মত সাম্প্রদায়িক কীট পয়দা করে কোন ভদ্র সচেতন বাপের লজ্জিত না হইয়া থাকনের কথা না।"

        মনে রাখপা তুমি যেমনে তাগোরে কীটের মত আক্রমন করে দুর্গন্ধ ছরাচ্ছো, তাদের কাছেও প্যাগান, নাস্তিকদের যেমন নাস্তিকতায় ইমানদার ক্মু্যনিস্টদের ডাটা দিয়ে তোমারে শুকাইয়া দিতে পারে। কিন্তু তারা নির্ভীক আস্তিকের দেয়া Quote টা জানে। বুঝলা Stupid.

  3. 9
    মাহফুজ

    @ Raihan Rahman & Hasan
    এখানে দেখুন-
     বনু কুরাইযার অধিকাংশ পুরুষদের কেন হত্যা করা হয়েছিল?
     

  4. 8
    ফুয়াদ দীনহীন

    Thanks for sharing.

  5. 7
    এম_আহমদ

    মুসলিম সাম্রাজ্য অমুসলমান সম্প্রদায় তাদের নিজেদের শাসকদের চেয়ে ভাল ব্যবস্থা পেয়েছে, নিরাপত্তা লাভ করেছে। ইসলামী শারিয়া কোর্টের বাইরে বাইরে তাদের নিজেদের ধর্মের বিধান অনুযায়ী বিচার ব্যবস্থা স্থাপন করার স্বাধীনতা পেয়েছিল। কিন্তু সময় ও সুযোগমত এই স্বাধীনতার অপব্যবহার করে বিদেশি শক্তিকে মুসলিম শাসকের বিপক্ষে সাহায্য করেছিল। ইহুদী সম্প্রদায় ইউরোপীয় খৃষ্ঠীয়ানদের হাতে নির্যাতিত হয়ে মুসলিম সাম্রাজ্যে আশ্রয় নিয়ে শান্তি-নিরাপত্তায় জীবন ধারণের সুযোগ পেয়েছিল। rel="nofollow">এই ভিডিও দেখা যেতে, সরাসরি ৩:১৫ মিনিটে কথাগুলো এসেছে। rel="nofollow">

     

  6. 6
    এস. এম. রায়হান

    এই পোস্ট দেখে বর্ণবাদী হিন্দুরা মনে হচ্ছে গায়ে গ্যাসোলিন ঢেলে আগুন লাগিয়ে আত্মাহুতি দেবে! তারা এখানে মুসলিম ছদ্মনামে মন্তব্য করে অন্য ব্লগে যেয়ে নারী ছদ্মনামে সদালাপ আর আমাদের গায়ে গোমূত্র ছিটাচ্ছে। এখানে যে দু-জন মুসলিম ছদ্মনামে মন্তব্য করেছে এবং অন্য ব্লগে নারী ছদ্মনামে যে পোস্ট দিয়েছে -- এই তিন ছদ্মনামের আড়ালে মাত্র একজন ধূর্ত হিন্দু আছে। বর্ণবাদী হিন্দুরা হচ্ছে সবচেয়ে হীন মানসিকতার ধূর্ত প্রজাতি -- শক্তের ভক্ত, নরমের যম।

    মুসলিম ছদ্মনামধারী উগ্র সাম্প্রদায়িক বর্ণবাদী হিন্দুদেরকে সদালাপ থেকে লাথি দিয়ে বের করে দেওয়া হোক। এইসব বর্ণবাদী হিন্দুদের নিঃসৃত বিষ্ঠা সদালাপের পরিবেশ নোংরা করছে। মুক্তমনাদের ভণ্ড গুরুজীর দেখানো পথ অনুসরণ করে ধূর্ত হিন্দুরা ব্লগে ব্লগে অসংখ্য ছদ্মনামে ইসলাম ও মুসলিমদের গায়ে গোমূত্র ছিটাচ্ছে।

    1. 6.1
      শাহবাজ নজরুল

      অনেস্ট ডিবেটে এরা কখনো পারবে না। স্বনামেও এরা সামনে আসতে ভয় পায়। তাই এবার বিবর্তনবাদে বিশ্বাস করা (নাকি পেছনে পেছনে হিন্দু সৃষ্টিতত্ত্বে বিশ্বাসী!?! ) এসব অবয়বহীন ব্যক্তিরা সুবিধামতো নারীতেও বিবর্তিত হয়। এদের কাছে যেকোনো উপায়ই হালাল -- আখেরে কিছুটা বিভ্রান্তিও যদি ছড়ানো যায় ইসলাম আর মুসলিমদের বিরুদ্ধে, এতেই এদের স্যাডিষ্টিক প্রশান্তি!!!

    2. 6.2
      আহমেদ শরীফ

      বিবর্তনবাদে বিশ্বাস করা (নাকি পেছনে পেছনে হিন্দু সৃষ্টিতত্ত্বে বিশ্বাসী!?! )

       

      নিজের আজগুবি উদ্ভট পৌরাণিক কাহিনীতে যারা শৈশবেই বিশ্বাস হারায় আবার একই সঙ্গে উৎকট জাত্যাভিমানের অন্ধ আবেগের কাছে পরাস্ত হতে বাধ্যও হয় তাদের অজস্র কনফিউশন-ফ্রাস্ট্রেশন তাদের স্বভাবতঃই বাসুকি নাগ বা রাবণের মত দশমাথাওয়ালা বামনে পরিণত করেছে। একেক সময় একেক মাথা দিয়ে হুংকার ছাড়ে। গ্রীকদের মত এরাও নানান অদ্ভূত মিথের মিথস্ক্রিয়ায় আধাপাগল হবার অবস্থা !

  7. 5
    কাজী মুহাম্মদ ইলিয়াস

    @ Raihan Rahman

    আমরা সব সময় শুনে এসেছি ইসলাম বিদ্বেষী নাস্তিকরা ইহুদীদের(মোসাদ) কাছ থেকে অর্থ সাহায্য পায় ইসলামের বিরুদ্ধে কুৎসা রটনার জন্য।রায়হান রহমানের কথায় সেটার সত্যতা পেলাম।আপনি বললেন ইহুদিরা দুনিয়াকে অনেক কিছু দিছে আর মুসলিমরা পরজিবী।কিন্তু একটু নিরপেক্ষভাবে ইতিহাস ঘাটলে দেখা যায় মুসলি বিজ্ঞানীদের অবদানকে লুকানোর জন্যে ইহুদিরা ইতিহাস বিকৃ্তি করেছে।তারা মুসলিম বিজ্ঞানিদের নাম বিকৃ্ত করে নিজেদের মত করে লিখেছে।

    ১।ইবনে সিনা-যার লিখিত বিখ্যাত বই 'কানুন ফিততিব' এটাকে চিকিৎসা বিজ্ঞানের বাইবেল বলা হত।আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানের অনেক কন্সেপ্টই এই বই থেকে নেয়া হয়েছে।

    ২।মুসা আল খারিজমী-সারা বিশ্বের মানুষ যে আলজেব্রা/বীজ গণিত করে তা কে আবিষ্কার করেছেন?

    সশুধু ২টা উদাহরণ দিলাম।

    স্পেন হল আধুনিক ইউরোপের জন্মস্থান।কিন্তু এই স্পেনকে কারা এতো আধুনিক করলো?যখন ইংল্যান্ডের মানুষ স্কুল পর্যন্ত পড়েই নিজেদেরকে অনেক শিক্ষিত ভাবতো সেখানে স্পেনিশরা  তখন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তো।পৃ্তহিবীর প্রথম বিশ্ববিদ্যালয় কারা স্থাপন করে??আপনারা হলেন নাস্তিক নামধারী ইসলামের শত্রু।হিন্দু,বৌদ্ধ,ইহুদি,খ্রিস্তান ইত্যাদি ধর্ম ভাল লাগে মাগার ইসলামকে ভাল লাগে না।কারণটা খুবই সহজ,নাস্তিকরা একমাত্র মুসলিমদেরকেই বোকা বানাতে পারে না।অন্য ধর্মের মানুষরা তো নাস্তিকদের সাথে তর্ক করে না।তাই তাদেরকে আপন করে নেয়া যায়।যাই হোক এখন আপনাদের(নাস্তিকদের) প্রতি প্রশ্ন হল,মোসাদ বা র কত করে বেতন-ভাতা দেয়?

  8. 4
    কাজী মুহাম্মদ ইলিয়াস

    ইহুদিরা হল শয়তানের জাত।বিশ্ব মানবতার মুক্তির খাতিরে ইহুদিদের প্রতিরোধ করা দরকার।তা না হলে ওরা দুনিয়ার মানুষকে শান্তিতে থাকতে দিবে না।

  9. 3
    Hasaan

    এই মন্তব্যটি জনাব শাহবাজ নজরুলের প্রতি :

    তিনি বলেছেন : "কেবল ইহুদি বলে ইহুদি বিরোধিতা ইসলামের বাণী নয়"।

    আপনি আধুনিক গ্লোবে লোক-লজ্জার কারনে এখন এ কথা বলতে বাধ্য হয়েছেন। প্রকৃত পক্ষে ইসলাম ধর্মের Antisemitism এতোটাই wide open এবং আক্রমনাত্মক যা থেকে মুসলিমদের সরে আসার কোন পথ নেই। আল কোরান এবং সহিহ হাদিসনামায় বারবার অতি খোলামেলা ভাবেই ইহুদী জাতিকে ধ্বংস করার কথা বলা হয়েছে। এ সংক্রান্ত কোরান এবং হাদিসের শতশত কোটেশন আছে যা ব্লগে লেখে শেষ করা যাবে না।
    নীচের এই কয়েকটি সহিহ হাদিস নামায় প্রমান মিলে মুসলমানদের Antisemitism কতটা সাম্প্রদায়িক, অমানবিক এবং আক্রমনাত্মক ;

    Abu Dawud 38:4390 :
    Narrated Atiyyah al-Qurazi: I was among the captives of Banu Qurayza. They (the Companions) examined us, and those who had begun to grow hair (pubes) were killed, and those who had not were not killed. I was among those who had not grown hair.

    Sahih Muslim 4366 :
    Prophet(sw) said: "I will expel the Jews and Christians from the Arabian Peninsula and will not leave any but Muslims" (Sahih Muslim 4366)

    এ বিষয়ে আল কুরান কি বলে জেনে নিন ;

    সুরা ৯:২৯ ; "তোমরা যুদ্ধ কর আহলে-কিতাবের ঐ লোকদের সাথে, যারা আল্লাহ ও রোজ হাশরে ঈমান রাখে না, আল্লাহ ও তাঁর রসূল যা হারাম করে দিয়েছেন তা হারাম করে না এবং গ্রহণ করে না সত্য ধর্ম, যতক্ষণ না করজোড়ে তারা জিযিয়া প্রদান করে"

    সুরা ৫:৬০ ; বলুনঃ আমি তোমাদেরকে বলি, তাদের মধ্যে কার মন্দ প্রতিফল রয়েছে আল্লাহর কাছে? যাদের প্রতি আল্লাহ অভিসম্পাত করেছেন, যাদের প্রতি তিনি ক্রোধাম্বিত হয়েছেন, যাদের কতককে বানর ও শুকরে রূপান্তরিত করে দিয়েছেন এবং যারা শয়তানের আরাধনা করেছে, তারাই মর্যাদার দিক দিয়ে নিকৃষ্টতর এবং সত্যপথ থেকেও অনেক দূরে।

    এরপরও আপনি মিষ্টি কথা বলে ইহুদি জাতিকে বুলাতে চান, আসলে আপনি চাইলেও ওরা কিন্তু মুসলিমদের অন্তত এ বিষয়ে ছাড় দিবে না।

    1. 3.1
      কিংশুক

      মহান সৃষ্টিকর্তা আল্লাহপাক যিনি সকল সৃষ্ট বস্তুর সৃষ্টিকর্তা তিনি ইহুদিদের অসংখ্য অনুগ্রহ প্রদান করেছেন, সকল জাতির উপর ইহুদিদের শ্রেষ্ঠত্ব দিয়েছেন। কিন্তু ইহুদিরা দুনিয়ার লোভে সৃষ্টিকর্তার আদেশ নিষেধ মেনে চলে তাঁর খলিফা থাকবার যোগ্যতা হারিয়েছিলো বলেই সেই সৃষ্টিকর্তা মহান আল্লাহপাক ইহুদিদের ভৎসনা, সমালোচনা, সতর্ক করেছেন। কিন্তু গণহারে ধরে ধরে ইহুদি বা অন্য যেকোন মানুষ মারার কোন প্রকার আদেশ, অধিকার কিছুই কাউকে দেয়া হয়নি। অন্যায় ভাবে কোন মানুষই মারা যাবেনা। তবে আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের বিরুদ্ধে যুদ্ধে লিপ্ত হলে, ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হলে মৃত্যুদন্ড। মদিনার ইহুদিরা রাসূল(সা:) এর বিরুদ্ধে অনেক ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ছিলো। কিন্তু রাসূল(সা:) মক্কা ও মদিনার সকল কাফেরদের সাথে এতগুলো যুদ্ধে সব কটি যুদ্ধে বিজয়ী হয়েও ক'জনকে মৃত্যুদন্ড দিয়েছিলেন? রাসূল(সা:) কে আল্লাহপাক মানুষকে দোযখের আগুন হতে রক্ষা করার জন্য দুনিয়াতে পাঠিয়েছিলেন। রাসূল(সা:) সর্বোচ্চ চেস্টা করে গেছেন যাতে মানুষ দোযখের ইন্ধন হতে রক্ষা পায়। ধন সম্পদ, মান সম্মান, প্রভাব প্রতিপত্তি ইত্যাদি কোন কিছুই লক্ষ্য নয়। একমাত্র লক্ষ্য শয়তানের পথ হতে মানুষকে রক্ষা করা। আল কোরআনে সে জন্যই আল্লাহপাক কাফেরদের সতর্ক করেছেন। এখানে কোন সেমিটিজম, এন্টিসেমিটিজম কিছুই নাই।

      1. 3.1.1
        Hasaan

        @@ কিংশুক ;

        কমেন্ট লিখতে যেয়ে রসুলের বন্দনা করেছেন, আপনি তা করতেই পারেন। কিন্তু এ ধরনের মুক্ত ব্লগে কিছুটা হুশ করে লিখতে হয়। কেননা এখানে সবাই কিন্তু আপনার মাদ্রাসার তালেব না যে রসুলকে বল্লেই সবাই ফাটাফাটি হাত তালি দেবে।
        আপনি বলেছেন : "কিন্তু রাসূল(সা:) মক্কা ও মদিনার সকল কাফেরদের সাথে এতগুলো যুদ্ধে সব কটি যুদ্ধে বিজয়ী হয়েও ক'জনকে মৃত্যুদন্ড দিয়েছিলেন?"

        কিন্তু আপনি সম্ভবত Abu Dawud 38:4390 হাদিসটি ভাল করে পড়ে দেখেন্নি। এই হাদিসের বনর্ণায় যা লিখা আছে তাতে নিশ্চিত ভাবেই প্রমান হয় ইহুদি বানু কুরাইজা সম্প্রদায়ের উপর তৎকালিন রসুলের বাহিনী   systematic killing, যার বাংলা "গনহত্যা" চালানো হয়েছে। এরপরও অন্ধ রসুল বন্দনা? হাদিসটি আবার পড়ুন : Narrated Atiyyah al-Qurazi: I was among the captives of Banu Qurayza. They (the Companions) examined us, and those who had begun to grow hair (pubes) were killed, and those who had not were not killed. I was among those who had not grown hair.

        দোযখের ইন্ধন??? আপনার ধর্মবিশ্বাসের তথাকথিত দোযখের আগুনের ভয়ে সব কাফের মেরে সাফ করে দিবেন আর কাফেররা আঙুল চুসবে? কাফেররা মুসলমানদের ট্যক্স দিয়ে চলে নাকি? ২১ শতকের গ্লোবে এসে এসব মধ্যযূগীয় বাজে কথা না বল্লে হয়না?????????

         

         

         

      2. শাহবাজ নজরুল

        আবার বলছি বানু কুরায়জার সব তথাকথিত অভিযোগের জবাব দেয়া আছে আমার পোষ্টে। ভাঙ্গা রেকর্ডের মত একই কথা বললে কি প্রমান হয়? প্রমান হয় যে আপনি খুব সম্ভবত মুর্খ তোতা পাখি কিংবা একাডেমিক ডিসকাশন কিভাবে চালাতে হয় তা আপনার জানা নেই।

    2. 3.2
      শাহবাজ নজরুল

      যা ইসলামের বাণী তাই-ই আমি বলেছি। হাজার বছরের ইতিহাসে এন্টি-সেমিটিক স্টেপ ইসলামিক রাষ্ট্রিক কাঠামো থেকে নেয়া হয়েছে -- এমন উদাহরণ হাতে গোনা দু'একটি পাওয়া যেতে পারে, যেখানে ইউরোপ সহ পশ্চিমা দেশে হাজার হাজার এন্টি সেমিটিজমের উদাহরণ আছে। বানু কুরায়জার উদাহরণ দিয়ে তত্ত্ব প্রমান করার চেষ্টা বৃথা -- যেখানে কুরাইজা গোত্র সমস্ত মুসলিম জাতিকে নিশ্চিহ্ন করার ষড়যন্ত্র করেছিল। এনিয়ে আমার লেখাটা পড়ে  দেখেন। পারলে ওখানে দেয়া কথাগুলোর প্রতিবাদ/জবাব ওই পোষ্টেই করেন। আমি জবাব দেবার চেষ্টা করব। ৫.৬০ দিয়ে কি বোঝাতে চান? যে ইহুদি মাত্রই বানর আর শুকর -- কিংবা আল্লাহ সুবহানা তায়ালা কেবল ইহুদি হবার জন্যেই তাদেরকে আগে বানর বা শূকরে রুপান্তরিত করেছেন?? আয়াতেই তো জবাব দেয়া আছে। তারা আল্লাহর আদেশ অমান্য করেছে, সাবাথ ভেঙ্গেছে, শয়তানের কথা শুনেছে -- শাস্তি তারাই পেয়েছে যারা আল্লাহর আইন মানেন নাই। অপরাধ করছে শাস্তি পেয়েছে। কেস শেষ। কোনো নিরপরাধ ইহুদিকে তো শাস্তি দেয়া হয়নি। তো এন্টি- সেমিটিজম পাইলেন কৈ? ৯.২৯ কে আলাদা ভাবে দেখার উপায় নাই। রিলেটেড সব আয়াত আর রুলিং এক সাথে নিয়ে দেখতে হবে। সাথে আসবে তত্কালীন ইতিহাসও।

      1. 3.2.1
        Hasaan

        @@ শাহাবাজ নজরুল ;

        আপনারা একমুখে বলবেন ইসলাম সর্বকালের ধর্ম, আবার মাইনকা চিপায় পরলে বলবেন "এটা সে আমলের ট্রেডিশন", এরপর সেটাও ধোপে না টিকলে আপনাদের শেষ অস্ত্র বহুরুপি যাদুকরি ভাষা আরবী কে দুমড়ে, মুচড়ে টুইস্ট করে আল্লার ওহি বদলে সবাইকে বোকা বানোর অপকৌশল। সেদিন কোথায় যেন দেখলাম কুরানের সহজ-সরল "And after that He spread the earth" এর ভিতর "পাগড়ীর প্যাচ" এবং ডিম্ব জাতিয় শব্দের নয়া আমদানি। সত্যি হাসি পায়, এসব করে আপনারা কি পারবেন কুরান কে বিজ্ঞান বানিয়ে দিতে। এযুগের মানুষ সবাই কি আপনাদের মত আহাম্মক।

        বানু কুরাইজা সম্প্রদায়ের উপর মুসলিমরা কি ধরনের  atrocity চালিয়েছে তা নিয়ে আমি আজকে নিজ থেকে একটি কথাও বলতে চাই না, কারন তা হলে বিতর্কের শেষ হবে না। তারচেয়ে বরং দেখাযাক "বানু কুরাইজা" সম্প্রদায়কে নিয়ে সে সময়ের মুসলিম সোর্স কি বলে ;

        ১। Sahi Bukhari :Volume 5, Book 59, Number 443:
        "Angel Gabriel Appears To Muhammad And Orders Him To Attack The Rich Jewish Settlement Of Banu Quraiza"

        অথ্যাত ধর্মবিশ্বাসের(যার কোন প্রমান নেই) জিবরাইল নবীকে ইহুদী বসতি আক্রমন করার হুকুম দিলেন(?) , ইহা কি সর্বসাধারনের কাছে বিশ্বাসযোগ্য??

        ২। এরপর দেখুন কি হয়েছে ;

        Sahi Bukhari, Book 019, Number 4368 :
        Narrated 'Aisha:
        When the Prophet returned from the battle of Al-Khandaq (i.e. Trench) and laid down his arms and took a bath, Gabriel came and said (to the Prophet), “you have laid down your arms? By Allah, we angels have not laid them down yet. So set out for them." The Prophet said, "Where to go?" Gabriel said, "Towards this side," pointing towards Banu Quraiza. So the Prophet went out towards them.

        Sahi Bukhari Volume 5, Book 59, Number 444:
        Narrated Anas:
        “As if I am just now looking at the dust rising in the street of Banu Ghanm (in Medina) because of the marching of Gabriel's regiment when Allah's Apostle set out to Banu Quraiza (to attack them).

        ভেবে দেখুন; একটি জনবসতির উপর সর্বাত্মক  হামলা করার তথাকথিত স্বর্গিয় নিদ্দেশের প্লট কিভাবে তৈরি করা হল।

        ৩। এরপর কি হল দেখুন ;
        Sahi Bukhari Volume 5, Book 59, Number 448
        So Allah's Apostle went to them (i.e. Banu Quraiza) (i.e. besieged them). They then surrendered to the Prophet's judgment (unconditionally after 25 days) but he directed them to Sad (ally) to give his verdict concerning them. Sad said, "I give my judgment that their warriors should be killed, their women and children should be taken as captives, and their properties distributed."

        তারমানে- সব পুরুষকে হত্যা করে অসহায় নারী-শিশু(non-combatant) দের দখল নেয়া হল।

        ৪। The Prophet said, "You have judged according to the King's (Allah's) judgment." (Hadith No. 447, Vol. 5)

        The sentence was Death by decapitation for around 300—600 men and pubescent boys, and enslavement for the women and children. Ibn Ishaq says that the number may have been as high as 800—900 (p. 464).

        হত্যা, জখম, দখল সব আল্লা(?) মর্জিতেই সব হছ্ছে।

        ৫। এবার দেখুন নবীর Systematic Killing Machine সেখানে কি করেছে ;
        Book 38, Number 4390:
        Narrated Atiyyah al-Qurazi:
        I was among the captives of Banu Qurayzah. They (the Companions) examined us, and those who had begun to grow hair (pubes) were killed, and those who had not were not killed. I was among those who had not grown hair.

        ৬। একজন অসহায় ট্রামাটাইজ নারীকে কি ঠান্ডা মাথায় ভাবে খুঁন করা হল দেখুন ;
        Book 14, Number 2665:
        Narrated Aisha, Ummul Mu'minin:
        No woman of Banu Qurayzah was killed except one. She was with me, talking and laughing on her back and belly (extremely), while the Apostle of Allah (peace_be_upon_him) was killing her people with the swords. Suddenly a man called her name: Where is so-and-so? I asked: What is the matter with you? She said: I did a new act. The man took her and beheaded her. I will not forget that she was laughing extremely although she knew that she would be killed.

        ৭। এরপর দেখুন কি হছ্ছে ?  ভাগ-বাটোয়ারা, নারী-ভোগ, নারী-ধর্ষন সবই হছ্ছে সে আমলের ট্রেডিশন মতে! ইসলাম আর নবী মোহাম্মদের কি দোষ? ইসলাম তো সে আমলের হত্যা, ধর্ষন, নারী নির্যাতনের ট্রেডিশন রক্ষাকরার জন্যই আল্লার ওহি হিসেবে নাজিল হয়েছে। সুতরাং ইরাকের আবুগ্রেইব কারাগারে বিপদগামী এ্যামিরিকান সৈন্যরা যা করেছে তা সম্ভবত ইসলামের আলোকেই করা হয়েছে, তবে কম করা হয়েছে।

        * The Looted Property And The Jewish Women And Children Were Divided Among the Muslims

        More specifically, Ibn Ishaq says the spoils were divided among the Muslims thus:

        Then the apostle divided the property, wives, and children . . . among the Muslims, and he made known on that day the shares of horse and men, and took out the fifth. A horseman got three shares, two for the horse and one for the rider. A man without a horse got one share (p. 466). Then the apostle sent Sa'd b. Zayd al-Ansari brother of b. 'Abdu'l-Ashhal with some of the captive women of B. Qurayza to Najd and he sold them for horses and weapons. [page 466]

        * এখন ধারাবাহিক ভাবে কোরান কি বলে দেখুন

        Quran-33:25- “Allah turned back the unbelievers [Meccans and their allies] in a state of rage, having not won any good, and Allah spared the believers battle. Allah is, indeed, Strong and Mighty.”

        Quran-33:26- “And He brought those of the People of the Book [Jewish people of Banu Qurayza] who supported them from their fortresses and cast terror into their hearts, some of them you slew (beheaded) and some you took prisoners (captive)”

        Quran-33:27- “And He made you heirs of their lands, their houses, and their goods, and of a land which ye had not frequented (before). And Allah has power over all things.” [Merciful Allah asked Prophet Muhammad to confiscate entire properties of surrendered Jews]

        Quran-8:67—“It is not fitting for an Apostle that he should have prisoners of war until He thoroughly subdued the land….” (Allah insisting Prophet to kill all the prisoners, and should not keep any surrendered prisoners alive until He (Prophet) occupied entire Arabia.”

        Quran-8:17—It is not ye who Slew them; it is God; when thou threwest a handful of dust, it was not Thy act, but God’s…..” (Allah said, the killing of surrendered soldiers were done by the wish of Allah)

        শেষ বয়সে যৌন ভিমরতি :
        * Sahih Bukhari, Volume 5, Book 59, Number 512:
        Narrated by Anas:

        The Prophet offered the Fajr Prayer near Khaybar when it was still dark and then said, "Allahu-Akbar! Khaybar is destroyed, for whenever we approach a (hostile) nation (to fight), then evil will be the morning for those who have been warned." Then the inhabitants of Khaybar came out running on the roads. The Prophet had their warriors killed, their offspring and woman taken as captives. Safiya was amongst the captives, She first came in the share of Dahya Alkali but later on she belonged to the Prophet . The Prophet made her manumission as her 'Mahr'. Muhammad was sixty (60) when he married Safiyyahh, a young girl of seventeen. She became his eighth wife.

        * Sahi Bukhari Hadiths #143, page-700:

        Sulaiman Ibne Harb…Aannas Ibne Malek (ra) narrated, “in the war of Khayber after the inhabitants of Banu Nadir were surrendered, Allah’s apostle killed all the able/adult men, and he (prophet) took all women and children as captives (Ghani mateer maal).. Among the captives Safiyya Bint Huyy Akhtab was taken by Allah’s Apostle as booty whom He married after freeing her and her freedom was her Mahr.”

        সব শেষের এই হাদিসটি দেখুন কি ভয়াবহ :

        Bukhari yol 3,Book46, No. 717
        "Narrated Ibn Aun:
        Prophet had suddenly attacked Banu Mustaliq without warning while they were heedless and their cattle were being watered at the places of water. Their fighting men were killed and their women and children were taken as captives; the Prophet got Juwairiya on that day and raped her.

         

        সবই সে আমলের ট্রেডিশন, নবীর কি দোষ?  ইসলাম তো অন্যায়, পাপাচার, খুন, ধর্ষনের রীতি ভাংগতে আসে নি রবং তার ১৬ আনা সুখ আদায় করার জন্য এসেছে।

        ধন্যবাদ।

      2. এম_আহমদ

        @Hasaan:

        “আল কোরান এবং সহিহ হাদিসনামায় বারবার অতি খোলামেলা ভাবেই ইহুদী জাতিকে ধ্বংস করার কথা বলা হয়েছে। এ সংক্রান্ত কোরান এবং হাদিসের শতশত কোটেশন আছে যা ব্লগে লেখে শেষ করা যাবে না।”  হ্যাঁ, তা হবে তখন, যখন মূর্খ কেবল তার মূর্খদের কোটেশন পড়বে। তবে ইয়াহুদীদের ব্যাপারে কেবল কোরানের সবগুলো আয়াত একত্র করে পড়ে দেখেন মুর্খামির সমাধান হয় কি না।

        “[শাহবাজ] আধুনিক গ্লোবে লোক-লজ্জার কারণে এখন এ কথা বলতে বাধ্য হয়েছেন”, কেন, শাহবাজ এটা করতে যাবেন কেন? এসব বিষয়ে যারা মূর্খতায় ভুগছে তারা নিজেদের ধারণায় ‘লজ্জার’ কিছু আবিষ্কার করে নিয়েছে। এটা তাদের মূর্খতা। বানু কোরাইজা সা’দের মাধ্যমে বিচার চেয়েছিল, তাদের আবদার  প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, সা’দ তাদের বিচার করেছেন, এবং উপযুক্ত বিচার করেছেন। লজ্জা দূরে থাকুক, আমরা তো এখানে কোনো সমস্যাই দেখছি না। আপনার মত মূর্খরা ‘গণহত্যা’ কী এবং কীসের ভিত্তিতে কোন জিনিস গণহত্যা বিবেচিত হতে পারে তা যদি বুঝত, তবে যেখানে সেখানে গিয়ে গর্দভ সাজতে হত হতনা।

        বিংশ শতাব্দীর মধ্যভাগে, দ্বিতীয় মহাযুদ্ধকারীগণ, যাদের হাতে ২০ মিলিয়ন লোকের প্রাণহানি ঘটেছিল, তারা নিজেদের ভয়াবহ কর্মকাণ্ড সামনে রেখে যুদ্ধাপরাধ সম্পর্কে জেনেভা কনভেনশনের যে প্রোটোকল গ্রহণ করে তা এভাবে আসে, The Geneva Conventions are four related treaties adopted and continuously expanded from 1864 to 1949 that represent a legal basis and framework for the conduct of war under international law. Every single member state of the United Nations has currently ratified the conventions, which are universally accepted as customary international law, applicable to every situation of armed conflict in the world (উইকি ) তো মুহাম্মাদ (সা.) এবং তাঁর প্রতিপক্ষের মধ্যে “applicable law” কোনগুলো ছিল যেগুলো তিনি লঙন করায় তা যুদ্ধাপরাধ হয়েছে? মূর্খ কোথাকার! মোণ্ডাদের কাছ থেকে মুখস্থ করা কথা বমি করছেন। আবার মুহাম্মাদ ও তাঁর প্রতিপক্ষ কার আইনের আওতাভুক্ত ছিলেন এবং আর্ম-কনফ্লিক্টে উভয় পক্ষ কোন কোন প্রোটোকল মেনে চলার কথা ছিল, যেগুলো মুহাম্মদের পক্ষ মানেননি? গর্দভ!  এক পক্ষ আরেক পক্ষের কাছে বিচার চেয়েছে এবং রায়ও পেয়েছে। ওখানে কী দেখা যাচ্ছে?  কারো ‘বাল’ দেখে কি যুদ্ধাপরাধ হয়? ফালতু কোথাকার।

         

        এই যে কেউ একটা ব্লগ দিলে আপনারা এসে 'মূর্খ-রাগ' বেসুরায় বাজাতে শুরু করেন, আপনাদের পড়াশুনা হবে কবে? আপনারা কবে মুক্তমনা হবেন? হাবিব সাহেব ইয়াহুদী এবং মুসলিমদের মধ্যে গত শতাব্দীর ভয়াবহ ইউরোপিয়ান যুদ্ধে পারস্পারিক সহযোগিতা নিয়ে একটি ব্লগ দিয়েছেন। একটা একটি ঐতিহাসিক ব্যাপার। আমিও আমার ৭ নম্বর মন্তব্যে মুসলিম সাম্রাজ্যে ইয়াহুদীদের আশ্রয় গ্রহণ ও নিরাপদ বসবাসের ব্যাপারে একটি ভিডিও ক্লিপ দিয়েছি। এগুলো ঐতিহাসিক, বাস্তব ব্যাপার। মানুষে মানুষে, গোত্রে গোত্রে, জাতিতে জাতিতে, দেশে দেশে যুদ্ধও হয় আবার ভাল সম্পর্কও গড়ে ওঠে। এই সামান্য কথাটি আপনাদের মূর্খ অন্তরে কেবল ইসলাম বিদ্বেষের কারণে ঢুকে না। এত হীনমন্য আপনারা! আপনাদের বিদ্যা শিক্ষা থাকলে এই ব্লগে এসে বিদ্যোচিত ধারায় আলোচনা শুরু করতে পারতেন, যদি প্রদত্ত তথ্যে কোন সমস্যা থেকে থাকে, তবে, ঐতিহাসিক দৃষ্টিতে, সেই সমস্যার স্থান হতে পারে -তা উত্থাপন করতে পারতেন, যদি সেই ঘটনাগুলো ‘অবাস্তব’ হয়ে থাকে, তবে সেই ঐতিহাসিকতার সঠিক বিবরণ কী –সেগুলো আলোচনা করতে পারতেন। কিন্তু কথা হচ্ছে, আপনারা মূর্খ, না আছে ঐতিহাসিক জ্ঞান, না আছে ধর্মতাত্ত্বিক জ্ঞান, না আছে সমাজ ও সমাজ-বিজ্ঞানের জ্ঞান। যা আছে, তা হয়ত পদার্থ, রসায়নের উপর কিছু জ্ঞান আর এই নিয়ে ভাবছেন সকল বিদ্যার মহাপণ্ডিত! এই যে গোয়ার্তমি, এই যে নির্লজ্জ মূর্খতা –এর সমাধান কে দেবে? ইসলামের সেই প্রাথমিক যুগ থেকে আজ পর্যন্ত ইরান, মিশর এবং অপরাপর অন্যান্য মুসলিম এলাকায় ইয়াদীরা বসবাস করছে –তা কীভাবে সম্ভব হচ্ছে? হাবিব সাহেবের ব্লগ কই আর কই বানি-কোরাইজা –এই যে ফালতু ফাতরামি, এগুলো দেখতে কী সবার ভাল লাগে? মূর্খের জাত! তাও বুঝি আবার মুক্তমনা!

      3. শাহবাজ নজরুল

        Thanks Ahmed vai -- nice reply…

      4. শাহবাজ নজরুল

        একেকটা করে ইস্যু নেন। বানু কুরাইজা দিয়ে শুরু করেন। ৫০ টা ফ্রন্টের উত্তর একসাথে দেয়া সম্ভব না। বানু কুরাইজা বিষয়ক আপনার প্রতিটি অভিযোগের জবাবই দেয়ে হয়েছে আমার পোষ্টে। এবার যদি আলোচনা আগাতে চান তাহলে আমার দেয়া উত্তরগুলো কিভাবে/কেন ভুল বা অপ্রতুল তা থেকে শুরু করতে হবে। না হলে আলোচনা আগাবে না। আর চক্রিক আলোচনায় সময় দেয়ার মত সময় আমার নাই। তো শুরু করেন। বানু কুরাইজা পোষ্টে গিয়ে বলেন আপনার অভিযোগের জবাবগুলো পেয়েছেন কিনা? উত্তরগুলোতে ভুল কিংবা অপ্রতুলতা থাকলে পরিষ্কার ভাবে বলেন। বানু কুরাইজা সেটেল হলে পরের ইস্যুতে যাওয়া যাবে ইনশাল্লাহ।

      5. এম_আহমদ

        শাহবাজ ভাই, এই “ফেরিওয়ালা” মূর্খকে ignore করাই ভাল। লোক একটাই, নাম দশটা। কিছু বলার যোগ্যতা নেই তো বলবে “মনের মাধুরী দিয়ে লিখছেন”, অথচ তার কথাই হচ্ছে মনের মাধুরী-প্রসূত, মিথ্যাচার, জল্পনা কল্পনা। মুর্খামি করবে, ফাতরামি করবে, যা বিষয় বুঝে সেই বিষয়ের সে বিষয়ে তুক-তাক করবে, আলোচনার বাইরের কিছু ওলট পালট করে বলবে চ্যালেঞ্জ করলাম। তারপর থাপ্পড় দিলে কান্নাকাটি করবে। বলবে ‘থাপ্পড় মারছেন, আপনি দুর্বল’। এই ধরণের মুর্খামি করে আর ইচ্ছে রাখবে তাকে জামাই-আদর করা হোক। কিযে মূর্খ। কোরান বলে কুত্তার উপর বুঝা দিলেও হাঁপায়, না দিলেও হাঁপায়। আপনি লেখার লিঙ্ক দিয়েছেন, সে তা পড়ুক। তারপর যা ইচ্ছে তাই মনে করুক। কয়েক দিন পর পর একই বিষয়ে বার বার আলোচনার দরকার নেই। সদালাপে এই বিষয়ে অনেক আলোচনা হয়েছে। এগুলো পড়ার পর কোনো ফেরিওয়ালা যদি আবারও পিছন থেকে আলোচনা শুরু করতে চায়, তার সাথে কেউ সে আলোচনায় যাওয়ার দরকার নেই। তার যাই ইচ্ছে তাই মনে করতে পারে, তাতে কি আসে যায়।

      6. এম_আহমদ

        'যা বিষয় বুঝে সেই বিষয়ের সে বিষয়ে তুক-তাক করবে' -এটা হবে "যে বিষয় সে বুঝবে না, সেই বিষয়ে তুক-তাক করবে …

      7. Raihan Rahman

        @ সাব্বাস হাসান ভাই, আমি আর কি কমু বস, আপনি একলাই সব তচনচ করে দিলেন। ধন্যবাদ।

        @ শাহাবাজ নজরুল : বানু কুরাইযা প্রসঙ্গে মনের মাধুরী মিশিয়ে আপনি যে পুথি রচনা করেছেন তার কোথাও কোরান ও হাদীসের এমন একটি কোটেশনও আপনি দেখাতে পারেন্নি যেখানে বানু কুরাইযা সম্প্রদায়ের উপর মানবিক আচরন করার কথা বলা হয়েছে। বরং ইসলামের রুদ্রমুর্তিই শুধু দেখা গেছে- In a rear case there was a option, Either be a Muslim or be killed. এই হছ্ছে ইসলামের উদারতা, আর এই নিয়ে আপনারা কোরান হাদিসের বড়াই করেন ২১ শতকে!!!

        SHAME ON YOU @ শাহাবাজ নজরুল, (sorry for the language however…………….)

        দেখুন,  হাসান ভাই  কিন্তু নিজ থেকে একটি কথাও বলেন্নি, যা বলেছে তার সবই আমাদের ইসলামী স্বর্গিয়! সোর্স থেকেই বলেছেন। যে কারনে আপনি এবং আপনার সাগরেদ সে বিষয়ে "আঁ" করারও চান্স পায়নি, আপনিও পান্নি। তো, এই  বেগতিক অবস্থায় আপনাদের পক্ষে ব্যাক্তি আক্রমন এবং অশালিন গালাগালি ছাড়া আর কি করার আছে। করুনা, নিতান্তই করুনা হয় আপনাদের অসহায় অবস্থা দেখে। চলতি শতকে চরম সাম্প্রদায়িক ইসলাম নামক জঙ্গি বস্তুটিকে কোরামিন খাইয়ে আর কতক্ষন ধরে রাখবেন? একুশ শতকের সভ্য বাতাস সইতে না পেরে ইসলামের দম যায়যায় দশা, মাটিতে লুটিয়ে পরেছে, তারপরও আপনাদের বোধদয় হয় না। এখন ইসলামের সম্বল শুধু সুইসাইড বোমাবাজি আর আফগান পাহাড়ের গুহা। এই শুধু, আর কিছ্ছু না।

        আরো একটি জিনস লক্ষ্য করা গেছে- এই সময়ে যথাযত কারনেই আপনারা ইহুদী-খ্রীষ্টা-হিন্দু-নাস্তিক ধর্ম, তত্বের উপর ভিষন বেজার। কারন এক- ওদের বিজ্ঞান প্রযুক্তি নির্ভর শক্তি মেধাকে কে মোকাবেলা করার নৈতিক মনবল আপনারা হারিয়েছেন। কারন দুই- ওরা ইসলাম ধর্মের পঁচনশীলতা,  কুটচাল, ধানাইপানাই, অপকৌশল, অপকর্ম………………….. সব কিছুর হাতে হ্যারিকেন ধরিয়ে দিয়েছে।  বিষয়টি উপভোগ করার মতই। তো? যত পারেন গাইল্লান।

        মুসলিমদের Banu Qurayza massacre বিষয়ে আপনারা মনের মাধুরী মিশিয়ে যতই মহাভারত রচনা করেন্না কেন তা আর ধোপে টিকে না। কার শুধু একটাই, আর তা হছ্ছে- মুসলিমদের কোরান ও হাদীস এর অকাট্ট স্বাক্ষ। যা আপনারা এই সভ্যযুগে এখন না পারেন হজম করতে, না পারেন গিলে খেতে। তবে হাঁ, এসব নিয়ে অতি চালাকের মত ধানাইপানাই করতে পারেন শুধু।

        আসলে- ইসলাম ধর্মের চরম সাম্প্রদায়িকতা, অমানবিকতা, অবৈজ্ঞানিক, অশ্লীল যৌনতা, অমুসলিম বিদ্বেষ, নারী বিদ্বেষ, Apostasy, কাফের হত্যার উন্মাদনা, বন্দি ক্রিতদাসীদের সাথে মুমিনের অবাধ যৌনতা, যুদ্ধবন্ধি নারী ধর্ষন………………….. এ বিষয় গুলো কোরান হাদীসের পাতায়/পাতায়, পরতে/পরতে এতোটাই সুলিখিত(well documented) সেই লজ্জা থেকে আপনাদের পালাবার পথ নেই গোলাম হোসেন। Banu Qurayza massacre নিয়ে আপনি হাত সাফাই করার যে মহাভারত রচনা করেছেন তার একটিও কোরান-হাদীসের কোথাও উল্লেখ নেই। বরং কোরান-হাদীসে ঠিক তার উল্টো বয়ান জারি হয়েছে। ধর, মারো, বিলিবন্টন, এবং ধর্ষন।

        কি আছে কোরান-হাদীসে ??? এবার দেখা যাক (শুধু মাত্র অমুসলিম, ইহুদী, খ্রীষ্টান বিদ্বেষ সক্রান্ত)

        আল কোরান সুরা- 2:191-193, 2:244, 2:216, 3:56, 3:151, 4:74, 4:89, 4:95, 4:104, 5:33, 8:12, 8:15, 8:39, 8:57, 8:59-60, 8:65, 9:5, 9:14, 9:20, 9:29,  9:30, 9:38-39,  9:41, 9:73, 9:88, 9:111, 9:123, 17:16, 18:65,  21:44, 25:52, 33:60-62, 47:3-4, 47:35, 48:17, 48:29, 61:4, ……………..এবং  আরো অনেক।

        সহিহ হাদীস :

        Bukhari (52:177) , Bukhari (52:256), Bukhari (52:65) , Bukhari (52:220) , Abu Dawud (14:2526) , Abu Dawud (14:2527) , Muslim (1:33), Bukhari (8:387) , Muslim (1:30) , Bukhari (11:626) , Muslim (1:149), Muslim (20:4645), Muslim (20:4696), Muslim (19:4321-4323) , Muslim (19:4294) , Tabari 7:97  , Tabari 9:69, Tabari 17:187, Ibn Ishaq/Hisham 327, Ibn Ishaq/Hisham 990, Ibn Ishaq/Hisham 992 …………… এবং আরো অনেক।

        আপনার ৩.১.১.১ মন্তব্যে আপনি বলেছেন : "আবার বলছি বানু কুরায়জার সব তথাকথিত অভিযোগের জবাব দেয়া আছে আমার পোষ্টে। ভাঙ্গা রেকর্ডের মত একই কথা বললে কি প্রমান হয়?"

        এখন আপনি বলুন- আমরা কি আপনার লেখার তথাকথিত পুথিকে বিশ্বাস করবো, না কোরান-হাদীসের উপরের ঐ কোটেশন গুলো বিশ্বাস করব? কারন আপনি যা লিখেছেন ঠিক তার উল্টোটাই লেখা আছে এসব সব সুরা কেরাতে।

        একটি উদাহরন দিছ্ছি-
        আপনি বলেছেন- বানু কুরায়জাদের প্রতি নবী ছিলেন দয়ার সাগর!  কিন্তু Tabari 9:69 হাদীসে বলা হয়েছে   "Killing Jewish is a small matter to us"  The words of Muhammad(sw), prophet of Islam.  আমরা এখন কোনটিকে সত্য বলে গ্রহন করব? আপনার বাণী? নাকি হাদীসের বাণী??

        আরো একটি উদাহরন :
        "প্রতি মন্তবয় ৩.২ এ আপনি বলেছেন-  সুরা ৯.২৯ কে আলাদা ভাবে দেখার উপায় নাই। রিলেটেড সব আয়াত আর রুলিং এক সাথে নিয়ে দেখতে হবে।"  মজার কথা বটেই!!

        কিন্তু যখন সুরা ২:২৫৬ এ বলা হয় :  "দ্বীনের ব্যাপারে কোন জবরদস্তি বা বাধ্য-বাধকতা নেই………………."  তখন কিন্তু আপনারা- রিলেটেড সব আয়াত, রুলিং এবং নবী মোহাম্মদ ও তার দলবলের সে সময়ের অতি দুর্বল বাস্তবাতাটি এক সাথে মিলিয়ে দেখেন্না।   আর এখানেই আপনাদের চালাকি, ভেলকি এবং ধান্ধাবাজী।

        ধন্যবাদ।

      8. শাহবাজ নজরুল

        All of these issues have been answered. If you need to debate further -- you need to rebutt and produce sound explanations against the explantions/interpretations that I (we)'ve given. Playing the same broken record does not take us anywhere. When you plan for "Extermination" -- and there is no doubt that should Meccan would have won -- the whole Muslims would have been exterminated from the earth -- and the Quraizi Jew would have enjoyed it -- begging for lineancy after losing the battle is an inappropriate proposition. Further they got judgment from their own appointed judge -- their own previous ally. Still I've shown with proper proofs and reasonings that substantial numbers of jews might have been excused. Therefore, please don't shed crocodile's tears here. Again, if you want to discuss further -- follow the academic style of discussion -- rebutt my explanations -- topic by topic -- and please don't play the same broken record over and over again.  

      9. Raihan Rahman

        Mr. Nazrul…………………..

        I am so surprised that you never utter a single   word about the verses of the Koran nor the reports of the Hadiths what I cited,  most of which is all about the battle of Banu Quriza. I wander why you are so shy about the very truth of Muslim sources? Can't you defend those  verses and the reports?  Or does this not match with whatever bullshit lie you wrote?

        Can you please cite a single verse of koran or a Hadith reporting where a minimum humanity or simple mercy were shown to the Jews on the battle of Banu Quriza, other than to be killed or raped or be a Muslim? Then, why would I take your writings as an evidence?  Thanks.

      10. Raihan Rahman

        At the Banu Quriza battle, whatever happened, I have evidence and statistics from the Muslim sources which tells us what exactly happened. And that source indicates that there was no mercy.  So how come in your writings do you say the opposite @ Mr. Nazrul

    3. 3.3
      আহমেদ শরীফ

      "কিন্তু রাসূল(সা:) মক্কা ও মদিনার সকল কাফেরদের সাথে এতগুলো যুদ্ধে সব কটি যুদ্ধে বিজয়ী হয়েও ক'জনকে মৃত্যুদন্ড দিয়েছিলেন?"

       

      ঠিক তাই ! রাসূল(সাঃ) ও সাহাবা(রাঃ) যে আদতে রক্তপিপাসু ছিলেন না বরং শুধুমাত্র আল্লাহর আদেশে আদিষ্ট হয়েই যুদ্ধক্ষেত্রে অবতীর্ন হতেন অথবা অস্ত্রধারণ করতেন তার একটি বড় প্রমাণ হচ্ছে 'মক্কা বিজয়'। বিরাট সেনাবাহিনী থাকা ও অতীতের ভয়ংকর সব নির্যাতনের প্রতিশোধ নেওয়ার শতগুণ সুযোগ থাকা সত্ত্বেও মক্কার কাফিরদের এক কথায় ক্ষমা করে ক্বিয়ামত পর্যন্ত সারা মানবজাতির সম্মুখে এক অতুলনীয় দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন আল্লাহর নবী রাসূল(সাঃ)। বিনা রক্তপাতে এত মহান বিজয় পৃথিবীর ইতিহাসে আর দ্বিতীয়টি খুঁজে পাওয়া যাবে না।

      পরের কমেন্টে আপনি বনু কুরাইজার ইয়াহুদিদের ওপর চালানো অভিযান সম্পর্কে 'গণহত্যা' শব্দটি ব্যবহার করেছেন যা তৎকালীন আরবের ইতিহাস সম্মন্ধে আপনার অজ্ঞতাকে ও ইসলামবিদ্বেষী হিসেবে আপনার পরিচয়কেই প্রকট করে তুলেছে। আপনার যুক্তি অনুযায়ী '৭১ এর যেসব মার্কামারা দালালকে মৃত্যুদন্ড দেয়া হয়েছে বা হিটলারের নাৎসী বাহিনীর গোয়েবলসের দোসর যাদের বিচার করে ফাঁসি দেয়া হয়েছে _ সেগুলোও 'গণহত্যা' ছিল  বলতে হয় !

      'কোলাবোরেটর' বলতে যা বোঝায় ঠিক তাই ছিল এই ইয়াহুদিরা। বরং '৭১ এর রাজাকার কোলাবোরেটর থেকেও ভয়ংকর ছিল এরা। রাজাকাররা তো সুস্পষ্টভাবে কোন রাখঢাক না করেই পাকিস্তানের পক্ষ নিয়েছিল। ইয়াহুদিগণ সর্বনাশা নীরব ঘাতক হিসেবে ছিল। মুসলিমদের কাছে নিজেদের উদ্দেশ্য হাসিলের নিয়তে ফলস পরিচয় তুলে ধরত, কাফিরদের সাথে মুসলিম ও ইসলাম ধ্বংসের শতভাগ গর্বিত শরীক ছিল।

      শুধুমাত্র নতুন ধর্ম বিশ্বাস আনার কারণে মক্কার কাফিরগণ দীর্ঘসময় ধরে মুসলিমদের ওপর কি নির্যাতন চালিয়েছিল সে ইতিহাস সম্পর্কে কিছু জানেন ? ঠাট্টাবিদ্রুপ-মারধর-হত্যা তো আছেই বাড়ি ছাড়া জন্মভূমি ছাড়া করা হয়েছিল, জন্মভূমি থেকে শুধু ইসলাম গ্রহণ করার কারণে মুসলিমদের বিতাড়িত করে সমস্ত সম্পদ লুন্ঠন করা হয়েছিল। জন্মভূমি ত্যাগ করে সমস্ত সম্পদ তাদের হাতে তুলে দিয়েও শান্তি নেই, যেখানে যেখানে তারা আশ্রয়ের জন্য পুনর্বাসনের জন্য গেছে সেখানে গিয়ে মক্কার কাফিরগণ জ্বালাতন করতে ছাড়েনি তাদের। এমন অন্ধ আর তীব্র শত্রুতা মুসলিমদের সাথে কাফিরগণ করেছে আর তাদের প্রিয় নির্ভরযোগ্য দোসর ছিল ইয়াহুদি সম্প্রদায়। কাবুলিওয়ালাদের মত তারাও ছিল সম্পদশালী, তাদের সাথে ব্যবসাবাণিজ্য-অধীনে চাকরি কাফিরদের মত মুসলিমদেরও প্রয়োজন হত বলে কাফির-মুসলিম উভয় দলের সাথে তাদের লেনদেন ছিল। কিন্তু তারা দুমুখো সাপের মতো কাফিরদের সাথে ঘনিষ্ঠতা করত আর মুসলিমদের ধোঁকা দিয়ে তাল দিয়ে চলত। মুসলিমদের গমণ-প্রস্থান-অবস্থাসহ সমস্ত গোপন খবর মুসলিমদের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করে কাফিরদের যোগাত। বহুবার বড় বড় হামলা যেগুলো মুসলিমদের ওপর কাফিরগণ করেছে সেগুলোর অর্থ যোগানদাতা, পরামর্শদাতা, গোপন সংবাদদাতা এই ইয়াহুদিরাই ছিল। তারা বার বার তাগাদা দিত কাফিরগণকে যাতে মুসলিমদের স্বয়ং রাসূল(সাঃ) সহ খতম করে ফেলা হয়। বনু কুরাইজার ঘটনার আগের বিধ্বংসী হামলাগুলোর গোপন সংবাদদাতা-অর্থায়ন-ইন্ধনদাতা ছিল মরিয়া ইয়াহুদি সম্প্রদায়। এই ইয়াহুদিদের খতম করা না হলেও মুসলিমদের ক্ষতি তারা আজীবনই করে যেত, পরিস্থিতি যে পর্যায়ে পৌঁছেছিল তাতে কাফিরদের সঙ্গে নিয়ে মার্সিনারি প্রচুর পরিমাণে এনে তারা মুসলিমদের দুনিয়া থেকে বিদায় করা সময়ের ব্যাপার ছিল মাত্র। এই ইয়াহুদিদের খতম করা যদি না হত _ মুসলিমদের অচিরেই তারা খতম করে দিত। কাজেই এটি পরিকল্পিত আত্মরক্ষা ছাড়া আর কিছুই নয়।

      1. 3.3.1
        Raihan Rahman

        "শুধুমাত্র নতুন ধর্ম বিশ্বাস আনার কারণে মক্কার কাফিরগণ দীর্ঘসময় ধরে মুসলিমদের ওপর কি নির্যাতন চালিয়েছিল সে ইতিহাস সম্পর্কে কিছু জানেন ? ঠাট্টাবিদ্রুপ-মারধর-হত্যা তো আছেই বাড়ি ছাড়া জন্মভূমি ছাড়া করা হয়েছিল, জন্মভূমি থেকে শুধু ইসলাম গ্রহণ করার কারণে মুসলিমদের বিতাড়িত করে সমস্ত সম্পদ লুন্ঠন করা হয়েছিল। জন্মভূমি ত্যাগ করে সমস্ত সম্পদ তাদের হাতে তুলে দিয়েও শান্তি নেই, যেখানে যেখানে তারা আশ্রয়ের জন্য পুনর্বাসনের জন্য গেছে সেখানে গিয়ে মক্কার কাফিরগণ জ্বালাতন করতে ছাড়েনি তাদের। এমন অন্ধ আর তীব্র শত্রুতা মুসলিমদের সাথে কাফিরগণ করেছে আর তাদের প্রিয় নির্ভরযোগ্য দোসর ছিল ইয়াহুদি সম্প্রদায়।"

        @ জনাব আহমেদ শরীফ- এই যে একটি মনের মাধুরী মিশানো মিথ্যা বয়ান ঝেড়ে দিলেন তার সত্যতা সংক্রান্ত একটি উদাহরন কোরান-হাদীসের কোটেশন থেকে তুলে এনে দেখান তো?  

        মোহাম্মদের উপর ইহুদীরা অত্যাচার, নির্যাতন, জুলুম করেছে এমন একটি মনুনা কোরান-সহিহ হাদীসের অথেন্টিক কোটেশন/রেফারেন্স দেখাতে প্রকাশ্যে চ্যালেঞ্জ দিলাম। সাহস থাকলে চ্যালেঞ্জ গ্রহন করুন, আর তা না হলে বানিয়ে মিথ্যা বলার জন্য ক্ষমা চান। তবে হাঁ, একটি মাত্র পাবেন আর তা হছ্ছে কাবা ঘরে নামাজ আদায় করার সময় কোন এক পাগল ইহুদী মহাম্মদের দিকে উটের পঁচা মাংস ছুড়ে মেরেছিল। শুধু এ টুকুই, ব্যাস।

      2. শাহবাজ নজরুল

        মুহাম্মদ (স.) এর উপর নির্যাতনের কথা আসছে কেন? কোনো মুসলিমের উপর যদি নির্যাতন হয় সেটা প্রনিধানযোগ্য না কেন?

      3. Raihan Rahman

        মোহাম্মদের কথা এজন্য আসছে কারন আপনারা বাংলাছবির ভিলেন এটিএম শামসুজ্জামানের মত কাইন্দা কাইন্দা কন- আমাগো পেয়ারা নবীর উপর অমুসলিমরা কত্ত জুলুম করসে,  তায়েফের কাফেররা উনাকে রক্তাক্ত করসে, কোন বুড়ি নাকি আবার পথে কাঁটা ছিটাইসে, হায়হায় করে আপনারা চুক্কুর পানিতে জায়নামাজ ভাসান……………… অথচ সব তাবত মিথ্যার বেসাতি। কোরান-হাদিসে এর পক্ষে একটি কথাও বলা নেই। কিন্ত ওনার শাদী মোবারক নিয়ে কোরান-হাদীসে কি ফাটাফাটি অবস্থা।

      4. জামশেদ তানিম

        @Raihan Rahman

        আরিব্বাস কানা শয়তানের দেখি কত বড় গলা, ওর কাছে ক্ষমা চাইতে হবো, কেন বাহে, মিথ্যুক তো বেটা তুই। তোর উচিত সবার কাছে কড়জোড় করে ক্ষমা চাওয়া।

        শয়তানের জঠরে এসবের জন্ম, এগুলোর মুখ দিয়ে কথাও বলে শয়তান। এরা তো এখন মানুষের রূপ ধরে আছে, সময় ঘনিয়ে আসছে স্বরূপে আবির্ভূত হওয়ার, এদের সংখ্যা বাড়ার সাথে সাথে এদের গলার জোরও বাড়ছে। পৃথিবীর মানুষ দেখবে এদের তান্ডব। ইসলাম, মুসলিম হলো এদের চোখের বিষ।

        যখন হিরোশিমা নাগাসাকিতে হত্যাযজ্ঞ চালানো হলো কোথায় ছিলো মানবিকতা? পারলে এখন প্রতিবাদ কর। করলে বাপেরা গলায় পাড়া দিয়ে জিহ্বা বের করে ফেলবে।

        শয়তানের কাছে ইসলামের কি ব্যাখ্যা দিব? তোর মত মানুষই ছিলো বণু কুরাইজার লোকজন এর জন্য হত্যা করা হয়েছে।
         

  10. 2
    শাহবাজ নজরুল

    তো?  সে জামানায় ইহুদীরা কি মুসলিমদের মন-মর্জি তোয়াজ করে চলবে নাকি @ শাহবাজ নজরুল

     

    প্রতিপাদ্য প্রমাণে ব্যর্থ হলে কি সবসময়ই আপনারা অপ্রাসঙ্গিক কথা বলা শুরু করেন?

    1. 2.1
      Jamsed Tanim

      শাহবাজ নজরুল

      ভাই শয়তানের দলের যুক্তি তো একটাই হয় আমারটা মানো আর তা না হলে তোমরা পশ্চাদশীল, প্রতিক্রিয়াশীল ইত্যাদি। এদের কথা কোরানে সুস্পষ্টভাবে বলা আছে। এদের কাজই হলো দূর্গন্ধ ছড়ানো এবং অন্যকে তা করতে জবরদস্তি করা।

      বান্দর কি লেজ লুকাতে পারে? এদের সংখ্যা যত বাড়ছে এরা-ও স্ব-মূর্তি ধারন করা শুরু করছে। মানবতা-টানবতা হচ্ছে এদের মুখোশ। এসব বান্দরের মানবতার স্ট্যান্ডার্ড কি আজো তা বুঝলাম না।

       

      মানুষের জন্য কাজ করা? কিভাবে? নেশা করে, মাগীবাজি করে?

  11. 1
    Raihan Rahman

    আমি বুঝিনা! মুসলিমরা হটাৎ করেই ইহুদী প্রেমিক বনে গেল? যেখানে হাদীসে numerous times ইহুদী কতল করার কথা বলা আছে। আসলে বেকায়দার পরলে চতুর মুসলিমরা সবই করতে পারে………………….

    Sahi Muslim- 6985 :
    Abu Huraira reported Allah's Messenger (may peace be upon him) as saying: The last hour would not come unless the Muslims will fight against the Jews and the Muslims would kill them until the Jews would hide themselves behind a stone or a tree and a stone or a tree would say: Muslim, or the servant of Allah, there is a Jew behind me; come and kill him; but the tree Gharqad would not say, for it is the tree of the Jews.  

    1. 1.1
      শাহবাজ নজরুল

      এই হাদিসে শেষ জমানার বৈরী ইহুদুদের কথা বলা হচ্ছে যারা প্রকাশ্যে মুসলিমদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবে। যেভাবে আমাদের দেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় যেখানেই পাকি শত্রু পাওয়া গেছে সেখানেই তাদের কতল হয়েছে -- এই হাদিসে এর চাইতে বেশি কিছু বলছে না। যুদ্ধের সময় প্রেম সঙ্গীত গাওয়া হবে না। কেবল ইহুদি বলে ইহুদি বিরোধিতা ইসলামের বাণী নয়। যারাই ইসলামের বিরুদ্ধে অস্ত্র ধরবে তাদের বিরুদ্ধেই অস্ত্র ধরা হবে -- ঠিক যেমনি ৭১ সালে বাঙালিরা পাকিদের বিরুদ্ধে অস্ত্র ধরেছিল।

      1. 1.1.1
        Raihan Rahman

        @ শাহবাজ নজরুল ;

        খুব মজার কথা তো! শেষ জামানায় সমূলে ইহুদী কতল করার করার লাইসেন্স মুসলদিমদের কে দিয়েছে? এই সভ্য যুগে এ ধরনের জঙ্গি চিন্তা এখনো আপনাদের মাথায় খেলে??  যে ইহুদী জাতির অক্লান্ত পরিশ্রম, মেধা, বিজ্ঞান এবং আবিস্কারে সারা পৃথিবী আলোকিত-  সেই জাতিকেই বিনাস করবে পরজীবি, পরনির্ভরশীল, অপদার্থ মুসলিমরা। কোন যুগে আছেন আপনি।

      2. শাহবাজ নজরুল

        সমূলে উত্পাটন কৈ পাইলেন? হাদিসটা আরেকবার পড়ে  দেখেন। আমি তো এখানে যুদ্ধরত ইহুদিদের বাদ দিয়ে সাধারণ ইহুদিদের দেখতে পাচ্ছিনা। হাদিসটা শুরু হয়েছে Muslims will fight against the Jews -- অর্থাত এখানে ধর্মগোষ্ঠির ব্যানারে যুদ্ধ হবে -- এমন কথা বলা হচ্ছে। অতএব এর পরে ইহুদিদের কতলের যেসব বর্ণনা আছে তা ঐসব ইহুদিদের বেলায় প্রযোজ্য যারা যুদ্ধরত। সানগ্লাস পড়ে  হাদিস দেখার স্কোপ নাই।

      3. Raihan Rahman

        তো?  সে জামানায় ইহুদীরা কি মুসলিমদের মন-মর্জি তোয়াজ করে চলবে নাকি @ শাহবাজ নজরুল

      4. Jamsed Tanim

        আরে কানা মূত্র দেখি এখানে-ও চলে এসেছে?

        ইহুদীরা মুসলিমদের মত মতো চলবে না, কিন্তু মুসলিমরা এসব এসব মূত্রদের মত পূজা করবে।

        যত্তোসব।

        ছাগলে তো কত কিছুই খায়।

    2. 1.2
      আহমেদ শরীফ

      'মুক্তমনা ও নাস্তিক মিলিট্যান্সি' লেখাটা পড়ে দেখলে ও আয়নার সামনে বুকে হাত দিয়ে দাঁড়িয়ে নিজের দিকে তাকালে বুঝতে পারবেন যে কি পরিমাণ স্ববিরোধিতা নিজের মাঝে ধারণ করেন আপনি ও আপনাদের মত ইসলামবিদ্বেষীরা। সুযোগ পেলে ছদ্ম মানবতাবাদের মুখোশ খুলে গিয়ে আপনাদের ভেতর থেকে বেরিয়ে পড়বে নেকড়ের শীতল দাঁতালো হিংস্র হাসি।

      পাকিদের উদাহারণ কেন দেয়া হল ? আত্মরক্ষার তাগিদে, অস্তিত্ব রক্ষার প্রয়োজনে যুদ্ধ যদি সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদ হয় তাহলে আজ যাদের মুক্তিযোদ্ধা বলে সম্মান-শ্রদ্ধা করি তাঁরাও '৭১ এ হানাদার শাসকবাহিনী-তাঁবেদার রাজাকার বাহিনীর কাছে 'বিচ্ছিন্নতাবাদি-সন্ত্রাসী-জঙ্গি' ই ছিল। পাকিদের দালাল মুখপত্র-মুখপাত্ররাও শতকন্ঠে তাই তুলে ধরত বিভিন্ন মিডিয়ায়। রাসূল(সাঃ) এর যুগে যেমন ইয়াহুদিরা মুসলিমদের ধ্বংস করার জন্য ধূর্ত শেয়ালের মত মক্কার কাফিরদের সাথে গোপন আঁতাত করে জঘন্য ষড়যন্ত্রে মেতেছিল _ আজকের ইয়াহুদিরাও আমেরিকার সঙ্গে, প্রোইভেঞ্জ্যালিস্টদের সাথে আঁতাত করে মুসলিমদের বিরুদ্ধে সমরাস্ত্র-কূটনীতি-মিডিয়ায় খড়গহস্ত হয়ে উঠেছে। এটি ক্রমান্বয়ে আরো চরম আকার ধারণ করতে থাকবে। যেমন ফিলিস্তিন-মিশরে তার কিছু কিছু লক্ষণ সুস্পষ্ট হয়ে উঠেছে। আরো হবে। এক পর্যায়ে অবধারিতভাবে এসপার-ওসপার হবার মতো পরিস্থিতি এসে যাবে। অর্থাৎ হয় ইয়াহুদি অথবা মুসলিম থাকবে এই দুনিয়ায়।

      শোষিত-নির্যাতিত-নিরস্ত্র বাঙ্গালি জাতি যদি অত্যাচার সইতে সইতে অতিষ্ঠ হয়ে অবশেষে গর্জে উঠে সে সময়কার কুখ্যাত হিংস্র সশস্ত্র পাকি হানাদার বাহিনীকে পরাস্ত করে বাংলার মাটি থেকে তাড়িয়ে দিতে সমর্থ হয় _ মুসলিমরাও আল্লাহর সাহায্যে ইয়াহুদিদের মাঝে যারা শেষ পর্যন্ত ঈমান আনবে না তাদের দুনিয়া থেকে বিদায় করতে সমর্থ হবে।

      তবে আপনার আপাততঃ সেটি নিয়ে টেনশন না করলেও চলবে। তার চেয়ে বড় রিয়েল টেনশন আপনাদের রয়ে গেছে আরও। অনুষ্ঠিতব্য 'গাযওয়াতুল হিন্দ' বা হিন্দুস্তানের যুদ্ধ _ যার কথা হাদিসে পাকে এসেছে, এবং যাতে শেষ পর্যন্ত মুসলিমদের বিজয়ের ভবিষ্যদ্বাণী করা হয়েছে। সম্ভবতঃ ঈসা(আঃ) আগমণের আগেই তা ঘটবে।

      মনে রাখবেন মুসলিম একমাত্র, এবং একমাত্র আল্লাহর সাহায্যে বিজয়ী হয়। দুনিয়ার কোন সামানপত্র, অস্ত্র, সৈন্যসংখ্যা _ এসব মুসলিমদের ধর্মযুদ্ধে কোনরকম সাহায্য করতে পারে না। আল্লাহর সাহায্য পক্ষে থাকার কিছু শর্ত আছে, মুসলিমরা যদি আল্লাহর অনুগ্রহে সেগুলো পূরণ করতে সমর্থ হয় _ মুসলিমদের বিপক্ষ শক্তি বাহ্যিক সামর্থ্যে হাজার গুণ শক্তিশালী হলেও তাতে কিছুই যায় আসে না। মুতার যুদ্ধের কথা স্মরণ করুন যেখানে মাত্র ৩ হাজার মুসলিমের বিরুদ্ধে লক্ষাধিক সশস্ত্র সৈন্যও জয়ী হতে পারে নি।

Leave a Reply