বিবর্তনবাদী পাদ্রী-পুরোহিত-মোল্লা'রা কীভাবে বিবর্তনবাদের অযৌক্তিক, অবাস্তব, হাস্যকর সব কল্পকাহিনীকে বিজ্ঞানের নামে "প্রমাণিত সত্য" হিসেবে চালিয়ে দিয়ে অসচেতন লোকজনকে বিভ্রান্ত করছেন তা জানতে হলে নিচের লেখাগুলো পড়া যেতে পারে। সেই সাথে ডারউইনিয়ান বিবর্তনবাদের উপর ভিত্তি করে অমানবিক ইউজেনিক্স সম্পর্কেও জানা যাবে। বিবর্তনবাদীদের মিলিয়ন মিলিয়ন বছর আগের "কাল্পনিক জগৎ" থেকে বাস্তব জগতে এসে যৌক্তিক দৃষ্টিকোণ থেকে একটু চিন্তা করলেই বিজ্ঞানের খোলসে তাদের অপবিজ্ঞান, কল্পকাহিনী, মিথ্যাচার, আর প্রতারণার রহস্য উন্মোচিত হবে।
বিবর্তনবাদ তত্ত্ব: সংশয়ী দৃষ্টিকোণ থেকে- [পর্ব-১|পর্ব-২|পর্ব-৩|পর্ব-৪|পর্ব-৫|পর্ব-৬|পর্ব-৭|পর্ব-৮|পর্ব-৯]
ডারউইনের বিবর্তনবাদ: কিছু পর্যবেক্ষণ- [পর্ব-১|পর্ব-২|পর্ব-৩|পর্ব-৪|পর্ব-৫|পর্ব-৬|পর্ব-৭|পর্ব-৮]
লুপ্তপ্রায় অঙ্গাদি!!! বিজ্ঞানে যখন বিবর্তনের ভূত- [পর্ব-১|পর্ব-২|পর্ব-৩|পর্ব-৪|পর্ব-৫|পর্ব-৬]
প্রকৃতির বৈচিত্র্য: ডারউইনবাদীদের নাইটমেয়ার- [পর্ব-১|পর্ব-২|পর্ব-৩|পর্ব-৪|পর্ব-৫|পর্ব-৬|পর্ব-৭|পর্ব-৮|পর্ব-৯|১০]
ডারউইনের বিবর্তনবাদ ও অমানবিক ইউজেনিক্স- [পর্ব-১|পর্ব-২|পর্ব-৩|পর্ব-৪]
সমাজতান্ত্রিক নাস্তিকতা এবং ইউজেনিক্স: এক অবিচ্ছেদ্য সম্পর্ক- [পর্ব-১|পর্ব-২]
কল্পিত প্রাণীর পায়ের ছাপও বিবর্তনবাদ তত্ত্বের প্রমাণ বহন করে!
মাছের লাফালাফিও ডারউইনিয়ান বিবর্তনবাদকে প্রমাণ করে!
ডারউইনিয়ান বিবর্তনবাদীদের দৃষ্টিকটু স্ববিরোধীতা
যুক্তিবাদী পাঠকদেরকে সাক্ষি রেখে বিবর্তনবাদী মোল্লাদের প্রতি কিছু প্রশ্ন
ডারউইনবাদীদের দাবি ও সেই সূত্রে বৈজ্ঞানিক প্রমাণ উপস্থাপনের আহ্বান
বিবর্তন তত্ত্বের পক্ষে প্রতারণাপূর্ণ প্রমাণ উপস্থাপন
রিচার্ড ডকিন্সের প্রতারণামূলক ‘প্রমাণ’ উপস্থাপন
হারুন ইয়াহিয়ার লেখার জবাবে রিচার্ড ডকিন্সের ভাঁড়ামি
‘কৃত্রিম প্রাণ’ ও বদ্ধমনাদের আস্ফালন
“কৃত্রিম প্রাণ” তৈরীর কৃত্রিম খবরে মুক্তমনাদের দেহে প্রাণের সঞ্চার!
ক্রেইগ ভেন্টার কোন কৃত্রিম প্রাণ তৈরী করেননি
বিবর্তনবাদ এবং ইসলাম: মুক্তমনার বৈজ্ঞানিক ভণ্ডামী
বিবর্তনবাদ এবং ডারউইনবাদীদের ঈশ্বর
বিজ্ঞান, বিবর্তনবাদ ও নাস্তিকতা
বিবর্তন তত্ত্ব: হারুন ইয়াহিয়ার লেখার জবাবে রিচার্ড ডকিন্সের ভাঁড়ামি
রোবটের বিবর্তন তত্ত্ব: এনড্রয়েড রোবটের আবির্ভাব
আর্কিব্যাকটেরিয়া থেকে আর্কিয়া – বিবর্তনবাদীদের অস্বস্থি
বিবর্তনবাদীদের নিয়ে যৌক্তিক বিনোদন ব্লগ!
24 comments
No ping yet
masum says:
জানুয়ারী 21, 2012 at 3:31 অপরাহ্ন (UTC 6)
Darwin badira amar chokhe jara porese tara odhikangsoi uggro sovaber, shanto na.
নিহিলবাদী says:
জানুয়ারী 21, 2012 at 3:34 অপরাহ্ন (UTC 6)
হায় হায় রে বিবর্তনবাদতো কুরআনে প্রমানিত হয়ে গেছে।৩১:২৮ পড়ে দেখেন। বিজ্ঞানের সকল আবিস্কার কুরআনে পাওয়া যায় শুধু বিবর্তনবাদই পওয়া যাচ্ছিল না।লে বাবা সেটাও পাওয়া গেল।তবে ইথারের মত এটাওনা গুবলেট হয়ে যায়।হা হা।
এস. এম. রায়হান says:
জানুয়ারী 21, 2012 at 8:35 অপরাহ্ন (UTC 6)
একদিকে আপনার গুরুরা দাবি করছে বিবর্তনবাদ নাকি এই মহাবিশ্বের স্রষ্টা সহ প্রায় সকল ধর্মকে -- বিশেষ করে ইসলামকে -- অসার প্রমাণ করে বাতিল করে দিয়েছে অন্যদিকে আবার তাদের মুরিদ সদালাপে এসে কুরআনের মধ্যে বিবর্তনবাদ খুঁজে পাচ্ছেন। পুরাই বিনোদন।
আপনার মতো বিনোদনদাতা সদালাপে দু-এক জন থাকলে ভালই লাগবে।
নিহিলবাদী says:
জানুয়ারী 21, 2012 at 9:05 অপরাহ্ন (UTC 6)
ভাইয়ের এন্টেনার জোর কম বলেই মনে হয়।এটা আমি পাইনি কতিপয় জোকার নায়ক এই দাবী করছেন যেমনটা এককালে ইথার নিয়ে করেছিলেন।এমনকি এখনো কোন কিছু আবিস্কার হলেই আয়াতের অর্থ তার সাথে মিলাতে লেগে যায়।অথচ ভবিষ্যৎএ কি পাওয়া যাবে তার তালিকা চাইলে পাওয়া যায় না।আপনাকে বান্দরের জগতে স্বাগতম।আমার কোন গুরু নাই তাই মুরিদ হবার প্রয়োজনও নাই।ইসলামের অসারতার জন্য বিবর্তনবাদ লাগবে কেন নিচের প্রশ্নগুলাই যথেস্ট।
কোরআন একটা জীবন বিধান। এটা একটা জীবন দর্শন। এটা কোন বৈজ্ঞানিক আবিষ্কারের গ্রন্থ নয়। কেন এটাকে সব কাজে টানাটানি?!!
চন্দ্র সূর্য সম্পর্কিত সমস্ত বড় বড় নিয়ম নীতিগুলোই আসলে রূপক -- অর্থ ভিন্ন। কারণ দিন-রাত্রি, সূর্যোদয় সূর্যাস্ত .. যে সকল দিয়ে ধর্মের মূল স্তম্ভ সালাতের ওয়াক্ত আর সিয়ামের সেহরী ইফতার নির্ধারিত হয় বলে প্রচলিত ধারণা — হ্যা প্রচলিত ধারণা ও ব্যাখ্যা -- তা সার্বজনীন নয়।
সহজ উদাহরণ: বেশিদুর যেতে হবে না, স্ক্যান্ডেনেভিয়ায় সেখানে দিন রাত্রির দৈর্ঘ খেয়াল করুন। অনেক সময় সূর্য ডুবে না দিনের পর দিন। আবার অনেক সময় সূর্য উঠে না। তবে ওখানে বা আরও উত্তরে থাকা এস্কিমোদের জন্য তো এসব অসার।
একটু দুরে যাই। যে লোক চাঁদে বসতি গাড়বে, সে কোন চাঁদ দেখে মাস শুরু করবে বা ঈদের ক্ষণ নির্ধারণ করবে (পৃথিবীতেই সবজায়গায় একত্রে এসকল হয় না -- সৌদিতে একদিন, বাংলাদেশে একদিন, জাপানে আরেকদিন)। কিংবা যে মঙ্গল গ্রহে যাবে সে দুইটা চাঁদের মধ্যে কোনটা দেখবে। ৪৮ ঘন্টা দিনে ওয়াক্ত, সিয়াম ইত্যাদি কিভাবে নির্ধারিত হবে?
তাহলে কি এই দাঁড়াচ্ছে না, যে প্রচলিত ব্যাখ্যাগুলি শুধু পৃথিবীর বিষুবীয় অঞ্চলের জন্যই প্রযোজ্য। কোনক্রমেই সার্বজনীন নয়। আর বিনুদুন দিতে নয় দেখতে আসি।
এস. এম. রায়হান says:
জানুয়ারী 21, 2012 at 9:35 অপরাহ্ন (UTC 6)
এবার তো একেবারে ছাগলের মতো কথাবার্তা হয়ে গেল। স্যরি। আপনারা একদিকে জাকির নায়েককে বিবর্তনবাদ-বিরোধী দেখিয়ে তার উপর ব্লগে ব্লগে জঙ্গী হামলা চালাচ্ছেন, অন্যদিকে সদালাপে এসে কোন প্রমাণ ছাড়াই তাকেই আবার বিবর্তনবাদের পক্ষে দাঁড় করিয়ে দিয়ে আমাদেরকে আক্রমণ করছেন। মানে মুসলিম দিয়ে মুসলিমকে আক্রমণ। এই পোস্টেও একই ধূর্তামির আশ্রয় নিয়েছেন। এই ধরণের ধূর্তামি আর আত্মপ্রতারণা একমাত্র কিছু বাঙ্গালি বর্ণবাদী ছাড়া অন্য কোন জাতি বা প্রজাতির মধ্যে পাওয়া যাবে না, যাবে কি?
কিংশুক says:
জানুয়ারী 21, 2012 at 10:27 অপরাহ্ন (UTC 6)
নিহিলবাদী দাদা, মাথা কি বেশী গরম হয়ে গেছে? এক জোকার নায়েকরে ঠেকাইয়াই বা কী করবেন? পৃথিবীব্যাপী বিশেষত: পাশ্চাত্যে কনভার্টেড অনেক মুসলমানসহ হাজার হাজার জাকির নায়েক তৈরী হয়ে যাচ্ছে। প্রত্যেক বছর ইউরোপ, আমেরিকায় যে লক্ষ লক্ষ মানুষ ইসলামে রিভার্ট হইতাছে তাদের মধ্যে কইলাম জাকির নায়েকের পদাংক অনুসারী অনেক তৈরী হইয়া যাইতেছে। ঐ যে, ব্ল্যাক ড: আব্দুল্লাহ আমিনা ফিলিপের মতো মৌলবাদী মুসলমান সৌদি আরবে ঘাঁটি গাড়া আমেরিকান ৩০০০ সৈন্যরে মুসলমান বানাইয়া ফেলছে! নব্য মুসলমানরাও তাদের গুরুদের অনেক ভালোবাসে! অতএব, সময় থাকতে মনা হুশিয়ার হয়ে আরো জোরেশোরে ইসলাম বিদ্বেষ চালাইয়া যাও। আর স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশগুলোতে কিভাবে ফরজ পালন করবে তার ফতোয়া মুসলমানরাতো আপনার কাছে দাবী করে নাই। যার দরকার সে তার ফতোয়া স্কলারদের কাছ থেকে কোরআন-হাদিস দিয়েই চেয়ে নিবে:
http://islamqa.info/en/ref/5842
http://www.msit.no/wp-content/uploads/2011/02/Fatwa-from-Dar-Al-Iftah-Mesir-ENGLISH.pdf
পোষ্টের বিষয়বস্তুতে যেসব তথ্য উপাত্ত, চ্যালেন্জ দেয়া হয়েছে তা খণ্ডন করতে পারলে করেন, নাইলে অফ যান।
নিহিলবাদী says:
জানুয়ারী 22, 2012 at 11:55 অপরাহ্ন (UTC 6)
@ কিংশুক ইসলাম কতটা অসার তার প্রমান যে বাকী দুটার উত্তর ফতোয়াতে দেয়া সম্ভব হল না ।আর কাদিয়ানী শিক্ষাকে সাধারণকে দেয়ার কারিগর জোকার নায়ক যদি ইসালামের ঝান্ডা সমুন্নত রাখেন তাহলে আর কি বলব।
http://www.cifiaonline.com/drzakirnaik.htm
@ এস এম রায়হান বার বার এক গুরু ও মনা কথা বাদ দিন।আমি কোন গুরুবাদী বা মনাবাদী নই।
বির্বতন বাদ সত্য হোক আর মিথ্যে হোক এটা বর্তমানের অনেক কিছুকে ভালমতো ব্যাখ্যা করতে পারছে। যখন নতুন কোন হাইপোথেসিস বা থিওরি আসবে যা সে সময়ের ঘটনার আরো ভাল ব্যাখ্যা দিতে পারবে তখন ডারউইনের এ তত্ত্ব বর্জিত হবে। এতে সন্দেহের কোন কিছু নেই।
ধর্মে এবং ধর্মগ্রন্থে বিশ্বাস একান্ত ব্যক্তিগত। এই বিশ্বাস স্থাপনের জন্য যদি যুক্তি বা বৈজ্ঞানিক প্রমাণের দরকার হয়, তাহলে ইসলাম ধর্মের কথা অনুসারে বলা হয় ঈমান দুর্বল। যারা বিজ্ঞান দিয়ে ধর্মের মাহাত্ম প্রমাণ করতে চায় তাদের উদ্দ্যেশ্য ভাল হয় না। আগেই বলেছি ধর্মে কোন যু্ক্তির স্থান নেই। মানলে মান নাইলে নাই।
জাকির নায়েকের কথা কেন অগ্রহণযোগ্য:
ধরা যাক, কোরানের কথা মতো বিশ্বাস করা হয় আদম হচ্ছে সরাসরি প্রথম সৃষ্টি। এখন কোরানে আদমের গায়ের রঙ, উচ্চতা, স্বাস্থ্য এগুলো তো বলে দেয়া নাই (বা ধরুন আমি পাইনি)। তাহলে প্রশ্ন হলো, কেন আফ্রিকার মানুষ কালো, ইউরোপের সাদা, আমরা ইন্ডিয়ান উপমহাদেশের মানুষ সংকর, বা বিভিন্ন দ্বীপের লোকজন খুব শক্ত/বৃহৎ দেহের অধিকারী? কোরান এই প্রশ্নের উত্তর দেয় না। এরকম আরো সহস্র প্রশ্ন আছে যার উত্তর নেই। এখন কোরান কেউ বিশ্বাস করে বলে কি এসব প্রশ্নের উত্তর খোঁজা যাবে না?সৃষ্টি সম্পর্কে জ্ঞান আহরণ করা যাবে না?ডারউইনের মতবাদ বেশ কিছু প্রশ্নের উত্তর দিতে পারে।
স্পষ্ট করে বললে, জাকির নায়েকের বিবর্তবাদ বিরোধী ভিডিও দেখে কি ধর্মবিশ্বাস বেড়ে যায়? যদি না যায়, তবে আমার মত হলো এসব বক্তব্য অপ্রয়োজনীয়। ধর্ম মানার জন্য কোন ফ্যাক্ট খোঁজতে হবে না, বিবর্বতনবাদ ভুলও এটাও প্রমাণ করতে হবে না।
ধর্মের সাথে আপাত সাংঘর্ষিক হলেই তার মাথা কাটতে হবে না। বিগ-ব্যাং নিয়েও এসব হয়েছে। কোরানের মতে ৬দিনে পৃথিবী সৃষ্টি হয়েছে, পরে কোন কোন তফসীরকারক সেই আরশী দিনকে আমাদের পৃথিবীর কয়েক হাজার বছের সমতুল্য বলেছেন। এখন মনে হচ্ছে আবার ধার্মিক দিক থেকে বিগ-ব্যাং থিওরি মেনে নিয়েছে অনেকে। ভুলবেন না, বিং-ব্যাং থিওরি কিন্তু একাধিকবার সংশোধিত হয়েছে। কাজেই হঠাত করেই কোন উপসংহারে যাওয়ার দরকার নেই। সময়েই সব জানা যাবে। আমরা না জানতে পারি, ভবিষ্যত প্রজন্ম জানতে পারবে।
এটাকে বিনুদুন বলে ভাবতে পারেন কোন সমস্যা নেই।ভালো থাকুন।
কিংশুক says:
জানুয়ারী 23, 2012 at 2:41 পূর্বাহ্ন (UTC 6)
@নিহিলবাদী,
এত গভীররাতে আবার আবালের মতো (আর ধৈর্য ধরা সম্ভব না) কথাবার্তা না বললে কি চলতো না? এস. এম. রায়হান ভাইকে করা প্রশ্রের উত্তর রায়হান ভাই দিবেন। আমাকে উদ্দেশ্যে যেটা বল্লেন সেটা হলো, বাকী উত্তর নিয়া আপনার মাথাব্যাথার দরকার নাই। যবে মানুষ চাঁদে কিংবা মঙ্গল গ্রহে আবাস গড়বে (অট্ট হাসির ইমো হইবেক, এই পঁচিশ বছরের জীবনে সবসময় শুইন্যা আসলাম-এই চান্দে, মঙ্গল গ্রহে মানুষ আবাস গড়লো বলে; চান্দের জমিজমা বিক্রির খেলাও দেখা হইলো। মাগার এখন পর্যন্ত মানুষ আসলেই চান্দে নামছিলো না রোবট নাইম্যা পাথর আনছে সেটাই এক বিরাট রহস্য) তবে বাকী ফতোয়াও পাওয়া যাবে। দেখেন এর আগে না মানুষই ধ্বংস হইয়া যায় (কেয়ামত না মানলেও পৃথিবী বাসযোগ্যতা হারাইয়া বা দূর্ঘটনায় ধ্বংস হওনের চান্স কিন্তু আছেই কইলাম)।
আগে বলে রাখি আমি জাকির নায়েকের কোন অনুষ্ঠান আগেও দেখতাম না, এখনও দেখিনা। তবে আপনে যে সাইটের লিংক দিলেন তা হচ্ছে সুফিদের। সুফিরা বিশেষত: উপমহাদেশের বেরেলভীরা শুধু জাকির নায়েকেরই উপর ক্ষ্যাপা না পুরো সৌদি আরবের উপরই ক্ষেপা কারন তাদের কিছু ভূল আক্বিদার (বেশী বুজানোর সময় নাই) কারনে ওয়াহাবী/সালাফিরা তাদেরকে মুশরিক বলে। জাকির নায়েকের উপর আপনারা হিন্দু, খ্রিষ্টান, নাস্তিকরা যেমন ক্ষ্যাপা তার চাইতে বেশী ক্ষ্যাপা সুফি, শিয়ারা (হাদিসে টেম্পারিং করে ইয়াজিদকে বেহেশতী বলে দাবী করায়, যদিও উদ্দেশ্য ভালো তিলকে তাল করা শিয়াদের কোন চান্স না দেয়া)। ওয়াহাবী, সালাফিরা সাধারনত: কোন মাজহাব মানেনা। সে কারনে উপমহাদেশের সহ অন্যান্য সুন্নি যারা মাজহাব মানে তারাও জাকির নায়েক এবং ওয়াহাবী/সালাফিদের পছন্দ করেনা (যে কারনে আমি অজ্ঞ মানুষ জাকির নায়েক হতে দূরে থাকি)। অর্থাত ওয়াহাবী/সালাফিদের তারা নিজেরা ছাড়া আর কারো সাথে সদ্ভাব নাই (এখন পর্যন্ত তাঁরা মোট মুসলিমের পাঁচ ভাগের এক ভাগও হবেন না)। কিন্তু জাকির নায়েক, আবু আব্দুল্লাহ বিলাল ফিলিপ,আব্দুর রহমান গ্রীন, শেখ ইউসুফ এস্টাস প্রমূখ ওয়াহাবী/সালাফিরা দ্বিনের জন্য কাজ করছেন এবং বিধর্মীদের দ্বিনের দাওয়াত দিচ্ছেন বলে সম্মানও করি। এছাড়া তাঁদের ঈমানের জোর ও সাহসও প্রশংসার দাবী রাখে।
এখন আসেন আসল পয়েন্টে: কাদিয়ানী/আহমদিয়া কাকে বলে তা আমি ভালোভাবেই জানি, আমার অতি ঘনিষ্ঠ বন্ধু কাদিয়ানী (প্রতিবেশী ও ছোটবেলার বন্ধু বলে হ্রদ্যতা বেশী)। কাদিয়ানীদের সুন্নি, শিয়া কেউই মুসলমান বলেই স্বীকৃতি দেয়না, সৌদি আরব হতে তারা অমুসলিম বলে ঘোষিত। কাদিয়ানীরা স্বীকৃত কাফির। যে লোক এই কথা বলতে পারে যে, কাদিয়ানী শিক্ষাকে ডা: জাকির নায়েক ছড়াচ্ছে সে আফ্রিকার গহীন অরন্যে মানবসভ্যতার আলোবিহীন কোন টারজান থাকলে তার চাইতেও মূর্খ। কাদিয়ানীদের প্রোপাগান্ডায় যাতে মানুষ বিভ্রান্ত না হয় সেজন্য ভারত, পাকিস্তান, আফগানিস্তানে বহু কাদিয়ানী সংঘর্ষে নিহত হয়েছে। কাদিয়ানীরা আজও বিশ্বাস করে যে, আফগানিস্তানে-পাকিস্তানে তাদের মোল্লাদের (আসলে শয়তানের অনুসারী) হত্যার কারনে সেই মোল্লাদের অভিশাপে পাকিস্তান-আফগানিস্তানের আজকের পরিনতি! আপনার জন্য ভয়ংকর খবর হলো পশ্চিমা বিশ্বে ধর্মান্তরিত বেশীরভাগ তরুনই সালাফিষ্ট হচ্ছে, হিজবুত তাহরিরের কার্যক্রম পশ্চিমা বিশ্বেই বেশী। মিশরে যে গনতান্ত্রিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলো তাতে সালাফিষ্ট আল নুর পার্টি অনেক আসন পেয়েছ। দিনদিন ওয়াহাবী/সালাফি বেড়েই চলেছে, বলা যায়না কোন একদিন খিলাফতও হয়তো প্রতিষ্ঠিত করে ফেলতে পারে কে জানে! যে বিষয়ে কিছুই জানেন না, সে বিষয়ে বড় বেশী জ্ঞান ঝেড়ে ফেলেছেন; এজন্য আপনাকে মূর্খ ছাড়া আর কিছুই বলার নাই।
কিংশুক says:
জানুয়ারী 23, 2012 at 12:19 অপরাহ্ন (UTC 6)
@নিহিলবাদী,
দাদা এতক্ষনে ইসলাম, কোরআন বা ডা: জাকির নায়েকের ব্যাপারে আপনার উষ্মার কারন বোধগম্য হলো। আপনার প্রথম দাবীর বিপক্ষে অর্থাত কোরআনের অবিকৃততার স্বপক্ষে গবেষনা করে নিশ্চিত হয়ে সাবেক স্বঘোষিত নাস্তিক তামিলনাড়ুর তারকা ব্যাক্তিত্ব প্রফেসর প্রিয়ার দাসান বর্তমানে প্রফেসর আব্দুল্লাহ বলেন:
Dr. Periyadarshan, who has changed his name to Abdullah, told Arab News Friday that Islam is the only religion in the world that follows a book directly revealed from God.
He said that as a student of comparative religions he believes books of other faiths have not been directly revealed to mankind from God. He said the Holy Qur’an is still in the same format and style as it was revealed to the Prophet Muhammed (pbuh) from Almighty Allah.
Dr. Abdullah is a visiting professor at the University of California in Los Angeles. He also acted in the famous Tamil film “Karuthamma” about the killing of newborn baby girls in some remote villages in India. The production received national award from the Indian government.
I was well known in India for my atheist theology and later I became to realize that religion is the only way out for human beings both in this world as well as in the hereafter,” he said.
Dr. Abdullah will be performing Umrah on Saturday on his first visit to the holy cities of Makkah and Madinah.
http://arabnews.com/saudiarabia/article29180.ece?comment=submitted&postingId=29422
যদিও সাবেক স্বঘোষিত নাস্তিক তামিল লেখিকা ও মহিলা কবি কমলা দাসের ইসলাম গ্রহনের মতোই প্রিয়ার দাসানের ব্যাপারেও ভারতীয় মিডিয়া মুখে কলুপ এঁটে বসে আছে।
http://azeez-luthfullah.blogspot.com/2010/04/periyar-dasans-conversion-to-islam-why.html
http://azeez-luthfullah.blogspot.com/2010/03/seshachalam-to-periyar-dasan-to.html
আপনার দ্বিতীয় দাবী ডা: জাকির নায়েক কাদিয়ানীদের কাছ থেকে হিন্দু ধর্মীয় গ্রন্থে হযরত মোহাম্মদ(সা:) এর ব্যাপারে সাহায্য নিয়েছে। কথাটা একেবারেই ভূল। ভারতের এলাহাবাদের প্রয়াগ বিশ্ববিদ্যালয়েল সংস্কৃতি বিভাগের রিসার্ট স্কলার ধর্মাচার্য অধ্যাপক ড: বেদপ্রকাশ উপাধ্যায়ও বেদ -- পুরাণে আল্লাহ ও হযরত মোহাম্মদ (সাঃ) নামক বইয়ে এই বিষয়ে সবিস্তারে বর্ননা করেছেন। http://www.somewhereinblog.net/blog/jamesbondbd/29402400
আপনার করা প্রশ্ন:”কেন আফ্রিকার মানুষ কালো, ইউরোপের সাদা, আমরা ইন্ডিয়ান উপমহাদেশের মানুষ সংকর, বা বিভিন্ন দ্বীপের লোকজন খুব শক্ত/বৃহৎ দেহের অধিকারী?” এর বিষয়ে আগেও অনেকে বিতর্ক করেছেন। যেমন: ডা: মাহফুজ শান্ত ভাইয়ের তথ্য-উপাত্ত সমৃদ্ধ পোষ্টটি পড়ে দেখতে পারেন:
“প্রত্যেকটি নির্দিষ্ট প্রজাতির জীবকোষে সেই প্রজাতিটির জন্য নির্ধারিত নির্দিষ্ট সংখ্যক জীন বহিত বৈশিষ্ট্যগুলো বিদ্যমান থাকে। গতানুগতিক স্বাভাবিক জন্ম প্রক্রিয়ার অধীনে নির্ধারিত স্বাভাবিক জীন বাহিত বৈশিষ্ট্যগুলোর আদান প্রদান ঘটে। ফলে একটি নির্দিষ্ট প্রজাতির প্রাণীদের মাঝে জেনেটিক নিয়ন্ত্রনের আওতায় একটি নির্দিষ্ট সীমানার অভ্যন্তরেই বিভিন্ন পারিপার্শ্বিক অবস্থা ও পরিবেশগত বৈষম্যের কারণে আকৃতি ও প্রকৃতিগত কতিপয় বায়োলজিকাল পরিবর্তন অর্থাৎ সীমানির্দেশিত বিবর্তন লক্ষ্য করা যায়। আর এ কারনেই আমার ও আপনার রং কালা আর প্রিন্সেস ডায়না সাদা। কিন্তু তাই বলে একটি নির্দিষ্ট জীব প্রজাতি থেকে কখনই স্রষ্টা প্রদত্ত নির্দিষ্ট জীন বাহিত বৈশিষ্ট্যের সীমানা অতিক্রম করে সম্পূর্ণ স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন নুতন জীব প্রজাতির জন্ম হয় না।“
http://www.somewhereinblog.net/blog/Mahfuzhappy/29233665
http://www.somewhereinblog.net/blog/Mahfuzhappy/29236663
এরপর আসেন ডা: জাকির নায়েকের মতো সালাফিদের বিষয়ে। তাঁদের সাহসের কোন শেষ নাই। খ্রিষ্টান হতে ইসলাম ধর্মে ধর্মান্তরিত জার্মানীর প্রাক্তন জুনিয়র চ্যাম্পিয়ন ও প্রথম সারির বক্সার Pierre Vogel (যার হাতে অনেক ইউরোপীয় ইসলাম গ্রহন করেছে) সালাফি মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবাকে দুনিয়ার জীবন কিছুই নয়, পরকালের শাস্তি এড়াতে ইসলাম গ্রহনের জন্য দাওয়াত দিয়েছেন:
MESSAGE TO BARACK OBAMA from German Islamic Preacher Abu Hamsa Pierre Vogel
rel="nofollow">
এস. এম. রায়হান says:
জানুয়ারী 21, 2012 at 10:54 অপরাহ্ন (UTC 6)
তাই নাকি! ইসলামের অসারতা প্রমাণের জন্য বিবর্তনবাদ লাগবে না? তাহলে কি আপনার গুরুরা তাদের দাবিগুলো প্রত্যাহার করতে রাজি আছে?
শুনুন, আপনার অ্যান্টেনার জোর যেহেতু বেশি সেহেতু কানে কানে একটা কথা বলে রাখি, আপনার গুরুরা যদি ইসলামকে ভুল বা অসার প্রমাণের জন্য বিবর্তনবাদকে সবচেয়ে শক্তিশালি অস্ত্র মনে না করত তাহলে তারা বিবর্তনবাদকে কখনোই ধর্মের মতো করে ব্লগে ব্লগে প্রচার করার কাজে এত সময় ও শ্রম দিত না।
এস. এম. রায়হান says:
জানুয়ারী 24, 2012 at 3:15 পূর্বাহ্ন (UTC 6)
@নিহিলবাদী,
যারা বিবর্তনবাদকে গাছ থেকে আপেল পড়ার মতো সত্য হিসেবে প্রচার করছে তাদেরকে এই কথা শুনান, আমাদেরকে শুনাচ্ছেন কেন?
আপনার মতো কারো কাছে থেকে এই ফতোয়ার দরকার নাই।
যুক্তি-প্রমাণে না পেরে বারংবার অপ্রাসঙ্গিক বিষয় টেনে নিয়ে আসছেন কেন। যারা বিজ্ঞান দিয়ে ধর্মের মাহাত্ম্য প্রমাণ করতে চায় তাদের উদ্দ্যেশ্য ভাল কিনা সেটা আপনার জানার কথা না, যদি না অলৌকিকভাবে জেনে থাকেন। তবে যারা বিজ্ঞানকে ঢাল বানিয়ে ইসলামের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে তাদের উদ্দ্যেশ্য যে ভাল নয়, সে ব্যাপারে কোন সন্দেহ নাই।
কোন্ ছাগলে বলেছে ধর্মে কোন যু্ক্তির স্থান নেই। সেটা আবার কোন্ ধর্ম! আর এখানে আপনাকে কেউ ধর্ম মানতে বলেনি। যে কথা কেউ বলেনি সে কথা নিজের মুখে গুঁজে নিয়ে নিজেকে বোকা বানালে করার কিছু নাই।
এস. এম. রায়হান says:
জানুয়ারী 24, 2012 at 3:36 পূর্বাহ্ন (UTC 6)
@নিহিলবাদী,
জাকির নায়েকের কথা গ্রহণযোগ্য নাকি অগ্রহণযোগ্য -- সেটা বিচারের ভার না হয় তার পাঠক-শ্রোতাদের উপরই ছেড়ে দেয়া যাক। তবে জাকির নায়েক যে আপনাদেরকে ভাল মতই গদাঘাত দিয়েছেন তা বুঝাই যাচ্ছে। তা না হলে আমার পোস্টে সম্পূর্ণ অপ্রাসঙ্গিকভাবে, জাকির নায়েকের নাম-নিশানা না থাকা সত্ত্বেও, বারংবার তার নাম যঁপে আতঙ্কে ভুগতেন না। জাকির নায়েকের এক ঠ্যাংগের সমান আপনার বা বিপ্লব পালের যে ওজন হয়নি, তা কি জানেন। উল্লেখ্য যে, আপনার মতো বিপ্লব পাল আর সজল শর্মাও অনেকদিন ধরে তাকে গালিগালাজ করে আসছে।
ধর্মের সাথে আপাত সাংঘর্ষিক হলেই তার মাথা কাটা মনে হচ্ছে আপনাদের কাজ। আমরা এর মধ্যে নেই। নিজের উগ্র মনোভাবকে অন্যের ঘাড়ে চাপিয়ে দেয়া অন্যায়।
এস. এম. রায়হান says:
জানুয়ারী 21, 2012 at 9:54 অপরাহ্ন (UTC 6)
@পাঠক,
এখানে পোস্ট দেওয়া হয়েছে নাস্তিকতার পক্ষে লিখিত দলিল-প্রমাণ নিয়ে। অথচ 'নিহিলবাদী' নিকে সেই পোস্টকে ঠেলে ঠেলে ইসলাম ও মুসলিমদের দিকে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। একই কাজ করেছে বিপ্লব পাল নামে তার এক সহোদর।
এই পোস্ট দেওয়া হয়েছে বিবর্তনবাদ তত্ত্ব নিয়ে। এবারো প্রতারণার আশ্রয় নিয়ে এই পোস্টকেও ইসলাম ও মুসলিমদের দিকে ঠেলে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে! কোথায় নাস্তিকতার পক্ষে লিখিত দলিল-প্রমাণ, আর কোথায় বিবর্তনবাদের পক্ষে বৈজ্ঞানিক প্রমাণ! কিছুই নাই। এরা যুক্তি-প্রমাণে পরাজিত হয়েও তা স্বীকার না করে ইসলাম ও মুসলিমদের পেছনে লেগে থাকে। এরাই যখন আবার বিজ্ঞান ও যুক্তির বুলি আউড়ায় তখন হাসি চেপে রাখা মুশকিল হয়ে পড়ে।
সরোয়ার says:
জানুয়ারী 22, 2012 at 12:30 পূর্বাহ্ন (UTC 6)
বিবর্তনবাদী বিজ্ঞানী Robert Wiedersheim ডারউইনের লুপ্তপ্রায় অংগের আইডিয়ার উপর ভিত্তি করে মানবদেহের অপ্রয়োজনীয় (!) বা লুপ্তপ্রায় অংগের একটি বিশাল লিস্ট তৈরী করেন। এই লিস্টে তিনি ৮৬টি অংগকে অপ্রয়োজনীয় বা বিবর্তবাদীয় স্মৃতিচিহৃ হিসেবে ঘোষণা দেন। এখন আপনি মিলিয়ে দেখুন, এগুলো দেহ থেকে বাদ দেয়া যায় কিনা? মনে রাখতে হবে এইসব ডারউইনের সময় সিরিয়াস সায়েন্স হিসেবে গন্য হতো! এসব প্রসংগ উঠালে বিবর্তনবাদীরা লজ্জায় প্রসংগ পাল্টাতে নদীর রচনার নামে গরুর রচনা লিখার মত অবস্থা করে।
Robert Wiedersheim এর বইয়ের পিডিএফ কপি এখান থেকে ডাউনলোড করতে পারেন।
৮৬টি অপ্রয়োজনীয় অঙ্গের লিস্ট-
———————————————-
Os coccygis. Cauda humana.
Superfluous embryonic notochord and associated somites.
Embryonic cervical, lumbar, and sacral ribs.
The thirteenth rib of the adult.
The seventh cervical rib in the adult.
The interarticular cartilage of the sterno-clavicular joint (probable vestige of the episternal apparatus).
Ossa supra-sternalia.
Certain centres of ossification in the manubrium sterni.
The branchial clefts (for the most part) and branchial ridges.
Processus styloideus ossis temporis, and the ligamentum stylo-hyoideum.
Anterior cornua of the hyoid, for the greater part.
Foramen caecum of the tongue.
Processus gracilis of the malleus.
Post-frontal bone (?)
Ossa interparietalia (and ? prseinterparietalia).
Processus paramastoideus of exoccipital.
Torus occipitalis.
Processus frontalis of the temporal.
Processus coracoideus [meta- and epi-coracoid bones].
Os centrale carpi.
Processus supracondyloideus humeri.
Trochanter tertius femoris.
The phalanges of the fifth toe, and less conspicuously of the third and fourth toes.
Muscles of the pinna and the Musculus occipitalis. L
M. transversus nuchae. L. --
Facial muscles transformed into tendinous expansions.
Mm. plantaris and palmaris longus, when completely tendinous.
M. ischio femoralis.
The caudal muscles.
M. epitrochleo-anconseus. -
M. latissimo-condyloideus.
M. transversus thoracis (triangularis sterni).
M. palmaris brevis.
The transition bundles between the trapezius and the sterno- cleido-mastoideus.
M. levator claviculae.
M. rectus thoracis.
M. ere master.
The primitive hairy covering or lanugo.
Vestiges of vibrissae
The vertex coccygeus, the foveola and glabella coccygea.
Certain vortices of hair on the breast.
Nipples in men.
Supernumerary mammary glands in women.
Alleged vestiges of mammary pouches [?]
Supernumerary olfactory ridges.
Jacobson's organ, and ductus naso-palatinus.
Papilla palatina and foliata.
Plica semilunaris of the eye.
Vasa hyaloidse (Cloquet's canal) of the embryo the choroidal fissure.
Lachrymal glands, in part.
The epicanthus.
M. orbitalis.
Certain varieties of the pinna of the ear, i.e. Darwin's tubercle.
The filum terminale of the spinal cord.
Glandula pinealis and parietal organ.
The parieto-occipital fissure of the brain [doubtful].
The obex, ponticulus, ligula, taeniae medullares, and velum medullare anterius and posterius, of the brain.
The hypophysis cerebri (pituitary body).
The dorsal roots and ganglia of the hypoglossus nerve.
The rami recurrentes of certain cranial nerves.
Certain elements of the brachial and lumbo-sacral plexuses.
The coccygeal nerve.
The glandula coccygea.
Palatal ridges.
The sublingua.
The formation of rudimentary dental papillae before the sinking of the dental ridge.
The Wisdom teeth
The occurrence of a third premolar (reversionary).
The occurrence of a fourth molar (reversionary).
The vestiges of a third dentition.
The ciliated epithelium of the embryonic oesophagus.
Bursa sub- and prehyoidea (ductus thyroglossus).
Musculi broncho-oesophagei.
The appendix vermiformis.
Ventricle of the larynx (Morgagni's pouch).
Lobus subpericardiacus of the lung (reversionary).
Certain Valves of the veins.
Certain structures of a vestigial nature in the heart.
Arteria sacralis media.
Arteria ischiadica.
Superficial plantar arterial arch of the foot.
The vena cava superior sinistra.
Venae cardinales posteriores, and ductus Cuvieri.
Vestiges (in the female) of the mesonephric system, and (in the male) of the Mullerian ducts.
Conus inguinalis, and ligamentum inguinale.
The area scroti.
শামস says:
জানুয়ারী 22, 2012 at 7:56 পূর্বাহ্ন (UTC 6)
ডারউইনিয়ান বিবর্তনবাদীরা নাখোশ হইবেক।
নিহিলবাদী says:
জানুয়ারী 23, 2012 at 11:48 অপরাহ্ন (UTC 6)
@ কিংশুক ভাই ব্যাপুক বিনুদুন দিলেন এই ব্লগে আসা সার্থক।পারলে ফতোয়াটা দিয়ে দেখান।২০ বা ২৫ বছর কোন সময় না আগে বহু কিছুই মানুষ দেখেনি তা আজ অসাধ্য নয়।তাই যে কুরআন কিনা সর্বকালের তাতে এই সামান্য প্রশ্নের উত্তর নাই হা হা।আর কাদিয়ানীরা এত পেয়ারের তাদের মসজিদ কেন ভাঙ্গতে যান ও পেয়ারের লক্ষন বুঝি।আর জোকার ভাই যে কাদিয়ানী বইয়ের লেখা কপি পেস্ট করেছেন তা নিচের লিংকেই পাবেন।
http://www.muslim.org/islam/miws/author.htm
অব্শ্য তাতেও কিছু এসে য়ায় না আপনারা নিজেরাই তো জরথুস্থ্রদের কপিপেস্ট হা হা।আর পশ্চিমে কে মুসলমান হল তাতে কি যায় আসে।আগে বিধর্মী হিসাবে মুসলিম মেরেছে।এখন মুসলিম হয়ে কাফের মারবে।আমার প্রশ্নের উত্তর দিতেও কিন্তু বিবর্তনবাদই লেগেছে কুরআন বা হাদীসে তার উত্তর পাওয়া যায় নি।কস্ট করে ইরি ধান বা সংকর গরু দেখে নিন।ভাই আবাল কে বা কারা তা আয়না দেখলেই বুঝবেন।।
এস. এম. রায়হান says:
জানুয়ারী 24, 2012 at 2:40 পূর্বাহ্ন (UTC 6)
ওমা! আপনার প্রিয় মনা ব্লগ থেকে আমরা তো জানতাম ইসলাম হিন্দুইজমের কপিপেস্ট। বিশ্বাস না হলে আপনাদের বিশ্বস্ত মোল্লা কাশেম সাহেবকে জিজ্ঞেস করে দেখুন। অথচ আপনি সদালাপে এসে ইসলামকে জরথুস্থ্রদের কপিপেস্ট বলছেন। হা হা। ক্যামনে কী! আপনি কবে জরোস্ট্রিয়ানিজমে ধর্মান্তরিত হলেন?
এস. এম. রায়হান says:
জানুয়ারী 24, 2012 at 2:57 পূর্বাহ্ন (UTC 6)
আপনার ধর্মে ধূর্তামিটা মনে হয় ভালই শেখানো হয়, কী বলেন। ধূর্তামিতে দুর্বল হলে বিপ্লব পালের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন।
কিংশুক says:
জানুয়ারী 24, 2012 at 12:35 পূর্বাহ্ন (UTC 6)
নিহিলবাদী নামক চরম সাম্প্রদায়িক, ইসলামবিদ্বেষী, বর্ণহিন্দু সুজিত দাসরা (নাস্তিকতার মুখোশধারী) দুইটা পোষ্টের একটাতেও নিজেদের স্বপক্ষে কোন প্রমাণ পেশ করতে পারেনি। মুক্তমনার শিক্ষকরা তাকে চরম সাম্প্রদায়িক, বোধজ্ঞানহীন পশুতে পরিণত করেছে।
কিংশুক says:
জানুয়ারী 24, 2012 at 1:02 পূর্বাহ্ন (UTC 6)
নিহিলবাদী দাদা, চরম বিনুদুন দিলেন। ডারউইনের বিবর্তনবাদের বিষয়ে কোন পোষ্টের বিপক্ষে কিছু বলতে পারলেন না; চরম সাম্প্রদায়িক বর্ণহিন্দুদের মতো ইসলাম, আরব, মুসলমানদের বিষয়ে কোন তথ্যপ্রমাণ ছাড়াই কুৎসা গেয়ে গেলেন। ডা: জাকির নায়েক ডারউইনের বিবর্তন অপ্রমানিত বলেছে আর তাকেই কোরআনে বিবর্তনের পক্ষে বলে ধরা খেলো, হিন্দু বিশেষজ্ঞ প্রফেসর হিন্দু গ্রন্থে হযরত মোহাম্মদ(সা:) এর বিষয়ে লিখেছে তাও স্বীকার করতে রাজি না, তামিলনাড়ুর প্রাক্তন নাস্তিক, তুলনামূলক ধর্মতত্ত্বের গবেষক প্রফেসর ড: প্রিয়দর্শন গবেষণা করে কোরআনকে অবিকৃত হিসাবে আবিষ্কার করে ইসলাম গ্রহণ করলো সে বিষয়ে স্বীকৃতি না দিয়ে খ্রিষ্টান মিশনারীদের কাছ থেকে ধার করা মিথ্যাচার দিয়ে লেখা মুক্তমনাদের লেখাকেই স্বীকৃতি দিলেন। মুক্তমনা ভাইরাস তো আপনাকে বিশ্বসেরা সাম্প্রদায়িক হবার শিক্ষা দিয়ে ফেলেছে। উপযুক্ত শিক্ষকদের উপযুক্ত ছাত্র।
সরোয়ার says:
জানুয়ারী 24, 2012 at 6:55 অপরাহ্ন (UTC 6)
@ কিংশুক,
এইভাবে নিহিলবাদীকে আর লইজ্জা দিয়েন না!
নিহিলবাদী says:
জানুয়ারী 25, 2012 at 7:18 অপরাহ্ন (UTC 6)
@ কিংশুক আপনার চাঁদ বিষয়ক অভিযোগের জবাব
http://en.wikipedia.org/wiki/Moon_landing_conspiracy_theories
http://en.wikipedia.org/wiki/Examination_of_Apollo_Moon_photographs
এম_আহমদ says:
জানুয়ারী 28, 2012 at 4:05 পূর্বাহ্ন (UTC 6)
@নিহিলবাদী,
কোরানের সার্বজনীনতা
এখানে বিষয়টা ছিল ‘বির্বতনবাদ’। আপনি এই প্রসঙ্গে একটা ‘মস্কা’(ঢিল) মারলেন (পয়েন্ট ২)। ঠিকই আছে মারিতেই পারেন। কিন্তু রায়হান সাহেব (২.১) যখন আপনার বক্তব্যকে বিবর্তনবাদী গুরুদের বক্তব্যের মূল আলোচনার দিকে নিতে চাইলেন তখন আপনার কোন গুরু থাকা অস্বীকার করলেন, কিন্তু পরক্ষণে তাকে ‘বান্দরের জগতে স্বাগতম’ জানালেন। এখানে আবার প্রসঙ্গ ছেদ হল। তিনি যখন ‘বান্দরবাদী’ মতবাদে নেই, তখন তাকে বান্দরের জগতে স্বাগতম জানানোর মানিটা কী ছিল? যাক এটাও। [দ্রঃ১]
তারপর গ্রহ থেকে গ্রহান্তরের ভাবী সমস্যা দেখিয়ে ইসলামের সার্বজনীনতার প্রসঙ্গে গেলেন। এখানে বিবর্তনবাদের সাথে কী কোন সম্পর্ক আছে? রায়হান সাহেবের পক্ষ থেকে হয়ত খানিক মুচকি হেসে –এক ডাল থেকে আরেক ডালে যাবার বৈশিষ্ট্য তুলা যেতে পারত। ভাগ্যিস হয়নি।
সার্বজনীনতার বিষয়টি আকাশ মালিক একবার আমার সাথে একদম অপ্রাসঙ্গিকভাবে তুলেছিলেন। আমি তাকে কয়েকটি প্রশ্ন করেছিলাম কিন্তু তিনি আর ফিরে আসেননি।
আপনি যখন সেই প্রসঙ্গটি বিবর্তনবাদের এই ব্লগে উত্থাপন করেছেন, তখন ইচ্ছে হয় যে আপনার সার্বজনীনতার ধারণাটা কী তা দেখি। আপনি যে সব সমস্যা দেখালেন, তাতে সার্বজনীনতা নস্যাৎ হয় কীভাবে তা স্পষ্ট হয়নি। তাছাড়া কিংশুক যে উত্তর দিলেন তার আলোকে আপনার অবস্থানের এদিক-সেদিক হল কী না তাও দেখা গেলনা, অর্থাৎ এই জিজ্ঞাসা close না করে অন্য স্থানে যাওয়া হল। আলোচনা গরম হলে এমনটি সাধারণত হয়। তবে আমরা চেষ্টা করে দেখতে পারি যে এই বিশেষ আলোচনাটি যেন cool থাকে। আমরা জানি, সার্বজনীনতার বিষয়টি এখানে অপ্রাসঙ্গিক, তাই রায়হান সাহেব যদি বাধা না দেন তবে আমরা আলোচনা করতে পারি। অন্যরাও participate করতে পারেন।
____
দ্রঃ [১] [বান্দরবাদী বললাম, এই ধারণাটি আপনি এক কায়দায় ব্যবহার করে ফেলেছেন বলে। আমি বিবর্তনবাদ নিয়ে এখনও কোথায় তেমন কোন মন্তব্য করিনি। বান্দর আমার কাছে কোন হীন প্রাণী নয়। আর যদি আমার জীবদ্দশায় এটা ‘প্রমাণিত ফ্যাক্ট’ হয়ে যায় যে আমরা চিম্পাঞ্জি থেকে এসেছি, তবে তাতে আমার ধর্মও যাবে না। আপাতত এটা থিওরী, যা শুনতে মোটামুটি সুড়সুড়ি জাগায়। আপনিও এটাকে তার factual claim এর উর্ধ্বে উঠে একটা interim explanatory basis হিসেবে দেখছেন। Fine, এতে আপত্তির কিছু নেই। তবে আমাদের আলোচনা কিন্তু বিবর্তনবাদ নয়।]
ফোরকান says:
জানুয়ারী 28, 2012 at 1:32 অপরাহ্ন (UTC 6)
বিবর্তনবাদের উপর যে সিরিজগুলো রয়েছে তা দিয়ে একটি সুসজ্জিত ই-বুক তৈরী করলে খুবই ভাল হত!