«

»

এপ্রিল ৩০

কোন্‌ পাগলে বলে ঈশ্বর নাই, নাস্তিকরা অন্ধ না ভণ্ড?

নাস্তিক দাবিদারেরা আসলে অন্ধ না ভণ্ড – সেটা তারা নিজেরাই বলুক…

krishna1

krishna2

বিস্তারিত এখানে: http://www.bhagavad-gita.ws/god.html#god2

moga

বুদ্ধিমান পাঠক একটা মজার ব্যাপার লক্ষ্য করেছেন নিশ্চয়। হিন্দু পণ্ডিতদের দাবি অনুযায়ী কোনো কিছুতে বিশ্বাস করতে হলে তাকে স্বচক্ষে দেখতে পেতে হবে। স্বচক্ষে না দেখে কোনো কিছুতে বিশ্বাসকে 'অন্ধ বিশ্বাস' বা 'কল্পনা' বলা হয়েছে। এজন্য তারা ঈশ্বরের ছবি দেখিয়ে বলেছে, "As you can see above, there is only one God. Seeing is believing, not seeing is pure speculation. How can you believe in someone without actually seeing them or knowing what they look like?" এদিকে একই ধর্মের স্বঘোষিত নাস্তিক পণ্ডিতরা মুসলিমদেরকে 'অন্ধ বিশ্বাসী' বলে হেয় করছে এই বলে যে, ঈশ্বরের অস্তিত্বের পক্ষে কোনোই প্রমাণ নাই।

তাহলে দেখা যাচ্ছে যে, একদিকে হিন্দু পণ্ডিতরা একমাত্র গড বা ঈশ্বরকে চোখের সামনে হাজির করেই তবে বিশ্বাস করার কথা বলছেন; অন্যদিকে আবার একই ধর্মের নাস্তিক পণ্ডিতদের দাবি অনুযায়ী ঈশ্বর নিজে এসে তার অস্তিত্বের কোনো প্রমাণ দেননি কিংবা ঈশ্বর নামক কেউ যে আছেন তার পক্ষে কোনো রকম প্রমাণ কেউ দেখাতে পারেনি। অথচ এই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি নিয়ে এই দুটি গ্রুপ ভুলেও কখনো একে-অপরের মুখোমুখি হয় না। বরঞ্চ তারা স্ব স্ব অবস্থানে থেকে মূলত মুসলিমদেরকে ‘অন্ধ বিশ্বাসী’ বলে হেয় করছে, যেহেতু মুসলিমরা আল্লাহকে স্বচক্ষে না দেখেও যুক্তি ও বুদ্ধিমত্তা দিয়ে বিশ্বাস করে।

আজ থেকে কোনো নাস্তিক দাবিদারকে যদি বলতে শোনেন- ঈশ্বরের অস্তিত্বের পক্ষে কোনো প্রমাণ নাই, আস্তিকরা অন্ধ বিশ্বাসী, ইত্যাদি, ইত্যাদি- তাহলে বুঝতে হবে সে একজন ভণ্ড নাস্তিক। সে সুকৌশলে মুসলিমদেরকে 'অন্ধ বিশ্বাসী' প্রমাণ করার চেষ্টা করছে। এই উচ্চ শিক্ষিত ভণ্ডরা নিজেরা যেমন সত্যকে মেনে নিতে নারাজ, তেমনি আবার অজ্ঞ-অসচেতন মুসলিমদেরকে বিজ্ঞানের নামে নাস্তিকতায় ধর্মান্তরিত করে সত্য থেকে দূরে রাখার অপচেষ্টায় লিপ্ত।

১ মন্তব্য

  1. অপঠিত দৈনিকী

    এই ধরনের সুবিধাবাদী লেখকরা নিজেদের নাস্তিকতাকে প্রতিষ্ঠা করার জন্য যুক্তিবাদী সাজে। আর সেই পোষ্টের আলোচনা শেষ হয়ে গেলেই সেই যুক্তি ভুলে যায়। তাই ওদের যুক্তি দিয়ে আমি ওদেরই বলতে চাই- মন্দিরে মূর্তি দেখাই যদি ঈশ্বরকে প্রত্যক্ষ করা হয়, তবে পৃথিবীর প্রত্যেকটা মানুষ চাইলেই মূর্তি বানিয়ে নতুন ধর্ম যখন ইচ্ছা তৈরি করতে পারবে। তাহলে ঐ লেখক যদি নিজের যুক্তি মানেন তবে তাকে এভাবে বানানো প্রত্যেকটি ধর্মে বিশ্বাস করতে হবে।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।