«

»

মে ০২

সময়ের এক ফোঁড় – অসময়ের দশ ফোঁড়

যখন টিকাটুলীর পীরকে হত্যা করা হলো – তার ভক্তরা বিচার চাইলো – সবাই অবজ্ঞা করলো এই বলে যে – পীর মরেছে তো কি হয়েছে – পীররা তো খারাপই!

যখন মাওলানা ফারুকীকে হত্যা করা হলো – তখন তার ভক্তরা হৈ চৈ করলো – হরতাল করলো – আর সবাই দুরে দাড়িয়ে থাকলো – কারন এইটা হুজুরদের নিজেদের সমস্যা।

যখন অভিজিৎকে হত্যা করা হলো – তখন নাস্তিকরা হৈ চৈ করলো – শাহবাগে আন্দোলন হলো – বাকীরা দুর থেকে দেখলো – বললো – ওতো নাস্তিক – ও ইসলাম বিরোধী – আমরা কি করবো।

একের পর এক হত্যা চলছে – কেউ কথা বলছে – কেউ বিচার চাইছে – কিন্তু বেশীর ভাগ মানুষই নিজেদের দুরে রাখছে এ্‌ই ঘটনা থেকে।

অধ্যাপক খুন হলো – শিক্ষকরা আন্দোলন করছে – বাকীরা দুরে থেকে দেখছে।

কিন্তু দর্জি খুন হলো – দর্জিদের যেহেতু কোন সংঘ নেই – এমনকি হিন্দু বৌদ্ধ খৃষ্টানদের মাইনরিটি গ্রুপের যে সংগঠন আছে – তারাও সম্পত্তি বিষয়ক আলোচনায় ব্যস্ত – সুতরাং তার জন্যে কথা বলার কেউই থাকলো না।

এক সময় আসবে – ওদের থাবা আরো প্রসারিত হবে – গুটি কয়েক খুনীদের হাতে সন্ত্রস্থ হয়ে যাবে ১৬ কোটি মানুষ – মা ছেলেকে বলবে – বাবা, রাতে বাইরে থেকো না – মেয়েদের বলবে – বাইরে যেও না – তখন ওদের প্রভুরা তখন সরকার ব্যর্থ বলে নিজেরাই এই জঙ্গী দমনের নামে বাংলাদেশে আসবে – তারা তাদের স্বার্থ অনুসারে কাজগুলো করবো – তখন পুনপৌনিক ভাবে খুনী তৈরী হবে – তখন আর আন্দোলন করার মতোই মানুষ পাওয়া যাবে না।

মনে রাখা দরকার আমেরিকা ৭১ এর পরাজয়ের প্রতিশোধ নিয়ে ৭৫ এর হত্যাকান্ডের মাধ্যমে – তারপর দীর্ঘ ত্রিশ বছর এই দেশে অঘোষিত গভর্নর জেনারেল নিয়োগ দিয়েছে রাষ্ট্রদূতের নামে – যেখান ডাক-বাম-মুক্তিযোদ্ধা-রাজাকার সবাই একটু হাজিরা দিতে পারলেই ধন্য মনে করতো – যে দুতাবাসে বাঘ-মহিষ এক কাতারে বসে ডিনার করতো। সেই পরাক্রমশালী আমেরিকাকে উপেক্ষা করে বর্তমান সরকার পদ্মা সেতু বানাচ্ছে, ইউনুসকে পদচুত্য করেছে – কাদের মোল্লাদের ফাঁসী দিয়েছে। বিষয়টা মাথায় রাখা দরকার – আমেরিকার পররাষ্ট্রনীতি খুবই ব্রুটাল – এরা তাদের টার্গেটে যেতে সব ধরনের কাজই করবে। মজার বিষয় হলো এককালে চরম বাম – হালে আধুনা বাম আর নাস্তিক নামধারী ইসলাম বিদ্বেষীরা আমেরিকার মিত্র হয়ে ছোট ছোট ঘটনাগুলোকেও বড় করে প্রচার করে বাংলাদেশের মানুষদের ভীত করে তুলছে – অবস্থা দেখে ধারনা করা যায় যে – এইগুলো বড় পরিকল্পনার অংশ বটে- এবং গুপ্তহত্যাকারীরাও যে আমেরিকার ছত্রছায়ায় কাজ করছে তার প্রমান হলো সাইট নামক এনজিও -যারা ইন্টারনেট থেকে আইএস নামে প্রচারিত বিবৃতিগুলো প্রকাশ করে বৈধতা দিচ্ছে – যেই সকল ওয়েব পেউজগুলো সবই আমেরিকায় রেজিষ্ট্রি করা। আমেরিকার নজরদারী থেকে বিশ্বের কেউই বাহিরে না। কিন্তু আইএস এর কথিত ওয়েবসাইটগুলো কিভাবে এর বাইরে থাকে সেই প্রশ্ন করা কি ভুল হবে। 

এখন বাংলাদেশে মানুষদের ধৈর্য্য ধরে পরিস্থিতি মোকাবেলা করা উচিত – আর 

১) রাজনৈতিকদলগুলো উচিত এর হত্যাগুলো থেকে রাজনৈতিক ফায়দা লুটার চেষ্টা না করে আন্তরিকভাবে এর বিরুদ্ধে দাড়ানো;

২) যে সকল ইসলামিক নেতা বুঝে না বুঝে "নাস্তিক হত্যা ওয়াজেব" বলে ফতোয়া দিচ্ছেন – তাদের এই ঘটনা দায়ও কিন্তু কম নয় – তাদের এই কাজ থেকে শুধু বিরত নয় – গুপ্তহত্যাকে নিন্দা জানানো উচিত। 

৩) বাম-নাস্তিকরা যারা সাময়িক লাভের আশায় আগুনে ঘি ঢালার মহান দায়িত্ব নিয়েছেন – তাদের দীর্ঘমেয়াদী ফলাফলের বিবেচনায় আপাতত এই কাজ থেকে বিরত থাকা উচিত।

৪) সর্বোপরি – আইন শৃংখলা রক্ষা বাহিনীর উচিত সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার ভিত্তিতে এই গুপ্তহত্যাচক্রকে খুঁজে বের করে তা ধ্বংস করা এবং অপরাধীদের আইনের আওতায় আনা।

শেষ কথা হলো সময়ের এক ফোঁড় – অসময়ের দশ ফোঁড় – এ্‌ই প্রবাদ বাক্যটা সবার মনে রাখা।

২৫ মন্তব্য

এক লাফে মন্তব্যের ঘরে

  1. Abu Saif

    আসসালাম….. 

    যে দেশের শাসকগোষ্ঠী পরিবারতান্ত্রিক, বিচারব্যবস্থা ন্যায়ভ্রষ্ট, পন্ডিতশ্রেণীর  ন্যায়নীতির মানদন্ড  ব্যক্তি/শ্রেণীভেদে পরিবর্তনশীল এবং জনসাধারণ আত্মচিন্তাক্লিষ্ট সে দেশের জিল্লতি তো অবধারিত- যদি কোন একটিতে কার্যকর পরিবর্তন না হয়!!

  2. মোঃ তাজুল ইসলাম

    জিয়া ভাই, সদালাপে আমরা মত বিনিময় করে অনেক কিছুই শিখতে ও জানতে পারি। আমরা সকলেরই ভিন্ন মত থাকা স্বাভাভিক। আমার কমেন্টে আপনি যদি আহত হন, তাহলে ক্ষমা করে দিবেন।

    জানার জন্য: আপনি যে ৪-টি পয়েন্ট দিলেন, কি উপকার হবে, দেশ ও সমাজের? এইসব উপদেশবানী তো সকলেই জানে। মীর জাফর-কে বলতেছেন, মীরজাফরী কইর না।  মহি ভায়ের লিখায় বলেছিলাম ডাবল রাজাকারীর কথা।   আপনি রাজাকারের সংায় বলেছেন রাজাকার-রা মা-বোনদের ইজ্জত পাকিদের বিলিয়েছে, কিন্তু আপনারা  নীজ ও নীজ পরিবার-কে সুরক্ষা দিতে যে ভাবে দেশ থেকে পালাইছেন, আমি বলি রাজাকারেরা সাময়িক সময়ের জন্য মা-বোনদের বিলাইছে কিন্তু আপনারা সারাজীবনের জন্য শুধু মা-বোনদের না, পুরা দেশ ও জাতিকে রাজনীতিবিদদের কাছে বিলিয়েদিয়েছেন সব দিক থেকে। খাটি মীরজাফরের জমানা চলতেছে ৯০-র গন আন্দোলনের পর থেকে (৯০-র পুর্বের  জ্ঞ্যান আমার নেই)। যেই সকল মেধাধারীরা দেশের এই শোচনীয় অবস্থায় হাল ধরবে, তারা নীজ নীজ ধান্ধাবাজীতে দেশ ছেড়ে পালানোতে ব্যস্ত। বিশ্বের সবচেয়ে বড় বড় চোর-ডাকাত তৈরী করে এখন BUET. মুক্তমনার প্রতিষ্ঠাতা ইসলামের বিরুদ্ধে লিখে যে ভাবে উল্লাস করত, আপনিও নীজকে সুরক্ষা করে দেশের জন্য এইসকল উপদেশ দিয়ে সেইরকমই উল্লাস করেন। 

    আমার ভুল হলে ধরিয়ে দিন, শিখতে চাই। 

    1. ২.১
      আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন

      গত লেখায়ই আপনার এই বিষয়টা ধরতে পেরেছি। সেই সময়ই আলোচনা করতে চেয়েছিলাম – কিন্তু আপনি থামিয়ে দিয়েছিলেন। যাই হোক – বিদেশে বসে দেশের কথা বলা মানে রাজাকারী করা – এইটা যদি আপনি বলে থাকেন তবে আপনার চিন্তার বিষয়ে কিছু বলার আছে। 

       

      কিন্তু আপনারা সারাজীবনের জন্য শুধু মা-বোনদের না, পুরা দেশ ও জাতিকে রাজনীতিবিদদের কাছে বিলিয়েদিয়েছেন সব দিক থেকে।

      – এই্ "আপনারা" বলতে কাদের বুঝিয়েছেন – যারা প্রবাসী হয়েছে তাদের নাকি?

      যদি তাই হয় – তবে আপনাকে বলি – এক বাক্য সকল প্রবাসীদের বিষয়ে মন্তব্য করার মাঝে বিরাট ভুল হয়ে গেছে আপনার। প্রতিটি মানুষের জীবন আলাদা আর প্রতিটি প্রবাসীও ভিন্ন কারনে দেশে ছেড়েছে। কিন্তু তারা দেশকে ঘৃনাও করে না – অপছন্দও করে না বলেই্ দেশ নিয়ে ভাবে। আমিও তাই। 

      যাই হোক – আমার মনে হয় প্রতিটি প্রবাসী যদি সুযোগ পায় তবে দেশে ফিরে যাবে – আর একটা প্রবাদ বাক্য আপনাকে মনে করিয়ে দেই – বিড়াল শখ করে মাদার গাছে উঠে না – তেমনি আমিও শখ করে দেশ ছাড়িনি – বলতে পারেন বাধ্য হয়েই ছেড়েছি – সেইটা ব্যক্তিগত বিষয়। 

      প্রবাসীদে উপর আপনার রাগটা নিছক অভিমান হিসাবে বিবেচনা করছি – ভাল থাকবেন। 

      1. ২.১.১
        মোঃ তাজুল ইসলাম

        জিয়া ভাই, ধন্যবাদ আপনার মন্তব্যের জন্য। সদালপের সকল ভাইদের ভাতৃত্ব বন্ধন সুন্দর থাকুক, ইহাই কাম্য।

        যারা দেশের পরিবর্তন আনবেন, তারাই দেশ ছেড়ে চলে যাচ্ছেন যা দেখে আমি চিন্তিত। পরিবর্তন-টা কিভাবে আসবে এই দেশে?  আল্লাহ্‌-র রহমত ছাড়া এই দেশের কোন ভবিষ্যৎ & সমাধান দেখি না।

        ভাল থাকুন।

  3. বাকাট্টা রবিন

    ১/১১ হইছিলই ভারত ও মার্কিনিদের মদদে। ভারতের খায়েশ অনুযায়ী হাসিনা ও তার আলীগ ক্ষমতায় আসছে। প্রতিদান স্বরুপ হাসিনা ২০১০ সালের জানুয়ারীতে দিল্লীতে গোপন শর্তে ভারতের সাথে চুক্তি করছে। তাতে ভারত বাংলাদেশের নদী-পথ গুলোতে পূর্বের তুলনায় বাড়তি সুবিধা সহ নতুন ভাবে সড়ক, রেলপথ এবং চিটাগাং-মংলা বন্দর সমূহ ব্যাবহার করতে পারবে। বাংলাদেশ এর বিনিময়ে কি পাবে দেশবাসী ও সংসদকে না জানিয়েই এই সমস্ত চুক্তি করছে হাসিনা। তাই দেশে সরকারের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ মদদে সহিংসতা, সন্ত্রাস, চাদাবাজি, হত্যা, লুট, গুম সহ নির্যাতন চললেও পশ্চিমারা ভারতের জন্য হাসিনার সরকারকে কিছুই বলতে পারছে না। এর বাইরে শেয়ারবাজার, ব্যাংক সমূহের আর্থিক কেলেংকারী, কুইক রেন্টাল বিদ্যুত, যোগাযোগ খাতে ভয়াবহ র্দূনীতির মাধ্যমে দেশকে এক অরাজক পরিস্থিতির মুখে ঠেলে দিছে। সুইফট কোড কখনই হ্যাক হওয়া সম্ভব না যদি না এর কোন অপারেটর জড়িত থাকে। রিজার্ভের ৮০০ কোটি টাকা চুরি পুকুর চুরির মতই।

    আপনে আম্রিকাকে বকছেন এই হাসিনাই ১/১১র পর এবং এরপর বিশেষ জেল থেকে ছাড়ার পর ২০০৮র নির্বাচনের পূর্বে টানা কয়েক মাস যুক্তরাষ্ট্রেই থাকছে। উদ্দেশ্য যেন তাকে ক্ষমতায় আনা হয়। আপনি হয়ত ভুলে গেছেন এই সব কথা কিন্তু বাংলাদেশের বিবেকবান জনগণ এই ঘটনা গুলি ভুলবে না। 

  4. মাহফুজ

    (০৫:৩২) অর্থ- এ কারণেই আমি বনী-ইসলাঈলের প্রতি বিধান দিয়েছি যে, যে কেউ কারো প্রাণ হরণ করে- প্রাণের বিনিময় অথবা পৃথিবীতে ফাসাদ (ধ্বংস, ক্ষতি) সৃষ্টি করা ছাড়াই, সে যেন সব মানুষকেই হত্যা করল; এবং যে কেউ তাকে বাঁচিয়ে রাখে, সে যেন সবার জীবন রক্ষা করল। নিশ্চয় তাদের কাছে আমার পয়গম্বরগণ প্রকাশ্য নিদর্শনাবলী নিয়ে এসেছিল, কিন্তু এরপরও তাদের মধ্যে অনেকই পৃথিবীতে সীমাতিক্রম করে।

    নিরাপরাধ কোন মানব সন্তানকে অযথা কষ্ট দেয়া অন্যায় আর হত্যা করা তো নিঃসন্দেহে মহাপাপ। যারাই এরূপ করবে, পরিণতিতে তাদেরকে এর মাশুল দিতেই হবে। সে যেই হোক না কেন-

    //তখন আর আন্দোলন করার মতোই মানুষ পাওয়া যাবে না।//

    না, এত হতাশ হবার কিছু নেই। যখন মানুষের পিঠ দেয়ালে ঠেকে যাবে, তখন গুটিকয়েক  যারা দূরে থাকার তারা ছাড়া কেউ আর ঘরে বসে থাকবে না। শুধু বাইর বেরিয়েই আসবে না, ভেতরে ঢুকেও মোকাবেলা করবে।

    সরষের মধ্যেই ভূত থাকলে গুপ্তহত্যা বলেন আর দুর্নীতি বলেন, তা দূর করবে কে? অবশেষে সেই ভূত তাড়াবার জন্য জনগণকেই মাঠে নামতে হবে।

     

    1. ৪.১
      আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন

      ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্যে। 

      আমি হতাশ না – সব হিসাবের মালিক যিনি উনিই ঠিক করে দেবেন শেষ কি হবে। আমি আমার আশংকার কথা বললাম মাত্র। 

  5. babul

    লেখাটার জন্য ধন্যবাদ। এ সব হত্যা বন্ধের জন্য আপনাদের মতো অসাম্প্রদায়িক ধার্মিক মানুষদের এগিয়ে আসতে হবে।এই জঙ্গীরা অন্ধকারের জীব তথা মানবতার শত্রু। এদেরকে এখনই কঠোরভাবে মোকাবেলা না করলে দেশ যে বসবাসের একেবারেই অনুপযুক্ত হয়ে উঠবে তাতে তো কোনো সন্দেহ নাই। আমরাতো দেখতে পাচ্ছি যে বাঘে রক্তের স্বাদ পেয়ে গেছে। এদের বাড়তে দিলে এরা সব ভালো অর্জন ধ্বংস করে দেবে।তবে একটা ব্যাপারে আমার একটু দ্বিমত আছে।সব সমস্যার পিছনে আমেরিকার হাত আবিষ্কার করা ইসলামিস্ট এবং বামেদের  পুরানো রোগ। আমেরিকার কারনে পৃথিবীতে অনেক জায়গায় স্থিতিশীলতা বজায় রয়েছে। নইলে আমরা ইতিমধ্যেই কিছু দেশে জঙ্গীদের ক্ষমতায় দেখতে পেতাম। ভারত পাকিস্থান, ইরান সৌদি আরব, দুই কোরিয়া সহ অনেক জায়গাতেই আমেরিকা ভয়ংকর রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ ঠেকিয়ে রেখেছে।এ ছাড়া টার্গেট কিলিং কোনো ছোটো খাট ব্যাপার নয়। এতে দেশের সব প্রগতিশীল মানুষের ভীত হবার সংগত কারণ রয়েছে। অন্যকে দোষারোপ না করে এক্ষেত্রে কিছুটাআত্মসমালোচনাই কাম্য। 

    1. ৫.১
      আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন

       

      ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্যে। 

      আপনি দ্বিমত করতেই পারেন – তবে ভিত্তি ছাড়া অনুমান নির্ভর কথা না বলার চেষ্টা করছি সব সময়। আমেরিকা এক সময় সোভিয়েন ইউনিয়ন ঠেকাতে ইসলামী দলগুলোকে ব্যবহার করেছে। তারপর তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধের নামে তাদের অস্ত্র ব্যবসা আরো জোরালো করছে। দেখুন হিলারী ক্লিনটনের নিজমুখের স্বীকারোক্তি

       

      https://www.youtube.com/watch?v=PJLR1LhxiN0

       

       

      1. ৫.১.১
        বাবুল

        জিয়া সাহেব

        আপনার কথা সম্পূর্ন অস্বীকার করার উপায় নেই। আমেরিকা এক সময় সোভিয়েত ইউনিয়নকে টাইট দেওয়ার জন্য আফগানিস্থানে কট্টর মৌলবাদীদের মদত দিয়েছিল, তা সত্য। কিন্তু বাংলাদেশের প্রেক্ষাপট ভিন্ন। ভারতকে ক্ষেপিয়ে আমেরিকা বাংলাদেশে সন্ত্রাসীদের উসকে দেবে বলে আমার মনে হয় না। এ সমস্যা আমরাই সৃষ্টি করেছি। এর সমাধান ও আমাদেরি করতে হবে। অন্যথায় বিদেশী শক্তির সাহায্য নেওয়া ছাড়া কোন উপায় থাকবে না।ভাল থাকবেন। 

  6. হবিজবি

    সরকারের উচিত আইএস এর সাথে লড়তে ইচ্ছুক সেচ্ছাসেবীদের সংগঠিত করে প্রশিক্ষণ দেওয়া

     

    ২০১৪ গ্রীষ্মে আইএস ইরাকের বিভিন্ন শহর দখল করে নেওয়ার পর ইরাক সরকার এটা করেছে, তারা যদি এই কাজটা আগেই করতে পারত তাহলে এতটা সুবিধা করতে পারতো না কারণ আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর অধিকাংশই জীবনের ঝুকি নিয়ে না লড়ে বরং রণে ভঙ্গ দিয়েছিল. তুলনা করলে দেখা যায় ইরাকে সেচ্ছাসেবীরা ভালো করছে, প্রথম দিকে শুধু শিয়ারা যোগ দিলেও এখন সুন্নি এবং তুর্কি বংশোদ্ভুতরাও যোগ দিচ্ছে.  

     

    আইএস মোকাবেলায় বাংলাদেশ সরকারের উচিত হবে না শুধু আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর উপর নির্ভর করা, ইরাকি বাহিনীতে সাদ্দামের বাথ পার্টির যারা ছিলো তাদের অনেকেই আইএস কে হেল্প করেছিল বলেই অল্প সময়ের মধে অনেকগুলো শহর দখল করতে পেরেছিলো. সরকার এখন সেচ্ছাসেবী সংগঠনের উদ্যোগ নিলে আর কেউ না হোক অন্তত হিন্দু, নাস্তিক, সেকুলার, সুফী, বাউল, মাজারপন্থ, শিয়া, কাদিয়ানী সম্প্রদায়ের অনেকেই নিজ থেকে এই সেচ্ছাসেবী সংগঠনে যোগ দিবে কারণ তারা দেখতেছে চুপ থেকেও তো তাদের শেষ রক্ষা হচ্ছে না.   

     

    আমাকের মত বাংলাদেশে এরা চালু করেছে আত-তামকীন মিডিয়া, এখন এরা সামাজিক মাধমে জেলা ভিত্তিক আইডি খুলতেছে, সামনে যে আরো কি করবে আল্লাহ রাব্বুল আলামিনই ভালো জানেন. আমাদের সমাজের যারা এখনো মনে করেন আইএস মিডিয়ার সৃষ্টি, ইহুদিরা মুখোশ পড়ে এগুলো করছে, তাদেরকে তো বোঝানো সম্ভব নয়, শুধু এটুকু বলি আমি যেখানে আছি সেখানে ২০১৫ সেম্টেম্বের এ সিরিয়া থেকে ২ জন ছাত্র এসেছে, একজন বউ এবং ৩ বাচ্চা সহ, তাদের বাড়ি আলেপ্পোতে.  

  7. মুনিম সিদ্দিকী

    জিয়াভাই কোন কিছু ছোটখাটো বিষয় নয়। সব বিষয়ে গুরুত্ব দেয়া উচিত। জানেন তো সরিষার বীজ এর মত বীজ থেকে একদিন বিশাল বটগাছের সৃষ্টি হয়। আইনকে নিরপেক্ষ ভাবে চলতে দিন। পুলিশকে দলিয় এজেন্ডা বাস্তবায়নে ব্যবহার না করে স্বাধীন ভাবে নাগরীকদের রক্ষার দায়ীত্ব দিন। বিচারক নিয়োগকে অরাজনীতিক করুন। রাষ্ট্রের চাপরাশি থেকে রাষ্ট্রপতির নিয়োগ প্রকৃত ব্যক্তির যোগ্যতার উপর ভত্তি করুন। মানুষকে কথা বলার অধিকার দিন। মানুষকে তার ইচ্ছামত সরকার গঠনের অধিকার দিন। তাহলে ই মানুষ ইচ্ছা পুরণের জন্য স্বাভাবিক রাস্তায় হাটা শুরু করবে। কারো আর অন্ধকার জগতে বিচরণ করার দরকার হবেনা। ৭১ আর ৭৫ এর জুজু ব্যবহার করার দরকার নাই। আমেরিকা বিশ্বশক্তি সে সারা পৃথিবী তার নিয়ন্ত্রণে রাখতে চাইবে। কিন্ত দেশের জনতা যদি ঐক্যবদ্ধ থাকে তাহলে আমেরিকার পক্ষে নগ্নভাবে থাবাবিস্তার সম্ভব নয়।

    কিন্তু আপনারা ই বাংলাদেশের ঐক্যের বারোটা বাজিয়ে সাহসিকতার গর্ব করে বেড়্রাচ্ছেন। অতীতেও দেখেছি নিজদের নাক কেটে অন্যের যাত্রা সহজ করে খন্ডীত বিজয় নিয়ে গর্ব করেছেন। 

    সারা বাংলাদেশে হাতে গুনা চাপাতির দ্বারা অপরাধ ঘটেছে, সে তুলনায় অন্যান্য ভাবে গত ৭ বছরের অন্যায় হত্যার তালিকা তলিয়ে দেখুন। তাহলে। চোখ থাকলে দেখতে পাবেন কোন পথ দিয়ে আমাদের স্বাধীনতা হরণকারীরা ঢুকে পড়ছে আমাদের দেশে। ধন্যবাদ।

    1. ৭.১
      Abu Saif

      আসসালামু আলাইকুম…… 

       

      আপনাকে ধন্যবাদ, জাযাকাল্লাহ.. 

      "গত ৭ বছরের অন্যায় হত্যার তালিকা তলিয়ে দেখুন। তাহলে। চোখ থাকলে দেখতে পাবেন…"   

      কিন্তু চোখ থাকলেও যে সবকিছু দেখা যায়না, সেটাও তো নজরে পড়ে!

       

      আমিও একটা ছোট্ট মন্তব্য করেছিলাম, কিন্তু সেটা এডমিন মহোদয়ের অপারেশন টেবিলে মারা পড়ে থাকতে পারে!

    2. ৭.২
      আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন

      আইনকে নিরপেক্ষ ভাবে চলতে দিন।

      – ভাই আমি কি বাংলাদেশ চালাই নাকি? আমাকে কেন বলছেন? আমিতো বাংলাদেশের কেউ না। বরঞ্চ কথাগুলো নিজেকে বলুন – যখন রাস্তা পারাপার হবেন – দয়া করে ওভারব্রীজ ব্যবহার করুন। যেখানে সেখানে থু থু ফেলবেন না। ময়লা নির্দিষ্ট স্থানে ফেলুন – আসুন নিজেরা আগে আইন মানি।  বাকী য বললেন – তা বাংলাদেশের সমস্যা – যখন যে ক্ষমতায় আসে তারাই তাই করে – কুখ্যাত কোহিনুর পুলিশ থেকে আজকের মনিরুল পুলিশ – সবইতো দেখলাম। আমি করি করতে পারি বলেন। আমাকে বলে কি লাভ?  

      কিন্তু আপনারা ই বাংলাদেশের ঐক্যের বারোটা বাজিয়ে সাহসিকতার গর্ব করে বেড়্রাচ্ছেন।

      – এইটা কি বললেন মুনিম ভাই – আমি কি করলাম। ওহো, আপনিতো আবার রাজাকারদের সাথে ঐক্যে বিশ্বাসী – খুনী আর খুনের ভিকটিম এক সাথে থাকতে পারে না। অপরাধীর বিচার চাওয়ায় যে ঐক্য নষ্ট হয় তাতো অপরাধ – ন্যায় প্রতিষ্টান জন্যে কথা বললে যে ঐক্য নষ্ট হয় তাতো অপরাধীর সাথে সহবাস। আপনার এই ঐক্যের ভ্রান্তিজাল পুরোপুরি অমানবিক এবং অন্যায়। ন্যায়ের প্রতিষ্টার স্বার্থে সকল অপরাধীর বিচার চাওয়া আমার জন্যের ফরজ – সেইটা যদি আমার ভাইও হয় – এইটাই আমার শিক্ষা – এতে যদি আপনাদের তথাকথিত ঐক্য নষ্ট হয় – সেইটা বরঞ্চ ভাল – কারন ন্যয় আর অন্যায়কে আলাদা করে দেখার যে ক্ষমতা আল্লাহ আমাকে দিয়েছে তার জন্যে আমি আল্লাহ কাছে কৃতজ্ঞ। 

      অতীতেও দেখেছি নিজদের নাক কেটে অন্যের যাত্রা সহজ করে খন্ডীত বিজয় নিয়ে গর্ব করেছেন। 

      – বরঞ্চ যারা কোটি টাকা খরচ করে লবিষ্ট নিয়োগ করে – আমেরিকাকে বাংলাদেশের বিষয়ে নাক গলাতে আমেরিকার পত্রিকায় চিঠি লিখে তাদের বলুন।  যারা ইহুদী উকিল নিয়োগ করে বাংলাদেশ বিরোধী ্প্রপাগান্ডা চালায় তাদের বলুন। 

      সারা বাংলাদেশে হাতে গুনা চাপাতির দ্বারা অপরাধ ঘটেছে, সে তুলনায় অন্যান্য ভাবে গত ৭ বছরের অন্যায় হত্যার তালিকা তলিয়ে দেখুন। তাহলে। চোখ থাকলে দেখতে পাবেন কোন পথ দিয়ে আমাদের স্বাধীনতা হরণকারীরা ঢুকে পড়ছে আমাদের দেশে। ধন্যবাদ।

        – চাপাতি ওয়ালারা যে অন্যায় করছে তাতো বরাবরই বলছি – তারপর যারা অন্যায় করছে তাদের কথাও বলছি। তবে মিথ্যাচার করে লাভ কি বলুন। যারা বর্তমান সরকারের বিরুদ্ধে অভিযোগ করছেন – তাদের অন্যায়ের তালিকাটাও যথেষ্ট বড় বলেই তাদের বিশ্বাসযোগ্যতা নেই – তার জন্যে মানুষ তাদের ডাকে সাড়া দেয় না। সমস্যাটা সেখানেই। সর্ষে দিয়ে ভুত তাড়াবেন – সর্ষেতেই ভুত!

      1. ৭.২.১
        মুনিম সিদ্দিকী

        ওহো, আপনিতো আবার রাজাকারদের সাথে ঐক্যে বিশ্বাসী – খুনী আর খুনের ভিকটিম এক সাথে থাকতে পারে না।

        জিয়াভাই যে সব যায়গায় আপনারা আয়নায় দাঁড়িয়ে চেহারা দেখতে পান তখন রাজাকার তত্ত্ব নিয়ে হাজির হোন। এক সময় এই তত্ত্ব দিয়ে একপ্রজন্মকে বিভ্রান্ত করতে পারলেও সব প্রজন্মকে বিভ্রান্ত করতে পারবেননা। ধ্বংসস্তুপের নিচ থেকে সে প্রজন্ম এখন আসছে। সব বিভ্রান্তির অবসান হবে ইনশাল্লাহ।

      2. মহিউদ্দিন

        শুধু তাই না ওনি এখন "জয় পরাজয়ের "বিশেষজ্ঞ"!

      3. আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন

        আমি জয় পরাজয় বিশেষজ্ঞ বলে দাবী করবো না – তবে যখন কেউ গালাগালি শুরু করে তখন বুঝি তারা ভিতর থেকে পরাজিত মনোভাব নিয়ে কথা বলে। পরাজিত মানুষের মুখেই সুখ। 

      4. আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন

        মুনিম ভাই  – আপনিতো বিভ্রান্তই – আপনি ১৯৪০ সালে পড়ে আছেন – আপনাকে বিভ্রান্ত করবে কে! 

  8. শমশের খালিদ

    বাংলাদেশে একটি রাজনৈতিক দলকে দেখি যারা এইসব হত্যাকান্ডের বিরোধিতা সবসময়ই করে থাকে। এমনকি ক্ষমতাসীন দের কেউ মারা গেলেও তারা বিচার দাবি করে। অথচ আফসোস, সেই দলের হাজার হাজার নেতাকর্মী হত্যার বিরুদ্ধে কেউ কোন কথা বলেনা।

    বিশ্বাসীদের জন্য আল্লাহই যথেষ্ট (আল-ক্বুর’আন)

    1. ৮.১
      আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন

      অবশ্যই আল্লাহ যথেষ্ট তাদের জন্যে যারা আল্লাহ উপর ভরসা করে – কিন্তু যারা সত্যের সাথে মিথ্যা মেশায় এবং সত্য গোপন করে – তাদের সাথে কি ্‌আল্লাহ থাকেন – এই প্রশ্নটা উত্তর জানতে চাই। 

       

  9. শমশের খালিদ

    যারা সত্যের সাথে মিথ্যা মেশায় এবং সত্য গোপন করে – তাদের সাথে কি ্‌আল্লাহ থাকেন

     

    না থাকেননা। এসব যারা করেনা তাদের সাথেই থাকেন। 

     

    আমার পয়েন্ট হল আপনি নাস্তিক হত্যা,ভন্ডপীর হত্যা নিয়ে লিখলেন অথচ যেসব  রাজনৈতিক দলের কয়েক সহস্র লোক মারা গেল অথচ আপনি ভুলেও তাদের নিয়ে টু শব্দটি করলেননা।। 

    ইবনে তাইমিয়া রঃ বলেছিলেন,যদি কোন যুগে,কোন অঞ্চলে ইসলামী দল খুজে পেতে সমস্যা হয় তবে ইসলাম এর শত্রুদের দিকে তাকাও। মুসলমানরা চিনতে ভুল করলেও শ্ত্রুরা চিনতে ভুল করেননা। আমি অলরেডি চিনে ফেলেছি।। আর শুধুমাত্র ইস্লামী দল এবং সত্যের পথে আছে-একারনেই দমন,পীড়ন,নির্যাতন,হত্যা,গুম এবং অসত্য তথ্যের উপর ভিত্তি করে কুকুর-বিড়ালের মত মেরে ফেলা হচ্ছে নেতাকর্মীদের। অথচ আল্লাহ ছাড়া তাদের পাশে আর কাউকেই পাওয়া যাচ্ছেনা।। 

     

    যে গাছের ফল যত মিষ্টি সে গাছেই সবচেয়ে বেশী ঢিল ছুড়ে মারা হয়।। 

    "যারা আল্লাহর পথে লড়াই করে, তারা কোন তিরস্কারকারীর তিরস্কারের ভয়ে ভীত নয়"[আল-ক্বুর'আন]

  10. ১০
    আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন

    আমার পয়েন্ট হল আপনি নাস্তিক হত্যা,ভন্ডপীর হত্যা নিয়ে লিখলেন অথচ যেসব  রাজনৈতিক দলের কয়েক সহস্র লোক মারা গেল অথচ আপনি ভুলেও তাদের নিয়ে টু শব্দটি করলেননা।। 

    – এইটা সত্য বলেছেন – আমি সহস্র( এই সংখ্যাটা আন্দাজ অনুমানের ভিত্তিতে বলেছেন) লোক হত্যার বিষয়ে কিছু বলিনি। তবে একদম যে বলিনি তা নয়। তবে পুরো পরিস্থিতি পর্যবেক্ষন করেই চুপ করে থাকা ছাড়া আর কোন পথ দেখি না। দেখুন ২০০৮ সালে আওয়ামীলীগ মাত্র ক্ষমতায় এসেছে – তখন সর্বপ্রথম ঝামেলা শুরু করলো শিবির – রাজশাহীতে ছাত্রলিগের ফারুককে হত্যা করে ম্যানহোলে ফেলে দিলো। এইটা ছিলো আগ্রাসন – এর ফলাফল হিসাবে সারা দেশে শিবিরের উপর নেমে এলো পুলিশি অত্যাচার। এখন আমাকে বলুন – ফারুক হত্যা করা কতটা ন্যায়ের ভিত্তিতে হয়েছিলো। 

     

    তারপর দেখেছি শিবিবের আগ্রাসী কর্মকান্ড – এরা টার্গেট করে পুলিশ হত্যা করেছে – প্রকাশ্য দিবালোকে মতিঝিলে আজমকা ভাংগচুর করেছে – ভয়ের পরিবেশ তৈরী করেছে। ফলাফর হিসাবে আমেরিকাসহ ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন শিবিরকে এশিয়ার এক নং টেরিরিস্ট সংগঠন হিসাবে লিস্টিতে দিয়েছে – এবং বাস্তবতা ছিলো তাই। পুলিশের হাতে আর কোন উপায় ছিলো নাকি – হয় শিবির মারো – নয় নিজেরা মরো। ২০১২ থেকে ১০১৪ পর্যন্ত শিবিবের এই সন্ত্রাসী কর্মকান্ডে মানুষ ভীত হয়েছে। ভয় দেখিয়ে শিবির বিচার বন্ধ করতে চেয়েছে। একটা রাষ্ট্র কখনই এই সন্ত্রাসকে প্রশ্রয় দেয় না – স্বাভাবিক ভাবেই শিরিরের কর্মীরা ভিকটিম হয়েছে। 

    এই দায় পুরোটাই জামায়াতের – তাদের ভুল সিদ্ধান্তের কারনে এই জীবনগুলো নষ্ট হয়েছে। এই বিষয়ে কামারুজ্জামানের জেল থেকে পাঠানো চিঠিটা গুরুত্বপূর্ন। 

    যাই হোক – হয়তো সরকারের পক্ষ থেকে বাড়াবাড়ি হয়েছে – কিন্তু এই ক্ষে্ত্রে জামাত-শিবির যে পুরোপুরি নির্দোষ ছিলো – তা বলা যায় না। এইটা একটা যুদ্ধ – শিবির রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে যুদ্ধে নেমেছে – আইনশৃংখলা রক্ষা বাহিনী জান-মাল রক্ষায় তাদের দায়িত্ব পালন করেছে। এখানে যদি কেউ বাড়াবাড়ি করে থাকে তার দায়িত্ব তাদের। ইতিহাসই এক সময় এর বিচার করবে। 

  11. ১১
    Abu Saif

    একজনের ব্যাপারে আমার ধারণা যতটা উচ্চে ছিল তা যথার্থ না হওয়াতে নিজের বোধ-বুদ্ধির অপরিপক্কতার জন্য আফশোষ হচ্ছে 

  12. ১২
    কিংশুক

    এই ঘটনাগুলির নাটের মূল জেএমবি। আমার ধারনা এগুলি বন্ধ করা খুবই কঠিন হবে। সরকার,  গোয়েন্দা সংস্থা সবাই ক্ষমতা রক্ষার জন্য বিরোধী দলকে সাইজ করায় ব্যস্ত । কিন্তু রোহিংগা ইস্যু, নাস্তিক তোষণ করে পাঁচ মে ইত্যাদি ঘটনার জন্য আল কায়েদার, আইএস এ দেশকে টার্গেট করছে। তাদের সাথে যোগ দেওয়ার মতো হাজার হাজার উগ্রপন্থী মতবাদি তরুন আছে এবং নিজস্ব পথে তারা অনেক এগিয়েছে । এখন সরকার জ েএমবি পেলেই ক্রসফায়ার দিচ্ছে । কিন্তু তাতেও অদুর ভবিষ্যতে জংগিবাদ বাংলাদেশে আরো তীব্র আকার ধরবে বলে মনে হয়। তবে  ইরাক সিরিয়ায় বহু বছর ধরে গণতন্ত্র হীনতা কারনে যত সহজে উগ্রপন্থীরা জায়গা করে নিতে পেরেছে এখানে শক্তিশালী রাজনৈতিক দলগুলি থাকায় ঐ মতবাদিরা সহজে সুবিধা করতে পারবেনা। কিন্তু নাস্তিক তোষন ও বিভিন্ন ইস্যুতে এখন জংগিদের টার্গেট অল্পদিনের মধ্যেই আওয়ামী লীগের উপর পড়বে। সামলাতে না পারলে বিপদ আওয়ামী লীগেরই। পাকিস্তান দীর্ঘ পাঁচ দশক ধরে মিলিয়ন মিলিয়ন আফগান শরণার্থী জায়গা দিতে বাধ্য হয়ে জংগি সমস্যা ঘাড়ে নিতে হয়েছে । রোহিংগা ইস্যুর সমাধান না হলে বাংলাদেশও ঝুঁকির মধ্যে থাকবে। বেশি বাম, সেকুলার শাহরিয়ার কবিরদের প্রেসক্রিপশন মতে চললে জংগি উত্থানের তীব্র সম্ভাবনা রয়েছে । দেশের হক্কানি কওমি আলেমদের সাথে নিয়ে ওনাদের পরামর্শ মেনে ইসলাম বিরোধী নারী নীতি শিক্ষা নীতি ইত্যাদি বাদ দিয়ে সেকুলারিজম ভুলে গেলে উনারা সাহায্য করতে পারেন। ইহা আমার নিজস্ব পর্যবেক্ষন। তবে বাংলাদেশ যে জংগিবাদের হুমকিতে আছে এবং যেকোনো সময় বড় ঘটনা ঘটতে পারে সে ব্যাপারে আমি নিশ্চিত ।

  13. ১৩
    হবিজবি

    আল কায়েদার বাংলাদেশ শাখা আনসার আল ইসলাম দাবি করছে, ২/৩ বছর আগে তাদের দাওয়াত কয়েক শ মানুষের কাছেও পৌছাতো না. কিন্তু এখন তাদের ফেসবুকে ফ্রেন্ড লিস্টে থাকা হাজার হাজার ফ্রেন্ডের মাধ্যমে তাদের কথা লক্ষ লক্ষ লোকের কাছে পৌঁছাচ্ছে.

    ওদিকে আই এস এর বাংলাদেশ শাখা জেএমবিও পিছিয়ে নেই.

    ২০১৪ সালেই আশংকা করেছিলাম এরকম কিছু হবে কিন্তু এরা যে এত দ্রুত প্রসারতা লাভ করবে তা ভাবতে পারিনি, এর কারণ সম্ভবত বর্তমান সরকার রাশিয়া ব্লকে থাকায়. 

    জামাত শিবির এবং তাদের সম-মনারা সম্ভবত সিরিয়ার আহরার আল শামের মত কিছু করবে, আমেরিকা ব্লক (তুরস্ক সহ) এদের তলে তলে সমর্থন দিবে.

    আল্লাহ পাকই ভালো জানেন কি হবে, আমি জাস্ট অনুমান করছি. গন্ডোগোল একবার শুরু হলে তা কবে থামবে বলা মুশকিল কারন আল কায়েদা, আই এস, আহরার আল শাম এদের মতাদর্শ এক নহে, কিছুটা ভিন্ন অর্থাৎ অন্য কোনো প্রতিদ্বন্দী যদি নাও থাকে সেক্ষেত্রে এরা নিজেরা নিজেরা মারামারি করবে.   

    আপনাকে ধন্যবাদ সময় উপযোগী পোস্টের জন্য

       

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।