«

»

জানু. ২৪

ইসলামকে ভাইরাস প্রমাণ করার জন্য অভিজিৎ রায়ের আর কতগুলো সন্ত্রাসী হামলা দরকার?

সন্ত্রাসী হামলা হলো আমেরিকায় (৯/১১ হামলা)। অথচ অভিজিৎ রায় তখন সিঙ্গাপুর থেকে এটাকে পুঁজি করে আমেরিকানদের চেয়েও 'বড় আমেরিকান' সেজে দাবি করলেন- 'ধর্ম' (?) একটি ভাইরাস।

সন্ত্রাসী হামলা হলো ভারতে (মুম্বাই হামলা)। অথচ অভিজিৎ রায় এটাকে পুঁজি করে ভারতীয়দের চেয়েও 'বড় ভারতীয়' সেজে সাথে সাথে পোস্ট দিয়ে দাবি করলেন- 'ধর্ম' একটি ভাইরাস প্রমাণ হয়ে গেছে।

সন্ত্রাসী হামলা হলো ফ্র্যান্সে (শার্লি এবদো হামলা)। অথচ অভিজিৎ রায় এটাকে পুঁজি করে ফরাসিদের চেয়েও 'বড় ফরাসি' সেজে সাথে সাথে পোস্ট দিয়ে দাবি করলেন- 'ধর্ম' একটি ভাইরাস প্রমাণ হয়ে গেছে।

সন্ত্রাসী হামলা হলো পাকিস্তানে (পেশোয়ার হামলা)। অথচ অভিজিৎ রায় এটাকে পুঁজি করে পাকিস্তানীদের চেয়েও 'বড় পাকিস্তানী' সেজে সাথে সাথে পোস্ট দিয়ে দাবি করলেন- 'ধর্ম' একটি ভাইরাস প্রমাণ হয়ে গেছে। এ নিয়ে কারো কোনো সংশয় থাকলে তা ঝেড়ে ফেলা উচিত।

'থাবা বাবা' ওরফে রাজীব হত্যাকাণ্ডকে পুঁজি করে রাজীবের মা-বাবা ও ভাই-বোনের চেয়েও 'বড় দরদী' সেজে অভিজিৎ রায় সাথে সাথে পোস্ট দিয়ে দাবি করলেন- 'ধর্ম' একটি ভাইরাস প্রমাণ হয়ে গেছে।

ইরানিয়ান আইনে খুনের অভিযোগে অভিযুক্ত এক মহিলাকে দেয়া মৃত্যুদণ্ডকে পুঁজি করে সেই ইরানী মহিলা, তার মা-বাবা ও ভাই-বোনের চেয়েও 'বড় দরদী' সেজে অভিজিৎ রায় সাথে সাথে পোস্ট দিয়ে দাবি করলেন- 'ধর্ম' একটি ভাইরাস প্রমাণ হয়ে গেছে।  

উল্লেখ্য যে, আমেরিকায় ৯/১১ হামলা, ভারতে মুম্বাই হামলা, ফ্র্যান্সে শার্লি এবদো হামলা, ইত্যাদি হামলা নিয়ে সেই অমুসলিম-অধ্যুষিত দেশগুলোর সরকার বা আদালতের পক্ষ থেকে কিন্তু 'ধর্ম'কে ভাইরাস বলা হয়নি কিংবা ধর্মের উপর দোষ চাপানোও হয়নি। রাজীব হত্যাকাণ্ড নিয়ে তার মা-বাবা, ভাই-বোন, বা আত্মীয়-স্বজনদেরও কেউ কিন্তু 'ধর্ম'কে ভাইরাস বলেনি। অনুরূপভাবে, ইরানে রেহানা জাব্বারির মৃত্যুদণ্ড নিয়ে সে নিজে-সহ তার মা-বাবা, ভাই-বোন, বা আত্মীয়-স্বজনদের কেউই 'ধর্ম'কে ভাইরাস বলেনি। বিজ্ঞান মহলেরও কোথাও 'ধর্ম'কে ভাইরাস বলা হচ্ছে না। অথচ অভিজিৎ রায় লুঙ্গি-ধূতি খুলে 'নাস্তিকবাবু' সেজে এই ধরণের ঘটনাগুলোকে পুঁজি করে তার মস্তকধোলাই পূজারীদেরকে হাইকোর্ট দেখিয়ে 'আধুনিক বিজ্ঞান'-এর নামে 'ধর্ম'কে ভাইরাস প্রমাণ করার চেষ্টা করছে। তবে মজার বিষয় হচ্ছে তার 'ধর্ম'কে ভাইরাস প্রমাণ করা পোস্টগুলোতে শত শত হিন্দুত্ববাদী ও ছুপা হনুরা লাইক-শেয়ার-সমর্থন দিয়েছে!

যাহোক, অভিজিৎ রায়ের 'ধর্ম'কে ভাইরাস প্রমাণ করার ক্রনোলজিটা এক নজর দেখা যাক। আমেরিকার ৯/১১ ও ভারতের ৯/১১ হামলাকে একিভূত করে 'ধর্ম'কে ভাইরাস প্রমাণ করার জন্য ২০০৮ সালের নভেম্বর মাসে প্রথম পোস্ট দেয়া হয় এভাবে-

virus1

 

একই সাথে আমেরিকা ও ভারতের পক্ষ নিয়ে এতবড় দুটি সন্ত্রাসী ঘটনা দিয়েও মনে হয় 'ধর্ম'কে ভাইরাস প্রমাণ করা যায়নি! এরপর ২০১০ সালের নভেম্বর মাসে 'ধর্ম'কে ভাইরাস প্রমাণ করার জন্য আরেকটি পোস্ট দেয়া হয়-

 

virus2

 

তাতেও বোধ হয় 'ধর্ম'কে ভাইরাস প্রমাণ করা সম্ভব হয়নি! পরবর্তীতে 'ধর্ম'কে ভাইরাস প্রমাণ করার জন্য রাজীব হত্যাকাণ্ড, 'পাকিস্তান-দরদী' সেজে পেশোয়ার হামলা, 'নারী দরদী' সেজে ইরানের রেহানা জাব্বারির মৃত্যুদণ্ড, 'ফরাসি দরদী' সেজে শার্লি হেবদো হামলা, এবং ফারাবী ও আইসিস-এর ঘাড়ে বন্দুক রেখে সময়ে সময়ে নিচের পোস্টগুলো দেয়া হয়-

 

virus3

virus4

virus11

মুক্তমনা প্রাণীদের অভিশ্বরজী সহি কথাই কইছে। The Virus of Faith is Indeed Real! He has proved it by sacrificing his own life!

 

virus5

virus6

virus7

virus8

virus9

virus10

 

তাহলে দেখা যাচ্ছে সেই ২০০৮ সালে মুম্বাই ও টুইন টাওয়ার হামলাকে পুঁজি করে অভিজিৎ রায়ের 'ধর্ম'কে ভাইরাস প্রমাণ করার মিশন শুরু হয়েছে। তারপর একাধারে রাজীব হত্যাকাণ্ড, ইরানের রেহানা জাব্বারির মৃত্যুদণ্ড, পেশোয়ার হামলা, শার্লি হেবদো হামলা, এবং ফারাবী ও আইসিস-এর ঘাড়ে বন্দুক রেখে 'ধর্ম'কে বারংবার 'ভাইরাস' দাবি করে পোস্ট দেওয়া হয়েছে। এই অবস্থায় ভাইরাসে আক্রান্ত রুগী কিংবা বদ্ধ উন্মাদ ছাড়া যেকারো মনে স্বাভাবিকভাবেই কিছু প্রশ্ন জাগবে, সেগুলো হচ্ছে-

'ধর্ম'কে কি ইতোমধ্যে ভাইরাস প্রমাণ করা হয়ে গেছে, নাকি এখনো হয়নি? যদি না হয়ে থাকে তাহলে 'ধর্ম'কে ভাইরাস প্রমাণ করার জন্য অভিজিৎ রায়ের আর কতগুলো (নির্দিষ্ট সংখ্যা) সন্ত্রাসী হামলা দরকার? ব্যাপারটা কি এমন যে, 'ধর্ম'কে ভাইরাস প্রমাণ করতে না পারা পর্যন্ত সন্ত্রাসী হামলা চলতেই থাকবে – অর্থাৎ বিষয় দুটি একে-অপরের সাথে সম্পর্কযুক্ত?

মুক্তমনাদের 'ঈশ্বর' অভিজিৎ রায়ের কাছে থেকে উপরের প্রশ্নগুলোর সুস্পষ্ট জবাব আশা করা হচ্ছে। একই বিষয়ে প্রাসঙ্গিক কিছু প্রশ্ন আগের একটি পোস্টেও করা হয়েছিল। কিন্তু আজ পর্যন্তও সেই প্রশ্নগুলোর কোনো জবাব পাওয়া যায়নি। প্রশ্নগুলো পুনরায় নিচে দেয়া হলো।

'বিশ্বাসের ভাইরাস'-এর আবিষ্কারক কোন্‌ ল্যাবে গোবেষণা করে এই ভাইরাস আবিষ্কার করেছেন? সেই গোবেষণালব্ধ ফলাফল কোনো বৈজ্ঞানিক জার্নালে প্রকাশ করা হয়েছে কি-না? সেই ভাইরাসের প্রতিষেধক বা অ্যান্টি-ভাইরাস কী? আবিষ্কারক নিজে এই ভাইরাস থেকে মুক্ত হয়েছেন কীভাবে, আর তার খৎনাধারী মুরিদদেরকেই বা মুক্ত করা হয়েছে কী করে?

প্রমাণ-সহ আমজনতা ও কিউরিয়াস মাইন্ড এই প্রশ্নগুলোর উত্তর জানতে চায়। আমজনতা কী করে নিশ্চিত হবে যে, 'বিশ্বাসের ভাইরাস'-এর আবিষ্কারক নিজে-সহ তার খৎনাধারী অন্ধ মুরিদরা এই ভাইরাস থেকে মুক্ত হয়েছে? এমনও তো হতে পারে যে, তাদের মধ্যেও এই ভাইরাস সুপ্ত অবস্থায় রয়ে গেছে, যেকোনো সময় চাগা দিয়ে উঠতে পারে; যার ফলশ্রুতিতে তারা যেকোনো সময় বাবরী মসজিদ হত্যাকাণ্ড কিংবা ৯/১১ ধ্বংসযজ্ঞের মতো ঘটনা ঘটাতে পারে। তাছাড়া তারা 'বিশ্বাসের ভাইরাস' থেকে মুক্ত হলেও তাদের কেউ কেউ যে অবিশ্বাস বা মুক্তমনা ভাইরাসের কারণে স্ট্যালিন, মাও, পল পট, কিংবা হিটলার হয়ে উঠবে না – এই নিশ্চয়তা 'বিশ্বাসের ভাইরাস'-এর আবিষ্কারক কোথায় দিয়েছেন? এমনকি তার অতি বিশ্বস্ত ও খৎনাধারী মুরিদরা যে শেষ বয়সে নিদেনপক্ষে একেকজন ফরহাদ মজহারও হবে না – তারই বা নিশ্চয়তা কী?

১০ মন্তব্য

এক লাফে মন্তব্যের ঘরে

  1. মোঃ তাজুল ইসলাম

    No doubt, Avijit is a great mental sick. “Biddesh” ei betar ontor-k paro-manobik chulli-r moto jalaitese. (I think) It would be good if we stop writing about him in this Shodalap site.

    1. ১.১
      এস. এম. রায়হান

      Yes, there's not a single iota of doubt that he himself is a virus-affected mental patient and also an Islamophobic Hindutva cult masquerading as an 'atheist'. This kind of cult guru needs to be exposed in public.

  2. নির্ভীক আস্তিক

    এই লোকেই না কয়দিন আগে খাগড়াগড় বিস্ফোরণ ঘটনা সম্পর্কে বর্ণনা করতে গিয়ে বললেন উনি জানেন "সন্ত্রাসীর কোন দেশ নেই, নেই কোন ধর্ম।" এই লোকতো একজন সাক্ষাৎ মিথ্যাচারী। তিনি বললেন-

    ইসলামে আছে ধর্ষণ প্রমান করার জন্য চারজন পুরুষ সাক্ষীর দরকার।

    এবং রেফারেন্স দিলেন সূরা নিসা ৪:১৫। দেখি এই আয়াতে কি লিখা আছে-

    Sahih international থেকে:

    Those who commit unlawful sexual intercourse of your women – bring against them four [witnesses] from among you. And if they testify, confine the guilty women to houses until death takes them or Allah ordains for them [another] way.

    অনুবাদ করলে দাঁড়ায় (আপনিও অনুবাদ করে দেখুন):

    যদি তোমাদের কোন নারী ব্যভিচারের অভিযোগে অভিযুক্ত হয়, তবে তোমাদের মধ্যে থেকে চারজন [বিশ্বাসযোগ্য] সাক্ষীর ৫২৪ তাদের বিরুদ্ধে দেয়া প্রামাণিক তথ্য গ্রহণ কর। যদি তারা সাক্ষ্য দেয়, তবে তাদের গৃহে অবরুদ্ধ করে রাখ, যতদিন না তাদের মৃত্যু হয়, অথবা আল্লাহ্‌ তাদের জন্য অন্য কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করেন।

    কি দেখলেন? ধর্ষণ এখানে কোথায় আছে? যদি আমরা কোন নারীকে ব্যভিচারের(এর আরেক নাম ধর্ষণ? এই নাস্তিক পাঁঠাগুলো কি সব বলে?) দায়েও অভিযুক্ত করি সেক্ষেত্রেও আমাদের অভিযোগ প্রামাণের জন্য চারজন সাক্ষী দরকার। এরপর থেমে থাকবেন না। আপনি মুসলমান হলে অবশ্যই জানেন কোরানের যেকোন বিষয়ে সিদ্ধান্ত একাধিক আয়াতের সমন্বয় করে নিতে হয়। দৌড় দিয়ে সূরা আন নূর আয়াত ২৪:৪-৫ পড়ে আসুন। সেখানে ৮০টি বেত্রাঘাতের শাস্তির বিধানটি পড়ে নিন।

    মৌলবাদী নাস্তিক সম্প্রদায়ের লোকদের গালে Virtually চপাটাঘাত ফেলার জন্য যারা এই আয়াতসহ ব্যাক্ষা করেছেন দুইজন প্রগতিশীল মুসলিম নারীর ব্লগপোষ্ট আমি এখানে আবারো লিঙ্ক করলাম:

    ১) Do Women Need 4 Witnesses to Prove Rape?
    ২) Rape: Fallacies of the four witness requirement

    যেখানে কিনা আয়াতগুলোর ঘটনাক্রম আমলে নেয়ার প্রয়োজন পড়ে নাই। যেকোন সুহৃদ পাঠক আয়াতটি পড়লেই বুঝতে পারবেন। এরা এই নারীদের কথা পড়ুক, তাদের অকাট্য আর সাবলীল যুক্তির দ্বারা এই মৌলবাদী সম্প্রদায় অপমানিত হোক। লজ্জা তাও এর (এবং এদের) হবেনা জানি, নিজেরা উলঙ্গ হয়ে অপরের পোষাকের ছিদ্রান্বেষণ এদের খোঁজার অপচেষ্টা বন্ধ করবেনা তাও জানি।

    লক্ষ্য করুন উনি ইরানের ধর্ষককে খুন করার দায়ী শাস্তির নারীর কথা টেনেছেন। অথচ, ইরানের ১০-১৫% মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে শুধু ধর্ষণের শাস্তির অপরাধে। ভিন্ন মতাদর্শীদের প্রতি অসহিষ্ণু এ সম্প্রদায় যে Stereotyping কিভাবে করে তা খুঁজে পাওয়ার জন্য ইন্টারনেটে একটু মই চালালেই পেয়ে যাবেন:
     
    ১। ইরানে ধর্ষণের দায়ে ৫ জনকে Public execution করা হয়েছে,
    ২। ইরানে ধর্ষণের দায়ে ৪ জনকে Public Execution করা হয়েছে।

    এরকম রয়েছে আরো হাজার হাজার ঘটনা যাকে আবার পাশ্চাত্যমুখিরা আর এই মৌলবাদী নাস্তিক সম্প্রদায়রাই ভ্রু কুঁচকে বাঁ হাতটা প্যান্টের চিপা দিয়ে ঢুকিয়ে একটু এঁটে সেটে মন্তব্যঃ "ও আইচ্ছা শাস্তি দিছে তাইলে। তা পাবলিকলি দিলা, একটু লুকাইয়া সুকাইয়া দিতে পারতানা।"

    এবার দৌড়ে যান, গত ১০০ বছরে মৌলবাদী নাস্তিকসম্প্রদায়ের দ্বারা ১০০ মিলিয়ন মানুষ বা তারো বেশি হত্যাকান্ডের ইতিহাস পড়ুন, তাদের দেশগুলোতে বিশেষত Cuba, china-তে জারনালিস্টদের মুখের স্বাধীনতা কেড়ে নেয়ার ইতিহাস পড়ুন, তাদের দেশ থেকে মানুষকে স্রেফ সরকারের বিরুদ্ধে লেখার কারণে দেশান্তরিত করার ইতিহাস পড়ুন। হিন্দু সাধুদের ধর্ষণের ঘটনা খুঁজুন, ভারতের সাম্প্রতিক গণধর্মান্তকরণের ঘটনা পড়ুন, সেগুলোতে ধর্ষণের ঘটনা গুলো খুঁজে দেখুন। সেক্যুলার রাষ্ট্রগুলোতে হিজাব-স্কার্ফ নিষিদ্ধকরণের পাশাপাশি তাদের চোখে দৃষ্টিকটু লম্বা Cross-কে নিষিদ্ধ করার পাঁয়তারার ইতিহাস পড়ুন। আর Women sexualization, সমকামিতাসহ আচার্য বৈধতা দেয়ার ইতিবৃত্ত পড়ুন।

    আমরা কিন্তু বলছিনা মুসলিমদের মধ্যে খারাপ নেই অথবা নাস্তিকদের মধ্যে সবাই খারাপ, গিয়ান পাপী। "মৌলবাদী" শব্দ দিয়ে তাই এদের মধ্যে একটু সরু টান দেয়ার চেষ্টাটা বাঞ্ছিত।

    1. ২.১
      শাখাওয়াত

      bro he was fully mental & satan….

  3. আল্লাহর তরবারী

    লেখাটা পড়ে ভাল লাগল

  4. এস. এম. রায়হান

    বিবর্তনের ধারায় ও 'মা প্রকৃতি'র অভিশাপে টিকে থাকতে না পেরে ২৬'শে ফেব্রুয়ারী ২০১৫ সালে আসল বিশ্বাসের ভাইরাস-টাই মনে হচ্ছে পৃথিবীর বুক থেকে চিরতরে বিলুপ্ত হয়ে গেছে। পৃথিবীবাসীর জন্য এইটা একটা সু-খবরই বলা যায়। ভাইরাসের পূজারীরা চাইলে এই পোস্টের লিঙ্ক-সহ এই মন্তব্যটার স্ক্রীনশট নিয়ে তাদের ব্লগে প্রকাশ করতে পারে।

  5. এস. এম. রায়হান

    "বিশ্বাসের ভাইরাস" শিরোনামে অনেকগুলো গোবেষণাধর্মী জার্নাল পেপার থেকে মানব জাতি বঞ্চিত হলো! ইসলামকে ভাইরাস প্রমাণ করার জন্য এতগুলো হাতেনাতে প্রমাণ হাতছাড়া হয়ে গেল! মানব জাতির জন্য এ এক অপূরণীয় ক্ষতি। আফসোস।

  6. এস. এম. রায়হান

    প্যারিস সন্ত্রাসী হামলা: ইসলামকে ভাইরাস প্রমাণ করার অনেক বড় ও চাক্ষুস একটি প্রমাণ অভিজিতের হাতছাড়া হয়ে গেল! মানব জাতি আরো একটি জার্নাল পেপার থেকে বঞ্চিত হলো! অভিজিতের সহি ইসলামের অনুসারী সহি মুসলিমদের সংগঠন আইএস থেকে এই হামলার দায়ও স্বীকার করা হয়েছে। আর কী লাগে। অভিজিতের জন্য মেঘ না চাইতেই মুশলধারে বৃষ্টি। একেবারে সোনায় সোহাগা।

  7. এস. এম. রায়হান

    বিজ্ঞানীরা যেখানে ল্যাবে বসে মাথার ঘাম পায়ে ফেলে মানবতার কল্যানে একের-পর-এক আবিষ্কার করছেন, ভিনগ্রহে পানি ও জীবের সন্ধান করছেন – সেখানে বিখ্যাত বিজ্ঞানমনস্ক বিজ্ঞানী(!) অভিজিৎ রায় বাংলা ব্লগে বসে কোরআনে ভাইরাস-জঙ্গি-সন্ত্রাস আবিষ্কার করেছে! 😛

  8. শাখাওয়াত

    yes!!! Avijit is number1 mental sick… His all followers are now want to set up incest in bd… look amu blog. they write in europe father sex with daughter, mom with son… ( sorry if someone mind though here main subject of write is faith& virus… in totally atheists are mental….

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।