«

»

ফেব্রু. ২৪

নিম্ন বর্ণের ভারতীয় নারী নাঙ্গেলীর নির্মম ঘটনা চেপে যেয়ে অভিজিৎ রায়ের “হাইপেশিয়া-প্রীতি”র নেপথ্যে

১. ব্রাহ্মণবাদীদের অমানবিক স্তন করের নির্মম শিকার নিম্ন বর্ণের হিন্দু নারী নাঙ্গেলী

আজ থেকে প্রায় দুশ’ বছর আগে ভারতের কিছু অঙ্গরাজ্যে হিন্দুদের মধ্যে এক প্রকার ট্যাক্স বা কর প্রচলিত ছিলো। করটির নাম- ‘স্তন কর' বা 'Breast Tax’. এর আরেকটি নাম মুলাককারাম (Mulakkaram)।

তখন নিয়ম ছিলো ব্রাহ্মণ ব্যতিত অন্য কোনো হিন্দু নারী তার স্তনকে ঢেকে রাখতে পারবে না। শুধুমাত্র ব্রাহ্মণ শ্রেণীর হিন্দু নারীরা তাদের স্তনকে এক টুকরো সাদা কাপড় দিয়ে ঢেকে রাখতে পারতো, বাকি হিন্দু শ্রেণীর নারীদেরকে প্রকাশ্যে স্তন উন্মুক্ত করে রাখতে হতো। তবে যদি কোনো নারী তার স্তনকে কাপড় দ্বারা আবৃত করতে চাইতো, তবে তাকে স্তনের সাইজের উপর নির্ভর করে ট্যাক্স বা কর দিতে হতো। এই নির্মম করকেই বলা হয় স্তন কর বা ব্রেস্ট ট্যাক্স।

১৮০৩ সালে নাঙ্গেলী (Nangeli) নামক এক নিম্ন বর্ণের হিন্দু নারী তার স্তনকে আবৃত করে রাখে। যখন গ্রামের ট্যাক্স কালেক্টর তার থেকে স্তন কর চাইতে আসে, তখন নালেঙ্গী তা দিতে অস্বীকার করে এবং নিজের দুটি স্তনকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কেটে কলাপাতা দিয়ে মুড়ে ট্যাক্স কালেক্টরকে দিয়ে দেয়। তখন কাটা স্তন দেখে ট্যাক্স কালেক্টর অবাক হয়ে যায়। স্তন কেটে ফেলার কিছুক্ষণ পরেই অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের জন্য নাঙ্গেলীর মৃত্যু হয়। স্ত্রীর মৃত্যু শোকে নালেঙ্গীর স্বামীও সাথে সাথে আত্মহত্যা করে। এই ঘটনার পর থেকেই স্তন কর রোহিত হয়।

Nangeli

(নাঙ্গেলীর প্রতীকী ছবি)

তবে স্তন কর রোহিত হলেও দক্ষিণ ভারতে নারীদের স্তন আবৃত করার জন্য বহু সংগ্রাম করতে হয়েছে। এমনকি বিষয়টি নিয়ে রক্তক্ষয়ী দাঙ্গা পর্যন্ত করতে হয়েছে তাদের। ১৯ শতাব্দীর মাঝে এসে যখন কিছু হিন্দু নারী তাদের শরীরের উপরের অংশ আবৃত করার অধিকার দাবি করে, তখন হিন্দু পুরোহিতরা স্পষ্ট করে বলে দেয়- নীচু বর্ণের নারীদের শরীরের উপরের অংশ আবৃত করা ধর্ম-বিরোধী। বিষয়টি নিয়ে ১৮৫৯ সালে দক্ষিণ ভারতে একটি দাঙ্গা সংগঠিত হয়। এই দাঙ্গার উদ্দেশ্য ছিলো হিন্দু নারীদের শরীরের উপরের অংশ আবৃত করার অধিকার আদায় করা। এই দাঙ্গা ‘কাপড়ের’ দাঙ্গা হিসেবে পরিচিত।

সূত্র:

১. http://www.nandikor.com/indian-breast-tax/

২. https://en.wikipedia.org/wiki/Nangeli

৩. http://gnomemag.com/breast-tax-in-ancient-india/

৪. http://www.rejectedprincesses.com/blog/modern-worthies/nangeli

৫. http://ajaysekher.net/2012/08/28/nangeli-mulachiparambu-breasttax-travancore/

৬. http://www.contentwriter.in/articles/musings/nangeli-kerala.htm

৭. http://asianhistory.about.com/od/governmentandlaw/tp/worsttaxes.htm

৮. http://www.vagabomb.com/How-One-Womans-Rebellion-Abolished-Keralas-Breast-Tax/

৯. http://homegrown.co.in/unsung-heroes-why-nangeli-a-19th-century-dalit-womans-sacrifice-is-important-even-today/

১০. http://www.thehindu.com/news/cities/Kochi/200-years-on-nangelis-sacrifice-only-a-fading-memory/article5255026.ece

নোট: সূত্রগুলো যাচাই করে প্রথম সূত্র থেকে এই লেখাটি প্রায় হুবহু কপিপেস্ট করা হয়েছে। আর নাঙ্গেলীর প্রতীকী ছবিটা নেওয়া হয়েছে ৯ নং সূত্র থেকে। 

 

২. ধর্মোন্মাদ খ্রীষ্টানদের নির্মম শিকার একজন দার্শনিক ও গণিতজ্ঞ নারী হাইপেশিয়া

এ সম্পর্কে উইকিপিডিয়া থেকে তুলে দেওয়া হলো-

হাইপেশিয়া (৩৭০ – মার্চ, ৪১৫) বিখ্যাত মিশরীয় নব্য প্লেটোবাদী দার্শনিক এবং গণিতজ্ঞ। মহিলাদের মধ্যে তিনিই প্রথম উল্লেখযোগ্য গণিতজ্ঞ। তিনি সবচেয়ে প্রসিদ্ধ আলেক্সান্দ্রিয়ান প্যাগানও ছিলেন। শিক্ষক হিসেবে তার সাফল্য উল্লেখ করার মত।

জীবনকাল

হাইপেশিয়ার পিতার নাম থিওন। তিনিও একজন খ্যাতিমান গণিতজ্ঞ এবং দার্শনিক ছিলেন এবং হাইপেশিয়াকে মৌলিক শিক্ষায় শিক্ষিতকরণে তার ভূমিকাই ছিল সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ। যাহোক ৪০০ সালের দিকে হাইপেশিয়া আলেক্সান্দ্রিয়ার নব্য প্লেটোবাদী দর্শনধারার মূল ব্যক্তিত্বে পরিণত হন এবং খ্যাতির চরম শিখরে আরোহণ করেন। তার মধ্যে অসাধারণ বাগ্মীতা, বিনয় এবং সৌন্দর্য্যের সার্থক সম্মিলন ঘটেছিল। এজন্য তিনি অসংখ্য শিক্ষার্থীর আকর্ষণ লাভ করতে সমর্থ হন। তাদের মধ্যে একজন হলেন সিরিনের সাইনেসিয়াস (Synesius) যিনি পরবর্তীতে (৪১০ খৃস্টাব্দে) টলেমাইস নামক অঞ্চলের বিশপ হন। হাইপেশিয়ার কাছে সাইনেসিয়াসের লেখা কিছু চিঠি এখনও বর্তমান রয়েছে। তার কোন ছবি পাওয়া যায়নি, তবে উনবিংশ শতাব্দীর লেখক ও সাহিত্যিকেরা তাকে সৌন্দর্য্যে দেবী এথেনের সঙ্গে তুলনা করেছেন।

মৃত্যু

তার মৃত্যুর সঠিক তাৎপর্য উপলব্ধি করতে হলে ইতিহাসের বেশকিছু ঘটনার ব্যাখ্যা প্রয়োজন। সম্রাট থিওডোসিয়াস-১ ৩৮০ সালে প্যাগানবাদ এবং অরিয়ানবাদের বিরুদ্ধে একটি অসহিষ্ণুতা নীতির সূচনা ঘটান। তিনি ৩৭৯ থেকে ৩৯২ সাল পর্যন্ত পূর্বাঞ্চলীয় রোমান সাম্রাজ্যের রাজা ছিলেন এবং এরপর থেকে ৩৯৫ সাল পর্যন্ত রোমান সাম্রাজ্যের পূর্ব এবং পশ্চিম উভয় অঞ্চলের অধিপতি ছিলেন। ৩৯১ সালে তিনি আলেক্সান্দ্রিয়ার বিশপ থিওফিলাসের পত্রের জবাবে মিশরের ধর্মীয় সংস্থানসমূহকে ধ্বংস করে দেয়ার অনুমতি প্রদান করেন। এর পরপরই খৃস্টান জনতা সম্মিলিত আক্রমণের মাধ্যমে আলেক্সান্দ্রিয়া গ্রন্থাগার এবং সারাপিস মন্দির সহ অন্যান্য প্যাগান সৌধগুলো ধ্বংস করে দেয়।

৩৯৩ সালে আইনসভার আইনের মাধ্যমে এ ধরণের স্থাপনা বিশেষ করে ইহুদী মন্দির ধ্বংসে আক্রমণাত্মক কার্যাবলির উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়। কিন্তু ৪১২ সালে আলেক্সান্দ্রিয়ার উর্ধ্বতন যাজক হিসেবে সিরিলের ক্ষমতায় আসার পর আবার সেই ধ্বংসাত্মক কাজগুলো শুরু হয়। ৪১৪ সালে আলেক্সান্দ্রিয়ায় ইহুদী বিতারণের সূচনার মাধ্যমে বিপর্যয়ের ঘনঘটা দেখা দেয়। এরই ধারাবাহিকতায় ৪১৫ সালে একদল ধর্মোন্মাদ খৃস্টান জনতার হাতে হাইপেশিয়া নিহত হন। বর্ণনামতে রথে করে ফেরার পথে উন্মত্ত জনতা তার উপর হামলা করে এবং হত্যার পর তার লাশ কেটে টুকরো টুকরো করে রাস্তায় ছড়িয়ে দেয়া হয়। অনেক বিশেষজ্ঞই তার মৃত্যুকে প্রাচীন আন্তর্জাতিক শিক্ষাকেন্দ্র আলেক্সান্দ্রিয়ার পতনের সূচনাকাল হিসেবে চিহ্নিত করেছেন।

লক্ষণীয়- আলেক্সান্দ্রিয়া গ্রন্থাগার ধ্বংস এবং হাইপেশিয়াকে নির্মমভাবে হত্যাকাণ্ডের ঘটনা দুটি ঘটেছে মুহাম্মদ (সাঃ)-এঁর জন্মেরও অনেক আগে।

 

৩. আধুনিক যুগের বিজ্ঞানমনস্ক(!) মিশন্যারী অভিজিৎ রায়ের ধূর্তামী

উপরে ব্রাহ্মণবাদী ও ধর্মোন্মাদ খ্রীষ্টানদের নির্মম শিকার যথাক্রমে নাঙ্গেলী ও হাইপেশিয়ার ঘটনা ইতোমধ্যে সবাই জেনে গেছেন নিশ্চয়। অভিজিৎ রায়ের দীর্ঘদিনের লেখালেখির ইতিহাসে নিকট-অতীত ও অতি-কাছের ভারতীয় নাঙ্গেলীর নির্মম ঘটনা পুরোপুরি চেপে যেয়ে প্রায় সতেরশ' বছর আগের সুদূর মিশরের বাসিন্দা হাইপেশিয়ার জন্য 'মানবতাবাদী মায়াকান্না' করে নিজেকে 'নারীবাদী' ও 'বিজ্ঞানমনস্ক' হিসেবে দেখিয়ে বিশাল একটি প্রবন্ধ রচনা করা হয়েছে। কেন? কারণ, বাংলা অন্তর্জালে প্রায় অজানা নাঙ্গেলীর নির্মম ঘটনা নিয়ে লিখলে অভিজিৎ রায়ের স্বজাতি ব্রাহ্মণবাদীদের ঘাড়ে দোষ চাপবে। তাছাড়া স্তন করের মতো নিম্ন বর্ণের নারী-বিদ্বেষী একটি করের কথাও অনেকেই জেনে যাবে। উল্লেখ্য যে, অভিজিৎ রায়ের লেখালেখির ইতিহাসে নিম্ন বর্ণের হিন্দু বা হিন্দু নারীদের অধিকার নিয়ে একটিও লেখা নাই – পুরাই মনুসংহিতার মনু! তবে নাঙ্গেলীর নির্মম ঘটনার সাথে যদি মুসলিমদের জড়িত থাকার পক্ষে কোনো প্রমাণ থাকতো সেক্ষেত্রে মনুজিৎ রায় 'নারীবাদী' সেজে নাঙ্গেলীর জন্য 'মানবতাবাদী মায়াকান্না' করার সুযোগ কখনোই হাতছাড়া করতো না। অন্যদিকে দার্শনিক ও গণিতজ্ঞ হাইপেশিয়ার জন্য মায়াকান্না করলে একদিকে যেমন নিজেকে 'বিজ্ঞানমনস্ক' হিসেবে দেখিয়ে তার খৎনাধারী দাসদেরকে ঘোল খাওয়ানো যাবে, অন্যদিকে আবার সেই হত্যাকাণ্ডের দায়ভার স্বাভাবিকভাবেই খ্রীষ্টানদের উপর থাকবে। সে কতটা হিসাব-নিকাশ করে লেখালেখি করেছে, চিন্তা করে দেখুন!

কিন্তু তার হিসাব-নিকাশ ও ধূর্তামীর এখানেই শেষ হয়নি। খুঁজে খুঁজে প্রায় সতেরশ' বছর আগের সুদূর মিশরের বাসিন্দা হাইপেশিয়াকে নিয়ে মায়াকান্না করার পেছনে মূল কারণ হচ্ছে ইসলাম ও মুসলিম বিদ্বেষ। হাইপেশিয়াকে নিয়ে উইকিপিডিয়ার লেখা থেকে সবাই জেনে গেছেন যে, আলেক্সান্দ্রিয়া গ্রন্থাগার ধ্বংস এবং হাইপেশিয়াকে নির্মমভাবে হত্যাকাণ্ডের ঘটনা দুটি ঘটেছে মুহাম্মদ (সাঃ)-এঁর জন্মেরও অনেক আগে। অথচ অভিজিৎ রায় ময়লা-আবর্জনা খুঁজে আলেক্সান্দ্রিয়া গ্রন্থাগার দ্বিতীয়বার (?) ধ্বংসের সাথে 'ইসলামী' মৌলবাদের যোগসূত্র আবিষ্কার করেছে! এতবড় সুবর্ণ সুযোগ কি আর হাতছাড়া করা যায়! পাগোল নাকি! এজন্য হাইপেশিয়াকে নিয়ে লেখায় অপ্রাসঙ্গিকভাবে তার আবিষ্কৃত 'ইসলামী' মৌলবাদের যোগসূত্র তুলে ধরা হয়েছে। তার সেই লেখা থেকে একটি অংশ নিচে দেওয়া হলো-

৬৪০ খ্রীষ্টাব্দে আলেকজান্দ্রিয়া আরবদের অধীনস্ত হয় আর সমস্ত গ্রন্থাগারটি পুনর্বার (জুলিয়াস সিজারের আগ্রাসনের পর) ধ্বংসপ্রাপ্ত হয় – এবারে অবশ্য বর্বর খ্রীষ্টিয় মৌলবাদীদের আরেক সহোদর ইসলামী মৌলবাদীদের হাতে ৫। কথিত আছে আলেকজান্দ্রিয়া গ্রন্থাগারের বই-পত্তর ধ্বংস করতে গিয়ে খলিফা ওমর নাকি বলেছিলেন-

বইপত্রগুলো যদি কোরানের শিক্ষার সাথে সঙ্গতিপূর্ণ না হয় তবে সেগুলো আমাদের দৃষ্টিতে নিতান্তই অপ্রয়োজনীয়। কাজেই ওগুলোর ধ্বংস অনিবার্য; আর বই-পত্তরগুলোতে যদি কোরানের শিক্ষার সাথে সঙ্গতিপূর্ণ কোন কথাবার্তা আদৌ থেকেও থাকে তবে সেগুলো হবে প্রয়োজনের অতিরিক্ত। কাজেই সে দিক দিয়েও ওগুলো ধ্বংস করা জায়েজ’।

অবশ্য অনেক গবেষক আলেকজান্দ্রিয়া গ্রন্থাগারের উপর ইসলামের আগ্রাসনকে কেবল ‘মিথ’ বলেই মনে করেন ১৭।

লক্ষণীয়- কোনো সূত্র ছাড়াই 'কথিত আছে, নাকি' দিয়ে খলিফা ওমরের একটি 'বাণী' তুলে ধরা হয়েছে। খলিফা ওমর এতবড় একটি কথা বলেছেন অথচ সেটি ইসলামের ইতিহাসের কোথাও লিখা নেই! তারপর Edward Gibbon নামে একজন লেখকের একটি বইয়ের রেফারেন্সে বলা হয়েছে,

"অবশ্য অনেক গবেষক আলেকজান্দ্রিয়া গ্রন্থাগারের উপর ইসলামের আগ্রাসনকে কেবল ‘মিথ’ বলেই মনে করেন।" 

অনেক গবেষক এটাকে মিথ মনে করা সত্ত্বেও ইসলাম-বিদ্বেষী মানসিকতা থেকে ধূর্ত মিশন্যারী মনুজিৎ রায় সেটিকে তুলে ধরার সুযোগ হাতছাড়া করেনি- হয়তো এই ভেবে যে, এর দ্বারা ইসলামের প্রতি বিরূপ ধারণা পোষণ করে কিছু খৎনাধারী যদি ব্রাহ্মণবাদীদের দাসে পরিণত হয় তাহলে মন্দ কী! 😛

৮ মন্তব্য

এক লাফে মন্তব্যের ঘরে

  1. আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন

    জীবন্ত পুড়িয়ে মারা থেকে জলে বিসর্জন দেওয়ার মতো নানান ধরণের অমানবিক কাজ করেছে ব্রাহ্মণরা। অভিজিৎ এই জন্যে কোথাও কোন টু শব্দও করতো না। ভারতে ব্রাহ্মণদের প্রভাব নষ্ট করেছে ইসলাম – অভিজিৎদের রাগের কারণ সেইটাই।

  2. সরকার সানজিদ আদভান

    লেখাটা পড়ে খুব ভালো লাগল। অনেক গবেষণা করেছেন। বাংলার কিছু ভণ্ড ইসলামবিদ্বেষী 'নাস্তিক', 'বিজ্ঞানমনস্ক' বেশ ধরে কি কৌশলেই না ভণ্ডামী করে যাচ্ছে। 'কথিত' কথা দিয়ে মুহাম্মদ(সঃ)-এঁর জন্মের পূর্বে এক হত্যাকান্ডকে কি সুন্দরভাবেই না 'ইসলামিক মৌলবাদী' বলে প্রচার করা হলো। অন্যদিকে ব্রাহ্মণদের এসব অমানবিক প্রথাকে এড়িয়ে গিয়ে নিজের দ্বি-মুখী নীতি এবং মুখোশ উন্মোচন নিজেই প্রকাশ করে গেলেন অভিজিৎ রায়।

  3. shahriar

    Jajak-allah, for share the said info.

  4. সত্য সন্ধানী

    হাইপেশিয়ার কাহিনী জানতাম, কিন্তু নাঙ্গেলীর কাহীনি আজ প্রথম জানলাম আপনার লেখা পড়ে রায়হান ভাই। অনেক ধন্যবাদ আপনাকে। চক্রবর্তী মশাইরা সদালাপ ব্লগ পড়ে কিনা জানা নাই। পড়ার পর এদের প্রতিক্রিয়া কি হয় জানার খুব ইচ্ছা হচ্ছে :)  এমন লেখা আরো লিখুন,সবাই জানুক ব্রাহ্মণদের বর্বরতা সম্পর্কে। আল্লাহ আপনার সহায় থাকুন, আমীন।

  5. কিংশুক

    ওরা খুব চালাক। মুক্তমণা ব্লগেই সুজিত দাসরা মনের মাধুরী মিশিয়ে চাতুর্যতার সাথে ইসলাম বিদ্বেষ প্রচার করার সাথে সাথে  হিন্দুদের দেব দেবী দের উপন্যাস,  কাব্য, নাচ গান, সিনেমা, কার্টুনের মনোহর উদাহরণ টেনে হিন্দু কাল্পনিক, উদ্ভট, হাস্যকর, বাস্তবতা ঐতিহাসিকতা, বিজ্ঞান তো অবশ্যই সাধারণ জ্ঞান বিরোধী গাঁজা ধর্ম, গাঁজা  কৃষ্ণ ইশ্বরকে শ্রেষ্ঠ ধর্ম, শ্রেষ্ঠ দর্শণ হিসাবে প্রচার করতো। ভন্ডজিৎ রায়রা এরপরও  তাদের প্রতারনার কৌশলে হাজার হাজার খৎনাধারী মফিজদেরকে 'বাকরা' বানিয়ে হিন্দু প্রেমী ইসলাম বিদ্বেষী বানাতে পেরেছে।

  6. শিবলিঙ্গ

    যারা লিঙ্গ পূজা গরু পূজা করে এই একবিংশ শতাব্দীতে এসেও, তারা  যে  এমন কাজ করতে পারে তার জন্য আর প্রমানের দরকার কি ?

  7. মুনিম সিদ্দিকী

    এককালে নিম্ন শ্রেনীর নারীদের স্তন খোলা থাকা স্বভাবিক ছিলো। বরং এর দ্বারা অভিজাত নারীদেরকে আলাদা ভাবে পরিচিত করত। তখনকার সমাজ ব্যবস্থায় তা স্বাভাবিক ছিলো। তবে ভারত ছাড়া অন্য কোথাও স্তন ট্যাক্স ছিলো কিনা তা জানা যায়না।

    1. ৭.১
      মাহফুজ

      যারা লজ্জাহীন তারাই স্তন/ লজ্জাস্থান ঢাকতে চান না। তারা আগেও যেমন ঢাকতেন না, তেমনি এখনও ঢাকেন না। আর যারা লজ্জাশীলতা রক্ষার জন্য ঢাকতে চাইতেন, তারা সব সময়েই যে কোন উপায়েই হোক না কেন, ঢাকার চেষ্টাই করতেন।

      আদি কালে কি আমাদের পূর্ব সূরীরা লজ্জাস্থান ঢাকার জন্য পাতা ও পশুর চামড়া ব্যবহার করতেন?

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।