«

»

মে ০৮

পণ্ডিত ড. ডকিন্সের অজ্ঞতা ও অসততার নমুনা

বাংলা নাস্তিকদের কাছে দেবতুল্য নাস্তিক পণ্ডিত রিচার্ড ডকিন্স বলেছেন-

I am against religion because it teaches us to be satisfied with not understanding the world.

One of the truly bad effects of religion is that it teaches us that it is a virtue to be satisfied with not understanding.

রিচার্ড ডকিন্সের দাবি অনুযায়ী ধর্ম মানুষকে এই মহাবিশ্বকে না বুঝেই সন্তুষ্ট থাকতে বলে! এমনকি এই মহাবিশ্বকে না বুঝে সন্তুষ্ট থাকা নাকি পূণ্যের কাজ! অন্যান্য ধর্মগ্রন্থের কথা জোর দিয়ে বলা যাবে না, তবে কোরআনের অনেক আয়াতে এই মহাবিশ্ব নিয়ে চিন্তা করার কথাই বলা হয়েছে। এটাকে অজ্ঞতা ছাড়া আর কী-ই বা বলা যাবে!

Bush and bin Laden are really on the same side: the side of faith and violence against the side of reason and discussion… ― Richard Dawkins

নাস্তিক পণ্ডিত রিচার্ড ডকিন্স এখানে স্ট্যালিন, মাও, ও পল পট এর মতো গণহত্যাকারী নাস্তিকদের নাম চেপে যেয়ে অসততার পরিচয় দিয়েছেন।

Science flies you to the moon. Religion flies you into buildings. ― Dawkins

রিচার্ড ডকিন্স এখানে কী বুঝাতে চেয়েছেন তা অনেকেই হয়তো বুঝতে পারছেন। প্রথমত, উনি জন্মসূত্রে প্রাপ্ত ধর্মে বিশ্বাস স্থাপন করতে না পেরে বিজ্ঞানকে ধর্ম হিসেবে বেছে নিয়েছেন। ভালো কথা। কিন্তু ইসলামে বিশ্বাসীদের কাছে বিজ্ঞান কোনো ধর্ম নয়। আজ থেকে শত শত বছর আগে বর্তমান যুগের বিজ্ঞান বলে কিছু ছিল না, আবার আজ থেকে শত শত বছর পর বর্তমান যুগের বিজ্ঞানের অনেক কিছুই হয়তো থাকবে না। বিবর্তন তত্ত্ব তখন হয়তো ব্রিটিশ মিউজিয়ামে শোভা পাবে! দ্বিতীয়ত, তার এই বক্তব্য থেকে মনে হতে পারে বিজ্ঞান হচ্ছে নাস্তিকদের পৈত্রিক সম্পত্তি, যদিও বিপরীতটাই সত্য। তৃতীয়ত, ৯/১১ ঘটনার জন্য যে ইসলাম-ই দায়ি সে ব্যাপারে রিচার্ড ডকিন্সের মনে সামান্যতমও কোনো সংশয়-সন্দেহ নাই, একেবারে আন্ধা বিশ্বাসী! চতুর্থত, ৯/১১ ঘটনার জন্য যে রিচার্ড ডকিন্সের 'পৈত্রিক সূত্রে প্রাপ্ত' বিজ্ঞানকেই ব্যবহার করা হয়েছে তা বুঝার মতো জিনিস কি তার মাথায় নাই? বিজ্ঞান না থাকলে ৯/১১-এর মতো ঘটনা ঘটানো কি সম্ভব হতো? পঞ্চমত, হিরোশিমা-নাগাসাকি'র জন্য দায়ি কি ধর্ম নাকি বিজ্ঞান নাকি অন্য কিছু? স্ট্যালিন, মাও, পল পটদের গণহত্যার জন্য দায়ি কি ধর্ম নাকি নাস্তিকতা?

Isn't it enough to see that a garden is beautiful without having to believe that there are fairies at the bottom of it too? ― Richard Dawkins

হাহাপগে! এই মহাবিশ্বের স্রষ্টায় বিশ্বাসকে বাগানের তলায় ভূত-প্রেতে বিশ্বাসের সাথে তুলনা করা হয়েছে!!! হাসবেন না কাঁদবেন! রিচার্ড ডকিন্সের অজ্ঞতা যারা ধরতে পারেননি তারা নিচের বাক্যটি বুঝার চেষ্টা করুন:

Isn't it enough to see that a TV/Computer is beautiful without having to believe that there are fairies at the bottom of it too?

অথবা,

Isn't it enough to see that a TV/Computer is beautiful without having to believe that there is a maker of it too?

We are all atheists about most of the gods that societies have ever believed in. Some of us just go one god further. ― Richard Dawkins

প্রথমত, নাস্তিক পণ্ডিত রিচার্ড ডকিন্সের কাছে হোরাস, থর, জিউস, যীশু, রাম, কৃষ্ণ, ও আল্লাহ-সহ এরা সকলেই গড তথা এই মহাবিশ্বের সম্ভাব্য স্রষ্টা! দ্বিতীয়ত, উনি বলার চেষ্টা করেছেন যে, প্রত্যেক গডে বিশ্বাসীরা যেহেতু নিজ ধর্মের গড ছাড়া অন্যান্য গডকে অস্বীকার করে সেহেতু তারা সবাই এক অর্থে নাস্তিক, এক গডে কম অবিশ্বাসী! অন্যদিকে রিচার্ড ডকিন্স যেহেতু সকল গডকে প্রত্যাখ্যান করেছেন সেহেতু উনি পুরোপুরি যুক্তিবাদী নাস্তিক! তৃতীয়ত, রিচার্ড ডকিন্স যে ইসলাম সম্পর্কে একেবারেই অজ্ঞ তা তার কথাবার্তা থেকেই বুঝা যায়। উনি অনেক ক্ষেত্রেই জুদায়ো-খ্রীষ্টান ধর্মের চশমা দিয়ে ইসলাম সম্পর্কে মন্তব্য করেন, বিশেষ করে অন্ধ বিশ্বাস ও বিজ্ঞানের বিষয়গুলো নিয়ে। মুসলিমরা যে'সকল গডে অবিশ্বাস করে তারা এই মহাবিশ্বের স্রষ্টা নয়, তারা আসলে মানুষের তৈরী গড বা ম্যান গড। মুসলিমরা মানুষের তৈরী গডে অবিশ্বাস করে, আসল গডে নয়।

Evolution could so easily be disproved if just a single fossil turned up in the wrong date order. Evolution has passed this test with flying colours. ― Dawkins

পুরাই হাস্যকর! বিবর্তন তত্ত্বকে ভুল প্রতিপাদনের জন্য এটি কোনো টেস্ট হতে পারে না। যেমন:

প্রথমত, ফসিল ডেটিং কে বা কারা এবং কীভাবে করেছেন? রিচার্ড ডকিন্সের বক্তব্য থেকে মনে হতে পারে এই দুনিয়ার শতভাগ ফসিলের গায়ে আগে থেকেই দিন-তারিখ লিখা ছিল! তাছাড়া শতভাগ ফসিল তো উদ্ধার করাই সম্ভব হয়নি, সম্ভব হবেও না! তাহলে কীসের ভিত্তিতে ফসিলগুলোকে সাজানো হয়েছে, আর রিচার্ড ডকিন্স-ই বা কীসের উপর ভিত্তি করে এই কথা বলেছেন?

দ্বিতীয়ত, রিচার্ড ডকিন্স যা বলতে চেয়েছেন সে'রকম কোনো ফসিল পাওয়া না গেলেও তাতে প্রমাণ হবে না যে, একটি ব্যাকটেরিয়া থেকে রিচার্ড ডকিন্স-সহ পুরো উদ্ভিদজগত ও প্রাণীজগত বিবর্তিত হয়েছে, এক প্রজাতি থেকে ভিন্ন প্রজাতি ধাপে ধাপে বিবর্তিত হয়েছে।

তথাপি রিচার্ড ডকিন্স এমন কল্পকাহিনীতে বিশ্বাস করতে চাইলে করতে পারেন, কিন্তু বিজ্ঞানের নামে তার বিশ্বাসকে অন্যের উপর চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হবে নিঃসন্দেহে অসততা।

[রিচার্ড ডকিন্সের বচনগুলো এখানে পাওয়া যাবে।]

১২ মন্তব্য

এক লাফে মন্তব্যের ঘরে

  1. ফুয়াদ দীনহীন

    রায়হান ভাই,
    লেখা বরাবরের মতই ভাল হয়েছে।yes
    যুক্তির প্রথম অংশ মানুষ বুঝতে কষ্ট হবে। বিশেষ করে এই কথাগুলির আরেকটু ব্যাক্ষা দরকারঃ

    অন্যান্য ধর্মগ্রন্থের কথা জোর দিয়ে বলা যাবে না, যেহেতু সবগুলো ধর্মগ্রন্থ তন্নতন্ন করে পড়া হয়নি, তবে কুরআনে যে রিচার্ড ডকিন্সের বিপরীত চিন্তাধারার-ই প্রতিফলন ঘটেছে সে সম্পর্কে অনেকেই হয়ত অবগত। অতএব, রিচার্ড ডকিন্স এমন কিছুর 'বিরুদ্ধে' যার বাস্তবে কোন অস্তিত্ব নাই! একে অজ্ঞতা ছাড়া আর কী-ই বা বলা যাবে!-এস এম রায়হান 

    1. ১.১
      এস. এম. রায়হান

      পাঠকরা যাতে বিরক্ত না হয় সেজন্য সংক্ষেপে লিখার চেষ্টা করেছি। উপরের বক্তব্য তো বুঝতে কষ্ট হওয়ার কথা নয়। রিচার্ড ডকিন্সের দাবি অনুযায়ী ধর্ম মানুষকে এই মহাবিশ্বকে না বুঝেই সন্তুষ্ট থাকতে বলে, এমনকি এই মহাবিশ্বকে না বুঝে সন্তুষ্ট থাকা হচ্ছে পূণ্য! অথচ কুরআনের অনেক আয়াতে এই মহাবিশ্ব নিয়ে চিন্তা করার কথা বলা হয়েছে। আশা করি এবার ব্যাপারটা পরিষ্কার হবে। মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ। মূল লেখাতে এই অংশ যোগ করে দিলাম।

      1. ১.১.১
        ফুয়াদ দীনহীন

        ফেবুতে(ফেইচবুকে) অনেকেই ব্লগে পড়ে অভ্যস্ত নয়, তাই তাদের জন্য সহজ করার জন্য এই বলা। এতে করে লেখার অর্থবোধকতা বেড়ে যাবে আশা করি। ধন্যবাদ। yes  yes  yes

  2. এম ইউ আমান

    Science flies you to the moon. Religion flies you into buildings. ― Dawkins

    এই রকম (কু)যুক্তির প্রয়োগ 'ফ্যানাটিক'দের অন্যতম বৈশিষ্ট্য। ৯-১১ এর পর, আমেরিকান টক শো সহ অনেক মিডিয়া প্রচার করে- 'আমাদের গড (যিশু) আমাদের জন্য প্রাণ দেয়, আর মুসলিমদের গড প্রাণ নিতে বলে।'  ডকিন্সের আর্গুমেন্ট এটারই প্যারালাল। এই জাতীয় (কু)যুক্তি ক্লিয়ারলি  ধর্ম, বর্ণ, জাতি নির্বিশেষে জেলট (zealot)দের ক্যারেক্টারিস্টিক। একটু সতর্ক ধার্মিক বা এখনো যারা স্রষ্টাকে খুঁজছেন এরকম নাস্তিকদের কাছে এই আর্গুমেন্ট কখনো আগ্রহের সৃষ্টি করেনি।

    আমরা মনে করি, তিনিই আল্লাহ যিনি জীবন দিয়েও থাকেন,  নিয়েও থাকেন (Surely we belong to God and to Him shall we return)। আমেরিকায় স্থানীয় রেড ইন্ডিয়ানদের সাথে যুদ্ধের সময়, রেড ইন্ডিয়ানদের চিফ, আমেরিকান বাহিনীর প্রধানের কাছে একটি চিঠি লেখেন, সেখানে তিনি অনেকবার উল্লেখ করেন inter alia  ‘our God is the same God’. আপাত অসভ্য রেড ইন্ডিয়ানরা যা জানতো, বিশ্বাস করতো, এত বছর পরও আমাদের সমস্যা হচ্ছে সেটি উপলব্ধি করতে।

    ক্রুসেডের সময় মুসলিম সেনাপতি সালাউদ্দিন দিনের আলোতে খ্রিস্টান সেনাপতি ইংল্যান্ডের রাজা রিচার্ডের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছেন আবার রাতের আঁধারে ছদ্দবেশে আহত রিচার্ডকে চিকিৎসা করতে তার তাঁবুতে গেছেন। এর কারণ খুব সম্ভব এই যে সালাউদ্দিন জানতেন, our God is the same God.

    1. ২.১
      এস. এম. রায়হান

      কতবড় অন্ধ ফ্যানাটিক হলে কেউ বিজ্ঞান আর ধর্মকে এভাবে তুলনা করতে পারে! আর ধর্মের উদাহরণ হিসেবে সুকৌশলে ৯/১১ ঘটনাকে বেছে নেওয়া হয়েছে, অন্য কোন যুৎসই উদাহরণ খুঁজে পাননি। অন্ধ ফ্যানাটিক ডকিন্সের বিশ্বাস অনুযায়ী ৯/১১ ও সুইসাইড বোম্বারদের জন্য ইসলাম-ই দায়ি। বিভিন্ন লেকচার ও টক শো'তে উনি এই কথা বারংবার বলেছেন। ভাল কথা। কিন্তু উনি খ্রীষ্টান না হয়ে নিজেকে নাস্তিক দাবি করেন কেন? উনি যেহেতু নিজেকে নাস্তিক দাবি করেন সেহেতু তার (কু)যুক্তি অনুযায়ী নিচের বক্তব্যগুলোও সত্য হওয়ার কথা-
       
      Science makes computer, TV, cell phone, radar, aero plane, etc.

      Religion makes Hazrat Omar, Jalaluddin Rumi, Mother Teresa, and Gandhi-like people.

      Atheism makes Stalin, Mao, and Pol Pot-minded people.

  3. মহাবিদ্রোহী রণক্লান্ত

    রায়হান ভাই,আমি পারলে আপনার সাথে ডকিন্সের একটা বিতর্কের আয়োজন করতাম।ফাজলামো করছি না,আমি সিরিয়াস।আমার বিশ্বাস,সেই বিতর্কে fair judgement হলে বিজ্ঞানের নামে এইসব কুযুক্তি আর বিবর্তনবাদী মিথ্যাচার বন্ধ হত। 

    1. ৩.১
      শামস

      @মহাবিদ্রোহী রণক্লান্ত,
      বিবর্তনবাদের বিপরীতে খুব সাধারণ কিছু চ্যালেঞ্জ করা যায়, এর জন্য খুব বড় বিজ্ঞানী হবার দরকার নাই, সাধারণ জ্ঞানই যথেষ্ট। কিন্তু বিবর্তনবাদীরা সেগুলা মোকাবিলা করতে অক্ষম বিধায় এখন বিভিন্নভাবে হেনতেন বুঝাইয়া পাবলিকরে খাওয়াইতে চায়। তাদের জন্য দূঃখজনক ব্যাপার হইল পাবলিক খাইতেছে না। কারণ সাধারণ লজিকাল উত্তর যদি না পাওয়া যায় তাইলে কেন এই বিবর্তনবাদ নিয়া পাবলিক সন্দেহ করবে না। একমাত্র নাস্তিক ছাড়া বিবর্তনবাদের প্রতি অকুন্ঠ সমর্থন কেউ দেয় না। হ্যা, বিশ্ববিদ্যালয়ে অনেকে হয়ত বাধ্য হয়ে বা নির্মোহ সমর্থন দেয়। হারুন  ইয়াহিয়া ওরফে আদনান ওক্তার এর নাম হয়ত শুনে থাকবেন। তার একটা খুব সহজ চ্যালেঞ্জ আছে। তার নাম বিকৃত করে, তারে নিয়া ঠাট্টা উপহাস করা ছাড়া তার চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করার মত সততা এখনও কোন বিবর্তনবাদী দেখাইতে পারে নাই। তার চ্যালেঞ্জটা হইল, যদি কেউ কেবলমাত্র একটি ট্রাঞ্জিশনাল ফসিল (একটি প্রাণীর আরেকটি প্রাণীতে বিবর্তনের মাঝামাঝি অবস্থা) দেখাইতে পারে তবে তাকে ট্রিলিয়ন পাউন্ড পুরষ্কার দেয়া হবে!!! এত বড় একটা টাকাকে কেউ হেলায় হারাতে চায়! বিবর্তনবাদীদেরতো প্রমাণ করাটা কোন ব্যাপারই হবার কথা না। তারা কিছু প্রাণীর মনের মত ছবি আঁকাজোকা করে বা কোন জীবাশ্মকে মনের মত জোরতালি দিয়ে, কাল্পনিক ডিজাইন করে একে ট্রাঞ্জিশনাল ফসিল বইলা দাবী করে! তাইলে এই চ্যালেঞ্জকে গ্রহণ করতে সমস্যা কোথায়। তারপর ট্রিলিয়ন ডলারের পুরষ্কার! 
       
      Creationist Adnan Oktar offers trillion-pound prize for fossil proof of evolution

      পৃথিবীতে প্রজাতির সংখ্যা আনুমানিক দশ লাখ। বিবর্তনবাদ অনুযায়ী একটা প্রাণী বিবর্তিত হয়ে আরেকটা প্রাণীতে রূপান্তরিত হয়। একটা প্রাণী থেকে আরেকটা প্রাণীতে বিবর্তিত হওয়ার আগেতো এদের মধ্যবর্তী কিছু একটাতে আগে প্রথম প্রাণীটা বিবর্তিত হয়, যাকে ট্রাঞ্জিশনাল বা মিসিং লিঙ্ক বলে। দুটি প্রাণীর বিবর্তনের মধ্যে যে এই মধ্যবর্তী বিবর্তন সেই বিবর্তনের পরিমাণ সংখ্যার বিচারে অনেকগুলা হবার কথা। তাইলে ট্রাঞ্জিশনাল ফসিল থাকার কথা দশ লক্ষের কয়েক গুণ। কিন্তু ২০০ বছর পরেও শুধুমাত্র একটা ট্রাঞ্জিশনাল ফসিলকেও প্রমাণ হিসেবে হাজির করতে তারা অক্ষম, অথচ বিবর্তনবাদ এই, বিবর্তনবাদ সেই দিনরাত কপচানো! এখন নতুন সুর তুলে বিবর্তনবাদ প্রমাণের জন্য নাকি ট্রাঞ্জিশনাল ফসিলের দরকার নাই। এই ট্রাঞ্জিশনাল ফসিল পাওয়ার জন্য সারা পৃথিবী চষে বেড়াইয়া উপায় না দেইখা এখন 'দরকার নাই' এর তত্ব!

      চার্লস ডারউইন এই ট্রাঞ্জিশনাল ফসিল নিয়া কি বলছেন দেখেনঃ

      Why is not every geological formation and every stratum full of such intermediate links? Geology assuredly does not reveal any such finely graduated organic chain; and this is the most obvious and serious objection which can be urged against the theory.

      1. ৩.১.১
        মহাবিদ্রোহী রণক্লান্ত

        "শামসীয়" ব্যাখ্যা দিয়েছেন শামস ভাই।

    2. ৩.২
      এস. এম. রায়হান

      রিচার্ড ডকিন্স একাধারে ব্রিটিশ, সাদা চামড়া, ও আন্তর্জাতিক সেলিব্রিটি – সাধারণ মানুষের ধরা-ছোঁয়ার বাইরে। ফলে তার সাথে আমাদের মতো কারো জীবনেও কখনো বিতর্ক হবে না।

  4. শামস

     বিবর্তন তত্ত্ব তখন হয়ত ব্রিটিশ মিউজিয়ামে শোভা পাবে!

    এন্টিক মুল্য সহজে শেষ হবে না!!!

    Evolution could so easily be disproved if just a single fossil turned up in the wrong date order. Evolution has passed this test with flying colours. ― Dawkins

    গুরু বলে ফসিলের কথা আর শিষ্যরা ফসিলে আস্থা না রাখতে পেরে মাইক্রোইভ্যুলুশন ছাড়া আর কিছুই বলে না!
     

  5. ইমরান হাসান

    ওই ডকিন্স বাবা না হোক তেনার বাংলাদেশি সাগরেদ অভিজিৎ বাবা এর সাথে আপনার একটা বিতর্কের আয়োজন করা যায় কি বলেন রায়হান ভাই? কিছুদিন আগে কৃত্রিম ডিএনএ-তে হওয়া একটা পরীক্ষা থেকে হওয়া জিনেটিক মিউটেশানকে বিবর্তন (ম্যাক্রো) এর মধ্যে গুঁজে দিতে চেষ্টা করেছিল বেঙ্গলনেসিস। মনাতে ঢুকে ওনাকে হালকা ভাবে প্রশ্ন করার পরে তিনি তিন দিন আগে বলেছিলেন আমার সাথে কয়েক ঘণ্টার পরে আলোচনায় বসবেন কিন্তু এতদিনেও তার টিক্কির দেখা পাওয়া যায়নি। আর কি বলব এদেরকে নিয়ে। ব্যপুক বিনোদন

    1. ৫.১
      এস. এম. রায়হান

      সত্যি বলতে, যাদের সাথে বিতর্ক হতে পারে তাদের কেউ স্বনামে ও নিরপেক্ষ ভেনুতে কখনোই আমার সাথে বিতর্কে আসবে না। কারণ তারা খুব ভাল করেই জানে যে যৌক্তিক, বৈজ্ঞানিক, ও মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে আমার সাথে বিতর্কে তারা পাঁচ মিনিটও টিকতে পারবে না। জেনেশুনে কেউ কি অন্ধ মুরিদদের কাছে অপমান-অপদস্ত হতে চায়! তবে তার মানে কিন্তু এটা মনে করার কোনই কারণ নাই যে আমি নিজেকে মহাজ্ঞানী-মহাজন বা হামবড়া মনে করি। না, তা মোটেও নয়। মূল রহস্যটা হচ্ছে তাদের দুর্বল পয়েন্টগুলো আমার খুব ভাল করেই জানা, আর আমি যে সত্যি সত্যি তাদের দুর্বল পয়েন্টগুলো জানি সে সম্পর্কে তারাও অবগত। 

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।