«

»

সেপ্টে. ০৪

যুদ্ধাপরাধী মীর কাসেম আলীর সর্বোচ্চ শাস্তি এবং তার ইতিবৃত্ত

অবশেষে অনেক উৎকন্ঠা আর আলোচনার সমাপ্তি ঘটলো ৩রা সেপ্টেম্বর ২০১৬ সালে – ১৯৭১ সালে কুখ্যাত আল বদর বাহিনীর নেতা চট্রগ্রামের ত্রাস “বাঙালী খান” মীর কাসেম আলির দন্ড কার্যকর করা হলো কাসিমপুর কারাগারে। এই বিচারে এবং দন্ড কার্যকরের মাধ্যমে বাংলাদেশ একটা ভিন্ন উচ্চতায় পৌছে গেলো। বলাই বাহুল্য ধনকুবের বিচার এবং দন্ড কার্যকর কর খুব একটা সহজ ছিলো না। একদিকে অর্থের প্রবাহ অন্যদিকে দলীয় শক্তি সব মিলিয়ে বিচার ভন্ডুল করা – বিতর্কিত করার সকল আয়োজনই ছিলো। বর্তমান সরকার প্রধানে দৃঢ়তা আর জনমতের কারনে জামায়াতের এই কুখ্যাত যুদ্ধাপরাধীকে অবশেষে আইনের কাছে মাথা নত করতে হলো। ইতিহাসে এই দিনটি অবশ্যই স্মরনীয় হয়ে থাকবে। শক্তি আর অর্থের বিপরীতে ন্যয়ের প্রতিষ্টার একটা অনন্য দৃষ্টান্ত হয়ে থাকলো এই দন্ড।

কে এই মীর কাসেম আলি: mir-kashem-info মানিকগঞ্জ জেলার হরিরামপুর উপজেলার তৈয়ব আলীর দ্বিতীয় ছেলে মীর কাসেম আলীর জন্ম ১৯৫২ সালের ৩১ ডিসেম্বর। তার ডাকনাম পিয়ারু হলেও চট্টগ্রামের মানুষ তাকে চিনত মিন্টু নামে। কাসেমের বাবা তৈয়ব আলী ছিলেন চট্টগ্রাম টেলিগ্রাফ অফিসের চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী, নগরীর রহমতগঞ্জ এলাকার সিঅ্যান্ডবি কলোনিতে তারা থাকতেন।

চট্টগ্রাম সরকারি কলেজে স্নাতক পড়ার সময় ১৯৭০ সালে জামায়াতের তখনকার ছাত্রসংগঠন ইসলামী ছাত্র সংঘের কলেজ শাখার সভাপতি হন মীর কাসেম। স্বাধিকারের দাবিতে বাঙালির সংগ্রাম তখন চূড়ান্ত পর্যায়ে।

কি করেছিলেন এই কুখ্যাত অপরাধী:

একাত্তরের ২৫ মার্চ রাতে পাকিস্তানি বাহিনী সারা দেশে বাঙালি নিধন শুরু করলে স্বাধীনতার লড়াইয়ে অস্ত্র হাতে নেয় এ দেশের মানুষ। ওই বছর ৬ নভেম্বর পর্যন্ত কাসেম চট্টগ্রাম শহর শাখা ছাত্রসংঘের সভাপতি ছিলেন এবং সেই সূত্রে ছিলেন চট্টগ্রামে আর বদর বাহিনীর নেতা। ৭ নভেম্বর দলে পদোন্নতি পেয়ে তিনি পাকিস্তান ইসলামী ছাত্র সংঘের প্রাদেশিক কার্যকরী পরিষদের সদস্য এবং পূর্ব পাকিস্তান ইসলামী ছাত্রসংঘের সাধারণ সম্পাদক হন।

আলবদর বাহিনীর কেন্দ্রীয় কমান্ডার হিসেবে চট্টগ্রাম অঞ্চলে সরাসরি মানবতাবিরোধী অপরাধে যুক্ত ছিলেন তিনি। একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির তথ্য অনুযায়ী, মীর কাসেম আলীর নেতৃত্বে চট্টগ্রামের কুমিরায় এক রাতে ৪৫ জনকে হত্যা করা হয়। শুধু তাই নয়; একাত্তরে মীর কাসেম আলীর কুকর্মের সাক্ষী চট্টগ্রাম শহরের নন্দনকানন টিএন্ডটি কার্যালয়ের পেছনে টেলিগ্রাফ রোডের মহামায়া ভবন। হিন্দু মালিকাধীন ওই ভবনটিকে মীর কাসেম আলী গংরা দখল করে নাম দেয় ডালিম হোটেল। দেশ স্বাধীন হওয়ার আগ পর্যন্ত এই ডালিম হোটেলই আলবদর, রাজাকারদের অন্যতম নির্যাতন কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত হয়ে উঠেছিল চট্টগ্রামবাসীর কাছে। রাজাকার বাহিনীর ওই বন্দি শিবিরে পানির বদলে বন্দিকে খাওয়ানো হতো প্রস্রাব।

বিজয় দিবসের পর দিন সেখান থেকে মৃত-অর্ধমৃত সাড়ে ৩০০ বন্দিকে উদ্ধার করেন মুক্তিযোদ্ধারা। স্বাধীনতার পর মীর কাসেম আলী পালিয়ে ঢাকা চলে আসেন। নিজেকে মুক্তিযোদ্ধা পরিচয় দিয়ে মিন্টু নাম ধারণ করেন। কিন্তু চিহ্নিত হয়ে পড়ার পর আরেক ঘাতক মঈনুদ্দিনের সঙ্গে পালিয়ে চলে যান লন্ডন। সেখান থেকে সৌদি আরব। সেখানেও স্বাধীনতাবিরোধীদের সংগঠিত করতে থাকেন। বঙ্গবন্ধু হত্যার পর দেশে ফিরে আসে মীর কাসেম। জিয়ার শাসনামলে নতুন করে সংগঠিত হয় ইসলামী ছাত্র সংঘ, নাম বদলে হয় ইসলামী ছাত্রশিবির। ছাত্রশিবিরের প্রথম কেন্দ্রীয় সভাপতি হন মীর কাসেম আলী।

এ মামলার বিচারে রাষ্ট্রপক্ষ মীর কাসেমকে আখ্যায়িত করেছে পাকিস্তানের খান সেনাদের সঙ্গে মানবতাবিরোধী অপরাধে লিপ্ত হওয়া ‘বাঙালি খান’ হিসাবে। তার নির্দেশেই চট্টগ্রাম টেলিগ্রাফ অফিস সংলগ্ন এলাকায় হিন্দু মালিকানাধীন মহামায়া ভবন দখল করে নাম দেওয়া হয় ডালিম হোটেল। গড়ে তোলা হয় বদর বাহিনীর চট্টগ্রাম অঞ্চলের ঘাঁটি এবং বন্দিশিবির। সেখানে অসংখ্য মানুষকে নির্যাতন ও হত্যা করা হয়, যাদের লাশ পরে ফেলে দেওয়া হতো চাক্তাই চামড়ার গুদাম সংলগ্ন কর্ণফুলী নদীতে। ডালিম হোটেলকে ‘ডেথ ফ্যাক্টরি’ আখ্যািয়িত করে ট্রাইব্যুনালের রায়ের পর্যবেক্ষণে বলা হয়, “ডালিম হোটেলে ঘটে যাওয়া সব ধরনের অপরাধের ব্যাপারে সবকিছুই জানতেন মীর কাসেম। এসব অপরাধে তার ‘কর্তৃত্বপূর্ণ’ অংশগ্রহণও প্রমাণিত। ফলে ১৯৭৩ সালের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনের ৪ (২) ধারা অনুযায়ী তিনি ‘ঊর্ধ্বতন কর্তৃত্বের’ দোষে দোষী।” গত ৩০ অগাস্ট আপিল বিভাগ কাসেমের রিভিউ খারিজ করে সর্বোচ্চ সাজার রায়ই বহাল রাখে। ওইদিন সন্ধ্যাআয় প্রকাশিত ওই রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপিতে বলা হয়, “মৃত্যুদণ্ড কমানোর মতো কোনো সুযোগ এ মামলায় নেই, বরং বাড়ানোর পরিস্থিতি রয়েছে।”

 

Dalim-Hotel-1 সেই ডালিম হোটেল

যে অভিযোগে প্রাণদণ্ড অভিযোগ ১১:

১৯৭১ সালে ঈদুল ফিতরের পরের যে কোনো একদিন মীর কাসেমের পরিকল্পনা ও নেতৃত্বে আলবদর বাহিনীর সদস্যরা চট্টগ্রাম শহরের কোনো এক অজ্ঞাত স্থান থেকে মুক্তিযোদ্ধা জসিমকে অপহরণ করে আন্দরকিল্লার ডালিম হোটেলে নিয়ে যায়। তাকে ২৮ নভেম্বর পর্যন্ত সেখানে আটকে রেখে নির্যাতন করা হয়। নির্যাতনের ফলে জসিমের মৃত্যু হলে আরো পাঁচজন অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তির লাশসহ তার মৃতদেহ কর্ণফুলী নদীতে ফেলে দেওয়া হয়।

এছাড়া অপহরণ ও নির্যাতনের ছয় অভিযোগে মীর কাসেমকে মোট ৫৮ বছরের কারাদণ্ড দেয় সর্বোচ্চ আদালত।

জন্মের বিরোধীতা করার পরও সেই দেশেই তাঁর উত্থান রূপকথাকেও হার মানায়:

১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর পাকিস্তানি বাহিনীর আত্মসমর্পণের পর মীর কাসেম আত্মগোপনে যান। কিন্তু পঁচাত্তরে রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর জেনারেল জিয়াউর রহমান জামায়াতকে স্বাধীন বাংলাদেশে রাজনীতি করার সুযোগ করে দিলে ১৯৭৭ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি ছাত্রসংঘ নাম বদলে ইসলামী ছাত্রশিবির নামে বাংলাদেশে রাজনীতি শুরু করে এবং মীর কাসেম হন তার প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি। ১৯৮০ সালে কাসেম যখন সরাসরি জামায়াতের রাজনীতিতে যোগ দেন, তখন তিনি রাবেতা আলম আল-ইসলামী নামে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের বাংলাদেশ সমন্বয়ক।

হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদের আমলে ১৯৮৩ সালে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড গঠন হলে মীর কাসেম প্রতিষ্ঠাতা ভাইস চেয়ারম্যান হন। দলে দ্রুত পদোন্নতি পেয়ে ১৯৮৫ সালে তিনি হন জামায়াতের শুরা সদস্য। ইসলামী ব্যাংক ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য মীর কাসেম ছিলেন ইবনে সিনা ট্রাস্টের অন্যতম সদস্য ।

গ্রেপ্তার হওয়ার আগ পর্যন্ত মীর কাসেম দিগন্ত মিডিয়া কর্পোরেশনেরও চেয়ারম্যান ছিলেন।

অর্থের বিনিময়ে বিচার ঠেকানোর চেষ্টা

ইব্যুননালে এ মামলার বিচার চলার মধ্যোই ২০১৩ সালের ২৮ এপ্রিল তৎকালীন আইনমন্ত্রী শফিক আহমেদ সাংবাদিকদের বলেছিলেন, মীর কাসেম আলী মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারকাজ প্রশ্নবিদ্ধ করতে যুক্তরাষ্ট্রের একটি লবিস্ট প্রতিষ্ঠানকে ২ কোটি ৫০ লাখ ডলার দিয়েছেন। সেই অভিযোগের পক্ষে সুপ্রিম কোর্টে এ মামলার আপিল শুনানিতে একটি মেমো দাখিল করে রাষ্ট্রপক্ষ।

Mir Kasim Ali

ওয়াশিংটনের ফার্ম ক্যাসিডি অ্যান্ড অ্যাসোসিয়েটসের ওই মেমোতে বলা হয়, তারা ‘পেশাগত সেবার’ জন্য মীর কাসেমের পাঠানো আড়াই কোটি ডলার হাতে পেয়েছে। রিভিউ শুনানিতে প্রধান বিচারপতি বলেন, আদালত ওই মেমোকে প্রমাণ হিসেবে নেয়নি, কিন্তু আসামি যতগুলো কোম্পানির সঙ্গে যুক্ত, তাতে রাষ্ট্রপক্ষের অভিযোগ ‘বাড়াবাড়ি বলে মনে হয় না’।

আপিলের রায় পুনর্বিবেচনার শুনানি পেছাতেও বার বার চেষ্টা করতে দেখা যায় আসামিপক্ষকে। যুদ্ধাপরাধের অন্যি মামলার রিভিউয়ে যে সময় লেগেছে, মীর কাসেম আলীর ক্ষেত্রে তার দ্বিগুণ সময় ব্য্য় হয়েছে বলে অ্যাটর্নি জেনারেলের তথ্যম।

সবশেষ কথা:

বাংলাদেশের দুইজন প্রেসিডেন্টসহ অনেক রাজনৈতিক হত্যাকান্ড হয়েছে – সেই হত্যাকারীরা এক সময় আইনের (ইনডেমনিটি) আড়ালে শুধু রক্ষাই পায়নি – পুরষ্কৃতও হয়েছে। দীর্ঘ ২১ বছর অপেক্ষার পর শুরু হয়েছে বিচার। শেখ মুজিবুর রহমান এবং তার পরিবারসহ জেরে চার নেতা হত্যা আংশিক বিচার হয়েছে। কিন্তু আরেক প্রেসিডেন্ট জিয়ার হত্যার বিচারের বিষয়টি এখনও তিমিরেই পরে আছে। এ ছাড়া খালেদ মোশাররফ, জেনারেল মঞ্জুর হত্যার বিচার হওয়া খুবই দরকার। কারন বিচারহীনতার সংস্কৃতি ক্রমাগত অপরাধের জন্ম দেয়। জামায়াতের ইসলামী এবং সাবেক ছাত্র সংঘের নেতারা জেনারেল জিয়ার আনুকূল্য পেয়ে দেশে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে – কিন্তু এরা একটা বিষয় ভুলে যেতে চেয়েছিলো – ৭১ এর নিহত-নির্যাতিতের প্রজন্ম এখনও সেই কষ্ট নিয়ে বেঁচে আছে। এরা যে দেশের জন্মের বিরোধীতা করতে গিয়ে নির্মম হয়েছিলো – সেই দেশের ক্ষমতার শীর্ষে গিয়ে সেই দেশের পতাকা উড়িয়ে ঔধ্যত্ব্য দেখিয়েছে – চোক রাঙগানী দিয়ে বলেছে – ভুলে যাও সেই ৭১ এর কথা – ধমক দিয়ে বলেছে বিচার করার দরকার নেই। কিন্তু আজকের বাস্তবতা হলো – তাদের বিচারের মুখোমুখি হতে হয়েছে এবং দন্ড ভোগ করতে হয়েছে। অন্যায় করে কেউই রেহাই পায় না = যদি না সে ক্ষমা প্রার্থী হয়। জামায়াত আজও তাদের অহংকার আর অস্বীকার করেই চলছে। সর্বোচ্চ আদালতের রায়ের পরও এরা হরতাল ডাকে (যদিও তাদের হরতালের খবর তারা ছাড়া কেউই রাখে না) – যুদ্ধাপরাধীর ছেলে মেয়ে আর পরিবার থেকে ক্রমাগত অহংকারের আওয়াজ পাওয়া যাচ্ছে। এর মানে এই দন্ডই সমস্যার সমাধান করছে না। কারন যুদ্ধের শেষে এরা নির্বিঘ্নে ৩৫ বছর গুছানোর কাজটা করতে পেরেছে – দুই সামরিক শাসক আর তাদের তৈরী দলের ছত্রছায়ায় এরা বিশাল অর্থসাম্রাজ্য তৈরী করতে পেরেছে – যা বাংলাদেশের জন্যে একটা হুমকীর কারন হতে পারে। এ ছাড়া রাজনীতিতে এখনও যুদ্ধাপরাধীদের সন্তানদের কদর দেখা যাচ্ছে। সুতরাং আগামী সময়টা হয়তো আরো কিছু সংঘাত দেখবে বাংলাদেশের মানুষ। মজার বিষয় হলো – বাংলাদেশের একটা অভ্যন্তরিন বিষয়ে পাকিস্তানের প্রতিক্রিয়া সকল কূটনৈতিক শিষ্টাচার এবং নিয়মনীতি লংঘন করছে তা হলো যুদ্ধাপরাধীর বিচার। পাকিস্তান ৭১ এর পরাজিত হলেও ৭৫ এরপর আবারো বাংলাদেশে তাদের প্রভাব বিস্তার করতে সক্ষম হয়েছিলো মুলত জামায়াত এবং তাদের মিত্র বিএনপির মাধ্যমে – এখন যুদ্ধাপরাধীদের প্রতিটি দন্ডের কারনে তাদের খুঁটিগুলো উপড়ে যাচ্ছে বলেই তারা সকল আন্তর্জাতিক নিয়মনীতি উপেক্ষা করে বন্ধুদের জন্যে শোক জানাচ্ছে এবং বিচারের বিষয়ে কটুমন্তব্য করছে। যা আসলে বিচারের যৌক্তিকতাকেই প্রমান করছে বারবার। যেভাবে চারদশক পর প্রবল অর্থ আর রাজনৈতিক শক্তির বিপরীতে বিচারকে এগিয়ে নিয়ে গেছে বাংলাদেশ – আশা করি ভবিষ্যতেও মানুষ দেশের স্বাধীনতা এবং মুক্তিযুদ্ধের অর্জনগুলোকে রক্ষা করতে ঐক্যবদ্ধ থাকবে।

(পোষ্ট লেখার জন্যে "একাত্তরের ঘাতক দালালরা কে কোথায়", প্রথম আলো, বিডিনিউজ এবং ডেইলি ষ্টারের সহায়তা নেওয়া হয়েছে)

রিভিউর রায়ের টেক্স এর লিংক

১৩ মন্তব্য

এক লাফে মন্তব্যের ঘরে

  1. কিংশুক

    বাংলাদেশ ভিন্ন উচ্চতায় উঠায় খুব গর্ববোধ করতেই হয়। এর আগেও আরেক  ধনকুবের সাকা চৌধুরীকে ফাঁসি দেওয়া সম্ভব হয়েছে , সেহেতু এটাই প্রথম নয় আর বিরোধী দলের ধনকুবেরকে ফাঁসি /শাস্তি দেওয়া ততটা ভিন্ন উচ্চতায় নেয় না যতটা নিজের দলের কোন ধনকুবেরকে ফাঁসি দিলে নেয়। সে যাই হোক ফাঁসি দিয়েছে খুব ভালো হয়েছে আমরা অত্যন্ত খুশি। এরকম আরো দুই তিনশ ফাঁসি হলেও  কিছু বলার নাই। কিন্তু কথা হল জিয়াউর রহমানকে এখানে না আনলেও পারতেন। উন্নিশশো সত্তর সালের পাকিস্তানের অধীনে নির্বাচনে বংবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ছয় দফার ভিত্তিতে আঞ্চলিক স্বায়ত্তশাসনের প্রতিশ্রুতি দিয়ে বাংলাদেশে নির্বাচনে বিজয়ী হন। একাত্তর সালে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর আচমকা গণহত্যা ও চাপিয়ে দেওয়া যুদ্ধে বীরবিক্রমে যুদ্ধ করে বাংলাদেশ স্বাধীন হয় (শতকরা পচানব্বই জন বাংগালী পাকিস্তান সেনাবাহিনীর অত্যাচারের কারনে প্রতিশোধ নিতে যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েন, মাত্র পাঁচ শতাংশ মুজিব সৈনিক শেখ মুজিবুর রহমানের জন্যই যুদ্ধ করেছে। পাকিস্তানি বাহিনী যদি এরকম গণহত্যা না চালাতো তাহলে জুন/একাত্তরের পরও যুদ্ধের ফলাফল ভিন্ন হতে পারতো-তথ্যসূত্রঃ মেজর জলিল বীর উত্তম এর আত্মপরিচয়ের সন্ধানে বই)।স্বাধীন দেশে নতুন নির্বাচন, নির্বাচনী ইতিহাস, গণভোট ছাড়াই ভারতের নির্দেশে সেকুলার সংবিধান রচনা করায় ধর্মভিত্তিক সকল দল নিষিদ্ধ হয়ে যায় (যেসব দল পাকিস্তানের সময় রাজনীতিতে ছিল। – এর তথ্যসূত্রও মেজর জলিল বীরউত্তম জাসদের বহুদিনের সভাপতি)। ফলে আওয়ামী লীগ বের হয়ে জাসদ একমাত্র বিরোধী দলের ভূমিকা গ্রহণ করে। পরবর্তীতে বংগবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জ াসদের তৈরি  চরম অরাজক পরিস্থিতি সামাল দিতে না পেরে সংবিধানের চতূর্থ সংশোধনী এনে আধা সোশালিস্ট বাকশাল তৈরি করে সব দিক সামাল দিতে গিয়ে সকল রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ করেন। পরবর্তীতে পনেরোই আগষ্টের অত্যন্ত দুঃখজনক ঘটনার পর আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন নতুন সরকারকে উৎখাত করে জ াসদের সমাজতান্ত্রিক বিপ্লব সাধনের উদ্দেশ্যে কু পাল্টা কু এর এক পর্যায়ে লাগাম জিয়াউর রহমান বীরউত্তমের হাতে আসলে লাল বিপ্লবের কমরেডদের লাল সুতা বের করার ব্যবস্থা করা হয়। এরপর সংবিধানের পঞ্চম সংশোধনী আনার ফলে বাকশাল, সেকুলারিজমের অবসান ঘটলে ধর্মীয় দল সহ সবার বহু দলীয় রাজনীতি করার সুযোগ আসে। এ পথে ছিয়াত্তর সালের চব্বিশ অগস্ট সাতটি ইসলামি দলের জোট হিসাবে আইডিএল আত্মপ্রকাশ করে যার মধ্যে জামায়াতে ইসলামিও ছিল। পরে আশি সালে আইডিএল থেকে বের হয়ে জামাত একাই রাজনীতি শুরু করে।জিয়াউর রহমান সামরিক শাসক থেকে নতুন রাজনৈতিক দল গঠন করে রাজনীতি শুরু করার প্রয়োজনে সবার সাথেই সমঝোতা করতে হয়েছে । কিন্তু কাউকে প্রতিষ্ঠিত করেননি। বংগবন্ধু কন্যা শেখ হ াসিনাকেও ভারত থেকে দেশে এসে আওয়ামী লীগের নেতৃত্ব হাতে নিতে দিয়েছেন আর আজ পারলে বংগবন্ধু কন্যা জিয়া পরিবারের সবাইকে ফাঁসি দিয়ে দেন বা পাকিস্তানে পাঠিয়ে দেন! দেশ যে আজ এত উপরে উঠে গেল সেজন্য আপনাকে অভিনন্দন। জয় বাংলা।

    1. ১.১
      shahriar

      Jajak-Allahu Khayran.

  2. মাহফুজ

    //মানিকগঞ্জ জেলার হরিরামপুর উপজেলার তৈয়ব আলীর দ্বিতীয় ছেলে মীর কাসেম আলীর জন্ম ১৯৫২ সালের ৩১ ডিসেম্বর।
    চট্টগ্রাম সরকারি কলেজে স্নাতক পড়ার সময় ১৯৭০ সালে জামায়াতের তখনকার ছাত্রসংগঠন ইসলামী ছাত্র সংঘের কলেজ শাখার সভাপতি হন মীর কাসেম।
    একাত্তরের ২৫ মার্চ রাতে পাকিস্তানি বাহিনী সারা দেশে বাঙালি নিধন শুরু করলে স্বাধীনতার লড়াইয়ে অস্ত্র হাতে নেয় এ দেশের মানুষ। ওই বছর ৬ নভেম্বর পর্যন্ত কাসেম চট্টগ্রাম শহর শাখা ছাত্রসংঘের সভাপতি ছিলেন এবং সেই সূত্রে ছিলেন চট্টগ্রামে আর বদর বাহিনীর নেতা। ৭ নভেম্বর দলে পদোন্নতি পেয়ে তিনি পাকিস্তান ইসলামী ছাত্র সংঘের প্রাদেশিক কার্যকরী পরিষদের সদস্য এবং পূর্ব পাকিস্তান ইসলামী ছাত্রসংঘের সাধারণ সম্পাদক হন।//
    ————————–
    কি বিশ্বয়কর উত্থান! ভাবতেও অবাক লাগে যে, মাত্র ঊনীশ বছর বয়সেই কাসেমের হাতে এতবড় দায়িত্ব চাপিয়ে দিল পাকিস্তানী হানাদারের দল। এভাবে প্রথমেই তার মাথাটা কিনে নিয়ে তাকে ‘বাংলী খান’ বানিয়ে দিল।। আর তারই জের ধরে সেই উঠতি বয়সের উন্মত্ত তরুণটি (৪৫ + ৩০০ জন) বাঙালীদের হত্যা ও নির্যাতন করার নেশায় মেতে উঠলো। অবাস্তব মনে হলেও ৪৫ বছর পরে এসেও বিচারের কাঠগড়ায় তা বাস্তবে রূপ পেল।
    ৭১ এর খুনী ফুলে ফেপে এ দেশে জামাতের অর্থনৈতিক ও স্বাস্থ্য বিষয়ক কর্মকাণ্ডের কাণ্ডারী হিসেবে পরিচিতি পেল। তার এই সাফল্য অস্বীকার করার উপায় নেই। যা চোখে পরার মত হলেও এখনো আপাতত ধরা ছোঁয়ার অনেক দূরে বলেই মনে হচ্ছে। তবে রাজনীতির খেলায় সে কিন্তু হেরে গেল। অনেক চেষ্টার পরও শেষ রক্ষা হলো না। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য এর মাঝে অনেক শিক্ষনীয় বিষয় রয়েছে।
    এভাবেই দল ও মত নির্বিশেষে বাংলাদেশের সকল কুচক্রী, দূর্নীতিবাজ, অপরাধী ও খুনীরা সাজা পাক- সেই অপেক্ষায় রইলাম। আর পেছনে ফেরার সময় নেই- সত্য স্ব-মহীমায় প্রকাশিত হোক এবং বাংলাদেশ এগিয়ে যাক।

  3. madhumangal saha

    BANGLADES  AK  DIN  BISWER DARBARA BANGALI  NAM TA  SONA  DIA LIKHBA ,,,,    TARA  PORICHOI DABA TARA  PROTHOM   BANGALI   PARA ONNO  KICHU,,,  JOY  BANGLA

  4. শাখাওয়াত জনী

    সালাম, নিবেন জিয়া সাহেব!! আপনার একঘুয়েমি আর সহ্য হলোনা, তাই মোবাইল থেকে দুই কলম লিখতে বসলাম,। প্রথমে বলে রাখি আমি মুক্তিযোদ্ধার সন্তান, আমার চৌদ্ধ গুষ্ঠি আওয়ামি রাজনিতি করে, তবে আপনার মতো পাগলামি করতে দেখিনাই; আমিও ছাত্রলীগ করেছি, পদবী ও ছিলো আমার। তবে তাদের (আওয়ামীলীগ এর)নিকৃষ্ট মনোভাব পৃথিবীর সব দলকে হার মানাবে। যাহোক মূল প্রসংগে আসি!!

    মীর কাশেম আলির বিরুদ্ধ্যে যেসব সাক্ষী সাক্ষ্য
    দিয়েছে, তাদের একজনের নাম সৈয়দ এমরান।
    ভদ্রলোক প্রথম যেদিন মীর কাশেম আলির বিরুদ্ধ্যে
    সাক্ষ্য দিতে এসেছিলেন, সেদিন তার সামনে ৬ জনকে
    দাঁড় করিয়ে বলা হলো মীর কাশেম আলিকে
    আইডেণ্টিফাই করতে (এটা ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য দিতে
    আসা সাক্ষীদের করতে হয়)। দুঃখের ব্যাপার,
    ভদ্রলোক
    মীর কাশেম আলিকে আইডেণ্টিফাই করতে ব্যর্থ
    হয়েছিলেন সেদিন। রাষ্ট্রপক্ষের উকিল পরে
    জানালো, – সেদিন
    ট্রাইব্যুনালে খুব কুয়াশা ছিলো বলে সাক্ষী মীর কাশেম
    আলিকে চিনতে ভুল করেছে। প্রথমত, এই সাক্ষ্য
    গ্রহন করা হয় এপ্রিল মাসে।এপ্রিল
    মাসে বাংলাদেশে কোনদিন শীতকাল হয়না। কুয়াশা
    থাকার প্রশ্নই উঠেনা। দ্বিতীয়ত, সাক্ষ্যগ্রহন তো
    কোন মাঠের মধ্যে কিংবা
    রাস্তায় হয়নি। হয়েছিলো আদালতের বিশেষ কক্ষে।
    সে
    কক্ষে এমন কুয়াশা কিভাবে থাকতে পারে, যে কুয়াশায়
    একজন জ্বলন্ত সাক্ষী একজন অপরাধীকে চিনতে
    পারে
    না? ভাবায়।
    মীর কাশেম আলির বিরুদ্ধ্যে সাক্ষ্য দেওয়া
    আরেকজনের নাম লুৎফর রহমান। অভিযোগ- ৭১
    সালে
    ডালিম হোটেলে মীর কাশেম আলি ভদ্রলোকের উপর
    অকথ্য নির্যাতন চালায়। ভদ্রলোক আদালতে বলেন,
    তিনি মীর কাশেম আলির
    সাথে একই স্কুল থেকে ১৯৬৮ সালে এস.এস.সি
    পরীক্ষা দিয়েছিলেন।
    ভদ্রলোক আরো বলেন, তার উপর মীর কাশেম
    আলির এই
    নির্যাতনের পর তিনি সন্তান উৎপাদন ক্ষমতা হারান।
    এখানে, প্রথমত- ১৯৬৮ সালে এস.এস.সি বলে কোন
    পরীক্ষা ছিলো না।ছিলো এণ্ট্রাস পরীক্ষা, যেটাকে
    এখন এস.এস.সি বলা হয়।
    সে যা হোক, ভদ্রলোক বলেছেন, মীর কাশেম আলির
    সাথে তিনি একই স্কুল থেকে ১৯৬৮ সালে এস.এস.সি
    পরীক্ষা দিয়েছেন। অথচ, মীর কাশেম আলীর
    সার্টিফিকেট থেকে জানা যায়, তিনি এণ্ট্রাস পরীক্ষা
    দেন ১৯৬৭ তে।
    দ্বিতীয়ত,- ভদ্রলোকের ভাষ্যমতে, ডালিম হোটেলে
    নির্যাতনের পর তিনি সন্তান উৎপাদন ক্ষমতা হারিয়ে
    ফেলেন। অথচ, ভদ্রলোক বিয়েই করেছেন এর কয়েক
    বছর
    পরে।
    পুরুষত্বহীন একজন লোক কিভাবে বিয়ে করে সন্তান
    জন্ম
    দেন, তা চিকিৎসা বিজ্ঞানের জন্য এক মহা বিস্ময়
    বটে!!
    সাক্ষ্য দেওয়া এক ব্যক্তির জন্ম নাকি ১৯৭৭ সালে।
    এরকমও শুনলাম।
    জানি না মীর কাশেম আলী সত্যিই অপরাধী কি না।
    কিন্তু, এই সরকার, এই ট্রাইব্যুনাল,এই বিচার
    ব্যবস্থার উপর
    আমার একদমই আস্থা নেই।
    আজকে আমি যদি উল্লাস করি, তা আমার জন্য যেন
    অভিসম্পাত হয়ে ফিরে না আসে। ‘হে ঈমানদারগন!
    কোন ফাসেক যখন তোমাদের কাছে
    কোন খবর নিয়ে আসে, তোমরা তখন তা ভালো করে
    যাচাই করে নাও। যাতে, তোমরা অজ্ঞতাবশঃত কোন
    গোষ্ঠীর ক্ষতি করে না বসো আর তার জন্য
    অনুতপ্ত না
    হও।’- সূরা হুজুরাত, ০৬
    আর, যারা নিজেদের মার্কসবাদ আর লেলিনবাদের
    ধ্বজাধারী ভাবে, তারা কিভাবে ফাঁসি ফাঁসি বলে
    লাফায় আর উল্লাস করে আমি বুঝিনা। মার্ক্স
    নিজেই
    ‘ডেথ পেনাল্টি’র বিরুদ্ধ্যে ছিলেন। এরা কি মার্কিষ্ট
    না
    জামাত বিরোধী বুঝি না।

    1. ৪.১
      আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন

      ধন্যবাদ আপনাকে মোবাইল থেকে দুই কলম লেখার জন্যে। এক গুয়েমির সহ্য করা আসলেই কঠিন – বিশেষ করে যখন কেউ প্রমানিত সত্যকে অস্বীকার করেব দোষ ভারতের এ্মন একটা বিষয় বিশ্বাস করে আর প্রচার করে। যাই হোক – আমাদের গ্রামে একটা কথা প্রচলিত আছে – তুফাইন্না মিস্ত্রী – মানে যখন তুফান আসে – তখন অনেক ঘরবাড়ি নষ্ট হয় – সেই সুবাদে অনেকেই কিছু যন্ত্রপাতি নিয়ে নেমে পড়ে – বাধ্য হয়ে মানুষ তাদের সাহায্য নেয় – সামান্য জ্ঞান আর শেখানো বুলি নিয়ে একটা বিচারকে অস্বীকার করার জন্যে  আপনিও " আমি মুক্তিযোদ্ধার সন্তান, আমার চৌদ্ধ গুষ্ঠি আওয়ামি রাজনিতি করে, আমিও ছাত্রলীগ করেছি, পদবী ও ছিলো আমার।" এই ধরনের কথা বলে নিজেকে গ্রহনযোগ্য করার চেষ্টা করেছেন – যা করার দরকার ছিলো না – সত্য কথা বলার জন্যে কোন ভুমিকা দেওয়ার দরকার নেই। বরঞ্চ ভুমিকা আপনাকে দেউলিয়া প্রমান করেছে। 

      এবার মুল প্রসংগে আসি – আপনি যে স্বাক্ষীর কথা বলেছেন – তার নাম লুৎফর রহমান ফারুক। মামলার ২ নং চার্জ এর মুল কেন্দ্রে উনার নাম দেখা যাচ্ছে। ট্রাইবুন্যালের রায়ের (৫৫ থেকে ৬২ পৃষ্টায়) বিস্তারিত বিবরন পড়ে কোথায় আপনার গল্পের কোন প্রমান পেলাম না – তবে স্বাক্ষীর বিষয়ে ডিফেন্স টিমের অনে বক্তব্য জাজরা স্বীকার করেছে বলেই তাকে সেই চার্জে ২০ বছরের জেল দেওয়া হয়েছে। পরে আপীলেও তা বহাল ছিলো। 

      On total evaluation of evidence adduced and circumstances revealed it is found to have been proved beyond reasonable doubt that being a potential ‘boss’ of ICS accused Mir Quasem Ali not only had significant domination and influence over the AB members at the camp at Dalim Hotel, he had material and effective ability too to guide or steer their activities done in furtherance of common purpose and design. Thus, accused Mir Quasem Ali was part of common purpose in furtherance of which ‘system cruelties and criminal activities’ were carried out at the AB camp set up at Dalim Hotel. Additionally, accused’s conduct, act and culpable presence as divulged together with his position of authority rather encompasses facilitation , abetment, approval, encouragement forming part of systematic attack directing unarmed civilians that had substantial effect to the accomplishment of the offence of abduction followed by confinement and torture as crimes against humanity as specified in section 3(2)(a)(g)(h) of the International Crimes Tribunal Act of 1973, for which accused Mir Quasem Ali is held liable under Section 4(1) and 4(2) of the Act of 1973

      (সুত্র) 

       

      আপিলের রায়ে বলা হয়েছে – Though there is no 93 corroborative evidence in respect of charge No.2, the evidence of this P.W.20 is so natural, clear and specific that we do not find anything to disbelieve the witness. The demeanour of this witness, the plausibility and clarity of his testimony are so natural that we do not find anything to discard his testimony. It is well settled principle that conviction and sentence can be awarded on the basis of testimony of a solitary witness if such testimony is free from any doubt. This witness is an injured witness and his evidence is full, complete and the contents of his testimony have not been shaken in any manner by the defence in cross-examination. There is no lacking in terms of the indicia of reliability as to be devoid of any probative value. It is also settled principle that not the quantity but the quality of evidence is to be considered. There is no impediment in law to award conviction on the basis of the testimony of single witness if he is trustworthy. On perusal of the evidence of this witness it appears to us that his testimony is trustworthy and reliable. In the case of Prosecutor V. Bagilishema (ICTR-95-IA-(Appeals Chamber) July 3, 2002 para 79 it is observed that it is well settled that the testimony of a single witness on a material 94 fact may be accepted without the need for corroboration.

      সুতরাং ঘর এবসে জাজ হওয়ার দরকার নাই। এই জন্যে আওয়ামীলীগও দরকার নাই – ছাত্রলীগের পদও দরকার নাই। 

       

  5. শাখাওয়াত জনী

    আমি প্রচণ্ড অবাক হলাম, এই ভেবে যে, আপনি হলুদ আলো, দিল্লী স্টার আর বংগনিউজ এর খবর ফলাও করিয়া শেয়ার করেছেন। কোনো মুসলিম কি আন্দাজে বিশ্বাস করে।।।এই মিডিয়া গুলা কখনো সত্য লিখেছে কিনা তা নিয়ে কিন্তু প্রশ্ন রয়ে যায়। আপনার প্রান প্রিয় নেত্রি বঙ্গ কন্যা শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে এই দিল্লী স্টার প্রোপাগান্ডা চালিয়েছিলো। ৯/১১ এর সময় আপনার প্রিয় নেত্রী ১১ মাস জেল খেটেছে।। কিছুদিন আগে আপনার প্রিয় সজিব ওয়াজেদ মামলা দিয়েছিলো, মাহফুজ আনামের নামে , ৬৪ জেলা থেকে কয়েক শত মামলা হয়েছিলো , কয়েক কোটি টাকা মান হানির মামলা ও করেছিলো।। তাহলে যে দল আপনার নেত্রির পক্ষের হয়েও তার বিরুদ্ধে লিখে, তারা জামায়াত বিরুদ্ধতা করবে এটা তো স্বাভাবিক।। আমার প্রশ্ন হলো যদি অপরাধী হয় তবে অবশ্যই শাস্তি পাওয়া উচিত। কিন্তু যে এমেনেষ্টি, ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের ভুলি আওডান তারা কিন্তু ফাসির বিরুধিতা করেছে।।। ২৫ জন এম পির সাক্ষর আছে।। আপ্নারা শুধু, ইন্ডিয়া কে খুশি রাখতে সব কিছু করে যাচ্ছেন।।।

    1. ৫.১
      আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন

      ৯/১১ এর সময় আপনার প্রিয় নেত্রী ১১ মাস জেল খেটেছে।।

       

      – আপনি করলেন ছাত্রলীগ – পদধারী ছাত্রলীগ – আর আমার নেত্রী জেল খাটলো – খুবই মজা পেলামরে ভাই। 

      সব কিছু ভারতের দোষ এই রোগ থেকে আল্লাহ আপনাকে মুক্তি দিন। 

       

  6. জনী

    জিয়া ভাই, উত্তর দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ। ব্যাক্তিগত কম্পিউটার না থাকাতে মোবাইল হতে সংখিপ্ত ২ লাইন লিখলাম। আমি মুসলিম, যদিওবা প্রকৃত মুসলিম হয়ে উঠতে পারিনাই, দোয়া করবেন যাতে সহীহ মুসলিম হতে পারি। আমি মিথ্যা বলছিনা, আপনার কাছে মিথ্যা মনে হতে পারে, মীর কাশেমের আমি কেউনা। তবে বিচারের নামে প্রহসন সহ্য করিনা আমি। একটা মানুষ সমন্দে জানতে হলে, তার সাথে মিশতে হয়, চলতে হয়। আন্দাজে কথা বলা মুসলিম এর কাজ নয়। আমি প্রথম মন্তব্যে কোরানের আয়াত দিয়ে বুজিয়েছি। একটা কথা মনে রাখুন, গোলাম মাওলা রনী আপনার থেকে আরো বেশি মেধাবী ছিল, জানেন তো উনি একবার এম,পি ছিলো , কি কারনে এম,পিত্ব গেলো তাও জানেন। মীর কাশেম সম্পর্কে উনার মন্তব্য উনার ফেসবুকে & উনার লিখা কলাম আকারে নয়াদিগন্ত পত্রিকায় ছাপিয়েছিল, তাজা খবরেও ছাপালো( http://www.taza-khobor.com/bd/ltte/34775-2014-11-05-20-24-36)
    । এখন কি বলবেন উনি দালাল, মিথ্যাবাদী। বল্লেও অবাক হবোনা, ২০১৩ থেকে আপনাকে লেখার মাধ্যমে দেখে আসছি। ভালো থাকুন, আর মুসলিম বলিয়া ধর্মনিরপেক্ষ রাজনিতির ভুলি আওডান।।আল্লাহ হাফেজ।।

  7. জনী

    জিয়া সাহেব, অত্যান্ত হাস্যকর ব্যাপার হচ্ছে আপনি বরাবর ই মিথ্যা আশ্রিত উপাত্ত দিচ্ছেন।এইরকম হাজার টা দিলেও মানুষ বিশ্বাস করবেনা। ভাই, সত্য বলতে শিখুন, সৎ রাজনীতি করুন
    । আপনি আমার একটা সাক্ষির ব্যাপারে বললেন, বাকি গুলার ব্যাপারে বললেন না যে। ওহ ঐ গুলাতো আপনার রেফারেন্স বুক এ নাই, আশা করি শিঘ্রই সংরক্ষনে রাখিবেন :p ।। ভাই, আপনি বলেছিলেন নিজামী কতো ক্রিমিনাল, কেস নিয়ে দোডাদোডি করার জন্য পোলারে ব্যারিস্টার বানাইসে। কত টা নিচু মনের & কুচ্ছিত ধারনা রাখলে এইরকম ভাবা যায়, সেটা আমি চিন্তা করি। ভাই, যদি পারেন সত্য কোনো রেফারেন্স দেন।।মোবাইল থেকে দীর্ঘ লেখা সম্ভব না।।

  8. জনী

    লক্ষণীয় ব্যাপার যে আপনি নিজ থেকে কিছুই লিখলেন না, এই পত্রিকা কি লিখলো, ঐ পত্রিকায় কি লিখলো তা ছাপিয়ে দিলেন।। শেখ হাসিনার বেয়াই খন্দকার মোশারফ সাহেব তো যুদ্ধ অপরাধী, তবে তার বিচার হবেনা কেনো?? ওহ আওয়ামীলীগ এর সংগে থাকলে সংগী, আর বিরুদ্ধে বললে জঙ্গি।। ২০০৯ থেকে অনেক কিছু দেখে আসতেছি ভাই।। শেষে একটা কোতুক বলি: কথা ছিলো শাহবাগি( ছেলে& মেয়ে) টির দেশের সব যুদ্ধাপরাধীর বিচার হয়ে গেলে, দেশ কলঙ্ক মুক্ত হলে তারা বিয়ে করবে, কিন্তু হায় কপাল দেশ কলঙ্কী মুক্ত হলো কিন্তু তারা এইডস এ আক্রান্ত হইয়া পডিয়াছে।। অগ্নি কন্যা লাকির ভিডিও টি না হয় পরে দিবো।। ভালো থাকুন, দোয়া রাখবেন। ওয়াস সালাম।

    1. ৮.১
      আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন

      শেখ হাসিনার বেয়াই খন্দকার মোশারফ সাহেব তো যুদ্ধ অপরাধী,

      – এই বিষয়ে আমি আপনার সহায়তা চাই। দয়া করে খন্দকার মোশারফের যুদ্ধাপরাধ বিষয়ক কিছু ঘটনা (স্থান-কাল) এবং ভিক্টিমদের একটা বিবরন দিন – আমি কথা দিচ্ছি এ্ই বিষয়ে সরব হবো। 

      আপনার পুরো মন্তব্যই এখানে এসে হালকা হয়ে গেলো। কারন ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ নিজে কোথাও মুক্তিযুদ্ধের বিরোধীতার ঘটনা নেই। উনার পিতা খন্দকার নুরু মিয়া ছিলেন মুসলিম লীগের সহ-সভাপতি সেই সুবাদে ফরিদপুর জেলার শান্তিকমিটির ভাইস চেয়ারম্যান ছিলেন। উনার নামেও যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ এখনও শুনা যায়নি। 

      মজার বিষয় হলো যুদ্ধাপরাধীদের পক্ষে সাফাই গাওয়া লোকজন অতি সহজেই এই ধরনের প্রপাগান্ডার ফাঁদে পড়ে মিথ্যাচার করতে থাকেন – এইটা খুবই দুঃখজনক। 

  9. জনী

    প্রথম মন্তব্যে ১/১১ হবে।।

Comments have been disabled.