«

»

এপ্রিল ২৮

বিজ্ঞান, বিবর্তনবাদ ও নাস্তিকতা

আস্তিকতার মতো নাস্তিকতাও হচ্ছে মূলত একটি ধর্ম-বিশ্বাস। ব্যক্তিগত জীবনে অমায়িক ধার্মিক লোকের সাথে যেমন সাক্ষাত হয়েছে, তেমনিভাবে ভাল মনের ও রুচিশীল নাস্তিকদের সাথেও পরিচয় রয়েছে। ধর্মীয় মৌলবাদীদের সাথে আমরা কম-বেশী পরিচিত। কিন্তু নাস্তিক মৌলবাদীদের সম্পর্কে অনেকের ধারণা তেমন স্বচ্ছ নয়। এই মৌলবাদী নাস্তিক গোষ্ঠী বা ধর্ম-বিদ্বেষী (মূলত ইসলাম) মুক্তমনারা ‘বিজ্ঞান’ ও ‘যুক্তিবাদ’ নিয়ে বেশ মাতামাতি করে।

তাদের এত বিজ্ঞান-প্রীতির কারণে সাধারণ মানুষের মনে ধারণা জন্মাতে পারে যে বেশীরভাগ বিজ্ঞানীরা হয়তবা তাদের ঘরানার নাস্তিক। এই দাবীর ভিত্তি হচ্ছে চার্লস ডারউইনের বিবর্তনবাদ তত্ত্ব। তাদের দৃষ্টিভঙ্গি অনুসারে যারা বিবর্তনবাদে বিশ্বাস করে তারা সবাই নাস্তিক – কখনো তারা আস্তিক হতে পারে না। সম্প্রতি নাস্তিক মৌলবাদীদের গুরু অক্সফোর্ডের বায়োলজির প্রফেসর রিচার্ড ডকিন্স প্রি-স্কুলের পাঁচ বছরের শিশুদেরকেও যাতে বিবর্তনবাদ তত্ত্ব শিখানো হয় এবং তা ক্যারিকুলামের অন্তর্ভূক্ত করার জন্য প্রচার অভিযান শুরু করেছেন!

ডারউইনের বিবর্তনবাদ তত্ত্ব বর্তমান বায়োলজিক্যাল সায়েন্সের অন্যতম বিষয়। তাই ধর্ম-বিদ্বেষী (মূলত ইসলাম) মুক্তমনাদের মতে যারা এ তত্ত্ব নিয়ে কাজ করবে বা বিশ্বাস করবে তারা সবাই এমনি এমনি নাস্তিক হয়ে যাবে! তাদের সংকীর্ণ ভাবধারার একটি নমুনা:

বিবর্তনবাদ তত্ত্ব অনুসারে পৃথিবীতে সমস্ত জীবজগতের আবির্ভাব হয়েছে একটি সরল এককোষী জীব থেকে – যা “সাধারণ পূর্বপুরুষ” নামে পরিচিত। আর এই এককোষী ব্যাক্টেরিয়ার মতো জীবের আবির্ভাব নাকি হয়েছিল কেমিক্যাল বিবর্তন প্রক্রিয়ায়। প্রাকৃতিক নির্বাচনের (যেখানে যারা যোগ্য তারা পরিবেশে উদ্দেশ্যহীনভাবে টিকে থাকে; অন্যদিকে দুর্বল বা অনুপোযুক্তদের বিলুপ্তি হয়) মাধ্যমে কালের প্রক্রিয়ায় (মিলিয়ন বছর টাইম স্কেলে) উদ্দেশ্যহীন ও দৈবক্রমে অজৈব পদার্থ থেকে জীবের মৌলিক উপাদান- ডিএনএ ও প্রোটিন তৈরী হয়। তারপর এগুলো মিলিয়ন-মিলিয়ন বছর ধরে ট্রায়াল-এন্ড-এরর (Trial and error) প্রক্রিয়ায় কোনক্রমে হঠাৎ করে জোড়া-তালি লেগে হয়ে যায় এককোষী ব্যাক্টেরিয়ার মতো জীব বা আমাদের আদি-পিতা! সেই এককোষী জীব থেকে প্রাকৃতিক নির্বাচনের মাধ্যমে উদ্দেশ্যহীনভাবে ও দৈবক্রমে অপরিকল্পিত মিউটেশনের (জীনগত পরিবর্তন) মাধ্যমে ধাপে ধাপে তৈরী হয়েছে পৃথিবীর সমস্ত প্রজাতি। ডারউইনের সময়ে বিজ্ঞানের অগ্রগতি আজকের মতো ছিল না। সে সময় জীবকোষকে অত্যন্ত সরল মনে করা হতো – ডিএনএ আবিষ্কার তো দূরের কথা। তাই বিজ্ঞানী হিসেবে তার তত্ত্বের বৈজ্ঞানিক ভিত্তি হিসেবে ডারউইন বলে গেছেন যে তার তত্ত্ব প্রমাণের জন্য জীব সৃষ্টির পর্যায়ক্রমিক ধাপ বা ট্র্যানজিশনাল স্পিসিজ দেখাতে হবে। প্রায় ১৬০ বছর ধরে এই স্বপ্নের ট্র্যানজিশনাল স্পিসিজের ফসিল সন্ধানে পৃথিবীর যত্রতত্র খোঁড়াখুঁড়ি করা হয়েছে। এ পর্যন্ত কল্পিত “ট্র্যানজিশনাল স্পিসিজ” বা “মিসিং লিঙ্ক” এর টিকিটিরও সন্ধান পাওয়া যায়নি। যুক্তিবাদের খ্যাতিরে বলা যায় এদের সংখ্যা পৃথিবীতে বিদ্যমান প্রজাতির সংখ্যা থেকে অনেক অনেক গুন বেশী থাকার কথা। আর তাই বর্তমানে বিবর্তনবাদীরা ফসিল আলোচনা থেকে বিরত থাকতে আপ্রাণ চেষ্টা করে। আর ব্যাখ্যা হিসেবে দেখায় নিও-ডারউইনিজমকে – বিভিন্ন প্রজাতির মধ্যে জেনেটিক সিকোয়েন্সের মিলের সামঞ্জস্যতাকে (genetic relatedness or homology)।

মিসিং লিঙ্ক বা ট্রাঞ্জিজিশনাল স্পিসিস নিয়ে বিবর্তনবাদীরা বেশ বেকাদায় থাকেন। ‘ Ida’ নামক ফসিল আবিষ্কারের (২০০৯) পর সমস্ত পৃথিবীর মিডিয়া জুড়ে আলোড়ন সৃষ্টি হয়। ইডা আবিষ্কারের পরে এটাকে “Eight Wonder of the World” বা "Our Mona Lisa" বলে ঘোষণা করা হয়। বিবর্তনবাদ মিডিয়াতে জনপ্রিয় করতে Sir David Attenborough এর ভূমিকা অনস্বীকার্য। ইডা আবিষ্কারের পর তিনি অত্যন্ত আবেগ তাড়িত হয়ে বলেন যে, এখন থেকে আর কেউ বলতে পারবে না যে মিসিং লিঙ্ক নেই! আর কেউ যদি প্রমাণ চায় তবে ইডা’কে যেন হাজির করা হয়। এবং সাথে সাথে মিডিয়াতে বলা হলো যে ইডা ফসিল সব ধর্মকে মিথ্যা প্রমাণিত করল (ভিডিও দেখুন)! পরে দেখা গেল ঐটি কোন মিসিং লিঙ্ক নয়, বরং ল্যামুর নামক জন্তু ('Eighth wonder' Ida is not related to humans, claim scientists)। তাহলে এখন ধর্মের কী হবে?

বিজ্ঞান হচ্ছে সদা পরিবর্তনশীল একটি বিষয় - প্রবাহমান নদীর মতো – বিশেষ করে যে সকল বিষয়ে পরীক্ষা-নীরিক্ষালব্ধ উপাত্ত দিয়ে সঠিক বা সার্বিক সিদ্ধান্তে পৌঁছা যায় না। এটাই বিজ্ঞানের আসল সৌন্দর্য। এটা কোন ভাবধারার অন্তর্গত সম্প্রদায়ের (নাস্তিক) সম্পত্তি নয়। বিজ্ঞানের বিকাশে মুসলিম, খ্রীষ্টান, হিন্দু, বৌদ্ধ, ইহুদী, চাইনিজ, আস্তিক, নাস্তিক এবং সমস্ত মানব সভ্যাতার অবদান আছে। যেখানে বিবর্তনবাদ তত্ত্বের-ই সদা বিবর্তন হচ্ছে, সেখানে এই পরিবর্তনশীল মতবাদকে ভিত্তি ধরে বিবর্তন-মৌলবাদী (নাস্তিকেরা) বিজ্ঞানের খোলসে অপরিবর্তনশীল ধর্মকে ভুল প্রমাণে আপ্রাণ চেষ্টা করে। আর এটা করা হয় জনপ্রিয় পাবলিক মিডিয়ার কল্যাণে। বিজ্ঞান ও ধর্মের উদ্দেশ্য ভিন্ন। তাই দুটোকে কখনো একই মাপ-কাঠিতে বিবেচনা করা যায় না – যা কিনা হবে মানুষ ও গাছ-পালাকে একই মানদণ্ডে তুলনা করার সামিল।

অতি সাধারণ অর্থে ‘বিবর্তন’ বলতে বুঝায় সময়ের সাথে সাথে কোন কিছুর পরিবর্তন। এ অর্থে এন্টিবায়োটিক সহনশীলতা (Antibiotic resistance) অথবা ভাইরাসের (যেমন ফ্লু বা এইচআইভি) মিউটেশনকে বিবর্তন (evolution) বলা যায়। কিন্তু এ-ধরণের বিবর্তন দিয়ে ডারউইনিয়ান বিবর্তনবাদকে ফ্যাক্ট বা ধ্রুব-সত্য হিসেবে প্রমাণ করা যায় না। কিন্তু বিবর্তনবাদীরা এ-ধরণের উদাহরণ দিয়েই জনসাধারণকে বিবর্তনবাদ তত্ত্ব সম্পর্কে সম্যক ধরণা দিয়ে থাকে! মজার বিষয় হচ্ছে ডারউইনিয়ান বিবর্তনবাদকে ‘সূর্য উঠা বা অস্ত যাওয়ার মতো সত্য’ প্রমাণে প্রতিনিয়ত চেষ্টা করা হচ্ছে। বিবর্তনবাদকে স্রেফ বিজ্ঞান হিসেবে ধরলে সেখানে প্রশ্ন করার অবকাশ আছে। প্রসঙ্গত, “জড় পদার্থ থেকেই প্রাণের উৎপত্তি” – এ বিশ্বাস প্রায় ২০০০ বছর পর্যন্ত বিজ্ঞানী-মহলে প্রতিষ্ঠিত ছিল। উনবিংশ শতকের শেষের দিকে ডারউইনের “প্রজাতির উৎপত্তি” প্রকাশের পাঁচ বছর পরে বিজ্ঞানী লুই পাস্তুর একটি অতি সাধারণ পরীক্ষার (যা বকনল পরীক্ষা নামে পরিচিত) মাধ্যমে হাজার বছরের বিশ্বাসকে চূর্ণ করে দেন। কিন্তু বিবর্তনবাদ নিয়ে বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিকোণ থেকে প্রশ্ন করলে বিবর্তন মৌলবাদীরা তেলে-বেগুনে জ্বলে ওঠেন। রাগ প্রশমনে সাধারণত তারা প্রশ্নকারীর অজ্ঞতাকে ফুটিয়ে তোলার অপচেষ্টা করেন। তাদের কিছু কমন শব্দগুচ্ছ হচ্ছে-

You are such an ignorant, You don’t know anything about biology, Are all those thousands of famous scientists wrong?

বিবর্তনবাদ যদি বিজ্ঞান-ই হয়ে থাকে তবে তো এত আবেগ-প্রবণ হওয়ার কারণ নেই। তার মানে বিবর্তনবাদ কি নাস্তিকতা নামক ধর্মের ভিত্তি?

বিজ্ঞানকে হাতিয়ার করে বস্তুবাদী (নাস্তিক)/বিবর্তনবাদী ভাবধারা প্রচার ও প্রসারের মূলে রয়েছে মধ্যযুগীয় চার্চ-বাস্তুবাদী আইডিওলজিক্যাল সংঘর্ষ। চার্চের অতিরিক্ত বাড়াবাড়ির কারণে বিজ্ঞান ও মুক্তচিন্তার অগ্রযাত্রা ব্যহত হচ্ছিল। গ্যালিলিওকে তাঁর বৈজ্ঞানিক মতবাদের জন্য শাস্তি দেয়া হয়েছিল। নাস্তিকেরা বিজ্ঞানের নামে শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে গ্যালিলিওর ইস্যুটিকে ব্যবহার করছে নাস্তিকতার ভাবধারা প্রচারে। চার্চ যখন-ই নড়াচড়া শুরু করে, বস্তুবাদীরা গ্যালিলিও – সমতল পৃথিবী – ভূ-কেন্দ্রিক মহাবিশ্ব – ছয় হাজার বছরের পৃথিবী – ইত্যাদি দিয়ে তাদেরকে দাবিয়ে রাখে। যার ফলে সমাজে চার্চের প্রভাব শূন্যের কোঠায়। এজন্য চার্চ বা ক্রিস্টিয়ান ধর্ম তাদের কাছে গৌণ। বস্তুত, ধর্মগুলোর মধ্যে একমাত্র ইসলাম তার স্বকীয়তা বজায় রাখতে পেরেছে।

মজার তথ্য- যে গ্যালিলিওকে নিয়ে নাস্তিকেরা এত ব্যবসা করছে, সেই গ্যালিলিও কিনা গডে বিশ্বাসী রোমান ক্যাথলিক হিসেবে পরিচিত ছিলেন! বিবাহ বহির্ভূতভাবে জন্ম নেওয়া তার দুই কন্যাকে বিয়ে দিতে পারবেন না বিধায় তাদেরকে ধর্মীয় শিক্ষায় অনুপ্রাণিত করেন। পরবর্তীতে মেয়েরা চার্চের পাদ্রী হয়েছিলেন। (সূত্র)

বিবর্তনবাদী/মুক্তমনাদের বর্তমানে অন্যতম টার্গেট হচ্ছে ইসলাম। আশ্চর্যজনক ব্যাপার হচ্ছে গ্যালিলিও বা খ্রীষ্টান ধর্মের ইস্যুকে এখন তারা মুসলিমদের কাঁধে চাপিয়ে দেয়ার চেষ্টা করে। আবার অন্যদিকে সাধারণ মুসলিমদের অজ্ঞতাকে পুঁজি করে বিবর্তন-নামীয় ধর্ম-বিশ্বাসকে বিজ্ঞানের আবরণে ব্যবসা করার খ্যাতিরে কয়েকজন মুসলিম নামধারী আরব বিজ্ঞানীকে বিবর্তনবাদের কর্ণধারও বানিয়ে দেয়; কেননা তারা নাকি ডারউইনের অনেক আগে বিবর্তনবাদ তত্ত্ব দাঁড় করিয়েছিলেন!

ইদানিং রাখ-ঢাক না রেখেই নাস্তিক মৌলবাদীরা তাদের বিবর্তনবাদ নামক ধর্মের প্রচার ও প্রসারের জন্য কোমর বেঁধে নেমেছেন। আর এর নেতৃত্ব দিচ্ছেন অক্সফোর্ডের বায়োলজির প্রফেসর রিচার্ড ডকিন্স। সম্প্রতি তিনি নাস্তিকতার বাস ক্যাম্পেইন শুরু করেছেন – যার একমাত্র ভিত্তি হচ্ছে ডারউইনের বিবর্তনবাদ তত্ত্ব।

বৈজ্ঞানিক প্রেক্ষাপটে বিবর্তনবাদ নিয়ে প্রশ্ন করে এমন অনেক বড় মাপের বিজ্ঞানী রয়েছেন। এই লিঙ্কে বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিভাগের প্রায় নয়’শ বিজ্ঞানীর লিস্ট দেখতে পাবেন যারা ডারউইনের বিবর্তনবাদ তত্ত্বকে প্রশ্নবিদ্ধ করেন। এদের মধ্যে অনেকে খ্যাতনামা বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়োলজির প্রফেসর ও প্রফেসর এমেরিটাস আছেন।

বিবর্তন-মৌলবাদীরা এজন্য তাদেরকে চার্চের মিশনারিজ হিসেবে আখ্যায়িত করে বিশেষ বিনোদন লাভ করেন! এটা একটি অতিপ্রাচীন ও সহজ অস্ত্র। বিবর্তনবাদ-মৌলবাদীদের দৃষ্টিকোণ অনুযায়ী বিবর্তনবাদে অবিশ্বাসী বা সংশয়বাদীরা হচ্ছে গডে বিশ্বাসী আস্তিক! বিজ্ঞানকে তারা নিজেরদের পৈত্রিক সম্পত্তি মনে করেন। এজন্য এরা অনেক সময় এতই আবেগী হয় যে বিবর্তনবাদে প্রশ্নকারী বিজ্ঞানীদেরকে ক্রিমিনাল হিসেবেও গণ্য করে!

কিন্তু তারা ভুলে যান যে বর্তমান সময়ের বিবর্তিত-বিবর্তনবাদ তত্ত্বের (নিও-ডারউইনিজম) ভিত্তি দাঁড়িয়ে আছে ক্যারোলাস লিনিয়াসের (Carolus Linnaeus) জীবজগতের শ্রেণীবিন্যাসের উপর। এই শ্রেণীবিন্যাস করা হয়েছে জীবের বাহ্যিক মিলের ভিত্তিতে। আর তিনি এই যথেষ্ট শ্রমসাধ্য কাজ করেছিলেন গডের মহিমা তুলে ধরার জন্য! (সূত্র)

সারকথা হচ্ছে- বিজ্ঞান ও ধর্ম-বিশ্বাস দুটো ভিন্ন বিষয় যার প্রেক্ষাপটও ভিন্ন। কিন্তু নাস্তিকেরা তাদের ভাবধারা সমাজে আরোপ করতে বিজ্ঞানের মুখোশ ব্যবহার করছেন।

২৪ মন্তব্য

এক লাফে মন্তব্যের ঘরে

  1. ঈশ্বর

    “সারকথা হচ্ছে- বিজ্ঞান ও ধর্ম-বিশ্বাস দুটো ভিন্ন বিষয় যার প্রেক্ষাপটও ভিন্ন।”

    সহমত।

  2. এমিনেম

    ‘সূর্য উঠা বা অস্ত যাওয়ার মতো সত্য’—সূর্যও একদিন ধ্বংস হবে !

  3. ফরিদ আলম

    ধন্যবাদ এত সুন্দর লেখা উপহার দেয়ার জন্য। বিশেষ করে ৯০০ বিজ্ঞানির লিঙ্কটা।

  4. সত্তুক

    ভাইয়া, পড়লাম। খুব সুন্দর বিশ্লেষণ। ধন্যবাদ।

  5. ওমর

    ৯০০ বিজ্ঞানীর লিস্টের জবাব… শুধুমাত্র স্টিভ (স্টিফেন, স্টেফানি ইত্যাদি) নামের ১২০০ বিজ্ঞানীর লিস্ট যারা বিবর্তন বোঝেন এবং তার সত্যতা সম্পর্কে ওয়াকিবহাল… শুমাত্র স্টিভ নামেই ১২০০… খিয়াল কইরা…
    http://ncse.com/taking-action/project-steve

  6. সোহেল আহমেদ

    বিজ্ঞানীর লিস্টটা দেখলাম। আমাদের পরিচিত ক'জনের নাম আছে তাতে?

    আর বিজ্ঞান কখনো সংখ্যার উপর নির্ভর করে না। যদি সংখ্যার উপর নির্ভর করে বিজ্ঞান চলতো, তাহলে নিশ্চিতভাবেই আমাদের বিশ্বাস করতে হতো– "পৃথিবীকে কেন্দ্র করে সৌরজগৎ আবর্তিত হয়" (বাইবেল ও তালমুদ অনুযায়ী) অথবা "দিনশেষে সূর্য্য একটি নোংরা জলায় ডুবে যায়" (কোরান ও হাদিস অনুযায়ী)।

    আরেকটা বিষয় অবশ্যই খেয়াল রাখা উচিৎ, বিজ্ঞানী পরিচয় দিলেই বিজ্ঞানী হয় না। বিজ্ঞানসম্মত উপায়ে বিশ্লেষণ করে সিদ্ধান্ত নেন যিনি একমাত্র তিনিই বিজ্ঞানী। আর বিজ্ঞানসম্মত উপায়ে বিশ্লেষণ করতে গেলে গডেশ্বরাল্লা (গড+ঈশ্বর+আল্লা) বলে কোন কিছু কিংবা আদম-শতরূপার মতো কিছুতে বিশ্বাস রাখা সম্ভব না।

     

    তবে খুব সুন্দর একটা কথা বলেছেন শেষে– “সারকথা হচ্ছে- বিজ্ঞান ও ধর্মবিশ্বাস দুটো ভিন্ন বিষয় যার প্রেক্ষাপটও ভিন্ন।”

    আমরাও চাই মানুষ দুটোকে আলাদা রাখুক; বাস্তবকে বাস্তবতা হিসেবেই গ্রহণ করুক, কল্পনাকে নিক বিছানায় (কিংবা উপাসনালয়ে)। কিন্তু সমস্যা বাধে তখন যখন অবুঝেরা বাস্তবতা আর কল্পনাকে এক করে ফেলে। তাই বাধ্য হয়েই আমাদেরকে নামতে হয় মাঠে, কল্পনাকে দূর করে মানুষকে বাস্তববাদী করতে।

    1. ৬.১
      শাহবাজ নজরুল

      বিজ্ঞানীর লিস্টটা দেখলাম। আমাদের পরিচিত ক'জনের নাম আছে তাতে?

       তারমানে পরিচিত লোক থাকলেই হিসেব পাল্টে যাবে? আজ যদি আপনাদের নামজাদা ডকিন্স কোনো কারণে ঈশ্বরে বিশ্বাস শুরু করে দেন তাহলে কি আপনিও বিশ্বাস শুরু করবেন – নাকি তখন তাকে আবার অবিজ্ঞান মনস্ক বলে ট্যাগ করা শুরু করে দেবেন। নিউটন, আইনষ্টাইন সহ অনেক বড় বিজ্ঞানীরাই তো ঈশ্বরে বিশ্বাস করে গেছেন – তাই বলে কি আমাদের বিশ্বাস করতে হবে যে আপনি ওদের চাইতে বেশি বিজ্ঞান মনস্ক?

       "দিনশেষে সূর্য্য একটি নোংরা জলায় ডুবে যায়" –

      এ প্রসঙ্গে মনে করেন আপনি কক্সবাজার সৈকতে দেখলেন সূর্য অস্ত গেল সাগরে – আর তাই আপনি বললেন – এক্ষেত্রে আপনার বক্তব্য কিভাবে ভুল হলো?

      আরেকটা বিষয় অবশ্যই খেয়াল রাখা উচিৎ, বিজ্ঞানী পরিচয় দিলেই বিজ্ঞানী হয় না। বিজ্ঞানসম্মত উপায়ে বিশ্লেষণ করে সিদ্ধান্ত নেন যিনি একমাত্র তিনিই বিজ্ঞানী।

       মনে করেন কেউ  বিজ্ঞানসম্মত ভাবেই বিশ্লেষণ করে দেখলাম 'ডারউইনের বিবর্তনবাদে' শুভঙ্করের ফাঁকি আছে - আর এটা সবাইকে বোঝানোর চেষ্টা করা হলো। সে কি বিজ্ঞানমনস্ক? নাকি 'ডারউইনের বিবর্তনবাদে' শুভঙ্করের ফাঁকি থাকতেই পারেনা – এমন ঐশিবানিতে বিশ্বাস করাটা বিজ্ঞানমনস্কতা?

       আর বিজ্ঞানসম্মত উপায়ে বিশ্লেষণ করতে গেলে গডেশ্বরাল্লা (গড+ঈশ্বর+আল্লা) বলে কোন কিছু কিংবা আদম-শতরূপার মতো কিছুতে বিশ্বাস রাখা সম্ভব না।

       কেন সম্ভব না? আপনার বিবর্তনবাদ কি প্রজাতির উত্পত্তির রহস্য সন্দেহাতীত ভাবে প্রমান করতে পেরেছে? প্রমান দিন যে 'ক' বিবর্তনের মাধ্যমে 'খ' তে বিবর্তিত হয়েছে। এখন এমন প্রমান যদি না থাকে – তারপরেও বিবর্তন বাদকে সূর্য ওঠার মত সত্য বলে প্রচার করাটা কি বিজ্ঞানমনস্কতা?

       তবে খুব সুন্দর একটা কথা বলেছেন শেষে– “সারকথা হচ্ছে- বিজ্ঞান ও ধর্মবিশ্বাস দুটো ভিন্ন বিষয় যার প্রেক্ষাপটও ভিন্ন।” আমরাও চাই মানুষ দুটোকে আলাদা রাখুক; বাস্তবকে বাস্তবতা হিসেবেই গ্রহণ করুক, কল্পনাকে নিক বিছানায় (কিংবা উপাসনালয়ে)। কিন্তু সমস্যা বাধে তখন যখন অবুঝেরা বাস্তবতা আর কল্পনাকে এক করে ফেলে। তাই বাধ্য হয়েই আমাদেরকে নামতে হয় মাঠে, কল্পনাকে দূর করে মানুষকে বাস্তববাদী করতে।

      এই তত্ত্ব আপনারা না বরং আমরা ফলো  করি। আমরা কখনো বলিনি যে কোরান বিজ্ঞানের গ্রন্থ। বলি যে এটা যেহেতু আল্লাহ সুবহানা তায়ালা থেকে আসা তাই এতে কোনো বৈজ্ঞানিক ভ্রম থাকতে পারেনা। পক্ষান্তরে আপনারা যারা বিবর্তন বাদের উপর কোনো আলোচনাতে অংশ গ্রহণ করতে ভয় পান – আর যারা বিবর্তনের উপর বিজ্ঞানী পন্থায় এগিয়েই সন্দেহ প্রকাশ করেন; তাদের অবিজ্ঞান মনস্ক বলে ট্যাগিং করে দেন – বলে দেন বিবর্তন বাদ নিয়ে কোনো প্রশ্ন তোলা যাবেনা – আর সর্বপরি তালগাছবাদী এই ডগম্যাটিক বিশ্বাসকেই বিজ্ঞানমনস্কতা বলে উল্লেখ করেন – তাহলে কি আর করা? তবে মনে রাখবেন আমজনতা কিন্তু ঘাস খাওয়া ছাগল নয়।

      1. ৬.১.১
        কিংশুক

        ভাই খুব সুন্দর জবাব দিয়েছেন। কিন্তু যারা নিজেদের মাথা না খাটিয়ে বিদেশী গুরুদের মুখস্ত মন্ত্র জপে যায়, যাদের অন্তর রোগগ্রস্থ আল  কোরআন তাদের কোন হেদায়েত দেয়না বরং রোগ আরো বাড়িয়ে দেয়। আল্লাহ তায়ালার ঘোষনা ধ্রুবসত্য।

    2. ৬.২
      শামস

       "দিনশেষে সূর্য্য একটি নোংরা জলায় ডুবে যায়" –

      আপনি নিজে প্যাজগীর মধ্যে আছেন, এখানেও তা করার চেষ্টা করছেন। কিছু জিনিষ ক্লিয়ার করা দরকারঃ

      ১. আচ্ছা- "The Sun Rises in the East and Sets in the West"- এখানে সূর্যের উঠা ও অস্ত যাওয়াটা কি ঠিক?

       

      ২. দিনের ২৪ ঘন্টার মধ্যে প্রায় অর্ধেক দিন আর অর্ধেক রাত। এই ২৪ ঘন্টায় একদিন বলা কি ঠিক? তা আপনি কি এই ২৪ ঘন্টাকে ১ দিন বলেন না ১ দিন-রাত বলেন?

      উত্তর দিবেন আশা করি।

      ধন্যবাদ।

       

      1. ৬.২.১
        Raihan Rahman

        অস্তাচলের সুর্যকে নিয়ে আল কোরানের এত হালকা বাতচিত সত্যিই উপভোগ করার মত @ জনাব সামস………………………..আল কোরান নাজিল হওয়ার আগে মানুষ কি কখনো সুর্যদয়-সুর্যাস্ত দেখেনি???

        1. ৬.২.১.১
          শামস

          তা কোরানে কি লিখলে আপনার কাছে 'ভারী' মনে হতো?

          আল কোরান নাজিল হবার আগে মানুষ সূর্যোদয়-সূর্যাস্ত দেখে আসছে বলেইতো যদি ধরে নেই কোরানে তাদের বুঝার সুবিধার্থে তাদের মতো করে বর্ণনা করছে তাহলে কি সেটা যৌক্তিক নাকি অযৌক্তিক?

           

          1. Raihan Rahman

            আল কোরানের অশেষ মেহেরবানি- মেঘনা নদীর মাঝিকে নতুন করে সুর্যাস্ত বুঝার সহজ তরিকা বাতলে দিল আর কি!!!!! @ সামস…………………. 

    3. ৬.৩
      Raihan Rahman

      "এ প্রসঙ্গে মনে করেন আপনি কক্সবাজার সৈকতে দেখলেন সূর্য অস্ত গেল সাগরে – আর তাই আপনি বললেন – এক্ষেত্রে আপনার বক্তব্য কিভাবে ভুল হলো?"

      @ শাহবাজ নজরুল- জীঁ, ভাই- যুলকার নাইমকে প্রেমিকার সাথে সুর্যাস্ত দেখানোর জন্যই আল্লাহ পাঠিয়ে ছিলেন! যে কারনে বৈ-অজ্ঞানিক আল কোরানের সুর্যাস্ত বর্ননায় এই কাব্যিক ভাবসাব।  এর আগে মানুষ কখনো সমুদ্রে সুর্যাস্ত দেখে নাই। তাই???

      1. ৬.৩.১
        শাহবাজ নজরুল

        হ আম জনতার বোঝার জন্যেই কোরান – মেঘনা নদীর মাঝি সহ। আর মেঘনা ঘাটের মাঝি সহ হগ্গলে কোরান বোঝেও – আফনের মত পান্ডু রুগীরা ছাড়া। কাহফের বর্ণনায় পূর্ব পশ্চিমে যুলকারনাইন গেছে। আর পশ্চিমে সে কতদূর গেছে তা বোঝানোর জন্যে সেই অঞ্চলের বর্ণনায় আসছে যে – সে কর্দমাক্ত অঞ্চলে সূর্যকে অস্ত যেতে দেখল। শব্দখানা তাগ্রুবু , এর মানে অস্ত যাওয়া – ডুইব্বা কাদার তলায় হান্দায়া যাওয়া না। ডুইব্বা হান্দাইয়া যাওনের অনেক সরাসরি আরবি শব্দ আছে – যেমন ঘুরুক, ঘাছ, ঘুওর ইত্যাদি। দুনিয়ার হগ্গল ভাষাতেই অস্ত যাওন আর ডুইব্বা হান্দাইয়া যাওনের জন্যে আলাদা শব্দ আছে। আর মেঘনা ঘাটের মাঝিরা তা বোঝে। তবে মুকে বিজ্ঞানের ফেনা তোলা অতি বৈ-অগ্গানিক আদমিরা অস্ত যাওনরে জোর কইরা টাইন্না হেচ্রাইয়া কাদা জলে ডুবাইয়া দেয় – আর বে-আক্কেলের মত হাসে।

        আইচ্ছা আফনে কি ছোডকালে নদীর রচনা আইলে গরুরে নদিত ফালাইয়া গরুর রচনা লিখতেন?

        1. ৬.৩.১.১
          Raihan Rahman

          আরবী ভাষার ধানাইপানাই-ধাপ্পাবাজি দিয়ে আল কোরানের বৈ-অজ্ঞান প্রমান করার অসহায় প্রচেষ্টা, চালিয়ে যান @ শাহবাজ নজরুল

          1. Raihan Rahman

            হ, ঠিক কইসেন! কোরান পয়দা হওয়ার আগে আম জনতা কখনো সুর্যাস্ত দেখে নাই- সে জন্যি আল কোরানে সুর্য বিষয়ক ইসকুল খুলছেন।

          2. কিংশুক

            কোরআন আরবী ভাষায় রচিত। আরবী ভাষার ব্যাকরন ইত্যাদি ধানাই পানাই ব্যতীত কোরআন কিভাবে বুজবেন? কোরআনের ব্যাকরনিক, শাব্দিক ইত্যাদি অলৌকিকত্ব ছাড়াও সংখ্যাতাত্ত্বিক এত বেশী আশ্চর্যজনক অলৌকিকত্ব আছে যা জানলে আরবী ভাষায় বিশেষ জ্ঞান ছাড়াও কোরআনের অনন্যতা বুজতে পারবেন।

          3. কিংশুক

            কোরআনের তো অবশ্যই এমনকি হাদিস শরীফে করা প্রায় সব ঐতিহাসিক ভবিষতবাণীও সত্য হয়েছে বাকীগুলোও ভবিষ্যতে পূরন হবে ইনশাল্লাহ। কোরআনের অলৌকিকত্ব নিয়ে হাজার হাজার সাইট রয়েছে।  যেমন: http://www.answering-christianity.com/ac20.htm

            http://www.answering-christianity.com/fakir60/fakir60.htm

            http://www.miraclesofthequran.com/mathematical_index.html

             

          4. শাহবাজ নজরুল

            আয়াতের ব্যাখ্যা নিয়ে যখন সমস্যা তাই আমি গেলাম মূল আরবি শব্দে – আর আপনি জোর করে অস্ত যাওয়াকে টেনে হিচড়ে কাদার নিচে হান্দাইয়া দিলেন – আর বলেন ধানাই পানাই আমি করছি? আর কথায়/যুক্তিতে যখন পেরে উঠেন না তখন সেই পুরনো ভাঙ্গা রেকর্ডটা চালিয়ে দেন, তাই না। ভাইজানের কি পুরান রেকর্ড বিক্রি করার ব্যবসা আছে?

    4. ৬.৪
      মাহফুজ

      "দিনশেষে সূর্য্য একটি নোংরা জলায় ডুবে যায়" (কোরান ও হাদিস অনুযায়ী)!!!???

      এখানে দেখুন-
      08) Answer to an oblique hint of an ayat (Al-Quran-18:86)/ পবিত্র কোরআনের ১৮:৮৬ নং আয়াত সম্পর্কে কটাক্ষের প্রত্যুত্তর:-

  7. শামস

    আল কোরানের অশেষ মেহেরবানি- মেঘনা নদীর মাঝিকে নতুন করে সুর্যাস্ত বুঝার সহজ তরিকা বাতলে দিল আর কি!!!!! @ সামস…………………. 

    এখাণে নতুন করে বুঝানোর কি আসলো, আগেইতো আলোচনা হয়েছে। 

    এক কথা বারবার রিপিট করছেন কেন, ভালো লক্ষণ না, ডাক্তারী ভাষায় সমস্যাটার নাম  'OCD (Obsessive Compulsive Disorder'

    1. ৭.১
      Raihan Rahman

      ঝারফুক, পনিপড়া আর আল কোরানিক সেফা চিকিৎসা শাস্ত্রে আপনার জ্ঞান আছে বটেই………………………………

    2. ৭.২
      এম_আহমদ

      ভাই, মূর্খের অবস্থাটা এই যে কোন্‌ narrative কোন্‌ অর্থ প্রকাশ করছে এবং narrative within narrative এ subject কে, predicate কি, কোন্‌ প্রসঙ্গ কোন্‌ narrative বা sub-narrative কোন্‌ অর্থ বহন করছে এবং কোন্‌ বক্তব্যকে কেন্দ্র করে ধর্মীয় ধারণা ও শিক্ষার স্থান পরিবাহিত হচ্ছে, সেই বস্তু বুঝার যোগ্যতা না থাকায় তার নিজ মুর্খামিকে জ্ঞান মনে করে নিজেকে “বিজ্ঞানী” ভাবছে, ‘যুক্তিবাদী-মুক্তমনা’ ভাবছে, ooppps, প্রস্রাবে ভেসে যাওয়া ক্ষুদ্র পাতায় উপবিষ্ট একটি কীট নিজেকে সমুদ্রের নাবিক ভাবছে। কীটের কাছে যেন কোরান সূর্যোদয় দেখিয়ে দিচ্ছে, সূর্যোদয় শেখাচ্ছে (!); এই কীটের quotation ব্যতীত পড়াশুনা নেই, আবার সে নির্লজ্জ। কার দায় ঠেকেছে তার প্রত্যেক ধারণা সংশোধন করবে? কোরানের আগে মানুষ কী সূর্যোদয় দেখেনি? কোরান কি সূর্যোদয় দেখাচ্ছে? কীযে মূর্খ! তাদের নিজেদের মধ্যে যখন কোরান নিয়ে আলোচনা করে, তখন তাদের প্রশ্ন, quotation, গাছে আর মাছে কথা, লম্ফ-ঝম্প, কোরানের ‘ভুল’ পাওয়া –এসব দৃশ্য, সেকি বিনোদন!

  8. সরোয়ার

    যে সমস্ত কট্রর নাস্তিক/ বিবর্তনবাদী  জীবনের শেষ বয়সে তাদের লালায়িত বিবর্তনবাদের ভিত্তিকেই প্রশ্ন করেছেন তারা তাদের পুরনো বন্ধুদের দ্বারাই অবিজ্ঞানী বা অদার্শনিক খেতাব পেয়েছেন!  এদের অন্যতম হচ্ছে এন্থনি ফ্লু যিনি সম্প্রতি  মারা গেছেন!  

    Anthony Flew, যিনি জীবনের বেশিরভাগ সময় ব্যয় করেছেন গডের অনস্তিত্ব প্রমাণে, যার অন্যতম ভিত্তি ছিল বিবর্তনবাদ। তিনি ছিলেন Evolutionary ethics, Atheistic humanism এর স্পিরিচুয়াল গুরু; নাস্তিক মৌলবাদীদের অশ্রুজলে ভাসিয়ে শেষ বয়সে তার বোধদয় ঘটে যা কিনা তিনি ঘোষণা করেছেন এই বই প্রকাশ করে, “There is a God: How the World's Most Notorious Atheist Changed His Mind.” (2007)।

    নাস্তিকতা প্রসারে এন্থনি ফ্লু রচিত কিছু বিখ্যাত বই-   

    • Hume's Philosophy of Belief (1961) 

    • God and Philosophy (1966) 

    • Evolutionary Ethics (1967) 

    • Crime or Disease (1973) 

    • Darwinian Evolution (1984) 

    • The Presumption of Atheism (1976). reprinted as God,

    • Freedom and Immortality: A Critical Analysis. (1984) 

    • God: A Critical Inquiry (1986) – reprint of God and Philosophy (1966) with new introduction 

    • David Hume: Philosopher of Moral Science (1986) Oxford: Basil Blackwell. 

    • Does God Exist?: A Believer and an Atheist Debate (1991) with Terry L. Miethe 

    • Atheistic Humanism (1993) 

    • Does God Exist: The Craig-Flew Debate (2003) with William Lane Craig 

    • There is a God: How the World's Most Notorious Atheist Changed His Mind (2007)    

    http://www.youtube.com/watch?v=fbyTwmaJArU

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।