«

»

অক্টো. ১৭

বাংলাদেশের উন্নয়ন বনাম বিপদ

প্রকৃতপক্ষে বাংলাদেশ একটা উন্নত দেশে পরিনত হবার দিকে চলা শুরু করে স্বাধীনতার পর থেকেই। তবে বঙ্গবন্ধু সরকারের অতি-সমাজতন্ত্র ঘেষা অর্থনীতির কারনে শুরুতে উন্নয়নের গতি যথেষ্ট দ্রুততা পায়নি। কিন্তু উন্নয়নের জন্যে মেধা এবং জনবল তৈরী ছিলো – ছিলো বললে ভুল হবে – পশ্চিম পকিস্তানের অবহেলা আর বঞ্চনার ্ বিরুদ্ধে যেমন সবাই বিক্ষুব্ধ ছিলো – ব্যবসায়ী শ্রেনী এবং উদ্যোক্তারার ছিলো তাদের শামিল। তাই স্বাধীনতার পরপরই বাংলাদেশে উন্নয়নের জোয়ার শুরু হয়। বলাই বাহুল্য একটা দেশের উন্নয়নের জন্যে রাজনৈতিক নেতৃত্বের মুল ভূমিকা থাকে – ওরা স্বপ্ন দেখে এবং বাকী সবাই স্বপ্ন বাস্তবায়ন করে। এইক্ষেত্রে বাংলাদেশে শীর্ষ রাজনীতিকরা সবাই দেশের উন্নয়নের জন্যে একভাবে কাজ করেছেন। রাজনৈতিক মতপার্থক্যের পরও উন্নয়নের ধারাকে সবাই সমানভাবে মানে টেনেছেন। 

তাই আজ দেখছি চীন ২৪ বিলিয়ন ডলার নিয়ে এগিয়ে এসেছে – শুরু হয়েছিলো ভারতের ২ বিলিয়ন ঋনের মাধ্যমে। তাকে বিশ্বব্যাংক বা আইএমএফ ঋন দেওয়ার সময় শর্তযুক্ত করে হাতপা বেঁধে দিতো। বিশ্ব্যাংকের ঋনের বড় অংশ চলে যেতো কনসালটেন্ট এর খরচ দিতো আর বাকী অংশের ভাগ বাটোয়ারা হতো টকনোক্রেটদের মাঝে। মজার বিষয় হলো – বিশ্বব্যাংক ঋণের শর্তে সরকারের খরচ কমানোর বা সীমিত রাখার শর্ত দিতো – তার মানে কর্মচারীদের বেতন বাড়ানো যেতো না – ফলাফল বাংলাদেশের সরকারী প্রশাসনের চুরি- ঘুষ একটা গভীর সংস্কৃতিতে পরিনত হয়েছে। লক্ষ্য রাখতে হবে টেকোনক্রেট আর প্রশাসনে বসে থাকে মেধাবীরা – যারা চতুরতার সাথে রাজনীতিকদের দূর্নীতিতে পার্টনার বানিয়ে রেখেদিলো – ফলাফল বাংলাদেশে দূর্নীতি একটা স্বাভাবিক বিষয়ে পরিনত হয়েছে। 

আশা করা যায় বাংলাদেশ আগামী দশকে একটা আত্ননির্ভরশীল দেশ হিসাবে বিশ্বের কাছে মাথা তুলে দাড়িয়ে যাবে। যার লক্ষন দেখছি বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্টের সফরের মাঝে। এক সময় বাংলাদেশের অর্থমন্ত্রীদের বছরের একটা বড় সময় ব্যয় করতে হয়েছে বিশ্বব্যাংকের কড়িডোরে হাটাহাটি করে – বিশ্ব্যাংকের মনযোগানোর জন্যে। এখন সময় বদলেছে। – বাংলাদেশ একটা বিরাট সম্ভাবনাময় দেশ হিসাবে সকল বিনিয়োগকারীদের নজরে এসেছে – তাই বিশ্বব্যাংক চেষ্টা করছে তাদের অর্থ বিনিয়োগ করতে। 

এই সবই ভাল লক্ষন – একটা হত দরিদ্র দেশের মানুষ ধীরে ধীরে এগিয়ে যাচ্ছে – বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে –

বাংলাদেশ দারিদ্র্য জয়ের পথে এগিয়ে যাচ্ছে। আগামী ২০৩০ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে দারিদ্র্যমুক্ত করার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে বিশ্বব্যাংকের দারিদ্র্যের সংখ্যা অনুযায়ী, মাত্র ১৩ শতাংশ মানুষ দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাস করছে। এর বেশিরভাগই বসবাস করছে চর ও দুর্গম অঞ্চলে। সমতল অঞ্চলের বেশিরভাগ মানুষই ইতোমধ্যে দারিদ্র্যের আওতা থেকে বেরিয়ে আসতে সক্ষম হয়েছে।

বিশ্বব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, গত সাত বছরে ৮০ লাখ মানুষ অতিদারিদ্র্য সীমার ওপরে উঠেছে। বাংলাদেশের ১৩ শতাংশ মানুষ অতিদারিদ্র্য সীমার নিচে রয়েছে।?যাকে বাংলাদেশের বড় একটি অর্জন বলে অভিহিত করেছে বিশ্বব্যাংক। তাদের মতে, এত বড় অর্জন কেউ করতে পারেনি।

 

শুধু মাত্র জিডিপি হিসাব দেশের উন্নয়নের সূচক হিসাবে যথেষ্ট নয় – দেখা দরকার সেই দেশের দরিদ্র মানুষের হার কত এবং সরকার তাদের জন্যে কি ব্যবস্থা নিচ্ছে। কানাডার মতো দেশে একটা অংশ দরিদ্র সীমার নীচে বাস করে – তাদের জন্যে নানান সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচী আছে (যেমন স্বল্পভাড়া বাসস্থান এবং আর্থিক সহায়তা) – বাংলাদেশও সাম্প্রতিক ১০ টাকা কেজি চাল, বৃদ্ধভাতা ইত্যাদি চালু করেছে – যা একটা মহৎ উদ্যোগ বলার অপেক্ষা রাখে না। 

 

তবে যা বলছিলাম শিরোনামে – বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বিপদ হলো দূর্নীতি। সমাজের সর্বস্থরে এই বিষ ছড়িয়ে পড়েছে। টরন্টোতে বসেও বাংলাদেশের দূর্নীতির চিত্র কিছুটা হলেও দেখা যায়। একজন প্রকৌশলী তার পরিবার পাঠিয়ে দিয়ে এই শহরে দুইটা বাড়ী কিনেছে। সেই পরিবারের দৃশ্যতা কোন আয় নেই – তাদের অর্থ আসে সিংগাপুর হয়ে হুন্ডির মাধ্যমে – একজন পত্রিকার সম্পাদকে পরিবারও দেখছি একই অবস্থায়। এইগুলো গেলো ছোটছোট চোরদের কাহিনী। বাড় চোরদের বিষয়টা আরো মজার – এই দেশে এসেই মিলিয়ন ডলারে বাড়ী কিনে ফেলেন – সাথে দামী গাড়ী (যদিও তা চালাতে পারেন না) শুধুমাত্র পরষ্পরের সাথে প্রতিযোগিতার জন্যে।

চোরদের সমিতি আছে – এরা পরষ্পরকে সহায়তা করে – একটা সিনইডেকেটেড পদ্ধতিতে এরা একদল আরেকদলকে আড়াল করে। এই সিন্ডিকেটের মাঝে রাজনীতিবিদ না শুধু – ছাত্রনেতারাও ঢুকে গেছে। সরকার বা বিরোধী দল বিষয় না – পদ থাকলেই সে সেই গোত্রের একজন। 

আর দেশে গেলেও দেখা যায় আইন আছে শুধুমাত্র অর্থ উপার্জনের উপায় হিসাবে – সেইটা জমিজমা হউক আর খুনখারাপীই হোক। আমার এক মামাতো বোন খুন হয়েছে তার কোরান শিক্ষকের হাতে – তাকে ধরার জন্যে দফায় দফায় ঘুষ দেওয়ার পরও পুলিশ ্‌উদ্যোমহীন। এক সময় অনিয়মের জালে আটকে যাবে সবাই – তাই সময় থাকতেই দূর্নীতির বিরুদ্ধে সবাইকে সোচ্চার হওয়া দরকার। দরকার আগামী প্রজন্মের জন্যে একটা বাসযোগ্য জনপদ রেখে যাওয়া অংগীকার থেকেই। 

৫ মন্তব্য

এক লাফে মন্তব্যের ঘরে

  1. মাহফুজ

    মামাতো বোন খুন হয়েছে তার কোরান শিক্ষকের হাতে – তাকে ধরার জন্যে দফায় দফায় ঘুষ দেওয়ার পরও পুলিশ উদ্যোমহীন—-ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক! এর সুষ্ঠু বিচার দাবি করছি।

    কিন্তু পুলিশ উদ্যোমহীন কেন? তাদের উদ্যোম বাড়ানোর জন্য তাহলে এখন কি কি করতে হবে? সরকার নিয়ন্ত্রিত পুলিশ প্রশাসনের কি এ ব্যাপোরে কিছুই করার নেই? সেই কোরান শিক্ষক কি পুলিশের কেউ হন? খোঁজ নিয়ে দেখা দরকার।

  2. ফাতমী

    পৃথিবীর বাস্তবতায় প্রতিটি দেশ কমবেশী অর্থনিতিক উন্নয়নের দিকে যাচ্ছে, বাংলাদেশও ব্যাতীক্রম নয়। বাংলাদেশও উন্নয়নের দিকে ছুটছে কিন্তু উন্নয়ন মানুষের কতটূকু উপকারে লাগল সেটা গুরুত্বপূর্ন। আর উন্নয়ন হলেই তো হবে না, ন্যায়বিচার এবং বিভিন্ন সামাজিক সমস্যা মোকাবেলার জন্য তেমন কিছুই নাই। কয় দিন পর পর ব্যাবসায়ীদের অতীলোভের কারখানা ভেংগে মানুষ মারা যাচ্ছে, অথচ এটি বন্দ করা হচ্ছে না বা পর্যাপ্ত চেষ্টা হচ্ছে না। আর পুলিশ এখনো সার্ভিস দেওয়ার ক্ষেত্রে অনেক অনেক পিছিয়ে, মানুষ পুলিশকে বন্ধু মনে না করে বরং ভয় পায়।

  3. কিংশুক

    বাংলাদেশের সম্পদ খুব ও সমস্যা খুব বেশি থাকলেও বাংলাদেশের আগামী দুই দশক ধরে  জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার  টানা সাত আট শতাংশে নিয়ে যাওয়া সম্ভব এবং তা হবেও ইনশাল্লাহ। এদেশের মানুষ অনেক পরিশ্রমী ও বেসরকারি উদ্যোক্তারা খুব দক্ষ । আমাদের প্রাকৃতিক সম্পদ ও ভৌগলিক সুবিধার ঘাটতি থাকলেও সরকার যদি অবকাঠামোগত সুবিধা, বিদ্যুত্ ও জ্বালানী নিরাপত্তা, স্থিতিশীল রাজনৈতিক পরিবেশ এবং অবশ্যই দূর্ণীতির রাশ টেনে ধরতে পারে তাহলে বাংলাদেশের মধ্য আয়ের দেশ ও এক সময় উচ্চ মধ্য আয়ের দেশে পরিনত হওয়া সময়ের ব্যাপার মাত্র । অন্ততঃ ভারত, পাকিস্তানের চেয়ে বাংলাদেশের সম্ভাবনা মোটেই কমনা। বাংলাদেশিদের যেমন অনেক দোষ আছে তেমনই অনেক গুনও আছে। আর বৈষম্য দুর করতে সরকারের কল্যাণ কামী, দরিদ্র বান্ধব, ভর্তুকি নির্ভর কিছু পদক্ষেপ নিতে হবে কিন্তু তার সূফল টার্গেট গ্রুপ পেতে হলে দূর্ণীতি বন্ধ করতেই হবে। সরকারের অনেক দায়িত্ব রয়েছে ।

  4. কিংশুক

    বাংলাদেশের সম্পদ খুব কম ও সমস্যা খুব বেশি থাকলেও বাংলাদেশের আগামী দুই দশক ধরে  জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার  টানা সাত আট শতাংশে নিয়ে যাওয়া সম্ভব এবং তা হবেও ইনশাল্লাহ। এদেশের মানুষ অনেক পরিশ্রমী ও বেসরকারি উদ্যোক্তারা খুব দক্ষ । আমাদের প্রাকৃতিক সম্পদ ও ভৌগলিক সুবিধার ঘাটতি থাকলেও সরকার যদি অবকাঠামোগত সুবিধা, বিদ্যুত্ ও জ্বালানী নিরাপত্তা, স্থিতিশীল রাজনৈতিক পরিবেশ এবং অবশ্যই দূর্ণীতির রাশ টেনে ধরতে পারে তাহলে বাংলাদেশের মধ্য আয়ের দেশ ও এক সময় উচ্চ মধ্য আয়ের দেশে পরিনত হওয়া সময়ের ব্যাপার মাত্র । অন্ততঃ ভারত, পাকিস্তানের চেয়ে বাংলাদেশের সম্ভাবনা মোটেই কমনা। বাংলাদেশিদের যেমন অনেক দোষ আছে তেমনই অনেক গুনও আছে। আর বৈষম্য দুর করতে সরকারের কল্যাণ কামী, দরিদ্র বান্ধব, ভর্তুকি নির্ভর কিছু পদক্ষেপ নিতে হবে কিন্তু তার সূফল টার্গেট গ্রুপ পেতে হলে দূর্ণীতি বন্ধ করতেই হবে। সরকারের অনেক দায়িত্ব রয়েছে ।

  5. শামস

    রাজনীতিবিদরা যখন উন্নয়নের কথা বলে, এবং তা বারবার বলে তখন সন্দেহবাতিক হবার যথেষ্ট কারণ আছে। চোখ বুঝে বিশ্বাস না করে একটু খতিয়ে দেখার পর একটা ভয়াবহ চিত্র দেখা গেলঃ

    ১। বিশ্বের সবচেয়ে সস্তা শ্রমের দেশে, নিজস্ব স্টীল, পাথর এবং সিমেন্ট কাঁচামাল হিসেবে থাকার পরেও রাস্তা,সড়ক, সেতু, রেল ট্র্যাক বানাতে আমাদের দেশে কিমি প্রতি বিশ্বে সবেচেয়ে বেশি খরচ হয়। অর্থাৎ দুর্নীতিটা একেবারে মাথা থেকে এবং তা খুবই প্রাতিষ্ঠানিক।

    ২।  ৫ বছরেই মোট বিদেশী ঋণ ২২ বিলিয়ন ডলার থেকে ৬১ বিলিয়ন ডলার যাচ্ছে (অথচ  ৪০ বছর পর্যন্ত আমাদের ঋণ ছিল ২২ বিলিয়ন ডলার)। এ ঋণের সুবিধা ভোগ করবে এলিটারা, এ থেকে চুরি ডাকাতি করবে এবং যে কাজ হবে তার থেকেও। মধ্যবিত্তের একটা বড়ো অংশ সুবিধা লাভ করবে কিন্তু দায় নিতে হবে সংখ্যাগরিষ্ঠসহ সকলের। 

    ৩। রাশিয়া, ভারত (চীন এর'টা এখনো জানা যায় নাই!) ইত্যাদি দেশ থেকে ঋণ নেয়া হয়ছে উচ্চ সূদে। দ্বিপাক্ষিক এসব ঋণের সুদ এবং শর্ত খুব কঠিন।  ভারতের ক্ষেত্রে সুদ কন্ডিশনালি বিশ্ব ব্যাংকের সুদের ২ গুণ, কিন্তু প্রকল্প ২ বছরের মধ্যে না করলে সুদ ২% এর উপরে মানে বিশ্ব ব্যাংকের সুদের প্রায় ৪ গুণ, চীনের ক্ষেত্রেও সেরকমই। রাশান চুক্তি চরম অস্পষ্ট এবং যা বাইরে বলা হয়েছে তার বহু মিথ্যা (এই সেদিনই দেখা গেল পারমাণু বর্জ্য ব্যবস্থাপনা রাশিয়া করবে না, সরিয়ে নিবে না বর্জ্যা)। সাময়িক একটা আপাত উন্নয়নের কারসাজিতে রাজনৈতিক লাভালাভির জন্য যে ভয়াবহ জালে আটকে পুরো দেশকে দেউলিয়া করে দেয়া হচ্ছে, এই দিকে কারো কোনো খেয়াল নেই! 

    ৪। রামপালে নাকি অতি উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করে পরিবেশবান্ধবভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হবে, যা দেখা গেছে অসত্য। পরমাণুবর্জ্য পরমাণু প্রযুক্তির ব্যবহারের অন্যতম প্রধান সমস্যা। পাশ্চাত্যের দেশগুলো জেনেশুনেই পারমাণবিক বর্জ্য সমুদ্রে নিক্ষেপ করতো, কিন্তু জনসচতনতার কারণে এখন তা পারছে না। এগুলোর অপসারণ যদি বাংলাদেশকে করতে হয় তাহলে এমনিতেই চরম ব্যয়বহুল (যার ঋণের  দুই-তৃতীয়াংশই সুদ!) তাহলে যে খরচ বলা হচ্ছে তার চেয়ে অনেক বেশী হবে। দেখা যাচ্ছে প্রায় প্রতিটি প্রজেক্ট নিয়ে জনগণের সাথে চরম অসততা, জালিয়াতি এবং মিথ্যাচার করা হচ্ছে, নৈতিকতার কোন বালাই নাই। একই কাজ করা হয়েছিল বিদ্যুৎ নিয়ে কুইক রেন্টালের দোহাই দিয়ে, আর এগুলো আবার তাদের সমর্থকগোষ্ঠী চোখকান বন্ধ করে এসব প্রচার করেছে।

    দুর্নীতির কথা আসলে দুর্নীতিকে প্রাতিষ্ঠানিক করণে যারা জড়িত, একেবারে মাথা থেকে হিসেব না করলে, রাজনৈতিক দল এবং তাদের অনুগত সুবিধাভোগীদের প্রতি ওয়াকওভার দিলে দুর্নীতির বাকী সব হিসেব নিকেশ ফাঁকা বেলুন। 

    বাই দ্যা ভাই, শুনলাম বেসিক ব্যাংকের বাচ্চু মিয়াও এখন বিদেশে বহাল তবিয়তে আছেন, ওনার ক্ষমতা নাকি অসাধারণ, দুর্নীতি দমন বুরো সেই ক্ষমতার প্রতি সম্মান জানায়ে উনারে ওয়াকওভার দিয়ে দিয়েছে। 

    মন্তব্যের কিছু অংশ এই ফেসবুক স্ট্যাটাস থেকে নেয়াঃ https://www.facebook.com/ 

     

Comments have been disabled.