«

»

জানু. ০৫

নাস্তিকতার পক্ষে লিখিত দলিল-প্রমাণ: একটি মুক্ত আলোচনামূলক পোস্ট

ধরা যাক, ভিনগ্রহ কিংবা এই পৃথিবী থেকেই নিরপেক্ষধর্মী কিছু বিশেষজ্ঞের সমন্বয়ে একটি টিম গঠন করে সবগুলো ধর্ম ও দর্শনকে যাচাই করার দায়িত্ব দেওয়া হলো। এবার সেই বিশেষজ্ঞ টিম প্রত্যেক ধর্ম ও দর্শনের অনুসারীদের পক্ষ থেকে একজন করে প্রতিনিধি নির্বাচন করে তাদের ধর্ম বা দর্শনের পক্ষে লিখিত দলিল-প্রমাণ উপস্থাপন করতে বললেন। অত্যন্ত স্বাভাবিকভাবে জুদাইজমের প্রতিনিধি তৌরাত উপস্থাপন করবেন, খ্রীষ্টানিটির প্রতিনিধি বাইবেল উপস্থাপন করবেন, ইসলামের প্রতিনিধি কুরআন উপস্থাপন করবেন, বৌদ্ধ ধর্মের প্রতিনিধি ত্রিপিটক উপস্থাপন করবেন, হিন্দু ধর্মের প্রতিনিধি হয়তো বেদ-গীতা উপস্থাপন করবেন, বিবর্তনবাদ তত্ত্বের প্রতিনিধি "দ্য অরিজিন অব স্পীসিজ" উপস্থাপন করবেন, কম্যুনিজমের প্রতিনিধি হয়তো ডাচ ক্যাপিটাল উপস্থাপন করবেন, ইত্যাদি। অর্থাৎ প্রত্যেক ধর্ম বা দর্শনের প্রতিনিধি তার ধর্ম বা দর্শনের পক্ষে কিছু-না-কিছু লিখিত দলিল-প্রমাণ উপস্থাপন করবেন। এর পরই না কেবল বিশেষজ্ঞ টিমের কাছে যাচাই-বাছাই এবং ভুল-ভ্রান্তি ধরার প্রশ্ন আসবে, তার আগে নয়।

প্রশ্ন হচ্ছে: নাস্তিকদের প্রতিনিধি ঠিক কোন্‌‌ লিখিত গ্রন্থ উপস্থাপন করবেন? নাস্তিকতাকে উপস্থাপন করার মতো লিখিত কোনো গ্রন্থ আছে কি-না? এতদিনেও লিখিত কোনো গ্রন্থ না থাকার পেছনে কারণ কী, যদি না থাকে। লিখিত দলিল-প্রমাণ না থাকাটা মানব জাতির জন্য মঙ্গলজনক নাকি অমঙ্গলজনক? কোনো তত্ত্বের উপর লিখিত দলিল-প্রমাণ না থাকাটা যে অবৈজ্ঞানিক তা আগেই বলে রাখি। কেননা লিখিত দলিল-প্রমাণ ছাড়া স্রেফ মুখের কথা বিজ্ঞানে গ্রহণযোগ্য নহে।

আপনাদের সুচিন্তিত মতামত উপস্থাপন করুন। আলোচনা চলতে থাক…

১১০ মন্তব্য

এক লাফে মন্তব্যের ঘরে

  1. আহমেদ শরীফ

    তাদের নিজস্ব কোন গ্রন্থ হয়ত নেই যদিও অন্যদের সমালোচনামূলক গ্রন্থ লিখে অন্যের ঘাড়ে ভর দিয়ে তারা তাদের মতবাদ প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করেছে। সেই চেষ্টা অবশ্য বিশেষ ফলপ্রসূ হয়নি। লন্ডনপ্রবাসী সেই তিন ক্লাস মাদ্রাসা পাশ মহাজ্ঞানী গুরুপদতলনিবেদিত ইসলামবিদ্বেষীটির ‘যে সত্য বলা হয়নি’ গ্রন্থটির ভাবমূর্তি একজন মু'মিন সাদাত এর ৩/৪টি পোস্টেই মিথ্যাচারিতা ও ভণ্ডামির প্রকাশ্যে নগ্ন অপমানিত হয়ে সমস্ত আবেদন হারিয়েছে। আর এই ন্যাক্কারজনক ঘটনায় মনারা হারিয়েছে আত্মবিশ্বাস কারণ এই মুখোশ উম্মোচনের আগ পর্যন্ত বেশ জোরেশোরেই উক্ত গ্রন্থটির বৈপ্লবিক প্রচার করা হচ্ছিল…

    1. ১.১
      এস. এম. রায়হান

      তাদের নিজস্ব কোন গ্রন্থ হয়ত নেই যদিও অন্যদের সমালোচনামূলক গ্রন্থ লিখে অন্যের ঘাড়ে ভর দিয়ে তারা তাদের মতবাদ প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করেছে।

      তার মানে তারা পরগাছার মতো – নিজস্বতা বলে কিছু নাই – তাই নয় কি?

      1. ১.১.১
        আহমেদ শরীফ

        তাদের নিজস্ব মতবাদ আর কোথায় সবসময়ই তো দেখা যায় তাদের মত 'যুক্তি' দিয়ে আর বেশিরভাগ কুৎসা গেয়ে অন্যদের মতবাদ আদর্শকে খণ্ডন করার চেষ্টা করতে। কখনো 'বিজ্ঞান' কখনো 'যুক্তিবাদ' কখনো 'মানবতা' ইত্যাদি কী সব বলতে থাকে। নিজস্ব কিছু তো দাঁড় করাতে পারে নাই এতদিনেও।

  2. করতোয়া

    ন অস্তিত্ব থেকে "নাস্তিক" শব্দের উদভব। এটা নাস্তিক শব্দের সমাস সম্প্রসারন। কাজেই তাদের কোন অস্তিত্ব নাই। তারা যা দেখছে আসলে তা দেখে না, তারা যা বিশ্বাস করছে আসলে তাতে তাদের বিশ্বাস আদৌ নাই, তাই তারা দ্বিধাগ্রস্থ। তারা যা করছে সেটা নিতান্ত ইগনোরেন্স ও অহমিকার বশবর্তী হয়ে। তারা বোঝে না তারা কি বলছে। তাদের জন্যই আল্লাহ সোবহানা তালা পবিত্র কোরআনে একটি আয়াতে বলেছেন যার মোটামুটি অর্থ "আমি তাদের অন্তরে কহর মেরে দিয়েছি। কাজেই তারা কিছুই দেখে না বা শোনে না।" তাদের নিজেদেরই কোন অস্তিত্ব নাই সেখানে তাদের গ্রন্থ থাকে কিভাবে।

    1. ২.১
      এস. এম. রায়হান

      তাদের নিজেদেরই কোন অস্তিত্ব নাই সেখানে তাদের গ্রন্থ থাকে কিভাবে।

      আপনার মতামতের জন্য ধন্যবাদ। লিখিত গ্রন্থ বা সংবিধান না থাকাটা যে মানব জাতির জন্য ভয়ঙ্কর হতে পারে সে ব্যাপারে কিছু বলুন।

      1. ২.১.১
        তরুণ

        একজন মানুষ নাস্তিক হয় কখন? জন্মসুত্রে কেউ নাস্তিক হয় না। জানে, বুঝে তারপর নাস্তিক হয়। যতক্ষণ পর্যন্ত সে কেন ব্যাখ্যা করতে পারে না সে অস্থির থাকে। পারলে বলুন তো আল্লাহ কিভাবে সৃষ্টি হয়েছে? এর উত্তর দিন।

      2. Rasel

        @তরুণ:

        যে জিনিশের শুরু আছে এবং শেষ আছে, কেবল তার ক্ষেত্রেই  সৃষ্টির প্রশ্ন আসে,

        আর যেহেতু স্রষ্টার শুরু নেই এবং শেষও নেই, তাই  স্রষ্টা তথা আল্লাহ কীভাবে সৃষ্টি হয়েছে সে প্রশ্ন অবান্তর!

         

      3. Curvature

        যার শুরু নেই তার অস্তিত্ব থাকে কিভাবে?

      4. ফাতমী

        @Curvature,

        সৃষ্টির বৈশিষ্ট হল সৃষ্টি হওয়া বা শুরু হওয়া। স্রষ্টা সৃষ্ট জগত থেকে সম্পূর্ন আলাদা। তাই সৃষ্ট জগত ও এর বৈশিষ্ট স্রষ্টার উপর আরোপন করা যায় না। আপনি এখানেই ভুল করছেন। দয়াকরা ইসলামে স্রষ্টার সম্পর্কে কি বলা আছে তা দেখে নিন।

      5. Rasel

        @Curvature:

        স্রষ্টাকে কী আপনার মত দু’পেয়ে দৈত্য ভেবেছেন নাকি??

      6. curvature

        যে বিষয়ে আপনার জ্ঞান নেই সে বিষয়ে তর্ক না করা ভাল।

      7. Rasel

        curvature

        //যে বিষয়ে আপনার জ্ঞান নেই সে বিষয়ে তর্ক না করা ভাল।//

        একই উপদেশ আপনাকেও দেওয়া হলো।

    2. ২.২
      তরুণ

      প্রথমেই বলছেন তারা বিশ্বাস করে না। আবার সেকেন্ড লাইনে বলঞ্ছেন তারা অবিশ্বাসকে বিশ্বাস করে। মাথা ঠিক আছে?

  3. শামস

    নাস্তিকদের কোন গ্রন্থ না থাকায় তাদের কত সুবিধা, যাদের গ্রন্থ আছে তাদের দোষ-ত্রুটি ও ভুল ধরা যায়, কিন্তু যাদের নাই তাদের ধরবেন কিভাবে!!!

    তবে তাদের কিছু নাই সেটা ঠিক না। নাস্তিকদের মধ্যেও দল উপদল আছে। ভোগবাদী নাস্তিকদের (মনার হর্তাকর্তারা) আছে সব বিজ্ঞানের বই (তারা দাবী করে!!!), ডারউইনের অরিজিন অব স্পেসিস, ডকিন্স ও সমগোত্রীয়দের বই। মনার উল্লেখযোগ্য খদ্দের বামপন্থী নাস্তিকদের আছে কার্ল মার্ক্সের ডাস ক্যাপিটাল ও এর সমগোত্রীয় বই। চীনপন্থী বামপন্থীদের বই চৈনিক কিছু একটা হবে, বলতে পারছি না। তাদের কেবলাও আছে। ভোগবাদী নাস্তিকদের কেবলা পাশ্চাত্যের পুজিবাদী দেশগুলো, রাশিয়ানপন্থীদের মস্কো, চীনাপন্থীদের পিকিং। তবে এখন তাদের মধ্যে এখন আপাত পার্থক্য দেখা যায় না। সারাজীবণ উচ্ছিষ্টভোগীদের বিরুদ্ধে আন্দোলন করে সব বামপন্থীরাই এখন ভোগবাদী নাস্তিকদের উচ্ছিষ্ট খেয়ে তৃপ্তির ঢেকুর তোলে!

    1. ৩.১
      এস. এম. রায়হান

      নাস্তিকদের কোন গ্রন্থ না থাকায় তাদের কত সুবিধা, যাদের গ্রন্থ আছে তাদের দোষ-ত্রুটি ও ভুল ধরা যায়, কিন্তু যাদের নাই তাদের ধরবেন কিভাবে!!!

      তার মানে নাস্তিকতা এমন একটি তত্ত্ব বা বিশ্বাস যাকে ভুল-প্রতিপাদন (Falsify) করা সম্ভব নয় – অন্য অর্থে নাস্তিকতা একটি অবৈজ্ঞানিক বিশ্বাস। নাস্তিকরা উলঙ্গ হয়ে অন্যের পোশাকের ময়লা খুঁজে বেড়ায় কিন্তু নিজেদের গায়ে যে কোন পোশাক-ই নাই সেদিকে কোন ভ্রুক্ষেপ নাই!

      1. ৩.১.১
        শামস

        নাস্তিকরা উলঙ্গ হয়ে অন্যের পোশাকের ময়লা খুঁজে বেড়ায় কিন্তু নিজেদের গায়ে যে কোন পোশাক-ই নাই সেদিকে কোন ভ্রুক্ষেপ নাই!

        যা বলছেন!
         

    2. ৩.২
      এস. এম. রায়হান

      তবে তাদের কিছু নাই সেটা ঠিক না। নাস্তিকদের মধ্যেও দল উপদল আছে। ভোগবাদী নাস্তিকদের (মনার হর্তাকর্তারা) আছে সব বিজ্ঞানের বই (তারা দাবী করে!!!), ডারউইনের অরিজিন অব স্পেসিস, ডকিন্স ও সমগোত্রীয়দের বই। মনার উল্লেখযোগ্য খদ্দের বামপন্থী নাস্তিকদের আছে কার্ল মার্ক্সের ডাস ক্যাপিটাল ও এর সমগোত্রীয় বই।

      নাস্তিকরা কিন্তু ডারউইনের অরিজিন অব স্পেসিস কিংবা কার্ল মার্ক্সের ডাস ক্যাপিটালকে নাস্তিকতার পক্ষে লিখিত দলিল-প্রমাণ হিসেবে উপস্থাপন করে না, যদিও এই ধরণের বইগুলোই তাদের নাস্তিকতার ভিত্তি! তার মানে যে বইগুলো পড়ে তারা নাস্তিক হয়েছে সেই বইগুলোর উপরই তাদের কোন আস্থা নাই! মজার কান্ড, তাই না!

    3. ৩.৩
      আহমেদ শরীফ

      ভোগবাদী নাস্তিকদের কেবলা পাশ্চাত্যের পুজিবাদী দেশগুলো, রাশিয়ানপন্থীদের মস্কো, চীনাপন্থীদের পিকিং। তবে এখন তাদের মধ্যে এখন আপাত পার্থক্য দেখা যায় না। সারাজীবণ উচ্ছিষ্টভোগীদের বিরুদ্ধে আন্দোলন করে সব বামপন্থীরাই এখন ভোগবাদী নাস্তিকদের উচ্ছিষ্ট খেয়ে তৃপ্তির ঢেকুর তোলে!

      পেরোস্ত্রোইকা-গ্লাসনস্ত থেকে পূর্ব ইউরোপে চোসেস্কু পর্যন্ত আছাড় খেয়ে পটল তুলল আছে কুল্লে পশ্চিমবঙ্গে ছুটকো-ছাটকা তাও এক মমতা রণরঙ্গিনীতেই সর্বক্ষণ টালমাটাল। হতাশা ছাড়া তাদের এখন আর কিছু নেই তাই অগত্যা অস্তিত্ব রক্ষার জন্য মরিয়া হয়ে 'সাম্যবাদ' এর ভাঙ্গা রেকর্ডের সুপারফ্লপ বস্তাপচা গান বাজানো ছেড়ে উপসর্গ-মতবাদ নাস্তিকতাকেই এখন প্রাণপণে আঁকড়ে ধরেছে, নীড়হারা গৃহহীন বেচারারা করবে কি আর …

      1. ৩.৩.১
        শামস

        পেরোস্ত্রোইকা-গ্লাসনস্ত থেকে পূর্ব ইউরোপে চোসেস্কু পর্যন্ত আছাড় খেয়ে পটল তুলল আছে কুল্লে পশ্চিমবঙ্গে ছুটকো-ছাটকা তাও এক মমতা রণরঙ্গিনীতেই সর্বক্ষণ টালমাটাল। হতাশা ছাড়া তাদের এখন আর কিছু নেই তাই অগত্যা অস্তিত্ব রক্ষার জন্য মরিয়া হয়ে 'সাম্যবাদ' এর ভাঙ্গা রেকর্ডের সুপারফ্লপ বস্তাপচা গান বাজানো ছেড়ে উপসর্গ-মতবাদ নাস্তিকতাকেই এখন প্রাণপণে আঁকড়ে ধরেছে, নীড়হারা গৃহহীন বেচারারা করবে কি আর …

        দারুণ বলেছেন। ভোগবাদী নাস্তিক ও বামপন্থী নাস্তিকরা দুই মেরুতে থাকার কথা। কিন্তু শুধুমাত্র 'নাস্তিকতার' মিলের জন্য এরা একে অপরের সহোদর ভাই, সব অমিল গোল্লায় যাক!
         

  4. সাদাত

    একটি ধর্ম আছে যাতে নাকি একই সাথে আস্তিক দর্শন এবং নাস্তিক দর্শন আছে। তাছাড়া ইদানিং নাস্তিকদের একটা পছন্দের ধর্ম আছে যাতে স্রষ্টার ধারণা নাই। বাংলা নাস্তিকরা ভেতরে ভেতরে ঐদিকে নয় তো এইদিকে।

    আমার কমেন্টের সূত্র ধরে কেউ আবার কোন ধর্মের নাম নিয়েন না।

    1. ৪.১
      এস. এম. রায়হান

      সঠিক অবজারভেশন। ব্যাপারটা অনেকেই হয়ত লক্ষ্য করে থাকবেন। 

      লিখিত গ্রন্থ বা সংবিধান না থাকাটা মানব জাতির জন্য ক্ষতিকর হতে পারে কিনা সে ব্যাপারে কিছু বলুন।

    2. ৪.২
      আহমেদ শরীফ

      তথ্যটি সঠিক এবং বর্তমানে সেই ধর্মাবলম্বী কিছু ইসলামবিদ্বেষী বঙ্গবাসীও বিভিন্ন স্থানে মাথাচাড়া দিয়ে উঠে ইসলামের বিরুদ্ধে বিষোদগার এবং কিছু কিছু নিজ ধর্মের গুণকীর্তন শুরু করেছেন।

  5. এম ইউ আমান

    আমরা যদি আল্লাহকে না দেখে বিশ্বাস করতে পারি, তাহলে তারা কোন 'নাস্তিকগ্রন্থ' না থাকলেও নাস্তিক হতে পারবেনা কেন?

    1. ৫.১
      শামস

      @এম ইউ আমান,
      ইসলামিক বিশ্বাস অনুযায়ী আল্লাহকে দেখা যায় না, দেখার কোন উপায় নেই, আল্লাহকে না দেখে বিশ্বাসটাই ঈমান। কিন্তু নাস্তিকরা, আল্লাহকে দেখা যায় না বলেই তাকে বিশ্বাস করে না, সে অর্থে নাস্তিকগ্রন্থ না থাকলে নাস্তিক হওয়াও উচিত নয়! 🙂
       

    2. ৫.২
      এস. এম. রায়হান

      আমরা যদি আল্লাহকে না দেখে বিশ্বাস করতে পারি, তাহলে তারা কোন 'নাস্তিকগ্রন্থ' না থাকলেও নাস্তিক হতে পারবেনা কেন?

      'নাস্তিকগ্রন্থ' না থেকেও নাস্তিক হওয়াতে একাধিক সমস্যা আছে:
       
      -যদিও বিষয় দুটি এক নয় তথাপি আল্লাহকে না দেখে বিশ্বাস আর কোন 'নাস্তিকগ্রন্থ' না থেকেও নাস্তিক হওয়া যদি এক হয় তাহলে তো দুটোই বিশ্বাস হয়ে গেল! কিন্তু নাস্তিকরা তো নিজেদেরকে যুক্তিবাদী, বিজ্ঞানমনষ্ক দাবি করে ভিন্ন কিছু বলতে চায়। তারা নাকি না দেখে কোন কিছুতেই বিশ্বাস করে না!
       
      -ধর্ম মানে শুধুমাত্র আল্লাহতে বিশ্বাস নয়। ধর্ম হচ্ছে আল্লাহতে বিশ্বাস সহ ইহকাল ও পরকালের জন্য একটি জীবন ব্যবস্থা। 'নাস্তিকগ্রন্থ' বলে যদি কিছুই না থাকে তাহলে কী করে নাস্তিকতা ও নাস্তিকদের জীবন ব্যবস্থা সম্পর্কে জানা যাবে। নাস্তিকদের জীবন ব্যবস্থা ভাল নাকি মন্দ সেটাই বা বিচার করা হবে কীভাবে!
       
      -নাস্তিকরা আস্তিকদেরকে নাস্তিকতায় ধর্মান্তরিত করার চেষ্টা করছে। ধরা যাক, কেউ আস্তিক থেকে নাস্তিক হতে চায় কিংবা নাস্তিকতা সম্পর্কে জানতে চায়। তো 'নাস্তিকগ্রন্থ' বলে নির্দিষ্ট কিছু না থাকলে সে কীভাবে নাস্তিকতা সম্পর্কে জানবে!
       
      -'নাস্তিকগ্রন্থ' না থাকা মানে নাস্তিকদের কাছে ভাল-মন্দের কোন ভিাত্তি বা মাপকাঠি নাই। যার ফলে তারা নিজেদের ইচ্ছেমতো ভাল-মন্দের সংজ্ঞা বানিয়ে এবং প্রয়োজনে ফ্লিপ করে ভালকে মন্দ আর মন্দকে ভাল বানিয়ে দিয়ে অরাজকতা সৃষ্টি করতে পারে।

      1. ৫.২.১
        Curvature

        নাস্তিকতা কোন ধর্ম নয়। বরং নাস্তিকদের প্রশ্ন আস্তিকতাকে ঘিরে। আস্তিকরা নাস্তিকদের কেন, কিভাবে ইত্যাদি প্রশ্নের জবাব যুক্তি দিয়ে দিতে পারে না বলে কিছু কিছু মানুষ নিজের ধর্মকে প্রশ্নবিদ্ব করে এড়িয়ে চলে। ফলে তারা নাস্তিক নাম ধারণ করে। নাস্তিকদের যুক্তিতে টিকতে না পারলে তাদেরকে হত্যার চেষ্টা করা হয়।

    3. ৫.৩
      আহমেদ শরীফ

      আমরা যদি আল্লাহকে না দেখে বিশ্বাস করতে পারি, তাহলে তারা কোন 'নাস্তিকগ্রন্থ' না থাকলেও নাস্তিক হতে পারবেনা কেন?

      আল্লাহকে দেখা না গেলেও ওনার পক্ষ থেকে 'প্রতিনিধি' এসেছেন। অসংখ্য নবী-রাসূল পাঠানো হয়েছে যুগে যুগে। তাঁদের মাধ্যমে আল্লাহতা'লার অনুকরণীয় বিচিত্র বাণীসমূহ পাওয়া গেছে। নবী-রাসূলদের বিভিন্ন অলৌকিক ঘটনার মাধ্যমে আল্লাহর অসীম শক্তির চাক্ষুষ প্রমাণ মানুষ পেয়েছে। নবীদের পর নবীদের উত্তরাধিকারী যেসব বিশিষ্ট ব্যক্তি তাঁদের মাধ্যমেও অনেক ঘটনায় আল্লাহর অস্তিত্বের আভাস-প্রমাণ পাওয়া গেছে। এভাবে শতাব্দী পরম্পরায় সুকঠিন ভিত্তির ওপর একটি প্রতিষ্ঠানে দাঁড়িয়ে গেছে আল্লাহর অস্তিত্বের ব্যাপারটি।

      এছাড়াও আরো অনেক ব্যাপার আছে যেমন নামাজকে মু'মিনের জন্য মি'রাজ বা প্রত্যক্ষ দর্শন বলা হয়েছে। এই নামাজে একেকজন সাধারণ বান্দার যে কত বিচিত্র সব অনুভূতি-অভিজ্ঞতা লাভ হয় সেটা নামাজি নিজে ছাড়া অন্য কেউ বুঝতে পারে না। দেখা যায় নামাজি যুগের পর যুগ ধরে নিয়মিত নামাজ পড়ে যাচ্ছে নিষ্ঠার সাথে। চিন্তা করলে এটিও বিরাট রহস্যময় ব্যাপার। এরকম অনেক বিচিত্র ব্যাপার আছে যা একজন ঈমানদার ছাড়া অন্য কারো পক্ষে অনুধাবন করা সম্ভব নয়।

      নাস্তিকতা কোন বিশ্বাস না বরং কোন রকম বিশ্বাসের অনুপস্থিতি। খাঁটি নাস্তিক হওয়া খুবই দুরুহ ব্যাপার। ব্লগে-ফেসবুকে যাদের আস্ফালন করতে দেখা যায় তাদের বেশির ভাগই খাঁটি নাস্তিক নয়। আসলে যে যে ধর্মের পরিবার ও পরিবেশ থেকে উঠে এসেছে সেই প্রভাবটি এড়ানো এত সহজ নয়। ফলে দেখা যায় হিন্দু ধর্ম থেকে আসা নাস্তিক ইসলামের বিপক্ষে ফেনা তুলে ফেললেও হিন্দু ধর্মের প্রসঙ্গ এড়িয়ে যায়। তো এইরকম বেশিরভাগই ভেজাল নাস্তিক। আর স্রষ্টা নেই বা নিশ্চিতভাবে স্রষ্টার অনস্তিত্ব প্রমাণ কখনো মানুষ করতে পারেনি কাজেই সেই মূল প্রশ্নটিতেও রয়ে গেছে এক বিরাট সংশয়, সেটাকে ধামাচাপা দেবার জন্য আর নিজেদের সংশয়াচ্ছন্ন বিভ্রান্তিকে ঢাকা দিয়ে আত্মবিশ্বাস বাড়ানোর প্রয়াসেই তারা গলার জোরেই বিশেষতঃ ইসলামের সমালোচনা করে কিছু মাটি খুঁজে পাবার চেষ্টা করছে। প্রতিআক্রমণকে বিক্ষিপ্ত করার জন্য আর নিজেদের পিঠ বাঁচানোর জন্য কখনো 'যুক্তিবাদ' কখনো 'বিজ্ঞান' কখনো মানবতা এইসব বিষয়ে একেক সময় একেক পদের খুব সুন্দর সুন্দর জগাখিচুড়ি পাকিয়ে ডাইভার্ট করে মানুষকে, আর আত্মপ্রতারণা করে নিজেদেরকে।

      তারা অস্থির, বিক্ষিপ্ত, বায়ুগ্রস্ত, সদা উত্তেজিত, সংশয়াচ্ছন্ন।

      মু'মিন স্থির, শান্ত, স্থিতধী আর নিশ্চিত বিশ্বাসের স্বচ্ছ সরোবরে নিশ্চিন্ত।

  6. zaman

    যুক্তিগুলো হাস্যকর। যিনি কোন ঈশ্বরে বিশ্বাস করেন না, তিনি কেন বিশ্বাসের গ্রন্থ বয়ে বেড়াবেন? গ্রন্থ থাকা মানেই কি তা অব্যর্থ? গীতা, বাইবেল, গ্রন্থ সাহেব, জিন্দাবেস্তা – একটা কিছু কি থাকতেই হবে? একটা কিছু মানা কি বাধ্যাতামুলক? 
    কোন গ্রন্থ নেই বলেই তিনি নাস্তিক। আর কম্যুনিস্ট, বামপন্থি, চীনপন্থি আর নাস্তিক সমার্থক না। ডানপন্থী, আওয়ামীলিগ, বিএনপি এমন কি মুসলিম লিগেও নাস্তিক আছে। তবে এদের নেতারা আবার দারুন ধার্মিক।  তবে জামাত বা বিজেপীতে কোন নাস্তিক নেই। ওঁগুলোর বানিজ্যের পুজি যোগান দেয় ধর্ম।
    রোমান  দার্শনিক সেনেকার একটা বানী – ধর্ম সাধারম মানুষ বিশ্বাস করে, জ্ঞানীরা অবিশ্বাস করে, শাসকেরা ব্যবহার করে। 

    1. ৬.১
      এস. এম. রায়হান

      যুক্তিগুলো হাস্যকর।

      তাই নাকি! মনা ভাইরাসে আক্রান্ত হলে এভাবেই শুরু করতে হয় নাকি!

      যিনি কোন ঈশ্বরে বিশ্বাস করেন না, তিনি কেন বিশ্বাসের গ্রন্থ বয়ে বেড়াবেন?

      'বিশ্বাসের গ্রন্থ' কোথা থেকে এলো? মাথা খারাপ নাকি পেট খারাপ হয়েছে কে জানে! ব্যতিক্রম ছাড়া ধর্মগ্রন্থগুলো একেকটি জীবনবিধান বা সংবিধান যার মধ্যে বিশ্বাসও আছে। প্রত্যেকটি দেশের লিখিত সংবিধান আছে। প্রতিটি বৈজ্ঞানিক তত্ত্বের পক্ষে লিখিত দলিল-প্রমাণ আছে। এমন কোন দেশ দেখাতে পারবেন যে দেশের লিখিত কোন সংবিধান নাই? এমন কোন বৈজ্ঞানিক তত্ত্বের নাম বলতে পারবেন যার পক্ষে কোন লিখিত দলিল-প্রমাণ নাই? নাস্তিকরা তো ধর্মকে (জীবনবিধান বা সংবিধান) ঝেঁটিয়ে বিদায় করতে মরণপণ চেষ্টা করছে। তাহলে ধর্মকে প্রতিস্থাপনকারী তাদের লিখিত সংবিধান বা জীবনবিধান কী হবে? লিখিত কোন সংবিধান না থাকলে কীসের উপর ভিত্তি করে তারা ধর্মকে নাস্তিকতা দিয়ে প্রতিস্থাপন করার জন্য মরণপণ লড়াই করছে?

      1. ৬.১.১
        এমিনেম

        ব্রিটেনে লিখিত সংবিধান নেই।

      2. এস. এম. রায়হান

        @এমিনেম:

        ব্রিটেনে লিখিত সংবিধান নেই।

        এই তথ্য সঠিক নয়। ব্রিটেনেও লিখিত সংবিধান আছে-

        Q: Why doesn’t Britain have a written constitution?

        Answer:

        Atually, the question is wrong. Britain does, and I mean, it DOES have a constitution.

        The idea that Britain has an 'unwritten constitution' has been described by Professor Vernon Bogdanor, the country's leading constitutional expert, as 'misleading'. He was completely wrong.

        The rules about the country and its power ARE written down. They're just not written in one place.

        The British constitution consists of several documents, including the Magna Carta (c. 1215), the Petition of Right Act (c. 1628), the Bill of Rights (c. 1689), the Act of Settlement (c.1701), the Parliament Acts (between 1911 and 1949) and the Representation of the People Act (1969).

        There is also 'case law', when agreements and decisions in courts get added to the constitution. One example is the Case of Proclamations in 1611. This found out thet the king could not add a law just by announcing it.

        The reason behind Britain's constitution not being a single document is to do with its age. Britain was originally called Pretannia (the Britons changed it to Bretannia, then the Romans changed it to Britannia), although it had no founders, so the constitution developed bit by bit. [Source]

        The United Kingdom doesn't have a single, written constitution (a set of rules of government). But this doesn't mean that the UK has an ‘unwritten constitution’. In fact, it is mostly written – but instead of being one formal document, the British constitution is formed from various sources including statute law, case law made by judges, and international treaties. [Source]

    2. ৬.২
      এস. এম. রায়হান

      রোমান দার্শনিক সেনেকার একটা বানী — ধর্ম সাধারম মানুষ বিশ্বাস করে, জ্ঞানীরা অবিশ্বাস করে, শাসকেরা ব্যবহার করে।

      পাঠক! এতদিনে সদালাপে একজন মহাজ্ঞানী পাওয়া গেছে! তবে খোঁজ নিলে হয়ত জানতে পারবেন এই মহাজ্ঞানীর শিক্ষাগত যোগ্যতা, বুদ্ধিমত্তা, যুক্তিবোধ কোনটাই আপনার চেয়ে ভাল বা উন্নত নয়! এরা মনা ভাইরাসে আক্রান্ত। বলতে হবে তাই বলা আরকি – এটিও একটি অন্ধ বিশ্বাস। তবে কথায় বলে, অন্যের মুখে নাকি ভীরুরা ঝাল খায়। রোমান দার্শনিকের বাণী কপি না করে নিজে কিছু বললেই বরং সেটা বেশি গ্রহণযোগ্য হতো। এরকম বাণী কপি করে যে কাউকে শোয়াইয়া দেয়া যায় কিন্তু তাতে কিছু প্রমাণ হয় না।

  7. কিংশুক

    “নাস্তিক গ্রন্থ” তো মনে হয় আছেই। সেই বইটির নাম হলো ডারউইনের “অরিজিন অফ স্পিসিজ”। কিছুদিন পূর্বে খ্যাতনামা সাংবাদিক (আমি কিন্তু বইটা পড়ার পূর্বে তার নামও শুনিনি) মোহাম্মদ শামসুল হক বিরচিত “বিশ্বাসের বিবর্তন- মতবাদ, মতান্তর, সংঘর্ষ, সংঘাত” নামক মৈালবাদী আস্তিক ও মৈালবাদী নাস্তিকতার মধ্যে ভারসাম্য আনয়নকারী বই পড়লাম (হাতখড়ি প্রকাশনী হতে ২০০৭ সালে প্রকাশিত)। বইয়ের মূখবন্ধ ও ভূমিকায় দেখলাম খুব ইনিয়ে বিনিয়ে কারো ধর্ম বিশ্বাসে আঘাত না করে ও ধর্ম কিছু খারাপি সত্ত্বেও(পুরুষের লেখা ধর্মে নারীর অবমাননা ও যুদ্ধবিগ্রহ) অনেক ভালো কিছুও দিয়েছে ঘোষণা দিয়ে সত্য বই(!) লিখেছেন বলে ধারণা দিলেন। এরপর পুরো বই জুড়ে পৃথিবীর টিকে থাকা ও হারিয়ে যাওয়া যতগুলো ধর্ম রয়েছে সব ধর্মের উপত্তি মানুষ নিজের কল্পনা শক্তি দিয়ে করেছে বলেই ধারণা দিয়ে গেলেন। আব্রাহামিক ফেইথের তিনটি ধর্মকে  প্রমাণিত বৈজ্ঞানিক সত্য “বিবর্তনবাদ” দিয়ে বাতিল করলেন। ডারউইনিষ্টরা পিল্টডাউন ম্যান সহ যতো প্রকার জোচ্চুরী করে ধরা খেয়েছে সবই প্রমাণিত বৈজ্ঞানিক সত্য হিসাবে ঘোষণা দিয়ে গেলেন, ধর্মজীবিরা জোর করে ডারউইনিজমের মতো প্রতিষ্ঠিত বৈজ্ঞানিক সত্যকে কিভাবে বিতর্কিত করার চেষ্টা করেছে এবং করে যাচ্ছে তার তথ্য দিয়ে গেলেন। এমনকি ন্যাশনাল জিওগ্রাফিকের মতো অপ্রতিদ্বন্দ্বি পত্রিকাতেও বিবর্তনবাদ যে প্রমাণিত সত্য তার প্রমাণ দিতে গিয়ে শুরুতেই হারুন-ইয়াহিয়া নামক এক ধর্মান্ধ পৃথিবীর হিসাবের ছয় দিনে পুরো মহাবিশ্ব সৃষ্ট বলে বিশ্বাস করে (অথচ হারুন ইয়াহিয়া মোটেই ছয়দিনে নয় বরং ছয়টা কালে সৃষ্ট বলে বিশ্বাস করেন এবং কোরআনের বক্তব্যের সাথে প্রতিষ্ঠিত বিজ্ঞানের আশ্চর্যজনক সামন্জস্য দেখানোর জন্যই তাঁর খ্যাতি) অতএব সে ডারউইনিজমের বিরুদ্ধে যতো প্রমাণই দিকনা কেন, ডারউইনষ্টদের যতো জোচ্ছুরীই ফাঁস করুক না কেন সব অজ্ঞ, মূর্খ, অন্ধ ধর্মজীবির কথা হিসাবে বাতিল করা হয়েছে। যাই হোক জনাব সর্বজ্ঞানী লেখক মোহাম্মদ শামসূল হক সেই চিরধন্বন্তরী ঔষুধ ডারউইনিজমের মাধ্যমে বাধাবিপত্তিহীন প্রাকৃতিক নির্বাচনের মাধ্যমে এককোষী জীব হতে সমগ্র প্রাণী ও উদ্ভিত জগতের সৃষ্টি, বুদ্ধিমান মানবজাতির পূর্বপুরুষদের মাধ্যমে বাহিত ভয়, অজ্ঞতা হতে সকল ধর্মের উৎপত্তির প্রমাণিত বৈজ্ঞানিক থিসিস দিয়ে কোন ধর্মই যে ঐশ্বরিক হতে পারেনা তার স্বত:সিদ্ধ প্রমাণ দিয়ে গেলেন। এর পাশাপাশি খ্রিষ্টধর্মকে পৃথিবী সমতল ইত্যাদি দিয়ে বাতিল করলেন। ইসলামকে মহাবিশ্ব ছয়দিনে সৃষ্টির তত্ত্ব দিয়ে, ফেরেশতাদের বিষয়ে আরজ আলী মাতুব্বরের যুক্তি দিয়ে মানুসের সৃষ্ট ধর্ম হিসাবে প্রমাণ করে দিলেন!

    সব শিয়ালের এক রা হিসাবে প্রমাণিত বৈজ্ঞানিক বই “ দি আরিজিন অব স্পিসিজ” কে নাস্তিক ধর্মগ্রন্থ বলা উচিত। কারণ, এই বইয়ের মাধ্যমেই প্রমাণিত হয়েছে সৈাভাগ্যক্রমে একটি এককোষীর সৃষ্টির মাধ্যমে সম্পূর্ণ প্রাণী ও উদ্ভিতজগত বাধাবিপত্তিহীন প্রাকৃতিক নির্বাচনের মাধ্যমে সৃষ্ট, আদিম মানুষতো ঠিকমতো আগুন জ্বালাতেই পারতোনা, তাদের কোন ভাষাও ছিলোনা; তাই তাদের কোন ধর্ম ছিলোনা, মানুষের প্রয়োজনেই মানুষ ধর্ম বানিয়ে নিয়েছে, যেখানে পৃথিবীর কোন উদ্ভিত,প্রাণীরই কোন স্রষ্টা নেই সেখানে নবী-রাসূল, কিতাব পাঠাবে কে? এই থিয়োরীর মাধ্যমেই অনুসিদ্ধান্তে আশা যায় যে, যারা নব্যুওয়াত, আসমানী কিতাবের দাবী করেছে তারা সবাই হয় পাগল নাহয় ভণ্ড। এরকম একটি বিজ্ঞানের বই থাকতে নাস্তিকতার স্বপক্ষে আর কোন বই না থাকলেও চলে। http://www.shodalap.org/wp-content/plugins/wp-monalisa/icons/wpml_bye.gif
     

    1. ৭.১
      এস. এম. রায়হান

      “নাস্তিক গ্রন্থ” তো মনে হয় আছেই। সেই বইটির নাম হলো ডারউইনের “অরিজিন অফ স্পিসিজ”।

      কিন্তু নাস্তিকদের কাউকে সাহস করে এই বইটিকে নাস্তিকতার পক্ষে লিখিত দলিল-প্রমাণ হিসেবে দাবি করতে শোনা যায় না! কেন জানেন? কারণ হচ্ছে এই বইয়ের কোথাও নাস্তিকতার পক্ষে যেমন কিছু বলা নাই তেমনি আবার ডারউইন নিজে স্বঘোষিত নাস্তিক বা এমনকি ধর্ম-বিদ্বেষীও ছিলেন না! তাছাড়া পার্থিব-অপার্থিব সব দিক বিবেচনায় কুরআনের সাথে মাত্র একটি বিষয় নিয়ে লিখা দ্য অরিজিন অফ স্পিসিজ এর তুলনা করলে দ্য অরিজিন অফ স্পিসিজ-কে ঝড়া পাতার মতো মনে হবে। দ্য অরিজিন অফ স্পিসিজ বইটি কেউ একবার পড়লে দ্বিতীয়বার পড়ার আর প্রয়োজন মনে করবে না, কেননা তাতে দ্বিতীয়বার পড়ার মতো আদৌ কিছু নাই। নাস্তিকরা নিজেরাও এই বইটি একবারের বেশি পড়ে না! অন্যদিকে একজন ইসলামে বিশ্বাসী জীবনে অনেকবার কুরআন পড়ে এবং বিচ্ছিন্নভাবে হলেও প্রায়ই কিছু আয়াত পড়ে। নাস্তিকরা মনে হয় আরো বেশি পড়ে!

  8. ফোরকান

    নাস্তিকদের নির্দিষ্ট বইয়ের প্রয়োজন নেই। যারা শিক্ষিত নাস্তিক তারা ধর্মগ্রন্থ পড়ে নিজের ব্যক্তিগত মতামতের সাথে তুলনা করেন। ধর্মগ্রন্থগুলোতে যা বলা হয়েছে তা তাদের কাছে কোন বিশেষ সত্ত্বার বাণী বলে মনে হয় নি। এমন বহু আস্তিক রয়েছেন যারা শুধু স্রষ্টা আছেন এটা মানেন কিন্তু কোন ধর্ম বিশ্বাস করেন না। তাদের কাছে ধর্ম স্রেফ মানুষের বানানো যার উদ্দেশ্য কিছু ক্ষেত্রে  ছিল শান্তি শৃঙ্খলা আনার জন্য একটি কমন মাধ্যম বানানো আর কিছু ছিল ভন্ডামী ও ক্ষমতার লোভ।

    ইসালামে কোন গোরামীর জায়গা নেই। শিক্ষিত নাস্তিকদের মধ্যে বিশ্বাস ছাড়া আর সব কিছু বিদ্যমান যা নির্ভেজাল তাওহীদ অনুসরনে খুবই প্রয়োজন। তাদের কেউ যদি পরবর্তিতে আস্তিক হয়, তবে তারা ১০০% খালেস দিলে ইবাদত করেন কেননা তিনি সবকিছুর মাঝে তুলনা করেই আস্তিক হন।

    কিন্তু তাদের কথা আলাদা যারা একটি ফার্ম সিদ্ধান্তে পৌছান এবং কোন মতেই তার সিদ্ধান্তের বিরোধী কোন কথা ও যুক্তি শুনতে ও মানতে নারাজ। এক্ষত্রে অবশ্যই নাস্তিককে একজন সত্যিকার ফ্রী থিঙ্কার হতে হবে; অব্যাহতভাবে ও অকারনে স্রষ্টাকে অবিস্বাস করার কারনে মোহর পদকপ্রাপ্ত নাস্তিক নয়।http://www.shodalap.org/wp-content/plugins/wp-monalisa/icons/wpml_yes.gif

  9. আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন

    নাস্তিক ততক্ষণই নাস্তিক থাকে যতক্ষণ তার মনে আস্তিকতার অস্তিত্ব থাকে। অর্থাৎ আস্তিকতা ছাড়া নাস্তিকতার অস্তিত্ব নেই। যেহেতু তাদের নিজেদের কোন সুনির্দিষ্ট দর্শন নেই – যখন যেখানে সম্ভব সেখানে চেপে বসে। সাম্প্রতিক ইতিহাসে দেখি নাস্তিকরা চেপে বসে ছিলো কমিউনিজমের উপর। আধুনা নাস্তিকরা চেপে আছে পুঁজিবাদের ঘাড়ে। আগে বলতো ধর্ম মানুষকে জাগতিক জগত থেকে বিচ্ছিন্ন করে রাখে তাই ধর্ম উৎপাদনশীলতার প্রতিবন্ধক – বলা হতো কাজ করো – উৎপাদন বাড়াও। এখন বলে ধর্ম মানুষকে পরলৌকিক চিন্তায় আচ্ছন্ন করে রাথে তাই বাজার অর্থনীতিতে এর প্রভাব পড়ে – তাই এখন খাও দাও ফুর্তি করো।

    মোদ্দা কথা হলো নাস্তিকতা পরজীবি শ্রেণীর মতাদর্শ – আর প্যারাসাইডের হোস্ট ছাড়া যেমন অস্তিত্ব নেই – তেমনি নাস্তিকদের আস্তিকদের গ্রন্থকে ঘিরেই চিন্তাকে বিকাশ করতে হয় – তা অবশ্যই নেতিবাচক ভাবে।

    ধন্যবাদ।

    1. ৯.১
      এস. এম. রায়হান

      নাস্তিকদের অবস্থানকে সুন্দরভাবে তুলে ধরেছেন।

      সাম্প্রতিক ইতিহাসে দেখি নাস্তিকরা চেপে বসে ছিলো কমিউনিস্টদের উপর। আধুনা নাস্তিকরা চেপে আছে পুঁজিবাদের ঘাড়ে।

      অধুনা নাস্তিকরা ডারউইনের বিবর্তনবাদ তত্ত্বের ঘাড়েও চেপে বসেছে, যদিও ডারউইন নিজে স্বঘোষিত নাস্তিক বা ধর্ম-বিদ্বেষী ছিলেন না। তারা বিবর্তনবাদ তত্ত্বকে বিজ্ঞানের নামে নাস্তিকতার পক্ষে অপব্যবহার করছে। অথচ বিবর্তনবাদ তত্ত্বের সাথে নাস্তিকতার কোন রকম সম্পর্ক নাই বা থাকতে পারে না। কেননা বিবর্তনবাদ তত্ত্ব সত্য হলেও তাতে কোনভাবেই প্রমাণ হয় না যে এই মহাবিশ্বের স্রষ্টা বলে কিছু নাই, যেখানে আবার বিবর্তনবাদ তত্ত্বই মিথ্যাচার আর চাপাবাজির উপর ভিত্তি করে দাঁড়িয়ে আছে।

    2. ৯.২
      আহমেদ শরীফ

      সাম্প্রতিক ইতিহাসে দেখি নাস্তিকরা চেপে বসে ছিলো কমিউনিজমের উপর। আধুনা নাস্তিকরা চেপে আছে পুঁজিবাদের ঘাড়ে। আগে বলতো ধর্ম মানুষকে জাগতিক জগত থেকে বিচ্ছিন্ন করে রাখে তাই ধর্ম উৎপাদনশীলতার প্রতিবন্ধক — বলা হতো কাজ করো — উৎপাদন বাড়াও। এখন বলে ধর্ম মানুষকে পরলৌকিক চিন্তায় আচ্ছন্ন করে রাথে তাই বাজার অর্থনীতিতে এর প্রভাব পড়ে — তাই এখন খাও দাও ফুর্তি করো।

      অপূর্ব ! বুলস আই … 🙂

    3. ৯.৩
      ফুয়াদ দীনহীন

      সাম্প্রতিক ইতিহাসে দেখি নাস্তিকরা চেপে বসে ছিলো কমিউনিজমের উপর। আধুনা নাস্তিকরা চেপে আছে পুঁজিবাদের ঘাড়ে। আগে বলতো ধর্ম মানুষকে জাগতিক জগত থেকে বিচ্ছিন্ন করে রাখে তাই ধর্ম উৎপাদনশীলতার প্রতিবন্ধক — বলা হতো কাজ করো — উৎপাদন বাড়াও। এখন বলে ধর্ম মানুষকে পরলৌকিক চিন্তায় আচ্ছন্ন করে রাথে তাই বাজার অর্থনীতিতে এর প্রভাব পড়ে — তাই এখন খাও দাও ফুর্তি করো।-আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন

      – :thumbs:  ^5

  10. ১০
    zaman

    @ রায়হান,
    তাহলে ধর্মকে প্রতিস্থাপনকারী তাদের লিখিত সংবিধান বা জীবনবিধান কী হবে?
    যে সব দেশ নিধারমিক অধ্যুষিত যেমন সুইডেন বা নরওয়ে তাদের দেশের মানুষের কী কোন জীবন বিধান নেই। তারা কি আমাদের চাইতে বেশী অপরাধ প্রবন?
    আসলে মানুষ নিজে থাকেই জানে ভাল বা মান্দ কী? এর জন্য কোন ধর্ম গ্রন্থের প্রয়োজন নেই। একজন নাস্তিক হয়তো গরুর বা শুকুরের মাংস খাবার সময় পাপ বোধে আক্রান্ত হবে না, তবে পাখির মাংস খাবার সময় তার ভেতরের মানবিকতা বাধা দেবে। কেননা সে যুক্তি চালিত, বিশ্বাস চালিত না। 

    1. ১০.১
      সরোয়ার

      @Zaman,

       চিন্তার খোরাক হিসেবে পড়তে পারেন-

      নাস্তিকতা টেস্ট: আপনি কি আসলেই নাস্তিক হতে পেরেছেন?

    2. ১০.২
      এস. এম. রায়হান

      যে সব দেশ নিধারমিক অধ্যুষিত যেমন সুইডেন বা নরওয়ে তাদের দেশের মানুষের কী কোন জীবন বিধান নেই। তারা কি আমাদের চাইতে বেশী অপরাধ প্রবন?

      'নিধারমিক অধ্যুষিত' মানে কী? এখানে কথা হচ্ছে নাস্তিকতার পক্ষে লিখিত দলিল-প্রমাণ নিয়ে। নাস্তিকতার পক্ষে যদি কোন লিখিত দলিল-প্রমাণই না থাকে তাহলে সুইডেন বা নরওয়ের সংবিধান ও জীবনবিধান আর যা-ই হোক অন্তত নাস্তিকতার উপর ভিত্তি করে হতে পারে না। ঠিক কি না?

  11. ১১
    zaman

    @ লেখকঃ
    লেখাটির উদ্দেশ্য কী? 
    সম্ভবত নাস্তিকদের লজ্জা দেয়া। একটা গ্রন্থ না থাকলে ভাল দেখায় না। 
    আমি না হয় মুসলিম ঘরের সন্তান, তাপ্নাদের লেখা পড়ে কুরানের মধ্য ধুঁকে পড়লাম। কিন্তু আমার বন্ধু কানাইলাল? সেতো গীতা ধরবে! আপনি থাকে বেশ লজ্জা দিয়ে গীতা ধরালেন। তাইনা? 
    এবার কোরানের একখান বানী শোনেন ঃ 
    (হে নবী) যদি তুমি আল্লাহর সাথে শিরক করো তোমার আমলও বাতিল এবং তুমি ক্ষতিগ্রস্থ হয়ে যাবে।  (সূরা যুমার-৬৫)
    যে শিরকের পাপ করলে নবীকেও ছাড়া হত না, সেই পথ কানাইলাল্কে আপনিই দেখালেন। কী মজা!

    1. ১১.১
      এস. এম. রায়হান

      কিন্তু আমার বন্ধু কানাইলাল? সেতো গীতা ধরবে! আপনি থাকে বেশ লজ্জা দিয়ে গীতা ধরালেন। তাইনা?

      বাহ! আপনি বলতে চাচ্ছেন কানাইলালরা গীতায় বিশ্বাস করে না কিন্তু আমি তাদেরকে [বেশ লজ্জা দিয়ে? কীভাবে?] গীতার দিকে ঠেলে দিচ্ছি! পুরাই বিনোদন।   আপনাকে তো মনে হয় লজ্জা দেওয়া হয়নি, কী বলেন।

  12. ১২
    কিংশুক

    @ zaman,
    রায়হান ভাই বোধহয় অমুসলিমদের বিষয়ে লেখাটি দেননি বা জঙ্গি নাস্তিক না এধরণের কেউ তাঁর লক্ষ্য নয়। লেখাটা দেয়া হয়েছে নব্য জঙ্গি নাস্তিক যাদের কাছে আস্তিক মানেই হলো বিজ্ঞানের শত্রু, অন্ধ, বিচার বুদ্ধিহীন, পৃথিবী ও তার সমগ্র মানবগোষ্ঠীকে ধ্বংসের দিকে নিতে চাওয়া প্রাগৈতিহাসিক জীব। এবং নাস্তিকতা মানেই হলো অতি বৈজ্ঞানিক, অত্যন্ত বুদ্ধিমান, পৃথিবীর তাবত কল্যানের জন্য নিবেদিতপ্রাণ (যার যার মনে তার তার ধান্ধা থাকতে পারে, তবে সবার নিকট নিজেদের বিষয়ে উপস্থাপনাটা সেটাই) আলোকিত মানুষ। বাংলাভাষীদের নিকট সেই আলোর যাত্রীদের প্রতিনিধি হিসাবে “মনা”রা নিজেদের দিকে সবাইকে আহ্বান জানান। তারা নিজেরা নিজেদেরকে যদি অত্যন্ত বৈজ্ঞানিক, অত্যন্ত সঠিক, মানবজাতির অতি কল্যানী হিসাবে উপস্থাপনা করে যেকোন ধর্মের বিশ্বাসীদের, ধর্মগ্রন্থ, জাতীয়তা নিয়ে দিনরাত হাসি-ঠাট্টা, লেখার মাধ্যমে ব্যক্তিগত, সামাজিক, জাতিগত চরম বিদ্বেষ, গালাগালি করাটা ন্যায়সঙ্গত মনে করে (যেহেতু তারা নব্য জঙ্গি নাস্তিকতার বাহক ও সংক্রামক) তাহলে তাদেরকে অবশ্যই আস্তিকদের নিকট ফুলপ্রুফ নাস্তিকতার প্রমাণ পেশ করতে হবে। না পারলে তাদেরকে যারা ফুলপ্রুফ মনে করেনা তাদের বিষয়ে যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার কোন ন্যায়সঙ্গত অধিকার নব্য জঙ্গি নাস্তিকদের থাকতে পারেনা। কেউ যদি নিজেই শতভাগ সৎ না হয়ে জালিয়াতি, ভণ্ডামির আশ্রয় নেয় তাহলে তার নিজের মতবাদ নিজের কাছে রেখে ধুয়ে পানি খাওয়া উচিত, অন্যের ঘাড়ের উপর আক্রমণ করার দায়িত্ব সে পায় কিভাবে? মুসলিম, কোরান, ইসলাম ধর্মে বিশ্বাসীদের নিয়ে এবং এই পোষ্টের লেখককে ব্যক্তিগতভাবে কুরুচিপূর্ণ গালাগালি, গায়ের জোরে দলবেঁধে উদোর পিন্ডি বুধোর ঘাড়ে উঠিয়ে না দিলে লেখক তাদেরকে চ্যালেন্জ জানাতেন না (এখন পিছলামি যেটা মনাদের বৈশিষ্ট্য সেটা করলেও লাভ নাই, কারণ মনাদের, তাদের দোসর কিছু মালাউন শর্মা ই আজম ধরণের ব্যক্তিদের কুরুচিপূর্ণ পালাগালি, তথ্য-প্রমাণ জালিয়াতি, দলবদ্ধ জঙ্গি আক্রমণের সাক্ষি এই ব্লগের সবাই)। অন্তত: মনাদের মতো ভণ্ডদের সাথে গায়ে পড়ে লাগতে যাওয়ার মতো কোন পাগল লেখক এই ব্লগে নেই।

  13. ১৩
    ফোরকান

    নাস্তিকদের মধ্যে একটি মারাত্মক ঘৃন্য স্বভাব লক্ষনীয়। তারা মুসলিম ভাইদের টুপি, পাঞ্জাবী পরিহিত অবস্থায় দেখলে এমন অবজ্ঞার দৃষ্টতে তাকায় যেন লোকটি তার পাকা ধানে মই দিছে। ব্লগে কোন আস্তিকের পোষ্ট দেখলে সাঙ্গ পাঙ্গ নিয়ে ঝাপিয়ে পড়ে ব্যক্তিগত আক্রমণ করে।

  14. ১৪
    এস. এম. রায়হান

    পাঠক! বিপ্লব পাল নামের এক বিখ্যাত মুক্তমনা ভাঁড় “নাস্তিকদের প্রতিনিধি” সেজে আমার এই লেখার জবাব দিয়েছে। তার জবাব ও নাস্তিকতার পক্ষে উপস্থাপিত দলিল-প্রমাণ দেখুন-

    আমি হাঁসব না কাঁদব?

    লিখেছেন: বিপ্লব পাল

    ইদানিং লেখার খুব বেশী ইচ্ছা হয় না। কিন্ত সদালাপের এই লেখাটা পড়ে এত হাঁসি পেল, দু লাইন না লিখে স্বস্তি পাচ্ছি না।
    http://www.shodalap.org/smraihan/8505

    রায়হান বলে সেই বিখ্যাত সদালাপী দাবী করেছে, নাস্তিকদের কোরানের মতন “প্রমান্য” ধর্মগ্রন্থ নেই, তাই নাস্তিকতা “ফালতু”!

    আমি গত ১০ বছর ধরে এই
    “নাবালক” ইসলামিক ভদ্রলোককে দেখে এবং এর লেখা পড়ে ও এর অনাবিল পান্ডিত্যে এত বিনা পয়সার আমোদ লাভ করেছি-না লিখলেও বিধগ্ধ পাঠকরা নিশ্চয় বোঝেন!

    তবে এটা সব কিছুকে ছাড়িয়ে গেল!!!!

    সত্যিই নাস্তিকদের কোন “প্রমান্য” ধর্মগ্রন্থ নেই!! আমার মনে হয়, রায়হান সাহেবের জন্যে একটা নাস্তিক কোরান লেখার সময় এসেছে!!!

    ব্যপারটা দাঁড়াল এই-দর্শন এবং বিজ্ঞানে মানুষ এই যে এত এত গ্রন্থ বার করেছে-তা সব ফালতু- ধর্মগ্রন্থ গুলিই সব! লোকে যা মানে তাই সত্য!

    সমস্যা টা এই যে মুসলিমরা যেমন কোরান মানে, অমুসলিমদের একটা বড় অংশই একে শয়তানের ধর্মগ্রন্থ বলে মনে করে! এটা অন্য ধর্ম গ্রন্থের জন্যেও সত্য। তাহলে বেসিক প্রশ্নটা হচ্ছে, এসব রেখে লাভ কি?

    নাস্তিকতা বা আস্তিকতা কোন জীবনচারনের শর্ত না- একজন আস্তিক এবং নাস্তিক একই ধরনের রাজনৈতিক এবং সামাজিক ধারনার অধিকারী হতে পারে। ঈশ্বরের বিশ্বাস অবিশ্বাসে কিছু পার্থক্য হয় না। হয় ধর্মগ্রন্তগুলির রাজনৈতিক লাইনে। যেগুলোর পেছনে আবার সামাজিক ইতিহাস আছে। আর ধর্ম গ্রন্থগুলো ইতিহাস এবং ঐত্রিঝাসিক দলিল ছারা কিছু না। এগুলোর গুরুত্ব অস্বীকার করছি না-কিন্ত এই ধরনের কোন ” স্থির রাজনৈতিক লাইন” নিলে নাস্তিকতা ও আস্তিকতার মতন নিকৃষ্ট ধর্মে পরিনত হবে।

    ইসলাম বা ধর্মগুলির পচনের কারন-কিছু স্থির ধারনার সাপেক্কে রাজনৈতিক শক্তিগুলির বিন্যাস। যার উৎস স্থর ধর্মগ্রন্থ গুলি।যা আবার এসেছে ঐতিহাসিক পটভূমিকা থেকে। সুতরাং এই ধরনের ধর্মগ্রন্থ ভিত্তিক ধর্ম আসলেই সমাজের জন্যে ক্ষতিকর-কারন এগুলো ক্ষমতার কেন্দ্র হিসাবে কাজ করে। যা ধর্মের পচনের মূল কারন।

    সব থেকে বড় কথা আমাদের ভবিষয়ত জীবন নিয়ন্ত্রিত হবে এলগোরিদম দিয়ে- ধর্ম গ্রন্থ দিয়ে না। উন্নত বিশ্বের অনেক কিছুই এখন এলগোরিদম নিয়ন্ত্রিত-সব জিনিসের দাম, মাইনা-রাজনীতি- আমেরিকাতে সব কিছুতেই এখন এলগোরিদমের ছাপ। ধর্মগ্রন্থ আর রাজনীতিকে সমাজকে নিয়ন্ত্রন করবে না। তা করবে মানুষ এবং এলগোরিদম। এর সাথে কেও ঈশ্বরে বিশ্বাস করলো কি না করলো তার সম্পর্ক নেই। কিন্ত ধর্মগ্রন্থে বিশ্বাস করলো কি না-তার সাথে সম্পর্ক আছে। ঈস্বরে বিশ্বাস নিরীহ-মনের দিক দিয়ে ভালও হতে পারে-কিন্ত ধর্ম গ্রন্থে বিশ্বাস, এইডস রোগে আক্রান্ত রুগীর সাথে সঙ্গম-যা
    বিশ্বাসীকে এইডস রোগে আক্রান্ত করবেই।
    এবং সে সমাজে সেই রোগ ছড়ানোর চেষ্টা করবে। অন্য ভাইরাসের মতন ধর্মের ভাইরাসও সেই ভাবেই ডিজাইন্ড।

    দলিল-প্রমাণ দেখলেন তো! প্রায় আট-দশ বছর ধরে সদালাপে আমার কোন লেখা প্রকাশ হওয়ার সাথে সাথে এই ভাঁড় রামদা-চাপাতি নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ে এভাবেই ব্যক্তি-আক্রমণাত্মক জবাব দিয়ে আসছে। উল্লেখ্য যে, সে কিন্তু প্রকৃত অর্থে নাস্তিক নয়। আবার ইসলাম ও মুসলিমদেরকে আক্রমণ করার উদ্দেশ্যে নিজেকে আস্তিক দাবি করারও সাহস পায় না। তার মানে তার কাছে সত্য-মিথ্যা'র কোন বালাই নাই। এমন ভাঁড়কে পাত্তা দিয়ে কী লাভ বলেন!

  15. ১৫
    ফোরকান

    ব্লগে আমার পদচারণা খুবই কম সময়ের। কেবল পাঠক হয়েই বহুদিন নিরপেক্ষভাবে ব্লগ পড়েছি। যতটুকু বুঝতে পেরেছি এই আলোকচিত্রি মন্তব্য লড়াইয়ে নাস্তানাবুদ নাস্তিকদের বাঁচানোর চেষ্টা করতো। ধর্ম বিষয়ে তার জ্ঞান অনেক কম। আকাশ মালিকের বই পড়ে তিনি মূলত ইসলাম সম্পর্কে জেনেছেন। ব্লগে ব্যক্তি আক্রমণে তিনি অসাধারণ।

  16. ১৬
    নিহিলবাদী

    ভাই মনে হয় মাত্র গোটা কয়েক ধর্ম আর দর্শনের নাম জানেন আর তা দিয়েই আস্তিতা ও নাস্তিকতার সরলীকরণ করছেন। নাস্তিকরা আস্তিকদের জন্য হুমকি স্বরুপ হাস্যকর। ২০০৭ সালে সৌদি গ্রান্ড মুফতি মুহাম্মদের সমাধি ধ্বংসের কথা বলেছেন উনি কি নাস্তিক? হাজীদের জন্য যেখানে পাবলিক টয়লেট সেখানে মুহাম্মদের আবাস ছিল সেটা কি নাস্তিরা করেছেন?

    1. ১৬.১
      কিংশুক

      নাস্তিকরা আস্তিকদের জন্য হুমকি কিনা সেটা ভিন্ন প্রশ্ন। কিন্তু বাংলার ব্লগ নাস্তিকরা যদি ইহুদি গংদের পোষা ভাঁড় আলী সিনাদের কাছ থেকে ধার করা বিদ্বেষ দিয়ে মহানবী হযরত মোহাম্মদ (সা:), ইসলামের বিরুদ্ধে মনের মাধুরীর সাথে উতকট বিষ ঢেলে মিথ্যাকে সত্য বানায়, সত্যকে মিথ্যা বানায় আর দিনরাত গালিগালি করতে থাকে তাহলে ঐসব নাস্তিকদের সম্মান জানানোর কোন উপায় নেই। নিহিলবাদী ভাইজান মনে হয় শিয়া বা উগ্র সুফিদের সামান্য কিছু কথা শুনেছেন আর তা দিয়েই সৌদি গ্র্যান্ড মুফতি আব্দুল আজিজ ইবন আব্দুল্লাহকে (র:) বিচার করে ফেলেছেন। শিয়া বা উগ্র সুফিদের কবরকে মাজার বানিয়ে কবরের উপর লাল সালু ফুল ইত্যাদি দিতে, কবরে গিয়ে কিছু মানত করতে, মৃত ব্যক্তির কোন শক্তি আছে (অবশ্য তারা আল্লাহর রাহে শহীদগন জীবিত, কিন্তু আমরা বুজিনা; আল্লাহর অলিদের উপর আল্লাহপাক সন্তুষ্ট তাই অলিদের নিকট চাইলে আল্লাহপাক দিয়ে দিবেন ইত্যাদি, ইত্যাদি) ইত্যদি করতে নিষেধ করলে তারা যোরকানী, মেশকাত ইত্যাদি হতে দূর্বল, জাল হাদিস পেশ করার পর শেষ অস্ত্র হিসাবে নবীজি(সা:) এর রওজা মোবারককে কেন সাজানো হয়েছে এই প্রশ্ন করে বসে। হাজ্বিগনের নবী (সা:) এর কবর জিয়ারতের বিষয়ে মেশকাত শরীফে উপদেশ থাকার কারণে লক্ষ লক্ষ হাজিগনের জিয়ারতের সুবিধার্থে নবীজি (সা:) এর রওজা মোবারক জিয়ারতের কথা মাথায় থাকার পরও সৌদি গ্র্যান্ড মুফতি নবীজির(সা:) এর কবরকে সৌদি আরবে থাকা অন্যান্য সাহাবীগনের কবরের মতো সমতল কবরস্থান করে দেয়ার কথা ভেবেছিলেন (মোটেই কোন বিদ্বেষ নিয়ে সমাধি ধ্বংস ধরণের কোন ব্যাপার সেটা ছিলোনা নাউজুবিল্লাহ)। সৌদি আরবিরা যাই করেছেন সহীহ হাদিস অনুযায়ী করেছেন, কারো প্রতি কোন বিদ্বেষের কারণে নয়।

      1. ১৬.১.১
        নিহিলবাদী

        দয়া করে সহী হাদীসগুলা দিয়ে প্রমান করুন।

      2. কিংশুক

        আপনি কোরআনই মানেন না, আপনারে সহীহ হাদিস দেখাবো, আমারে পাগল পাইছেন নাকি ! তারপরে, মোহাম্মদ বিন আব্দুল ওয়াহাবের দেশের ব্যাপারে যখন সহীহ হাদিস যাইতেছেন তাহার মাইনে হলো আফনে ইসলামের কিছুই জানেন না, অতীতের ব্যাপারেও জানেন না, বর্তমানের ব্যাপারেও না । আমরাতো কোরান নাজিল হওয়া স্বেচাক্ষে দেখি নাই কিন্তু কোরআনের মুজিযায় আইজতক টাস্কি খাওয়া মানুষ । আর কোরআনই যে মানেনা তারে হাদিস হইতে কিছু জানাইলেই বা কি আর না জানাইলে বা কি ! আমরা যারা হাদিসেরও নানান ভবিষ্যতবানী, অলৈাকিকত্বে  বিমোহিত ও হাদিস বিশ্বাস করি তারা জানি যে, কোরআন মোহাম্মদ (সা:) এর জীবনকালেই মুসলমানদের মুখস্থ ছিলো, নানান সহীফার আকারে খন্ড খন্ড আকারে ছিলো; হযরত ওমর (রা:) তাঁর বোনের বাসায় কোরআনের লিখিত সুরা পেয়েছেন;  রাসূল (সা:) এর সময়েও  মুসলমানরা নামাজ পড়তে কোরআন পড়তে হতো, তারাবীতে পুরো কোরআন খতম করা হইতো, তারাবী বাদেও রাসূল সা: যোহরের নামাজে সুরা পড়া শুরু  দেখা যাইতো কয়েক ঘন্টায়ও নামাজ শেষ হচ্ছেনা । রাসূল সা: তাঁর সাহাবীদেরকেও কোরআন মাজিদ তেলাওয়াত ও মুখস্থ করার নির্দেশনা দিয়েছেন ।এমন অসংখ্য হাদিস রয়েছে যাতে কোরআন মাজিদ শেখা ও শিখানোর ফজিলত বর্নিত হয়েছে ।  বুখারী শরীফে আছে, রাসূল সা: ইরশাদ করেন "তোমাদের মধ্যে সেই উত্তম যে কোরআন মাজিদ শিখে ও শিক্ষা দেয়"। এই শিক্ষার ফলে অসংখ্য সাহাবী সমগ্র কোরআন মাজিদ হিফজ করেছেন । ইতিহাস এমন অনেক সাহাবীর নাম সংরক্ষন করে রেখেছে যার পুরো কোরআন মাজিদ হিফজ করে রেখেছিলেন ।  সাহাবাদের মধ্যে কোরআনের হাফেজেরও অভাব ছিলোনা । হাদিসের গ্রন্থ হতে জানা যায়, রমজান মাসে রাসূল সা: পুরো কোরআন মাজিদ ফেরেশতা জিব্রাইল আ: কে তেলওয়াত করে শুনাতেন ।অত:পর তিনি জিব্রাইল আ: থেকে পুরা কোরআন মাজিদের তেলাওয়াত শ্রবন করতেন । এভাবে আল্লাহপাক তাঁর মনোনীত রাসূল সা: এর স্মৃতিতে কুরআন মাজিদের সংরক্ষনকে আরও বেশী নিশ্চিত করেন । মোহাম্মদ (সা:) কোরআনের কোন আয়াত নাজিল হলে মুখস্থ করে নিতেন ও জিব্রাইল (আ:)কে শুনাতেন, যে বছর মোহাম্মদ (সা:) ইন্তেকাল করেন সে বছর পুরো কোরআন মাজিদ দুইবার তেলাওয়াত করেন এবং জিব্রাইল (আ:) হতে দুইবার তেলাওয়াত শ্রবন করেন। হাদিস ও ইতিহাস গ্রস্থ হতে প্রমানিত যে, যখনই রাসূল (সা:) কোরআনের কোন অহি লাভ করতেন তিনি একজন কাতিব বা লেখককে ডাকতেন এবং তা লিখে নিতে বলতেন,  একই সাথে কোরআনের কোন আয়াত কোন জায়গায় রাখতে হবে  তাও সূনির্দিষ্টভাবে বলে দিতেন । দৃষ্টান্তস্বরুপ তিনি লেখককে বলে দিতেন কোন সুরায় কোন আয়াতগুলো লিপিবদ্ধ করতে হবে । যেমন: অমুক সুরার অমুক আয়াতের আগে বা পরে । লেখক তখন কোরআনের অবতীর্ন আয়াতগুলি খেজুর গাছের ছাল কিংবা পশুর চামড়া বা উটের হাড্ডিতে লিখে নিতেন অত:পর তিনি আয়াতগুলি রাসূল সা: কে পড়ে শুনাতেন এবং তার লেখা ঠিক আছে কিনা তা নিশ্চিত হয়ে নিতেন । ঐতিহাসিকগন ও হাদিসের গ্রন্থাবলী এরকম ৪০ জনেরও অধিক অহি লেখকের নাম রেকর্ড করেছে । তম্মধ্যে সবচেয়ে বেশী প্রসিদ্ধ হলেন,  জায়েদ বিন সাবেত রা: । উমর রা: ইসলাম গ্রহনের প্রসিদ্ধ ঘটনা আল কুরআন লিখিত আকারে সংরক্ষন করার একটি সমুজ্জ্বল প্রমান, এ থেকে বুজা যায় মক্কায় আংশিকভাবে লিথিত কোরআন ছিলো সচরাচর, এমনকি যখন রাসূল সা: সবেমাত্র তাঁর দাওয়াতের কাজ শুরু করেছিলেন তখনও ।  মক্কা ও মদিনা উভয় জায়গাতেই কোরআনের কপি (কোরআনের যতটুকু যখন অবতীর্ন হয়েছে)  সহজলভ্য ছিলো । অনেকগুলো হাদিসের মধ্যে একটা হলো, "যখন লোকেরা মদিনায় আসতো তখন তাদেরকে কোরআনের কপি সরবরাহ করা হতো, যাতে তারা নিজেনিজে কোরআন মাজিদ পড়ে ইসলাম সম্পর্কে জানতে পারে" (সূত্র: হাদিসের একটি প্রাচীন গ্রন্থ ' সহিফায়ে হুমাম ইবনে মুনাব্বিহ')। আব্দুল্লাহ ইবনে উমার (রা:) হতে বর্নিত একটি হাদিসে এসেছে, রাসুল (সা:) ইরশাদ করেন, 'সফরে তোমরা সঙ্গে কোরআন নিয়ে যাবেনা, পাছে তা আবার কোন শত্রুর হাতে পড়ে যায় (যে তার অসম্মান করবে) (সহীহ মুসলিম)।  হাদিস ও ইতিহাসের বেশ কিছু গ্রন্থে উল্লেখ আছে, বিদায় হজ্বে প্রায় ১২৪০০০ মুসলমানের সমাবেশে রাসূল (সা:) বলেন, " আমি তোমাদের কাছে দুটি জিনিস রেখে যাচ্ছি। যদি তোমরা সেগুলো দৃঢভাবে আঁকড়ে ধরো তবে তোমরা কিছুতেই পথভ্রষ্ট হবেনা। (তা হলো) আল্লাহর কিতাব ও তাঁর রাসূলের সা: সুন্নাহ বা জীবনাদর্শ।" এখন এটা নিশ্চিত তাঁর মৃত্যূর পূর্বেই কোরআন একটি কিতাব বা গ্রন্থাকারে সাহাবায়ে কেরামের কাছে সূলভ ছিলো । নয়তো তিনি এটিকে একটি গ্রন্থ বলে উল্লেখ করতেন না।আর তা মক্কা, মদিনার মুসলিম অমুসলিম সবার নিকট সূলভ ছিলো।  বস্তুত কোরআন মাজিদও একথার স্বাক্ষ্য দেয়যে, তা সবসময় একটি গ্রন্থের আকারে সূলভ ছিলো। "নিশ্চয় এটি সম্মানিত কোরআন , যা আছে এক সূরক্ষিত গ্রন্থে । যারা পাক-পবিত্র, তার ব্যাতিত অন্য কেউ এটিকে স্পর্শ করেনা । এটি জগতসমূহের পালনকর্তার পক্ষ থেকে অবতীর্ন । (৫৬"৭৭-৮০) । এই আলোচনা হতে যা যা পরিষ্কারভাবে সামনে আসছে তা হলো, রাসূলুল্লাহ সা: এর জীবদ্দশাতেই কোরআন মাজিদ লিখিত আকারে সংরক্ষিত ছিলো । যখন রাসূল সা: চলে গেলেন , আবু বকর রা: প্র্র্রথম খলিফা মনোনীত হলেন । তাঁর খেলাফতকালে ৯ম হিজরী মোতাবেক ৬৩৩ খ্রিষ্টাব্দে  ইয়ামামার যুদ্ধ সংঘটিত হয় । একটি উল্লেখ্যযোগ্য সংখ্যক মুসলমান সেই যুদ্ধে শাহাদাত বরন করেন, যাতে ৭০ জন কোরআন মাজিদের হাফিজও ছিলো । এ সময় উমর রা: আবু বকর রা: কে পরামর্শ দিলেন এবং কোরআন মাজিদকে একটি পূর্নাঙ্গ প্রন্থরুপে দাপ্তরিকভাবে লিপিবদ্ধ করার প্রয়োজনীয়তা জোরালোভাবে তুলে ধরলেন । উল্লেখ্য যে, রাসূল সা: এর জীবদ্দশায় কোরআন মাজিদ একটি একক গ্রন্থিত বই আকারে সংরক্ষিত ছিলোনা, তার কারন রাসূল সা: জানতেন না, কখন কোরআন মাজিদের সর্বশেষ আয়াতগুলো অবতীর্ন হবে এবং কোরআন মাজিদের কোন স্থানে সেগুলোকে রাখা হবে । কারন রাসূল সা: এর জীবনের পরিসমাপ্তির সঙ্গেই কোরআন অবতরনের ধারা সম্পূর্ন হবে ।  হযরত আবু বকর (রা:) কোরআন মাজিদের প্রধান লেখক জায়েদ ইবনে সাবিত (রা:) কে নির্দেশ দিলেন বিভিন্ন  আয়াতের বিচ্ছিন্ন কপিগুলোকে সংগ্রহ করে একটি একক গ্রন্থরুপে বাঁধাই করতে ।অত:পর যায়েদ (রা:) ঘোষনা করলেন, যাদের কাছে কোরআনের মজিদের বিভিন্ন অংশ লিখিত আছ তাঁরা যেন সেগুলো তাঁর কাছে নিয়ে আসে। তিনি কোরআনের লিখিত কপিগুলো গ্রহনের ক্ষেত্রে বিশেষ সাবধানতা অবলম্বন করলেন । যখন কেউ কোরআন মাজিদের কোন বিশেষ অংশ নিয় আসতো, তখন তিনি তা অন্যান্য লিখিত অংশের সাথে মিলিয়ে দেখতেন। তারপর ঘোষনা দিতেন, কোরআনের এমন লিখিত অংশ তাঁর কাছে নিয়ে আসা হয়েছে । দৃষ্টান্তস্বরুপ তিনি ঘোষনা করতেন , তিনি কোরআন মাজিদের ৬ নং সুরার ১০-১৫ নং আয়াতগুলির একটি লিখিত কপি হাতে পেয়েছেন । তখন তিনি অন্যদের বলতেন, এই আয়াতগুলি তাঁতের স্মৃতি থেকে তেলাওয়াত করতে । এভাবে কোরআনের লিখিত কপির নির্ভরযোগ্যতা যাচাই করতেন । কমপক্ষে দুইজন ব্যাক্তি তাদের হিফজের সাথে মিলিয়ে নির্দিষ্ট লিখিত কপির সত্যতার পক্ষে স্বাক্ষ্য দেয়া ব্যতিরেকে তিনি তা গ্রহন করতেন না । এভাবে তিনি কোরআনের সকল আয়াত একটি গ্রন্থাকারে সেই ক্রমানুসারে সন্নিবেশিত করলেন যেভাবে রাসূল সা: তা লিপিবদ্ধ করিয়েছিলেন ।  কোরআনের এই কপিটি তখন রাসূল (সা:) এর স্ত্রী হাফসা (রা:) এর কাছে সংরক্ষন করা হয় যা লিখিত কোরআনের অফিসিয়াল কপি হিসাবে ব্যাবহ্রত হতো।

         তৃতীয় খলিফা উসমান (রা:) এর শাসনামলে ইসলাম দূরদূরান্তে বিস্তার লাভ করে। নও মুসলিমরা বিভিন্ন আন্চলিক উচ্চারনে কোরআন মাজিদ পড়তে শুরু করে । তখন মুসলমানদের মধ্যে কোরআন মাজিদের বিশুদ্ধ তেলাওয়াতের ক্ষেত্রে চরম বৈসাদৃশ্য দেখা দেয়। উসমান রা: কোরআন তেলাওয়াতের ক্ষেোত্র অভিন্নতা আনয়নের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেন। তিনি জায়েদ বিন সাবিত (রা:) এবং আরো তিনজন সাহাবীকে কুরাইশের স্থানীয় ভাষায় কুরআন মাজিদ পূর্নলিখনের জন্য নিযুক্ত করলেন। এটি সেই গোত্রের ভাষা যেখানে রাসূল সা: জম্মগ্রহন করেন এবং প্রথম ইসলামের দাওয়াত দেন। জায়েদ রা: কোরআন মাজিদের সেই প্রথম কপিটি আনিয়ে নিলেন যা রাসূল (সা:) এর স্ত্রী হাফসা (রা:) এর তত্ত্বাবধানে সংরক্ষিত ছিলো ।  কোরআনের এই কপির উপর ভিত্তি করে কুরাইশের স্থানীয় ভাষায় তিনি সাতটি (নতুন) কপি লিপিবদ্ধ করেন । পরে উসমান রা: এই কোরআনের একটি করে কপি ছয়টি ভিন্ন ভিন্ন প্রাদেশিক রাজধানীতে প্রেরন করেন । একটি কপি রাখেন মদিনায় । তিনি এই আদেশও জারি করেন যে, কোরআনের বাকি সকল কপি যেন নষ্ট করে ফেলা হয় । অধিকন্ত্তু কোরআন মাজিদের প্রতিটি কপির সংগে উসমান রা: একজন করে দক্ষ ক্বারীও প্রেরন করেন যারা কোরাইশের স্থানীয় ভাষায় তেলাওয়াত করতে পারতেন । এটি কোরআনের পঠন ও লিখনের ক্ষেত্রে পুরো মুসলিম বিশ্বে একটি পরিপূর্ন অভিন্নতা ও ঐক্য নিয়ে আসে । এই কপিসমূহের দুটি এখনও বিদ্যমান রয়েছে । একটি রাশিয়ার তাসখন্দে আরেকটি তুরস্কের রাজধানী ইস্তাম্বুলে ( নিহিলবাদী ভাইজানের সন্দেহ হলে উইড়া গিয়া দেইখ্যা আসতে পারেন। আমরার তো কোন সন্দেহ নাই, কোরআনের মোজেজার পরে মোজেজায় আমরা আন্ধা, কালা হইয়া গেছি ; আমরার আপনার মতো টেম্পারিং করা ইতিহাস দিয়া কোরআন মাজিদের ঐশ্বরিকত্ব যাচাই করার কোন দরকার নাই, কোরআন মাজিদ নিজেই নিজের পরিচায়ক)। বাস্তবতা হলো, বিগত ১৪০০ বছরে কোরআন মাজিদের কোন ধরনের পরিবর্তনই আসে নাই । যা বর্তমান বিশ্বে বিদ্যমান যেকোন কপির সংগে কোরআনের এই কপিগুলো মিলিয়ে দেখার মাধ্যমে নিরুপন করা যেতে পারে ।

        সপ্তম শতাব্দিতে আরবী যে পান্ডুলিপি ব্যাবহ্রত হতো , উদাহরনস্বরুপ – রাসূল সা: ও সাহাবা কেরামের যুগে তা ছিলো নিতান্ত মৌলিক প্রতীক সর্বস্ব । যা কেবল শব্দের ব্যান্জনবনীয় রুপেই ব্যাক্ত হতো । কিন্তু তাতে শব্দের পরিস্কার উচ্চারন নির্দেশক চিহ্নগুলো ছিলোনা । ফলে তা কেবল একজন আরবী ভাষায় পারঙ্গম ব্যাক্তিই পড়তে পারতো । তাবেয়ীদের সময়ে দু'প্রকার গুরুত্বপূর্ন চিহ্নের শুরু হয় যা কোরআন মাজিদের অভিন্ন উচ্চারনকে আরো নিশ্চিত করে । পারিভাষিক ভাবে এগুলোকে ' নুকতা'  ও ' হরকত' বলা হয় । 'হরকত' বলা হয় এমন কিছু বিশেষ চিহ্নকে যা স্বরবর্ন নির্দেশ করে । আরবীতে এগুলোকে 'ফাতহা' , 'কাসরা' ও 'যাম্মা' বলে এবং বাংলায় যের, যবর ও পেশ বলে । ইসলামের প্রাথমিক যুগের লিখন পদ্ধতিতে এগুলি ব্যাবহ্রত হতোনা । তাবেয়ীগনই উসমান রা: কতৃক সংকলিত কুরআন মাজিদে এই চিহ্নগুলো সংযুক্ত করেন । এভাবে প্রত্যেকটি শব্দ সুস্পষ্টভাবে পড়া  যেতে পারে । যেমন : 'বা' কে 'বা', 'বি', 'বু' রুপে পড়া যায় ।  নুকতা হলো প্রত্যেক শব্দের সংগে যথোপযুক্ত বিন্দু বা বিন্দুসমূহ । এই স্মরনীয় কাজ সম্পাদিত হয় উমাইয়া যুগের পন্চম খলিফা আব্দুল মালিকের আমলে ( ৬৬-৮৬ হিজরী) । বর্নিত আছে কুফার গর্ভনর হাজ্জাজ বিন ইউসুফ আরবী ভাষায় সুপন্ডিত দুইজন ব্যাক্তি – যাদের নাম ইয়াহইয়া বিন আমের এবং নাসের বিন আসেম কে এই কাজ সম্পন্ন করার আদেশ দেন । 'হরকত' ও 'নুকতা'র সংযোজন কুরআন তেলাওয়াতের ক্ষেত্রে একটি পরিপূর্ন অভিন্নতা ও সমতা নিশ্চিত করে । এমনকি যাদের মাতৃভাষা আরবী নয় তাদের ক্ষেত্রেও । 
        উপরোক্ত আলোচনা থেকে একথা প্রতীয়মান হলো যে, কুরআন মাজিদ মুমিনদের মাঝে দু'টি ভিন্ন ও স্বতন্ত্র  কৌশল ও পদ্ধতিতে বিশ্বস্ততার সংগে সংরক্ষিত ও বর্নিত হয়ে এসেছে । যথা বাচনিক ও লিখিত পদ্ধতিতে । কোরআনের বাচনিক বর্ননার ক্ষেত্রে কোন পরিবর্তনের প্রয়োজন পড়েনি, তবে তার লিথিত বর্ননার  ক্ষেত্রে কিছু উন্নতি বিধান করা হয়েছে । এই উন্নতি বিধান কেবল তার বিষয়বস্ত্তু সংহত করেনি বরং কুরআন মাজিদের তেলাওয়াতের ক্ষেত্রে আর্ন্তজাতিক ও শ্বাশত ঐক্য ও অভিন্নতা নিয়ে এসেছে । বাস্তবতা হলো, বিগত চৌদ্দশ বছরের মধ্যে তার এই বর্ননার ক্ষেত্রে বিন্দুমাত্র পরিবর্তন সাধিত হয়নি – যা বর্তমান পৃথিবীতে বিদ্যমান মূল ও আদিগ্রন্থ পর্যবেক্ষনের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া যেতে পারে । একই সময়ে পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানের কতিপয় হাফেজ থেকে কোরআন তেলাওয়াত শোনার মাধ্যমেও তা নিশ্চিত হওয়া যেতে পারে । এভাবে কোরআন মাজিদ দু'টি স্বতন্ত্র প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নির্ভরযোগ্যতার অভিধা লাভ করেছে । যথা : লিখার মাধ্যমে গ্রন্থরুপে এবং মুখস্থ করার মাধ্যমে বাচনিকভাবে । বস্তুত কোরআন মাজিদই একমাত্র ঐশ্বরিক গ্রন্থ যা নির্ভরযোগ্যতার মানদন্ডে পরিপূর্নভাবে উত্তীর্ন হয়েছে ।

      3. নিহিলবাদী

        ভাই দেখি ধান ভানতে শিবের গীত গাচ্ছেন চাইলাম সৌদিদের কার্যকলাপের স্বপক্ষে হাদিসের বয়ান তানা কুরআনের সার্থকনামা শুরু হয়ে গেল।আরবী ভাষার টাইমলাইন নিয়ে পড়াশুনা করুন।হজরত মোহাম্মদের জীবদ্দশায় তার কাছের সঙ্গী সাথীরা চামড়ায়, খেজুর পাতায়, পশুর হাড়ে ইত্যাদিতে আয়াত লিখে রাখতো।কী আশ্চর্য্যের ব্যাপার! আজ পর্য্যন্ত তার একটি প্রমাণও কেউ দেখাতে পারল না! আজ পর্য্যন্ত একটা পাথরের টুকরো, উটের পাঁজরের হাড্ডি, একখণ্ড চর্ম অথবা একটা পার্চমেন্টে লেখা কোরানের একটি আয়াত কেউ দেখল না। অথচ সহস্র বছর আগের প্রাগৈতিহাসিক যুগের অনেক ছবি, নকসা ইত্যদি আজও দেখা যাচ্ছে–বিভিন্ন প্রস্তর খণ্ডে, বিভিন্ন গুহায়। অথচ মাত্র ১৫০০ বছরের আগের লেখা মাত্র একটি প্রমাণও আমরা দেখছি না।এর চাইতে মিথ্যা, ধাপ্পাবাজি আর কী হতে পারে?মুহাম্মদের সময় আরবী ছিল কথ্য ভাষা যার নাম Sabaean।অন্যদিকে জিব্রাইল উনাকে তা বয়ান করেছেন যদিও কি ভাষায় কে জানে :-s আরবী ভাষার টাইমলাইন অনুযায়ী কুরআনই আরবীতে লেখা প্রথম বই বা সাহিত্য।কুরআন মানুষই লিখেছে কোন ঐশীবানী নয় তা বুঝতে রকেটসাইন্সটিস্ট হতে হয় না।এটি কুরাইশ আরবীতেই লিখিত তার কোন প্রমান নেই।এর উচ্চারণ ঠিক রাখার জন্য পরে হাজ্জাজ বিন ইউসুফকে এতে মাখরাজ তাজ্ববিদ এসব যোগ করতে হয়েছিল

      4. কিংশুক

        এই মিয়া চাপাবাজির দোকান বন্ধ করেন। যা ধারণা করেছিলাম, “আকাশ মালিক” এর মতো আরেক ইতিহাসবিদের নাম হলো “নিহিলবাদী”। যার সকল জ্ঞান আলী সিনা, মিশনারী, ওরিয়েন্টালিষ্টদের কাছ থেকে ধার নেয়া (কিংবা কে জানে তাদেরই কোন দোসর!)। মানুষকে বিভ্রান্ত করার জন্য আপনার জীবন উতসর্গিত হোক।

        এইসব ফালতু প্যাঁচালের উত্তর তথ্য-প্রমাণ, দলিল দিয়ে অনেক আগেই অনেকে দিয়ে রেখেছেন:
        http://www.mostmerciful.com/reply-ans-islam.htm
        http://www.islamic-awareness.org/Quran/Text/Mss/
        http://muslimonline.org/forum/lofiversion/index.php?t7538.html
        http://answering-christianity.com/quran/textual.htm
        http://www.time4truth.com/isitreallyfromhim.htm
        http://www.sunnipath.com/library/books/B0040P0012.aspx
        http://en.wikipedia.org/wiki/Sana%27a_manuscripts
         
        প্যাপিরাস, পার্চমেন্ট ইত্যাদিতে ২০ হিজরী বা তার অল্প পরের এইগুলা কি দেখা যাইতেছে বইল্যা মনে হয়?:
        http://www.islamic-awareness.org/History/Islam/Papyri/PMich.html
        http://www.islamic-awareness.org/History/Islam/Papyri/perinv94.html
        http://www.islamic-awareness.org/History/Islam/Papyri/coptic.html
        http://www.islamic-awareness.org/History/Islam/Papyri/PBerol.html
        http://www.islamic-awareness.org/History/Islam/Papyri/PERF558.html
        http://www.islamic-awareness.org/History/Islam/Papyri/
         
        সৌদিদের কার্যকলাপের সহীহ হাদিসের রেফারন্স মিলাইয়া দেইখ্যা নিতে পারেন:
        হাইয়্যাজ আল আসাদী থেকে বর্নিত, তিনি বলেন, আমাকে আলী ইবনে আবু তালিব(রা:) বললেন, “আমি কি তোমাকে এমন মিশন দিয়ে পাঠাবো না, রাসূলুল্লাহ (সা:) আমাকে যে মিশন দিয়ে পাঠিয়েছিলেন? আর তা ছিলো, কোন মূর্তি পেলে তা ভেঙ্গে চুরমার করে দিবে, কোন উঁচু কবর পেলে ভেঙ্গে তা মাটি বরাবর করে দিবে।“ (সহীহ মুসলিম, অধ্যায়-জানাযা, অনুচ্চেদ: কবরকে ভেঙ্গে মাটি বরাবর করা, হাদিস নং ১৬০৯)
         
         জাবের (রা:) থেকে বর্নিত, তিনি বলেন, “রাসূলুল্লাহ সা: কবরকে চুনকাম করতে, তার উপর বসতে এবং তা পাকা করতে নিষেধ করেছেন”। ((সহীহ মুসলিম, অধ্যায়-জানাযা, অনুচ্চেদ: কবরকে ভেঙ্গে মাটি বরাবর করা, হাদিস নং ১৬১০)

    2. ১৬.২
      এস. এম. রায়হান

      ভাই মনে হয় মাত্র গোটা কয়েক ধর্ম আর দর্শনের নাম জানেন আর তা দিয়েই আস্তিতা ও নাস্তিকতার সরলীকরণ করছেন।

      জ্ঞান-বিজ্ঞান-ধর্ম-দর্শনে আপনারা জন্মসূত্রে বোধিপ্রাপ্ত – পাদ্রী-পুরোহিতদের মতো জ্ঞান-বিজ্ঞান-ধর্ম-দর্শন আপনাদের দখলে – এই কথাই তো বলতে চাচ্ছেন তাই নয় কি?

      নাস্তিকরা আস্তিকদের জন্য হুমকি স্বরুপ হাস্যকর।

      এখানে হাস্যকর কী দেখলেন তা তো বুঝা গেল না। নাকি আপনারা হাসি'র ভাইরাসে আক্রান্ত। উভয়েই উভয়ের জন্য হুমকি হতে পারে। তবে এখানে ব্যক্তিগত পর্যায়ে কারো কথা বলা হচ্ছে না, বলা হচ্ছে যৌক্তিক দৃষ্টিকোণ থেকে তত্ত্ব নিয়ে। একটি শহরে ট্র্যাফিক আইন থাকা সত্ত্বেও কেউ কেউ তা ভঙ্গ করতে পারে। কিন্তু ট্র্যাফিক আইন থাকার দরকার আছে কিনা কিংবা না থাকলে কী হতে পারে – তা-ই এই লেখার মূল উপজীব্য বিষয়। 

      ২০০৭ সালে সৌদি গ্রান্ড মুফতি মুহাম্মদের সমাধি ধ্বংসের কথা বলেছেন উনি কি নাস্তিক?

      সূত্র দেন।

      হাজীদের জন্য যেখানে পাবলিক টয়লেট সেখানে মুহাম্মদের আবাস ছিল সেটা কি নাস্তিরা করেছেন?

      সূত্র দেন।
      আপনারা ছদ্মনিকের আড়ালে পারেনও বটে!

      1. ১৬.২.১
        নিহিলবাদী

        রাস্তারই দেখা নাই তার আবার ট্রাফিক আইন।আর গুগল করলেই গাদাগাদা সূত্র পাবেন।ধর্ম দর্শন বিজ্ঞানের কান্ডারীতো আপনি আমি কি করে ভাগ বসাই বলুনতো।

      2. এস. এম. রায়হান

        রাস্তারই দেখা নাই তার আবার ট্রাফিক আইন।

        জঙ্গলে থাকেন মনে হচ্ছে।

        আর গুগল করলেই গাদাগাদা সূত্র পাবেন।

        এটা তো পুরাই পাঙ্খা মার্কা (হাস্যকর নাকি অন্য কিছু) জবাব হলো। আপনি সূত্র ছাড়া মুসলিমদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করবেন আর আমি গুগল সার্চ দিয়ে সূত্র খুঁজতে যাব? তার মানে আপনি মিথ্যাচার করেছেন কিন্তু স্বীকার করবেন না।

        ধর্ম দর্শন বিজ্ঞানের কান্ডারীতো আপনি আমি কি করে ভাগ বসাই বলুনতো।

        কে কান্ডারীর অভিনয় করছে তার প্রমাণ আপনার উপরের মন্তব্যেই আছে।

      3. নিহিলবাদী

        কেন ভাই কোন আরব্যমরু প্রান্তরেওতো থাকতে পারি হা হা।সূত্র কিংশক ভাইয়ের কথাতেই পাওয়া যাব।উনি এইসব কাজের স্বপক্ষে সহি হাদীসের দাবী করলেও দেখাতে পারছেন না হা হা।

  17. ১৭
    ফোরকান

    ভালই, মুক্তমনার একজন "অবিস্বাসের দর্শন' বইটাকে নাস্তিকদের বই হিসেবে প্রস্তাব করেছে।http://www.shodalap.org/wp-content/plugins/wp-monalisa/icons/wpml_yahoo.gif

    1. ১৭.১
      শামস

      @ফোরকান,
      তাই নাকি, পরগাছাদেরও তাইলে দর্শন থাকে।  বামপন্থীদের সর্বহারাদের মত অবস্থা, নামে সর্বহারা হইলেও পুরাপুরি কিন্তু সর্বহারা না
       

  18. ১৮
    নিহিলবাদী

    ভাই আস্তিকদের ধর্মমতগুলা কি গ্রন্থ হিসাবে নাযিল হয়েছে। কুরআন কি গ্রন্থাকারে নাযিলকৃত নাকি জিব্রাইল কতৃক মুহাম্মদকে বয়ানকৃত। কুরআনের গ্রন্থগত রুপতো উসমানের হাতে ঘটেছে। নাস্তিকদের জন্য প্রামান্য গ্রন্থের দাবীই তাই হাস্যকর ও অযৌক্তিক।

    1. ১৮.১
      এস. এম. রায়হান

      ভাই আস্তিকদের ধর্মমতগুলা কি গ্রন্থ হিসাবে নাযিল হয়েছে। কুরআন কি গ্রন্থাকারে নাযিলকৃত নাকি জিব্রাইল কতৃক মুহাম্মদকে বয়ানকৃত। 

      এই লেখার কোথাও তো বলা হয়নি যে আস্তিকদের ধর্মমতগুলো বা কুরআন গ্রন্থাকারে নাযিল হয়েছে। এগুলো যে গ্রন্থাকারে নাযিল হয়নি তা কম-বেশি সবাই জানে। কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে এগুলো গ্রন্থাকারে লিপিবদ্ধ আছে।  

      কুরআনের গ্রন্থগত রুপতো উসমানের হাতে ঘটেছে।

      কুরআনের গ্রন্থগত রূপ উসমানের হাতে ঘটেছে নাকি অন্য কারো হাতে ঘটেছে – সেটা তো এই লেখার কোন বিষয়বস্তু নয়!

      নাস্তিকদের জন্য প্রামান্য গ্রন্থের দাবীই তাই হাস্যকর ও অযৌক্তিক।

      লেখাটি বুঝলে এই হাস্যকর ও অযৌক্তিক কথা বলতেন না। নিজেকে হাস্যকর করে তুলে আবার কথায় কথায় 'হাস্যকর ও অযৌক্তিক' বুলি আউড়াচ্ছেন।

      1. ১৮.১.১
        নিহিলবাদী

        আপনি যখন জেগে ঘুমাচ্ছেন তখন আর না জাগাই।

      2. কিংশুক

        @ নিহিলবাদী,  কোরআনের অবিকৃততার স্বপক্ষে গবেষনা করে নিশ্চিত হয়ে সাবেক স্বঘোষিত নাস্তিক তামিলনাড়ুর তারকা ব্যাক্তিত্ব প্রফেসর প্রিয়ার দাসান বর্তমানে প্রফেসর আব্দুল্লাহ বলেন:

        Dr. Periyadarshan, who has changed his name to Abdullah, told Arab News Friday that Islam is the only religion in the world that follows a book directly revealed from God.

        He said that as a student of comparative religions he believes books of other faiths have not been directly revealed to mankind from God. He said the Holy Qur’an is still in the same format and style as it was revealed to the Prophet Muhammed (pbuh) from Almighty Allah.

        Dr. Abdullah is a visiting professor at the University of California in Los Angeles. He also acted in the famous Tamil film “Karuthamma” about the killing of newborn baby girls in some remote villages in India. The production received national award from the Indian government. 

        I was well known in India for my atheist theology and later I became to realize that religion is the only way out for human beings both in this world as well as in the hereafter,” he said.

        Dr. Abdullah will be performing Umrah on Saturday on his first visit to the holy cities of Makkah and Madinah.

        http://arabnews.com/saudiarabia/article29180.ece?comment=submitted&postingId=29422

        যদিও সাবেক স্বঘোষিত নাস্তিক তামিল লেখিকা ও মহিলা কবি কমলা দাসের ইসলাম গ্রহনের মতোই প্রিয়ার দাসানের ব্যাপারেও ভারতীয় মিডিয়া মুখে কলুপ এঁটে বসে আছে।

        http://azeez-luthfullah.blogspot.com/2010/04/periyar-dasans-conversion-to-islam-why.html
        http://azeez-luthfullah.blogspot.com/2010/03/seshachalam-to-periyar-dasan-to.html

    2. ১৮.২
      Rasel

      @নিহিলবাদী:-

      আপনি বললেন,

      //নাস্তিকদের জন্য প্রামান্য গ্রন্থের দাবীই তাই হাস্যকর ও অযৌক্তিক।//

      — আপনি বোধ হয় পোস্টটির মূল বক্তব্যটি ধরতে পারেননি!

      আচ্ছা ধরুন, নাস্তিকরা ইন্টারনেটে নাস্তিকতার পক্ষে তথা ধর্মের বিপক্ষে  ব্যাপক লেখালেখি করছে। তো এখন একজন আস্তিক ব্যক্তি (যিনি  মুসলিম পরিবারে জম্মগ্রহণকারী) এই নাস্তিকদের প্রচার প্রচারণায় উদ্বুদ্ধ হয়ে নাস্তিকতা গ্রহণ করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করলেন।

      তাহলে এবার বলুন, নাস্তিক্যে কনভার্ট হওয়া উক্ত ব্যক্তির জন্য ধর্ম তথা ইসলামের বিপরীতে গাইডলাইন কী হবে??

      কী কী বিষয় অনুসরণ করলে তিনি নাস্তিক হতে পারবেন বা নাস্তিক বলে বিবেচিত হবেন??

      তিনি আস্তিক থাকাকালীন যেসব বিষয়  মেনে চলতেন, নাস্ত্যিক্যে কনভার্ট হওয়ার পর সে সব বিষয়ে তার   মৌলিক নীতি এখন কী হবে?

      যেমন: ধরুন, ইসলাম ধর্মে ধর্ষণ/ব্যভিচার নিষিদ্ধ;

      তাহলে এখন প্রশ্ন হচ্ছে- ধর্ষণ/ব্যভিচার সম্বন্ধে নাস্তিকদের বক্তব্য কি?

      ধরুন, ইসলাম ধর্মে সমকামিতা/অজাচার নিষিদ্ধ;

      তাহলে এখন প্রশ্ন হচ্ছে- সমকামিতা/অজাচার সম্বন্ধে নাস্তিকদের বক্তব্য কি?

      ধরুন, ইসলাম ধর্মে সুদ/ঘুষ/চুরি/ডাকাতি নিষিদ্ধ;

      তাহলে প্রশ্ন হচ্ছে, সুদ/ঘুষ/চুরি/ডাকাতি সম্বন্ধে নাস্তিক্য দর্শন কী বলে??

      ইসলাম ধর্মে ওয়ারিশগণের মধ্যে সম্পত্তি বন্টনের বিধান রয়েছে;

      তাহলে এখন প্রশ্ন হচ্ছে- ওয়ারিশগণের মধ্যে সম্পত্তি বন্টনের ক্ষেত্রে নাস্তিকদের বক্তব্য কি?

      এভাবে জীবনের সব ক্ষেত্র সম্বন্ধেই ইসলাম  বক্তব্য রেখেছে;

      তাহলে  ইসলাম ধর্ম থেকে নাস্তিক্যে কনভার্ট হওয়া উক্ত ব্যক্তির জন্য সেসব বিষয়ে নাস্তিকদের গাইডলাইন/ম্যানুয়াল কি হবে?

      একজন মানুষ গাইডলাইন মেনে চলে কী চলে না,  সে প্রশ্ন এখানে অবান্তর। প্রশ্ন হচ্ছে আমি যে আদর্শ প্রচার করছি, তার স্বপক্ষে মৌলিক নীতিসমূহ আদৌ বিদ্যমান আছে কি-না!

      আশা করি, আমাদের বক্তব্য আপনাকে বুঝাতে পেরেছি এবং নাস্তিকতার স্বপক্ষে মৌলিক নীতিসমূহ/গাইডলাইন/ম্যানুয়াল/গ্রন্থ এখানে উপস্থাপন করে আমাদেরকে প্রীত করবেন।

  19. ১৯
    আরিফ মাহমুদ

    নিহিলবাদী! কুরআনের শুরুতেই বলা হয়েছে – ইহা ওই কিতাব যাতে কোন সন্দেহ নাই। আপনি বুঝে থাকলে বলুন তার অর্থ কি? আর কিতাব আকারে লিপিবদ্ধ হওযার কথা কুরআনই ইঙ্গিত করছে, কার হাতে তা লিপি বদ্ধ হলো তা নিয়ে আপনি বিষেশ চিন্তিত বুঝা যাচ্ছে। আপনি কাজের চিন্তা করুন! আর এসব খোঁড়া যুক্তি দিয়ে নাস্তিকতার শিকড়ে কুড়াল মারুন…

    1. ১৯.১
      নিহিলবাদী

      কোন কুরআনে বলা আছে আর কোন কুরআনেই বা ঈঙ্গিত আছে।আপনি কি লওহে মাহফুজে গিয়ে কুরআন দেখে এসেছেন নাকি উসমানী কুরআন থেকে জ্ঞান দিচ্ছেন।আগে সঠিক কুরআন বাছুন এরপর জ্ঞান দিন।দয়া করে কুরআনের সঠিক আয়াত সংখ্যাটা জানুন।সূরা আহযাবের সঠিক আয়াত সংখ্যা কত জানুন।মুহাম্মদের সময় আরবী কথ্য ভাষা ছিল তাই সেই আরবীই কুরআনের লিখিত আরবী কিনা জানুন।মানুষের লেখা বানীকে আল্লাহর ঐশী বানী বলার ভ্রান্তি থেকে আগে বেড়িয়ে আসুন তারপর আমাকে কুড়াল দিন ও যুক্তিকে খোঁড়া বলুন।

      1. ১৯.১.১
        কিংশুক

        আগে সঠিক কোরআন কি আপনে লুকাইয়া রাখছেন নাকি? ইসলামের ইতিহাস কি ওরিয়েন্টালিষ্ট ইসলামের শত্রু প্রতারকদের কাছ থেকে তালিম নিয়েছেন নাকি সেরু পাগলাদের মতো ছাগলদের কাছ থেকে শিখেছেন। ইসলামের, কোরআনের, নবী সা: এর ইতিহাস প্রথিতযশা জ্ঞানী-গুনী হাজার হাজার  মুসলিম  ইতিহাসবিদ, হাদিস বিশারদদের হাজার হাজার গ্রন্থে সূনিপুনভাবে লিপিবদ্ধ আছে। ১৪০০ বছর ধরেই লক্ষ লক্ষ গবেষক জ্ঞানপিপাসুরা ঐ বিষয়ে কাজ করে গেছেন  এবং এখনও করে যাচ্ছেন।  ঐসব ওরিয়েন্টালিষ্ট, মিশনারী, সেরু পাগলারা ইসলামের ইতিহাসের কেশ্রাগ্রও স্পর্শ করার ক্ষমতা রাখেনা।

      2. নিহিলবাদী

        আমি কেন লুকিয়ে রাখব।স্বয়ং মহান আল্লাহই তা স্বযত্নে লওহে মাহফুজে লুকিয়ে রেখেছেন।উসমান কেন তার সংকলন রেখে বাকীগুলা পুড়িয়ে ফেললেন।এটা কোনদেশী লুকোচুড়ি।যারা নিজেরাই কুরআন নিয়ে লুকোচুড়ি করেন তারাই আবার গল্প দিতে আসে।

      3. কিংশুক

        এইবারের অভিনয় অতি চমতকার হয়েছেhttp://www.shodalap.org/wp-content/plugins/wp-monalisa/icons/wpml_yahoo.gif। কোরআনতো অবতীর্ন হয়েছে বলেই কোরআনে বলা আছে ও  আমরা সবাই জানি। এমনিতে কোরআন হতেই জানিযে, আপনি যে আজকে এই অভিনয় করবেন সেটাও লওফে মাহফুজে  আল্লাহর নিকট লেখা রয়েছে। সমস্ত সৃষ্টিজগতে কখন কি হবে না হবে, কার তকদিরে কি আছে, কেকি করবে না করবে, এমনকি গাছের একটা পাতাও পড়বে কিনা, কোন উদ্ভিদের অংকুরোদ্গন হবে কিনা ইত্যাদি সবকিছু  পরিপূর্নভাবেই লেখা রয়েছে, অন-পরমানুর চাইতে ছোট কিংবা বড় কোন কিছুই নাই যা লেখা নাই।

  20. ২০
    জাদু ভাই

    সবার মাথায় সব কিছু ঢুকে না, এখানেও দেখতেছি একজন আছেন, তাই উনারে ফেইচবুক থেকে পাওয়া কিছু কথা ইজি কইরা দিলাম:

    নাস্তিকেরা দাবি করে তারা কোনও ধর্মেরই অনুসারী নয়। অথচ তারা আসলে নিজেদের অজান্তেই একটা ধর্মের অনুসারী–নাস্তিকতা।

    এই ধর্মটা পৃথিবীর একমাত্র ধর্ম যেটার কোন ধর্মগ্রন্থ নেই।

    এই ধর্মটা পৃথিবীর একমাত্র ধর্ম যেটা ভালো কাজকে উত্‍সাহিত বা খারাপ কাজকে নিরুত্‍সাহিত করে না।

    এই ধর্মটা পৃথিবীর একমাত্র ধর্ম যেটা নৈতিকতার ধার ধারে না।

    এই ধর্মটা পৃথিবীর একমাত্র ধর্ম যেটা জীবনকে শুধুই কয়েকদিনের ফূর্তি মনে করে, টাকা কামাই বা নিজের স্বার্থ চরিতার্থ করে জীবনকে শুধুই ভোগ করতে বলে, তা যেকোন উপায়েই হোক না কেন।

    এই ধর্মটা পৃথিবীর একমাত্র ধর্ম যেটা মানুষের জীবনটাকে চতুষ্পদ জন্তুদের জীবনের মতো উদ্দেশ্যহীন মনে করে।

    এই ধর্মটা পৃথিবীর একমাত্র ধর্ম যেটা শুধু বাহ্যিক চাকচিক্যকেই উন্নতি মনে করে, আর মানুষের অন্তর বলে যে একটা জিনিস আছে এবং সেটারও যে কিছু খোরাক দরকার তা ভুলে যায়।

    এই ধর্মটা পৃথিবীর একমাত্র ধর্ম যেটা অন্য ধর্মাবলম্বীদের (আস্তিকদের) ঘৃণা করে।
    ………..

    আরো কিছু বলবো কি? না থাক, কতই আর বলবো?

    (আল্লাহতাআলা সবাইকে হেদায়েত নসিব করুন।)-

  21. ২১
    নিহিলবাদী

    @ কিংশুক ভাই কি মজা করলেন যে লিংক দিলেন তাতে কোথাওতো কুরআনের আয়াতের ছবি পেলাম না।সব বাইজ্যান্টাইন আরাবিক প্রশাসনিক চিঠি।আর সানারটাওতো পুরানো নয়
    carbon-14 tests indicate that some of the parchments in this collection date back to the 7th and 8th centuries.
    অন্যগুলাও তাই।
    http://www.cifiaonline.com/blackdeedsofsalafis.htm

    1. ২১.১
      কিংশুক

      এইগুলা দেখেন:
      http://www.islamic-awareness.org/History/Islam/Inscriptions/makkah2.html
      http://www.islamic-awareness.org/History/Islam/Inscriptions/muwinsc2.html
      http://www.islamic-awareness.org/History/Islam/Inscriptions/makkah5.html
      http://www.islamic-awareness.org/History/Islam/Inscriptions/usays1.html
      http://www.islamic-awareness.org/History/Islam/Inscriptions/makkah4.html
      http://www.islamic-awareness.org/History/Islam/Inscriptions/makkah1.html
       আর  আগের কমেন্টে যতগুলো লিংক দেয়া হইচে সবগুলো ভালোমতো পড়েন। পোষ্টের বিষয়বস্ত্তু রাইখ্যা এত বাঁইক্যা প্যাঁচাল না পাইড়া সবজান্তা শমসের হইলে ইসলামিক অনেক বিতার্কিক আছে যাদের তুলনায় আমি .১% জানিনা, তারা নাস্তিক হইতে শুরু কইরা সব ধর্মের লোকের সাথে সবার সামনে উম্মুক্ত বিতর্ক করে যেখানে আপনার জ্ঞানের ভান্ডাররা নিজেগো মানইজ্জত বাঁচাইতে দৌড়াইয়া পালায়  সেইখানে গিয়া ক্যারিশমা দেখান। 

      1. ২১.১.১
        শাহবাজ নজরুল

        ফরম্যাট ঠিক করার জন্যে কমেন্টটা করলাম।
         

      2. ২১.১.২
        নিহিলবাদী

        @কিংশুক: ভাই আর কত রঙ্গ দেখাবেন নিজেই লিংকগুলা ভালো করে পড়ুন।উফ বিনুদুন !

  22. ২২
    নিহিলবাদী

    @কিংশুক, আমি অভিনয় করব কেন?আশা করি নিচের প্রশ্নগুলার জবাব কুরআনে আছে কোরআন একটা জীবন বিধান। এটা একটা জীবন দর্শন। এটা কোন বৈজ্ঞানিক আবিষ্কারের গ্রন্থ নয়। কেন এটাকে সব কাজে টানাটানি?!! চন্দ্র সূর্য সম্পর্কিত সমস্ত বড় বড় নিয়ম নীতিগুলোই আসলে রূপক – অর্থ ভিন্ন। কারণ দিন-রাত্রি, সূর্যোদয় সূর্যাস্ত .. যে সকল দিয়ে ধর্মের মূল স্তম্ভ সালাতের ওয়াক্ত আর সিয়ামের সেহরী ইফতার নির্ধারিত হয় বলে প্রচলিত ধারণা — হ্যা প্রচলিত ধারণা ও ব্যাখ্যা – তা সার্বজনীন নয়। সহজ উদাহরণ: বেশিদুর যেতে হবে না, স্ক্যান্ডেনেভিয়ায় সেখানে দিন রাত্রির দৈর্ঘ খেয়াল করুন। অনেক সময় সূর্য ডুবে না দিনের পর দিন। আবার অনেক সময় সূর্য উঠে না। তবে ওখানে বা আরও উত্তরে থাকা এস্কিমোদের জন্য তো এসব অসার। একটু দুরে যাই। যে লোক চাঁদে বসতি গাড়বে, সে কোন চাঁদ দেখে মাস শুরু করবে বা ঈদের ক্ষণ নির্ধারণ করবে (পৃথিবীতেই সবজায়গায় একত্রে এসকল হয় না – সৌদিতে একদিন, বাংলাদেশে একদিন, জাপানে আরেকদিন)। কিংবা যে মঙ্গল গ্রহে যাবে সে দুইটা চাঁদের মধ্যে কোনটা দেখবে। ৪৮ ঘন্টা দিনে ওয়াক্ত, সিয়াম ইত্যাদি কিভাবে নির্ধারিত হবে? তাহলে কি এই দাঁড়াচ্ছে না, যে প্রচলিত ব্যাখ্যাগুলি শুধু পৃথিবীর বিষুবীয় অঞ্চলের জন্যই প্রযোজ্য। কোনক্রমেই সার্বজনীন নয়।

    @জাদু, ইসলামের তথাকথিত নৈতিকতা জরথুস্ত্রবাদ থেকে ধার করা।আর নৈতিকতা ধর্মহীন ব্যাপার।পৃথিবীতে ধর্ম আর রাজনৈতিক মতাদর্শ প্রতিদিন কি পরিমান হত্যার কারণ খুজে দেখুন।এরপর জ্ঞানবমি করুন।

  23. ২৩
    কিংশুক

    @নিহিলবাদী, এগুলা বহুত পুরানা ভূয়া চাপাবাজি কইরা গেলেন। ধর্ম আর রাজনৈতিক মতাদর্শ হত্যার কারন, আর নাস্তিক কম্যুনিষ্টদের কোটি কোটি মানুষ হত্যার কারনটা যেন কি ভাইজান? ভারতে, নেপালের মাওবাদীরা যেন কোন ধর্মের জন্য যুদ্ধ করে যাচ্ছে? নাস্তিক মানেই কি কোন নীতিনৈতিকতাহীন শক্তের ভক্ত, নরমের যম নাকি?

    1. ২৩.১
      নিহিলবাদী

      @কিংশুক: কোনটা চাপাবাজী পারলে জেন্দ আবেস্তা খুলে পড়ুন ইসলামতো নির্লজ্জের মত ওটার কপিপেস্ট।এমনকি মিথ্রাইসমকে ছাড় দেয় নি।এতো দেখি চোরের মার বড় গলা।আর কমুনিজমহ বা মাওবাদ যে রাজনৈতিক মতাদর্শ তা জানা নেই বুঝি।এখানে নাস্তিক্যবাদ কিভাবে প্রাধান্য পেল একটু বুঝানতো।নাস্তিকরা কি তাতো হিউম্যান ডেভেলপমেন্ট ইনডেক্সের তালিকার দেশগুলা দেখলেই বুঝা যায়।অব্শ্য আরব ববর্রদের শিক্ষায় শিক্ষিতরা তা বুঝবে না হা হা।

      1. ২৩.১.১
        কিংশুক

        নিহিলবাদী, তুমি তোমার বক্তব্যের স্বপক্ষে কোন প্রমানই দেখাতে পারনি। জাস্ট চরম সাম্প্রদায়িক, মিথ্যাবাদী বর্নহিন্দু সুজিত দাসদের চামচা। মুক্তমনার শিক্ষকরা এভাবে মানুষকে অমানুষ বানিয়ে দেয়।

      2. ২৩.১.২
        কিংশুক

        এই বর্ণহিন্দু সুজিত দাস, সজল শর্মাদের প্রতিনিধি। তুমি কি বাঙ্গালী, নাকি সুইডিশ; এত বড়াই করতে আসছ। নাস্তিকগ্রন্থের আলোচনা হতে কিভাবে তথ্যপ্রমাণহীন ভাবে নির্লজ্জ্বভাবে ইসলাম-মুসলিম বিদ্বেষ করে গেলো! মিথ্যাচারে অক্লান্ত ইসলামবিদ্বেষীদের নামই হলো মুক্তমনা। তোমার পেয়ারের ভারতে কত শতাংশ দারিদ্রসীমার নিচে বাস করে, নারীদের অবস্থান কি, প্রতিদিনের ধর্ষণের পরিসংখ্যান, কৃষকদের আত্মহত্যার পরিসংখ্যান দেখলেই বুজবে কোথায় আরবদের অবস্থান আর কোথায় সুজিত দাস, সজল শর্মাদের অবস্থান। বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় ধনী দেশ কাতার, কুয়েত, আরব-আমিরাত, সৌদি আরব, ওমান, বাহরাইনের তুলনায় এখনও ভারতীয় নাগরিকরা কত নির্মম দারিদ্রে, বন্চনায়, সীমাহীন বৈষম্যে বাস করে সেটা নিরপেক্ষভাবে ভেবে দেখ হে বিনুদুনের আধার বর্ণচোরা বর্ণহিন্দু ইসলামবিদ্বেষী। শরিয়া আইনের বিরুদ্ধে সারা দিনরাত গলা ফাটাস কিন্তু ঠিকইতো সৌদি আরবসহ আরব বিশ্বে শ্রমিক হিসাবে যাওয়ার জন্য লাইন দেস।

        এইসব চরম অমানুষ, বর্ণবৈষম্যের মাধ্যমে মানুষ ঠকিয়ে খাওয়া ব্রাহ্মণ্যবাদীদের কাছ থেকে আমাদের পূর্বপুরুষরা মুক্ত হয়েছে সে জন্য অশেষ কৃতজ্ঞতা। চরম সাম্প্রদায়িক হিন্দুত্ববাদ হতে আমি মুক্ত বলে গর্বিত।

      3. Sea Hawk

        মুক্তমনার শিক্ষকরা এভাবে মানুষকে অমানুষ বানিয়ে দেয়।

        Yup bro, I saw it several times, they claim that they are rationalists but their main weapon (EVOLUTION) is quite baseless, they can perfectly do only one thing & it is "DISPROVING THE IDEA OF CREATION THEORY" though no one tries to prove it because it is not 100% provable, but the signs of THE CREATOR certainly reminds us about His existence. You did a good fight with that anti-Islamist, I appreciate it 🙂

  24. ২৪
    মুনিম সিদ্দিকী

    আইয়া পড়লাম। সবাইকে সালাম আদাব এবং শুভেচ্ছা!
     
    নাস্তিকরা যে অন্য সবার মত নয় তা প্রমাণ করে তাদের বিশেষত্ব কোন লিখিত কিতাব না থাকার জন্য। এর জন্য তারা কখনো পুরানো দিনের কোন দায় দায়িত্ব বহন করবেনা। এই মাত্র জন্মালাম দের মত চির নতুন হয়ে থাকবে। তারা আপনার কল্পিত ডেলিগেটকে বলবে দেখুন আমাদের কোন লিখিত বই নেই। আমরা কোন অচলায়তনের বন্দী বাসিন্দা নই। তোমরা অন্য গ্রহ থেকে যখন এই পৃথিবিতে আসতে পেরেছ তাহলে নিশ্চয় তোমরা আমাদের চেয়ে অনেক উন্নত! তোমরা যা পালন কর আমরা তাই করব। তখন আপনার কাজী তাদেরকেই ভোট দিয়ে জয় বলে রায় দিয়ে যাবে।

    1. ২৪.১
      শামস

      @মুনিম সিদ্দিকী,
      আইয়া যখন পড়ছেন, তয় নেন……(চায়ের ইমো পাইলাম না!)

    2. ২৪.২
      এস. এম. রায়হান

      সদালাপে স্বাগতম। আশা করি নিয়মিত হবেন।

    3. ২৪.৩
      কিংশুক

      স্বাগতম, মুনিম ভাই। অনেক খুশী হলাম আপনাকে দেখেhttp://www.shodalap.org/wp-content/plugins/wp-monalisa/icons/wpml_rose.gif। আপনার জানালাব্লগেতো ঢুকতে পারছিনা!

      1. ২৪.৩.১
        মুনিম সিদ্দিকী

        জানালায় অনভিজ্ঞ হাতে সিপ্যানেলে কিছু অপারেশন করে ফেলেছিলাম। যার ফলে কোমায় আছে!!! ধন্যবাদ।

    4. ২৪.৪
      নিহিলবাদী

      @মুনিম সিদ্দিকী: তা ভাই কয় পুরুষের মুসলিম নাকি সৌদি ইম্পোর্টেড হা হা।
      We are all atheists about most of the gods that humanity has ever believed in.
      Some of us just go one god further.
      আমার পরিচিত অনেকেই নিজের ধর্ম ছাড়া ভিন্ন ধর্মাবলম্বীদের বিশ্বাস তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করেন। তাদের আমাদের পূর্বপুরুষদের আদি ইতিহাস সম্পর্কে জানিয়ে যখন প্রশ্ন করি, "আপনার প্রপিতামহে কপালে তো দোযখের আগুন ছাড়া আর কিছু নাই, তা সে ব্যাপারে আপনার কি মতামত?" তখন দীর্ঘ নীরবতা ছাড়া আর কিছু পাওয়া যায় না
      ভাইজান ধর্মধারীদের অস্তিত্ব টিকাতে শেষপর্যন্ত এলিয়েন কাজী আমদানী করতে হল।রায়হান ভাইতো গল্পের গরু আকাশে উড়াচ্ছেন।হায় রে শেষমেষ এলিয়েনদের পদচুমা দেয়া লাগছে রে।

      1. ২৪.৪.১
        মুনিম সিদ্দিকী

        তা ভাই কয় পুরুষের মুসলিম নাকি সৌদি ইম্পোর্টেড হা হা।

         
        না ভাই সদ্য কনভার্টেড নয়! ৪০/৪২ পুরুষ থেকেই ইসলামকে জীবন দর্শন হিসাবে মেনে চলে আসছে আমাদের বংশধারা!
         
        কোন কিছুকেই তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করা উচিত নয়। আল্লাহ্‌র যেখানে সবাইকে মুসলিম বানাবার পরিকল্পনা নাই সেখানে যে যাকে ভাল মনে করে সে ভাবে চলতে থাক। কেউ যদি মনে করেন তিনি উন্নত কিছু পেয়েছেন তাহলে তা উপস্থাপন করতে পারেন। কিন্তু গলদঃকরণ করতে পারেন না।
         
        আর আমার জীবনের জন্য আমিই জবাবদিহি করব, আমার প্রপিতামহের জন্য নয়! ধন্যবাদ।

  25. ২৫
    এস. এম. রায়হান

    @ফোরকান
     
    এমনি এমনি কোন দাবি করে বড় কোন সত্যকে ধামাচাপা দেয়ার সুযোগ করে দেবেন না। সুযোগ সন্ধানীরা কিন্তু সব সময় সুযোগের অপেক্ষায় থাকে।

  26. ২৬
    ফোরকান

    আপনার এই পোষ্টে নিহিলবাদীর হুবহু মন্তব্য পাবেন এই লিংকে আবুল কাশেমের মন্তব্যে। বানান ও কথার কপি পেষ্ট।

    1. ২৬.১
      এস. এম. রায়হান

      বানান ও কথার কপি-পেষ্ট হলে তাতে এটুকুই প্রমাণ হবে যে একজন আরেকজন থেকে কপি/চুরি করেছে, এর বেশি কিছু নয়।

  27. ২৭
    ফোরকান

    তাহলে আমরা ধরে নিতে পারি উনি যুক্তি ধার করছেন। আপনার কথাই ঠিক যে একজন আরেকজন থেকে চুরি করছে, ডেথনাইটের মন্তব্যটিও পুরাপুরি পেষ্টিং করা। এভাবেই কি মানুষ brain washed হয়?

    1. ২৭.১
      এস. এম. রায়হান

      ঠিক তাই। আলাদাভাবে মন্তব্য না করে রিপ্লাই বাটন চেপে মন্তব্যের নিচে জবাব দিলে ভাল হয় না?

  28. ২৮
    নিহিলবাদী

    @ রায়হান ও ফোরাকান হ্যা আমি যুক্তি ধার করি কিন্তু তা স্বীকার করতে লজ্জা পাই না।কিন্তু আপনারা জরথুস্থ্রবাদ থেকে কপিপেস্ট করা ধর্ম নিয়ে বড় বড় কথা বলেন।ব্রেইন ওয়াশডতো আপনাদের মনে হয় যারা জন্ম নামক লটারির ফলে একটা নির্দিষ্ট ধর্মের পরিবারে জন্মে ঐ অন্ধবিশ্বাসের নামে গলা ফাটান।
    আজকে আপনি যদি মুসলমানের ঘরে না জন্মে অন্যকোন ধর্মাবলম্বীর ঘরে জন্মাতেন, তখন কী হতেন? ধরে নিতে পারি, কোরআন যেহেতু বুঝে পড়েননি। সেহেতু গীতা-বেদ-ত্রিপিটক কোনদিন ছুঁয়েও দেখেননি। অন্য কোন ধর্মের সাথে তুলনা না করেই কিন্তু ইসলামকে শ্রেষ্ঠ বলে মেনে নিয়েছেন। সেটা শুধুইমাত্র বিশ্বাস-ভক্তির কারণে। (উল্লেখ্য, ইচ্ছে করেই ইহুদী-খ্রিস্টান ধর্ম বাদ দিয়ে গেলাম, কেননা ইসলামের মত এরাও মধ্যপ্রাচ্য হতে উদ্ভুত এবং একই ধরণের ধ্যান-ধারণায় গঠিত।)
    আমরা ছোটবেলায় পরিবারের কাছ থেকে শিক্ষাগ্রহণ করি। আমার দাদা-নানা-বাবা-মা যা শেখায়, যেভাবে শেখায় সেভাবেই শিখি। সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত বিশ্বাসের উপরই আমরা ধর্ম পালন করি। ইসলামে যেমন কাফেরের সংজ্ঞা আছে, অন্য ধর্মেও তাই আছে। অনেক ধর্ম আছে, যেখানে আরেক ধর্মের লোকের সাথে মিশতেও মানা করা আছে। সুতরাং সেসব ধর্মেরও কোনও অল্টারনেটিভ নাই?
    তবে এখানে একটা জিনিষ খুব ভালোভাবেই শিখলাম। মানুষ তার প্রয়োজনের বেলায় অনেক কিছুতেই ছাড় দিতে প্রস্তুত।যাই হোক ভালো থাকুন।

    1. ২৮.১
      কিংশুক

      আর যান কই, দুই দিনের যোগী ভাতেরে কয় অন্ন! আপনেতো সুইডিশ, নরওয়েজিয়ান অরিজিন না।  খালি সুইডেন, নরওয়ে দেখলেতো হবেনা (সাথে ভিয়েতনাম, উত্তর কোরিয়ার মতো গরীব নাস্তিক দেশও আছে)। তারা শিল্পোন্নত দেশ, খনিজ, তেল সম্পদেও ভরপুর; মানব উন্নয়নেও অনেক এগিয়ে ঠিক আছে, এগুলো তাদের বর্তমানের ক্রমবর্ধমান নাস্তিকতার অবদান না। বরং নাস্তিক দেশ চীনে মানবাধিকার পরিস্থিতি খুবই উন্নত(!), প্রাক্তন নাস্তিকদেশ সোভিয়েত ইউনিয়নের, পূর্ব ইউরোপের সমাজতান্ত্রিক ব্লক, উত্তর কোরিয়া ইত্যাদি দেশের স্বৈরশাসনের, মানবাধিকারহীনকালীন অবস্থা ও সমাজতন্ত্রের পতনের পর চরম দূর্ভিক্ষের কারনে মিলিয়ন ব্যাক্তির মৃত্যুর, অরাজকতার দায়ভার মাথায় না নিয়া এত মহান সাম্প্রদায়িক দাদা পালিয়ে গেলে চলবে কেন দাদা। গত কয়েক শতাব্দীতে অপরের দেশ ছলে-বলে-কৌশলে হাতিয়ে নিয়ে, ঔপনিবেশিক সাম্রাজ্য স্থাপন করে, অন্যায়-অত্যাচারা, শোষন, লুটপাট করে সম্পদের পাহাড় গড়াতে কোন আরব দেশ ছিলোনা দাদা; প্রথম বিশ্বযুদ্ধ ও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের মাধ্যমে কোটি কোটি মানুষ হত্যাতেও কোন মুসলমান বা আরব দেশের অবদান নাই দাদা। এসবের সম্পূর্ন অবদান আপনার প্রভূদের দেশেগুলোর দাদা; আপনারা বর্নহিন্দুরা তখন ইংরেজদের পা চাটতেন দাদা। দাদা আপনার ঘৃনাবাদের চাষাবাদ দেখে আর এর পূর্বে সজল শর্মা নামক আরেক বর্নহিন্দুর চুওড়ের পয়দা শুদ্র গালি শুনে আমি ধন্য যে, আপনাদের মতো চরম সাম্প্রদায়িক, বর্নহিন্দুদের কবল হতে আমাদের পূর্বপুরুষগন মুক্ত হয়েছেন; শুধু ভাবতেই কষ্ট হচ্ছে এসব ব্রাহ্মন্যবাদীদের কবলে ভারতে মুসলমানদের জীবন কেমন দূর্বিষহ।

      1. ২৮.১.১
        নিহিলবাদী

        @কিংশুক: ভাই যাব কেন ? রাজনৈতিক মতাদর্শ আর ধর্ম যে একে অন্যের পরিপূরক এই সহজ ব্যাপারটা বুঝতে না পারার মততো কিছুই নয়।আপনার বলা উদাহরণগুলি রাজনৈতিক ও ধর্মীয় অপরিনামদর্শীতার ফল এখানে নাস্তিক্যবাদ কিভাবে কাজ করেছে একটু বুঝানতো।আমাকে গাল দিলেও কিছু এসে যায় না।অন্যদিকে মানবিক উন্নয়নে নাস্তিক্যবাদের প্রভাব আপনি চাইলেও অস্বীকার করতে পারবেন না।ধর্মই সাম্প্রদায়িকতার বিষবৃক্ষ তাই আমাকে কিছু বলে কি লাভ আমিতো কোন ধর্মের ধজ্বাধারী নই।ভালো থাকুন (এটাকে আবার পলায়নবৃত্তি ভাববেন না যেন।)

      2. কিংশুক

        নীতিহীনদের এটাই সুবিধা যে, যখন যেটাকে নিজের স্বপক্ষের বলে মনে হয় সেটাকেই নিজের নীতি বলে দাবী করা যায়। রাজনৈতিক মতাদর্শ আর ধর্ম যদি একে অপরের পরিপূরক হয় তাহলে কম্যূনিষ্ট মতাদর্শ আর নাস্কিকতা একে অপরের পরিপূরক হবেনা কেন? এছাড়া ধর্মবিহীন কোন বিশ্ব আপনি কল্পনা (সেই কল্পনা বিপরীত ফল বয়ে আনছে) করতে পারলেও রাজনীতি ব্যাতীত বিশ্ব, সমাজ যে কল্পনা করতে পারে সে আসলে মানসিকভাবে অসূস্থ। আপনি কোরআন, ইসলাম, আরব আর মুনিম ভাইকে নিয়ে সাম্প্রদায়িক উষ্কানিমূলক ব্যাবহারের পরও যদি কোন নির্দিষ্ট ধর্মের নন বলে দাবী করেন তাহলে আপনার নাস্তিকতা জগতের সকল শয়তানির উতস্য যা আপনার চিন্তাশক্তি রহিত করে দিয়ে অতি নীচু মনের অমানুষ বানিয়ে ফেলেছে। দ্রুত এই নাস্তিকতার কবল হতে মুক্ত না হলে আপনার মতের বিরোধী কেউ আপনার কাছ থেকে নিরাপদ নয়।
        ধন্যবাদ, আপনার যে মূহুর্তে যেমন থাকতে ইচ্ছা হয় ঠিক তেমনই থাকুন, শান্তিতে, সৌহার্দের মধ্যে থাকুন।

      3. নিহিলবাদী

        আজিব কোন অন্ধধর্মবিশ্বাসে না থাকাটা নীতিহীনতা হা হা।কমুনিজম আর নাস্তিকতা পরিপূরক নয়।http://www.rejectionofpascalswager.net/hitlerstalin.html
        ধর্মান্ধ রাজনীতি হীন বিশ্ব কল্পনা করি এতে রাজনীতি ও সমাজহীনতার প্রশ্ন কোথা থেকে এল।

    2. ২৮.২
      ফোরকান

      @নিহিলবাদী

      ধন্যবাদ, আপনিও ভাল থাকবেন। ভাই যুক্তি দিয়ে আপনি কখনও কোন সিদ্ধান্তে পৌছাতে পারবেন না কেননা একটি যুক্তি নির্দিষ্ট সময়ে বিজয়ী হলেও ক্ষণিক বাদে অন্য একটি যুক্তি তাকে পরাজিত করে। অর্থাৎ যুক্তি নিজেই নিজের শত্রু এটি অনেকটা ইনফিনিটিভের মত।

      ধর্মের ব্যাপারটি যদি বলেন তবে বলবো, ধর্ম যদি বাদ দেন তবু ঈশ্বরের অস্তিত্ব অস্বীকার করতে পারবেন না। এই পৃথিবীতে ভাল-মন্দ দুটি বিষয় রয়েছে। কিন্তু  আপনি যদি একটু চিন্তা করেন তবে লক্ষ্য করবেন মানুষের আত্মা সব সময়েই সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে। কেউ বিপদে পরে আপনার কাছে সাহায্য চাইলে আপনি যদি তাকে বাচাতে গিয়ে নিজের প্রাণ যাওয়ার আশংকা করে তাকে না বাচান এবং এর কারনে ঐ ব্যক্তিটি মারা যায় তবে কিন্তু আপানার বিবেক আপানার ভুলটি ধরিয়ে দেবে। সেই বিবেকের উপর কি আপনার কোন নিয়ন্ত্রণ আছে?

      পৃথিবীতে ভাল জিনিসেরই অপব্যবহার হয়; খারাপ জিনিস এমনিতেই খারাপ তার অপব্যব্যহার লাগে না। আপনার সাথে একমত যে জন্মসূত্রে মানুষ ধর্মের অনুসারী হয়। তাই সবার উচিত একদিকে ঝুকে না পড়ে তুলনামূলক ধর্মগুলো পর্যালোচনা করা একেবারেই নিরপেক্ষভাবে। সেখান থেকে কেউ নির্দিষ্ট ধর্মকে যদি গ্রহণযোগ্য মনে করেন তো তা গ্রহণ করবেন আর তা না হলে তিনি নাস্তিক বা ধর্মহীন আস্তিক হবেন। তবে এটা মনে রাখা দরকার প্রকৃত সত্যের সন্ধান এত সহজ বিষয় নয়। সারা জীবন প্রবল সাধনা করেও ঈমানের কত পার্সেন্ট মানুষ আয়ত্ব করতে পারে তার অল্প জীবনে। জীবনের প্রতিটি মুহূর্ত পর্যবেক্ষন করে দেখুন বিশেষ কোন সত্ত্বার অস্তিত্ব অনুভব হয় কিনা। কিন্তু তা না হলে কি হবে মৃত্যুর সময়ে নাস্তিকেরা ঠিকই স্রষ্টাকে স্বরণ করে।

      বিদায় হজ্জের ভাষনে মহানবী (সাঃ) বলেছেনঃ কোন আরব অনারবের চেয়ে শ্রেষ্ঠ নয় কোন অনারব কো্ন আরবের চেয়ে শ্রেষ্ঠ নয়, আল্লাহ মানুষের কাজটিই দেখেন। ৫০-৬০ বছরের জীবনে দুই কলম পইড়া অমনি নাস্তিক হয়ে গেলাম আর লক্ষ্যহীন প্রাণীতে পরিনত হওটা কি বোকামী নয়। যদি ধর্ম, স্রষ্টা  সত্যি না থাকে তবে তো সবাই বেচে গেলাম, আর থাকলে ধরা কে খাবে?

    3. ২৮.৩
      এস. এম. রায়হান

      হ্যা আমি যুক্তি ধার করি কিন্তু তা স্বীকার করতে লজ্জা পাই না।

      আপনি যুক্তি ধার করেননি, চুরি করেছেন। ধরা পড়ার পর স্বীকার করেছেন। কোন কিছু ধার করতে হলে যার কাছে থেকে ধার করা হচ্ছে তাকে জিজ্ঞেস করতে হয়, কিন্তু চুরির ক্ষেত্রে কেউ জিজ্ঞেস করে না।

      কিন্তু আপনারা জরথুস্থ্রবাদ থেকে কপিপেস্ট করা ধর্ম নিয়ে বড় বড় কথা বলেন।

      ওমা! আপনার প্রিয় মনা ব্লগ থেকে আমরা তো জানতাম হিন্দুইজম থেকে ইসলাম কপিপেস্ট করা হয়েছে। অথচ আপনি এখানে এসে ইসলামকে জরথুস্থ্রবাদ থেকে কপিপেস্ট বলছেন। হা হা। ক্যামনে কী! আপনি কবে জরথুস্থ্রবাদে ধর্মান্তরিত হলেন?

  29. ২৯
    এম ইউ আমান

    @ নিহিলবাদী
    আল কোরান, জিন্দা আবেস্তা থেকে ‘কপি পেষ্ট’ করা এই বক্তব্যের পক্ষে রেফারেন্স উল্লেখ করুন। ঠিক কোন অংশটি ‘কপি পেস্ট’ সেটি দেখিয়ে দিলে আরো ভালো হয়। পুরো কোরান ই যদি কপি পেস্ট হয়, সেটিও পরিস্কার করে বলে সূত্র সহ দেখিয়ে দিন। নতুবা এরকম ব্লাঙ্কেট কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকা বিধেয় যেহেতু সেটি সদালাপের নীতিমালার পরিপন্থী। ধন্যবাদ।      

    1. ২৯.১
      মুনিম সিদ্দিকী

      আমান ভাই, মুহাম্মদ সাঃ কোথাও এই দাবি করেন নাই যে, তিনি যা বলছেন, বা আল্লাহতালা যা কোরআনের মধ্যে বলেছেন তা একবারে আনকোরা, এর আগে কেউ জানে না বা বলে নাই! আদম আঃ মুহাম্মদ সাঃ সময় পর্যন্ত মানুষের পথ চলার জন্য অনেক নবী রাসুল পাঠিয়েছিলেন , মানুষকে সঠিক পথে গাইড দিতে। সেই সব মহা মানবদের মাধ্যমে মানুষ অনেক আদেশ নিষেধ আল্লাহ্‌ পাঠিয়েছিলেন। সুতরাং নবী সাঃ যা বলেছেন বা কোরআনে যা উল্লেখ আছে তা আগের নবী রাসুলদের প্রচারিত কোন কিছুর সাথে মিলে যেতে পারে। আর তাতে দোষের কিছু থাকার কথা নয়। জিনা বেস্তা বা বেদ এ যদি কিছু মিলে যায় তাতে অবাক হবার কথা নয়।
      তবে অবশ্য নিহালবাদির উচিত কোথায় কোথায় মিল তা প্রমান করে যাওয়া। ধন্যবাদ।

      1. ২৯.১.১
        কিন্তু মানব

        অফ টপিকঃ মুনিম ভাই, আপনার জানালা ব্লগে কি কোন সমস্যা? বা কোন পরিবর্তন আসছে? আমি বহুদিন হল ঢুকতে পারি না, মানে দেখি না।

  30. ৩০
  31. ৩১
    এস. এম. রায়হান

    সামু ব্লগে একই পোস্টে একজন কোন কুল-কিনারা না পেয়ে এভাবে জবাব দিয়েছেন-

    আমি নি (?) বলেছেন: কোরান, বাইবেল, ত্রিপিটক, গ্রন্থ সাহেব, তোরা, জিন্দা আবেস্তা সহ আর যত ১০০ ভাগ সহী সত্য, নির্ভুল গ্রন্থ আছে সবগুলি একসাথে ঐ আলিয়েন কে পড়তে দিলে তিনি সেগুলি পাঠ শেষে যে মতে পৌঁছুবেন, তাকেই বলে নাস্তিকতা। আর কোন গ্রন্থের প্রয়োজন পড়বে না।

    লেখক বলেছেন: এই প্রথম একজন বুদ্ধিমান নাস্তিক্কে পাওয়া গেল!

    অন্য একজন বলেছেন-

    বেঙ্গলেনসিস বলেছেন: পৃথিবীর তাবৎ বৈজ্ঞানিক জার্নালগুলো থাকতেও আপনি লিখিত দলিল খুঁজে পান না? আপনারতো আসলে মস্তিষ্কই সীল-গালা করা।

    লেখক বলেছেন: যার মস্তিষ্ক গোবর দ্বারা তৈরী সে-ই কেবল বৈজ্ঞানিক জার্নালগুলোকে নাস্তিকতার পক্ষে লিখিত দলিল-প্রমাণ মনে করতে পারে। রিচার্ড ডকিন্সও কখনো এমন দাবি করার সাহস দেখান নাই!

    এর পর পুরোহিতের মতো উপদেশ দিয়েছেন-

    বেঙ্গলেনসিস বলেছেন: বিজ্ঞান কাকে বলে একটু পড়ে আসলে ভালো হয়। বিজ্ঞান হতে হলে একটা তত্ত্বের কি কি বৈশিষ্ট্য থাকা লাগে সেগুলো একটু ঘাটাঘাটি করে সামান্য জ্ঞান অর্জন করে পোস্ট দিলে আমাদেরও সময়ের অপচয় একটু কম হয়। আপনার যুক্তি অনুসারে ছোট বেলায় যে রূপকথাগুলো পড়েছি সেগুলোও তাহলে মহাবিজ্ঞান।

  32. ৩২
    fahim shahrier

    vai ami janta chai  ajkar kalerkhonto ta daklam ja char dana oala pakir koj pai cha china bigganira .apni ajkar kalerkhonto daka amaka bistarito bolban asola gotonata ki . @ rayhan

  33. ৩৩

    এতো প্যাচানোর কোন কারন দেখি না। যার বিশ্বাস হয় না সে বিশ্বাস না করুক। যার বিশ্বাস হয় সে করুক। কেউ কারও ক্ষতি না করলেই হলো। বিশ্বাস তো আর জোর জবরদস্তির বিষয় না। যার যার কাজের ফল সে ভোগ করবে। আমার সন্দেহ হয় আসলেই  কি সব বিশ্বাসিরা সন্দেহ মুক্ত? তা না হলে তাদের তর্ক করার প্রয়োজন পড়তো না।  আমাদের উচিত যা আমাদের দেশের কল্যাণে কাজে লাগবে সে সকল বিষয় নিয়ে আলোচনা করা। শুধু শুধু এসকল ধর্ম, বিশ্বাস নিয়ে আলোচনা করা মানে নিজেদের দেশের মধ্যে গোলমাল সৃষ্টি করা। হিন্দু, মুসলমান যদি একত্রে সহাবস্থান করতে পারে, তবে আস্তিক ও নাস্তিক পারবে না কেন। 

  34. ৩৪
    জহুরী

    ব্লগে লিখার ঝামেলা করতে পারলাম না তাই মন্তব্রাকারে এখানেই লেখাটি প্রকাশ করছি।

     

    বাংলাদেশের আইন ব্যবস্থা ঔপনিবেশিক আমলের হওয়ার কারণে এখানে জবাবদিহিতার মাত্রা কম। দেশের আইনের মাঝে রয়েছে অনেক পাক-ফোকর। যার কথা বর্তমান আইনমন্ত্রী রানার গ্রেপ্তারের পর বলেছিলেন,“আমরা রানার ব্যাপারে সর্বাত্মক চেষ্টা করবো যাতে সে আইনের ফোকর দিয়ে বের হয়ে যেতে না পারে।” এই স্বীকারোক্তির পরও মানুষ তার ভুল স্বীকার করতে চায় না।লাইফ সাপোর্টের মতো আপন বিধি ব্যবস্থা চালিয়ে যেতে থাকে। অতি জ্ঞানের অগ্নিমান্দ্যে সে স্রষ্টাকে ভুলে যেতে থাকে,তাঁর সাথে টক্কর দিতে খাকে।তবে কি মানুষ তার বুদ্ধির মাধ্যমে কিছুই করবে না?সে-কি কেবল স্রষ্টার্ আইনের কাছে নত হয়ে থাকবে? সে-কি একটা রোবর্ট? না,ব্যাপারটা এমন নয়। সেটা ‘বুদ্ধির চৌহাদ্দি’ শিরোনামে অন্যদিন আলোচনা  করবো। মানব সৃষ্ট আইনের একটি গল্প ও এর ফলাফল হিসেবে একটি শিক্ষণীয় ঘটনা এখানে তুলে ধরবো। আমাদের আইনের ব্যাপারে এমন বলা যেতে পারে যে:

    এক আইন মান্যকারী ভদ্রলোক বাসে উঠলেন। তার পাশে এক লোক ধুমপান করছিলো।

    ভদ্রলোক :- এই যে মিস্টার দেখেন না লেখা আছে,গাড়িতে ধুমপান করবেন না। আইন মেনে চলুন।

    ধুমপায়ী :- আপনিও আইন মানছেন না। দেখেন না গাড়িতে লেখা আছে,যাত্রাপথে কিছু হলে চালককে জানান।

    প্রথম লোক তড়িঘড়ি করে ড্রাইভারকে ডাক দিতে যাবে এমন সময় পিছন থেকে হেরপার তাকে টেনে ধরে বললো,ঐ মিঞা।কই যান?

    আমি ড্রাইভারের কাছে অভিযোগ করতে যাচ্ছি। এই যে গাড়িতে লেখা আছে।

    হেলপার :- মিঞা ঐযে দেখেন লেখা আছে যে, চলন্ত অবস্থায় চালকের সাথে কথা বলবেন না।এবার বলুন, লোকটি কী করবে?

     

    এবার আসুন আসল ঘটনায় পাশ্চাত্যের অনেক দেশে Capital Punishment বা মৃত্যদণ্ড বিধান রহিত করা হয়েছে।ইসলামে যেহেতু এই বিধান আছে তাই তারা ইসলামকে কটাক্ষ করে। বলে মৃত্যুদণ্ড মানবিকতার অন্তরায়। এবার দেখুন,এর প্রয়োজনীয়তা কতটুকু?

    “““1989 সালে কানাডার বিখ্যাত সিরিয়াল কিলার Clifford Olson পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হয়তার অপরাধ ছিলো, সে চাকরি দেবার নাম করে শিশুদের নেশাজাতক বড়ি খাওয়তো,তাদের সাথে জৈবিক চাহিদা পূরণ করতো এবং পরিশেষে তাদের হত্যা করে দূর-দূরান্তে দাফন করতো।বন্দী হবার পর সে স্বীকার করে যে,11 জন শিশুকে সে হত্যা করেছে এবং তাদের বিভিন্ন স্থানে দাফন করেছে।সৌভাগ্যবান এই অপরাধীর নিকট পুলিশ লাশের সন্ধান চায়,কিন্ত সে এমন এক জবাব দেয় যা হয়তো পৃথিবীর ইতিহাসে কোনো সন্ত্রাসী দেয় নি। সে বলে যে,প্রতিটি লাশের বিনিময়ে যদি 10,000 ডলার দেয়া হয়,তবেই লাশ বের করে দিবে। কারণ,কানাডায় এমন কোনো আইন ছিলো না যে,যাতে আসামিকে লাশ বের করতে বাধ্য করা যেতে পারে।শেষ পর্যন্ত পুরিশ 1,00000 ডলারের বিনিময়ে 11টি লাশের সন্ধান পায়।National Enquirer সহ বিভিন্ন পত্রিকায় লাশের ছবিগলো ছাপানো হয়েছিলো।যাদের বয়স ছিলো 12-18 বছর।

    কানাডায় যেহেতু মৃত্যুদণ্ড বিধান রহিত করা হয়েছিল,তাই আসামীর সর্বোচ্চ শাস্তি হলো যাবজ্জীবন কারাদণ্ড।তবে অপরাধ যেহেতু গুরুতর,তাই আদালত স্বীকার করে যে একে কখনো প্যারোলে মুক্তি দেয়া হবে না। পত্রিকায় ‘সুপারিশ’ শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে,যার মাধ্যমে বুঝা যায় সম্ভবত আদালতের এমন নির্দেশের অধিকার নেই। এ কারণে হয়তো সুপারিশের কথা বলা হয়েছে।

    এদিকে নিহত সন্তানদের মা-বাবারা এই মর্মে কোর্টে আপিল করে যে, আসামীকে দেয়া জরিমানার টাকা ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের বা-মা দের দেয়া হোক। কিন্ত কোর্টে তারা হেরে যায়।অন্যদিকে আসামির পক্ষে আবেদন করা হয় যে, আসামী জেলখানায় উন্নত বসবাসের জন্য সুবিধাদি দেয়া হোক। আদালত তা মেনে নেয়।

    এই দিকে এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড ও খেল-তামাশার বিচারের প্রতিবাদে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের সবাই মিলে একটি সংগঠন করে। তারা বলে যে,“আমরা পরাজিত হই নি।আমরা কানাডার সাংসদদের নিকট দাবী জানিয়েছি যে,কানাডায় আবার মৃত্যদণ্ড আইন ফিরিয়ে আনা হোক। ওর মতো অপরাধীদের উচিত বিচার হোক।”””””

     

    বন্ধুরা। আপনাদের কাহিনীটা বিশ্বাস হচ্ছে না। তাহলে এখনই Clifford Olson লেখে নেটে সার্চ করুন। এবং উইকিপিডিয়া ও রিলেটিভ প্রবন্ধগুলো দেখুন। তাহলেই বিসয়টির সত্যতা যাচাই হবে।তথ্যসূত্র : National Enquirer,May,1989।     

  35. ৩৫
    জহুরী

    আরেকটা লেখা পাঠালাম আর সবার কাছে এই প্রশ্নটির সমাধান চাচ্ছি।

     

    প্লিজ একটু দাড়াও,চোখ ফেরাও ; অসহায় ব্যক্তিটিকে একটু সাহায্য করো

    বিগত শতাব্দী ত যে সকল শব্দগুলো সর্বধিক আলোচিত হয়েছে। তার মধ্যে ‘সাম্প্রদায়িকতা’ ও ‘বাকস্বাধীনতা’ অন্যতম। দ্বিতীয় বিষয়টি নিয়ে অনেক চিন্তা করেছি। কিন্ত সমাধানের কোনো কিনারা খুজে পাই নি। তাই আজ সংলাপ আকারে তোমাদের নিকট বিষয়টি শেয়ার করলাম। যাতে তোমাদের সুচিন্তিত মতামতের মাধ্যমে বিষয়টির একটি সুরাহা হয়।

    তাকী :- বাক-স্বাধীনতা বলতে কী বুঝায়?
    এমনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল :- বাক-স্বাধীনতা বলতে বুঝায়,অপরের মত প্রকাশের স্বাধীনতা।
    তাকী :- বাকস্বাধীনতা বলতে কি আমার সব মত প্রকাশের স্বাধীনতা বুঝায়?
    এমনেস্টি :- হ্যাঁ,বিষয়টা এমনই।
    তাকী :- আচ্ছা বাক-স্বাধীনতার ক্ষেত্রে কোনো নিয়মনীতি আছে কি না?
    এমনেস্টি :- দুঃখিত,প্রশ্নটি বুঝতে পারলাম না।
    তাকী :- আচ্ছা,যদি বলা হয় বাকস্বাধীনতার ক্ষেত্রে কোনো রুলস নেই। কেননা,এটা বাক স্বাধীনতার অন্তরায়। তাহলে আমি বলবো,পুঁজিপতিরা গরীবদের শোষণ করে আজ এত বড়লোক হয়েছে। তাদের ব্যাংক-বীমা,বাড়ি-গাড়ি সবই গরীবের রক্তের বিনিময়ে হয়েছে। সুতরাং সকল গরীব এক হয়ে পুঁজিপতিদের বাড়িতে হামলা করা উচিত। যেহেতু আমি মিথ্যা কোনো কথা বলিনি,তাই সরকারের উচিত আমাকে সাহায্য করা। এবং আমার স্বাধীনতাকে ভুলুণ্ঠিত না করা।” এটাকে কি বাকস্বাধীনতার অন্তরায় বলা হবে?
    এমনেস্টি :- না,এমন বাক-স্বাধীনতা তো কখনোই আমরা সাপোর্ট করি না। নয়তো সমাজে বিশৃংখলা দেখা দিবে।
    তাকী :- তার মানে আপনি বলতে চাচ্ছেন,বাক-স্বাধীনতার কিছু নিয়ম আছে।
    এমনেস্টি : অবশ্যই। নয়তো সমাজ চলবে কিভাবে?
    তাকী :- এটাই আমার আসল প্রশ্ন যে,এই নিয়মটা প্রণয়ন করবে কে? কারণ,আপনার কাছে যা স্বাধীনতা আমার কাছে তা বিশৃংখলা। সরকারের কাছে সরকারের বিরুদ্ধে কিছু বলা বিশৃংখলা। আদালতের কাছে তার বিরুদ্ধে বলা ‘বিশৃংখলা।’ কেননা,দেশের সেন্সেটিভ একটা মামলা হলো,‘আদালত অবমাননা মামলা।’ ধর্মের বিরুদ্ধে কেউ কিছু বললে তখন বাকস্বাধীনতা-মুক্ত চিন্তার দোহাই দেয়া হয়। সরকারের বিরুদ্ধে কেউ কিছু বললে বা লিখলে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাহলে বাক-স্বাধীনতার এই সর্বজনীন নিয়ম প্রয়োগ করবে কে? এবং তার সর্বজনীনতা পরীক্ষা করবে কে? আপনি কি আমাকে এমন কোনো নিয়ম আপনাদের সংগঠন থেকে দেখাতে পারবেন?
    এমেনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল : আমি অনেক বছর যাবত প্রতিষ্ঠানটিতে কাজ করছি। কিন্ত কখনো কথাগুলো চিন্তা করে দেখিনি। তবে আমি আপনাকে এব্যাপারে জানাবো।
    তাকী :- আমি এর অপেক্ষায় রইলাম।

    বন্ধু তোমাদের কাছেও আমার একই প্রশ্ন রইল। তোমাদের সুচিন্তি মতামত জানিয়ে আমাকে উপকৃত করবে প্লিজ। কারণ,ভবিষ্যতে আমরাই হয়তো দেশ পরিচালনা করবো,তাই এগুলো নিয়ে এখন থেকে চিন্তা করা প্রয়োজন।

    (আলোচনাটি পাকিস্তানের শরীয়া কোর্টের চিফ জাস্টিস এবং বিশ্বের সবচেয়ে বড় আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা এমনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের এক সদস্যের মধ্যে হয়েছিল। বিচারপতি এখনো জীবিত আছেন,কিন্ত কাংখিত উত্তর নিয়ে কেউ এখনো তার সাথে দেখা করে নি। উনি বলেছেন,আমার বিশ্বাস মৃত্যু পর্যন্ত কেউ হয়তো এর জবাব দিতে পারবে না।)

  36. ৩৬
    unknown

    নিহিলবাদী ভাই-কে অভিনন্দন…!
    যে তিনি অন্ধভাবে ঈশ্বর-আস্তিকতা কে মেনে নিতে পারছেন না। অধিকাংশ ক্ষেত্রে আমরা মুসলিম,হিন্দু,খ্রিষ্টান……….কারন আমাদেরর বাবা-মা মুস্লিম,হিন্দু,খ্রিষ্টান। bt at first i wanna inform u that its not my work to blame u or ur mentality…..see here (১+১=০,১+১=১,১+১=২,১+১=৩) এই অংকগুলোর মধ্যে একটাই সঠিক, এখন আপনি যদি অংক না যানেন তাহলে হয়ত “math error ” বলে-ই সন্তুষ্ট থাকতে হবে। তেমনি পৃথিবীতে অনেক ঈশ্বরতত্ব আছে,আপনার বিজ্ঞান বিষয়ে জ্ঞান অল্প থাকলে “math error ” এর মত “there is no God”বলে-ই সন্তুষ্ট হতে হবে।দাদা এইটা আমার কথা নয়,ফ্রান্সিস বেকন বলেছেন।ভদ্রলোক আইন-স্টাইন বলেন”science without religion is blame & religion without science is blind”এখন এনাদের থেকে-ও যদি আপনি নিজেকে জ্ঞান এ বড় মনে করেন সেই-টা আলাদা কথা।E=mc square এর মত আপনে-ও বের করবেন ” ____”=no God square আপনার কথা ধরে-ই নিলাম “God” নাই,তাই God রে যখন দেখিনা তার উৎপত্তি-র প্রশ্ন-ই আসেনা। তাই প্যাঁচাল না পুইরা একটা সহজ প্রশ্ন করি”””””এই পৃথিবী ক্যডায় বানাইছে বা এই পৃথিবী নামক বস্তু বা বিশ্বজগত বস্তুটা চেনেন তো, এইডা আইলো কইথ্যেইকা?????”””””””
    [বি দ্রঃ আগে আমার প্রশ্নের উত্তর চাই,গড কে দেখিনা বা নেই বলে(আপনার কথা অনুযায়ি) তাই তাকে কে সৃস্টি করেন এই প্রশ্ন-ই অযোউক্তিক]

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।