«

»

এপ্রিল ১০

অভিজিৎ রায় কি ইচ্ছে করলেই রামদা/চাপাতি দিয়ে কাউকে কোপাতে পারতো?

অভিজিৎ রায় কি চাইলেই রামদা/চাপাতি দিয়ে কাউকে কোপাতে পারতো? কিংবা, অভিজিৎ কি ইচ্ছে করলেই 'বাংলাভাই'-এর মতো বাংলাদেশের মাটিতে কাউকে গাছের সাথে ঝুলিয়ে পিটাতে পারতো? এমনকি অভিজিৎ কি নিদেনপক্ষে ফারাবীর মতো স্বনামে যাকে তাকে হত্যার হুমকি দিতে পারতো?

যাদের মাথায় ন্যূনতম ঘিলু বলে কিছু আছে তাদের এটা বুঝার কথা যে – অভিজিৎ রায় একাধারে একজন বাংলাদেশী 'সংখ্যালঘু', ঢাবি-র প্রাক্তন অধ্যাপক ও বিশিষ্ট বুদ্ধিজীবী ডঃ অজয় রায়ের ছেলে, পিএইচডি-ধারী, ও একটি কাল্টগুরু হয়ে ইচ্ছে থাকলেও উপরোল্লেখিত কোনোটাই করতে পারতো না। তাছাড়া তাতে তার মিশনের সেখানেই সলীল সমাধী ঘটতো। তার মিশন ছিল সুদূরপ্রসারী। কাজেই অভিজিতের ইসলাম-বিদ্বেষী অন্ধ পূজারীদের এই জাতীয় প্রলাপ – "আমগো অভিজিৎ'দা তো রামদা/চাপাতি দিয়ে কাউকে কোপায়নি বা কোপাতে যায়নি বা কাউকে হত্যার কথাও বলেননি" – নিতান্তই হাস্যকর ও অবান্তর শুনায়। তাছাড়া অভিজিৎ ঠিক কী কারণে কাউকে কোপাতে যাবে – এ ব্যাপারেও তার অন্ধ পূজারীরা কিছু বলে না!

সবচেয়ে বড় কথা হচ্ছে প্রায় সাত বিলিয়ন মানুষের মধ্যে ৯৯.৯৯৯% মানুষই হয়তো জীবনে কখনো কাউকে রামদা/চাপাতি দিয়ে কোপায়নি। এমনকি নিরানব্বই ভাগের বেশী মানুষই হয়তো জীবনে কখনো কাউকে হত্যার হুমকিও দেয়নি, হত্যা করা তো দূরে থাক। গরু-ছাগল-কুকুর'রাও কখনো কাউকে রামদা/চাপাতি দিয়ে কোপায় না, কিংবা হত্যার হুমকিও দেয় না! তাহলে অভিজিৎ রায় এখানে 'স্পেশাল' হলো কী করে?!? অভিজিতের মস্তকধোলাই পূজারীরা কি এই প্রশ্নের কোনো জবাব দিতে পারবে? তবে হ্যাঁ, অভিজিৎ রায় হিন্দুত্ববাদী-অধ্যুষিত ভারতীয় হলে তার পূজারীদের এই ধরণের দাবি হয়তো মেনে নেওয়া যেত। সত্যি বলতে, যারা অভিজিতের আদ্যপান্ত জানেন তারা স্বীকার করবেন যে, অভিজিৎ ভারতীয় হলে বিজেপি-আরএসএস-বজরং দলে যোগ দিয়ে রামদা-চাপাতি-ত্রিশূল নিয়েই তার ইসলাম-ও-মুসলিম-নির্মূল মিশন চালিয়ে যেত।

আগেই বলেছি যে, অভিজিতের 'অবস্থানে' থেকে রামদা/চাপাতি দিয়ে কাউকে কোপানো কিংবা বাংলাভাই বা ফারাবীর মতো হওয়া তার পক্ষে কখনোই সম্ভব ছিল না। কিন্তু তার পরিবর্তে অভিজিৎ রায় কী করেছে দেখা যাক:

প্রথমত- বাংলাভাই যেভাবে তার নিজ রাজ্যে বিরোধীপক্ষের বিরুদ্ধে শক্তি খাটিয়েছে, অভিজিৎ রায়ও তার নিজ রাজ্যে বিরোধীপক্ষের বিরুদ্ধে তার শক্তি-সামর্থের পুরোটাই খাটিয়েছে। তার নিজস্ব ব্লগরাজ্যে তারই নেতৃত্বে একদিকে ইসলাম, ইসলামের নবী, ও মুসলিমদের বিরুদ্ধে বছরের পর বছর ধরে মিথ্যা ও ঘৃণা-বিদ্বেষমূলক প্রপাগ্যাণ্ডা ছড়ানো হয়েছে, অন্যদিকে আবার কেউ সেগুলোর জবাব দিতে গেলে উল্টোদিকে তার উপরই সাঙ্গপাঙ্গ নিয়ে হামলে পড়া হয়েছে। একেবারেই মগের মুল্লুক অবস্থা। এই ধরণের দৃশ্য বাংলা অন্তর্জালের হাজার হাজার পাঠক দেখেছে। তার ডজনেরও বেশী ধরা-খাওয়া ছদ্মনামগুলোর কথা না-হয় বাদই থাকলো। একজন অভিজিৎ রায় এর চেয়ে বেশী আর কী করতে পারতো? তার মস্তকধোলাই পূজারীদের কাছে এই প্রশ্নের কোনো জবাব আছে কি?

দ্বিতীয়ত- অভিজিৎ রায় বিজ্ঞানের নামে সারা বিশ্বের দেড়-দু বিলিয়ন মানুষকে 'বিশ্বাসের ভাইরাসে আক্রান্ত রুগী-জঙ্গি-সন্ত্রাসী-অসভ্য-বর্বর-ধর্মান্ধ-মৌলবাদী-ইত্যাদি' প্রমাণ করার চেষ্টা করেছে। এ-যুগে কাউকে 'ভাইরাসে আক্রান্ত রুগী-জঙ্গি-সন্ত্রাসী-অসভ্য-বর্বর-ধর্মান্ধ-মৌলবাদী-ইত্যাদি' বলা মানে পরোক্ষভাবে এটাই বুঝানো যে, তার বেঁচে থাকার কোনো অধিকার নেই – অর্থাৎ তাকে হত্যা করতে হবে। সেই সূত্রে অভিজিৎ রায় সারা বিশ্বের দেড়-দু বিলিয়ন মানুষের উপর গণহত্যা চালানোর জন্য 'জাস্টিফায়েড গ্রাউন্ড' তৈরী করার চেষ্টা করেছে, এবং সেটা সে করেছে বিজ্ঞানের নামে। এর চেয়ে বেশী আর কী করতে পারতো সে!? বোকা ফারাবীর মতো স্বনামে যাকে তাকে আউল-ফাউল হত্যার হুমকি দিতে যেয়ে জেলে পচে মরবে – 'মুক্তমনা' কাল্টের মুরিদদের কাছে ঈশ্বরতুল্য প্রভুজীর জ্ঞান-বুদ্ধি অতটা কম ছিল না নিশ্চয়!

৫ মন্তব্য

এক লাফে মন্তব্যের ঘরে

  1. মজলুম

    নৈতিকভাবে অভিজিত ও তার অনুসারিরা পরাজিত। মিডিয়ায় যখন অভিজিত ও তার অনুসারীদের "ধর্মীয় গোড়ামি"র বিরুদ্ধে লেখা লেখি করে বলে পরিচয় করানো হয় তখন তারা একটুও প্রতিবাদ করেনা যে আমরাতো "ধর্মীয় গোড়ামি" না বরং পুরা ধর্মেরই বিরুদ্ধে (ধর্মবিদ্বেষী আকা ইসলামবিদ্বেষী)। থাবাবাবাকে যখন ইসলামি রিতী অনুযায়ী জানাযা ও দাফন করা হলো, অভিজিত ও তার অনুসারী তার একটুও প্রতিবাদ করলোনা। হিটলারকে যদি ইহুদী ধর্ম অনুযায়ী দাফন কাফন করা হতো, একটা নাৎসী জীবিত থাকলেও তার প্রতিবাদ করতো। সারা জীবন যেই ধর্মের বিরুদ্ধে বিদ্বেষ করেছে, সেই ধর্ম অনুযায়ী দাফন ও কাফন। এরা নৈতিকতা বিবর্জিত, এথিকস বিবর্জিত আগাছা ও পরগাছা ছাড়া কিছু নয়।

  2. আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন

    নাস্তিকরা বস্তুত লুজার এবং ভীত। তবে সুযোগ পেলে ওরাও চাপাতি দিয়ে কোপাবে – সন্দেহ নেই। আনোয়ার হোজ্জার নেতৃত্বে আলবেনিয়ায় ধর্ম চর্চা নিষিদ্ধ করা হয়েছিলো – বস্তুত আলবেনিয়া ইতিহাসের প্রথম (সম্ভবত শেষ) নাস্তিক রাষ্ট্র ছিলো। সেখানে (২০১১) নাস্তিক হিসাবে নিজেদের পরিচয় দেয় ২.৫% আর মুসলিম ৫৭%। সংখ্যালঘুরা প্রবল অত্যাচারী হয়ে সংখ্যাগুরুর উপর নিজেদের মতাদর্শ চাপিয়েছে নাস্তিকরাই। এদের মুখে যতই সুমধুর বানী শুনা যাবে – ভয় ততই বেশী। সুযোগ পেলে এরা হয়ে উঠবে প্রবল অত্যাচারী। সেইটা চাপাতি দিয়ে কোপানোর চেয়েও ভয়াবহ। আর নাস্তিকদের সব সময়ই বলি – পঞ্চম বাহিনী। বস্তুত এরা মুসলিমদের সাবহিউমেন হিসাবে প্রচার করে চলমান মুসলিমদের উপর গনহত্যাগুলোকে জায়েজ করার কাজ করছে – বিনিময়ে এরা কিছু সুযোগ সুবিধা পেয়ে থাকে।  

    আজম খান নামক এক অভিজিতের মুরিদ (যিনি দেশ ছেড়ে সুইডেনে থাকে) তার মুসলিম সস্প্রদায়কে মুক্তকচ্ছ হয়ে গালাগালি (যা পুরোপুরি আনপ্রভোকড এবং ডেলিবারেট)র একটা নমুনা দেখুন –

    Azam Khan Yesterday at 7:38pm · মুসলমানেরা হচ্ছে দুনিয়ার সর্বশ্রেষ্ঠ বুদ্ধিমান জাতি। তাদের ধর্মগ্রন্থে আধুনিক দর্শন, সমাজব্যাবস্থা, এমনকি পদার্থবিজ্ঞানের মৌলিক সুত্রগুলান হতে শুরু করে মহাকাশ বিজ্ঞান আছে। খোস-পাচড়া, দাদ, বিখাউজ হতে শুরু করে ক্যান্সার সহ সমস্ত রোগের চিকিৎসার সুত্র দেয়া আছে। সর্বোপরি, মুসলমানেরা একেকজন আইনস্টাইন, নিউটন, স্পিনোজার মতন লোকেদের আইকিউ নিয়া জন্মাইছেন। শুধু মাত্র ইহুদী-নাসারাদের ষড়যন্ত্রের কারনে তারা উন্নতি করে কুলাইতে পারতেছেন না। এতটা উজবুক অথচ নাক উঁচু নির্বোধ সম্প্রদায় দুনিয়ার ইতিহাসে আর আসে নাই, আসবেও না।

      – কোন রকম কারন ছাড়াই মুসলিম সম্প্রদায়কে গালাগালি করা – হেয় করা – নীচু করার বিনিময়ে এরা ইউরোপে আশ্রয় পায় – কোন শ্রম না দিয়েই জীবন যাপন করে – বিনিময়ে এরা মুসলিম সম্প্রদায়কে সাবহিউমেন প্রমান করতে প্রচার চালায় – যাতে চলমান গনহত্যাগুলো জায়েজ হয়ে যায়।  

    এখানেই শেষ না – গালি দিয়ে তারপর আরেক অভিযোগ –

    Azam Khan Yesterday at 8:31pm · আপনি হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান, ইহুদী যে ধর্মের সমালোচনাই করুন না কেন কাউকে কখনো বলতে শুনবেন না আপনি ধর্মবিদ্বেষী। অনেকে বরং হাঁসিমুখে গ্রহন করে। ইসলামই একমাত্র ধর্ম যার সমালোচনা করলে আপনাকে "ইসলামবিদ্বেষী" শব্দটা শুনতে হবে।

    – মুসলমানরা কত খারাপ – তা প্রমান করার জন্যে প্রতিদিন কমপক্ষে দশটা স্ট্যাটাস দেয় এই লোক।

    কি আর বলবেন – চাপাতি দিয়ে একজনকে আক্রমন করা হয় – কিন্তু লেখালেখির মাধ্যমে লক্ষ লক্ষ মানুষের হৃদয়ের রক্তক্ষরন করা যায় – নাস্তিকরা সেই পথই ধরেছে।

  3. এস. এম. রায়হান

    @আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন:

    সামু ব্লগে তাকে (Azam Khan) দেখেছেন কি-না জানি না। আমি যখন সামু ব্লগে ছিলাম তখন তার ইসলামের নবী ও ইসলাম নিয়ে যে চরম ঘৃণা উদ্রেক করা অসংখ্য মন্তব্য দেখেছি সেগুলো দেখলে খোদ ফেইথফ্রীডমের আলি সীনাও মনে হয় লজ্জা পেত। তাহলে বুঝতেই পারছেন। সেই সুবাদেই হয়ত সে সুইডেনের ভিসা পেয়েছে, কে জানে! আর হ্যাঁ, বাংলাদেশে ইসলাম ও মুসলিম বিদ্বেষী মানেই অভিজিৎ রায়ের মুরিদ-পূজারী – এইটা একেবারেই প্রতিষ্ঠিত সত্য হয়ে গেছে। আজ পর্যন্ত ব্লগ-ফেসবুক জগতে হাজার হাজার ইসলাম ও মুসলিম বিদ্বেষী আইডিগুলোর মধ্যে মাত্র একজনকে দেখা গেছে যে ইসলাম-বিরোধী হয়েও অভিজিতের লেখার সমালোচনা করেছে, সেটাও অনেক আগের কথা। বাকি সকলেই অভিজিৎ রায়ের স্বগোত্রীয় বর্ণবাদী এবং খৎনাধারী দাস-দাসী।

    আপনি হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান, ইহুদী যে ধর্মের সমালোচনাই করুন না কেন কাউকে কখনো বলতে শুনবেন না আপনি ধর্মবিদ্বেষী। অনেকে বরং হাঁসিমুখে গ্রহন করে।

    এইটা দিনের আলোয় ডাহা মিথ্যাচার। এই ধরণের কথা বলা শুরু করেছে বর্ণবাদী হিন্দুরা। তাদের দেখাদেখি তাদের খৎনাধারী দাসেরাও একই বুলি আউড়াচ্ছে! বর্ণবাদী হিন্দুরা তাদের ধর্মের সামান্য সমালোচনার জন্যও কতটা ভয়ানক, বর্বর, অসভ্য, ও অশ্লীল হতে পারে তার পক্ষে বাংলা অন্তর্জালেই অনেক প্রমাণ আছে।

  4. মজলুম

    @আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন: অনলাইনে ঘৃনা ছড়ানো নিউজ, স্ট্যাটাস ও টুইটের বিরুদ্বে জার্মানিতে এক নতুন আইন পাশ করা হচ্ছে। এই আইনটা বলবৎ হলে তার আওতায় জার্মানিতে থাকা বাংলার ইসলাম বিদ্বেষীরা জেলেও যাবে। জার্মানিতে ঘৃনা ছড়িয়ে নব্য ফ্যাসিবাদের উত্থান ঠেকাতেই এই আইন। নব্য ফ্যাসিস্টগুলো চরম মুসলিম বিদ্বেষী এবং হোয়াইট সুপ্রিমিষ্ট। জার্মানিরা বুঝতে পারছে ২য় বিশ্বযুদ্বের আগে ইহুদি ঘৃনা তাদের কোথায় নিয়ে গেছে।

    এখনি সেটা বন্ধ করতে না পারলে পরে হয়তো কেউই বলতে পারবে না যে, প্রথমে তারা মুসলিমদের জন্যে এসেছিলো, আমি খুশী ছিলাম কারন আমি মুসলিমদের ঘৃনা করতাম। পরে তারা ইহুদিদের জন্যে এসেছিলো, কিন্তু আমি চুপ ছিলাম কারন আমি ইহুদী না। পরে তারা কালো আফ্রিকানদের জন্যে এসেছে, কিন্তু আমি চুপ ছিলাম, কারন আমি কালো আফ্রিকান না। পরে তারা বাদামি চামড়ার লোকদের জন্যে এসেছে….।

    এখন বাদামি চামড়ার বাংলার ইসলাম বিদ্বেষীদের যখন তারা শেষ করে দিতে আসলো, তখন তারা বললো আমিতো মুসলিম না বরং মুসলিমদের ঘৃনা করি এবং আপনাদের সমর্থন দেই। কিন্তু হোয়াইট সুপ্রিমিষ্টরা বাংলার নাস্তিকদেরও মেরে শেষ করে দিলো। কারন ধর্ম পরিবর্তন ও নাম পরিবর্তন করতে পারলেও শরীরের চামড়া ও চেহারা পরিবর্তন করা যায় না।

    যার জন্যে এরা মাটি  খুড়তেছে, সেই খাদে এরাই পতিত হবে।

     

    জার্মানিতে এই আইন পাশ হলে ইউরোপের অন্যান্য দেশও তা শুরু করবে। ইউরোপের পত্যেকটা দেশের ডানপন্হি ফ্যাসিস্টদের সব রকম সাহায্য সহযোগিতা দিয়ে যাচ্ছে রাশিয়া

  5. আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন

    @মজলুম –

    ভাল খবর। কানাডায় ইসলামোফোবিয়ার বিরুদ্ধে একটা মোশন পাশ হয়েছে ফেডারেল পার্লামেন্টে – যদিও এইটা নন বাইন্ডিং – তারপরও ইসলামোফোবিয়া যে রিয়েল তা স্বীকার করা হয়েছে। এদিকে ওন্টারিও প্রভিন্সও বিল পাশ করেছে – তাতে পুলিশকে আরো বেশী ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে ইসলামফোবিয়ার বিরুদ্ধে তৎপর হতে। তা্ই দেখছি কানাডায় বসবাস করা ইসলামোফোবরা এখন কম কথা বলছে।

    নজর রাখছি ওদের দিকে – সুযোগ পেলেই অভিযোগ দেবো।

    ওদের জন্যে আর কোন মাটি নেই যেখানে দাড়াবে। আমেরিকায় তো ওরা নিজেরাই দৌড়ের উপরে আছে।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।