«

»

Aug ০৭

হিন্দুত্ববাদী ও বৌদ্ধদের উপর ভরসা করা যায় না

আজ পর্যন্ত বাংলা অন্তর্জালে একমাত্র মুসলিমরা ছাড়া অন্য কাউকেই বিবর্তন তত্ত্বের সত্যতা নিয়ে সামান্যতম সংশয়-সন্দেহও করতে দেখা যায়নি। কাজেই বাংলা অন্তর্জালে যদি কোনো মুসলিম না থাকত তাহলে বিবর্তন তত্ত্বকে শতভাগ বাংলাভাষী লোকজন গাছ থেকে ভূমিতে অ্যাপেল পড়ার মতো সত্য হিসেবে বিশ্বাস করত!

অথচ মুসলিমরা অসংখ্য যুক্তির সাহায্যে দেখিয়ে দিয়েছে যে, বিবর্তন তত্ত্ব আসলে চরম হাস্যকর রকমের মিরাক্কেল বা কল্পকাহিনী-ভিত্তিক তত্ত্ব ছাড়া কিছু নয়। মুসলিমদের যৌক্তিক প্রশ্ন আর চ্যালেঞ্জের জবাব দিতে না পেরে বাংলা বিবর্তনবাদী নাস্তিকরা বিবর্তনীয় পন্থায় ধীরে ধীরে গর্তে লুকানো শুরু করেছে।

বাংলা অন্তর্জালে মুসলিমদের পাশাপাশি কম-বেশী হিন্দুত্ববাদী ও বৌদ্ধ থাকা সত্ত্বেও তারা যেহেতু বিবর্তন তত্ত্বের সত্যতা নিয়ে সংশয়-সন্দেহ করে কিছুই লেখালেখি করেনি সেহেতু হিন্দুত্ববাদী ও বৌদ্ধদের উপর বিজ্ঞানের কোনো বিষয়ে ভরসা করা যায় না। একদিকে যৌক্তিক-বৈজ্ঞানিক-মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে তাদের ধর্মের অসারতা, অন্যদিকে ইসলাম ও মুসলিম বিরোধীতা – মূলত এই দুই কারণে তারা চেপে যাওয়া নীতি অনুসরণ করছে, অন্য অর্থে সুবিধাবাদী নীতি গ্রহণ করছে। অথচ বিজ্ঞানে কিংবা সত্য-মিথ্যা নির্ণয়ের ক্ষেত্রে সুবিধাবাদীতা বা চেপে যাওয়া মানসিকতা থাকতে পারে না।

আরো ভয়ঙ্কর খবর হচ্ছে বাংলা অন্তর্জালে হিন্দুত্ববাদীরা শুধু চেপে যাওয়া নীতি অনুসরণ করেই থেমে থাকেনি, সেই সাথে কেউ কেউ আবার সুযোগ বুঝে বিবর্তনবাদকে ডিফেন্ড করার নামে মুসলিমদেরকে বিভিন্নভাবে আক্রমণ আর হেয় পর্যন্ত করছে; যদিও বিবর্তন তত্ত্বের সাথে হিন্দু ধর্মের সৃষ্টিতত্ত্ব পুরোপুরি ও সরাসরি সাংঘর্ষিক! এমনই ধূর্ত প্রজাতি তারা। আর এই প্রজাতির 'নাস্তিক' দাবিদারদের কথা না হয় বাদই রাখা হলো। এদের লেঞ্জা অনেক আগেই উন্মোচিত হয়েছে।

এজন্য একমাত্র মুসলিমরাই বিজ্ঞানকে গোচনা-মিশ্রিত অপবিজ্ঞানের হাত থেকে রক্ষা করতে পারে। পাশাপাশি খ্রীষ্টানরাও আছে, তবে তাদেরও কিছু সীমাবদ্ধতার কারণে তারা বেশীদূর এগোতে পারবে না।

১১০ comments

Skip to comment form

  1. 26
    Nahian

    আচ্ছা, এই বলদগুলো "দিলরূবা", "জরিনা" এই টাইপের নাম দিয়ে পোস্ট করে কেন? ব্যাটাদের মেয়ে সাজার খায়েশ হয়েছে, সমস্যা কি? হিন্দু ধর্মে রমণীয় নামের কি অভাব আছে? নাকি ওগুলো অচ্ছ্যুৎ।

  2. 25
    mukto-mona.com/bangla_blog/?author=335

    হেলো। আপনাদের ব্লগে একেবারেই নতুন আসছি কিছুদিন হল। সদালাপ কে পরীক্ষা করে দেখতে চাই যে এর ভিতরে কি আছে ( তবে দয়া করে শত্রু ভাবাপন্ন হবেন না, কারন আমার বন্ধু বা শত্রুর সংখ্যা খুব কম)। কিন্তু হতাশ হলাম শুরুতেই। এই শিরোনামটা একেবারেই ভাল লাগেনি। অন্যরকম শিরোনাম দিলে পারতেন।

    1. 25.1
      এস. এম. রায়হান

      হেলো। আপনাদের ব্লগে একেবারেই নতুন আসছি কিছুদিন হল।

      এই ব্লগে স্বাগতম।

      সদালাপ কে পরীক্ষা করে দেখতে চাই যে এর ভিতরে কি আছে।

      কোনো সমস্যা নাই। পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য সদালাপ সকলের জন্য উম্মুক্ত।

      তবে দয়া করে শত্রু ভাবাপন্ন হবেন না, কারন আমার বন্ধু বা শত্রুর সংখ্যা খুব কম।

      সদালাপে কাউকেই ব্যক্তিগতভাবে শত্রু ভাবা হয় না। সদালাপের বাইরে কারো সাথে আমাদের, বিশেষ করে আমার নিজের কথা বলতে পারি, ব্যক্তিগত কোনো শত্রুতাও নেই। এখানে যা কিছু বলা হয় সেগুলো স্রেফ যৌক্তিক ও নিজস্ব কথাবার্তা, আর বিরুদ্ধবাদীদের বিরুদ্ধে যৌক্তিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক লড়াই। এর বেশি কিছু নয়। সদালাপের কোনো ইস্যুকে আমরা মাঠ পর্যায়েও নিয়ে যাই না, কিংবা যাওয়ার কথা ভাবিও না।

      কিন্তু হতাশ হলাম শুরুতেই। এই শিরোনামটা একেবারেই ভাল লাগেনি। অন্যরকম শিরোনাম দিলে পারতেন।

      সদালাপে এসে প্রথমেই এই লেখার শিরোনামে চোখ পড়ল কেন বুঝলাম না। তবে উপরের মন্তব্যগুলো লক্ষ্য করলে দেখবেন কারো কারো মন্তব্যের প্রেক্ষিতে এই লেখার শিরোনাম ইতোমধ্যে একবার পরিবর্তন করা হয়েছে। এর পরও কারো ভালো না লাগলে যৌক্তিক কারণ দর্শিয়ে ভিন্ন কোনো শিরোনাম প্রস্তাব করতে পারেন। সেক্ষেত্রে ভেবে দেখা যাবে। কেননা এই লেখার শিরোনামের চেয়ে মেসেজটাই গুরুত্বপূর্ণ।

      মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।

      1. 25.1.1
        mukto-mona.com/bangla_blog/?author=335

        সদালাপে এসে প্রথমেই এই লেখার শিরোনামে চোখ পড়ল কেন বুঝলাম না।

        একজনের দেয়া লিঙ্ক ফলো করে সদালাপ ওপেন করলাম আর তারপরে আপনার প্রোফাইলে সর্বচ্চ মন্তব্য প্রাপ্ত লেখা হিসাবে চোখে পড়ল। কারন এইটাই ধন্যবাদ।

  3. 24
    এস. এম. রায়হান

    জন্মসূত্রে হিন্দুদের মধ্যে যারা বিবর্তন তত্ত্বকে ডিফেন্ড ও প্রচার করছেন তাদের প্রতি প্রশ্ন:

    বিবর্তন তত্ত্ব হিন্দু ধর্মের সৃষ্টিতত্ত্বকে ভুল প্রমাণ করেছে কি-না? যদি ভুল প্রমাণ না করে থাকে তাহলে কি আপনারা উভয় তত্ত্বেই (বিবর্তন তত্ত্ব ও হিন্দু ধর্মের সৃষ্টিতত্ত্ব) বিশ্বাস করেন নাকি কোনো একটিতে বিশ্বাস করেন? আর যদি ভুল প্রমাণ করে থাকে তাহলে কীভাবে ভুল প্রমাণ করেছে, একটু ব্যাখ্যা দেওয়া যাবে কি? সেক্ষেত্রে আপনারা জীবজগত নিয়ে দুটি সাংঘর্ষিক তত্ত্বের মধ্যে কোন্‌ তত্ত্বে বিশ্বাস করেন এবং কেনো?

  4. 23
    অজয় রাউত

    ফটো কীভাবে দেব

  5. 22
    এস. এম. রায়হান

    এই ধরণের শিরোনামে লেখা পোস্ট দেওয়ার কোনোই ইচ্ছা ছিল না, তার কোনো দরকারও পড়ত না, যদি না কিছু ধূর্ত হিন্দু (অপ)বিজ্ঞানমনষ্ক সেজে বিবর্তনবাদকে ডিফেন্ড করার নামে ইসলাম ও মুসলিমদেরকে বিভিন্নভাবে আক্রমণ আর হেয় করত। খোদ এই পোস্টেই তার প্রমাণ দেখা যাচ্ছে। আরো অসংখ্য প্রমাণ আছে। বিবর্তনবাদীরূপী ধূর্ত হিন্দুদের লেঞ্জা উন্মোচন করে আরো দু-একটি পোস্ট আসবে। পাঠকদের কাছে পুরো ব্যাপারটা পরিষ্কার হওয়া উচিত।

    1. 22.1
      শামস

      এই ধরণের শিরোনামে লেখা পোস্ট দেওয়ার কোনোই ইচ্ছা ছিল না, তার কোনো দরকারও পড়ত না……….

      এই ধরণের শিরোনামের পোস্ট আসলে ভালো দেখায় না। কিছু বর্ণহিন্দু দুনম্বরী করছে, তাই বলে আপামর হিন্দু এর জন্য দায়ী না। বর্ণহিন্দু (হিন্দু মাত্রই এ ধরণের না) নির্দিষ্ট করে উল্লেখ করলে এখানে অস্বচ্ছতা থাকে না। আমাদের দেশে হিন্দুসহ অমুসলিমদের অবস্থা খুব একটা ভালো না, এ ধরণের ট্যাগ তাদের প্রতি প্রতিহিংসা বাড়িয়ে দিতে পারে। তাই সাবধানতা অবলম্বন করা দরকার। ধন্যবাদ।

      1. 22.1.1
        এস. এম. রায়হান

        যদিও আমার লেখাতে ঢালাওভাবে সেরকম কিছু বুঝাতে চাওয়া হয়নি, সেরকম কোনো মনোভাবও আমার নেই, তথাপি বিভ্রান্তি এড়ানোর জন্য শিরোনাম-সহ মূল লেখা সামান্য এডিট করা হলো।

  6. 21
    মুনিম সিদ্দিকী

    @অজয় রাউত,

    মুসলমানরা থাকুক আল্লা, জিহাদ আর কুরান হাদিস নিয়ে, বাকিরা এগিয়ে যাক। পরকালের লোভ দেখিয়ে দেখিয়ে যদি পৃথিবীর অর্ধেককে শাসন করা যায়, নিজেদের মধ্যে খুনোখুনি লাগিয়ে (মুখে ভুয়ো প্যান-ইসলামের কথা বলে) যদি সস্তায় তেল পাওয়া যায়,

    আপনি তো রোগ ধরছেন কিন্তু এই রোগের ভাইরাস যারা ছড়াচ্ছে যারা এইটি অস্ত্র হিসাবে ব্যবহার করছে তারা কারা? তারা কি বিবর্তনে বিশ্বাসী নয়?

    1. 21.1
      অজয় রাউত

      অবশ্যই, ভান করে বিহে, ডেম্বস্কি দিয়ে আপনাদের ভুলিয়ে রাখছে। মুসলমানরা যুক্তি বুদ্ধির চর্চা যাতে না করে। আব্বাসিদ আমল ফিরে এলে তো বিপদ।  

  7. 20
    অজয় রাউত

    @ এস. এম. রায়হান

    “বাংলা অন্তর্জালে মুসলিমদের পাশাপাশি কম-বেশী হিন্দু ও বৌদ্ধরা থাকা সত্ত্বেও তারা যেহেতু বিবর্তন তত্ত্বের সত্যতা নিয়ে সংশয়-সন্দেহ করে কিছুই লেখালেখি করেনি সেহেতু হিন্দু ও বৌদ্ধদের উপর বিজ্ঞানের কোনো বিষয়ে ভরসা করা যায় না।“

    একজন হিন্দু হিসেবে আমি এইটুকু বলতে পারি আজ পর্যন্ত কোনও হিন্দু ধর্মগুরু বিবর্তন বিজ্ঞান নয় এমন কোনও কথা বলেননি, আর বললেও ধর্মগুরুদের কথায় পাত্তা দেওয়ার সময় আমার মত বেশিরভাগ হিন্দুরই নেই। অনেক খ্রিস্টান, বৌদ্ধ, ইহুদি আর মুসলিম ধর্মগুরুরাও বিবর্তনকে বিজ্ঞান মনে করে থাকেন। এখানে দেখুন। আর হিন্দু ধর্মকে ইংরেজিতে Religion এর বদলে Property  বলাই বোধহয় কাছাকাছি হবে। সদালাপের বিবর্তন বিরোধী মুসলিমরা যদি বিবর্তনকে বিজ্ঞান না মানেন তবে বাকি ধর্মালম্বিদের তো পোয়াবারো। আব্বাসিদ আমলের মত বিজ্ঞান-টিজ্ঞান নিয়ে চর্চা করলেতো আবার ইসলামের স্বর্ণযুগ ফিরে আসবে, এত রিস্ক নেওয়ার দরকার নেই। মুসলমানরা থাকুক আল্লা, জিহাদ আর কুরান হাদিস নিয়ে, বাকিরা এগিয়ে যাক। পরকালের লোভ দেখিয়ে দেখিয়ে যদি পৃথিবীর অর্ধেককে শাসন করা যায়, নিজেদের মধ্যে খুনোখুনি লাগিয়ে (মুখে ভুয়ো প্যান-ইসলামের কথা বলে) যদি সস্তায় তেল পাওয়া যায়, তবে কার দায় পড়েছে বিবর্তনবাদ বিশ্বাস করানোর জন্য কলম ধরবে। আমরা কি পাগল নাকি? 

    1. 20.1
      এস. এম. রায়হান

      একজন হিন্দু হিসেবে আমি এইটুকু বলতে পারি আজ পর্যন্ত কোনও হিন্দু ধর্মগুরু বিবর্তন বিজ্ঞান নয় এমন কোনও কথা বলেননি, আর বললেও ধর্মগুরুদের কথায় পাত্তা দেওয়ার সময় আমার মত বেশিরভাগ হিন্দুরই নেই।

      আপনার মতো হিন্দুদের মানসিকতাই তো এই লেখাতে তুলে ধরা হয়েছে, স্রেফ হিন্দুদের বিরুদ্ধে কিছু বলা হয়নি। এই যেমন আপনার উপরের বক্তব্যে দুটি অংশ আছে: প্রথম অংশ অনুযায়ী আজ পর্যন্ত কোন হিন্দু ধর্মগুরু বিবর্তন বিজ্ঞান নয় এমন কোন কথা বলেননি, আর দ্বিতীয় অংশ অনুযায়ী কেউ বললেও ধর্মগুরুদের কথায় বেশিরভাগ হিন্দুই পাত্তা দেয় না। তার মানে আমি যদি প্রমাণ দেখাই যে হিন্দু ধর্মগুরু ডারউইনের বিবর্তন তত্ত্বকে কঠিন ভাষায় আক্রমণ করে তুড়ি মেরে উড়িয়ে দিয়েছেন তখন আপনারা বলবেন যে তাকে আমরা পাত্তা দেই না। তাই নয় কি? একেই বলে দুই নৌকায় পা দিয়ে থাকার সুবিধাবাদী নীতি।

      অনেক খ্রিস্টান, বৌদ্ধ, ইহুদি আর মুসলিম ধর্মগুরুরাও বিবর্তনকে বিজ্ঞান মনে করে থাকেন। এখানে দেখুন।

      প্রথমত- অনেক খ্রিস্টান, বৌদ্ধ, ইহুদি আর মুসলিম ধর্মগুরুর কথা বলে যে লিঙ্ক দিয়েছেন সেখানে মাত্র একজন মুসলিম ইমামের কথা দেখা যাচ্ছে। এইটা কেমন প্রতারণা!

      দ্বিতীয়ত- বিবর্তনবাদীরা একদিকে বিবর্তনবাদ দিয়ে ইসলামকে ভুল-মিথ্যা-অসার প্রমাণ করে বাতিল করে দিয়েছে অন্যদিকে আবার তারা একজন অজ্ঞ/ভণ্ড বিবর্তনবাদী ইমামের পক্ষ নিয়েছে? বিবর্তনবাদ যদি ইসলামকে ভুল-মিথ্যা-অসার প্রমাণ করে বাতিল করে দেয় তাহলে একজন মুসলিম ইমাম সেই তত্ত্বে বিশ্বাস করে কী করে? ডাজ ইট মেক এনি সেন্স? এ থেকেই কি প্রমাণ হয় না যে, বিবর্তনবাদ আসলে একটি ভূয়া তত্ত্ব আর বিবর্তনবাদীরা সব ভণ্ড?

    2. 20.2
      এস. এম. রায়হান

      অনেক খ্রিস্টান, বৌদ্ধ, ইহুদি আর মুসলিম ধর্মগুরুরাও বিবর্তনকে বিজ্ঞান মনে করে থাকেন।

      মোটামুটি আন্তর্জাতিকভাবে পরিচিত এমন তিন জন (বেশী হলে ভালো হয়) হিন্দু ধর্মগুরুর নাম বলেন যারা ডারউইনের বিবর্তন তত্ত্বকে বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত সত্য হিসেবে বিশ্বাস করেন।

    3. 20.3
      এস. এম. রায়হান

      সদালাপের বিবর্তন বিরোধী মুসলিমরা যদি বিবর্তনকে বিজ্ঞান না মানেন তবে বাকি ধর্মালম্বিদের তো পোয়াবারো। আব্বাসিদ আমলের মত বিজ্ঞান-টিজ্ঞান নিয়ে চর্চা করলেতো আবার ইসলামের স্বর্ণযুগ ফিরে আসবে, এত রিস্ক নেওয়ার দরকার নেই।

      কথায় বলে, মায়ের চেয়ে মাসির দরদ বেশী! আহ্‌!

      একটি পরিসংখ্যান অনুযায়ী আমেরিকায় বৌদ্ধ ও হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের মধ্যে বিবর্তনবাদে বিশ্বাসীর সংখ্যা ইহুদী, খ্রীষ্টান, ও মুসলিমদের তুলনায় অনেক বেশী! অন্যদিকে ৭৭% ভারতীয় বিবর্তনবাদে বিশ্বাস করে -- এদের প্রায় সকলেই হয়তো হিন্দু ও বৌদ্ধ। তো হিন্দু ও বৌদ্ধরা বিবর্তনবাদের কল্পকাহিনীতে বিশ্বাস করে এ পর্যন্ত কী কী আবিষ্কার করেছে?

      মুসলমানরা থাকুক আল্লা, জিহাদ আর কুরান হাদিস নিয়ে, বাকিরা এগিয়ে যাক। পরকালের লোভ দেখিয়ে দেখিয়ে যদি পৃথিবীর অর্ধেককে শাসন করা যায়, নিজেদের মধ্যে খুনোখুনি লাগিয়ে (মুখে ভুয়ো প্যান-ইসলামের কথা বলে) যদি সস্তায় তেল পাওয়া যায়, তবে কার দায় পড়েছে বিবর্তনবাদ বিশ্বাস করানোর জন্য কলম ধরবে। আমরা কি পাগল নাকি?

      না না, আপনারা পাগল হবেন কেনো। পারিবারিক মস্তক ধোলাই থেকে কি সহজে বের হওয়া যায়?

      1. 20.3.1
        অজয় রাউত

        “কথায় বলে, মায়ের চেয়ে মাসির দরদ বেশী! আহ্‌!”

        আপনি বোধহয় রাগ করে লিখে ফেলেছেন, আমি একটুও দরদ দেখাচ্ছি না আর এইটাই আমার পয়েন্ট। আমার চিন্তা ভারতের মোটামুটি ২০ শতাংশ মুসলমানদের নিয়ে, (আমি ভারতীয়, সদালাপে কমেন্ট করতে পারব তো?) শরীরের ২০ শতাংশ যদি পচে যায় বাকিটা কি বাঁচবে? 

         

        "একটি পরিসংখ্যান অনুযায়ী আমেরিকায় বৌদ্ধ ও হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের মধ্যে বিবর্তনবাদে বিশ্বাসীর সংখ্যা ইহুদী, খ্রীষ্টান, ও মুসলিমদের তুলনায় অনেক বেশী! অন্যদিকে ৭৭% ভারতীয় বিবর্তনবাদে বিশ্বাস করে – এদের প্রায় সকলেই হয়তো হিন্দু ও বৌদ্ধ। তো হিন্দু ও বৌদ্ধরা বিবর্তনবাদের কল্পকাহিনীতে বিশ্বাস করে এ পর্যন্ত কী কী আবিষ্কার করেছে?"

        গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা, কোন সেনাদলের বুটের তলায় কোনোদিন থাকবনা, কোন আমির বা শেখ জুতোতে পারবেনা, ধর্মের নামে গণহত্যাকারী বিবর্তন বিরোধী হিন্দুদের হৃদয়সম্রাট নরেন্দ্র মোদী  প্রধানমন্ত্রী হতে পারবেনা, ফাঁকেতালে হয়ে গেলে আমরা সাইজ করে নেব। বরঞ্চ আগামী ২০ বছরের ভিতরে ভারতবর্ষ একজন বিবর্তন বিশ্বাসী মুসলমান (আপনারা মুসলমান মানবেন কিনা জানিনা) প্রধানমন্ত্রী পাবে। এখন পর্যন্ত এইটুকু আবিস্কার করতে পেরেছি। 

      2. এস. এম. রায়হান

        আমার প্রশ্ন এড়িয়ে যাচ্ছেন কেনো। আপনি বলেছেন,

        অনেক খ্রিস্টান, বৌদ্ধ, ইহুদি আর মুসলিম ধর্মগুরুরাও বিবর্তনকে বিজ্ঞান মনে করে থাকেন। এখানে দেখুন।

        আপনার মন্তব্যে কী করে জানি হিন্দু ধর্মগুরু বাদ পড়ে গেছে! যে লিঙ্ক দিয়েছেন সেখানেও কোনো হিন্দু ধর্মগুরুর নাম নাই। এজন্য আমি জানতে চেয়েছি, মোটামুটি আন্তর্জাতিকভাবে পরিচিত কিছু হিন্দু ধর্মগুরুর নাম বলেন যারা ডারউইনের বিবর্তন তত্ত্বকে বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত সত্য হিসেবে বিশ্বাস করেন।

      3. এস. এম. রায়হান

        আমি ভারতীয়, সদালাপে কমেন্ট করতে পারব তো?

        ইতোমধ্যে কয়েকটি মন্তব্য করেছেন তো! এর পরও এই প্রশ্ন করা মানে নীচু মানসিকতাকে প্রমাণ করা। তাছাড়া আপনিই প্রথম ভারতীয় হিন্দু নন, এর আগে বেশ কয়েকজন ভারতীয় হিন্দু এখানে এসে ইসলাম ও মুসলিমদের বিরুদ্ধে বিষোদগার করে মনে শান্তি নিয়ে ফিরে গেছে, যেটি ভারতীয় হিন্দু পরিচালিত ব্লগে কল্পনাও করা যায় না।

        আমার চিন্তা ভারতের মোটামুটি ২০ শতাংশ মুসলমানদের নিয়ে, শরীরের ২০ শতাংশ যদি পচে যায় বাকিটা কি বাঁচবে?

        নোটেড।

      4. অমিত

        @অজয় রাউত

        বরঞ্চ আগামী ২০ বছরের ভিতরে ভারতবর্ষ একজন বিবর্তন বিশ্বাসী মুসলমান (আপনারা মুসলমান মানবেন কিনা জানিনা) প্রধানমন্ত্রী পাবে। এখন পর্যন্ত এইটুকু আবিস্কার করতে পেরেছি।

        আজ্ঞে দাদা আপনারা সালমান রুশদি কিংবা তার কোন শিষ্যকে ভারতের প্রধান মন্ত্রী করেন তাতে তো মহাভারত শুদ্ধ হয়ে যাবে না।

    4. 20.4
      এস. এম. রায়হান

      আরেকটা প্রশ্ন-

      আপনি কি মনে করেন বিবর্তন তত্ত্ব হিন্দু ধর্মের সৃষ্টিতত্ত্বকে ভুল প্রমাণ করেছে?

  8. 19
    এস. এম. রায়হান

    এই পোস্টে নোবেল প্রাইজের কোনো প্রসঙ্গ না এলেও একজন হিন্দু বারংবার সেদিকে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছেন। হিন্দুরা নোবেল প্রাইজ নিয়ে বড়াই করে কেনো, তা কোনো ভাবেই মাথায় আসে না। বুঝাই যায় তারা মুসলিমদের সাথে নিজেদের তুলনা করে এই বড়াই করে। কীভাবে?

    ওয়েল, তারা দেখেছে বিজ্ঞানে যেখানে ৪ জন [নামধারী] হিন্দু নোবেল প্রাইজ পেয়েছেন সেখানে একই বিষয়ে নোবেল প্রাইজ পেয়েছেন মাত্র ২ জন মুসলিম

    অর্থাৎ, তাদের মাথায় আছে: ৪ বনাম ২ -- মানে দ্বিগুন 😀

    তাদের এহেন নীচু মানসিকতা দেখে লজ্জায় মরে যাই। তারা ইহুদীদের সমান বা কাছাকাছি নোবেল প্রাইজ পেলে যে কী করত তা ভাবতেই গা শিহরে ওঠে। আগ্রহী পাঠক এ বিষয়ে আমার নিচের লেখাটি পড়তে পারেন-

    নোবেল প্রাইজ: শুধুই ইহুদী বনাম মুসলিম কেনো!

    দেখুন দুনিয়া কোথায়!

    নোট: বর্ণবাদী হিন্দুদের মাথায় এও আছে যে আব্দুস সালাম মুসলিম ছিলেন না, যেহেতু পাকিস্তানে তাঁকে অমুসলিম ফতোয়া দেওয়া হয়েছিল। হেঃ হেঃ আব্দুস সালাম মুসলিম ছিলেন কি-না, তা তাঁর বিরুদ্ধে বর্ণবাদী হিন্দুদের বিদ্বেষ থেকেই বুঝা যায়। বর্ণবাদী হিন্দুরাই প্রমাণ করে দিয়েছে যে আব্দুস সালাম একজন ইসলামে বিশ্বাসী মুসলিম ছিলেন। আর কোনো প্রমাণের দরকার নাই।

    1. 19.1
      এস. এম. রায়হান

      প্রসঙ্গত উল্লেখ্য যে, আজ পর্যন্তও কোনো হিন্দু শান্তিতে নোবেল প্রাইজ পায়নি। এ থেকে হিন্দুয়ানী যুক্তি প্রয়োগ করে কেউ যদি দাবি করে যে, হিন্দু ধর্ম একটি অশান্তির ধর্ম – তাহলে হিন্দুরা তার কী জবাব দেবে!

  9. 18

    হিন্দু? সে কোন্‌ প্রাণী আবার ভাই? ওঃ যে সমস্ত সম্প্রদায়ের পুরুষদের মেয়েদের সাথে তুলনা করা হয় তারা এবং যারা অনলাইনে মেয়েদের নিচে লুকিয়ে থাকে সেই ভিতুর দল।

    1. 18.1
      এস. এম. রায়হান

      …যারা অনলাইনে মেয়েদের নিচে লুকিয়ে থাকে সেই ভিতুর দল।

      এখানেও একজনকে দেখতে পাচ্ছেন নিশ্চয়।

  10. 17
    এস. এম. রায়হান

    @পাঠক, এই পোস্টে হিন্দু ধর্ম নিয়ে একটি শব্দও উচ্চারণ করা হয়নি। নোবেল প্রাইজের কোনো প্রসঙ্গ আসেনি। বিজ্ঞানে অবদানের কথাও আসেনি। বারংবার তা স্পষ্ট করে বলা হয়েছে। হিন্দু বিজ্ঞানীর সংখ্যা যদি মুসলিম বিজ্ঞানীর চেয়ে বেশী হয় এবং তাতে যদি হিন্দুরা মনে শান্তি পায়, তাতেও আমার কোনো সমস্যাও নেই।

    এই পোস্টে বরং বারংবার হিন্দুদের চেপে যাওয়া নীতি বা সুবিধাবাদী মানসিকতার কথা বলা হয়েছে। যে দু-তিন জন হিন্দু এখানে মন্তব্য করেছে তারা কিন্তু [মনের অজান্তে] আমার দাবিকেই সত্য প্রমাণ করেছে। লক্ষ্য করলে দেখবেন তারা বিবর্তনবাদে বিশ্বাসের ভান করে ইসলাম ও মুসলিমদেরকে হেয় করার চেষ্টা করেছে -- যদিও বিবর্তনবাদকে যুক্তি-প্রমাণ দিয়ে ডিফেন্ড করে তাদের একটিও লেখা নাই, এবং বিবর্তনবাদ হিন্দু ধর্মের সৃষ্টিতত্ত্বকে ভুল প্রমাণ করেছে কি-না তার জবাবও তারা দেয়নি। এর আগেও এই সদালাপেই দু-তিন জন হিন্দু এসে বিবর্তনবাদকে ডিফেন্ড করার নামে ইসলাম ও মুসলিমদেরকে আক্রমণ করেছে। কিন্তু প্রশ্ন করার পর জবাব না দিয়ে তারা পালিয়ে গেছে। এরকম ভুরি ভুরি প্রমাণ আছে। এই হচ্ছে হিন্দুদের মানসিকতা। ব্যতিক্রম ছাড়া এরা প্রায় সকলেই কম-বেশী একই মানসিকতার। আমার পোস্টে ঠিক এই ব্যাপারটাই বুঝাতে চাওয়া হয়েছে।

    1. 17.1
      mukto-mona.com/bangla_blog/?author=335

      এই পোস্টে বরং বারংবার হিন্দুদের চেপে যাওয়া নীতি বা সুবিধাবাদী মানসিকতার কথা বলা হয়েছে।

      রায়হান, এখানে হিন্দু না বলে হিন্দুত্ববাদী বললেই কিন্তু অনেকটাই বিতর্ক মুক্ত থাকতে পারতেন বলেই মনে হয়! কারন সব হিন্দুরা মোটেই এমন না।

      1. 17.1.1
        এস. এম. রায়হান

        আমার লেখাতে হিন্দু বা হিন্দুত্ববাদী যা-ই বলি না কেন, তা কোনো ভাবেই সারা বিশ্বের নামধারী প্রায় এক বিলিয়ন হিন্দুকে বুঝানো হয় না। বিশেষ মানসিকতার লোকজনকেই শুধু বুঝানো হয়। এটা আমার একাধিক মন্তব্যে পরিষ্কার করা হয়েছে।

  11. 16
    কিংশুক

    বিবর্তনবাদী অন্ধ বিশ্বাসী রিচার্ড ডকিন্স এর লেঞ্জায় আগুন লাগিয়ে দিয়েছে মুসলমানরা। যেখানে খ্রিষ্টান, হিন্দুরা ডকিন্সদের তোপে পড়ে ধর্ম রক্ষায় হিমশিম খেতে খেতে ধর্মগুলোর ভবিষ্যত নিয়েই সংশয় প্রকাশ করছে ডকিন্সরা, সেখানে এই একবিংশ শতাব্দিতে এসে নিজেদের প্রানের বিনিময়ে হলেও কোটি কোটি মুসলমান ইসলামকে রাষ্ট্রশক্তিতে প্রতিষ্ঠিত করার সংগ্রাম করছে! ইসলামের, মুসলমানদের এই ধর্মভক্তি ডকিন্সরা মধ্যযুগেও কল্পনা করতে পারেনা, আর এই একবিংশ শতাব্দিতেও মহাশক্তিশালী, মহা জনপ্রিয় ইসলাম দেখে ভিরমি খাওয়া ডকিন্স মুসলমানদের নোবেল প্রাইজ বিষয়ে পুরাতন চর্বিত চর্বন প্রশ্নটা করেই যাচ্ছে। আল জাজিরায় মুর্তজা হোসাইন এর লেখাটাও ভালো লেগেছে:  

    A litmus test for anti-Muslim bigotry-

    http://www.aljazeera.com/indepth/opinion/2013/08/201381112549657227.html

  12. 15
    এস. এম. রায়হান

    I am asking the same question to Mr/Ms dilruba-

    Do you believe that the theory of evolution has proven the Hindu creation theory (the creation of humans and all other creatures) false?

  13. 14
    এস. এম. রায়হান

    @Kumar Mondol,

    You replied my comment no. ১০.১ but you didn't see comment no. ১০! How funny! Well, I am posing the same question again-

    As a believer of Hinduism, do you believe that the theory of evolution has proven the Hindu creation theory/story false?

    Don't bring any other issue here. Just answer this question directly.

    1. 14.1
      Kumar Mondol

      I myself do not know what Hindu creation theory is. So, the story of hindu creation is true or false, I do not have any idea and I don ot care, and not a bit concerned about it. Accepting your argument (do not talk about Buddhists, let Buddhists defend themselves) why you are soe concerened about Hindu creation theory being a muslim. It only add to my suspicion that your primary motivation behind your columns are to malign the Hindu religion only, nothing else.

      1. 14.1.1
        এস. এম. রায়হান

        I myself do not know what Hindu creation theory is. So, the story of hindu creation is true or false, I do not have any idea and I do not care, and not a bit concerned about it.

        As a believer of Hinduism, you do not know what Hindu creation theory is. You do not even care, and not a bit concerned about it? But you know for sure: the theory of evolution is a fact, Christianity is the best religion, Islam is the worst religion, Muslims are more criminal than any other religious people, etc. And you are not maligning Islam and Muslims. But simply asking question "whether the theory of evolution has proven the Hindu creation theory false" means I am maligning Hindu religion. Ok, let's move on… I am giving you another chance.

        If you do not know what Hindu creation theory is, then take time and try to know about it: according to Hinduism, how humans and all other creatures have been created? It's a matter of time at the age of internet. Then let us know whether the Hindu creation theory contradicts the theory of evolution.

      2. 14.1.2
        Kumar Mondol

        As I have said, I am totally indifferent to your contention "Hindu Creation Theory contradicts the theory of Evolution". I have aprticpated in this blog just to contradict your statement"Hindus and Busddhists shoudl nto be trusted related to science". That is crux of your columns which I wanted to refute. So, no more comments as you have agreed that I have answered your false conclusion. Also I do not have time to read about the Creationism theory of Hinduism. As you know it involves so many books, Puranas, Vedas, Bedantas, and many others. To have a complete idea about Hindu philosophy regarding origin of life or creation, I have to spend so much time that I ill afford to spare.

        Regarding Evolution theory I have the scientfic proof regarding the mutation theory,  where one of my own family member directly participates in such research activities, so surely I can accept the theory of Evolution.

      3. এস. এম. রায়হান

        I already knew, you will never ever answer this question directly. Otherwise, you won't be a Hindu. Yet I just wanted to give you another chance as benefit of doubt. I will come about it later.

  14. 13
    sami23

    রায়হান ভাই, এখানে একজন (দিলরুবা) গরুর গোবর প্রেমী, অন্যজন গরুর মূত্র প্রেমী, দু'জনেই আবার গরু দেবতার প্রেমী, এইতো তাদের সংসারের হাল সুরত। এ কারণে আপনি হরি বলতেই এটা হিন্দুদের বিরুদ্ধে বলে মনে করে, না বুঝিয়া ল্যাদাইতেছে এখানে আসিয়া। এদের মত সাম্প্রদায়িক আধুনিক কীটগুলোর কাছ থেকে এর চেয়ে বেশি আর আশা করা যায়ে না। এরা সারা দিন গরুর গোবরের মধ্যে মাথা গুঁজিয়ে হান্টিংটন মডেল ইসলামকে খুঁজে হয়রান হয়। ছলে বলে তা মার্কেটে ইসলাম বলে চালিয়ে দেয়। মুসলিমরা হেন করছে, রাসুল(সঃ) তেন করছেন বলিয়া সুন্দরবনকে বান্দরবন বানায়। এদের গোবর ভর্তি মগজের ভেতরই সারাদিন ইসলামের বিরুদ্ধে কারফিউ চলে। ঘণ্টার পর ঘণ্টা লোডশেডিং। ইসলাম বিরোধীতার বাহিরে এদের গোবর ভর্তি মগজ আর কোন কিছু খুঁজে পায় না।

  15. 12
    Fuad Passa

    বৌদ্ধধর্মালম্বী জাপান একটা "ফু" দিলে আপনাদের ১৫০০ বছরের ইতিহাস উড়ে যাবে @ এস. এম. রায়হান। ফাও কাজে সময় নষ্ট।

    1. 12.1
      এস. এম. রায়হান

      উরেব্বাবা ভয় পাইছি!

      হিন্দু বা বৌদ্ধদের কেউই ফুয়াদ নাম রাখে না। কারণ ফুয়াদ একটি অ্যারাবিক নাম যেটি এই উপমহাদেশে মুসলিমরা ছাড়া অন্য কেউ রাখে না। মুসলিম নাম চুরি করে জাপান দিয়ে মুসলিমদেরকে উড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখাচ্ছেন? তা জাপান কবে থেকে বৌদ্ধধর্মালম্বী হলো? নাস্তিকরা বলে জাপান একটি নাস্তিক দেশ, আর আপনি বলছেন বৌদ্ধধর্মালম্বী দেশ। তাহলে কোন্‌টা সত্য? আর এই লেখার সাথে জাপান দিয়ে মুসলিমদেরকে উড়িয়ে দেওয়ার কী সম্পর্ক তা তো বুঝা গেল না।

    2. 12.2
      আহমেদ শরীফ

      জাপানকে পশ্চাৎদ্দেশে কষে লাথি দিয়ে কয়েক দশকের জন্য কোমর ভেঙ্গে দেয়া সেই জাপানের বাপ খোদ আমেরিকাই তো ফু দিতে দিতে উল্টো নিজেদের ফিনান্সিয়াল কোমর মচকে হার্ট এ্যাটাক হয়ে এখন হাঁপাচ্ছে, মিন মিন করে বার বার বলছেও যে মুসলিমদের 'ফুঁ' দিতে যাওয়া ঠিক হয়নি। ১৫০০ বছর তো দূরের কথা মাত্র ১৫ বছরেই বিশ্বের ঠাকুর্দা সুপার পাওয়ার আমেরিকারই এই দশা! সেখানে হাঁটুর বয়েসি জাপান আর আপনাদের মত বস্তিবাসী ভিখিরিপুত্ররা কি করবে?

  16. 11
    এস. এম. রায়হান

    Mr/Ms dilruba,

    বিগত কয়েকদিনে এই পোস্ট-সহ আরো দুটি পোস্টে ইসলাম ও মুসলিমদের বিরুদ্ধে মনের সুখে যে পরিমাণ লাদি-মূত ছেড়েছেন (হিন্দু পরিচালিত কোনো ব্লগে বা এমনকি নাস্তিকমনা ব্লগেও হিন্দু ও হিন্দু ধর্মের বিরুদ্ধে এর এক সহস্রাংশ পরিমাণ লাদি-মূতও ছাড়তে দেওয়া হবে না), আপনার সহোদররাও অন্যান্য ব্লগ-ফেসবুকে যেভাবে প্রতিনিয়ত লাদি-মূত ছাড়ছে, তাতে স্পষ্টতই বুঝা যাচ্ছে যে আপনারা পশ্চিমা বিশ্বে থেকেও মোটেও শান্তিতে নাই, বরং চরম অশান্তি আর মৃত্যুযন্ত্রণার মধ্যে আপনাদের দিন-রাত কাটে। এর কারণ হচ্ছে আপনারা মিথ্যা আর ঘৃণার মধ্যে বাস করছেন। মিথ্যা আর ঘৃণার অনলে হাবুডুবু খেয়ে কেউ শান্তিতে থাকতে পারে না, তা আমেরিকা বা ক্যানাডা যেখানেই থাক না কেনো। এজন্য সাময়িক একটু শান্তির আশায় কখনো ইহুদীদের পদতলে আশ্রয় নিচ্ছেন, কখনো খ্রীষ্টানদের বুটের তলায় মাথা গুঁজছেন, কখনো বা আবার ইহুদী-খ্রীষ্টানদের মুখ দিয়ে ইসলাম ও ইসলামের নবীর দিকে থুতু ছিটাচ্ছেন। বিলিভ ইট অর নট, বাংলাদেশের একজন হতদরিদ্র্য মুসলিমও আপনাদের চেয়ে মানসিকভাবে অনেক শান্তিতে আছে।

    1. 11.1
      Kumar Mondol

      I strongly disagree with your comments here. Nobody here is denigrating Islam and the prophet. I believe everyone has a right to his belief. But when you state someting  which is demonstrably false, ("such as Hindus and Buddhists should not be trusted regarding science") we protest. We also protest when you claim something which is not supported by empirical evidence. You have every right to your opinion, but you cannot create your own fact.

    2. 11.2
      আহমেদ শরীফ

      বিগত কয়েকদিনে এই পোস্ট-সহ আরো দুটি পোস্টে ইসলাম ও মুসলিমদের বিরুদ্ধে মনের সুখে যে পরিমাণ লাদি-মূত ছেড়েছেন (হিন্দু পরিচালিত কোনো ব্লগে বা এমনকি নাস্তিকমনা ব্লগেও হিন্দু ও হিন্দু ধর্মের বিরুদ্ধে এর এক সহস্রাংশ পরিমাণ লাদি-মূতও ছাড়তে দেওয়া হবে না), আপনার সহোদররাও অন্যান্য ব্লগ-ফেসবুকে যেভাবে প্রতিনিয়ত লাদি-মূত ছাড়ছে, তাতে স্পষ্টতই বুঝা যাচ্ছে যে আপনারা পশ্চিমা বিশ্বে থেকেও মোটেও শান্তিতে নাই, বরং চরম অশান্তি আর মৃত্যুযন্ত্রণার মধ্যে আপনাদের দিন-রাত কাটে। এর কারণ হচ্ছে আপনারা মিথ্যা আর ঘৃণার মধ্যে বাস করছেন। মিথ্যা আর ঘৃণার অনলে হাবুডুবু খেয়ে কেউ শান্তিতে থাকতে পারে না, তা আমেরিকা বা ক্যানাডা যেখানেই থাক না কেনো। এজন্য সাময়িক একটু শান্তির আশায় কখনো ইহুদীদের পদতলে আশ্রয় নিচ্ছেন, কখনো খ্রীষ্টানদের বুটের তলায় মাথা গুঁজছেন, কখনো বা আবার ইহুদী-খ্রীষ্টানদের মুখ দিয়ে ইসলাম ও ইসলামের নবীর দিকে থুতু ছিটাচ্ছেন। বিলিভ ইট অর নট, বাংলাদেশের একজন হতদরিদ্র্য মুসলিমও আপনাদের চেয়ে মানসিকভাবে অনেক শান্তিতে আছে।

      শতভাগ সহমত।

      যে তীব্র সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষী ভঙ্গিতে অত্যন্ত আপত্তিকর ভাষায় অনবরত আল্লাহ/নবী(সাঃ)/ইসলাম/মুসলিম সম্বন্ধে বিশ্রীভাবে বিষোদগার করা হচ্ছে তাতে আমি সত্যি বলতে কি বেশ অবাকই হয়েছিলাম। মনে হয়েছিল মডারেশনের কি হল এখনো এগুলো বহাল তবিয়তে ঝুলছে! আবার উনি অভিযোগও করছেন যে ওনার মন্তব্য নাকি 'মডারেশন' করা হচ্ছে! 'অবাক জলপান' আর কাকে বলে!

      মুক্তমনা, আমারব্লগসহ যেসব বাংলাব্লগে দীর্ঘসময় ধরে স্বনামে-বেনামে-ছদ্মনামে হিন্দু ধর্মাবলম্বী কর্তৃক আল্লাহ, নবী(সাঃ), ইসলাম ও মুসলিম সম্পর্কে যে পরিমাণ জঘন্য নারকীয় বীভৎস বিদ্বেষ ছড়ানো হয়েছে ও এখনো হচ্ছে -- হিন্দুপ্রধান ভারতবর্ষে মুসলিমরা হিন্দুধর্মের প্রতি তার কিয়দংশ করলে সারা ভারত জুড়ে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা বেধে গিয়ে অগুণিত মানুষ মারা যেতো। শিবসেনার বাল ঠাকরে একবার বলেছিল, "মুসলমানদের লাথি মেরে বের করে দিতে হবে।" নরেন্দ্র মোদি বলেছে, "কুকুর মরলে দুঃখ হয় কিন্তু মুসলিম মরলে হয় না।" আমার ভাবতে ভাল লাগে যে আজ পর্যন্ত বাংলাদেশের ৪২ বছরের ইতিহাসে কোন মুসলিম রাজনৈতিক নেতার প্রকাশ্যে এরকম সিভিয়ার পর্যায়ের সাম্প্রদায়িক উক্তি করার সাহস হয় নাই বা এরকম কোন নজিরও নেই।

      কি পরিমাণ বিদ্বেষ সনাতনধর্মীরা মুসলিম সম্প্রদায় সম্বন্ধে ধারণ করেন তার নমুনা দেখলে হতবাক হতে হয়! এরকম অন্ধ যুক্তিহীন বিষাক্ত বিদ্বেষ বুকে নিয়ে কোন মানুষই সুস্থভাবে বাঁচতে পারে না। ওনারা শুধু চান ধর্ম হিসেবে ইসলামের ও সম্প্রদায় হিসেবে মুসলিমের বিনাশ সাধন। ব্লগে আসেন বিদ্বেষের গরল ছড়িয়ে আবহাওয়া বিষাক্ত করতে, যুক্তির ধারালো তরবারি নিয়ে নয়, ওনারা আসেন পুষে রাখা যুক্তিহীন সাম্প্রদায়িক ঘৃণার ভোঁতা দাঁতালো করাত নিয়ে।

    3. 11.3
      আহমেদ শরীফ

      ভারতের ব্যাঙ্গালুরু দিয়ে ভারতে ব্যাঙ্গালুরুতে একটি উগ্রবাদী হিন্দু সংঘ্ঠনের নাম রামসেনা, এদের উদ্দেশ্য শুধু মুসলিম হত্যা নয়, মুসলিম নারী বিবাহ করা যাতে ভবিষ্যতের বংশধর হিন্দু হয়। তাদের নেতারা স্বিকার করেছে, "আমরা আমাদের রাম সেনাদের মাধ্যমে এ দেশের মুসলিম মেয়েদের বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছি। রামসেনাদেরকে মুসলিম মেয়ে বিয়ে করতে উৎসাহী করে তুলছি। যাতে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম হিন্দুয়ানি রীতিতে আগ্রহী হয়।"

      Click This Link

      হিন্দু পেজগুলাও কলেজ-ভার্সিটির হিন্দু যুবকদেরকে রীতিমতো উৎসাহ দেয়া হচ্ছে মুসলিম মেয়েদের সাথে ব্যভিচার করার জন্য। এরা মুসলিম মেয়েদেরকে ফুসলিয়ে ধর্মান্তরিত করার জন্য নিয়মিত ইন্টারনেটে প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছে। এদের কর্মকাণ্ডের উদাহরণস্বরূপ লিঙ্ক:

      http://tinyurl.com/ncwus5e

      ধর্মীয় পেজগুলাতে মুসলিম মেয়ের প্রেমের মিথ্যা গল্প বানিয়ে প্রচার করেছে-

      http://tinyurl.com/o5tyyso

      এই ক্ষেত্রে উৎসাহ দেয়ার জন্য পিছিয়ে নেই হিন্দু মা বোনেরাও, একটি ব্রাক্ষণ মেয়ের কমেন্ট, মুসলিম বিয়ে করে হাইব্রিড হিন্দু বাচ্চা পয়্দা করতে উৎসাহ দিচ্ছে-

      https://s3.amazonaws.com/somewherein/assets/images/thumbs/Diskonanondo_1376141210_1-bramon_bessa.jpg

      চাকরীজীবি মুসলিম মেয়েদের বিয়ে করতে উৎসাহ দেয়া হচ্ছে, যাতে তারা সহজে বাবা মা ছেড়ে হিন্দু ছেলে বিয়ে করতে পারে। পিছিয়ে নেই বাংলাদেশি হিন্দুরাও, তারাও মুসলিম মেয়েদের জীবন নষ্ট করতে চায়। একটা হিন্দু ছেলের দুঃখ, কেনো তাদের ঘরে কোনো মুসলিম মেয়ে নাই। তার দাবী ১০০তে ৬০টা মুসলিম মেয়ে হিন্দু ছেলে পছন্দ করে ৫টা মুসলিম মেয়ের জীবন ধ্বংস করে এক লুইচ্চা হিন্দু ছেলের দম্ভোক্তি। হিন্দু মৌলবাদিদের হ্যান্ডবিল যেখানে তারা মুসলিম নারী ধর্ষণের নির্দেষ দিচ্ছে-

      Click This Link

      সব হিন্দুই রেপিষ্ট, ইন্ডিয়ানগুলা থেকে এদেশেরগুলা কম যায় না। নিচে হিন্দুদের রেপের তালিকা দেয়া হল-

      ১. ভিকারুননিসার পরিমল জয়ধর ও তার সহযোগী অরুণ চন্দ্র বর্মন। (উল্লেখ্য, ভিকারুননিসা বনশ্রী শাখায় ছয়জন সহকারী শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হয় যাদের সবাই হিন্দু)।

      ২. সিভিল অ্যাভিয়েশন স্কুলের রতন কুমার পাল।

      ৩. লোহাগড়া তৈয়ব আশরাফ প্রা: বিদ্যালয়ের সুবোধ কান্তি পাল।

      ৪. কুমিল্লার স্কুলশিক্ষক সুভাষ চন্দ্র।

      ৫. মাগুরা মহম্মদপুর স্কুলের ভজন কুমার পাল।

      ৬. ঢাকা জুরাইন এলাকায় সমীর ও শুভ।

      ৭. চিতলমারী বাগেরহাটের টুটুল রায় প্রমুখ।

      পিছিয়ে নেই হিন্দু পুলিশও

      Click This Link

      জিয়া খান নামে যেই মেয়েটি আত্মহত্যা করল, সেই মেয়েটির সাথে সম্পর্ক ছিল এক হিন্দু ছেলের। ছেলেটি তার সাথে চিটিং করায় সে আত্মহত্যা করে। এই বিষয়টি নিয়ে অনেক হিন্দুকে গর্ববোধ করতে দেখছি। তাদের বক্তব্য, একটি মুসলিম(!!!) মেয়ের সাথে ব্যভিচার তো করা গেল! হিন্দুরা কিরকম মানসিকতা পোষণ করে বুঝতে পেরেছেন মুসলমান ভাইয়েরা? সুযোগ পেলেই তারা আমাদের মা বোনদের ইজ্জত লুট করবে, যদি আপনারা ’অসাম্প্রদায়িকতার’ খাতিরে তাদের সে সুযোগটা দেন।

      ভারতীয় হিন্দুরা আসলে ভয়াবহ ধর্ষকামীতে পরিণত হয়েছে, তাদের অনুসরণকারী দেশীয় অবদমিত অনুসারী হিন্দুরাও একই ভাইরাসে আক্রান্ত হচ্ছে। সারা দুনিয়ায় কোণঠাসা হয়ে বেপরোয়া হয়ে উঠেছে তারা, নরেন্দ্র মোদির মত বিকৃতকামী উম্মাদকেই আজ মনেপ্রাণে আঁকড়ে ধরতে বাধ্য হচ্ছে, এতেই বোঝা যায় তারা আসলে কতটা বিপন্ন অসহায়। সারা পৃথিবীতে ঘটমান মুসলিম জাগরণের ফলে তারা আরো দিশেহারা হয়ে পড়ছে, ইসলামাইজেশনের ধাক্কায় ইউরোপ-আমেরিকাসহ সারা বিশ্বে যে জোয়ারের পানি বেড়ে চলেছে তাতে ক্ষয়িষ্ণু সনাতনধর্ম অবধারিতভাবেই আরো দূর্গতির মুখে পড়বে। হাজারো সমস্যাক্লিষ্ট আঞ্চলিক সংকীর্ণ সনাতনধর্মের কর্ম নয় সার্বজনীন একত্ববাদী সেমিটিক ধর্ম ইসলামের মোকাবেলা করা। তাই কিছুটা আঞ্চলিক জাতিতত্ত্বের সাথে 'বিজ্ঞান' 'মানবতা' 'যুক্তিবাদ' ইত্যাদির জগাখিচুড়ি পাকিয়ে এক দূর্বোধ্যতার কুয়াশা সৃষ্টি করাকেই উপজীব্য করে ইসলামের মোকাবেলা করার ব্যর্থ চেষ্টায় মরিয়া হয়ে উঠেছে তারা।

      বাংলাদেশে এসব প্রণোদনার হোতা হচ্ছে এদেশের উগ্রতাবাদী হিন্দু সংগঠন ইসকন। এই সংগঠনের হিন্দুরা অন্যান্য হিন্দুদের মতো নয়, কারণ এরা ধর্মান্তরকরণে বিশ্বাস করে। এই সংগঠনটি ষাটের দশকে নিউইয়র্কে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল সাদা চামড়ার খ্রিস্টানদেরকে ধর্মান্তরিত করার জন্য। কিন্তু উপমহাদেশের হিন্দুদের মাঝে এর কোন গ্রহণযোগ্যতা ছিল না, কারণ মূলধারার হিন্দুরা বিশ্বাস করে হিন্দু কেবল জন্মসূত্রে হওয়া যায়। বিপরীতে ইসকন প্রতিষ্ঠিত হয়েছে বিধর্মীদেরকে বৈষ্ণব বানানোর লক্ষ্যে। এই ইসকন সংগঠনটি দশবছর আগেও এদেশে সক্রিয় ছিলো না। যেহেতু তাদের মূল লক্ষ্য অন্য ধর্মাবলম্বীদের বৈষ্ণব বানানো, এই ইসকন সংগঠনটি এদেশে প্রতিষ্ঠার পর টার্গেট করে মুসলমান সম্প্রদায়ের ধর্মীয় অনুভূতিকে। সামহোয়্যার ইন ব্লগের উগ্র হিন্দুত্ববাদী মুসলিম জাতিবিদ্বেষের মূল হোতা বিপ্লব কান্তি হচ্ছে একজন স্বঘোষিত ইসকন কর্মী। ইসকনের নেতৃত্বেই এদেশের ইন্টারনেট জগতে হিন্দুরা ইসলামবিদ্বেষী কাজ শুরু করেছিল। তারা এদেশে তাদের প্রকাশনী থেকে যেসব বই বের করে সেগুলোও উগ্র ইসলামবিদ্বেষী লেখালেখিতে ভর্তি থাকে। এই সংগঠনটি এদেশে সক্রিয় কর্মকাণ্ড শুরু করেছে বেশিদিন হয়নি। এবং কাকতালীয়ভাবে তাদের কর্মকাণ্ড যখন থেকে এদেশে শুরু হয়েছে, তখন থেকেই এদেশের হিন্দু শিক্ষকদের দ্বারা মুসলিম ছাত্রীদের সম্ভ্রমহানির হিড়িক পড়ে গিয়েছে। ইসকনীরা সাদা চামড়াদের মদদে চলে বলে এরা ৯৭ শতাংশ মুসলমানগণ উনাদের দেশে ধরাকে সরাজ্ঞান করছে। তারা এদেশের মুসলিম মা-বোনদের দিকে হাত বাড়িয়েছে এবং ইন্টারনেটে চালিয়ে যাচ্ছে ভয়াবহ উগ্র সাম্প্রদায়িক কর্মকাণ্ড।

  17. 10
    এস. এম. রায়হান

    @Kumar Mondol,

    Here is my last question to you-

    As a believer of Hinduism, do you believe that the theory of evolution has proven the Hindu creation theory/story false?

    1. 10.1
      এস. এম. রায়হান

      One more relevant question-

      Can you name some Nobel Laureates or prominent scientists who are/were believer of Hinduism?

      1. 10.1.1
        Kumar Mondol

        C V Raman and Chandrashekhar name just come to my mind. Regarding other scientist's name I have to search as I am not in the field of science.

      2. এস. এম. রায়হান

        How do you know they were believer of Hinduism? About C. V. Raman, it's written in Wiki--

        On his religious views, he was said to be an agnostic.

        About Chandrashekhar, Wiki says-

        Once when involved in a discussion about the Gita, Chandrashekhar said, "I should like to preface my remarks with a personal statement in order that my later remarks will not be misunderstood. I consider myself an atheist."

        This was also confirmed many times in his other talks.

        So, none of them was believer of Hinduism! Why did you lie then?

        And you didn't answer my first question that is most important.

      3. Kumar Mondol

        Since you are an expert on religion and write many many coulmns on religion including Hinduism in this website, you must know that Hinduism encompasses agnostic and / or atheist ideas too. You must have known about  Charvaka’s Philosophy and Jagnabalka’s darshan(philosophy) where they doubt and  deny the  existence of the supreme being and argue about it vociferously.  But it is a part of the greater hindu ethos and philosophical discussion.  By the way, Hindus do not kill people who does not agree with the existence of the supreme being. Needless to say,  they were born into Hindu family and did not embrace other religion, thus they still remain in Hindu family. After their death, both have been cremated, not buried.

        Second point is that your knowledge is limited to Wiki, but wiki is not a source of juried reference.

        What other question you are talking about here. I am still amazed that after uttering a tremendous lie in the title of this discussion and next to the last sentence of your original comments,  you still find moral fortitude to debate about trivial issues whether they practice Hinduism or not. Hindus do not have to practice or follow any specific rituals if they choose so. (you must know that) But is does not lead to your conclusion that “hindus and Buddhist should not trusted issues related to science".

        You have not been able to produce a single currently world famous scientist’s  name who also  practices Islam as his religion. I have given you  quite a few Hindu names.

      4. এস. এম. রায়হান

        It appears to me that you didn't go through the main write-up in the first place. You have just read the title, and based on that you are bringing some non-issues again and again. Otherwise, you maybe acting like a deaf and blind man. I'm not sure which one is true for you.

        Because, I have already mentioned in comment no. ৫.১.১.১ saying that "my position has been clarified in the write-up when I have talked about Hindu and Buddhist mindset. Try to find out the context."

        So, what's the context of this write-up? If you go through the write-up, you will see that the whole write-up talks about the theory of evolution, not science in general. Even you have missed to see the category which is বিবর্তনবাদ, and not বিজ্ঞান। In shodalap, বিবর্তনবাদ and বিজ্ঞান are two different categories.

        Now, do you want me to explain more to make you understand in what context this post is written? If not, then don't bring the 'science issue in general' again to waste my time.

    2. 10.2
      Fuad Passa

      Kumar Mondol,

       এস. এম. রায়হান সাহেবের সাথে এত কথার দরকার কি? আপনি শুধু ওনাকে জিজ্ঞেস করুন 1.7 Billion মুসলমানদের মধ্যে  জ্ঞানের কি এমন আকাল পরেছে যে হেরিক্যান দিয়ে খুঁজলেও বিজ্ঞানের উপর একজনও নবেল লরেট পাওয়া যায় না? আর ছোট্ট করে জাপান নামক দেশটার কথা মনে করিয়ে দিন। ধন্যবাদ।

      1. 10.2.1
        এস. এম. রায়হান

        যে স্ট্যাইলে মন্তব্যটা করেছেন সেটিকে হিন্দুয়ানী স্ট্যাইল বলে। অন্য কাউকে মুখপাত্র না বানিয়ে যা বলার তা নিজেই বলতে পারতেন, নাকি?

  18. 9
    এস. এম. রায়হান

    @dilruba,

    ইহুদীরা খ্রীষ্ট ধর্মে বিশ্বাস করে না। তারা যীশুকে ভণ্ড বলে। মাতা মেরীকে অসতী নারী বলে। শুধু তা-ই নয়, তাদের দাবি অনুযায়ী তারা খ্রীষ্টানদের গড যীশুকে শূলে চড়িয়ে হত্যা করেছে। এ ব্যাপারে আপনার মতামত কী?

    অন্যদিকে ইহুদী, খ্রীষ্টান, বৌদ্ধ, মুসলিম, শিখ, চাইনিজ, ও নাস্তিকরা (হিন্দু নাস্তিক নয়) মিলে প্রায় ছয় বিলিয়ন মানুষ হিন্দুইজমকে একটি মিথ্যা ধর্ম এবং হিন্দু ধর্মের দেবতাদেরকে ভণ্ড হিসেবে বিশ্বাস করে। প্রায় ছয় বিলিয়ন মানুষের কাছে হিন্দুইজম একটি অমানবিক, বর্বর, কুসংস্কারাচ্ছন্ন ধর্ম। এই ব্যাপারেই বা আপনার মতামত কী?

  19. 8
    এম_আহমদ

    @ dilruba, followed from the comment ১.১.২.২

    আপনার রায়হান সাহেব বামুন হয়ে চাঁন্দে হাত মেলেছেন!! অথচ আব্রাহামিক ধর্মের জুডিয়াজম, ক্রিশ্চিয়াটির সাথে ইসলাম ধর্মের বিন্দু মাত্র যোগসূত্র নেই। ….উচ্চাভিলাসি নবী মোহাম্মদ আসলে আব্রাহামিক ধর্মের বিভিন্ন কিংবদন্তি, কথক, শ্রুতিকথা … থেকে জোড়া তালি নকলবাজী করে  ইসলাম নামের এক গজাখিচুড়ি …  এসবই বাইবেল থেকে নকলীবাজী … গাঁয়ের লোক মানে না, আপনি মোড়ল!! … হাস্যকরও বটে। 

    (১) আপনার কথা হচ্ছে ইসলাম ধর্মের নবী মুহাম্মদ বাইবেল (old/new testaments) থেকে নকলবাজী করে ইসলাম রচনা করেছেন। অর্থাৎ খাটি মাল হচ্ছে বাইবেল এবং কোরান হচ্ছে মুহাম্মদের নকলবাজী-পুস্তক।  মূর্খ!  বাইবেল যদি থেকে নকলবাজী হয়, তবে “আব্রাহামিক ধর্মের জুডিয়াজম, ক্রিশ্চিয়াটির সাথে ইসলাম ধর্মের বিন্দু মাত্র যোগসূত্র নেই” –এটা হয় কিভাবে? যদি কপি হল, তবে “বিন্দু মাত্র” যোগসূত্র থাকবে না কেন? পাজি! বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহৎ ধর্ম হচ্ছে ইসলাম, ১.৬ বিলিয়ন অনুসারী, কিন্তু তবুও বুঝি মুহাম্মদ “গায়ে মানে না আপনি মোড়ল”? মাতাল!

    (২) বাইবেল কি আসল?  এখানে দেখুন, বাইবেলটা কে লিখল, rel="nofollow">

    কিছু বঙ্গাল-খৃষ্টীয়ান হিন্দু সেজে এবং কিছু বঙ্গাল-হিন্দু নাস্তিক সেজে ইসলামকে আক্রমণ করতে যে মূর্খতা দেখায় তা আশ্চর্যের সীমা অতিক্রম করে। যে বাইবেল-পুস্তক নিজেই অরিজিনাল নয়, বিকৃত, তাত্থেকে মুহাম্মদ কেন ধার করতে যাবেন? মেকি বস্তু ঘষা-মাজা করলে কি তা সোনা হয়ে যায়? আপনার মত ফাতরা মূর্খ পাবনায় আশ্রয় নেয়াই ভাল।

    (৩) এবারে আসল নকলটা আরও একটু দেখেন। তারপর দেখেন মুর্খামির কোন সুরাহা হয় কী না। rel="nofollow">

    rel="nofollow">

    সবগুলো দেখবেন। আর সদালাপে মন্তব্য করতে একটু পড়াশুনা করে আসবেন যাতে মূর্খতা একটা সীমার মধ্যে থাকে।

    1. 8.1
      dilruba

      আমি আগেই বলেছি- আপনারা আব্রাহামিক ধর্ম থেকে নকলবাজী(অসৎউপায় অবলম্বন) করেছেন। আর এখন এটা ওটা বলে সাধু সাজতে চাছ্ছেন। কিন্তু যাদেরটা নকল করেছেন তারা অনেক আগেই আপনাদের expel  করে dismiss  করেছে। সুতরাং এটা নিয়ে আর কথা চলে না।
      আসলে চোরের এক কান কাটা গেলে লজ্জায় গ্রামের বাইরে থাকে, কিন্তু যে চোরের দুইকান কাটা যায় সে লাজ স্মরমের মাথা খেয়ে গ্রামের ভিতরই ঘুড়ঘুড় করে। আপনাদের অবস্হা অনেকটা তাই। আক্ষেপ………………

      1. 8.1.1
        শাহবাজ নজরুল

        একটু যদি গেন দিতেন উপক্রিত হতুম দাদা --

        ১. কি কি নকল করা হইসে

         ২. কেমনে নকল করা হইসে -- কে কে এই নকল্বাজিতে জরিত

         

        আপনার গেনের মঙ্গল শিখায় কিছু জদি সেকা যায় …

        অপেক্কাতে থাক্লুম…

      2. dilruba

        @ হাবাজ নজরুল……………..
        বাইজান,  নকলের কথা আর কি কইমু? স্মরম লাগে। শ্যাষ কালে নিজের বিয়াসাদী পক্তো করার জন্যিও তিনি নকল করেসেন……………..

      3. শাহবাজ নজরুল

        স্রম পালি তো চলবি নাগো দিদিমনি -- হক  কতা তো ছড়িয়ে দিতি হপে। আপনের মত গেনি লোক তো সহজে পাওন মুষ্কিল -- তাই গেন না নিয়ে ছার্চিনে। বিয়া সাদির কথা বাদ্দেন -- মূল জালিয়াতি লইয়াই স্থির তাকি। তো একটু জদি আলোকিত করতেন ইসলাম ধর্মটা কিভাবে ইহুদি কেরেস্তান গো থেইক্কা নকল মার্চে। এই ইতিহাস না জানাইলে চার্চি নাগো  দিদি। লন গোড়ার  দিক থেইক্কা শুরু করেন।

      4. 8.1.2
        এম_আহমদ

        @dilruba:

        আমি আগেই বলেছি- আপনারা আব্রাহামিক ধর্ম থেকে নকলবাজী(অসৎউপায় অবলম্বন) করেছেন।

        তা তো বুঝলাম। কোরানটা নকলবাজি। বাইবেলটা খাঁটি মাল। আসল বস্তু। অরিজিনাল। তয়, “আব্রাহামিক ধর্মের জুডিয়াজম, ক্রিশ্চিয়াটির সাথে ইসলাম ধর্মের বিন্দু মাত্র যোগসূত্র নেই” – সেই মুর্খামির উত্তর কই? “বিন্দু মাত্র” যোগসূত্র থাকবে না কেন? হেইডার উত্তর কই? গায়ে মানে না আপনি মোড়ল, হেইডার উত্তর কই?

        তো বাইবেল যে কোন খাঁটি মাল, আসল, মূল বস্তু নয় হেইডা নিশ্চয় নিঙ্কগুলোতে দেখেছেন। এইডা খাঁটি নয়, বিকৃত, পৌত্তলিক উৎসের সাথে মিশ্রিত! ইসলামের এক খোদার ধর্ম সম্পূর্ণ আলাদা। যে তথ্য দিয়েছি তা একটু বিবেক খাটিয়ে দেখুন, যদি বিবেক থেকে থাকে। সেখান থেকে পৌত্তলিক উৎসগুলোর একটা লিস্ট করুন। তারপর আসেন ইসলামে, কোরানে। তখন ঘিলুতে যদি কিছু থেকে থাকে, তবেই বুঝবেন ইসলাম কোথায় আর পৌত্তলিক আবর্জনা কোথায়। তবুও যদি মনে করেন যে পৌত্তলিক আবর্জনা বাইবেল থেকে আমদানি হয়েছে, তবে একটা লিস্ট করে দেখান, সেগুলো কোন্‌গুলো।

      5. আহমেদ শরীফ

        @ এম_আহমদ,

        ওনাদের সর্বদা প্যারানয়ার মাঝে থাকা সদা অস্থিরতার দিকে খেয়াল করে আরো একটু 'সহানুভূতিশীল' হবার আহ্বান জানাচ্ছি আপনাকে। ইংরেজদের চাটুকার-বিদূষক-সেবাদাস হয়ে মাত্র কয়েক দশক আগাপাশতলা চামচামি করে কালাপানি পার হয়ে ইউরোপীয় সভ্যতার কিছুটা ছোঁয়াচ পেয়েই ওনাদের 'ধর্ম' ওনাদেরই হৃদয় থেকে কর্পূরের মত দ্রুতবেগে উড়ে যেতে শুরু করে। সেই প্রিন্স দ্বারকানাথ ঠাকুরের সময়কাল থেকেই প্রকাশ্যে ঘোষণা দিয়ে এই বিদ্রোহ শুরু হয় 'ইয়ং বেঙ্গল' বা বঙ্গতরুণসমাজ এর দ্বারা। আরো কয়েক দশক পার হবার পর প্রাণপণে ধর্মের পিণ্ডি চটকাতে চটকাতে এক পর্যায়ে মোটামুটি কিছু বয়ামে ভরা ওলপড়া আচার-এ পরিণত হয়।

        যাই হোক, বর্তমানে বাপপিতেমোর ধর্ম আজগুবি ধর্মরাজ (যেমন নায়করাজ)  সনাতন ধর্মের প্রতি ওনাদের অরুচি-বিতৃষ্ণা এমন তীব্র আকার ধারণ করেছে যে সেটা আধোয়া ময়লা বিটকেল বাসি গন্ধযুক্ত হেগো কাপড়ের মত পুরোপুরি ঝেড়ে না ফেলা পর্যন্ত শান্তি পাচ্ছেন না। বাসি কাপড় পরে থাকলে যেমন অস্বস্তি হয়, তেমনি এটি ফেলতে না পারা পর্যন্ত ওনাদের চোঁয়া ঢেকুরসহ অম্বল হচ্ছে। শুধুমাত্র চক্ষুলজ্জার কারণে অনেক ক্ষেত্রে সাম্প্রদায়িক-সামাজিক-পারিবারিক কারণে অনেকে ধর্মত্যাগের বহুদিনের অচরিতার্থ বাসনাটি বুকে চেপে রেখে আপাততঃ প্রতিশোধ হিসেবে দূরের রেস্তোঁরায় গিয়ে গরু-শুয়োর খেয়ে অন্তরের ক্ষোভ প্রশমিত করে আসছেন। নিজের ধর্ম ত্যাগের কাহিনী বড়াই করে বলতেও পারছেন না সৎ-সাহসের অভাবে, আবার অন্য ধর্ম প্রকাশ্যে গ্রহণ করতেও পারছেন না ঐসব সামাজিক-সাংষ্কৃতিক-পারিবারিক বিভিন্ন সংকীর্ণ স্বার্থগত কারণে -- এ কারণে ওনারা খুবই হীনবল।

        এসব কথা মাথায় রেখে আরেকটু সহানুভূতিশীল হই আমরা। আসলে তো দোষ এদের নয় এটা জেনেটিক্যালি ট্রান্সফর্মড, অনেক আগের প্রজন্ম থেকে ক্রমান্বয়ে প্রজন্মান্তরে। এদের মাঝে কোন দ্বিগ্বীজয়ী কখনো ছিল না, এরা হল ভীরু কাপুরুষের জাতি, পরিবারের মহিলাদের নিজের পিঠ বাঁচাবার জন্য বিদেশ থেকে আসা দ্বিগ্বীজয়ী নৃপতিদের হাতে হাসিমুখে তুলে দিত, মুখে না মানলেও কার্যক্ষেত্রে বিপাকে পড়লে লক্ষণ সেনের আচরণই এনাদের জন্য অনুসরণীয়।

        এখন যেহেতু জাত্যাভিমান-সংকীর্ণ স্বার্থের কারণে নিজধর্ম ত্যাগেও সাহসী নন, আবার চক্ষুলজ্জা অসার আত্মমর্যাদাবোধের কারণে অন্য ধর্ম গ্রহণেও আপত্তি -- সম্পূর্ণ অসার-উদ্ভট জেনেও নিজধর্মের বিরোধীতা করাটা কেমন দেখায়, তাই 'সর্বধর্ম' এর নামে দুনিয়ার প্রধানতম ধর্মগুলোর পেছনে লেগেছেন।

        কিন্তু এটুকু তো খেয়াল করা উচিত যে হাঙর-তিমিতে লড়াই হলে সেখানে অন্ততঃ পুঁটিমাছের রেফারিগিরি করতে যাওয়া উচিত নয়?

      6. এস. এম. রায়হান

        dilruba:

        আমি আগেই বলেছি- আপনারা আব্রাহামিক ধর্ম থেকে নকলবাজী (সৎউপায় অবলম্বন) করেছেন।

        এম_আহমদ:

        তা তো বুঝলাম। কোরানটা নকলবাজি। বাইবেলটা খাঁটি মাল। আসল বস্তু। অরিজিনাল। তয়, “আব্রাহামিক ধর্মের জুডিয়াজম, ক্রিশ্চিয়াটির সাথে ইসলাম ধর্মের বিন্দু মাত্র যোগসূত্র নেই” – সেই মুর্খামির উত্তর কই? [নকলবাজী হয়ে থাকলে] “বিন্দু মাত্র” যোগসূত্র থাকবে না কেন?

        কিছু মনে করবেন না। এগুলো হচ্ছে খাঁটি হিন্দুয়ানী যুক্তি। হ্যাতে তো একজন অজ্ঞ-মূর্খ। মুক্তমনা ব্লগের পিএইচডি-ধারী হিন্দুদের দিকেই দেখুন। তারা এতদিন ধরে ইসলামের নবী মুহাম্মদকে একজন খুনী, ধর্ষক, চরিত্রহীন, ভণ্ড, প্রতারক, বদমায়েশ, কামূক, শিশু নির্যাতক, উগ্র স্বৈরাচারী, ইত্যাদি বলে এসে অতি সম্প্রতি তাদের পিএইচডি-ধারী ভারতীয় গুরুজী প্রমাণ করে দিয়েছে যে মুসলিমরা যাকে নবী হিসেবে বিশ্বাস করে সেই মুহাম্মদের বাস্তবে কোনো অস্তিত্ব নাই।

        এবার বলেন, এটার ব্যাখ্যা দিবেন কীভাবে। যার বাস্তবে কোনো অস্তিত্বই নাই সে আবার কীভাবে খুনী, ধর্ষক, চরিত্রহীন, ভণ্ড, প্রতারক, বদমায়েশ, কামূক, শিশু নির্যাতক, উগ্র স্বৈরাচারী, ইত্যাদি হয়! এটার একমাত্র ব্যাখ্যা হচ্ছে- গোমূত্র-মিশ্রিত ভোদকা পান করা খাঁটি হিন্দুয়ানী যুক্তি ছাড়া কোনো সুস্থ মস্তিষ্কের মানুষ এই ধরণের চরম অসংলগ্ন প্রলাপ বকতে পারে না।

    2. 8.2
      dilruba

      আপনি ১.৬ বিলিয়ন মুসলমানের বড়াই করেন! অথচ আপনাদের ১২৯ ভেঁড়ার লাগাম সোজা রাখতে একজন মাত্র ইহুদী রাখালই যে যথেষ্ট সে কথা স্বীকার করেন্না কেন!!

      1. 8.2.1
        আহমেদ শরীফ

        আগেই বলেছি-

        কিন্তু এটুকু তো খেয়াল করা উচিত যে হাঙর-তিমিতে লড়াই হলে সেখানে অন্ততঃ পুঁটিমাছের রেফারিগিরি করতে যাওয়া উচিত নয়?

        এক আকবর বা আওরঙ্গজেবই বিশাল ভারতবর্ষের রাজাদের ঠান্ডা ঘরে ফ্রিজআপ করে রেখেছিল। পরিবারের সুন্দরী অভিজাত রাজপুত রমণীদের আকবরের শয়নকক্ষে পাঠিয়ে রাজ্য রক্ষা করতেন দূর্ধর্ষ রাজপুত রাজারা।

      2. কিংশুক

        জায়োনিষ্ট ইহুদিদের গড়া ঈশ্বরের আদেশে বহিষ্কৃত ইহুদিরা তাদের মেসিয়ার (জায়োনিষ্টরা) নেতৃত্বে পূণ্যভূমি দখল পরিকল্পনায় শত বছরের প্রচেষ্টায় ইসরাইল নামক অল্প জায়গা দখল করতে পেরেছে। জায়োনিষ্ট ইহুদিদের যে পরিমাণ মেধা, অর্থ, সামরিক শক্তি, রাজনৈতিক প্রভাব, কূটকৌশল আছে তা পৃথিবী শ্রেষ্ঠ। কেবল মুসলমানদের ভুমি দখল বলে এত বছরে এত অল্প ভূমি নিয়ে অস্তিত্ব রক্ষায় রাতদিন ব্যতিব্যস্ত থাকতে হয়। কোনদিন না আবার আরবরা এক হয়ে ইসরাইল নামক অবৈধ রাষ্ট্রকে দুনিয়া থেকে মুছে দেয়। ভারতীয় গো পূজারী হিন্দুগুলার দেশে প্রতিশ্রুত ভূমি থাকলে জায়োনিষ্টরা প্রতিশ্রুত ভূমির মিশরের অংশ বা অন্য অংশ দখলে ব্যর্থ হতোনা। গো পূজারীরা টাকা পয়সা, সুযোগ সুবিধার বিনিময়ে ইহুদিদের দূত পাশ্চাত্য সাদা চামড়া দেখলেই পা চেটে চেটে সব ইহুদিদের হাতে তুলে দিতো, না হলে অত্যাধুনিক মারনাস্ত্রের ভয়ে পিছনের দরজা দিয়ে পালাতো। কারণ ইহাই তাদের অতীত গৌরবময় ইতিহাস। সারাজীবন বহির্শক্তির, আরব, তুর্কি, আফগান, ইংরেজদের জুতা বহন করার "গৌরব" তিলক তাদের কপালে।

        গো বৎস্যরা মুসলমানদের জাপানের ভয় দেখায়! নিকট অতীতেই তো কম্যুনিষ্ট বনাম পুঁজিবাদী সাম্রাজ্যের যুদ্ধে ভূ-রাজনীতিতে কম্যূনিষ্টদের আফগানিস্তান দখলে পাকিস্তান সহ দক্ষিন এশিয়ায় কম্যুনিষ্ট ঠেকাতে আমেরিকা, পাকিস্তানের আর্থিক সহায়তায় আফগান মুজাহিদরা রাশিয়ান সেনাবাহিনীকে তাড়িয়ে দিয়েছে, নাস্তিক কম্যুনিষ্টরা মুসলমানদের দেশে নাস্তিক কমুনিজম চালু করবে কি কম্যুনিজষ্ট সাম্রাজ্যই ভেংগে গুড়ো গুড়ো হয়ে গেলো। এর আগে আফগানরা ব্রিটিশদেরও মেরে তাড়িয়েছে। গো বৎস্যদের রাম রাজত্বের নিশানা দুর কল্পনায় দুরবিক্ষণ যন্ত্র দিয়েও খুঁজে পাবেনা কারন উপমহাদেশের পাকিস্তান, আফগানিস্তানে গোবৎস্যদের জন্য জুতার বাড়ি ছাড়া কিছু নাই। অতীত স্বাক্ষ্য দেয় শ্রীলংকা, বাংলাদেশেও ভারতপ্রেমের চাইতে ভারত বিরোধী মনোভাব প্রকট। নেপালও মাওবাদে উচ্ছন্নে গেলো।

        এই একবিংশ শতাব্দিতে এসেও একমাত্র ইসলাম ধর্মই টিকে আছে, প্র্যাকটিসিং ধর্ম বর্তমানে একমাত্র ইসলাম। এখনও অনেক আরব মুসলিম দেশ হিসাবে যেকোন সময় ধর্মীয় রাষ্ট্রে রূপান্তরিত হতে পারে। সেই জনসমর্থন, প্রক্রিয়া সবই রয়েছে। কত মতবাদ পৃথিবীতে এলো গেলো কেউই ইসলামি মতবাদকে পরাজিত করতে পারেনি। ইহুদি খ্রিষ্টানরা আফগান মুজাহিদ জংগি লাদেনকে দিয়ে "নাফিস" নাটকের মতো করে ৯/১১ ঘটালো। ফলশ্রুতিতে জাপানের নিরাপত্তার দায়িত্ব নেয়া আমেরিকা, ইউরোপের ন্যাটো মিলে আফগানিস্তান, ইরাকে লাখ লাখ সৈন্য নিয়ে বিপুল শক্তিতে ঝাপিয়ে পড়লো, সামরিক শক্তির সাথে মিডিয়া শক্তি ব্যবহার করে গেলো। ইসলাম নিয়ে কোটি কোটি পৃষ্ঠা লেখা হলো। ইসলাম অনুবীক্ষণ যন্ত্রের নীচে এলো। সাথে সাথে সারা জীবন জুতা বহনকারী হিন্দুরাও ছাগলের তিন নম্বর বাচ্চা হয়ে ইহুদি খ্রিস্টানদের পক্ষালম্বন করে ইসলামের বিরুদ্ধে কলম যুদ্ধে সক্রিয় হলো। ইসলাম তো ঠিকই সকল পরীক্ষায় টিকে গেলো। কই ঠিকই তো আরব বসন্ত এসে ইসলামকে জীবন ব্যবস্থা হিসাবেই মানে এমন ইসলামিষ্টদের ক্ষমতায় নিয়ে আসলো।      

        অতএব, রাম রাস্ট্রের স্বপ্ন দেখা হিন্দুত্ববাদীরা এই জ্ঞান বিজ্ঞানের যুগে মিথ্যা গাল গল্পের হিন্দু ধর্ম  কিভাবে টিকিয়ে রাখবে সেই চিন্তা করতে থাক। কোন শিক্ষিত হিন্দু সনাতন ধর্মে সত্যিকারে বিশ্বাসী হতে পারেনা। রূপকথার হিন্দু ধর্মের কোন প্রভাব ভবিষ্যতে থাকারও কোন সম্ভাবনা নেই। নিজের চরকায় তেল না দিয়ে সারাদিন মুসলমানদের পিছনে পড়ে থাকাতে প্রমাণ হয় যুগ যুগ ধরে অন্যের জুতা বহন করতে করতে হীনমন্য হিন্দু জাতি ইসলাম ধর্মের এত প্রভাব দেখে মানসিক রোগে ভূগে দিনরাত ইন্টারনেটে মুসলমানদের পিন্ডি চটকানোকেই নিজেদের ধর্মের অস্তিত্ব রক্ষার একমাত্র পথ হিসাবে বেছে নিয়েছে। বিকৃত মানসিকতার লোকদের বিকৃত সুখ নেয়া আরকি। কই মুসলামানদের কোন ব্লগেতো হিন্দুদের নিয়ে তেমন কোন আলোচনা দেখিনা, হিন্দুত্ববাদীদের বিকৃত ব্লগগুলোতে ইসলাম নিয়ে যত আবোল তাবোল বকা হয় হিন্দু ধর্ম নিয়ে তার এক হাজার ভাগের এক ভাগও কোন ইসলামিক সাইটে আলোচনা করা হয়না। ইসলামিক সাইটে কেবল ইসলাম নিয়েই আলোচনা হয়। হিন্দুত্ববাদীরা অস্বাভাবিক প্রকৃতির পরমতঅসহিষ্ণু মানসিক রোগী।

  20. 7
    মুখতার

    জ্বে আছে, কারন তারা করো গর্ভ থেকে জন্ম গ্রহন করেছেন। আদম হাওয়া কার গর্ভ থেকে জন্ম গ্রহন করেছেন? যদি না করলে উনাদের নাভী ছিল কিনা ?

    1. 7.1
      এস. এম. রায়হান

      আপনার মা-বাবা যাদের গর্ভে জন্মগ্রহণ করেছেন তাদের নাভী এলো কোথা থেকে। এভাবে পেছন দিকে যেতে থাকেন। যেতে যেতে বিবর্তন তত্ত্ব অনুযায়ী একটি ব্যাকটেরিয়াতে যেয়ে ঠেকবেন। সেই ব্যাকটেরিয়ার কোনো নাভী ছিল না। তাহলে আপনার মা-বাবা'র নাভী কোথা থেকে এসেছে, এই প্রশ্নের জবাব দেন। আর হ্যাঁ, সেই ব্যাকটেরিয়ার দেহে কোনো প্রজননতন্ত্র, চোখ, কান, নাক, ব্রেন-সহ কিছুই ছিল না। তাহলে আপনার মা-বাবা'র দেহে এতগুলো অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ কোন্‌ গ্রহ থেকে এসেছে? ইসলাম অনুযায়ী প্রথম দু-জন নারী-পুরুষকে যেহেতু পূর্ণাঙ্গরূপে সৃষ্টি করা হয়েছে সেহেতু তাদের দেহে শুরু থেকেই নাভী-সহ সব কিছুই ছিল, ঠিক যেমন আপনার মা-বাবা ও আপনার দেহে আছে।

      1. 7.1.1
        শামস

        আপনার মা-বাবা যাদের গর্ভে জন্মগ্রহণ করেছেন তাদের নাভী এলো কোথা থেকে। এভাবে পেছন দিকে যেতে থাকেন। যেতে যেতে বিবর্তন তত্ত্ব অনুযায়ী একটি ব্যাকটেরিয়াতে যেয়ে ঠেকবেন। সেই ব্যাকটেরিয়ার কোনো নাভী ছিল না। তাহলে আপনার মা-বাবা'র নাভী কোথা থেকে এসেছে, এই প্রশ্নের জবাব দেন।

          হাসতেই আছি 🙂 🙂 🙂 🙂 🙂

    2. 7.2
      dilruba

       @ মুখতার ভাই,

      রায়হান সাহেব এবার লাইনে এসেছেন। উনি স্বিকার করেছেন ব্যাক্টেরিয়া থেকে রুপান্তর হয়েই ধিরে ধিরে মানব দেহের পুর্নাঙ্গ অবয়ব এসেছে। অন্যদিকে  ঠাকুরমার কোন দৈত্যই যদি মানুষ সৃস্টি করে থাকেন তাহলে আদম-হাওয়ার অপ্রযোজনীয় নাভী থাকবে কেন! তবে হাঁ, নাভী থাকবে তখনই যদি ঐ দৈত্যের পেট থেকে আদম-হাওয়ার জন্ম হয়ে থাকে।

      1. 7.2.1
        মুখতার

        @Dilruba…. মানব দেহে কেন নাভী থাকে, তা বুঝার ক্ষমতা যদি রায়হান সাহেবের থাকতো তবে দিনের পর দিন  বিবর্তনের বিরোধীতার নামে এইসব জঞ্জাল পড়তে হতো না।

      2. এস. এম. রায়হান

        Oh, you guys are proving the fact that Hindu believers are really stupid and hypocrite as well. I have already answered your stupid question, but without answering my question you are now throwing urine towards me.

        আপনার মা-বাবা যাদের গর্ভে জন্মগ্রহণ করেছেন তাদের নাভী এলো কোথা থেকে। এভাবে পেছন দিকে যেতে থাকেন। যেতে যেতে বিবর্তন তত্ত্ব অনুযায়ী একটি ব্যাকটেরিয়াতে যেয়ে ঠেকবেন। সেই ব্যাকটেরিয়ার কোনো নাভী ছিল না। তাহলে আপনার মা-বাবা'র নাভী কোথা থেকে এসেছে, এই প্রশ্নের জবাব দেন। আর হ্যাঁ, সেই ব্যাকটেরিয়ার দেহে কোনো প্রজননতন্ত্র, চোখ, কান, নাক, ব্রেন-সহ কিছুই ছিল না। তাহলে আপনার মা-বাবা'র দেহে এতগুলো অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ কোন্‌ গ্রহ থেকে এসেছে?

  21. 6
    মুখতার

    রায়হান ভাই,   আদম হাওয়ার কি নাভী ছিল ?

     

    1. 6.1
      এস. এম. রায়হান

      আপনার বা আপনার বাবা-মা'র কি নাভী আছে?

  22. 5
    Kumar Mondol

    Report from Wall Street Journal:

    "The name of this year's Investigator's award recipients are listed below:

    Mathematics: Ngo Bao Chau (University of Chicago), Vietnam; Maryam Mirzakhani (Stanford University), Iran; Kannan Soundararajan (Stanford University), India; Daniel Tataru (University of California-Berkeley), Romania.

    Computer Science: Rajeev Alur (University of Pennsylvania), India; Piotr Indyk (MIT), Poland; Salil P. Vadhan (Harvard), United States—his mother and father immigrated to the U.S. from India.

    Physics: Victor Galitski (University of Maryland), Russia; Randall Kamien (University of Pennsylvania), United States—father immigrated from Poland); Joel Moore (University of California-Berkeley), United States; Dan Thanh Son (University of Chicago), Vietnam; Senthil Todadri (MIT), India; Xi Yin (Harvard), China.

    Mr. Coclanis is professor of history and director of the Global Research Institute at the University of North Carolina, Chapel Hill."

     

    How many Islamic name you see here?  Note Islam is the second largest religion in the world.

    1. 5.1
      এস. এম. রায়হান

      You are showing your stupidity (false superiority?) again and again. I have already said that this post is not about Nobel Prize, nor does it talk about the contribution in science. I never claimed that Muslims have got many Nobel Prize and award in science either. Rather this post exposes the mentality of Hindu and Buddhist believers. They never wrote anything against the theory of evolution in Bangla blogs as they have noticed that the evolutionists are using this theory against Abrahamic religion in general and Islam in particular. You are not answering my question in this regard- can you produce a single Bengali article of Hindu or Buddhist criticizing/doubting the theory of evolution? Not only that, some cunning Hindu believer are even attacking Islam and Muslims in the guise of defending the theory of evolution. Look at your Hindu brother/sister in this post, for an example. I can show many more cunning Hindus like him/her.  

      How many Islamic name you see here?  Note Islam is the second largest religion in the world.

      You didn't answer my last question-

      Are you saying that the Nobel Prize winners from Hindu/Buddhist background were the believers of Hinduism/Buddhism? If yes, can you produce some evidence?

      1. 5.1.1
        Kumar Mondol

        I know it is not about nobel prize in science. But look at the title of this topic"Hindus and Buddhists should not be trusted regarding science". And you have drawn this conclusion because of the absence of write ups (by Hindu and Buddhists) refuting the Theory of Evolution. Your title is not about about theory of Evolution, rather Hindus and Buddhists should not be trusted related to scientific issues. Look at the last two sentence of your original write up.

        My wife is a laboratory supervisor of the Molecular Biology Department at Princeton University and works under a professor who is a nobel prize winner in Medicine. She frequently tells me how mutation takes place and how they culture different types of cells, genes, even DNAs etc based on the idea of mutation. Now you are claiming that theory of evolution which is based on mutation is a scientific fraud. My simple question is what is your scientific and academic credentials? How many original papers you have authored in cell biology or developmental biology. Are those publsied in rogorouslu refreed journals? If you have that, then you have every right to your claim and I will support it. And I will corroborate your assertion. I will say, look here is a scientist who has every reason to doubt the veracity of the theory of evolution.
        Regarding your comment about Hindus and Buddhists, I came across this report from WSJ regarding Investigators which is treated as an award for geniuses.

        "The prestigious (and lucrative) multiyear "Investigator" awards—often compared with MacArthur grants—are intended to provide what the Simons Foundation calls "a stable base of support for outstanding scientists, enabling them to undertake long-term study of fundamental questions." That is, to pursue basic scientific research of the most profound kind. Basic research doesn't always translate into quick business success, but over time it has proven crucial to applied research and economic innovations of all kinds"

        Note: Few of the names are Hindus and Buddhists, none Muslim. So, how does it jive with your derogatory comments about hindus and buddhists.

      2. এস. এম. রায়হান

        Without answering my questions directly, you are simply beating around the bush by bringing up the same issue again and again and over again. My position has been clarified in the write-up when I have talked about Hindu and Buddhist mindset. Try to find out the context.

        You claim to be a Hindu, so try to stick your argument on Hindus only. Let the Buddhists speak for themselves.

        My wife is a laboratory supervisor of the Molecular Biology Department at Princeton University and works under a professor who is a nobel prize winner in Medicine. She frequently tells me how mutation takes place and how they culture different types of cells, genes, even DNAs etc based on the idea of mutation.

        So, your belief on the theory of evolution is based on what your wife has told you? Well, then let her come here to defend this theory. Do you have any write-up proving the theory of evolution? If not, then I am not going to argue with someone who has not studied or even thought about this theory himself.

        My simple question is what is your scientific and academic credentials? How many original papers you have authored in cell biology or developmental biology. Are those publsied in rogorouslu refreed journals?

        Oh! You can't play this kind of game with me. Firstly, before asking me this kind of questions, you should ask the same questions to those in Bengali blogs who are defending and propagating the theory of evolution as a fact. Secondly, to ask for proof or to question about the theory of evolution, one doesn't need to publish any papaer on cell biology or developmental biology. Thirdly, can you produce any journal paper where the theory of evolution has been proven as a scientific fact?

        Note: Few of the names are Hindus and Buddhists, none Muslim.

        You are yet to prove that they are the believers of Hinduism. You can't even prove that the Indian Nobel Prize winners were the believers of Hinduism.

    2. 5.2
      এস. এম. রায়হান

      Another related question-

      Do you think 'Indian' or 'Hindu sounding name' means the believer of Hinduism? S/he cannot be anything else?

      1. 5.2.1
        dilruba

        For sure!! they must be Mumeen Muslims!! Isn't  @ এস. এম. রায়হান????

  23. 4
    dilruba

    প্রথমেই একটি জিনিস ক্লিয়ার করে নেয়া ভাল-  আমার মতে হিন্দু ধর্মের সুর-অসুর আর ইসলাম ধর্মের ভুত-পেত্নি-ফেরেস্তা-শয়তান…………. এসবের মাঝে কোন মৌলিক ফারাক আছে বলে আমি মনে করি না। যাক সে কথা।

    লক্ষ্য করা গেছে, জনাব রায়হান সাহেব ওনার পোষ্ট এবং বিভিন্ন মন্তব্যে চালাকির আশ্রয় নিছ্ছেন। কথা যেহেতু বিজ্ঞান নিয়ে-  তিনি নিজেই বুঝতে পেরেছেন সারশুন্য রুগ্ন ইসলামকে নিয়ে একক ভাবে জুতসই কিছু করা যাবে না, যে কারনে আব্রাহামিক ধর্মের দোহাই দিয়ে দল ভারি করার জন্য বারবারই তিনি মোটাতাজা জুডিয়াজম এবং কৃশ্চিয়ানিটির প্রতি অসহায়ের মত হাত প্রসস্ত করছেন! কিন্তু জুডিয়াজম, কৃশ্চিয়ানিটি যে তার ধর্মকে স্বীকৃতি দেয় না তিনি সে কথা বলেন্না। জুডিয়াজম, কৃশ্চিয়ানিটি মতে মোহাম্মদ যে ভন্ড নবী সে কথাও তিনি বলেন্না। ভাবতে অবাক লাগে মানুষ কতটুকু অসহায় দেউলিয়া হলেই শুধু এভাবে অন্ধকারে হাতরাতে পারে ।

    সারা বিশ্বজুড়ে আধুনিক লাইফ সায়েন্স অধ্যায়ে বর্তমান সময়ে সবচেয়ে গ্রহনযোগ্য, গবেষনালব্ধ এবং বৈজ্ঞানিক ভাবে প্রমানিত বিবর্তনবাদ তত্ব জনাব রায়হান সাহেবের কাছে কল্পকাহিনী-ভিত্তিক মনে হয়! কিন্তু প্যারাট্রুপার(প্যারাস্যুট যোগে নেমে আসা) আদম-হাওয়ার গন্ধম ভোজন তত্ব তার কাছে অতি বৈজ্ঞানিক। বিষয়টি এমন যে-  এক দেশে ছিল এক রাজা, এক রাণী। কোন এক দুষ্ট রাক্ষসের বিষ মাখা কাচ্চি বিরিয়ানীর প্রলভনে পা দিয়ে এক অচিন গ্রহ থেকে তারা পৃথিবীতে নেমে আসেন……………………..বলা যায় না, জনাব যায়হান সাহেব হয়তো অচিরেই আব্রাহামিক ধর্মের ইহুদী-নাসারা দের Space shuttle Curiosity র সাথে পাল্লা দিয়ে নিজেদের বোরাক পংখির লেঞ্জার বৈজ্ঞানিক তত্ব আবিক্কার করবে।

    সবাইকে ঈদের সুভেছ্ছা, ধন্যবাদ।

    1. 4.1
      আবদুল্লাহ সাঈদ খান

      সারা বিশ্বজুড়ে আধুনিক লাইফ সায়েন্স অধ্যায়ে বর্তমান সময়ে সবচেয়ে গ্রহনযোগ্য, গবেষনালব্ধ এবং বৈজ্ঞানিক ভাবে প্রমানিত বিবর্তনবাদ তত্ব

      আসলেই বিবর্তনের সবচেয়ে বড় প্রমাণ হল এই মিথ্যাচার এবং বিবর্তনবাদকে টিকিয়ে রাখার একমাত্র উপায় হল এই মিথ্যাচারকে সার্কুলেটিং করতে থাকা। তবে বস্তুবাদীদের ভয় হল এই মিথ্যাচার দিয়ে মুসলিমদের বিভ্রান্ত করতে পারছে না এবং কখনও পারবে না।

      1. 4.1.1
        dilruba

        @ জনাব আবদুল্লাহ সাঈদ খান ;

        দেখুন- মুসলমানরা এক সময় চাঁদের পিঠে মানুষের পা রাখাকে মিথ্যা অপবাদ দিয়েছে, কেননা ঐ চাঁদে দেখেই মুসলমানরা রোজা রাখেন, ঈদ করেন। আর এখন??  তারও আগে মুসলমানরা মাইকে আজান দেয়া কে হারাম বলতেন! আর এখন মাইক ছাড়া একদিনও চলে না। সুতরাং………………….

        ধন্যবাদ আপনাকে।

      2. 4.1.2
        আহমেদ শরীফ

        আসলেই বিবর্তনের সবচেয়ে বড় প্রমাণ হল এই মিথ্যাচার এবং বিবর্তনবাদকে টিকিয়ে রাখার একমাত্র উপায় হল এই মিথ্যাচারকে সার্কুলেটিং করতে থাকা। তবে বস্তুবাদীদের ভয় হল এই মিথ্যাচার দিয়ে মুসলিমদের বিভ্রান্ত করতে পারছে না এবং কখনও পারবে না।

         

        একটা মিথ্যাকে রঙচঙ মাখিয়ে রাতদিন সার্কুলেটিং করতে থাকলে এমনিতেই কিছু সার্কুলেশন হবে কারণ অখাদ্য রদ্দি পত্রিকাও কিছু মানুষ থাকেই যারা পয়সা দিয়ে কিনে পড়ে। আব্রাহামিক মতবাদে এখনো বিশ্বের 'অধিকাংশ' মানুষ বিশ্বাস করে এই সত্যটা সংকীর্ণমনা আঞ্চলিক বর্ণবাদিদের ভেতরে ভেতরে হীনবল করে রেখেছে। সেই হীনমন্যতাকে ধামাচাপা দিতেই জোরেশোরে কখনো 'বিজ্ঞান' 'যুক্তি' 'মানবতা' হ্যানো ত্যানো গীত গেয়ে তলাবিহীন ছদ্ম আত্মবিশ্বাস বাড়ানোর করুণ প্রচেষ্টা। আরে ! এই বিজ্ঞান-যুক্তির যুগেই তো ইসলামের বিজয়রথ সবকিছু গুঁড়িয়ে দিয়ে এগিয়ে চলেছে। আমেরিকা-ইউরোপসহ সভ্যতার কেন্দ্রগুলোতেই তো ইসলামের প্রসার বাড়ছে, 'জিহাদ' এর নামে মুসলিম জীবন দিয়ে দিচ্ছে, ইউরোপ আমেরিকায় প্রতি বছর হাজার হাজার নতুন মসজিদ হচ্ছে, ইসলামকে নিয়ে মাথা ঘামিয়ে লিখতে হচ্ছে লক্ষ লক্ষ টন কাগজ ভরে, জায়োনিস্ট-প্রোইভ্যাঞ্জেলিস্টদের মিলিয়ন মিলিয়ন ডলার খরচ করতে হচ্ছে ইসলামকে দমানোর জন্য, সারা বছর ইসলাম নিয়ে অগুণতি টকশো হচ্ছে _ বিজ্ঞান-যুক্তির-আধুনিক শিক্ষার ঠেলায় সনাতনধর্মীরাই নিজেদের ধর্মকে ব্যপকভাবে আস্তাকুঁড়ে ছুঁড়ে ফেলছে আর সেটি চলছে গত এক শতাব্দি ধরে রীতিমত উৎসবমুখর পরিবেশে ! এখন লেজকাটা শেয়ালের গলা ভেঙ্গে গেছে অন্যদের লেজ কাটার কথা বলতে বলতে কিন্তু বিধি বাম, অগত্যা স্তিমিত হয়ে যাওয়া ভাঙ্গা গলাতেই অসংলগ্ন বিক্ষিপ্ত নানা জগাখিচুড়ি মিশেল দিয়ে অন্যদের বিভ্রান্ত করতে গিয়ে হাস্যকরভাবে  সনাতনধর্মীরা নিজেরাই বিভ্রান্ত হচ্ছে _ আর অন্যদের কাছে কৌতুকের খোরাক হয়ে বিশ্বকে দিয়ে যাচ্ছে নিরন্তর বিনোদন।

         

         

    2. 4.2
      Sea Hawk

      পু্রো কমেন্টের জবাব দেয়ার দরকার নাই,যেহেতু আপনার সম্পুর্ন কমেন্টকে অযৌক্তিক ও অপ্রাসংগিক বললে ভুল হবে না এবং এ ধরণের মন্তব্য নিঃসন্দেহে মূর্খতার পরিচায়ক!! আমি যে কমেন্টের কথা বলব সেটা হলঃ

      //সারা বিশ্বজুড়ে আধুনিক লাইফ সায়েন্স অধ্যায়ে বর্তমান সময়ে সবচেয়ে গ্রহনযোগ্য, গবেষনালব্ধ এবং বৈজ্ঞানিক ভাবে প্রমানিত বিবর্তনবাদ তত্ব জনাব রায়হান সাহেবের কাছে কল্পকাহিনী-ভিত্তিক মনে হয়! //

      এবার একটু Zoom করিঃ

      // বর্তমান সময়ে সবচেয়ে গ্রহনযোগ্য, গবেষনালব্ধ এবং বৈজ্ঞানিক ভাবে প্রমানিত বিবর্তনবাদ তত্ব //

      আরেকটু Zoom করা যাকঃ

      //গবেষনালব্ধ এবং বৈজ্ঞানিক ভাবে প্রমানিত//

      এবার আসি মূল কথায়ঃ

      আপনার দাবীটা এককথায় অসাধারণভাবে এই বিষয়ে  আপনার  মূর্খতাকে ফুটিয়ে তোলে। আপনার কি এই তত্ত্ব বিষয়ে আদৌ কোন ধারণা আছে?? না আন্দাজের উপর ঢিল ছুড়ছেন?? চাপাবাজি করবেন ভালো তবে এমন কারো কাছে যে সেটা ধরতে পারবে না। যারা ধরতে পারবে তাদের কাছে চাপাবাজি করলে চাপা খুলে যেতে পারে। সাবধান!!

      বিবর্তনবাদ গবেষণালব্ধ এবং বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত?? কোথায় পেলেন এটা?? যত দিন যাচ্ছে 'ডকিন্স' এর মত কিছু অন্ধবিশ্বাসী বিজ্ঞানী ছাড়া অনেকেই এখন স্বীকার করছেন যে বিবর্তনবাদে যে বিবর্তনের 'গল্প' বলা হয়েছে তা সম্ভব না। এটার পেছনে বহু কারণ রয়েছে। এই সদালাপেই রয়েছে বেশ কিছু পাভেল ভাই, সায়িদ ভাই, সরোয়ার ভাই এঁদের লেখাগুলো পড়ুন তারপর আপনার দাবী করুন। তাছাড়া ভুলে যাবেন না 'ডিস্কভারী ইন্সটিটিউট' এর কথা যেখানে বহুবিজ্ঞানী এই তত্ত্বের বিপক্ষে একত্র হচ্ছেন।

      http://www.dissentfromdarwin.org/

       

       

       

      1. 4.2.1
        dilruba

        @ Sea Hawk,

        আমার মন্তব্যকে যে ভাবে জুম করছিলেন তাতে মনে হয়েছে হটাৎ না জানি ছক্কা মেরে দেন! কিন্তু ছক্কা তো দুরে থাক, শেষমেশ আলু বাজারের কালু আর গাবতলির মজনু পাগলাকে রেফার করে চম্পট দিলেন!!  এভাবে কি বিতর্ক চলে?  আপনি ডকিন্স কে অন্ধবিশ্বাসী(!হাহা, হাহা, হাঃ হাঃ) বিজ্ঞানী বলেছেন। তাহলে নিশ্চিত ভাবে বলা যায়-  অদৃশ্য আগুনের ভয়ে ৩০ পারার একটি চটি পুস্তকে আজন্ম মাথা গুজে রাখা মুক্ত বিশ্বাসের অনুসন্ধানী, নয় কি??   ধন্যবাদ আপনাকে।

      2. আহমেদ শরীফ

        @dilruba,

        উনি কি বলেছেন বা কাকে রেফার করেছেন সে বিতর্ক সিরিয়ালে আরো পরে আসবে। উনি যেটা জুম করেছেন সেটা 'আপনার' ই পূর্বের বক্তব্য থেকে উদ্ধৃত, যার বিষয়ে আপনার কাছেই ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে। কাজেই আগে নিজের বক্তব্যকে ডিফেন্ড করেন তারপর উনি ওনার বক্তব্যে কাকে রেফার করেছেন তার আলোচনা হবে।

        "গবেষনালব্ধ এবং বৈজ্ঞানিক ভাবে প্রমানিত বিবর্তনবাদ তত্ব" -- এটা আপনি দাবি করেছেন।

        "বিবর্তনবাদ গবেষণালব্ধ এবং বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত?? কোথায় পেলেন এটা??" -- এটা আপনার কাছে প্রশ্ন রেখেছেন উনি।

        কাজেই নিজ বক্তব্যের স্বপক্ষে রেফারেন্স আগে আপনার দেবার পালা।

  24. 3
    Kumar Mondol

    As far as we know Islam is the second most popular religion in the world. Please inform us, how many persons beloning to Islamic religion have won nobel prize in science, field prize in mathematics, or clark prize in economic science  or other prizes in scientific field in the last 100 yeras. Is the number greater than the number of such award winners belonging to Hindu or Buddhism religion. If that is rue, then only we will subscribe to your stupid assertion about superiority Islamic religion in the context of science. What a silly comment!

    1. 3.1
      dilruba

      @ মন্ডল ভাই ;

      আছেনা? শুরু থেকে শেষ- সাতরাজার ধন ইবনে সিনা করিরাজ!

      রকেট সাইন্স(বোরররররাক তত্ব) থেকে শুরু করে এমন কিছু নেই যা আমাদের মুসলমানরা আবিস্কার করেন্নি। 

      1. 3.1.1
        শামস

        @দিলরুবা,

        আপনারে মুক্তমনা মনে করে কনফিউজড ছিলাম! ভুল ধরিয়ে দেবার জন্য ধন্যবাদ।

    2. 3.2
      শামস

      নোবেল প্রাইজ তাইলে বিজ্ঞানে অগ্রগতির মাপকাঠি!!! এই মাপকাঠিতো মুক্তমনাদের গবেষণালব্ধ আবিষ্কার, তা এখন হিন্দু ও বৌদ্ধদের দ্বারাও যথেচ্ছাচার ব্যবহার হচ্ছে!  

      মুসলিমরা এইবার সত্যিই বিপদে পড়ছে! যতদিন অমুসলিমদের মতো প্রাইজে (!) এগিয়ে থাকতে না পারবে ততদিন ইসলামের সুপেরিয়রিটি নিয়ে প্রশ্নবিদ্ধ!

      রিয়েলি সিল্লি!

       

    3. 3.3
      এস. এম. রায়হান

      Your comment is totally irrelevant of this post. You have no idea what you are talking about. This post is not about Nobel Prize! Rather this post unmasks the opportunistic-minded Hindu and Buddhist, and you are probably one of them? Can you produce a single Bengali article of Hindu or Buddhist criticizing/doubting the theory of evolution?

    4. 3.4
      এস. এম. রায়হান

      Please inform us, how many persons beloning to Islamic religion have won nobel prize in science, field prize in mathematics, or clark prize in economic science  or other prizes in scientific field in the last 100 yeras.

      It's not something hidden, you already know that.

      Is the number greater than the number of such award winners belonging to Hindu or Buddhism religion.

      What's your point here? Are you trying to say that if the number is less than the number of such award winners belonging to Hindu or Buddhism religion, then the claim about Hindu and Buddhist in my post will be proven wrong?

      Moreover, this post is talking about the Hindu and Buddhist believers. Are you saying that the Nobel Prize winners from Hindu/Buddhist background were the believers of Hinduism/Buddhism? If yes, can you produce some evidence?

  25. 2
    dilruba

    বিজ্ঞান বিষয়ে আল কোরানের উপর ভরসা না করা গেলেও অন্ততঃ জোকার নায়েকের উপর পুর্ণ ঈমান আনা যায়…………………….।

    1. 2.1
      এস. এম. রায়হান

      নাম/নিক যা-ই হোক না কেনো, লেঞ্জা লুকিয়ে রাখা আসলেই খুব কঠিন কাজ, তাই না?

    2. 2.2
      আবদুল্লাহ সাঈদ খান

      যুক্তির সঙ্গে না পারলে নামবিকৃতি এবং ঐতিহাসিক সত্যকে স্বীকার করতে না পেরে সত্যবিকৃতি- এ ধরনের আদর্শিক অন্ধত্ব মাজারপূজারীরাও দেখায় না।

    3. 2.3
      sami23

      ছুপা হিন্দুরা যে সারা দিন জোকার নায়েক বলে বলে ল্যাদাইয়া সুখ খায়েশ করে, তা জানতাম না!!

  26. 1
    dilruba

    আপনি লিখেছেন : "অথচ মুসলিমরা অসংখ্য যুক্তির সাহায্যে দেখিয়ে দিয়েছে যে, বিবর্তন তত্ত্ব আসলে চরম হাস্যকর রকমের মিরাক্কেল বা কল্পকাহিনী-ভিত্তিক তত্ত্ব ছাড়া বেশী কিছু নয়।"

    বটেই @ রায়হান ভাই! মারহাবা।

    ইসলাম ধর্মে আদম-হাওয়া'র মজাদার গন্ধম ভক্ষন-তত্ব অত্যন্ত ভাব গম্ভির!!  কল্পকাহিনী-ভিত্তিক তত্ত্ব তো নয়ই…………………………..।

    1. 1.1
      এস. এম. রায়হান

      আপনার মতো লোকজনের কথাই এই পোস্টে বলা হয়েছে। আপনার মতো লোকজনের কাছে কী 'বাস্তব' আর কী 'কল্পকাহিনী' -- তা ইতোমধ্যে উন্মোচিত হয়ে গেছে। আপনারা নিজ ধর্মের সৃষ্টিতত্ত্বকে চেপে যেয়ে বিবর্তনবাদকে ডিফেন্ড করার নামে আব্রাহামিক ধর্মের সৃষ্টিতত্ত্বকে 'মিথ/কল্পকাহিনী' বলে প্রচার করছেন।

      আদম-হাওয়া (দু-জন নারী-পুরুষ) যদি মিথ/কল্পকাহিনী হয় তাহলে আজ থেকে হাজার হাজার বছর পর আপনার বাবা-মাও যে মিথ/কল্পকাহিনী হয়ে যাবে, এটুকু বোঝার মতো জিনিসও যদি মাথায় থাকত তাহলে ইসলামের গায়ে রাত-দিন গোমূত্র ছিটানোর কাজে ব্যস্ত না থেকে বিজ্ঞানের কোনো বিষয় নিয়ে গবেষণা করতেন।

      1. 1.1.1
        dilruba

        দেখুন-  আমার বাবা কল্পকাহিনী এ জন্য না যে সিন্দাবাদের রাক্ষস, খোক্কসের হালুয়া-পারোটার মায়াজালে পা দিয়ে প্যারাস্যুট যোগে অজানা নক্ষত্র থেকে নেমে এসেছেন @ জনাব রায়হান।

      2. এস. এম. রায়হান

        আমার বাবা কল্পকাহিনী এ জন্য না যে সিন্দাবাদের রাক্ষস, খোক্কসের হালুয়া-পারোটার মায়াজালে পা দিয়ে প্যারাস্যুট যোগে অজানা নক্ষত্র থেকে নেমে এসেছেন।

        এটিকে বলে হিন্দুয়ানী মানসিকতা- কাউকে পছন্দ না হলে তার গায়ে মল-মূত্র ছিটিয়ে দিয়ে প্রমাণ করা যে সে আসলেই কুৎসিত। বর্ণবাদী হিন্দুরা প্রয়োজনে নিজের বাবা'র গায়ে মল-মূত্র ছিটাতেও কুণ্ঠাবোধ করে না!

      3. 1.1.2
        আহমেদ শরীফ

        হাজার হাজার বছর আগে থেকে আব্রাহামিক ধর্মের বিভিন্ন বিষয়ের 'অথেনটিসিটি' বিভিন্ন সেমিটিক ধর্মের অনুসারী তথা ক্রীশ্চিয়ান-ইয়াহুদ ও মুসলিম কর্তৃক ব্যপকভাবে স্বীকৃত। এসব বিশ্বাস অন্ধ অপবিশ্বাস নয়, হাজার হাজার বছর ধরে বিশ্বসভ্যতার গুরুত্বপূর্ন বিরাট অংশ জুড়ে অগণিত প্রজন্ম পরম্পরায় হাজার হাজার কোটি মানুষ এসবের সাক্ষী। অনেক ঘটনাই এমন যা 'কমন', হাজার হাজার বছর ধরে প্রখ্যাত, সর্বজনবিদিতও বটে। যেমন ইসলামের ইউসুফ(আঃ) কে অন্যান্য ধর্মে যোশেফ, ইব্রাহিম(আঃ) কে আব্রাহাম, জিব্রাঈল(আঃ) কে গ্যাব্রিয়েল, নুহ(আঃ) কে নোয়া বা নোহা, আদম-হাওয়া(আঃ) কে এ্যাডাম-ঈভ ইত্যাদি বলা হয়েছে। এসবই হচ্ছে বিশ্বের বিভিন্ন ভূখন্ডের হাজার বছরের বিশ্বাসই শুধু নয় বরং ঐতিহাসিক স্বীকৃতিকে ভাষাগত বৈচিত্র্য সত্ত্বেও শ্রদ্ধার সাথে অসংখ্য নানা ভাষাভাষী মানবগোষ্ঠি প্রজন্ম পরম্পরায় পরম মমতায় ধারণ করে আছে। এসবের ভিত্তি শতাব্দির পর শতাব্দি ধরে সাধনা-চর্চা-আলোচনা-বিশ্লেষণে-প্রচারে-প্রসারে এত শক্ত ও গভীর হয়েছে যে কেয়ামত পর্যন্ত দুনিয়ার প্রধান ধর্মসমূহ হিসেবে এই পরষ্পর মিল থাকা সেমিটিক ধর্মগুলোই সিরিয়াস ধর্ম হিসেবে দাঁড়িয়ে গেছে, আছে এবং থাকবে। মূলতঃ একই ধর্মের বিভিন্ন বিবর্তিত বিচিত্র সংঘাতের পরিণতিতে যেন পুরনো নানা উত্থানপতনের মাঝে এক অসমাপ্ত মহাকাহিনীর মত সমাপ্তির হারানো দিকনির্দেশ খুঁজে চলেছে।

        সেখানে বিভিন্ন অঞ্চলের স্থানীয়ভাবে সংকীর্ণ পৌত্তলিক অলীক অপবিশ্বাস, 'ধর্ম' নামের উদ্ভট আত্মপ্রতারণাগুলোর ব্যবচ্ছেদ করতে গিয়ে বিশ্বের প্রধান ধর্মগুলোর সাথে তুলনা করাই হাস্যকর। কারণ বিশ্বের বিচারে সেগুলোকে 'ধর্ম' হিসেবে বিশেষ কোন গুরুত্ব দেয়া হয় না, অবশ্য মানুষ হিসেবে অধিকার দেয়া হয়। আধুনিক সভ্যতার মানদন্ডে যা আফ্রিকার জংলি মাসাইরাও 'নীতিগত' ভাবে তা লাভ করে।

      4. dilruba

        @ শরীফ,

        দেখুন এই ব্লগে আপনাদের সাথে যুক্তি মেধার বিতর্ক করা অনেকটাই অসম্ভব, কারন মডারেটর সাহেবরা আমার প্রায় লেখাই গায়েব করে দেন। ব্লগ চালাতে গেলে সত্যি হজম করার সহিষ্ণুতা থাকতে হবে, তবেই তো ব্লগ। সেটা যদি না থাকে তো হবে ক্যামনে? অথচ আপনাদের যাছ্ছেতাই লেখা গুলো ফাটাফাট চলে আসে। 

      5. আবদুল্লাহ সাঈদ খান

        মিথ্যাচারপূর্ণ, অযৌক্তিক ও বিজ্ঞানের নামে রুপকথার গাঁজাখুরী মন্তব্য আনলেই এই ব্লগে মোডারেট করা হয়। এই বদ্ধমনাদের ব্লগনা যে সত্যকে গাঁজাকে প্রমোট করা হবে আর ঔষধকে ডাস্টবিনে ফেলা হবে। 

      6. dilruba

        @ জনাব আবদুল্লাহ সাঈদ খান ;

        মিথ্যার ভয়ে পালিয়ে থাকা সত্যবাদীর চরিত্র হতে পারে না, বরং সত্য দিয়ে মিথ্যার মোকাবেলা করাই জ্ঞানির লক্ষ্যন…………………

      7. আহমেদ শরীফ

        @dilruba,

        দেখুন এই ব্লগে আপনাদের সাথে যুক্তি মেধার বিতর্ক করা অনেকটাই অসম্ভব, কারন মডারেটর সাহেবরা আমার প্রায় লেখাই গায়েব করে দেন। ব্লগ চালাতে গেলে সত্যি হজম করার সহিষ্ণুতা থাকতে হবে, তবেই তো ব্লগ। সেটা যদি না থাকে তো হবে ক্যামনে?

         

        'যুক্তি-মেধা' এমন জিনিস _ তার ঠিকরে বেরিয়ে আসা হীরক দীপ্তি আসলে দুনিয়ার কোন ব্লগের কোন মডারেটরই বন্ধ করতে পারে না। যদি অবশ্য শালীন রুচিসম্পন্ন ভাষায় লেখেন। তবে যেখানে বিশেষতঃ মুসলিমপ্রধান পরিবেশ এবং ইসলামের প্রতি সহানুভূতিশীল ব্লগারদের আধিক্য, সেখানে ভিন্নধর্মী হিসেবে সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষ ছড়াতে গিয়ে যদি আপনি মাত্রা ছাড়িয়ে বসেন, তাদের পরম শ্রদ্ধার অধিষ্ঠানটিতে আবর্জনা নিক্ষেপ করতে থাকেন _ সেক্ষেত্রে কিছু মডারেশন যে কোন ব্লগেই হবে, কেননা সেটি সুস্থ-মননশীল আলোচনার অন্তরায়। তবে আমার বিচারে আপনার অনেক মন্তব্য বিদ্বেষ প্রকাশে অলরেডি মাত্রা ছাড়িয়ে কয়েক কাঠি ওপরে উঠে গেছে এবং সেগুলো যথারীতি পোস্টগুলোতে বহাল তবিয়তে শোভা পাচ্ছে। সে কারণেই আপনার অভিযোগ অমূলক। কারণ অভিযোগ যদি সত্যি হত সেই সাম্প্রদায়িক বিদ্রুপ-বিদ্বেষমূলক কমেন্টগুলো নিশ্চয় বহাল থাকত না।

        তাছাড়া সদালাপে আপনার চেয়ে অনেক বড় বড় ভিন্নমতের মানুষেরা ব্লগিং করে গেছেন আজ যারা স্বনামধন্য। যেমন মুক্তমনার মালিক অভিজিৎ রায়, আদিল মাহমুদ ও আরো অনেকে। যুক্তির খেই হারিয়ে হীনমন্যতায় ভুগে ভুগে আপনার বক্তব্যে নিজের অক্ষমতাকে ধামাচাপা দেয়ার করুণ প্রচেষ্টাই মূর্ত হয়ে উঠছে যা দেখে আমরা মানবিক কারণে লজ্জা পাচ্ছি। যত যাই হোক, মানসিক শক্তির দূর্বলতায় আক্রান্ত হয়ে নিজেকে ভেঙ্গে পড়তে দেবেন না অনুগ্রহ করে, সদালাপের লেখক-পাঠকরা 'প্রাণবন্ত' আলোচনা পছন্দ করেন, ক্লান্ত হয়ে মাঠের মাঝে বসে পড়ে হাঁপাতে থাকা অপোনেন্ট নয়।  

        আর আপনাদের বলতে নেই কমন সেন্সেরও ব্যপক অভাব আছে। পুরো একটা মাস রমজানের রোজা রেখে হেদিয়ে পড়ার পর মুসলিমদের খুশির দিন ঈদটাকেও ছাড় দিলেন না। মিউনিসিপ্যালটির মশক নিধনের জমাদারদের মত এসে শুরু করে দিয়েছেন সাম্প্রদায়িক বিষবাষ্পের স্প্রে-সিলিন্ডার হাতে। ঈদের দু'তিন দিন অন্ততঃ ছাড় দিতেন, আমি তো আরো আক্ষেপ করছি আপনাকে ঈদের সেমাই খাওয়াতে না পেরে। অনলাইনের ভার্চুয়াল জগত না হয়ে 'বাস্তব' হলে নিশ্চিত আপনাকে কয়েক পদের মিষ্টান্ন খাইয়ে ছাড়তাম। আপনিও আতিথেয়তায় বিগলিত হতেন, বেশ একটা সম্প্রীতির ফুরফুরে শান্তিময় হাওয়া খেলে যেত এই উভয় সম্প্রদায়ের মেলবন্ধনে, হোক না তা ক্ষণস্থায়ী।

         

         অথচ আপনাদের যাছ্ছেতাই লেখা গুলো ফাটাফাট চলে আসে।

         

        আপনি পোস্টের লিংক আর কমেন্ট নাম্বার উল্লেখ করে আপনার করা সবচেয়ে দূর্দান্ত মন্তব্যগুলোর সাথে আমাদের ও পাঠকদের পরিচয় করিয়ে দিন। পাঠক ও আমরাও দেখি কি পরিমাণ 'চমৎকার' 'মননশীল' 'ক্ষুরধার' 'অপরুপ' জ্ঞানের জ্যোতি ও বুদ্ধিদীপ্ততা আপনার কালজয়ী কমেন্টগুলো থেকে ঝরে ঝরে পড়ছে ! প্লিজ পাঠকদের বঞ্চিত না করে এখনই আপনার দৃষ্টিতে নিজের সুন্দরতম কমেন্টগুলোর একটা লিস্ট করে ফেলুন, এটি সদালাপ তথা বাংলাব্লগিং জগতে একটা মাইলস্টোন হয়ে থাকবে। চাই কি পাঠকভোটের ভিত্তিতে সংকলিত করে একটা বেস্ট হিট ই-বুকও বের করা যেতে পারে। কি বলেন হে মহাত্মন ? 

         

         

      8. এস. এম. রায়হান

        হিন্দুদের মিথ্যাচারের কোনো সীমা নাই। যেখানে লাদি-মূত্রের দূর্গন্ধে ব্লগে ঢোকা যাচ্ছে না সেখানে আবার নাকি মডারেটর তার প্রায় লেখাই গায়েব করে দিচ্ছে। আপনার বাড়ির পুরো টয়লেট এখানে ঢেলে দিয়েছিলেন নাকি?

      9. dilruba

         @ জনাব শরীফ ;

        আপনার রায়হান সাহেব বামুন হয়ে চাঁন্দে হাত মেলেছেন!! অথচ আব্রাহামিক ধর্মের জুডিয়াজম, ক্রিশ্চিয়াটির সাথে ইসলাম ধর্মের বিন্দু মাত্র যোগসূত্র নেই। বুক অভ জেনেসিস তথা হিব্রু বাইবেল(তানাখ), ওল্ড টেষ্টমেন্ট, নিউটেষ্টমেন্ট, ক্যাথলিকস, প্রটেষ্টেন্ট, কপটিভ, অর্থডক্স  বিশ্বাসের ধর্মগন্থ সমুহের কোথায়ও ইসলাম বা নবী মোহাম্মদের নাম নিশানাও নেই। যে কারনে ইহুদি, খ্রিষ্টানদের কেউই ইসলাম ধর্মে স্বিকৃতি দেয় না, তাদের সাফ কথা islam is a false religion and muhammed is false prophet.  উচ্চাভিলাসি নবী মোহাম্মদ আসলে আব্রাহামিক ধর্মের বিভিন্ন কিংবদন্তি, কথক, শ্রুতিকথা………….. থেকে জোড়া তালি নকলবাজী করে  ইসলাম নামের এক গজাখিচুড়ি তৈরি করেছেন, সেখানে God(মোহাম্মদের আল্লাহ) এর পরে মোহাম্মদ নিজেই head of the department বনে গেছেন। শুধু তাই না খ্রিষ্টান ধর্মালম্বিদের মহাপ্রভু যিশুখ্রিষ্ট(Jesus Christ ) কে তিনি সামান্য এক নবীর পর্যায়ে নিয়ে এসেছেন। কথায় নলে গাঁয়ের লোক মানে না, আপনি মোড়ল!! যোশেফ,  আব্রাহাম, গ্যাব্রিয়েল, মোজেস, নোয়া এসবই বাইবেল থেকে নকলীবাজী…………………… হাস্যকরও বটে। কেরশিনের শিখা সবসময়ই সুর্যের সাথে মিতালী করতে চায়,  ইসলামের অবস্হা ঠিক তাই।

        অবশ্য, সবকুল হারয়ে আপনারা এখন জোকার নায়েকের ডিম্বতত্বের মাঝে নতুন এক ইসলাম পয়দা করার তাতে আছেন।

        ধন্যবাদ।

      10. আবদুল্লাহ সাঈদ খান

        আপনি প্রথমে নিজের মত করে একটি অনুসিদ্ধান্ত তৈরী করে নিলেন যে মুহাম্মদ (সা) এর নবী হওয়ার জন্য তাওরাত বা বাইবেলে তাঁর নাম থাকতে হবে, এরপর এই অনুসিদ্ধান্তের আলোকে বলে দিলেন যে যেহেতু খ্রিস্টান ও  ইহুদীরা তাদের বইয়ে নামটি পায়নি (বলে দাবী করছে) সুতরাং মুহাম্মদ (সা:) আল্লাহর রাসূল হতে পারে না। আপনার মানসিক অবস্থাই বলে দিচ্ছে জাকির নায়েকের বক্তব্য ও একটিভিটি আপনাদের মন ও মগজকে কতখানি আচ্ছন্ন করে রেখেছে। এ কারনেই নবী মুহাম্মদ (সা:) এর উপর মিথ্যে অভিযোগ চাপিয়ে দেয়া ব্যতিরেকে আপনার করার কিছু নেই। 

        ইন্টারআইডিওলজিকাল ডায়ালগে নাস্তিকদেরকেই তাদের মানসিক পশুত্ব প্রকাশ করতে দেখা যায়। এরা নিজেদের মিথ্যে আদর্শের বৈজ্ঞানিক মুখোশ দিতে যেমন ডারউইনবাদ নামক কল্পকথাকে বিজ্ঞানের নামে জোড় করে চালিয়ে দেয়, ঠিক তেমনি নিজেদের মানসিক অস্থিরতা ও শূণ্যতা গোপন করতে গিয়ে ডিলিউশনাল আচরণ শুরু করে দেয়। আপনার বক্তব্যে যেন তাদেরকেই খুজে পাচ্ছি। 

        যারা সত্যের পক্ষে হিকমাহর সাথে কথা বলে তাদের সাথে আপনাদের পার্থক্যটা এখানেই সুস্পষ্ট যে, আপনারা আপনাদের ধর্ম 'সেকুলার হিউমেনিজম' প্রচার করতে গিয়ে অন্য ধর্মের সবকিছুকেই (বিশেষত ইসলামকে) গালাগালির টার্গেট বানিয়ে নেন, আর যারা হিকমাহর পথ অবলম্বন করে তারা ইন্টারফেইথ ডায়ালগের কমনালিটিকে এড্রেস করেন। আপনাদের ধর্মে মানুষকে দেয়ার মত কিছু নেই, আপনাদের ধর্মের অস্তিত্ব নির্ভর করে অন্য ধর্মের সমালোচনা করার মধ্যে। কিন্তু ইসলাম সহ অন্যান্য ধর্মে মানুষকে দেয়ার মত কিছু আছে, এবং তাদের অস্তিত্ব শুধু সেকুলার হিউমেনিজমের সমালোচনা নির্ভর নয়। 

        আপনাদের এই মানসিক হীনমন্যতার জন্য রইল সমবেদনা। ধন্যবাদ    

      11. আহমেদ শরীফ

        আপনার রায়হান সাহেব বামুন হয়ে চাঁন্দে হাত মেলেছেন!!

        রায়হান সাহেবকে চাঁদে হাত 'মেলতে' হয় না। কারণ উনি চাঁদেই আপাততঃ বসে বসে নিজের দিব্যজ্যোতি বিকিরণ করছেন বাংলাব্লগিং জগতে। বিবর্তনবাদ ও অন্যান্য বিষয় নিয়ে ওনার যে অনন্যসাধারণ লেখাগুলো আছে সেগুলো বাংলা ভাষার ব্লগিংজগতের অতি মূল্যবান সম্পদ।

        আপনি চাঁদে ওঠার স্বপ্ন এই পর্যায়ে বাদ দিন। আগে ওনার মত ডজনখানেক পোস্ট লিখে নিজের স্বতন্ত্র যোগ্যতার স্বাক্ষর রাখুন, অথবা তথ্যভিত্তিক দলিলপ্রমাণ এবং অকাট্য যুক্তি সহকারে রায়হান সাহেবের পোস্টের বিষয়বস্তুর গঠনমূলক বিরোধিতা করুন, চাঁদে না উঠতে না পারলেও মোটামুটি চন্দ্রালোকের আওতায় এসে যাবেন। তারপর পাঠকই বিবেচনা করবে আপনাকে ঠেলেঠুলে চাঁদে তুলে দেয়া যায় কি না।

         

        অথচ আব্রাহামিক ধর্মের জুডিয়াজম ….. ইসলামের অবস্হা ঠিক তাই।

        আপনাকে আগে একবার উল্লেখ করে বলেছিলাম, এখন আবারও স্মরণ করিয়ে দিচ্ছি যে 'ইসলাম' বিশ্বের প্রধানতম ধর্ম দু'তিনটির মাঝে একটি, এবং এটি আন্তর্জাতিক ধর্ম। ইসলামে ক্রীশ্চান ও ইয়াহুদদের বলা হয় 'আহলে কিতাব' _ অর্থাৎ যাদের ওপর আসমানি কিতাব নাজিল হয়েছে। এটি ঐতিহাসিকভাবে সুবিদিত যে রাসূল(সাঃ) আরবের বাইরে একমাত্র মি'রাজের রাত্র ছাড়া সশরীরে কখনো গমণ করেন নি, ঐতিহাসিকভাবে বহুবার ওনার জীবদ্দশায় এটি প্রমাণিত যে তিনি 'মিথ্যা' জীবনে একটিও কখনো বলেন নি। উনি প্রথাগত শিক্ষার হিসেবে নিরক্ষরও ছিলেন। তাহলে আরবে বসে সারা দুনিয়ার সেমিটিক ধর্মগুলো সম্পর্কে উনি বিস্তারিত জানলেন কিভাবে আর তৎকালীন কাফিরদের পুঙ্খানুপুঙ্খ পরীক্ষার মাঝে সন্দেহাতীতভাবে যেসব প্রশ্নের উত্তর ওনার কোনভাবেই জানা সম্ভব নয় সেগুলোর নিখুঁত সঠিক উত্তরই বা দিলেন কিভাবে ? শুধু কাফিররাই বা কেন বড় বড় ইয়াহুদি আলেমগণও বিভিন্ন সময়ে ওনাকে বাজিয়ে দেখেছিল, যেসব প্রশ্নের উত্তর কোনভাবেই ওনার জানার কথা নয়, এমনকি যেসব কিতাব ইয়াহুদি আলেমগণের কাছে ছাড়া বিশ্বের আর কোথাও ছিল না _ সেসব কিতাবের সাথে মিলিয়েই বা রাসূল(সাঃ) নিখুঁতভাবে উত্তর দিলেন কিভাবে ?

        শুধু তাই না খ্রিষ্টান ধর্মালম্বিদের মহাপ্রভু যিশুখ্রিষ্ট(Jesus Christ ) কে তিনি সামান্য এক নবীর পর্যায়ে নিয়ে এসেছেন।

        আবারো না জেনে লাদানো, অথবা জেনেশুনে মিথ্যাচার শুরু করেছেন। 'খ্রিষ্টান ধর্মালম্বিদের মহাপ্রভু' যদি  যিশুখ্রিষ্ট(Jesus Christ ) হন তাহলে যিশুখ্রীষ্টের যিনি 'প্রভু' ওনাকে কি বলবেন ! মহামহাপ্রভু ?? কিসব বানোয়াট আজগুবি কথা বলেন বুঝি না! আর ওনাকে 'সামান্য নবী' র পর্যায়ে নামানো হয়েছে এই উদ্ভট তথ্যই বা কোথায় পেলেন ? এইসব আজেবাজে মিথ্যা ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণ করবেন না যা বলবেন তথ্যভিত্তিকভাবে বলুন, না জানলে অন্ততঃ আন্দাজে ঢিল ছুঁড়বেন না।

        কোরআন ও হাদিসে ঈসা(আঃ) কে একজন সম্মানিত পূর্ণাঙ্গ মর্যাদার নবী ও রাসূল হিসেবে অকুন্ঠ স্বীকৃতি দেয়া হয়েছে। ঈসা(আঃ) এর ওপর আসমানি কিতাব ইনজিল শরীফ নাজিল হয়েছিল বলেও স্বীকার করা হয়েছে। উনি ছিলেন শেষতম নবী মুহাম্মাদ(সাঃ) এর আগের নবী। ওনার মাতা মরিয়ম(আঃ) এর পবিত্রতার ও জেরুজালেমের সম্ভ্রান্ত পুরুষদের উল্লেখও আছে কোরআনে। ইসলামের সাথে যে প্রধান সাংঘর্ষিক ব্যাপার তাদের 'পাদ্রীসমাজ কর্তৃক বিকৃত' মতামতের সাথে আছে তা হল _

        * অধুনা খ্রীষ্টিয় ধর্মে ঈসা(আঃ) কে 'আল্লাহর পুত্র' হিসেবে যে দাবি করা হয়েছে সেটি ইসলামে সম্পূর্ণ 'অস্বীকার' করা হয়। কোরআনে সূরা ইখলাস নাজিল করে স্বয়ং আল্লাহতা'লা নিজেকে 'সন্তানবিহীন' 'পিতামাতাবিহীন' 'সাদৃশ্যবিহীন' ঘোষণা করেন যাতে করে ঈসা(আঃ) বা কারোরই আল্লাহর 'পুত্রত্ব' পাওয়ার সম্ভাবনা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন প্রমাণিত হয়ে যায়।

        * তারা 'ট্রিনিটি' তে বিশ্বাস করে, কোরআনে আল্লাহ নিজেকে সম্পূর্ণভাবে 'অংশিদারবিহীন' ঘোষণা করায় সেই দাবি অসার সাব্যাস্ত হয়ে যায়, ইসলাম অনুযায়ী।

        * ঈসা(আঃ) কে 'ক্রুশবিদ্ধ' করা হয় বলে খ্রীষ্টধর্মে দাবি করা হয়, ইসলামী বিশ্বাস অনুযায়ী সেই লাস্ট সাপারের পর পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী ষড়যন্ত্রীদের হাতে ঈসা(আঃ) আসলে মোটেই ক্রুশবিদ্ধ হন নি। ঘরের ছাদ উম্মোচন করে জনৈক ফেরেশতা ঈসা(আঃ) জীবিত অবস্থায় উঠিয়ে আসমানে নিয়ে যান এবং এখনো পর্যন্ত ঈসা(আঃ) সেখানে অবস্থান করছেন (বলা বাহুল্য অবশ্যই আল্লাহ কর্তৃক সম্মানিত জীবিকাও প্রাপ্ত হচ্ছেন)। ঈসা(আঃ) কে হত্যার জন্য যারা উদ্যত হয়েছিল তাদের দলপতি সবার আগে গৃহে প্রবেশ করামাত্র তার আকৃতি আল্লাহতা'লা ঈসা(আঃ) সদৃশ আকৃতিতে 'রুপান্তরিত' করেন যার ফলে তাকে ঈসা(আঃ) ভেবেই নিজেদের দলপতিকে ষড়যন্ত্রীরা হত্যা করে।

        * ইসলাম ও খ্রীষ্টিয় ধর্ম উভয়টিতেই ঈসা(আঃ) তথা যীশুখ্রীষ্টের পুনরাগমণের ব্যাপারটি স্বীকৃত। ইসলামী বিশ্বাস অনুযায়ী মসিহী দাজ্জালকে হত্যা করতে ঈসা(আঃ) পুনরায় দুনিয়ায় অবতরণ করবেন। খ্রীষ্টিয় ধর্মে পরষ্পরবিরোধী ধোঁয়াটে কিছু অস্পষ্ট বর্ণনা আছে, ওল্ড ও নিউ টেস্টেমেন্টে পাল্লা দিয়ে একটি অপরটির সাথে সাংঘর্ষিক, বিপরীতমুখী _ যা থেকে স্পষ্ট-নির্দিষ্ট করে কিছুই বোঝা যায় না। ইসলামে খুব স্পষ্টভাবে এমনকি যে মসজিদের মিনারে উনি দু'জন ফেরেশতার কাঁধে ভর দিয়ে অবতরণ করবেন সেটির নির্দিষ্ট স্থান পর্যন্ত একদম স্পষ্ট উল্লেখ আছে।     

        যাই হোক, ইসলামে লক্ষাধিক নবী(আঃ) এর আগমণের কথা বলা হয়েছে। যার মধ্যে মাত্র ৪ জনের ওপর পূর্ণাঙ্গ আসমানি কিতাব নাজিল হয়েছে, যা বাকিদের ওপর হয় নি। এজন্য লক্ষাধিক নবীদের মাঝে মাত্র এই ৪ জনই 'রাসূল' ও নবী, বাকি সবাই শুধু নবী, রাসূল নন। তাহলে কি দাঁড়াল ? লক্ষাধিক নবী(আঃ) এর মাঝে প্রধানতম ৪ জন নবী-রাসূলের ১ জন হলেন ঈসা(আঃ)। এটাকে কি কোনভাবে 'সামান্য' মর্যাদা বলার সুযোগ আছে ?

        অবশ্য, সবকুল হারয়ে আপনারা এখন জোকার নায়েকের ডিম্বতত্বের মাঝে নতুন এক ইসলাম পয়দা করার তাতে আছেন।

        ধন্যবাদ।

         

        যুক্তিহীন অন্ধ বিদ্বেষীর মত অবশেষে অসহায়ভাবে 'ট্যাগিং অস্ত্র' প্রয়োগ না করে যুক্তির নিরিখে যদি জাকির নায়েকের গঠনমূলক সমালোচনা করতেন তাহলে অনুপ্রাণিত হতাম। জাকির নায়েকের প্রচুর সমালোচক খোদ মুসলিমদের মাঝেই আছে, জাকির নায়েকের চেয়ে অনেক ছোট বড় স্কলারও রয়েছে।

        জাকির নায়েককে যদি 'জোকার' বলেন _ তাহলে সেরকম একটি জোকারও সনাতনধর্মীরা এত বছরেও পয়দা করতে পারলো না যে আন্তর্জাতিকভাবে হিন্দুধর্মের 'মহিমা' জগতবাসীর সামনে তুলে ধরবে ? তাহলে তো বলতে হয় আপনাদের একজন 'জোকার' ও নেই-কেউ নেই-কিছুই নেই _ যে আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে এই আধুনিক বিজ্ঞানের যুগে বৈদিক ধর্মের বিজয়ঝান্ডা তুলে ধরতে সক্ষম ? স্বীকার করে নেন তিক্ত সত্যটা যে আপনাদের এরকম কেউই নেই। সেক্ষেত্রে জোকার তো অনেক ভাল তার কিছু পারপাস আছে, ইনকাম আছে, ভিখিরির চেয়ে তো অনেক ভাল। ভিখিরি দ্বারে দ্বারে ঘোরে হাত পেতে পেতে ভরে ভিক্ষার ঝুলি, 'যুক্তি-বিজ্ঞান' এর ঠেলায় নিজেদের ধর্ম বহু আগেই 'অসার' সাব্যাস্ত হয়ে বিলুপ্তির পথ ধরে যে ধর্মাবলম্বীদের কাছে _ সেই নিঃস্বদের এখন দুয়ারে দুয়ারে ভিক্ষা করা ছাড়া উপায় কি ? আপনাদের নাম-না-জানা ভিখিরিরা ভিক্ষার থালা হাতে ঘোরাঘুরি ছাড়া কোন 'তত্ত্বটত্ত্ব' দিয়েছে নাকি শুধু 'ভোজনং যত্রতত্র শয়নং হট্টমন্দিরে' করে ফরেন ঘুরে ইয়োগা টিয়োগা শিখিয়ে হেদিয়ে মরছে ?

        ইসলাম নিয়ে আপনাদের 'শংকা' অমূলক কারণ ইসলাম যুক্তি-বিজ্ঞানের ধাক্কায় টালমাটাল হয় না, ইসলাম বিশ্বাস ও নিঃশ্বাসে আছে মুসলিমদের, সাধারণ আবালবৃদ্ধ মুসলিমরা পাড়ায় পাড়ায় মসজিদে দলে দলে দিনে ৫ বার নামাজ আদায় করতে ছোটে নিয়ম করে, প্রতিদিন অনেক অনেক লোক নতুন করে ইসলামে দীক্ষিত হয়, প্রতিমাসে নতুন নতুন অসংখ্য মসজিদ নির্মিত-অধিকৃত হয় আমেরিকা-ইউরোপের মত সারা বিশ্বে, সবচেয়ে সম্প্রসারমাণ ধর্ম হচ্ছে ইসলাম। এই ভয়ে বাকি প্রধান ধর্মাবলম্বী কট্টররা আতঙ্কে।

        এসব হচ্ছে 'আহলে কিতাব' দের গৃহযুদ্ধের মত। রাজকীয় পরিবারে কলহ-প্রতিযোগিতা। তবে কিনা "রাজায় রাজায় যুদ্ধ হয় উলুখাগড়ার প্রাণ যায়।" সেই অর্থে আপনারা আতঙ্কিত হলেও হতে পারেন। নইলে 'আদার ব্যাপারী'দের 'জাহাজ' এর খবর না নিলেও চলবে।

      12. dilruba

        @ জনাব শরীফ ;

        আমি আগেই বলেছি- আপনারা আব্রাহামিক ধর্ম থেকে নকলবাজী(অসৎউপায় অবলম্বন) করেছেন। আর এখন এটা ওটা বলে সাধু সাজতে চাছ্ছেন। কিন্তু যাদেরটা নকল করেছেন তারা অনেক আগেই আপনাদের expel  করে dismiss  করেছে। সুতরাং এটা নিয়ে আর কথা চলে না।
        আসলে চোরের এক কান কাটা গেলে লজ্জায় গ্রামের বাইরে থাকে, কিন্তু যে চোরের দুইকান কাটা যায় সে লাজ স্মরমের মাথা খেয়ে গ্রামের ভিতরই ঘুড়ঘুড় করে। আপনাদের অবস্হা অনেকটা তাই। আক্ষেপ………………

        বিবর্তনবাদ নিয়ে রায়হান সাহেবের রচিত পুথি আপনার কাছে অতি মূল্যবান সম্পদ হবে নাতো কার কাছে হবে?   একটু খেয়াল করুন-  সে আমলে নবীজী মোহাম্মদ স্বয়ং দা, বল্লম, ইট, পাথ্থর ছুড়ে কাফেরদের সাথে যুদ্ধ করতেন। উট, গাধার বহর নিয়ে মক্কা থেকে মদিনা যেতে নবীজীর পাক্কা তিন মাস লেগে যেত। সেই নিরেট প্রযুক্তিহীন নবী আবার দাবি করেন তিনি নাকি আলোর গতি নিয়ে মহাশুন্য ভ্রমন করেছেন!  সেই নিরেট বিজ্ঞানহীন নবী দাবি করেন গন্ধম ভক্ষন জনিত কারনেই নাকি পৃথিবীতে যত মানুষের আগমন!  আর তাতেই আপনারা চোখ কান বুজে মাথা ঢুকিয়ে দেন। কিন্তু আমরা তাতে বিন্দু মাত্র অবাক হই না, নিষিদ্ধ মদ-নারী'র অনৈতিক লোভ কতটা প্রকট হলে মানুষ এ কাজ করতে পারে? তাই বিজ্ঞান নিয়ে অন্ততঃ আপনাদের সাথে বিতর্ক করতে আমাদের আসলে লজ্জা লাগে, নিজেকে ধিক্কার দিতে ইছ্ছে করে। বিজ্ঞান নিয়েই যদি কথা বলতে চান তা হলে সর্বাগ্রে ঐ ৩০ অধ্যায়ের চটি বালিতে আজন্ম গুজে রাখা মাথা বেড় করে আসুন, তাহলেই শুধু বিবর্তনবাদের মর্ম বুঝতে সক্ষম হবেন।

        ধন্যবাদ।

      13. আহমেদ শরীফ

        আমি আগেই বলেছি- আপনারা আব্রাহামিক ধর্ম থেকে নকলবাজী(অসৎউপায় অবলম্বন) করেছেন।

        সুনির্দিষ্ট 'দলিলপ্রমাণ' ছাড়া এই ধরণের অভিযোগ খুবই গুরুতর ধরণের অসদুদ্দেশ্যপ্রণোদিত বদমাইশি যা যে কোন ব্লগে ছাড় পাওয়ার কথা না। 'নকলবাজি' কখন কোথায় কিভাবে করা হয়েছে তার সুস্পষ্ট প্রমাণ গ্রহণযোগ্য রেফারেন্সসহ দিতে না পারলে এবং একই সঙ্গে একজন ভদ্রলোক হয়ে থাকলে আপনি স্বীয় অকারণ বিদ্বেষমূলক অসত্য অভিযোগ ফিরিয়ে নেবেন এটাই প্রত্যাশা। অন্যথায় ধরে নিতে হবে যে আপনি হালকা ধরণের ব্যক্তিত্বহীন ফাজিল 'চুদুরবুদুর' টাইপ ইসলামবিদ্বেষী এবং সেভাবেই আপনাকে ট্রিটমেন্ট দেয়া হবে। কারণ কোনরুপ সুস্পষ্ট দলিলপ্রমাণ ছাড়া শুধুমাত্র সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষের বশবর্তী হয়ে সারা মানবজাতির সমচেয়ে প্রভাবশালী মহাপুরুষ যাঁর শত শত কোটি অনুসারী রয়েছে তাঁর সম্মন্ধে হুট করে এ ধরণের একটি আলটপকা ফালতু ভিত্তিহীন অভিযোগ এনে কোন জবাবদিহিতা ছাড়া এমনিই পার পেয়ে যেতে পারেন না।

         

        আসলে চোরের এক কান কাটা গেলে লজ্জায় গ্রামের বাইরে থাকে, কিন্তু যে চোরের দুইকান কাটা যায় সে লাজ স্মরমের মাথা খেয়ে গ্রামের ভিতরই ঘুড়ঘুড় করে। আপনাদের অবস্হা অনেকটা তাই। আক্ষেপ………………

         

        হে লক্ষণ সেনের উত্তরসূরীরা, আপনাদের দুই কান কাটা গেছে আজ নয়, বহু বহু যুগ আগে ভারতবর্ষের জমিনে যখন থেকে মুসলিমগণ আসা শুরু হয়েছে তখন থেকে। পর্যায়ক্রমে লেজ কাটা গেছে, চামড়া কাটা গেছে, সবশেষে মাথাও মনে গত শতাব্দির শুরুতেই কাটা গেছে। এখন পিস পিস করা হচ্ছে, অন্য কেউ করতে হচ্ছে না আপনারা নিজেরাই হাজার জাতপাত-ছোঁয়াছুঁয়ি-বামুন-হরিজন কাস্ট এখনও অনেক জায়গায় চালু রেখে সযত্নে তা করে চলেছেন। আর একটা সম্প্রদায়ের সব কিছু কাটা গিয়ে এরকম হেল্পলেস বেওয়ারিশ অবস্থা তখনই হয় যখন তার 'ওইটা' ও কাটা যায়। লজ্জার বিষয় যে 'ওইটা' 'বিবর্তন' এর আরো আগের স্তরে অনেক আগেই সম্ভবতঃ কাটা গিয়েছে, কারণ ঐতিহাসিকভাবে বখতিয়ার খিলজির জমানাতেও লক্ষণ সেনদের একই গৌরবগাঁথার ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে দেখা গেছে।

         

        বিবর্তনবাদ নিয়ে রায়হান সাহেবের রচিত পুথি আপনার কাছে অতি মূল্যবান সম্পদ হবে নাতো কার কাছে হবে?  

        ইতিমধ্যে 'বিবর্তনবাদের' মোটামুটি প্রায় কিছুই যে বোঝেন না তার গর্বিত স্বাক্ষর রেখে চলেছেন। এরপর চক্ষুলজ্জা থাকলে আপনার আবার 'বিবর্তনবাদ' ঢাকনা খুলতে যাওয়ার কথা না। আপনার দাবি অনুযায়ী আপনি যখন বিবর্তনবাদকে 'বৈজ্ঞানিকভাবে প্রতিষ্ঠিত-প্রমাণিত' বলে বুলি কপচালেন _ তখন আপনার উচিত ছিল 'বিজ্ঞানসম্মত' দলিলপ্রমাণ উপস্থাপন করে নিজের বক্তব্যের স্বপক্ষে স্ট্যান্ড শক্তিশালী করা। কিন্তু আপনি 'বিজ্ঞান' কপচানোর ধারে কাছেও না গিয়ে সম্পূর্ণ অপ্রাসঙ্গিকভাবে কাঁচাবাজারে গিয়ে প্রাণপণে 'আলু' আর 'কালু' চটকাতে লাগলেন।

        এভাবে আলু চটকাতে চটকাতে যারা নিজেরাই আস্ত একেকখান 'আলুকাবলি' হয়ে যায় তাদের সাথে কি 'বিবর্তনবাদ আলোচনা' আদৌ সম্ভব ?

        কোন বিষয় নিয়ে কোন লেখা তো তার কাছেই ইন্টারেস্টিং মনে হবে যে বিষয়টা বোঝে ভাল ধারণা রাখে। যেমন স্যার নিউটন ইউক্লিডের জ্যামিতিক উপপাদ্য পড়ে উপন্যাসপাঠকের মত আবেগতাড়িত হয়ে হাসতেন কাঁদতেন।

        বিষয় বস্তু সম্মন্ধ যার কোন ধারণাই নেই সে ইন্টারেস্ট পাবে কোত্থেকে ? আপনার যে ‘ধারণা’ কোন পর্যায়ের তা বিজ্ঞ পাঠককূলের বুঝতে দেরি হয় নি আপনাকে চ্যালেঞ্জ করামাত্র আলুবাজারে ছুটে গিয়ে আলু চটকে স্বয়ং ‘আলুকাবলি’ হয়ে যেতে দেখে !

      14. mukto-mona.com/bangla_blog/?author=335

        অথচ আব্রাহামিক ধর্মের জুডিয়াজম, ক্রিশ্চিয়াটির সাথে ইসলাম ধর্মের বিন্দু মাত্র যোগসূত্র নেই।

        বিতর্কে নামছেন কিন্তু মনে তো হয় না যে আব্রাহামিক ধর্মগুলো সম্পর্কে আপনার কোনপ্রকার জ্ঞান আছে।

         বুক অভ জেনেসিস তথা হিব্রু বাইবেল(তানাখ)

        হিব্রু বাইবেলের নাম হিব্রু বাইবেলই। বুক অব জেনেসিস এর প্রথম অধ্যায়কে বলা হয় বলেই জানি।

        বিশ্বাসের ধর্মগন্থ সমুহের কোথায়ও ইসলাম বা নবী মোহাম্মদের নাম নিশানাও নেই।

        এ বিষয়ে একমত। তবে এতে এত আনন্দিত হবার কি আছে? ওল্ড টেস্টামেন্টেও তো যীশু খ্রিষ্টের নাম নেই।

        শুধু তাই না খ্রিষ্টান ধর্মালম্বিদের মহাপ্রভু যিশুখ্রিষ্ট(Jesus Christ ) কে তিনি সামান্য এক নবীর পর্যায়ে নিয়ে এসেছেন।

        নাহ কোরানে তো ঈসাকে বড় চারজন নবির একজন বলেই দাবী করা হয়েছে জানি।

        কেরশিনের শিখা সবসময়ই সুর্যের সাথে মিতালী করতে চায়,  ইসলামের অবস্হা ঠিক তাই।

        এটা সব ধর্মের বেলায় খাটে।

        অফটপিকঃ আপনি নবযুগের দিলরুবা না? আপনাদের ওই ব্লগ আর চলেনা কেন? কাউকেই তো দেখি না!!

      15. এফ জেড করিম

        এখানে -আব্রাহামিক ধর্মের সাথে -- যেসব প্রলাপ বকা হচ্ছে -- সেক্ষেত্রে -- কিছুদিন আগের এই লেখাটি বড় প্রাসঙ্গিক মনে হল। -- http://www.shodalap.org/fz-karim/25365 -- তুলে দিলাম।পড়ে দেখতে পারেন।

Leave a Reply