«

»

Feb ১৯

খৎনা-বিদ্বেষী অভিজিৎ রায়ের খৎনাধারী পূজারী!

১. অনেকেই হয়তো জানেন যে, অভিজিৎ রায় একবার আমু ব্লগে 'মানবতাবাদী' মুখোশে তার খৎনাধারী দাসদেরকে গোচনা'মূত্র-মিশ্রিত ঘোল খাইয়ে বেহুঁশ করে ইসলাম ও মুসলিমদের উপর কুরুচিকর ভাষায় অতর্কীতে হামলে পড়তে যেয়ে আমাদের কাছে হাতেনাতে ধরা খেয়ে লেঞ্জা গুটিয়ে সেই যে চম্পট দিয়েছিল, আর কখনোই ফিরে আসার সাহস পায়নি! বিগত ২৬-শে ফেব্রুয়ারী বিবর্তনের ধারায় বিলুপ্ত হয়ে যাওয়ার পর থেকে তো ফিরে আসার সম্ভাবনা শূন্য হয়ে গেছে! বিস্তারিত এখানে পাওয়া যাবে। সেই সময় তার এক খৎনাধারী বেহুঁশ দাসের ঘাড়ে বন্দুক রেখে সদালাপের লেখকদেরকে 'আগা মুটা গুরা চিকন ছাগু' বলা হয়েছিল। দেখুন-

অভিজিতের এই মন্তব্যটা দেখে মনে একবার প্রশ্ন জেগেছিল এই ভেবে যে, সদালাপের লেখকদের গোপনাঙ্গের খবর সে জেনেছে কী করে! কিন্তু তখন ব্যাপারটা ঠিক বুঝতে পারিনি। তারপর সেই কথা প্রায় ভুলেই গেছিলাম বলা যায়।

মাস কয়েক আগে ফেসবুকে খৎনার বিরুদ্ধে একজন গোঁড়া হিন্দুর একটি পোস্ট নজরে পড়ে। সেই পোস্টের একটি মন্তব্যে যেয়ে চোখ আঁটকে যায়। সে বলেছে খৎনা করলে আগা মোটা গোড়া চিকন হয়ে যায়! তখন হঠাৎ করে মনে পড়লো, আরে! অভিজিৎ রায়ও তো একবার সদালাপের লেখকদেরকে 'আগা মুটা গুরা চিকন ছাগু' বলেছিল। সাথে সাথে পুরো ব্যাপারটা আমার কাছে পরিষ্কার হয়ে যায়। গোঁড়া হিন্দুদের ধারণা হচ্ছে খৎনার কারণে 'আগা মোটা গোড়া চিকন' হয়ে যায়! অর্থাৎ আগা মোটা গোড়া চিকন হওয়ার কারণ হচ্ছে খৎনা! এজন্য তারা মুসলিমদেরকে 'আগা মোটা গোড়া চিকন' বলে হেয় করে। ধূর্ত অভিজিৎ রায় নিশ্চিত ভাবেই জানতো যে, এই ধরণের কথা স্বনামে বললে তার মিশন্যারী ধর্মের সেখানেই সলীল সমাধী ঘটতো। এজন্য 'মানবতাবাদী' মুখোশের আড়ালে মাথা গুঁজে বলা হয়েছে যাতে তার মুসলিম-বিদ্বেষী বর্ণবাদী লেঞ্জা কেউ দেখতে না পায়!

 

২. 'বিশ্বাসের ভাইরাস' নামে অভিজিৎ রায়ের একটি ফেসবুক পেজ ছিল। পেজটা যেহেতু সে প্রকাশ্যেই চালাতো সেহেতু তার পূজারীদের অনেকেই এই পেজ সম্পর্কে অবগত। বিবর্তনের ধারায় বিলুপ্ত হয়ে যাওয়ার আগ পর্যন্ত এই পেজে ডজন ডজন পোস্ট দেওয়া হয়েছিল। প্রায় সবগুলো পোস্টেই ইসলামকে একটি ভাইরাস, অমানবিক, বর্বর, ও জঙ্গি-সন্ত্রাসী ধর্ম প্রমাণ করার চেষ্টা করা হয়েছিল। সেই পেজে খৎনার বিরুদ্ধে অভিজিতের প্রপাগ্যাণ্ডামূলক একটি পোস্ট দেখা যাক-

avi-khotna

 

পয়েন্টস টু বি নোটেড:

– পুরো পোস্টে অনর্থকভাবে 'ইহুদি ধর্ম' ও 'দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ' কথা দুটি যোগ করে নিজেকে 'নিরপেক্ষ' দেখানোর চেষ্টা করা হয়েছে। এই ধরণের নীচু মানসিকতার ভণ্ডামীর কোনোই দরকার ছিল না। কেননা বাংলা অন্তর্জালে একটি কথা প্রচলিত আছে- লেঞ্জা ইজ ভেরি ডিফিকাল্ট টু হাইড। পোস্টে তার মুসলিম-বিদ্বেষী লেঞ্জা খুব ভালো করেই দেখা যাচ্ছে। বাংলা লেখায় অনর্থক 'ইহুদি ধর্ম' উল্লেখ না করে ইহুদীদের কোনো সাইটে যেয়ে ইহুদী ধর্ম ও খৎনার বিরুদ্ধে বিষোদগার করার সৎ-সাহস তার কখনোই ছিল না।

– খৎনার বিরুদ্ধে তার প্রপাগ্যাণ্ডাকে 'জাস্টিফাই' করার জন্য একাত্তরের স্বাধীনতা যুদ্ধকে পর্যন্ত টেনে নিয়ে আসা হয়েছে। বর্ণবাদীরা কী-না পারে!

– খৎনাকে 'শারীরিক নির্যাতন', 'নারকীয় নির্যাতন', 'বীভৎস প্রথা', 'বর্বর', ইত্যাদি বলা হয়েছে। মুসলিম, ইহুদী, ও খ্রীষ্টানদের একাংশ-সহ সারা বিশ্বে মিলিয়ন মিলিয়ন পুরুষের খৎনা করা আছে। অথচ 'অক্ষত' অভিজিৎ রায় বুঝে গেছে খৎনা একটি 'শারীরিক নির্যাতন', 'নারকীয় নির্যাতন', 'বীভৎস প্রথা', 'বর্বর', ইত্যাদি! ক্যামনে কী! চিকিৎসাবিজ্ঞানীরা কিন্তু খৎনা সম্পর্কে এই ধরণের প্রলাপ বকেন না।

– অভিজিৎ রায়ের দাবি অনুযায়ী ধর্মবাদীরা (?) এই বীভৎস প্রথাটির পিছনেও চিকিৎসাবিজ্ঞানের অপব্যাখ্যা (?) নিয়ে আসে। কিন্তু ধর্মবাদীরা কোথায় কী অপব্যাখ্যা দিয়েছে তার পক্ষে কোনোই প্রমাণ দেওয়া হয়নি। কেননা ধূর্ত অভিজিৎ জানতো যে, সে জেনেবুঝে ধর্মবাদীদের নামে মিথ্যাচার করছে। বাস্তবতা হচ্ছে চিকিৎসাবিজ্ঞানীরাই খৎনার উপকারীতার পক্ষে বিভিন্ন যুক্তি দিয়েছেন। আগ্রহী পাঠক এখানে দেখতে পারেন। খৎনা-বিরোধীরা খৎনার বিরুদ্ধে যে কু-যুক্তিগুলো দেয় সেগুলোর কোনোটাই যুক্তিতে ধোপে টেকে না, এবং সেগুলো চিকিৎসাবিজ্ঞান দ্বারা প্রমাণিতও নয়। খৎনা নিয়ে উইকির পুরো লেখাটা পড়লে যেকেউ ব্যাপারটা বুঝতে পারবেন।

– অভিজিৎ রায়ের দাবি অনুযায়ী খৎনা নাকি 'অঙ্গহানি'! শুরুর দিকে যে গোঁড়া হিন্দু ব্লগারের কথা বলেছিলাম, সে-ও একই কথা বলেছে। অভিজিৎ-সহ গোঁড়া হিন্দুদের ধারণা হচ্ছে খৎনার সময় পুরুষাঙ্গের মাথা কেটে ফেলা হয়!!!

– অভিজিৎ রায়ের প্রশ্ন, "শরীর-স্বাস্থ্যের উন্নতির উদ্দেশ্যে জন্মের পর যদি এই ধরণের অঙ্গহানি ঘটাতেই হয়, ঈশ্বর তবে কি মানুষের শরীরকে যথেষ্ট নিখুঁত করে ডিজাইন করেন নি?"

মজার বিষয় হচ্ছে অনেক আগে একজন হিন্দু পুরোহিতের লেখাতেও অনুরূপ প্রশ্ন দেখেছিলাম! অভিজিৎ আর হিন্দু পুরোহিতের এই প্রশ্নের মধ্যেই কিন্তু উত্তর (তাদের মনের কথা) রয়ে গেছে! সেটি হচ্ছে হিন্দু ধর্মের ঈশ্বরই নিখুঁত ডিজাইনার, যেহেতু হিন্দু ধর্মে খৎনা প্রথা নাই এবং গোঁড়া হিন্দুরাও খৎনার বিরুদ্ধে। অন্যদিকে আব্রাহামিক ধর্মের ঈশ্বর আসলে ব্যাড ডিজাইনার, মানে মিথ্যা ঈশ্বর। কেস খতম! তাহলে এতো সহজ-সরল একটা সত্যকে সরাসরি না বলে অভিজিৎ রায়কে প্রতারণার আশ্রয় নিতে হয়েছে কেন? এই প্রশ্নের উত্তর মনে হয় সকলেরই জানা। অভিজিৎ রায় ছিল হিন্দুত্ববাদের জনক 'নাস্তিক' সাভারকারের উত্তরসূরী আধুনিক মিশন্যারী- যার মিশনের উদ্দেশ্য ছিল নাস্তিকতা ও বিজ্ঞানের মোড়কে মুসলিম নামধারীদেরকে নাস্তিকতায় ধর্মান্তরিত করে ইসলাম ও মুসলিমদের বিরুদ্ধে লেলিয়ে দেওয়া। অভিজিৎ রায় এই মিশনে পুরোপুরি সফল, যে কাজ সাভারকার ও বিবেকানন্দ-সহ বিখ্যাত হিন্দু গুরুদের কেউই পারেননি।

নোট: হিন্দু ধর্মের কোথাও খৎনার পক্ষে বা বিপক্ষে কিছু লিখা নেই। খৎনার ব্যাপারে প্রগতিশীল হিন্দুদের অবস্থানও ওপেন বা নমনীয় [সূত্র: , ]। মুসলিম বিদ্বেষীতার কারণে খৎনার বিরুদ্ধে বিদ্বেষ ছড়ায় মূলত গোঁড়া হিন্দুত্ববাদীরা। অন্যদিকে কুর'আনেরও কোথাও আল্লাহ্‌ খৎনা করার কথা বলেননি। খৎনা একটি আব্রাহামিক প্রথা- যেটি ইহুদী, মুসলিম, ও খ্রিষ্টানদের একাংশ পালন করে থাকে। তবে ইহুদীদের ধর্মগ্রন্থে সরাসরি খৎনা করার কথা বলা হয়েছে। অথচ অভিজিৎ রায় খুব সুকৌশলে ও প্রতারণার আশ্রয় নিয়ে খৎনার বিরুদ্ধে বিদ্বেষ ছড়িয়ে, খৎনা নিয়ে প্রশ্ন ছুঁড়ে দিয়ে, নিজ ধর্মকে সত্য প্রমাণ করার চেষ্টা করেছে। এই ধরণের ছুপাগিরির প্রমাণ তার লেখাতে অনেক আছে। এর আগে 'মরণোত্তর দেহদান' ও 'বিশ্বাসের ভাইরাস' নিয়ে লেখাগুলোতেও তার লেঞ্জা উন্মোচন করা হয়েছে। এভাবে লেঞ্জা উন্মোচিত হওয়ার প্রমাণ তার স্বনামের লেখাগুলোতেই অনেক আছে। আর মুখোশের আড়ালের লেখাগুলোর কথা তো বলাই বাহুল্য।

মিলিয়ন ডলার প্রশ্ন:

১. একজন 'নাস্তিক-মুক্তমনা-যুক্তিবাদী-বিজ্ঞানমনস্ক' দাবিদার কী করে চিকিৎসাবিজ্ঞানীদের দ্বারা সমর্থিত খৎনার বেশ কিছু উপকারীতার কথা পুরোপুরি চেপে যেয়ে খৎনার বিরুদ্ধে দিনে দুপুরে মিথ্যা ও বিদ্বেষমূলক প্রপাগ্যাণ্ডা চালাতে পারে? এটা কী করে সম্ভব? অভিজিৎ রায়ের 'আগা মুটা গুরা চিকন' পূজারীদের কাছেই প্রশ্নটা থাকলো। 

২. অভিজিৎ রায়ের 'আগা মুটা গুরা চিকন' পূজারীরা এখন কী করবে? তারা কি সার্জারীর মাধ্যমে 'টুপি' লাগিয়ে তাদের প্রভুর মতো 'আগা চিকন গুরা মুটা' হবে? তাছাড়া তাদের ছেলেদেরকেও কি 'আগা মুটা গুরা চিকন' করা হবে, নাকি তাদের প্রভুর মতো 'আগা চিকন গুরা মুটা' হিসেবে অক্ষত রাখা হবে? একজন বর্ণবাদীকে 'ঈশ্বর' বানিয়ে পূজা করতে চাইলে এই যৌক্তিক প্রশ্নগুলোর জবাব তাদেরকে দিতেই হবে।

পাঠক, লক্ষ্য করুন। অভিজিৎ রায় তার 'আগা মুটা গুরা চিকন' দাসদের ঘাড়ে বন্দুক রেখে মুসলিমদেরকে 'আগা মুটা গুরা চিকন ছাগু' বলেছে। খৎনার পক্ষে চিকিৎসাবিজ্ঞানীদের মতামত পুরোপুরি চেপে যেয়ে খৎনার বিরুদ্ধে বিষোদগার করেছে। অথচ তার 'আগা মুটা গুরা চিকন' দাসেরা কিছুই বলেনি! অভিজিৎ রায়ের লেখায় এ'রকম প্রমাণ আরো অনেক আছে যেখানে তার 'আগা মুটা গুরা চিকন' দাসদের ঘাড়ে বন্দুক রেখে সদালাপের লেখকদেরকে জঙ্গি-সন্ত্রাসী বলা হয়েছে এবং নাম বিকৃতি করে ইচ্ছেমতো ব্যক্তি আক্রমণ করা হয়েছে।

এ থেকে নিশ্চিতভাবেই প্রমাণ হচ্ছে যে, আধুনিক যুগের ব্রাহ্মণ পুরোহিত অভিজিৎ রায় মুসলিম নামধারী 'আগা মুটা গুরা চিকন' ছাগুদেরকে বিজ্ঞানের নামে মস্তকধোলাই করে আধুনিক যুগের দাস তথা 'শূদ্র' বানিয়েছে।

১৪ comments

Skip to comment form

  1. 11
    এস. এম. রায়হান

    অভিজিতের 'আগা মুটা গুরা চিকন' পূজারীরা কোনো জবাব দেয় না কেন?

    অভিজিতের খৎনাধারী পূজারীরা তাদের নামের কারণে একাধারে 'বিশ্বাসের ভাইরাসে আক্রান্ত', 'ম্লেচ্ছ', 'যবন', 'ছাগু', 'জঙ্গি', 'সন্ত্রাসী', 'আগা মুটা গুরা চিকন', ইত্যাদি তকমা মাথায় নিয়ে 'নাস্তিকতা' ও 'মুক্তচিন্তার চর্চা' করছে! 😛 এর চেয়ে লজ্জাস্কর আর কী হতে পারে!

    অভিজিতের 'আগা মুটা গুরা চিকন' পূজারীদের যুক্তি:

    -- মুসলিমরা একটি অসভ্য জাতি, আর আরব মুসলিমরা তো আরো অসভ্য ও বর্বর জাতি। কিন্তু সেই বর্বর আরবদের নামগুলো আবার আমাদের খুউব পছন্দ! এজন্য আমরা বাপ-মা'র ধর্মকে গার্বেজে ছুঁড়ে ফেলে দিলেও বাপ-মা'র দেওয়া নামগুলো ছুঁড়ে ফেলতে চাই না- পাছে আমাদের প্রভুরা আমাদেরকে গার্বেজে ছুঁড়ে ফেলে দেয়, এই ভয়ে!

    -- অন্যদিকে ইহুদী, নাসারা, হিন্দু, ও বৌদ্ধরা খুউব ভালো ও সভ্য জাতি। আমরা এদের সব কিছু নেব, এদেরকে অন্ধভাবে অনুসরণ করবো, ইউরোপ-আমেরিকায় থেকে বা না-থেকেও এদের পা চেটে চেটে মুসলিমদের দিকে থুতু ছিটাবো। কিন্তু মরে গেলেও এদের নামগুলো নেব নাহ্‌! কেননা এদের নামগুলো পঁচা ও দূর্গন্ধযুক্ত!

  2. 10
    সরকার সানজিদ আদভান

    মজা পেলাম। যেই হিন্দু 'মানবতাবাদী' রূপে মন্তব্য করেছে তার একটি Screenshot দিলে ভালো হত।

    1. 10.1
      এস. এম. রায়হান

      মূল লেখায় 'মানবতাবাদী'র একটি মন্তব্যের স্ক্রীনশট তো দেওয়া হয়েছে। সেই সাথে একটি লিঙ্কও যোগ করা হয়েছে যেখানে তাকে নিয়ে বিস্তারিত আছে। আর 'মানবতাবাদী' মুখোশের আড়ালে ছিল অভিজিৎ রায়।

  3. 9
    Guest

    Hi,

    You have got some good points. May I suggest you to post this in Muktomona.com? I know these two sites (muktomona and shodalap) have different views/objectives but since you have some valid arguments, therefore if you can post this as a separate article, you will get different opinions. The reason I telling you this is because: with this article here, you will receive only supportive feedbacks. But as a reader, we would like to hear different point-of-views. If you can post it there, one thing I can aasure you is that: even if you are verbally abused/insulted by others (rather than constructive arguments), you will receive lots of support from here as well. This is very controversial topic. There are scientific reasons on both sides of the argument. As you have good references/sources on this issue, I think it will be difficult to defeat the validity of the points you mentioned.

    Cheers!

  4. 8
    আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন

    আপনার স্ক্রীন শট থেকে একটা স্ট্যাটাস দিলাম। ধন্যবাদ। 

  5. 7
    এস. এম. রায়হান

    পাঠক, লক্ষ্য করুন। অভিজিৎ রায় তার 'আগা মুটা গুরা চিকন' দাসদের ঘাড়ে বন্দুক রেখে মুসলিমদেরকে 'আগা মুটা গুরা চিকন ছাগু' বলেছে। খৎনার পক্ষে চিকিৎসাবিজ্ঞানীদের মতামত পুরোপুরি চেপে যেয়ে খৎনার বিরুদ্ধে বিষোদগার করেছে। অথচ তার 'আগা মুটা গুরা চিকন' দাসেরা কিছুই বলেনি! অভিজিৎ রায়ের লেখায় এ'রকম প্রমাণ আরো অনেক আছে যেখানে তার 'আগা মুটা গুরা চিকন' দাসদের ঘাড়ে বন্দুক রেখে সদালাপের লেখকদেরকে জঙ্গি-সন্ত্রাসী বলা হয়েছে এবং নাম বিকৃতি করে ইচ্ছেমতো ব্যক্তি আক্রমণ করা হয়েছে।

    এ থেকে নিশ্চিতভাবেই প্রমাণ হচ্ছে যে, আধুনিক যুগের ব্রাহ্মণ পুরোহিত অভিজিৎ রায় মুসলিম নামধারী 'আগা মুটা গুরা চিকন' ছাগুদেরকে বিজ্ঞানের নামে মস্তকধোলাই করে আধুনিক যুগের দাস তথা 'শূদ্র' বানিয়েছে।

  6. 6
    মজলুম

    https://www.youtube.com/watch?v=x7niulDayUs

  7. 5
    এস. এম. রায়হান

    খৎনা-বিরোধীদের বিভিন্ন অপযুক্তি সম্পর্কে চিকিৎসাবিজ্ঞান বলে-

    Adverse effects

    Neonatal circumcision is generally safe when done by an experienced practitioner.[63] The most common acute complications are bleeding, infection and the removal of either too much or too little foreskin.[5][64] These complications occur in approximately 0.12% of procedures, and constitute the vast majority of all acute circumcision complications in the United States.[64] Minor complications are reported to occur in three percent of procedures.[63] A specific complication rate is difficult to determine due to scant data on complications and inconsistencies in their classification.[5] Complication rates are greater when the procedure is performed by an inexperienced operator, in unsterile conditions, or when the child is at an older age.[19] Significant acute complications happen rarely,[5][19] occurring in about 1 in 500 newborn procedures in the United States.[5] Severe to catastrophic complications are sufficiently rare that they are reported only as individual case reports.[5] Other possible complications include buried penis, chordee, phimosis, skin bridges, urethral fistulas, and meatal stenosis.[65] These complications may be avoided with proper technique, and are most often treatable without requiring a hospital visit.[65] The circumcision procedure may carry the risks of heightened pain response for newborns and dissatisfaction with the result.[31] Newborns that experience pain due to being circumcised have different responses to vaccines given afterwards, with higher pain scores observed.[66]

    Sexual effects

    Circumcision does not appear to decrease the sensitivity of the penis, harm sexual function or reduce sexual satisfaction.[20][67] A 2013 systematic review found that circumcision did not appear to adversely affect sexual desire, pain with intercourse, premature ejaculation, time until ejaculation, erectile dysfunction or difficulties with orgasm.[68] However, the study found that the existing evidence is not very good.[68] Another 2013 systematic review found that the highest-quality studies reported no adverse effects of circumcision on sexual function, sensitivity, sensation or satisfaction.[21] However, A 2014 literature review found that there are significant gaps in the current literature on male and female sexual health that need to be addressed for the literature to be applicable to North American populations.[69]

  8. 4
    এস. এম. রায়হান

    অভিজিৎ রায় খৎনাকে 'শারীরিক নির্যাতন', 'নারকীয় নির্যাতন', 'বীভৎস প্রথা', 'বর্বর', ইত্যাদি আখ্যা দিয়ে কোনো প্রমাণ ছাড়াই 'ধর্মবাদী'দের নামে চিকিৎসাবিজ্ঞানের অপব্যাখ্যা দেওয়ার কথা বলেছে। অথচ খৎনার বিভিন্ন উপকারীতা সম্পর্কে চিকিৎসাবিজ্ঞান বলে-

    Effects

    A 2014[update] review found that the benefits of circumcising an infant outweigh the risks of doing so by at least 100 to 1, and that "over their lifetime, half of uncircumcised males will require treatment for a medical condition associated with retention of the foreskin."[36]

    Sexually transmitted diseases

    Human immunodeficiency virus

    Main article: Circumcision and HIV

    There is strong evidence that circumcision reduces the risk of HIV infection in heterosexual men in high-risk populations.[10][11] Evidence among heterosexual men in sub-Saharan Africa shows an absolute decrease in risk of 1.8% which is a relative decrease of between 38 percent and 66 percent over two years,[11] and in this population studies rate it cost effective.[37] Whether it is of benefit in developed countries is undetermined.[15]

    There are plausible explanations based on human biology for how circumcision can decrease the likelihood of female-to-male HIV transmission. The superficial skin layers of the penis contain Langerhans cells, which are targeted by HIV; removing the foreskin reduces the number of these cells. When an uncircumcised penis is erect during intercourse, any small tears on the inner surface of the foreskin come into direct contact with the vaginal walls, providing a pathway for transmission. When an uncircumcised penis is flaccid, the pocket between the inside of the foreskin and the head of the penis provides an environment conducive to pathogen survival; circumcision eliminates this pocket. Some experimental evidence has been provided to support these theories.[38]

    The WHO and the Joint United Nations Programme on HIV/AIDS (UNAIDS) state that male circumcision is an efficacious intervention for HIV prevention, but should be carried out by well-trained medical professionals and under conditions of informed consent (parents' consent for their infant boys).[1][12][39] The WHO has judged circumcision to be a cost-effective public health intervention against the spread of HIV in Africa, although not necessarily more cost-effective than condoms.[1] The joint WHO/UNAIDS recommendation also notes that circumcision only provides partial protection from HIV and should not replace known methods of HIV prevention.[12]

    The available evidence does not indicate that circumcision provides HIV protection for heterosexual women.[5][40][41] Data is lacking regarding the effect circumcision may have on the transmission rate of men who engage in anal sex with a female partner.[39][42] It is undetermined whether circumcision benefits men who have sex with men.[14][43]

    Human papillomavirus

    Human papillomavirus (HPV) is the most commonly transmitted sexually transmitted infection, affecting both men and women. While most infections are asymptomatic and are cleared by the immune system, some types of the virus cause genital warts, and other types, if untreated, cause various forms of cancer, including cervical cancer and penile cancer. Genital warts and cervical cancer are the two most common problems resulting from HPV.[44]

    Circumcision is associated with a reduced prevalence of oncogenic types of HPV infection, meaning that a randomly selected circumcised man is less likely to be found infected with cancer-causing types of HPV than an uncircumcised man.[45] It also decreases the likelihood of multiple infections.[17] No strong evidence indicates that it reduces the rate of new HPV infection,[16][17][46] but the procedure is associated with increased clearance of the virus by the body,[16][17] which can account for the finding of reduced prevalence.[17]

    Although genital warts are caused by a type of HPV, there is no statistically significant relationship between being circumcised and the presence of genital warts.[16][46]

    Other infections

    Studies evaluating the effect of circumcision on the incidence of other sexually transmitted infections have reached conflicting conclusions. A 2006 meta-analysis found that circumcision was associated with lower rates of syphilis, chancroid and possibly genital herpes.[47] A 2010 review found that circumcision reduced the incidence of HSV-2 (herpes simplex virus, type 2) infections by 28%.[48] The researchers found mixed results for protection against trichomonas vaginalis and chlamydia trachomatis and no evidence of protection against gonorrhea or syphilis.[48] Among men who have sex with men, reviews have found poor evidence for protection against sexually transmitted infections other than HIV,[13][43] with the possible exception of syphilis.[43]

    Phimosis, balanitis and balanoposthitis

    Phimosis is the inability to retract the foreskin over the glans penis.[49] At birth, the foreskin cannot be retracted due to adhesions between the foreskin and glans, and this is considered normal (physiological phimosis).[49] Over time the foreskin naturally separates from the glans, and a majority of boys are able to retract the foreskin by age three.[49] Less than one percent are still having problems at age 18.[49] If the inability to do so becomes problematic (pathological phimosis) circumcision is a treatment option.[2][50] This pathological phimosis may be due to scaring from the skin disease balanitis xerotica obliterans (BXO), repeated episodes of balanoposthitis or forced retraction of the foreskin.[51] Steroid creams are also a reasonable option and may prevent the need for surgery including in those with mild BXO.[51][52] The procedure may also be used to prevent the development of phimosis.[6] Phimosis is also a complication that can result from circumcision.[53]

    An inflammation of the glans penis and foreskin is called balanoposthitis, and the condition affecting the glans alone is called balanitis.[54][55] Most cases of these conditions occur in uncircumcised males,[56] affecting 4–11% of that group.[57] The moist, warm space underneath the foreskin is thought to facilitate the growth of pathogens, particularly when hygiene is poor. Yeasts, especially Candida albicans, are the most common penile infection and are rarely identified in samples taken from circumcised males.[56] Both conditions are usually treated with topical antibiotics (metronidazole cream) and antifungals (clotrimazole cream) or low-potency steroid creams.[54][55] Circumcision is a treatment option for refractory or recurrent balanoposthitis, but in recent years the availability of the other treatments have made it less necessary.[54][55]

    Urinary tract infections

    A UTI affects parts of the urinary system including the urethra, bladder, and kidneys. There is about a one percent risk of UTIs in boys under two years of age, and the majority of incidents occur in the first year of life. There is good but not ideal evidence that circumcision reduces the incidence of UTIs in boys under two years of age, and there is fair evidence that the reduction in incidence is by a factor of 3–10 times.[5][58][59] Prevention of UTIs does not justify routine use of the procedure, however.[2] Circumcision is most likely to benefit boys who have a high risk of UTIs due to anatomical defects,[5] and may be used to treat recurrent UTIs.[2]

    There is a plausible biological explanation for the reduction in UTI risk after circumcision. The orifice through which urine passes at the tip of the penis (the urinary meatus) hosts more urinary system disease-causing bacteria in uncircumcised boys than in circumcised boys, especially in those under six months of age. As these bacteria are a risk factor for UTIs, circumcision may reduce the risk of UTIs through a decrease in the bacteria population.[5][60]

    Cancers

    Circumcision has a protective effect against the risks of penile cancer in men, and cervical cancer in the female sexual partners of heterosexual men. Penile cancer is rare, with about 1 new case per 100,000 people per year in developed countries, and higher incidence rates per 100,000 in sub-Saharan Africa (for example, 1.6 in Zimbabwe, 2.7 in Uganda and 3.2 in Swaziland).[61] Penile cancer development can be detected in the carcinoma in situ (CIS) cancerous precursor stage and at the more advanced invasive squamous cell carcinoma stage.[5] Childhood or adolescent circumcision is associated with a reduced risk of invasive squamous cell carcinoma in particular.[5][61] There is an association between adult circumcision and an increased risk of invasive penile cancer; this is believed to be from men being circumcised as a treatment for penile cancer or a condition that is a precursor to cancer rather than a consequence of circumcision itself.[61] Penile cancer has been observed to be nearly eliminated in populations of males circumcised neonatally.[57]

    Important risk factors for penile cancer include phimosis and HPV infection, both of which are mitigated by circumcision.[61] The mitigating effect circumcision has on the risk factor introduced by the possibility of phimosis is secondary, in that the removal of the foreskin eliminates the possibility of phimosis. This can be inferred from study results that show uncircumcised men with no history of phimosis are equally likely to have penile cancer as circumcised men.[5][61] Circumcision is also associated with a reduced prevalence of cancer-causing types of HPV in men[17] and a reduced risk of cervical cancer (which is caused by a type of HPV) in female partners of men.[6] Because penile cancer is rare (and may get more rare with increasing HPV vaccination rates), and circumcision has risks, the practice is not considered to be valuable solely as a prophylactic measure against penile cancer in the United States.[5][18][57]

    A 2015 meta-analysis found a non-statistically significant reduced risk of prostate cancer associated with circumcision, but that this reduction was significant among blacks and in studies looking at post-PSA and -testing groups.[62]

  9. 3
    শাহবাজ নজরুল

    শিরোনাম-সহ ব্লগ পোস্ট'টি অসাধারণ হয়েছে। আপনার এনালাইটিক ও পর্যবেক্ষণী ক্ষমতা অসাধারণ! মিলিয়ন ডলার প্রশ্নগুলোর সদুত্তর আশা করছি সংস্লিষ্ট পূজারীদের কাছ থেকে।

  10. 2
    এস. এম. রায়হান

    অভিজিৎ রায় নিশ্চিত ভাবেই জানে যে, হিন্দুরা খৎনা করে না এবং গোঁড়া হিন্দুরা খৎনার বিরুদ্ধে। অভিজিৎ নিজেও 'আগা চিকন গুরা মুটা' (তার ভাষায়) তথা 'অক্ষত' ছিল। অন্যদিকে সে এ-ও জানে যে, মুসলিমরা সবাই খৎনা করে এবং তারা খৎনার পক্ষে। চিকিৎসাবিজ্ঞানীরাও খৎনার উপকারীতার পক্ষে বিভিন্ন যুক্তি দিয়েছেন। এই অবস্থায় খৎনা নিয়ে 'নাস্তিক-মুক্তমনা-যুক্তিবাদী-বিজ্ঞানমনস্ক' দাবিদার অভিজিৎ রায়ের অবস্থানটা লক্ষ্য করলেই তার লেঞ্জা দেখা যাবে।

  11. 1
    কিংশুক

    তার শিষ্যদের (অথবা হাততালি দিয়ে সমর্থন দেওয়াদের) মধ্যের হাজার হাজার সমর্থক/শিষ্য ভারতের কট্টর হিন্দুত্ববাদী বিজেপির কর্মী/সমর্থক। সত্যিকারের বিজ্ঞানমনস্ক, মানবতাবাদী কট্টর নাস্তিককে বিজেপির এমন সমর্থন দেওয়া অসম্ভব। কারন এক শত ভাগ খাঁটি রূপকথার অমানবিক হিন্দু ধর্ম যে কোন বিজ্ঞানমনষ্ক মানবতাবাদী নাস্তিকের প্রতি সহানুভূতি না দেখিয়ে তার প্রতি বৈরী মনোভাব দেখানোর কথা। ছুপা হিন্দুত্ববাদীটা বাংলাদেশের 'কাটা বাড়া' আদিল টাইপের শত শত ছাগুদের ঘোল খাইয়েছে।

    1. 1.1
      dirtroad

      ভাই  হিন্দু ধর্মে নাস্তিক ঘৃনা করার বা মারার কোনো কথা নাই।  বিবর্তনের সাথেও কোনো ঝামেলা নাই  … অনেক হাজার বছর ধরে চার্বাক বাদীরা ঈশ্বর টিশ্বর কিছু নাই বলে আসতেছে  .. বুদ্ধও  ঈশ্বরের ব্যাপারে কথা বাড়ান নাই  ….. তাই হটাত আপনার কথা মতে বিজেপির কেন নাস্তিকদের ওপর রাগ করা উচিত তার কারণ পাইলাম না।

      https://en.wikipedia.org/wiki/Atheism_in_Hinduism

      1. 1.1.1
        কিংশুক

        বিজেপির হিন্দুত্ববাদীরা সমাজের কুসংস্কার ইত্যাদি বিরোধিতার জন্য গত এক দশকেই কত সেকুলার, কম্যুনিষ্ট, আধা নাস্তিককে মটর বাইকে করে চড়ে এসে গুলি করে মারলো। হিন্দুরা নাস্তিক না আস্তিক তা আমরা না জানার কারন নাই, আমাদের চারদিকে হিন্দুর অভাব নাই। ইশ্বর, ঠাকুর, দেবতা কি জিনিস হেইয়া মোরা বুঝি। বিজেপি কি চিজ হেইয়াও মুসলমান, খ্রিস্টান মাইরা তারা বহু পরমান দেছে কইলাম বজজো! হিন্দুত্ববাদ মচলমান খেরেসতান-মুক্ত মহাভারত রাম রাজ্যের স্বপ্ন দেহে এইয়াও জানো না? রায়হান ভাইয়ের লেহা পড়লে বুজবা নেস্তিকগো পরতি তুমার ইশ্বর চিকৃণ্ষের কি গোসসা! কিছু বুজলা?

Leave a Reply