Tag Archive: কোরআন

এপ্রিল ১৪

ইসলামের ভিত্তি, মূলমন্ত্র

সৃষ্টির শুরু থেকেই দীনুল হকের ভিত্তি হচ্ছে তওহীদ অর্থাৎ লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহ এই কলেমাটি, এ নিয়ে কারো কোন দ্বিমত নেই। তওহীদ ব্যতীত কোন ইসলামই হতে পারে না, তওহীদই ইসলামের প্রধান গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। দুর্ভাগ্যের বিষয় হচ্ছে, বর্তমানে তওহীদ সম্পর্কে যে ধারণা করা হয় (আকীদা) তা ভুল। বর্তমানের মুসলিমদের কাছে তওহীদ মানে আল্লাহর একত্ববাদে বিশ্বাস করা এবং তাঁর ইবাদত …

বিস্তারিত

মার্চ ০৫

কেন কোরআনের মতো একটি গ্রন্থ মানুষের পক্ষে রচনা করা সম্ভব নয় (পর্ব-২)

এই বিংশ শতাব্দীতে কোরআন যে আল্লাহর বাণী সেটা দাবি করতে চাইলে, এমন কোন প্রমাণ পত্র থাকতে হবে যেটি নিশ্চিত ভাবে প্রমাণ করবে পবিত্র কোরআন আদৌ কোন মানুষের পক্ষে রচনা করা সম্বব নয়। পবিত্র কোরআনের সূরাগুলোর অসাধারন গাণিতিক বিন্যাস অত্যন্ত পরিষ্কার ভাবে প্রমাণ করছে যে , এই গ্রন্থটি মহা বুদ্ধিমান একজন ঈশ্বরের পক্ষ থেকে প্রেরিত এবং এটি …

বিস্তারিত

এপ্রিল ০৮

কোরআন ও বিজ্ঞান নিয়ে বিভ্রান্তি-৫

[পর্ব-১|পর্ব-২|পর্ব-৩|পর্ব-৪] ইতোমধ্যে এই লেখাতে সুস্পষ্ট যুক্তি দিয়ে দেখিয়ে দেওয়া হয়েছে যে, কোরআনের আলোকে পৃথিবী আসলে বর্তুলাকার ও ঘূর্ণায়মান, সমতল ও স্থির নয়। কোরআনের আলোকে পৃথিবী যদি সত্যি সত্যি সমতল ও স্থির হতো তাহলে ছদ্মনামে ও প্রতারণার আশ্রয় নিয়ে বছরের পর বছর ধরে একই বিষয় বারংবার বুঝানোর দরকার পড়তো না নিশ্চয়। একবার ঠিকমতো বুঝালেই সবাই বুঝে যেত। …

বিস্তারিত

মার্চ ১৭

ইসলাম ও কোরআনে বিশ্বাসের ভিত্তি

প্রত্যেক ধর্মে বিশ্বাসীরাই যেহেতু এই মহাবিশ্বের স্রষ্টায় বিশ্বাস করে সেহেতু “স্রষ্টা আছে” ধরে নিয়ে যৌক্তিক ও নিরপেক্ষ দৃষ্টিকোণ থেকে এই লেখাটিকে বিচার-বিবেচনা করতে হবে। একটি গ্রন্থ এই মহাবিশ্বের স্রষ্টার বাণী কি-না – সেটা যাচাই করার আগে নিদেনপক্ষে নিম্নের দুটি শর্ত পূরণ করতেই হবে: শর্ত-১: গ্রন্থটিকে স্রষ্টার বাণী বলে দাবি করতে হবে। অর্থাৎ গ্রন্থটি যে স্রষ্টার বাণী – সেটা …

বিস্তারিত

ডিসে. ১৭

কোরআন ও বিজ্ঞান নিয়ে বিভ্রান্তি-৪

প্রাকৃতিক মহাবিশ্বের সৃষ্টি ও ধ্বংস তত্ত্ব: কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে বিজ্ঞানীরা মোটামুটি নিশ্চিত যে, এই প্রাকৃতিক মহাবিশ্বের একটা শুরু আছে। তাঁরা আরো নিশ্চিত যে, এই মহাবিশ্ব সম্প্রসারণ করছে। বিষয় দুটি আসলে পরস্পর সম্পর্কযুক্ত – সম্প্রসারণ করছে বলেই শুরু আছে। অর্থাৎ এমন একটা সময় ছিল যখন এই মহাবিশ্ব বর্তমান অবস্থায় ছিল না। মহাবিশ্বের শুরুর মুহূর্তকে বিজ্ঞানীরা ‘বিগ ব্যাং’ …

বিস্তারিত

ডিসে. ১৫

কোরআন ও বিজ্ঞান নিয়ে বিভ্রান্তি-৩

আত্মা: প্রথমত, ‘আত্মা’ বা ‘সোল’ বলে কোনো শব্দ বৈজ্ঞানিক জার্নালে খুঁজে পাওয়া যাবে না। দ্বিতীয়ত, আত্মাকে যেহেতু ধরা, ছোঁয়া, বা দেখা যায় না সেহেতু এটিকে বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিকোণ থেকে সংজ্ঞায়িত করাও সম্ভব নয়। ফলে ‘আত্মা’ বিষয়টি বিজ্ঞানের আওতাভুক্ত নয়। এর পরও যারা বিজ্ঞানের নামে আত্মার 'অনস্তিত্ব' প্রমাণ করার দাবি করছে তারা ছদ্মবিজ্ঞানী। জীবিত ও মৃত মানুষের মধ্যে …

বিস্তারিত

ডিসে. ১১

কোরআন ও বিজ্ঞান নিয়ে বিভ্রান্তি-২

ধর্মগ্রন্থ ও বিজ্ঞানের গ্রন্থের মধ্যে পার্থক্য: ধর্মগ্রন্থের মূল লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য হচ্ছে আত্মশুদ্ধি ও সমাজ সংস্কার, বিজ্ঞান শেখানো নয়। সেখানে পার্থিব-অপার্থিব অনেক বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। অন্যদিকে বিজ্ঞানের গ্রন্থের একমাত্র লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য হচ্ছে বিজ্ঞান শেখানো, আত্মশুদ্ধি বা সমাজ সংস্কার নয়। যেমন, প্রত্যেকটি ধর্মগ্রন্থে কিছু উপদেশ বাণী আছে। কিন্তু সেই বাণীগুলোর স্বপক্ষে পরীক্ষামূলক উপাত্ত-সহ …

বিস্তারিত

ডিসে. ০৫

কোরআন ও বিজ্ঞান নিয়ে বিভ্রান্তি-১

বিষয়টা শুরুর আগে কিছু ব্যাকগ্রাউন্ড জেনে নিলে বুঝতে সুবিধা হবে। কোরআনে বৈজ্ঞানিক তথ্য খোঁজাখুজি শুরুর আগে থেকেই অন্যান্য ধর্মাবলম্বীরা তাদের ধর্মগ্রন্থে বৈজ্ঞানিক তথ্য আছে বলে দাবি করে আসছে। মুসলিমরা কখনোই তাদেরকে ছদ্মবিজ্ঞানী, অসৎ, মিথ্যাবাদী, ইত্যাদি বলে অপপ্রচার চালায়নি কিংবা বিজ্ঞানের ইজারাদার সেজে তাদের উপর হামলেও পড়েনি। এমনকি নাস্তিকদেরকেও এমন কিছু করতে দেখা যায়নি। কিন্তু মুসলিমরা কোরআনে …

বিস্তারিত

ডিসে. ০২

কোরআনের আলোকে নারী: সঠিক অবস্থান ও অভিযোগের জবাব

ইসলামে নারীদের মর্যাদা ও অধিকার নিয়ে বিশ্বব্যাপী এমনভাবে অপপ্রচার চালানো হয়েছে যেন সবগুলো ধর্মের মধ্যে ইসলামেই নারীদেরকে সবচেয়ে বেশী অবমাননা করা হয়েছে এবং সবচেয়ে কম অধিকার দেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে অনেকেই এই অপপ্রচারকে বিশ্বাসও করা শুরু করেছে। অথচ বাস্তবতা কিন্তু ঠিক তার বিপরীত। প্রকৃতপক্ষে, কোরআনে নারীদের নিয়ে আলাদাভাবে আলোচনা করতে যাওয়া মানে তাদেরকে বরং হেয় করা। কেননা …

বিস্তারিত

নভে. ২২

কোরআনের বিরুদ্ধে বহুল প্রচলিত পঁচিশটি অভিযোগ খণ্ডন

সত্যকে সত্য আর মিথ্যাকে মিথা বলার মধ্যে লজ্জা-শরমের কিছু নেই। তবে এমন কিছু বলতে হলে যুক্তি ও মনোবল সহকারে বলতে হবে। শুধু শুধু জঙ্গলের আশেপাশে পিটিয়ে কোনো লাভ হবে না। আরো উল্লেখ্য যে, একটি আয়াত দিয়ে কোরআনের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগকে যদি প্রমাণ করা না যায় তাহলে কিন্তু সম্পূর্ণ কোরআন দিয়েও তা প্রমাণ করা সম্ভব নয়। …

বিস্তারিত